নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

হে পরমেশ্বর,এই নশ্বর নিখিল সৃষ্টিতে রেখো না ওই মানুষ যার ভিতর নরত্বের অভিনিবেশ নাই ।

নেওয়াজ আলি

হে পরমেশ্বর,এই নশ্বর নিখিল সৃষ্টিতে রেখো না ওই মানুষ যার ভিতর নরত্বের অভিনিবেশ নাই ।

নেওয়াজ আলি › বিস্তারিত পোস্টঃ

কোরআন অবমাননার অভিযোগে যুবককে হত্যা করে লাশ পুড়িয়ে ফেলেছে উত্তেজিত জনতা।

৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ২:১৯


কোরআন অবমাননার অভিযোগে লালমনিরহাটের পাটগ্রামে অজ্ঞাত এক ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যার পর লাশ আগুনে পুড়িয়ে দিয়েছে উত্তেজিত জনতা।
ঘটনার বিষয়ে স্থানীয় কয়েকজন জানান, দু’জন ব্যক্তি পুলিশ পরিচয়ে আসরের নামাজের সময় মসজিদে ঢোকে। নামাজ শেষে তারা ‘মসজিদে অস্ত্র আছে’ বলে দাবি করে। এ সময় মসজিদের তাক উলোট পালোট করতে যেয়ে কোরআন ফেলে দেয় ও অবমাননা করে। কোরআন অবমাননার খবর সেই মুহূর্তেই বাইরে ছড়িয়ে পড়লে সেখানে আশপাশের লোকজন জড়ো হতে থাকেন।

উত্তেজিত জনতার হাত থেকে ওই ব্যক্তিকে বাঁচাতে এ সময় বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যে সেখানে হাজার হাজার মানুষ জড়ো হতে থাকে। এরই এক পর্যায়ে ইউনিয়ন পরিষদে রাখা ব্যক্তিকে টেনে হিঁচড়ে বাইরে এনে পেটানো শুরু করে উত্তেজিত জনতা। এক পর্যায় তাকে পিটিয়ে হত্যা করে আগুনে পুড়িয়ে দেয়।

অপরজনকে উদ্ধার করে হেফাজতে নেয় থানা পুলিশ। আটক ব্যক্তির নাম রেজা (৩৮) বলে জানা গেছে।
0বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টায় সর্বশেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ঘটনাস্থলে পুলিশের সঙ্গে উত্তেজিত জনতার ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া চলছিল। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

লাশ পুড়িয়ে দেওয়া আমার কাছে স্বাভাবিক উত্তেজনার কাজ মনে হচ্ছে না। এখানে কিছু লুকিয়ে আছে। তদন্তে আসল ঘটনা পাওয়া যাবে আশা করি। সামনের দিনগুলিতে ভালো কিছু দেখছি না। বাংলাদেশের জন্যেও খারাপ কিছুর ধেয়ে আসছে।

এটা কেমন জনতার আদালত! এভাবে কাওকে পিটিয়ে মেরে ফেলা ঘৃণ্য অপরাধ। জড়িতদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি করতে হবে। যদি কোরআন ফেলে দিয়েও থাকে বিচারের মুখোমুখি করা যেত। সেখানে হত্যা করার পর আবার আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হলো! ভিডিও দেখে চিহ্নিত করা হোক অপরাধীদের।

বিচারহীনতার দেশে আমাদের আরো কতকিছু দেখতে হবে.....

ছবি : আমাদের সময়
Click This Link
http://www.dainikamadershomoy.com/post/283512

মন্তব্য ৩২ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৩২) মন্তব্য লিখুন

১| ৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ৩:০৯

নূর আলম হিরণ বলেছেন: উনার নাম জুয়েল, উনি মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। আমার এক ফেইসবুক ফ্রেন্ডের আত্মীয় লাগে।
উনার নাম জুয়েল, উনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন। আমার এক ফেইসবুক ফ্রেন্ডের আত্মীয় লাগে।

৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:০৩

নেওয়াজ আলি বলেছেন: খুবই জঘণ্য কাজ । ধর্ম মানুষকে মানবিক রাখতে পারছে না এখন

২| ৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ৩:১২

নিরীক্ষক৩২৭ বলেছেন: "বাহিরের দিকে মরিয়াছি যত ভিতরের দিকে তত,
গুনতিতে মোরা বাড়িয়া চলেছি গরু ছাগলের মত" - কাজী নজরুল ইসলাম

নজরুল সাহেব সময় থেকে কতটা এগিয়ে ছিলেন এইটা চিন্তার করার মত একটা বিষয়।

৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:০৬

নেওয়াজ আলি বলেছেন: সেই সময় হতে মানুষ বর্বর হয়েছে । জানোয়ার হচ্ছে

৩| ৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ৩:১৮

রাজীব নুর বলেছেন: হায় হায়-----
ভয়াবহ অবস্থা।

৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:১৫

নেওয়াজ আলি বলেছেন: মানুষ উম্মাদ হয়ে যাচ্ছে ।

৪| ৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ ভোর ৬:১৬

ইফতেখার ভূইয়া বলেছেন: কথায় বলে, "হুজুগে বাঙালী আর হেকমতে চীন"। আমি বরাবরই বলেছি আজও বলছি জাতি হিসেবে আমরা অত্যন্ত নিচু প্রকৃতির।

৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:১৬

নেওয়াজ আলি বলেছেন: অত্যন্ত জঘণ্য ও ঘৃণ্য কাজটা । ভাষাহীন আমি

৫| ৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ৭:৩৮

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: ধর্ম মানুষকে উন্মাদ বানিয়ে দেয়।যারা মেরেছে তার পর পুড়িয়ছে তাদের একটাই পরিচয় তারা ধার্মিক।

৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:১৭

নেওয়াজ আলি বলেছেন: তারা মানুষ হলেও আচরণে জানোয়ার

৬| ৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ৮:২৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:

আ্মাদের কপালে খারাপী আছে।
এতোটা ধর্মান্ধ হলে তো চলবে না।
্উদার হোন।

৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:১৯

নেওয়াজ আলি বলেছেন: এতটা ধর্মান্ধতা ! ভাবতে অবাক লাগে

৭| ৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ৮:৩০

অগ্নিবেশ বলেছেন: পাটগ্রাম থানার ওসি সুমন কুমার মোহন্ত বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  -- কেমন যেন যড়যন্ত্রের গন্ধ পাচ্ছি, বাংলাদেশে ইহুদিরা খুব বেড়ে গেছে।

৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:২২

নেওয়াজ আলি বলেছেন: দেশে আইন আছে । তাকে করেছে মেরে তাই বলে পুড়িয়ে ফেলতে হবে

৮| ৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ৮:৪৩

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আমর আদিম যুগে ফিরে যাচ্ছি।

'পুলিশ' পরিচয়ে ঢোকা, আবার পুলিশকেই মেরে, আগুনে পুড়িয়ে ফেলা- জটিল মনে হচ্ছে ঘটনা।

লোকটা রংপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক ছিলেন। এক বছর আগে তিনি চাকরি হারিয়েছেন বলে জানা যায়, তারপর থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন অবস্থায় ছিলেন। তার একটা ছেলে আছে। কিন্তু তিনি এবং তার সঙ্গী 'পুলিশ' পরিচয়ে অস্ত্রের সন্ধানে মসজিদে কেন ঢুকবেন, সেটাই প্রশ্ন। বানোয়াট গল্পও হতে পারে।

ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই - এই কথা আর কত বলবো?

৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:২৫

নেওয়াজ আলি বলেছেন: ইসলাম শান্তির ধর্ম ,মানবতার ধর্ম। আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে মারবে কেন । সে সয়তো ভুল করেছে কিন্তু আমরা

৯| ৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ৮:৪৮

মরুর ধুলি বলেছেন: ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত হলে থলের বেড়াল বেড়িয়ে আসবে। ঐ দুজন ভদ্র লোক পুলিশ হলে তাদের সাথে গাড়ি থাকতো, হ্যান্ডকাপ থাকতো, ওয়ার্লেস থাকতো, সর্বোপরি পুলিশ হলে নিজেরা তল্লাশী করার আগে মসজিদ কমিটির ইমাম সাহেব ও সভাপতি সাহেবকে জানান নিয়ে তাদের উপস্থিতিতে তল্লাশী চালাত। প্রকৃত ও দক্ষ প্রশাসনিক কর্মী এমনটা করেনা যেমনটি লিখেছেন আপনার আলোচ্য লেখায়।

