নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

Founder & Editor-in-Chief: priyobarishal.com | Journalist | Construction & Real Estate Expert

ওয়াদুদ সোহেল মোল্লা

Founder & Editor-in-Chief: priyobarishal.com | Journalist | Construction & Real Estate Expert

ওয়াদুদ সোহেল মোল্লা › বিস্তারিত পোস্টঃ

কুয়াকাটার বালুচরে ঝিনুকের গান আর বিদেশি অতিথিরা

০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৬:৫৪


সকালের মিষ্টি রোদে কুয়াকাটার দিকে তাকালে মনে হয় প্রকৃতি যেন নিজে হাতে কোনো নিখুঁত ক্যানভাস এঁকে রেখেছে। সমুদ্রের নীল জলরাশি আর পাড়ের সবুজ বন মিলে এক অদ্ভুত মায়া তৈরি করে। এই মায়ার টানেই তো মানুষ ছুটে যায় সমুদ্রের কাছে। একটু শান্তির খোঁজে, একটু সমুদ্রের গর্জন শুনতে।

এবার কুয়াকাটায় গিয়ে এক অদ্ভুত দৃশ্য দেখলাম। জোয়ারের পানি সঙ্গে করে নিয়ে এসেছে হাজার হাজার সাদা ঝিনুক। ভাটার টানে সেই ঝিনুকগুলো পুরো বালুচরে এমনভাবে বিছিয়ে থাকে, যেন কে যেন সাদা কার্পেট পেতে দিয়েছে। লাল কাঁকড়াদের ছোটাছুটি আর ঝিনুকের শৌখিন রূপ দেখে চোখ জুড়িয়ে যায়। মানুষ প্রকৃতির এই দান পরম যত্নে উপভোগ করছে। কেউ ছবি তুলছে, কেউ আবার আনমনে হেঁটে বেড়াচ্ছে সৈকতজুড়ে।

সবচেয়ে ভালো লাগার বিষয় হলো, এখন কুয়াকাটায় শুধু দেশি মানুষ নয়, বিদেশিরাও আসছেন। রাশিয়া, সুইজারল্যান্ড, নাইজেরিয়া কিংবা নেপালের মানুষ ঘুরছেন এখানকার মেঠোপথ ধরে। মিনি সুইজারল্যান্ড বা লেম্বুর বনে তাদের চোখে-মুখে যে বিস্ময় দেখি, তাতে মনটা ভরে যায়। আমাদের দেশের মাটি ও মানুষের সহজ সরল আতিথেয়তা তাদের মুগ্ধ করছে।

তবে ভয় একটাই। মানুষের অতিরিক্ত ভিড় আর অসচেতনতায় এই সুন্দর পরিবেশ যেন নষ্ট না হয়। ঝিনুক ভাঙচুর করা বা সৈকতে ময়লা ফেলার মতো বোকামি আমরা যেন না করি। প্রকৃতির এই অমূল্য সম্পদ টিকিয়ে রাখার দায়িত্ব আমাদেরই। কুয়াকাটা শুধু একটি সমুদ্র সৈকত নয়, এটি আমাদের উপকূলের প্রাণের গল্প।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ০৪ ঠা অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৩৫

মহাজাগতিক চিন্তা বলেছেন:



কুয়াকাটাকে শুধু একটি পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে নয়, প্রকৃতির নিজস্ব এক শিল্পকর্ম হিসেবে দেখার দৃষ্টিটাই আপনার লেখার সবচেয়ে সুন্দর দিক। জোয়ারে ভেসে আসা হাজার হাজার ঝিনুক, বালুচরে লাল কাঁকড়ার ছোটাছুটি আর বিদেশি পর্যটকদের বিস্মিত চোখ—সব মিলিয়ে লেখাটি পড়তে পড়তে মনে হলো আমিও যেন কুয়াকাটার সেই বালুচরে হাঁটছি।

তবে সৌন্দর্যের পাশাপাশি আপনার শেষের সতর্কতাটিও খুব গুরুত্বপূর্ণ। পর্যটকের সংখ্যা বাড়বে, মানুষ প্রকৃতির কাছে যাবে—এটাই স্বাভাবিক; কিন্তু সেই সঙ্গে পরিবেশের প্রতি দায়িত্ববোধও বাড়তে হবে। ঝিনুক, বালুচর, লাল কাঁকড়া কিংবা সৈকতের স্বাভাবিক পরিবেশ নষ্ট করে পর্যটন কখনোই টেকসই হতে পারে না।

প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগের পাশাপাশি তাকে রক্ষা করার কথাটিও মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ। কুয়াকাটা আরও সুন্দর হোক, তবে সেই সৌন্দর্য যেন আগামী প্রজন্মও অক্ষত অবস্থায় উপভোগ করতে পারে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.