| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ওয়াদুদ সোহেল মোল্লা
Founder & Editor-in-Chief: priyobarishal.com | Journalist | Construction & Real Estate Expert

চারপাশে তাকান, শুধু ডেঙ্গু আর ডেঙ্গু। সরকারি হাসপাতালে পা ফেলার ঠাঁই নেই। মানুষ অসুস্থ হয়ে কাতরাচ্ছে। কিন্তু আমাদের সমাজটা কেমন যেন দিন দিন অদ্ভুত হয়ে যাচ্ছে। মানুষের বিপদের সময় সুযোগ খোঁজা ছাড়া বুঝি আমাদের অন্য কোনো কাজ নেই!
বরিশালের কথাই ধরুন না কেন। সরকারি ল্যাবের দীর্ঘ লাইন দেখে মানুষ যখন বাধ্য হয়ে প্রাইভেট ডায়াগনস্টিক সেন্টারে যাচ্ছে, তখন সেখানে শুরু হয়েছে আরেক দফা পকেট কাটার খেলা। ৩০০-৪০০ টাকার টেস্টের জন্য রাখা হচ্ছে ৮০০ থেকে ১১০০ টাকা। অদ্ভুত ব্যাপার বটে! যারা মানুষের জীবন নিয়ে এই ব্যবসা করে, তাদের বিবেকটা আসলে কোন পাথরে তৈরি?
স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে ব্যবস্থা নেবে। ডায়াগনস্টিক সমিতি দোষ চাপাচ্ছে অন্যদের ঘাড়ে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত বলি তো বলির পাঁঠা হচ্ছে ওই সাধারণ গরিব মানুষগুলোই। জ্বর হলে মানুষ হাসপাতালে যাবে, চিকিৎসা পাবে—এটাই তো স্বাভাবিক নিয়ম হওয়ার কথা ছিল। অথচ আজ সেটাই সবচেয়ে বড় বিলাসিতা হয়ে দাঁড়িয়েছে। কবে আমাদের এই লোলুপ দৃষ্টি বদলাবে, কে জানে!
©somewhere in net ltd.
১|
১১ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:৩৯
ধুলো মেঘ বলেছেন: শোকর করা উচিত যে তৃতীয় বিশ্বের দেশে জন্মেছেন। জ্বর হবার সাথে সাথেই হস্পিটালে যেতে পারছেন, টেস্ট করাতে পারছেন। জন্মাতেন কোন উন্নত দেশে - ডাক্তারের এপয়েন্টমেন্ট পেতেই দুসপ্তাহ। আর হেলথ ইন্স্যুরেন্স না থাকলে আপনার কষ্টার্জিত ৪ মাসের বেতনের টাকা এক সিটিংয়েই নাই হয়ে যাবে।