নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

Mail: [email protected]

অর্ক

Mail: [email protected]

অর্ক › বিস্তারিত পোস্টঃ

সাবধান: ৭১ এর প্রতিশোধ এরা ২৪ এ নিতে চাচ্ছে

০৫ ই আগস্ট, ২০২৪ রাত ১২:১৮



খুব ভালো চলছিলো বাংলাদেশ। আমাদের প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থা সবদিক দিয়েই সবচেয়ে ভালো। শেখ হাসিনার এই সময়কালেই বাংলাদেশের বিস্ময়কর পরিবর্তন, উত্থান। সারা বিশ্বের জন্য বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেল। ভারত পাকিস্তানের মিডিয়ায় বিভিন্ন আলোচনায় বহুবার দেখেছি, বক্তারা তাদের দেশের সাথে তুলনা করতে বাংলাদেশের উদাহরণ টানছে। দেখুন, বাংলাদেশ কতো এগিয়ে গেছে। শেখ হাসিনা শূন্য থেকে শুরু করে কোথায় নিয়ে গেছে দেশকে। কতো ভালো করছে তারা। বহু প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে বাংলাদেশের সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে ঢের রিপোর্ট পড়েছি। ওপার বাংলার বিখ্যাত বাংলাবাজার পত্রিকার বিশেষ রিপোর্টের কথা এ মুহূর্তে মনে পড়ছে। এ এক অন্য বাংলাদেশ। এরকম কিছু। ভারতের ওপর একদা আগাগোড়া নির্ভরশীল রাষ্ট্রটি আজ স্বাবলম্বীই শুধু নয়, সমস্ত উন্নয়ন সূচকে উল্টো ভারতকেই পিছনে ফেলতে চলেছে। ভারতীয়রা রীতিমতো ঈর্ষার চোখে দেখতে শুরু করেছিলো ব্যাপারটা। এটা তথ্য। এটা ফ্যাক্ট। বাংলাদেশের এই সমৃদ্ধি এই উন্নতি আমাদের চোখের সামনে দৃশ্যমান। শেখ হাসিনার এ সময়কালে কি থেকে কি হয়ে গেলো বাংলাদেশ। নিঃসন্দেহে দারিদ্র্যের হার ঢের কমে এসেছে। এক সময় ঢাকায় বস্তি ছাড়াও, এখানেসেখানে জীর্ণশীর্ণ কঙ্কালসার ছিন্নমূল ভাসমান দরিদ্র মানুষদের মানবেতর জীবনযাপন করতে দেখা যেতো। ফুটওভার ব্রিজের ওপর এরকম বহু উদ্বাস্তু পরিবার বাস করতো। এগুলো সাধারণ দৃশ্য ছিলো ঢাকার। বড়ো কোনও রাস্তার মোরে দাঁড়ালেই দলে দলে ভিক্ষুক ঘিরে ধরতো। ব্যাপক পতিতাবৃত্তি ছিলো। বিভিন্ন সড়কের পাশে অসহায় দরিদ্র মেয়েদের খদ্দেরের অপেক্ষায় লাইন ধরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখতাম। সংখ্যায় অগুনিত। আজ সে তুলনায় নিঃসন্দেহে পরিস্থিতি অনেক ভালো। দেশের যোগযোগ ব্যবস্থা, পরিবহন খাতে শেখ হাসিনা তার এ সময়কালে একরকম বৈপ্লবিক পরিবর্তন ঘটিয়েছে বললেও অত্যুক্তি হবে না। ঢাকাকে যে কখনও এরকম যানজট মুক্ত করা যাবে, তা কি কেউ কোনওদিন কল্পনা করতে পেরেছিলো? শেখ হাসিনাই