| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
লিখতে চাই অন্যায়ের বিরুদ্ধে। রাজনীতি,সাংস্কৃতিক বা ধর্মের ব্যাপারে মতামতের ভিন্নতা থাকা সত্বেও মতামত প্রকাশের ক্ষেত্রে আক্রমনাত্বক বা উষ্কানীমূলক কিছু না লিখে সকলের সহনশীলতার পরিচয়ই লেখার উৎকর্ষ সাধনের একমাত্র হাতিয়ার।যদিও লেখার হাত পাকা না। বাংলা মাতৃভাষা হলেও বানানে হয় অনেক ভুল। তার পরেও চেষ্টা করছি কিছু লেখার। সত্য বলার মতো সাহসী লোকের সংখ্যা দিন দিন কমে যাচ্ছে। এখন দেখি সবাই দু\'ধারায় বিভক্ত হয়ে পড়েছে। কেউ আওয়ামী লীগ কেউবা বিএনপি। সঙ্গত কারণেই লেখা হয়ে উঠে আওয়ামী পন্থী অথবা বিএনপি পন্থী।পন্থী নিয়ে লিখতে লিখতে আমরা মূল স্রোতধারা থেকে ছিটকে পড়ছি। কি লিখছি বোঝাই দায়। মনে হয় কোন দলকে গালি দিচ্ছি।
ড্রাকুলার হাসিনা তো আর এমনি এমনি বলেনি যে, আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত চিরকাল তা মনে রাখবে।
রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র। যা মূলত ভারতকে একতরফা সুবিধা দেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল যেখান থেকে বাংলাদেশ একবিন্দু সুবিধাও পায়নি ভবিষ্যতেও পাবেনা। এই প্রকল্পটির জন্য ভারতের এক্সিম ব্যাংক থেকে ১৬০ কোটি ডলার বা প্রায় ২০,০০০ কোটি টাকা ঋণ নেয় সরকার শর্তথাকে যে, কোন কারণে স্থাপনার ধ্বংস হয়ে গেলেও পুরোটাকা বাংলাদেশকে পরিশোধ করতে হবে ভারত কোন দায় নেবেনা অথচ দুই দেশের শেয়ার ৫০:৫০। ভারত লাভের ৫০ শতাংশ নেবে কিন্তু ক্ষতির ৫০ শতাংশ নেবেনা।
প্রকল্পটির ৫০ শতাংশের মালিক বাংলাদেশ হলেও স্থাপন, পরিচালনা ও বিদ্যুৎ বিক্রি সবকিছুরই একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ ছিল ভারতীয়দের হাতে। প্রকল্পের মাটি ভরাট থেকে শুরু করে সব কার্যক্রম করে ভারত সরকার। লোকবলও নেওয়া হয় ভারত থেকে। যন্ত্রপাতি সরবরাহ ও নদী ড্রেজিং থেকে সব কাজই এককভাবে ভারতীয় প্রতিষ্ঠান করেছে। মোংলা বন্দর জেটি থেকে রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র পর্যন্ত ১৩ কিলোমিটার নৌপথটিতে ‘ড্রেজিং করপোরেশন অব ইন্ডিয়া লিমিটেড’ নামের প্রতিষ্ঠান নামমাত্র কাজ করে ১১৯ কোটি টাকা তুলে নেয়। দ্বিপক্ষীয় চুক্তি অনুযায়ী, এসব কাজে বাংলাদেশের কোনো প্রতিষ্ঠানের অংশ নেওয়ার সুযোগ ছিল না।
বিদ্যুৎকেন্দ্রের নির্মাণপর্যায়ে প্রায় দুই হাজার ভারতীয় নাগরিক কাজ করেছে। নামে মাত্র কয়েকজন বাংলাদেশি প্রকৌশলী কাজের সুযোগ পেয়েছিল প্রকল্পটিতে। বিদ্যুৎকেন্দ্রে অবস্থানকালীন ভারতীয় নাগরিকদের খাবার-দাবার থেকে শুরু করে তাদের ব্যবহারের যাবতীয় সরঞ্জমাদিও ভারতীয় ঠিকাদার সরবরাহ করত। হাজার হাজার লোকের এ বিশাল কর্মযজ্ঞের মধ্যে প্রকল্পের আশপাশে একটি টং দোকানও গড়ে তুলতে পারেনি কোনো বাংলাদেশি।
চুক্তি অনুযায়ী, ২০১৬ সালের মধ্যে এ বিদ্যুৎকেন্দ্রটি উৎপাদনে যাওয়ার কথা থাকলেও মানহীন যন্ত্রপাতির কারণে শুরুতেই হোঁচট খায়। ২০২৪ সালের শুরুর দিকে বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদনে আসার কয়েকদিনের মধ্যে এটি বন্ধ হয়ে যায়। বিভিন্ন কারণে গত এক বছরে ৩০ বার বন্ধ হয়েছে।
