নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

www.facebook.com/abdur.sharif

আবদুর রব শরীফ

বাধা বিঘ্ন না পেরিয়ে বড় হয়েছে কে কবে?

আবদুর রব শরীফ › বিস্তারিত পোস্টঃ

আনন্দ ডে

১৪ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:২৫

পহেলা বৈশাখে পান্তা ইলিশ খেলে জাতে উঠা পাবলিকগুলো পরের দিন যে পান্তা খেয়ে স্কুল কলেজ অফিসে আসবে তাকে জাত থেকে হাস্যকরভাবে বহিষ্কার করবে,
.
আসলে এগুলো ঐতিহ্য পালন না বরং ট্রেন্ড হয়ে গেছে!!!
.
পাঁচশ টাকার ইলিশ হাজার টাকা দিয়ে কিনলে আসলে ইলিশের স্বাদ বেড়ে যায় না,
.
এগুলো আসলে একটা ফ্যাশন হয়ে দাঁড়িয়েছে!!!
.
আমাদের ফ্রিজে একটা ইলিশ মাছও নেই, এর মানে এই নয় যে আমরা ইলিশ মাছ খায় না বরং দাম কমলে এনে ফ্রিজ ভর্তি করে রাখবো,
.
জ্বি, আমাদের টাকাগুলো হিসেবের টাকা, পহেলা বৈশাখের আগের দিন কিন্তু ইলিশ মাছের দাম ছড়া হলেও রুই মাছ কেজি প্রতি পঞ্চাশ টাকা কম ছিলো, সুযোগটা কাজে লাগিয়েছি!
.
বার্থ ডে, ম্যারেজ ডে, ভ্যালেন্টাইন ডে, থার্টি ফাস্ট নাইট, পহেলা বৈশাখ, এই ডে, সেই ডে..... এতো টেনশন নিতে নিতে মানুষগুলো রোবট হয়ে যাচ্ছে,
.
বাড়ির কর্তার প্রেসার সামনে কোন দিবস্ আছে শুনলে বেড়ে যায়!!!
.
সে খবর কি কেউ রাখে, প্রাণ পণে তাকে যে কত লোড নিয়ে সামাজিক স্ট্যাটাস রক্ষা করতে হয় তা কেউ ভেবে দেখে না,
.
মনে মনে 'বালের ডে' 'চুলের দিবস' বলে বলে গালি দিয়ে বাং'গালি'পনা কিংবা ইংলিশপনা লোক দেখানো উৎসবে মেতে উঠতে হয়!
.
ব্যাংকগুলো ইলিশ ক্রয়ের জন্য বিশেষ লোনের ব্যবস্থা করে দিতে ইচ্ছুক হয়ে উঠে,
.
প্রত্যেক দিবসে হোম মিনিস্টারের সবকিছু নতুন চাই,
.
সেদিন এক ভদ্র মশাই বলেই ফেললো 'বউটা আর পুরনো রেখা তাহলে কি হবে' এভাবে খুনসুটি হয়!
.
একবার বউ এসে বললো জানো ফেসবুকে 'মাই ডে' আসছে তা শুনার পর ভয়ে ভয়ে প্রশ্ন করলাম এটা আবার কোন ডে!
.
বিয়ের পর 'অমুক ডে' 'সমুক ডে' 'তমুক ডে' শুনলে কেবলি বলতে ইচ্ছে করে 'বাদ দে' 'ভাই বাদ দে'
.
জীবনে এখন কেবলি কিছু ফর্মালেটি ছাড়া আর আনন্দ নেই! একটা খরচ টরচ বিহীন 'আনন্দ দে' পালন করা দরকার!

মন্তব্য ৭ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (৭) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:৩৩

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: সত্যি কথা বলতে ইলিশ মাছ আমার কাছে ভালো লাগে না।

২| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৩:০৪

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: শুভ নববর্ষ ১৪২৬

৩| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৩০

বনসাই বলেছেন: বেশ ভালো ভাবনা।
আজ পহেলা বৈশাখে পান্তা ইলিশ খেলে বরং জাত যায়। এ মাসে ইলিশ বর্জনকারীদের অভিনন্দন জানাই।

৪| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৫

দীপংকর চক্রবর্ত্তী বলেছেন: জাতীর ভবিষ্যৎ ঘোর অন্ধকার। বোধ শক্তি হারিয়ে যাচ্ছে আমাদের!!

শুভ নববর্ষ। সুখে থাকুন সব সবসময়।

৫| ১৪ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৪৫

রাজীব নুর বলেছেন: ১৪২৬’এর নতুন সূর্যের সাথে সাথে ঝলমলিয়ে উঠুক সবার জীবন। ভালোবাসায় তৈরি হোক জীবনের সবক’টি ক্ষণ।

৬| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ ভোর ৪:৪১

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
কিছু কবি নামধারি সুশীল পন্ডিত আছে যারা সবসময় আত্মপ্রকাশ (লেজপ্রকাশ) করে না!
বিশেষ বিশেষ দিনে এদের ল্যাঞ্জা বেরিয়ে পড়ে!
যেমন আজকে পহেলা বৈশাখ নিয়ে বলবে -

"একদিনের জন্য বাঙ্গালি হয়ে লাভ কি? আমি একদিনের জন্য বাঙ্গালি সাজতে পারবো না!"
"হাজার টাকার পান্তা ইলিশ না খেয়ে গরীব কে টাকাটা দিলে কত না উপকার হতো! এইসব না করলে হয় না"?
যুক্তি সুন্দর, এতে সবারই সম্মতি থাকার কথা!

কিন্তু এদের মুল বক্তব্য একটাই --
"পহেলা বৈশাখ কে না বলা!"
ডাইরেক্ট না তো বলা যায় না। একটু ইনিয়েবিনিয়ে।

৭| ১৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৪৪

বাংলার মেলা বলেছেন: পহেলা বৈশাখকে না বলুন - এটা আমাদের নয়, সম্রাট আকবরদের সংস্কৃতি।
'ফসলী সন' নামের এই সনের ধারণা দেন আকবরের নবরত্নের একজন 'টোডর মল' - বাংলা ভাষায় ফারসী শব্দের আগ্রাসনে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা ছিল এই কালপ্রিটের।
সেই রীতিতে ফসল কাটার মৌসুম 'অগ্রহায়ণ' ছিল বছরের প্রথম মাস। পরবর্তীতে বিশাখা দেবীর আরাধনার সুবিধার্থে বৈশাখকে প্রথম মাস করা হয়।
এই দিনের প্রধান অনুষঙ্গ ছিল হালখাতা খোলা। কিন্তু এখন সব ধরণের ব্যবসা বাণিজ্য গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসরণ করায় হালখাতার ধারণাও যুগপোযোগী না।

বুঝাই যাচ্ছে যে পহেলা বৈশাখ এখন কিছু পোশাক আশাক এবং লোক দেখানো উৎসবের মধ্যে সীমিত হয়ে পড়েছে যার কোন ভিত্তি নেই। তাই পহেলা বৈশাখকে 'না' বলুন। ইনিয়ে বিনিয়ে নয়। সরাসরি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.