| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
তারেক আশরাফ
মাঝে মাঝে আমার খুব ইচ্ছে হয় চারোদিকে শুধু হাসিমুখ দেখতে... ঘুম থেকে উঠে পূর্নিমা হোটেলে নাস্তা খেতে গিয়ে দেখবো 'গ্লাস বয়-ম্যাসিয়ার, ক্যাশিয়ার, খদ্দের' সবাই হাসছে... হাসছে রাস্তার অচেনা পথচারীরা... চা খেতে মোশারফ মামার টং দোকানে গিয়ে দেখবো সবাই হাসছে... হাসছে রিকশাওয়ালারা, বাস কিংবা প্রাইভেটকার চালকরা... হাসছে হকাররা... হাসছে গার্মেন্টস্ শ্রমিকরা... হাসছে স্কুলের ক্ষুদে শিক্ষার্থী থেকে ভার্সিটির বুদ্ধিজীবি টাইপের গম্ভীর ছেলেটাও! হাসছে পিঠা বিক্রেতা ময়না বানু... হাসছে নির্মান শ্রমিক জালাল মিয়া... হাসছে টোকাই শফিক... হাসছে ফুলওয়ালী কুসুম! আহারে! চারোদিকে কি দারুন প্রানবন্ত সব হাসিমুখ আর হাসিমুখ... ইট,কাঠ,কংক্রিটের এই শহরের রাস্তা-ঘাটে মলিন মুখ দেখতে দেখতে ক্লান্ত হয়ে গেছি! যদি কোনদিন সত্যি সত্যি এই রকম হাসিমুখ দেখতে পেতাম তবে কেমন হতো কে জানে... নিশ্চয় ভয়ংঙ্কর আনন্দময় কিছু একটা হয়ে যেতো! একদম চোখ ভিজে যাবার মত আনন্দময়...
তরীতে যে লাগল আগুন পুড়ে গেল মায়ের রাঙ্গা ফাগুন ,
কে তুমি কুলি মজুর বৃদ্ধা জোয়ান কৃষাণ শ্রমিক বনিকের দল,
মনে রেখ কেবল এই বল মোরা একই মায়ের সম্বল।
কোরান, পোরান, লেন্দ, বেদ, বিধান,গিতা, বাইবেল, ত্রিপিটক আরে আছে যত সব মাকে ছড়া হবেনা কোন পথ লেখা আছে এই শপথ।
কেন রাস্তায় পড়ে থাকে রক্ত মাখা মায়ের সন্তানটা,
আগুন লাগে মায়ের সতিত্ত্বে,
মরছে কুলি,কামার নারী শ্রমিকের দল, এ যেন মায়েরই ক্ষয়, হীনতায় ভরা বিশ্বয়,
আহ ! এ যে মহা লজ্জায় মহা শিক্ষার হলো চিরসজ্জা।
এ কেমন লোক দেখানো মহা পন্ডশ্রম,
মাকে বিসর্জন দিয়েছ বৃদ্বাশ্রম,
খুবলে খাচ্ছ মায়ের বুক, মা দেখেনা যৌবনের মুখ।
তোমাতে আছে সকল শাস্রের জ্ঞান,
কেবলই করো মায়ের একটু ধ্যান।
দেখো ভেঙ্গে গেছে সব আমিত্বের তালা, মুছে যাবে সব মায়ের জ্বালা।
লেলিন, মুজিব, কাস্ট, গান্ধীরা- সকল শাস্র পিঞ্জিরায় বান্ধিয়া হাতে নিয়েছিল মায়ের মুক্তির বার্ন,
কেবলই বাচাবে মায়ের মান, তাই তারাই আজ চির অম্লান। মিথ্যা বলিনা ভাই, তুমি হবে জগতের সাই, যদি মাকে দাও একটু মল্লিকায় ঠায়।
তারেক আশরাফ
ইটালি
©somewhere in net ltd.