২০২৪ সালের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে শেখ হাসিনার পতন ও পলায়নের সঙ্গে সঙ্গে এ বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে ভারতীয় নাগরিকরাও পালিয়ে যান। তাদের পলায়নের পর ভারতীয় নাগরিকদের উচ্চ বেতনের বিষয়টি সামনে আসে। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে উচ্চ বেতনের ৯ জন ভারতীয় কর্মকর্তা এ বিদ্যুৎকেন্দ্রে কাজ করতেন। ভারতীয় নাগরিকদের উচ্চ বেতন ও অর্থ লোপাটের বিষয়টি তদন্ত করার জন্য দুদক থেকে উদ্যোগ নেওয়ার পর চলতি বছরের ২৪ জানুয়ারি কাউকে না জানিয়ে তারাও সবাই পালিয়ে যায়।
বাগেরহাটের রামপাল তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভারতীয়দের বাড়তি বেতন-সুবিধায় অসম চুক্তিটি এতোটাই ভায়ানক ছিল যে সমমানের একজন বাংলাদেশি প্রকৌশলীর বেতনের চেয়ে ভারতীয় একজন প্রকৌশলী বেতন নিয়েছে ২৫ গুণ।
তাই তো ড্রাকুলা হাসিনা বলেছিল, আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত চিরকাল তা মনে রাখবে।
বিস্তাতির এখানে দেখুন।
২|
১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:১৬
দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: হাসিনা ভারতের সংগে যত চুক্তি করেছে তার কোন চুক্তিই বাংলাদেশের ফেভারে হয়নি সবগুলো চুক্তিতেই ভারত ষোলআনা লাভবান হয়েছে। একারণেই হাসিনা বলতো আমি ভারতকে যা দিয়েছি ভারত তা চিরকাল মনে রাখবে।
৩|
১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ২:৫০
মাথা পাগলা বলেছেন: বাংলাদেশের টাকায় মুদির দেশ চলে। আপা ক্ষমতায় নেই তাই এখন মুদির দেশে দুর্ভিক্ষ চলছে।
৪|
১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৩:১৪
জ্যাক স্মিথ বলেছেন: যাক ভালো হয়েছে এখন সব দোষ হাসিনার ঘাড়ে চাপিয়ে দিয়ে দায় সারা যাবে। ![]()
৫|
১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:০৮
জুল ভার্ন বলেছেন: আফায় এখন গিদি
৬|
১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ বিকাল ৪:২৩
অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: গ্যাস-বিদ্যুৎ সুবিধা কেমন পাচ্ছেন এখন?
©somewhere in net ltd.
১|
১৬ ই আগস্ট, ২০২৬ দুপুর ১:২৫
সৈয়দ কুতুব বলেছেন: আমার দেশ মনে হয়, এআই দিয়ে অনুসন্ধান করে রিপোর্ট বানিয়েছে। এআই কে ডিরেকশন দিলে রামপাল নিয়ে সেইম লেখা আসে । যাই হউক জরুরি কথা হলো শুধু রামপাল নয় আদানির থেকে বিদ্যুত নেয়াটা গলার ফাঁস হয়ে গেছে । যখন আমাদের এলএনজি টারমিনালে কারিগরি ত্রুটি হয় ঠিক সে সময় আদানি খারাপ আবহাওয়ার কথা বলে বিদ্যুত কমিয়ে দেয় । বিষয়টা যাচাই করার দরকার । বকেয়া নাকি অন্য কোনো কারণে এমনটা করছে সরকার নজর দিক । প্রতি ইউনিট বিদ্যুতের দাম ১৪ টাকা ৮৬ পয়সা করে আমরা কিনে নেই। এত এক্সপেনসিভ বিদ্যুত আর কোনোটাই নয় । এসব কারনে সাবসিডি বেড়ে গিয়েছে । এখন সরকার দফায় দফায় দাম বাড়াবে সাবসিডি কমিয়ে নিতে । পাশাপাশি তেল আমদানি করে ফাও এক বিলিয়ন ডলার ভারত কে দিয়ে চলেছি। নিজেরা সক্ষমতা অর্জনের বালাই নেই । বিদ্যুত নিয়ে যেসব কারসাজি হয়েছে ইহা বিরল ঘটনা ।