সে অসম্ভবকে সম্ভব করে দেখিয়েছে। মেট্রোরেল, এক্সপ্রেসওয়ে, হাইওয়ে, ফ্লাইওভারে আজ ছেয়ে গেছে পুরো ঢাকা। ঢাকায় অবস্থানরত পনেরো ষোলো বছরের কিশোর জানে না যানযট কি। মিরপুর আজিমপুর মৌচাক মগবাজার ইত্যাদি বিভিন্ন জায়গায় বহুবার এরকম হয়েছে যে, বিকেল পাঁচটায় হয়তো যানজটে পড়েছি, গন্তব্যে পৌছতে পৌছুতে রাত আটটা বেজে গেছে। সেই মহা যানজটের নগরী ঢাকা আজ যানজট মুক্ত। শেখ হাসিনারই অবদান। পদ্মা সেতু দক্ষিণাঞ্চলের মানুষদের জন্য বিরাট সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিয়েছে। একসময় যা কল্পনাতীত ছিলো। পদ্মা সেতু দক্ষিণাঞ্চলের চিত্রই বদলে দিয়েছে এক প্রকার। একে কেন্দ্র করে বিরাট কর্মযজ্ঞ শুরু হয়ে গেছে সেখানে। মানুষের জীবনমানের ব্যাপক উন্নয়ন ঘটেছে। দেশের অর্থনীতিতে বিরাট অবদান রাখছে পদ্মা সেতু। গার্মেন্টস কৃষি মৎস্য ইত্যাদি তো আছেই। মাথাপিছু আয় ঢের বেড়ে গেছে। এরকম উদাহরণ অসংখ্য। লিখতে গেলে আস্ত বই হয়ে যাবে। ঢাকাই শুধু নয়, এভাবে সারা বাংলাদেশেরই চিত্র সম্পূর্ণরূপে বদলে দিয়েছে শেখ হাসিনা তাঁর এই সময়কালে। সারা বিশ্বের জন্য আজ উন্নয়নের রোল মডেল বাংলাদেশ। সমৃদ্ধি উন্নতি উন্নয়নে বাংলাদেশ আজ পৃথিবীর বিস্ময়। বিএনপি জামায়াতের সময়কালও দেখেছি আমরা। আগাগোড়া অকার্যকর ব্যর্থ পঙ্গু রাষ্ট্র। এক ঘন্টা বিদ্যুৎ থাকলে পরের ঘন্টা লোডশেডিং। ছিনতাই মাদক সন্ত্রাস চাঁদাবাজের অভয়ারণ্য। অপরাধের নগরী। বিচারহীনতার সংস্কৃতি। ভয়ের সংস্কৃতি। সংখ্যালঘু, আদিবাসীদের ওপর রাষ্ট্রীয় মদদে সীমাহীন অত্যাচার নির্যাতন। কোথাও কোনও আইন নেই, বিচার নেই। জঙ্গিবাদের তীব্র উত্থান। চৌষট্টি জেলায় বোমা হামলা। আদালত বিচারালয় সিনেমাহল খেলার মাঠ রমনাপার্ক মসজিদ মন্দির চার্চ প্যাগোডা সর্বত্র বোমা হামলা। চারিদিকে শুধু রক্ত মৃত্যু কান্না হাহাকার। নরক গুলজার অভিশপ্ত একটি দেশ। কোনও সিস্টেম নেই, নিয়ম নেই। বলবানরা যা খুশি করে বেড়াচ্ছে। আগাগোড়া পরনির্ভরশীল মেরুদণ্ডহীন ব্যর্থ অকার্যকর অরাজক রাষ্ট্র। আজ যদি শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগের পরিবর্তে বিএনপি জামাত এ সময়কালে বাংলাদেশের ক্ষমতায় থাকতো, তাহলে দেশের চিত্র হতো সম্পূর্ণ বিপরীত। পৃথিবীর বুকে এক আতঙ্কের নাম হতো বাংলাদেশ। নির্ঘাত পাকিস্তান আফগানিস্তানের থেকেও খারাপ হতো অবস্থা। উন্নয়নের রোল মডেলের জায়গায় আজ জঙ্গিবাদ মৌলবাদ অপরাধ অরাজকতার রোল মডেল