নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

একজন জেনারেল ব্লগারের নিজের সম্পর্কে বলার কিছু থাকে না ।

আবদুর রব শরীফ

যদি তোর লেখা পড়ে কেউ না হাসে তবে একলা হাসো রে!

আবদুর রব শরীফ › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমি কি ভুলিতে পারি

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ১:০৬

বিদেশীদের একটি জিনিস ভালো লাগে তারা কষ্ট করে হলেও 'এক্কুশেএ ফেব্রুয়ারি' বলার চেষ্টা করে ৷
.
আমরা ওদের কষ্ট কমিয়ে প্লিজ সে 'টুয়েন্টি ফাস্ট ফেব্রুয়ারি' বুক ফুলিয়ে গর্ব করি এই যেন ইস্মার্টনেস আরো বেড়ে গেছে ৷
.
মাতৃভাষার প্রতি সকলের শ্রদ্ধা থাকা উচিত ৷ সব ভাষা তার নিজের কাছে গর্বের ৷ নিজের মায়ের মতো ৷ অন্যের ভাষাকে নিজের ভাষার চেয়ে বেশী ভালবাসা মানে 'নিজের বউ রেখে অন্যের বউয়ের প্রেমে পড়ার মতো বেপার ৷'
.
পরকীয়ার শুরুটা রোমান্সকর কিন্তু পরিণতি কখনো ভালো হয় না ৷ এমন ও দেখেছি পরকীয়া করতে করতে ব্রেইন ওয়াশ হয়ে পরে তিন ছেলে মেয়ের মা কে নিয়ে বিশ বাইশ বছরের যুবক পালিয়েছে ৷
.
মরীচিকার পিছনে ছুটে অনেকে, মাইকেল মধুসূদন দত্ত থেকে শুরু করে পাড়ার বালখিল্য স্বভাবের মেয়েটি ও, কিন্তু এই ছুটে চলার ফল ভাল হয় না একদিন ফিরে আসতে হয় এই বলে 'সতত হে নদ তুমি পড় মোর মনে ৷'
.
এক সময় ছোট ছিলাম কেউ ইংলিশ দেশে থাকলে মনে হতো সে স্বর্গে থাকে, পরে ডিজিটেল যুগ আসলো তথ্য হাতের কাছেই তাদের অনেকের কষ্ট দেখে আপসোস লাগে ৷ ফকিরের মতো স্ট্যাটাস দেখিয়ে জীবন ধারণ করে অনেকে অথচ দেশে তারা অনেক সুন্দর ভালো ভাবে চলতে পারতো ইচ্ছে করলেই ৷
.
আমি তাদের কথা বলছি যারা স্ট্যাটাস দেখাতে বিলেত বিলেত করে মুখের ফেনা তুলে ফেলছে ৷
.
আমি তাদের কথা বলছি যারা বউ আধা কাঁচা রান্না করলে প্লেট ছুড়ে দেয় রাগে কিন্তু চাইনিজদের তেল নুন মশলা ছাড়া আধ কাঁচা খাবারগুলো খেয়ে ওয়াও! ওয়াও! সেই টেস্টি বলে চিৎকার করে উঠে ৷
.
ইউ হেভ টু বুজতে হবে 'নিজ দেশের রাজা পরের দেশের ভিক্ষুক ৷'
.
'সে ই সোনার মানুষ যে বিদেশ থেকে ও দেশ নিয়ে গর্ব করে, কথায় কথায় দেশের রেফারেন্স টানে, বিদেশীদের দুই একটা বাংলা শব্দ শিখিয়ে দেয়, সুযোগ পেলে দেশে ছুটে আসে, দেশে প্লেন ল্যান্ড করার ঠিক আগ মুহূর্তে যার চোখ ভিজে যায় ৷'

মন্তব্য ৩ টি রেটিং +২/-০

মন্তব্য (৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:০২

হাসান মাহবুব বলেছেন: আমরা, শহুরে নাগরিকেরা কথা বলার সময় প্রচুর ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করি। এতে আমি কোন সমস্যা দেখি না। এই বিশ্বায়নের যুগে ভাষা কোন সীমানা মানে না। এতে ভাষা শহীদদের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ হয় না। তারা বেঁচে থাকলে নিজেরাও এই মিশ্রণ ব্যবহার করতেন। সমস্যা হলো সেই শ্রেণিকে নিয়ে, যারা কথা বলার অবলম্বন হিসেবে এই ইংরেজি শব্দগুলির বিকল্প ব্যবহার জানে না। আপনি যে শব্দটা ইংরেজিতে বলছেন, অবশ্যই সেটার বাংলা জানতে হবে। না জানার চর্চা করলে হয়তো আজ থেকে অনেক বছর পর শব্দগুলি হারিয়েই যাবে। সময় বড় নিষ্ঠুর। আর হ্যাঁ, তখন ভাষা শহীদদের আত্মা কষ্ট পাবে।
চেতনা শব্দটি নিয়ে অনেকেই উপহাস করেন। তাদের কাছে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, একুশের চেতনা, সবকিছুই হাস্যরসের ব্যাপার। এই পরাধীনতাপ্রিয়, নিজ সংস্কৃতিবিমুখ জাতিকে তো আমি মনে করি ঘাড়ে ধরে চেতনা শেখানো উচিত। রাজাকার মন্ত্রীর মুখে বাংলাদেশ জিন্দাবাদ শোনার চেয়ে চেতনা নিয়ে 'ব্যবসা' হওয়া অনেক ভালো। জয় বাংলা স্লোগান সবার অন্তরে প্রোথিত হোক।
আমি একুশের চেতনায় বিশ্বাসী। আমি বাংলায় কথা বলি, লিখি, বই বের করি এর জন্যে ঈশ্বরকে ধন্যবাদ। জীবনানন্দের মত আমি বারবার এই বাংলার বুকেই ফিরে আসতে চাই।
সবাইকে একুশের শুভেচ্ছা।

২| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:১৪

রাজীব নুর বলেছেন: একুশের শুভেচ্ছা।

৩| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২১ দুপুর ২:১৮

কালো যাদুকর বলেছেন: এটা একটি দিক। সমস্যা বটে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.