যেন তেন ভাবে ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে তল্লাশী চালানো যায়না। প্রচলিত ধারাবাহিক নিয়ম নীতি অনুসরণ করা লাগে। আপনি যেমনটি লেখেছেন বিষয়টি যদি তেমন হয় তবে তারা নিয়মভঙ্গ করেছে। ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ও র্ধ্ম নিয়ে মানুষের সেন্টিমেন্ট চরমে থাকে। ধর্মকে নিয়ে হানাহানি, মারামারি এটা আজকের নয়। প্রত্যেকের কাছে তার ধর্ম মহান ও পবিত্র। প্রত্যেকের উচিত সকলের ধর্মকে শ্রদ্ধা করা, কারো অনুভূতিতে আঘাত না দেয়া। এর বিপরীত করতে গিয়ে কোন অপ্রিতীকর অবস্থা তৈরী হলে তার দায়ভার অবমাননাকারীরই হবে। ধন্যবাদ।

৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:২৯

নেওয়াজ আলি বলেছেন: আমি রাতে যা খবর দেখেছি সব একই রকম নিউজ । তাই দুইটা লিংক শেয়ার করেছি। ইসলাম নিয়ে এমনিতে ইহুদী গভীর ষড়যন্ত্রে লিপ্ত আমরা তাতে ঘি ঢালছি।

১০| ৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১০:৪৭

প্রকৌশলী মোঃ সাদ্দাম হোসেন বলেছেন:




কিছু বলার ভাষা পাচ্ছিলাম না, বাকরুদ্ধ হয়ে গেছিলাম !!!

৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:৩০

নেওয়াজ আলি বলেছেন: সেও একজন মুসলিম । অথচ আমরা একি করছি

১১| ৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:০৫

অগ্নিবেশ বলেছেন: মরুর ধুলোবালি পর্যন্ত এত কিছু জানে, অথচ বাংলাদেশে ওয়াজকারী হেলিকপ্তার হজুরেরা জানে না ক্যামনে কি?

প্রত্যেকের কাছে তার ধর্ম মহান ও পবিত্র। প্রত্যেকের উচিত সকলের ধর্মকে শ্রদ্ধা করা, কারো অনুভূতিতে আঘাত না দেয়া।

৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:৩১

নেওয়াজ আলি বলেছেন: ওয়াজকারি ব্যবসায়ী তারা জানে স্বার্থের কারণে জানায় না

১২| ৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ সকাল ১১:৪৪

নতুন নকিব বলেছেন:



কাউকে পিটিয়ে মারা কিংবা আগুনে পুড়িয়ে দেয়া নিন্দনীয় ঘৃণ্য অপরাধ। এর নিন্দা জানানোর ভাষা আমাদের নেই। উম্মত্ত কিছু মানুষ কেন একজন লোক অপরাধী হলেও তাকে পিটিয়ে মেরে ফেলবেন? আইন কেন নিজের হাতে তুলে নেয়ার এই প্রবণতা? আর এমন জঘন্য কাজ কিভাবে করা সম্ভব?

এসব বর্বরতাপূর্ণ ঘৃণ্য কাজের সাথে ইসলাম ধর্মের নীতি আদর্শের কোনো সম্পর্ক নেই। যারা এসব কাজ করেছেন তারা ইসলামের আদর্শ বিচ্যুত।

মসজিদে ঢুকে পবিত্র কুরআন ফেলে দেয়া এবং কুরআনের অবমাননা করা চরম গর্হিত অন্যায়। এই জঘন্য অন্যায় কাজটি না ঘটানো হলে পরবর্তীতে সংঘটিত পিটিয়ে হত্যা কিংবা আগুনে পুড়িয়ে দেয়ার মত অনাকাঙ্খিত ন্যাক্কারজনক ঘটনা হয়তো ঘটতো না। তাই মসজিদে ঢুকে কুরআন ফেলে দেয়া এবং কুরআন অবমাননার পেছনের কারণ খুঁজে বের করার দাবি জানাচ্ছি। এতে থলের বিড়াল বেরিয়ে আসবে হয়তো। প্রকৃত দোষীদের চিহ্নিত করে তাদেরকে উপযুক্ত শাস্তির আওতায় আনা হোক।

