নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

May Allah Bless Bangladesh till the dooms day.

আমি চাই শক্তিশালী স্বাধীন-সার্বভৌম বাংলাদেশ

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ

I want very active debate

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

বৃহৎ গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ ভারতের বিচার ব্যাবস্থা একটি জঞ্জালঃ ধর্ষণে নিহত এক বিদেশীনির মায়ের ক্ষোভ!

২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১১:১৮







ভারতের বিচার ব্যবস্থাকে 'জঞ্জাল' বলে কঠোর সমালোচনা করলেন পাঁচ বছর আগে গোয়ার সৈকতে ধর্ষণের পরিণামে নিহত ব্রিটিশ কিশোরী স্কারলেট কিলিং-এর মা।



২০০৮ সালে গোয়ার আনজুনা সৈকতে স্কারলেট-এর অর্ধনগ্ন মৃতদেহ পাওয়া গিয়েছিল এবং সে সময় তার বয়স ছিল মাত্র ১৫ বছর। ওই ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার দায়ে কয়েক সপ্তাহ পরে দু' ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়। কিন্তু সে মর্মান্তিক ঘটনার পাঁচ বছর পরও বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই ব্যক্তিই জামিনে মুক্তি পেয়ে অবাধে ঘুরে বেড়াচ্ছে। এ ঘটনার মধ্যদিয়ে ভারতের সমগ্র বিচার প্রক্রিয়ার ভয়াবহ ধীর গতির বিষয়টিই সবার সামনে ফুটে উঠৈছে।



স্কারলেটের মা ফিওনা ম্যাককিওন ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে দেয়া টেলিফোন সাক্ষাতকারে ভারতের বিচার প্রক্রিয়ার ওপর তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন। দিল্লির চলন্ত বাসে এক মেডিক্যাল ছাত্রীকে ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনা নিয়ে যখন ভারত জুড়ে ক্ষোভ চলছে তখন এ সাক্ষাতকার দিলেন তিনি।



ইংল্যান্ডের পশ্চিম উপকূল ডেভন থেকে দেয়া এ সাক্ষাতকারে ফিওনা বলেন, তার ছোট মেয়েটির মর্মান্তিক পরিণতির বিচার না হওয়া পর্যন্ত শান্তি পাবেন না তিনি। ভারতের বিচার ব্যবস্থাকে পরিষ্কার ভাষায় 'জঞ্জাল' হিসেবে অভিহিত করে তিনি বলেন, সত্যি এ এক অদ্ভুত অবস্থা; পাঁচ বছর পর এখনো বিচারের জন্য অপেক্ষা করছি আমি।



স্কারলেট কিলিং-এর ধর্ষণ ও হত্যাকাণ্ড নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রচণ্ড প্রতিক্রিয়ার পরিপ্রেক্ষিতে গোয়ার রাজধানী পানাজির শিশু আদালতে এই ধর্ষণ ও হত্যার মামলা শুরু হয় ২০১০ সালে।



অবশ্য বিচার প্রক্রিয়া শুরুর পর থেকেই মামলাটি আদালতে একটির পর একটি ঝামেলায় পড়েছে। ২০১১ সাল থেকে আদালতে পূর্ণকালীন বিচারক নেই। এ ছাড়া, এ মামলার সরকারি কৌঁসুলিকে দু' বছর আগে সরিয়ে নেয়া হয়। তার হাতে পর্যাপ্ত সময় না থাকায় তাকে সরিয়ে নেয়া হয় বলে সে সময় জানানো হয়েছিল। ২০১২ সাল থেকে এ আদালতে সপ্তাহে মাত্র একদিন বিচার প্রক্রিয়া চলছে এবং জমে থাকা পুরনো মামলা আগে শেষ করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে আদালত।



এদিকে স্কারলেটের ধর্ষণ ও হত্যার ঘটনার সঙ্গে জড়িত দুই ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আলামতের অভাবে কেবলমাত্র হত্যা ও ধর্ষণ প্রচেষ্টার মামলা দায়ের করা হয়েছে।



