নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

বাজেট

মাঝে মাঝে আমার খুব ইচ্ছে হয় চারোদিকে শুধু হাসিমুখ দেখতে... ঘুম থেকে উঠে পূর্নিমা হোটেলে নাস্তা খেতে গিয়ে দেখবো

তারেক আশরাফ

মাঝে মাঝে আমার খুব ইচ্ছে হয় চারোদিকে শুধু হাসিমুখ দেখতে... ঘুম থেকে উঠে পূর্নিমা হোটেলে নাস্তা খেতে গিয়ে দেখবো 'গ্লাস বয়-ম্যাসিয়ার, ক্যাশিয়ার, খদ্দের' সবাই হাসছে... হাসছে রাস্তার অচেনা পথচারীরা... চা খেতে মোশারফ মামার টং দোকানে গিয়ে দেখবো সবাই হাসছে... হাসছে রিকশাওয়ালারা, বাস কিংবা প্রাইভেটকার চালকরা... হাসছে হকাররা... হাসছে গার্মেন্টস্ শ্রমিকরা... হাসছে স্কুলের ক্ষুদে শিক্ষার্থী থেকে ভার্সিটির বুদ্ধিজীবি টাইপের গম্ভীর ছেলেটাও! হাসছে পিঠা বিক্রেতা ময়না বানু... হাসছে নির্মান শ্রমিক জালাল মিয়া... হাসছে টোকাই শফিক... হাসছে ফুলওয়ালী কুসুম! আহারে! চারোদিকে কি দারুন প্রানবন্ত সব হাসিমুখ আর হাসিমুখ... ইট,কাঠ,কংক্রিটের এই শহরের রাস্তা-ঘাটে মলিন মুখ দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে গেছি! যদি কোনদিন সত্যি সত্যি এই রকম হাসিমুখ দেখতে পেতাম তবে কেমন হতো কে জানে... নিশ্চয় ভয়ংঙ্কর আনন্দময় কিছু একটা হয়ে যেতো! একদম চোখ ভিজে যাবার মত আনন্দময়...

তারেক আশরাফ › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমরা সকল যুদ্ধাপরাজাধীদের বিচার চাই সকল দলের সকল সংগঠনের সকল জনের

০৩ রা মে, ২০১৩ ভোর ৪:২১

আমরা সকল যুদ্ধাপরাজাধীদের বিচার চাই সকল দলের সকল সংগঠনের সকল জনের







যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের আন্দোরনের শুরুটা করে দিয়েছেন শহিদ জননী। রবীন্দ্রনাথ বলেছিলেন, প্রদীপ জ্বালাতে হলে, আগে সলতেটা পাকাতে হয়; শহিদ জননী কেবল সলতে পাকিয়েই দেন নি, তিনি প্রদীপ জ্বালিয়ে আমাদের হাতে তুলে দিয়েছিলেন। আমাদের হাতে দিয়ে গেছেন ইতিহাসের দায়ভার।৩ মে শহিদ জননীর জন্মবার্ষিকী। এটুকু সত্যই কেবল আমি বিশ্বাস করি, আমি বিশ্বাস করি, শহিদ জননী জাহানারা ইমামের কোনো মৃত্যুদিন নেই। তিনি মৃত্যুহীন। তাঁর জন্যই রবীন্দ্রনাথ লিখেছিলেন- এনেছিলে সাথে করে মৃত্যুহীন প্রাণ। আমার কাছে শহিদ জননীর জন্মদিনটিই গুরুত্বপূর্ণ। মুক্তিযুদ্ধের চেতনার বাংলাদেশে শহিদ জননীর কোনো মৃত্যুদিন নেই





মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.