১৩| ৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:০৬

নতুন নকিব বলেছেন:



পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদে জানা যায়, গতকাল ২৯/১০/২০২০ আসছের নামাজের পর রংপুরের লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রামস্থ ৮নং বুড়িমারী ইউনিয়ন পরিষদ কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে প্রবেশ করে অজ্ঞাত দুজন ব্যক্তি।

নামাজ শেষ হতে না হতেই উক্ত দুই ব্যক্তি দাবি করে, এ মসজিদে বোমা আছে এবং এই মসজিদে একজন জঙ্গিও আছে। তারপর তারা তল্লাশির নামে মহাগ্রন্থ আল কুরআন অবমাননা করে, কুরআন ছিড়ে ছিড়ে পায়ে পা দিয়ে মাড়াতে থাকে

মুহূর্তেই মুসল্লিরা ফুঁসে ওঠে তাদের উপর, চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ে জনতার ক্ষোভ।

প্রাথমিকপর্যায়ে তাদের মোটরসাইকেল পুড়িয়ে ফেলা হয়। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে তৎক্ষণাৎ নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে পাটগ্রাম থানা পুলিশ, উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান।

উপজেলা চেয়ারম্যান জনাব রুহুল আমিন বাবুল বলেছেন তাদেরকে আইনের আওতায় এনে কঠিনতম শাস্তি দেওয়া হবে। তাদেরকে সেই সময় পরিষদের ভিতরে আটকে রাখা হয়।

বাদ মাগরিব। সন্ধ্যা গড়িয়ে যাওয়ার পর প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদের বিষয়ে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় মুসলিম জনতা বিক্ষোভ শুরু করেন। ধর্মপ্রাণ মুসল্লিগণ ও গ্রামের মানুষ পুরুষ নারী সবাই রাস্তায় নেমে আসে।

এক পর্যায়ে পুলিশী বাধা পেরিয়ে স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের দরজা, জানালা ভেঙ্গে ভেতরে প্রবেশ করে অসংখ্য মুসল্লি, ঝাঁপিয়ে পড়ে কুরআন অবমাননাকারীর উপর, একজন পালিয়ে যায়, অন্যজন মূহুর্তেই জনতার রোষানলে পতিত হয়।

নিহত ব্যক্তির নাম শহিদুন্নবী জুয়েল বলে জানা গেছে। তার বাড়ি রংপুর শহরের শালবান এলাকায়। জুয়েল রংপুর ক্যান্ট পবলিক স্কুলের সাবেক লাইব্রেরিয়ান বলে জানা গেছে। তার বাবার নাম আবদুল ওয়াজেদ মিয়া বলে পত্রিকায় উল্লেখ করা হয়েছে।

বিস্তারিত দেখুন- লালমনিরহাটে কুরআন অবমাননা: যা ঘটেছিলো গতকাল

১৪| ৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১২:৪০

আমি সাজিদ বলেছেন: হায় আল্লাহ! এ কি দেখলাম!