হতো। বিশ্বের বুকে অভিশপ্ত নরকের নাম হতো বাংলাদেশ। বিএনপি জামায়াতের হাত ধরে সে পথেই যাচ্ছিলাম। শেখ হাসিনা এই রাষ্ট্র এই মানুষের জন্য ত্রাণকর্তা হিসেবে আবির্ভূত হন। তাঁর হাত ধরেই আজ এতোদূর এসে দাঁড়িয়েছে বাংলাদেশ। একাত্তরের পরাজিত শক্তি, সেই চরম মৌলবাদী, স্বাধীনতা বিরোধী হিংস্র হায়েনার দল আজ আবার ষড়যন্ত্র করে বাংলাদেশকে বিপদে নিতে তৎপর। দেশের বুকে মরণকামড় বসিয়েছে হায়েনারা। দেশব্যাপী সংগঠিত পরিকল্পিত জঙ্গি আক্রমন শুরু করেছে। যে কোনওভাবে, বেশুমার নিরীহ সাধারণ মানুষের রক্তপাতের মধ্য দিয়ে হলেও আবার ক্ষমতার মসনদে আসীন হবার স্বপ্নে বিভোর তারা। হ্যা, স্বাধীন বাংলাদেশে আজও তাদের একটি বিরাট জনসমর্থন রয়ে গেছে, এ সত্য কিছুতেই অস্বীকার করা যাবে না। একাত্তরেও যেমন ছিলো। যা দুর্ভাগ্যজনক। একাত্তরে যেটা ছিলো বিশ শতাংশ, হতে পারে সেটা আজ চল্লিশ শতাংশে পৌছেছে। তবু্ও মূল জনগোষ্ঠী এখনও স্বাধীনতার পক্ষেই অবস্থান করছে বলে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। আগেরবার গোলযোগের সময় নিজে স্বশরীরে ঘটনাস্থলে ছিলাম। বিরাট সংখ্যক মানুষ এসবে যারপরনাই বিরক্ত। তারা শান্তি চায়। কোটা আন্দোলন নিয়ে তাদের একবিন্দু আগ্রহ নেই। তারা শান্তিকামী বিবেকবোধসম্পন্ন শুভবুদ্ধির মানুষ। তারা বুঝতে পারছিলো না, এরকম এক ব্যাপক সংঘবদ্ধ পরিকল্পিত আক্রমন নাশকতাকে কি করে মোকাবেলা করবে। দিশেহারা বোধ করছিলো। যেমন আমি নিজেও পারিনি। শুধু মূক দর্শক হয়ে ছিলাম। আমি রাজনীতি করি না। সেভাবে রাজনীতি সচেতনও না। দেশ, দেশের মানুষকে খুব ভালোবাসি। সদা তাদের ভালো চাই। তাই দেশের এই ক্রান্তিলগ্নে আমি সর্বাত্মকভাবে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের সাথে আছি। শেখ হাসিনার সাথে আছি। এরকম উগ্রবাদ জঙ্গিবাদ সন্ত্রাসের মধ্যে শেখ হাসিনার পতন মানে বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্রটিরই পতন। মুক্তচিন্তা মুক্তবুদ্ধি বাকস্বাধীনতা আধুনিকতা উন্নয়নের পতন। অসাম্প্রদায়িক উদার গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের পতন। আমরা কিছুতেই তা হতে দিতে পারি না। এবার আমরা রুখে দাঁড়াবো। সবাই মিলে রুখে দাঁড়াবো। উপস্থিত বোর্ডে লিখছি। মোটেও পরিকল্পিত লেখা নয়। বহু লিখে ফেলেছি ইতোমধ্যে। পরিশেষে দেশের সমস্ত মুক্তচিন্তার শুভবুদ্ধিসম্পন্ন সভ্য সুস্থ মানুষদের বলতে চাই, দেশ আজ আক্রান্ত। মৌলবাদ জঙ্গিবাদ মরণকামড় বসিয়েছে বাংলাদেশের বুকে। এ সময় কারও কোনওরকম ভুল করা যাবে না। বিভ্রান্ত হয়ে কোনও পাতা ফাঁদে পা দেয়া যাবে না। কোনও কোটাফোটার ছাত্র আন্দোলন ছিলো না এটা। তথাকথিত এ কোটা আন্দোলনের নেতৃত্ব দানকারী ছাত্রদের সিংহভাগই বড়োলোকের ছেলেমেয়ে। পোশাকআশাক চালচলনেই তা প্রতীয়মান। এরা গ্রামের সাধারণ দরিদ্র কৃষক শ্রমিক মজুরের সন্তান নয়। শুরুতেই এদের আচারআচরণ কথাবার্তায় শিওর হয়ে গিয়েছিলাম, এদের উদ্দেশ্য সম্পূর্ণ ভিন্ন। এদের সাথে আলাপআলোচনার কালক্ষেপণে শুধুই রাষ্ট্র বিরোধী উগ্রবাদী জঙ্গি শক্তি সংগঠিত হয়েছে, শক্তিশালী হয়েছে, আর কিছু নয়। এখন সময় এসেছে, সবাই মিলে এদের প্রতিহত করার। সবাই মিলে এদের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবার। প্রথম দিনই ডান্ডা মেরে তুলে দেয়া লাগতো সব ক’টাকে। আদৌ কোনও কোটা বিরোধী আন্দোলন করেনি ওরা। ওদের কেউই খেটে খাওয়া দরিদ্র কৃষক শ্রমিক মজুরের ছেলেমেয়ে নয়। একটা সরকারি চাকরি ওদের জন্য কোনোই গুরুত্ব রাখে না। বড়ো ব্যবসায়ী, চাকুরিজীবী অবস্থাপন্ন পরিবারের ছেলেমেয়ে এরা। আঠারোর ছাত্র আন্দোলন এটা ছিলো না কিছুতেই। নিঃসন্দেহে অনেক সাধারণ ছাত্রছাত্রী বিভ্রান্ত হয়েছে ফাঁদে পা দিয়ে। এখন এ মুহূর্তে আমার এ লেখাটি যদি আন্দোলনরত সাধারন শিক্ষার্থীদের কেউ পড়ো, তবে তোমাকেই বলছি, শেখ হাসিনার পতন শুধুমাত্র শেখ হাসিনার পতন হবে না। এটা বাংলাদেশ নামক স্বাধীন রাষ্ট্রটির পতন হবে। দেশের উন্নয়ন উন্নতি সমৃদ্ধি প্রগতির পতন হবে। মুক্তচিন্তা বিরোধীমত বাকস্বাধীনতা গনতন্ত্রের পতন হবে। ফিরে আসো। অন্ধকারে থেকো না। এ অবারিত আলোয় আসো। অনেক রক্ত শ্রম ঘাম ত্যাগ তিতিক্ষার শেষে পাওয়া আমাদের বহু কষ্টার্জিত এ স্বাধীনতা। একে রক্ষা করো। সবাই যার যার ঘরে কিংবা ক্যাম্পাসে ফিরে যাও। আমরা সবাই তোমাদের সাথে আছি। আমি নিজেও সবরকম কোটার বিরুদ্ধে। কোটা কোনও সুস্থ চর্চা নয়। তোমরা ফিরে আসো। তোমরা যার যার ক্যাম্পাসে, বাড়িতে ফিরে যাও। সমস্ত সচেতন দেশপ্রেমিক নাগরিককেও একই কথা বলবো। দেশ আজ বিরাট সঙ্কটে। আমাদের মূক দর্শক হয়ে থাকার সময় আর নেই। সবাই রুখে দাঁড়ান চলমান এই সশস্ত্র জঙ্গিবাদ উগ্রবাদের বিরুদ্ধে। একা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষে এটা সম্ভব নয়। শেখ হাসিনার পাশে থাকুন। দেশের উন্নয়ন সমৃদ্ধি অগ্রগতির সাথে থাকুন। সবাইকে ধন্যবাদ। সবার জন্য শুভকামনা। বাংলাদেশ চিরজীবী হোক।

