নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

গান শুনতে ভালবাসি কিন্তু গান গাইলে সবাই পালায়। প্রেম করি কিন্তু প্রেমিকা নাই। লেখালেখি করি কিন্তু পাঠক নাই। আমি আছি কিন্তু কেউ নাই...

আসিফ বিন হোসেন

পনেরো হাজার পৃষ্ঠার একটা উপন্যাস লিখব! সেই উপন্যাসে তার নাম কোটিবার থাকবে! সেই উপন্যাসের নায়ক আমি আর নায়িকা সে!

আসিফ বিন হোসেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

অদ্ভুত ব্রেকআপ

১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ বিকাল ৫:২৬

কোনও এক দূর্ঘটনায় ফেঁসে যাওয়া সম্পর্ক থেকে মুক্তি পাওয়া দরকার শহীদের। বেচারা সহজ সরল। তিথিকে একসময় পছন্দ করতো সে। কে জানতো, সম্পর্কে জড়ানোর পরে এমন চেহারা বেরোবে তিথির!

একবার পার্কে দুইজন বসে ছিল। হঠাত্ কি নিয়ে কথা কাটাকাটি হল আর তিথি সজোরে শহীদের গালে চড় বসিয়ে দিল। সেকি সিনক্রিয়েট হল। কিন্তু শহীদ কিছু করে নি। চলে এসেছিল বাসায়। পরে অবশ্য তিথি "সরি" বলেছিল। সেই থেকেই শহীদের মনের থেকে তিথি উঠে গেল।
আরেকবার তিথি তার বান্ধবীদের সামনে সেকি অপমান করল শহীদকে। যে মেয়ে নিজের বান্ধবীদের সামনে নিজের প্রেমিককে অপমান করতে পারে, সে কোনও দিন তাকে ভালোবাসতে পারে না। ভালোবাসার মানুষের সাথে কেউ এমনটা করতে পারে না...

.
আজ বিকালে পার্কে দেখা করবে বলে ঠিক করল ওরা।

পার্কের রাস্তায় শুকনো পাতা পড়ে আছে। বিকালে সূর্যের লালাভ আভাটা আছে। যেকোনো কারও জন্যই আবহাওয়াটা ভীষণ রোমান্টিক।
দুইজনে হাঁটছে একসঙ্গে। হঠাত্ শহীদ বলল,-"বাবু, তোমার জন্য একটা সারপ্রাইজ আছে!"

তিথি ভীষণ এক্সাইটেড হয়ে গেল।
শহীদ আবার বলা শুরু করল,"তুমি তোমার হাতের তালু খোলা রেখে আগে নাকের উপরে রাখো আর চোখটা বন্ধ করো!"

তিথি খুশিতে গদগদ হয়ে চোখ বন্ধ করে হাতের তালু নাকের কাছে ধরল। তিথি রাস্তা ঘাটে সিনক্রিয়েট করা মেয়ে, শহীদ সেটা জানে। তাই শহীদ দেরি না করে এক দুই তিন কাউন্টিং করে সজোরে তিথির নাকের উপর ধরা হাতের উপর বাড়ি মেরে দিল দৌড়!
যে এ রকম নাকের উপর বাড়ি খেয়েছে, সেই-ই জানে এর ব্যথা কেমন। এটা শহীদ বহু বছর আগে এক স্কুল বন্ধুর কাছে শিখেছে! ভুলিয়ে ভালিয়ে নাকের উপর হাত রাখতে বলেছিল। আর বলছিল, একটা সারপ্রাইজ আছে। এই বলে বাড়ি দেওয়ার পরে, শহীদের চোখের পানি পর্যন্ত বের হয়ে গিয়েছিল! এই ব্যথার কথা চিন্তা করে তিথির জন্য রীতিমতো ভীষণ মায়া হল শহীদের...

শহীদ দৌড়ে দূরত্ব বজায় রেখে কিছু দূর গিয়ে দাঁড়ালো। তিথি নাকে হাত দিয়ে কাঁদো কাঁদো চোখে অগ্নিমূর্তি হয়ে শহীদের দিকে তাকিয়ে আছে, যেন হাতের কাছের পেলেই কাঁচা খেয়ে ফেলবে!
তারপর শহীদ নাকের কাছে হাত নাড়িয়ে কতক্ষণ ভেঙালো। তারপর "থ্রি ইডিয়টস" এর মতো নিজের পাছায় চাপড় দিল। এবার সে বাম হাতের বুড়ো আঙুল নাচাতে নাচাতে চিত্কার করে বলে উঠল, "ব্রেকআপ! ব্রেকাআপ!"

আর দাঁড়িয়ে থাকলো না শহীদ। উল্টো দিকে দিল দৌড়! মনে মনে বলে উঠল,"ওওওহ, দ্যাটস্ ফিলস গুউউড...!"

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:০৮

শায়মা বলেছেন: হা হা হা

শহীদ তো দেখছি ভীতুর ডিম।


চোখ বুজে বাড়ি দিয়ে ভো দৌড়!!!!!!


হা হা হা হা হা :P

২| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ সন্ধ্যা ৬:২৬

মোঃ আক্তারুজ্জামান ভূঞা বলেছেন: হোহোহোহাহাহাহিহিহ,,,জট্টিল ব্রেকআপ!!!

৩| ১৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ৮:১৯

বিচার মানি তালগাছ আমার বলেছেন: ঠিকই আছে। অবশেষে মুক্তি...

৪| ১৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৬ রাত ১:০৩

রক্তিম দিগন্ত বলেছেন: হাহাহাহা!!


ব্রেক আপ। (উইলিয়াম ওয়ালেসের ভয়েসে চিন্তা করে হাসতে হাসতে পেট ব্যথা করতেছে)

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.