১৫| ৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ১:৩৫

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: ৮ নম্বর মন্তব্যের উত্তরে লেখক বলেছেন: ইসলাম শান্তির ধর্ম ,মানবতার ধর্ম। আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে মারবে কেন । সে সয়তো ভুল করেছে কিন্তু আমরা - ইসলাম শান্তির ধর্ম, মানবতার ধর্ম। কিন্তু এই শান্তি প্রতিষ্ঠার নামে আমাদের একদল ইসলামপন্থীর মধ্যে যেমন চরম উগ্রতা দেখা যায়, তেমনি একদল মুসলমান নামধারী আছেন (হয়ত নাস্তিকও), যাদের টার্গেটই হলো ইসলাম। এই দুই চরম পন্থারা শুধু যে অফলাইন বাস্তব জীবনেরই বাসিন্দা, তা নয়, ব্লগেও এই দুই দল পরস্পর যুদ্ধংদেহী অবস্থানে আছেন। ইসলামপন্থীরা একটু রয়ে-সয়ে কথা বললেও ইসলামের বিপক্ষে অবস্থানকারীদের ইসলামের উপর চরম আক্রোশ লক্ষ করা যায়, যারা কথায় কথায় বোমা ফাটাচ্ছেন, এবং ইসলাম এই মুহূর্তে বিলুপ্ত হয়ে গেলেই তারা শান্তি পান, ইসলামই যেন পৃথিবীতে যত অশান্তি সৃষ্টি করে চলেছে, তাদের অভিমত হলো এটা। এদের সংখ্যা কিন্তু খুব বেশি না, মাত্র ৪-৫ জন, কিন্তু ধর্মের পক্ষে বা বিপক্ষে ব্লগ অস্থিতিশীল করার জন্য এই ৪/৫ জনই যথেষ্ট।

ব্লগের পরিবেশ শান্ত রাখার জন্য আমাদের দুই দলেরই উচিত সংযত হয়ে কথা বলা এবং যুক্তি উপস্থাপন করা। এবং মডারেটরদেরও উচিত এগুলোকে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে রাখা।

১৬| ৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ২:৩৬

অগ্নিবেশ বলেছেন: ইসলামের বিপক্ষে অবস্থানকারীদের ইসলামের উপর চরম আক্রোশ লক্ষ করা যায়, যারা কথায় কথায় বোমা ফাটাচ্ছেন, যারা ক্ষুর বার করে দুইচার জনের কল্লা কাটছেন, ফিনকি দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে, আর এদের ভয়ে মুমিনরা মসজিদের বাইরে বের হতে ভয় পাচ্ছেন। -- সোনাভাই আপনিই পারবেন এদের ঠেকাতে।

১৭| ৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ দুপুর ২:৩৯

অধীতি বলেছেন: হুজুগের দেশ, গুজবের দেশ, হাতে না মরলে ভাতে, ভাতে না মরলে গণপিটুনিতে।তবুও অন্যায়ভাবে মরতে হবে

১৮| ৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৬

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: 15 নম্বর মন্তব্যকারী সোনাবীজ অথবা ধুলোবালিছাই ভাইকে ধন্যবাদ। আমার অব্যক্ত কথাগুলো উনি যেন বলে দিয়েছেন। ব্লগের পরিবেশও খুব অস্বস্তিকর জায়গায় আছে। উভয়পক্ষের সংযত হওয়া দরকার।

১৯| ৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ৯:১৭

স্বামী বিশুদ্ধানন্দ বলেছেন: গোটা জাতিকে উন্মাদ, বিবেকহীন, মূর্খ পাগল বিবেচনা করলেও এই নিরীহ ব্যক্তিকে হত্যার দায়মুক্তির সুযোগ নেই। এটা কোনো নতুন বিষয় নয়, এই বর্বর পাবলিক এক মানসিক ভারসাম্যহীন মহিলাকে ছেলেধরা বলে গণপিটুনি দিয়ে মেরে ফেলেছিলো - এধরণের অনেক ঘটনায় ঘটাচ্ছে এই বর্বর জনগোষ্ঠী। এই ব্লগেও কিছু ব্লগারকে অসংযত মনে হচ্ছে। ধর্ম অবমাননার নামে কাউকে আইন নিজের হাতে নিয়ে হত্যার মতো নিজের মনগড়া ফতোয়া প্রদানকারীরা আর যাই হোক প্রকৃত ধর্মপ্রেমী হতে পারে না।

২০| ৩০ শে অক্টোবর, ২০২০ রাত ১০:৪৯

রাজীব নুর বলেছেন: আমি কোনো দিন লালমনিরহাট যাবো না।

২১| ৩১ শে অক্টোবর, ২০২০ বিকাল ৩:১৯

জাফরুল মবীন বলেছেন: মানবিক হওয়ার জন্য মানসিক সুস্থতা অপরিহারর‌্য।আমরা অধিকাংশই মানসিকভাবে অসুস্থ।সুতরাং এ ধরনের ঘটনা ঘটেছে,ঘটছে এবং সম্ভবত ঘটতেই থাকবে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.