(খুবই অপরিকল্পিত লেখা। ভুলভ্রান্তি ক্ষমাসুন্দর চোখে দেখার অনুরোধ করছি সবাইকে। লেখা বড়ো হয়ে গেছে বেশ। পোস্ট করে রাখছি। সময় সময় সম্পাদনা হবে। বিরাট সঙ্কট দেশে। অপেক্ষা করার সময় আর নেই। লেখায় যে কোনও সভ্য, সুস্থ মতামত কাম্য।)

মন্তব্য ১৭ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (১৭) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই আগস্ট, ২০২৪ রাত ১২:৩২

মায়াস্পর্শ বলেছেন: শিরোনামে ব্র্যাকেটে (রম্য) লিখতে ভুলে গেছেন মনে হচ্ছে। ঠিক করে নিবেন দয়া করে।

২| ০৫ ই আগস্ট, ২০২৪ রাত ১২:৩৩

জ্যাক স্মিথ বলেছেন: এখন আর এইসব লিখে লাভ নেই, জান বাঁচাতে পাকিস্তান জিন্দাবাদ রব তুলুন।

২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:৩৬

অর্ক বলেছেন: পাকিস্তান জিন্দাবাদ। নেন বললাম ভাই। অসুবিধা কি! বহু পাকিস্তানি চিনি, যারা সুসভ্য সুশীল, মানবিক মানুষ। পুরনো একটি হিন্দি গান মনে পড়ছে। যার অনুবাদ এরকম: পরম্পরাগত যে ধারা বয়ে চলে, তারা সবাই মিলেমিশে থাকে। সেই বয়ে চলা ধারা হয়ে যাও। পাকিস্তান ভারত বাংলাদেশ আসলে একই মানুষ, একই সংস্কৃতি ইতিহাস ঐতিহ্যেরই ধারক। আমরা আবার একসাথে মিলেমিশে থাকবো এ শুভা প্রত্যাশা সবসময়।

ভালো থাকবেন। শুভকামনা।

৩| ০৫ ই আগস্ট, ২০২৪ রাত ১২:৩৪

কামাল১৮ বলেছেন: উন্নতি হয়ছে ঠিকই কিন্তু চিন্তা চেতনায় অবনতি হয়েছে।মৌলবাদের বিকাশ হয়েছে বিস্তর এবং সেটা সরকারের সহযোগিতায়।শয়ে শয়ে মশজিদ বানানোর কি প্রয়োজন ছিলো,দেশে কি মসজিদের অভাব পড়েছিল।মাদ্রাসার বিকাশ বন্ধ না করে সাহায্য করেছে সরকারের লোকজন।মৌলবাদ আজকে সরকারের শিরায় শিরায় ডুকে গেছে।এর পরিনাম খুব খারাপ হবে।সমস্যায় পড়বে স্বাধীনতার পক্ষের লোক জন।

৪| ০৫ ই আগস্ট, ২০২৪ রাত ১২:৪৭

মোঃ মঈনুদ্দিন বলেছেন: শত শত নিরীহ মানুষের রক্তে রঞ্জিত এ প্রিয় মাতৃভূমি আজ শোকে ম্যুহমান; আর শোনাচ্ছেন কিসের বাণী, ভাইজান? উন্নয়ন কাঁদের জন্য? দেশের মানুষই যদি বেঁচে বর্তে না যায়? তাহলে কিসের উন্নয়ন, কিসের প্রগতি? শৃংখলাবদ্ধ মানবতা! শাসকের লেলিয়ে দেয়া গুন্ডা বাহিনী আর সমরাস্ত্র নিয়ে দেশের মানুষের টেক্সের টাকায় চলা পুলিশ, আর্মি, বিজিবি তৈরি করেছে ভীতিকর পরিবেশ! যখন সময় ছিলো আলোচনার তখন পাত্তা দেয়নি বাচ্চাদের। না হলে, আজ এরকম অবস্থা দেখতে হতো না। চোখ থেকে পট্টি সরান। চোখ মুখ ধুয়ে আলোতে আসুন।

৫| ০৫ ই আগস্ট, ২০২৪ রাত ১২:৫৪

মোঃ মঈনুদ্দিন বলেছেন: অযথাই মৌলবাদ নামক জুজুর ভয় দেখিয়ে মানুষদের বিভ্রান্ত করছেন। এ দেশে মৌলবাদ একটা অপবাদ। সকল মানুষের হাতে ডিজিটাল ডিভাইস রয়েছে। লাখ লাখ কপি ভিডিও হচ্ছে। কারা কারা অপরাধ করছে সেটা সময়েই ধরা খাবে। খেত খায় গধা, মার খায় জুনহা! হয়তো দেশে এমন একটা সময় আসবে যেদিন সাক্ষী প্রমাণের জন্য ১০ হাজার পৃষ্ঠা কাগজের জায়গায় ১০ হাজার জিবি ভিডিও সরবরাহ করবে। কারা আছে এ খুন জখমের পিছে সব কিছুর আলামত এখন রেকর্ড হচ্ছে। সময়েই কথা বলবে।

৬| ০৫ ই আগস্ট, ২০২৪ রাত ১২:৫৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: ৭১ এ ওদের জন্ম হয় নি। ওরাই এদেশের প্রকৃত দেশপ্রেমিক মানুষ এটা ছাত্র জনতার অভ্যুত্থান। কোনো প্রোপাগান্ডা তাদের দমাতে পারেনি।

