| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
ওয়াদুদ সোহেল মোল্লা
Founder & Editor-in-Chief: priyobarishal.com | Journalist | Construction & Real Estate Expert

সময় বড় অদ্ভুত জিনিস। চোখের পলকে কেটে যায় দীর্ঘ দুটি দশক। ২০০৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর বরিশালের ডেফুলিয়ায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া নিজ হাতে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন শহীদ জিয়াউর রহমান বিশ্ববিদ্যালয়ের। তখন কে ভেবেছিল এই মাটি একদিন খবরের শিরোনাম হবে?
আজ সেই ক্ষমতার পালাবদল ঘটেছে। কর্ণকাঠিতে তৈরি হয়েছে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়। আর ডেফুলিয়ার সেই নির্ধারিত জমি নিয়ে শুরু হয়েছে নতুন এক জটিলতা। একপক্ষ বলছে জমি দখলের মহোৎসব চলছে, আবার অন্যপক্ষ বলছে সবকিছু হচ্ছে সম্পূর্ণ বৈধ নিয়মে। ভূমি অফিসের খাতায় আবার অন্য হিসাব। পৌনে চার একর সরকারি জমি নাকি রেকর্ড হয়ে গেছে ব্যক্তির নামে।
জেলা প্রশাসক থেকে শুরু করে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক—সবাই এখন মাঠে নেমেছেন জট খুলতে। সাধারণ ভূমি মালিকরা বলছেন তাঁরা বৈধ উপায়ে জমিও কিনেছেন, অথচ অকারণে হয়রানির শিকার হচ্ছেন। রাজনীতি আর প্রোপাগান্ডার ভিড়ে সাধারণ মানুষের এই কষ্টের শেষ কোথায়? ইতিহাস কি কেবল কিছু স্মৃতিচিহ্ন আর মামলা-মোকদ্দমার মাঝেই হারিয়ে যাবে? নাকি সত্যের জয় হবে শেষ পর্যন্ত? উত্তরটা হয়তো সময়ের হাতেই তোলা রইল।
২|
১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ সকাল ৮:৩০
স্বপ্নের শঙ্খচিল বলেছেন: জেলা প্রশাসক থেকে শুরু করে সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক
সবাই এখন মাঠে নেমেছেন জট খুলতে।
..................................................................................
কুম্ভকর্ণর ঘুম এভাবে কতদিন চলবে ?
৩|
১৪ ই অক্টোবর, ২০২৬ দুপুর ১২:৪৭
রাজীব নুর বলেছেন: জানলাম।
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৯:১০
নাহল তরকারি বলেছেন: ডেফুলিয়ার এই ইতিহাস শুধু একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের স্মৃতি নয়, বরং এটি আমাদের শিক্ষা, ঐতিহ্য ও জনস্বার্থের সঙ্গে জড়িত। সরকারি জমির মালিকানা নিয়ে কোনো জটিলতা থাকলে তা নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দ্রুত সমাধান করা জরুরি। একই সঙ্গে বৈধ জমির মালিকরা যেন হয়রানির শিকার না হন, সেটিও নিশ্চিত করতে হবে। রাজনৈতিক বিতর্কের ঊর্ধ্বে উঠে প্রকৃত সত্য উদ্ঘাটন, সরকারি সম্পত্তির সুরক্ষা এবং সাধারণ মানুষের ন্যায্য অধিকার প্রতিষ্ঠাই হোক সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রধান লক্ষ্য।