নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

www.facebook.com/abdur.sharif

আবদুর রব শরীফ

বাধা বিঘ্ন না পেরিয়ে বড় হয়েছে কে কবে?

আবদুর রব শরীফ › বিস্তারিত পোস্টঃ

টুকরো টুকরো বাংলাদেশ

১০ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:১২

তসলিমা নাসরিন বলেছেন মূর্খরাই আজকাল বাচ্চা পয়দা করছে বেশি,
.
জনসংখ্যার বিস্ফোরণ ঠেকাতে ১৯৭৯ সালে এক সন্তান নীতি চালু করা চীন২০১৬ সালে এসে অনুমতি দেয়া হয় দুই সন্তান নেয়ার!
.
এক সন্তান নীতিতে জনসংখ্যা বৃদ্ধি ঠেকানো গেলেও চীনের জনশক্তিতে বেড়েছে বয়স্কদের সংখ্যা কমে গেছে তরুণ সম্প্রদায়,
.
অর্থনীতির মাথায় হাত,
.
ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞানের অধ্যাপক ড. ফ্যাং ওয়াং ডয়চে ভেলেকে বলেছিলে, 'এক সন্তান নীতির ফলে চীন স্বল্পমেয়াদি লাভ পেয়েছে, কিন্তু এটা অনেকটা পুকুর সেচে মাছ সংগ্রহের মতো৷ পানি না থাকলে এক সময় মাছই মিলবে না৷'
.
জাপানের একটি শহক নাগিতে পঞ্চম সন্তান জন্ম দিতে পারলেই তিন লাখ টাকা ইনস্ট্যান্ট ক্যাশ বেক্ দেওয়া হয় পুরষ্কার স্বরূপ!
.
তাইওয়ানের সরকার জনসংখ্যা কমে যাওয়ায় এতো বেশী উদ্বিগ্ন ২০১০ সালে তারা প্রায় ২৭ লাখ টাকা ঘোষণা করে একটি চমৎকার স্লোগানের জন্য যা জনগনকে জনসংখ্যা বৃদ্ধিতে উৎসাহিত করবে,
.
হাঙ্গেরীতে বেশী সন্তানের রেকর্ড করলে পুরষ্কার স্বরূপ দেওয়া হয় প্রায় একশ কোটি টাকা সাথে বাড়, গাড়ি, ভুর্তুকি....!
.
কোটি কোটি টাকার পুরষ্কারের ঘোষণা দিয়েও জাপান, রাশিয়া, সিঙ্গাপুরে জন্মহার কোন মতেই বৃদ্ধি পাচ্ছে না,
.
দক্ষিণ কোরিয়ায় শিশু জন্মহার বাড়াতে ২০০৫ সাল থেকে দেশটির সরকার এখন পর্যন্ত ১২১ বিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ করেছে!
.
শিশু সন্তানের মাসিক ভুর্তুকি ২৭০ মার্কিন ডলার,
.
জ্বি, ওখানে পিতৃত্বকালীন ছুটিও আছে প্রায় দশ দিন!
.
হালের চীন বিশেষজ্ঞদের মতে জন্মহার হ্রাসের প্রভাব ২০১৮ সালে দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি গেল ত্রিশ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে!
.
ইতালীতে জন্মহার বাড়ানোর জন্য বিনামূল্যে হোটেলে থাকার ব্যবস্থা করা হচ্ছে,
.
সার্বিয়াতে শহরে শহরে বিনামূল্যে ভালবাসার ভোজ আয়োজন করা হচ্ছে!
.
জার্মানিতে শিশুদের জন্য স্বর্গরাজ্য করে দেওয়া হয়েছে
.
কানাডা শিশু জন্মহার বাড়ানোর জন্য বিনামূল্যে জমি দিয়ে দিচ্ছে!
.
সিঙ্গাপুরে নতুন জনসংখ্যা মন্ত্রণালয়, পোল্যান্ড, আমেরিকা, ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ডসহ সবার ঘুম হারাম,
.
চার সন্তান 'মেইড ইন হাঙ্গেরী' হলে করশুদ্ধ মাফ!
.
ডেনমার্কের একটি স্লোগান 'ডু ইট ফর মম' যে প্রচারণার মাধ্যে এক প্রকার আড়কোলা করে ছেলে মেয়েদের সমুদ্রের বীচে যেতে বাধ্য করা হয় যাতে পানির সংস্পর্শে এসে ওদের ঐ টা করার ভাব জাগবে,
.
দেশগুলো আজ এই পরিণতি জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের অত্যাধিক উৎসাহের ফল!
.
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির প্রফেসর ড. মঈনুল ইসলাম স্যার বলতেন, দেশের মানুষ সরকারী হিসেবে আশি লক্ষ, বেসরকারী হিসেবে প্রায় এক কোটি বিশ লক্ষ বাহিরে থাকে তারাই আজ দেশের মেরুদন্ড! রেমিট্যান্সের কান্ডারি!
.
আমাদের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণের চেয়ে বেশী ফোকাস দিতে হবে কিভাবে তাদের দক্ষ যোগ্য স্বাবলম্বী করে শূন্য দেশের জনসংখ্যার দেশে পাঠানো যাবে,
.
প্রচুর কূটনীতিক প্রচরণা দরকার! এই একটা সেক্টর বাংলাদেশ বদলে দিবে! পৃথিবী হয়ে উঠবে টুকরো টুকরো বাংলাদেশ!

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:২৬

মেঘ প্রিয় বালক বলেছেন: জনসংখ্যা নিয়ে অনেক সুন্দর একটি পোস্ট পড়লাম আপনার ব্লগ থেকে। চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির প্রফেসর ড. মঈনুল ইসলাম স্যারকে অনেক ধন্যবাদ তিনি রেমিট্যান্স কান্ডারীদের দেশের মেরুদন্ড হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন বলে।

২| ১০ ই জুন, ২০১৯ দুপুর ২:৪১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
ভাবতে হবে বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে ।
অতিরিক্তি জনসংখ্যা আমাদের জন্য বিপদ।

৩| ১০ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৫

রাজীব নুর বলেছেন: সত্য কথা বলতে কি জনসংখ্যা সমস্যা নয়। আশীর্বাদ।
আমাদের দেশের সমস্যা হলো এই বিশাল জনগোষ্ঠীকে সঠিক ভাবে কাজে লাগানো যাচ্ছে না।

৪| ১১ ই জুন, ২০১৯ সকাল ১০:৩৪

অগ্নিবেশ বলেছেন: গরীবের একমাত্র মনোরঞ্জন ঘরের বউ, তাও বিনা মূল্যে। জনসংখ্যা তো বাড়বেই।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.