০৫ ই আগস্ট, ২০২৪ রাত ১:১৯

অর্ক বলেছেন: যা জানেন না, তা নিয়ে বেকুবের মতো মন্তব্য করবেন না। আশি নব্বই বছর আগে শেষ হয়েছে বিশ্বযুদ্ধ। এখনও নাজি ধ্যানধারণার মানুষ জার্মানি ইউরোপে সক্রিয়। বিভিন্ন সময় সমস্যা তৈরী করে। মানুষ মরে, চিন্তা দর্শন মরে না। ৭১ এ জন্মানোর কথা বলে নিজের অজ্ঞতা, অল্প জ্ঞানের পরিচয় দিলেন।

যাক, ধন্যবাদ। প্লিজ বারবার মন্তব্য করবেন না। অহেতুক তর্কবিতর্ক করবেন না। ভালো থাকবেন।

৭| ০৫ ই আগস্ট, ২০২৪ রাত ১:০৩

ভুয়া মফিজ বলেছেন: আপনার এই আবেদনময়ী চমৎকার লেখাটা আরো এক সপ্তাহ আগে যদি লিখতেন, তাহলে দেশে একটা বিপ্লব হয়ে যেতো। জাতি একটা বিরাট দিক-নির্দেশনা পেতো। এখন তো অনেক দেরী হয়ে গিয়েছে। তারপরেও আপনার সাথে আমিও একাত্মতা ঘোষণা করছি। দাবী করছি, ভবিষ্যতে যারাই এই দেশ শাসন করুক, আপনার এই লেখাটা ''জুলাইয়ের ঘোষণাপত্র'' হিসাবে যেন জাদুঘরে সংরক্ষণ করা হয়।

একা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষে এটা সম্ভব নয়। কি বলেন এইসব!! আপনার এই কথার তীব্র প্রতিবাদ করছি। হেলমেট বাহিনীর কথা কি ভুলে গেলেন?

৮| ০৫ ই আগস্ট, ২০২৪ রাত ১:১১

আরেফিন৩৩৬ বলেছেন: আপনি নিঃসন্দেহে একজন তথ্য স*ন্ত্রা**সী, যেমন সাধারণ শিক্ষার্থীদের উপর কিছু পুলিশ, কিছু লীগ গু*লি চালায়, আপনি তার একটু ব্যাতিক্রম গু*লিটা তথ্য দিয়ে চালাচ্ছেন। অভুতপূর্ব স্বৈরাচার প্রতিরোধের ঐক্যে গড়ে উঠা জাতির নাম বর্তমান বাংলাদেশ।
আপনার মস্তিষ্কটা বিটিভি-র বেড়ে উঠা এক দেশবিরোধী মাথা।
খুন, হত্যা, ধর্ষণ, ক্যাম্পাসে চাঁদাবাজি, ছিনতাই, যাকে-তাকে মারধোর, অদৃশ্য টেন্ডারবাজি, প্রতিটি চেয়ারম্যান, কমিশনার বাড়ি একেকটি মিনি ক্যান্টেমেন্ট, অস্ত্রের কারখানা,
আর এ সকল শয়তানী ঢাকতে মসজিদে মসজিদে দান-অনুদান, দেখেন না, কোন আলেম, তথাকথিত নামাজী সম্প্রায় কেউ মাঠে নাই? এরা সবাই সরকারের পোষ্য ও দালাল।
ইউটিউব ভর্তি ফতোয়া জারি করা বাকপটু আলেমগুলা কই? সব বসে বসে সাধারণ শিক্ষার্থীদের খারাপ অবস্থা দেখছে, এরা সব লীগের পকেটে। আমাদেরকে আপনি জঙ্গি টার্ম শেখান? আরকেটি বড় টার্ম রাজাকার ; দেশের সব নামকরা রাজাকার আর স্বাধীনতা বিরোধী আওয়ামী লীগে। প্রতিটি এলাকায় এরা বহালতবিয়তে রাজা, এই রাজারাই গণতন্ত্র চায় না, শিল্প চায় না, সাহিত্য চায় না, বিরোধী মত চায় না। তথাকথিত উন্নয়নের আর লুটপাটের বয়ানে এরা বাতাবি লেবুর বাম্বার ফলন।
সময় থাকতে আপনিও বুঝুন, এই দূর্বৃত্তায়নের লীগকে না বলুন। দেশকে বাঁচান, মানুষকে বাঁচান।

