নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

Founder & Editor-in-Chief: priyobarishal.com | Journalist | Construction & Real Estate Expert

ওয়াদুদ সোহেল মোল্লা

Founder & Editor-in-Chief: priyobarishal.com | Journalist | Construction & Real Estate Expert

ওয়াদুদ সোহেল মোল্লা › বিস্তারিত পোস্টঃ

মা ইলিশ বাঁচবে, জেলে কি না খেয়ে মরবে?

১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ সন্ধ্যা ৭:৪৪


খবরের কাগজ খুললেই বা অনলাইনে চোখ রাখলেই আজকাল একটা শিরোনাম চোখের সামনে বারবার ভেসে ওঠে— মা ইলিশ রক্ষা অভিযান। বছরের এই সময়টা এলেই উপকূলের নদীগুলোতে এক অদ্ভুত নীরবতা নেমে আসে। জালের বান্ডিল ঠিক করা কিংবা নৌকা রঙ করার চঞ্চলতা হারিয়ে চারপাশ কেমন যেন থমথমে হয়ে যায়।

মা ইলিশ আমাদের জাতীয় সম্পদ। এর বংশবৃদ্ধি নিশ্চিত করতে ২২ দিনের যে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়, তা তো দেশের স্বার্থেই। এই নিয়ে দ্বিমত করার কোনো অবকাশ নেই। কিন্তু আইনের বাস্তবায়ন আর খেটে খাওয়া মানুষের জীবিকার হিসাবটা যখন মেলাতে যাই, তখনই কিছু কঠিন প্রশ্ন মনের ভেতর ভিড় করে।

বরিশাল বিভাগের ছয় জেলায় আজ প্রায় তিন লাখ ৭০ হাজার জেলে কর্মহীন। ভোলার মেঘনা-তেঁতুলিয়া তীর থেকে শুরু করে পটুয়াখালী বা বরগুনার নদী পাড়ের মানুষগুলোর দিন কাটছে এক চরম অনিশ্চয়তায়। নিয়ম অনুযায়ী জেলেদের মাঝে সরকারি চাল বিতরণের কথা থাকলেও, মাঠের বাস্তবতা বড় করুণ। অনেক এলাকাতেই এখনো চালের মুখ দেখেনি অসহায় পরিবারগুলো।

একজন জেলে যখন বলেন, "তিন দিন ধরে মাছ ধরা বন্ধ, পেটে চাল নাই, খামু কী?"— তখন বিবেক নড়ে ওঠে। শুধু কি চাল দিলেই সংসার চলে? সাথে একটু তেল, একটু নুন আর নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের প্রয়োজন হয় না? চার-পাঁচ সদস্যের পরিবার নিয়ে একজন মানুষ এই দিনগুলো কীভাবে পার করবেন? মাথার ওপর কিস্তির চাপ তো আছেই। পেটে ক্ষুধা থাকলে আইনের কড়াকড়ি দিয়ে তো আর পেট ভরে না।

প্রশাসন তাদের জায়গায় শতভাগ কঠোর। মৎস্য বিভাগও বলছে বরাদ্দ বিতরণের কথা। কিন্তু মাঠের চিত্র আর খাতার হিসাবের এই ফারাক কেন ঘুচবে না? মাছ তো বাঁচবে, কিন্তু সেই মাছ ধরার মানুষগুলো যদি অনাহারে দিন কাটায়, তবে সেই সুরক্ষার মানে কোথায়? এই সরল প্রশ্নটার উত্তর কি কেউ কখনো খুঁজবেন?

মন্তব্য ২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (২) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ৮:১৭

নতুন বলেছেন: একজন জেলে যখন বলেন, "তিন দিন ধরে মাছ ধরা বন্ধ, পেটে চাল নাই, খামু কী?"— তখন বিবেক নড়ে ওঠে। শুধু কি চাল দিলেই সংসার চলে? সাথে একটু তেল, একটু নুন আর নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের প্রয়োজন হয় না? চার-পাঁচ সদস্যের পরিবার নিয়ে একজন মানুষ এই দিনগুলো কীভাবে পার করবেন? মাথার ওপর কিস্তির চাপ তো আছেই। পেটে ক্ষুধা থাকলে আইনের কড়াকড়ি দিয়ে তো আর পেট ভরে না।

তারা এই ২২ দিন কিভাবে চলবে সেটা তাদের শিখতে হবে।

বছরে ৩৪৩ দিনের আয় থেকে ২২ দিনের চলার ব্যবস্থা তাদের করতে হবে।

তাদের জন্য একটা সন্চয় স্কিম সরকার করতে পারে, প্রতিদিন যদি তারা ৫০ টাকা করেও জমা রাখে তবে সেটা দিয়ে ঐ ২২ দিন চলার সমস্যা হবেনা।

ঐ মাসে কিস্তি বন্ধ রাখতে সরকার নির্দেশ দিতে পারে।

দেশে ত্রান বিতরন বা সরকারী জিনিস বিতরন অনেকেরই দূনিতির উতসবের সময়।

২| ১৩ ই অক্টোবর, ২০২৬ রাত ১১:২৫

অনিকেত বৈরাগী তূর্য্য বলেছেন: কাজের অভাব আছে? অন্য কাজও করতে হবে। মা ইলিশ ধরা বন্ধ করলে লাভ তো তাদেরই, অন্য কারও না। তারা তো কাউকে মাগনা ইলিশ বিতরণ করে না।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.