| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সাহাদাত উদরাজী
[email protected] ০১৯১১৩৮০৭২৮গল্প ও রান্না udrajirannaghor.wordpress.comপ্লে স্টোরে ‘গল্প ও রান্না’ এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন! আনন্দ সংবাদ! বাংলা রেসিপি নিয়ে এই প্রথম প্লে স্টোরে এন্ড্রয়েড এপ্লিকেশন! ‘গল্প ও রান্না’ এখন Play Store এ Apps হিসাবে আপনার হাতের কাছে। নেট কানেশন বা WiFi জোনে থেকে Play Store এ যেয়ে golpo o ranna বা “Golpo O Ranna” বা “com.udraji.rannaghor” লিখে সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন। খুব সহজেই আপনি আপনার এন্ড্রয়েড মোবাইলে ‘গল্প ও রান্না’র আইকন ইন্সটল করে নিতে পারেন। ফলে আপনাকে আর মোবাইলে আমাদের সাইট দেখতে লিঙ্ক বা কোন ব্রাউজার ব্যবহার করতে হবে না। নেট কানেশন বা ওয়াইফাই জোনে থাকলেই আপনি ওয়ান ক্লিকেই গল্প ও রান্না দেখতে পাবেন।
অনেক দিন গল্প করা হয় না, আসুন, কয়েকটা গল্প করি! মুলত বাংলাদেশের প্রতিটা ধুলাবালুতেও গল্প আছে, একদিন সব লেখা হবে হয়ত, কেমন হল জানাবেন!
১।
আমার এক বন্ধুর কাছে আজ জানলাম, সে তার একটি স্যামসং মোবাইল সেটে ৯ বার স্ক্রীন পাল্টিয়েছিল, কারণটা ছিলো, তার ছোট ছেলে মোবাইল চাইতো আর সে দিত, ব্যস কয়েকদিন পর পরেই ফ্লোরে পড়ে দফারফা, পরদিন সকালে আবার চেইঞ্জ! আমি হাসি থামাতে পারছিলাম না, ৯ বার একটা মোবাইলে স্ক্রীন পরিবর্তন, 'আহ, মোবাইল্টার উপর দিয়ে কত না ধকল গেল'! তবে এখানে আমার আগ্রহ শেষ না, আমি বন্ধুর কাছে জানতে চাইলাম, এখন মোবাইল সেটা কোথায় আছে? সে বলল, পরে সেই সেট বুয়ার জামাইকে দেয়া হয়েছিল এবং এখনো জামাই সেই সেট ব্যবহার করে।
২।
আমার আরেক বন্ধু, মোটামুটি দুনিয়ার সব কাজ কর্ম থেকে নিজকে উঠিয়ে নিয়েছে (এটা আগেই জানি, বেশ কয়েক বছর আগে থেকেই)! সে এখন আর কোন কাজ করে না, ৫ওয়াক্ত নামাজ এবং বিকেল সন্ধ্যায় বের হয়, এই জীবন! তার সাথে দেখা। সে জানালো, এই দুনিয়াতে কি আর করার আছে? আরো জানতে চাইলাম, সময় কাটে কি করে? সে অবলীলায় জানালো, দিনে খুব একটা বাসা থেকে বের হয় না, সন্ধ্যায় মাঝে মাঝে বের হয়, একা হাটে বা কোথায় বসে একা একা মোবাইলে লুডু খেলে!
৩।
আমার আরেক বন্ধু, দেখা হলেই জেলা ভ্রমনের প্লান, চল এই জেলায় যাই, চল সেই জেলায় যাই, বাংলাদেশের কত রুপ রহস্য দেখা হল না এখনো! মানে পারলে জায়গা থেকে আমাকে জেলা শহর ঘুরিয়ে নিয়ে আসে! অনেকদিন ধরেই শুনে আসছি, এখন আমি আর তেমন কেয়ার করি না, বল, তোর যা ইচ্ছা আমাকে সেই জেলায় নিয়ে যা, আমি রেডী! আজকে বলে 'চল আগামী বৃহস্প্রতিবার রাঙ্গামাটি যাই, তিন দিনের ট্যুর!
৪।
আমার আরেক সিনিয়র ২০ বছরের পুরানো বন্ধু, দেখা হলেই বলে, যখন ইচ্ছা চলে এসো বাসায়! তোমার ভাবী নাই, দুইজনে মিলে, কাচ্চি/বিরিয়ানী রান্না করবো নে! হ্যাঁ, আমার এই বন্ধু এক সময়ে আমেরিকা ছিলো, তাকে আমেরিকান শেফ বলা যায়, ভাল রান্না করে! আমি অবশ্য ভাবীর ভয়ে তেমন যাই না! ভাবী টের পাইলে ওরেও সাইজ করবো, লগে আমারেও!
৫।
আমার আরেক বন্ধু, প্রবাসী! হুঠাট করে দেখা হয়ে যায়। এই কয়েকদিন দেখি না, আবার দেখি বান্ধা হাজির! ফলে এখন আর তেমন জিজ্ঞেস করি না, কবে এল আর কবে গেল! কয়েকদিন আগে দুপুরে অফিসে হাজির, চল, মতিঝিল যাই, ক্যাফে ঝিলের খিচুড়ি খেয়ে আসি! বন্ধুর এই অফার কি ফেলা যায়! না, আমিও তার পথ ধরি! রিক্সায় আমরা মতিঝিলের পথে থাকি! বছরে এমন কয়েকবার হয়ই! এই পথে সে তার পুরানো এক প্রেমিকের নাম ধরে প্রায় বলে, দেখ দেখ, এই বিল্ডিং এর চার তলায় ইশরাতেরা থাকত! বিল্ডিংটা আপনারাও চিনে থাকবেন! আমাদের মন্ত্রী মোস্তাফা জাব্বার ভাইয়ের আরাম্বাগের অফিসের উল্টা দিকের মতিঝিল কলোনীর কোনার বিল্ডিংটা!
আজকে আপাতত এই পর্যন্ত! আবার গল্প হবে নে, আমি আছি আপনাদের সাথে!
পুরানো
২|
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৫৪
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: পড়লাম।এরকম গল্প আসলেই অগনিত।একটা মানুষ যদি ৬০ বছর বাঁচে,তাহলে তার জীবনে গল্প হতে পারে ৬০ হাজার অথবা তারও বেশি
৩|
০৭ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১২:৫৪
মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: জীবনের গল্পগুলো চলতে থাকুক।
©somewhere in net ltd.
১|
০৬ ই নভেম্বর, ২০২৬ রাত ১১:০৪
রাজীব নুর বলেছেন: জীবনের গল্প গুলোই আসল গল্প।