৯| ০৫ ই আগস্ট, ২০২৪ রাত ১:১৪

তানভির জুমার বলেছেন: গতকাল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেছিল পুলিশের গুলিতে নাকি কোন শিক্ষার্থী মারা যায়নি। ঠিক আপনার মতই। আচ্ছা আপনারা আওয়ামীরা এত জ্বলজ্যান্ত মিথ্যা কথা কেমনে বলেন? মুখটা খুললেই মিছা কথা ছাড়া আপনারা এক লাইন কথা বলতে পারেন না। আর এই যে আপনি একটা গরুর রচনা লিখলেন আর কমেন্টগুলো দেখে আপনার লজ্জা হয় না? আচ্ছা মানুষ কি নিজের চোখ কে বিশ্বাস করবে নাকি আপনাদের গোয়েবলস মার্কা মিথ্যাগুলোকে।

১০| ০৫ ই আগস্ট, ২০২৪ রাত ১:৪১

অস্বাধীন মানুষ বলেছেন: অনেক উন্নত পিয়ন ৪০০ কোটির মালিক বেনজির হাজার কোটির মালিক।
আর গত কয়েকদিন যারা পালাইছে তাদের কথা কি বলবো ।

১১| ০৫ ই আগস্ট, ২০২৪ রাত ১:৫৩

উদীসূর্য বলেছেন: কিন্তু যখন আপনি, এই স্বাধীনতাপন্থী মানুষজনের মৃত্যু হবে, তখন কী হবে? পরবর্তী প্রজন্ম কে কি আপনারা প্রস্তুত করতে পেরেছেন?
আমি নিজেও জেন জি এর অন্তর্ভুক্ত। আমি জানি এই প্রজন্মের মাথায় কি চলে। এই সরকার– এই মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষের শক্তি– রাজাকারী অপশক্তির বিরুদ্ধে এই প্রজন্মকে গড়ে তুলতে চরমভাবে ব্যর্থ। বরং গত ১৬বছরে স্বাধীনতাপন্থী শক্তি হিসেবে সকল অন্যায়-অবিচার ত্যাগ না করে বরং এগুলোর পোষক হয়ে মুক্তিযুদ্ধপন্থী প্রতিক্রিয়াশীলতাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে, স্বাধীনতাবিরোধীদের কোলে ঠেলে দিয়েছে।
আমি একজন শিক্ষার্থী। আমার সহপাঠী ৭০জনের মধ্যে একজনও নেই, যারা মুক্তিযুদ্ধপক্ষের শক্তি হিসেবে এক্টিভিসম করে। ২০১৩ শাহবাগ আন্দোলন সম্পর্কে তাদেরকে বিন্দুমাত্রও কিচ্ছু ধারণা নেই। কিন্তু শাপলা চত্বরের ব্যাপারে একেকজন হেফাজতের আইনজীবী। এই সোশাল মিডিয়ার মাধ্যমে দক্ষিণপন্থী রক্ষণশীল নব্য স্বাধীনতাবিরোধীরা ঠিকই তাদের মগজ খেয়ে আছে। মেজর ডালিমকে যারা জাতির পিতা মানে, বঙ্গবন্ধুকে যারা রাজাকার মানে। সাঈদী তাদের আইডল। তালেবান তাদের আদর্শ। আর আমি কি? "নাস্তিক"।
একটা পুরা প্রজন্ম ধ্বংশ হয়ে গেছে আপনারা চোখে দেখতে পারছেন না। আমার সহপাঠীদের মধ্যে যারা এই আন্দোলন নিয়ে বেশি এক্টিভিসম দেখিয়েছে- তারা প্রায় সকলেই মুক্তিযুদ্ধের ব্যাপারে জামায়াতী ন্যারাটিভে বিশ্বাসী। আর বাকিরা সব ছাগল। জ্ঞানবুদ্ধি কিছু নাই। কিন্তু তাই বলে সরকারকে সমর্থন দেব? ১৫ই জুলাইয়ের ছাত্রলীগের আক্রমণ থেকে শুরু করে আমার কাছের মানুষ বিনা অপরাধে গ্রেফতার হয়েছে। তারপরেও? শুধু সরকারের ঘৃণ্য কর্মকাণ্ডগুলোকে তিরস্কার করে আন্দোলন থেকে দূরে থেকেছি।
কিন্তু এই দায় কার? শাহবাগের ১০বছর পরের বাস্তবতা হলো, দেশটা যার কবলেই যাক, প্রজন্ম আর শাহবাগের আদর্শের মধ্যে নাই। আসলে এই প্রজন্মের অধিকাংশের মধ্যে তো মতাদর্শ বলেও কিছু নাই।
আমি আপনার মতামতকে শ্রদ্ধা করি। আপনার আবেগকে শ্রদ্ধা করি। কিন্তু বাস্তবতা হলো আপনার নেত্রী, আপনার গোষ্ঠীই আজকের এই দিনের জন্য দায়ী। বাংলার বুক থেকে মুজিববাদের দুর্ভাগ্যজনক বিদায় হয়ে যাচ্ছে।
মাঝেমধ্যে মনে হয় আমার প্রজন্মে আমি একাই অন্যরকম। অন্যরকম না হয়ে সবার মতো স্রোতে ভেসে গেলেই পারতাম। এতো চিন্তা করা লাগতো না।

২৮ শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ রাত ১০:২১

অর্ক বলেছেন: আমার হৃদয় নাও। খুবই সঠিক, সুন্দর, যৌক্তিক মন্তব্য করেছিলে। এখন তো দিবালোকের মতো পরিষ্কার সব। আমিই সম্ভবত সবার আগে বলেছিলাম যে, এটা কোনও আন্দোলন নয়। সম্পূর্ণভাবে স্বাধীনতা বিরোধী পরাজিত শক্তির বাংলাদেশ ধ্বংসের ষড়যন্ত্র। সব অক্ষরে অক্ষরে ফলে গেছে। ভুল তো বহু আছে নিঃসন্দেহে। সেগুলোকে সংশোধন করে এগিয়ে যেতে হবে। শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন অত্যান্ত দরকার। শুভদিনের প্রত্যাশা। এই ভূমির সন্তান আমরা। এখানেই থাকতে হবে, বাঁচতে হবে। সবাই মিলে এগিয়ে নিতে হবে দেশকে।

ভালো থেকো। শুভকামনা সবসময়।

১২| ০৫ ই আগস্ট, ২০২৪ রাত ২:৫৭

হাবিব ইমরান বলেছেন:

কি লিখলেন এসব?
আগাছা।
যেখানে লাখ লাখ মানুষ আন্দোলন করছে সেখানে সবাই খারাপ? আর আপনারাই সেরা? সবাই ভুল, আপনারা শুদ্ধ?

মানুষ হন!!!
এতগুলো জীবন নিতে হাত কাঁপলো না?
আল্লাহ আপনাদেরও নির্বংশ করুক, অপমৃত্যুর মাধ্যমে।

১৩| ০৫ ই আগস্ট, ২০২৪ ভোর ৬:০৩

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:



কোটা আন্দোলনকারীরা ভয়াবহ সন্ত্রাসী ।
তাদেরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হোক।
তারা যেভাবে দেশের ক্ষতি করছে সেই ক্ষতি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে না সহজে।

তারা বিশেষ একটি রাজনৈতিক দলের এজেন্ডা বাস্তবায়নের জন্য ভাড়াটিয়া হিসেবে কাজ করছে।
এবং প্রচুর পরিমাণে টাকা পাচ্ছে এতে কোন সন্দেহ নেই ।
কম বয়সে টাকা পেলে যা হয়।
দেশের সম্পদ ধ্বংস করতে তাদের বিবেকে একটু বাঁধছে না।
আফসোস।

১৪| ০৫ ই আগস্ট, ২০২৪ সকাল ১০:২১

অপলক বলেছেন: অর্ক বাবু , এই চুক্তিগুলোর মানে বোঝ? এটা তো কেবল একটা ঘটনা। পনের বছরে দেশকে ৮৫% বিকিয়ে দিয়েছে এভাবেই...চোখের দেখা সব নয়। দৃশ্যমান উন্নয়ন সব নয়...

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.