পুলিশ বলছে, অবৈধ মাদক দিয়ে তৈরি একটি মিশ্রণ খাইয়ে স্কারলেটকে অজ্ঞান করে সৈকতের অল্প গভীর পানিতে ফেলে রাখা হয়। সেখানে সে ডুবে মারা যায়। কিন্তু তার মা এ কাহিনী বিশ্বাস করেননি। তিনি বলেন, মারা না যাওয়া পর্যন্ত পানিতে স্কারলেটের মাথা নির্মমভাবে চেপে ধরে রাখা হয়েছিল।



ওই ঘটনার দিন গোয়ার একটি পরিবারের কাছে রেখে স্কারলেটের মা ও বোন কর্নাটকে বিনোদন সফরে গিয়েছিলেন।



সে সময় কিশোরী মেয়েকে উপযুক্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা না করে একলা রেখে যাওয়ার জন্য ব্রিটেনে প্রচণ্ড সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন স্কারলেটের মা।#



রেডিও তেহরান/সমর/এমআই/২৩



Click This Link



*************



যেহেতু স্কারলেট বিদেশী তথা ভারতীয় নয় তাই তারপক্ষে ভারতে কেউ ধর্ষকদের শাস্তি দাবী করেনি। শুধু তাই নয় ১৯৯২ সালে বোম্বে, ২০০২ সালে গুজরাট এবং ২০০৮এ উড়িষ্যায় মুসলিম ও খ্রীষ্টান নারীদের উগ্র হিন্দুরা গণধর্ষণ করলেও তার কোন বিচার হয়নি।



তাই ভারত যতই বলুক যে তারা বিশ্বের বৃহৎ গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ দেশ আসলে সেটা ব্লাফ। ছোট্ট দেশ হল্যান্ডে যে গণতন্ত্র আছে তার ধারের কাছেও নেই ভারত। আছে স্রেফ গলাবাজি ও মিডিয়ার প্রোপাগান্ডা। প্রকৃত পক্ষে ভারত উপর দিয়া ফিটফাট ও ভিতর দিয়ে সদরঘাট! :D

মন্তব্য ৪ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১২:০৮

ইকবাল পারভেজ বলেছেন: আপনি ভারতের মত একটি দেশের বিরুদ্ধে অপ্রচার চালাচ্ছেন X(( X(( X(( । ভারতের মত দেশ হয় না; আমাদের উচিত সব দিক দিয়ে ভারতকে ফলো করা ইত্যাদি ইত্যাদি।

পেমেন্ট হালাল করলাম ;)


আসলে খবরটা শুনেছিলাম অনেকদিন আগে। আমি ভেবেছিলাম এতদিনে এর নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। কারন, গোয়া ইন্ডিয়ার সেরা টুরিস্ট স্পট গুলার মধ্যে একটি। যদিও গোয়া ড্রাগ এডিক্ট আর প্রসটিটিউট দিয়ে ভরা; কিন্তু ইন্ডিয়া পুরা জিনিসটাই ধামা চাপা দিয়ে রাখছে। এরকম একটা টুরিস্ট স্পটে কালো দাগ ইন্ডিয়া অবশ্যই ধুয়ে ফেলার চেষ্টা করবে; আর সেই চেষ্টাটাও তারা করেছে। লোক দেখানো অপরাধীও তারা ধরেছিল; যদিও দুইদিন পরেই সবার কাছে ক্লিয়ার হয়ে যায় পুলিশ ভাল মতোই জানে অপরাধী কারা এবং তাদেরকে তারা বাঁচানোরই চেষ্টা করছে। আইনের মারপ্যাচেই সবকিছু ঝুলিয়ে রেখেছে তারা; এবং আইন দিয়েই ইন্ডিয়া সবকিছু ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। স্কারলেট যদি ব্রিটিশ না হয়ে ভারতীয় হত তাহলে এতদিনে সবকিছু ধামা চাপা দেওয়া হয়ে যেত।
আর একটা কথা না বললেও পারছি না; কিভাবে একজন মা তার ১৫ বছরের মেয়েকে ঝগড়া হওয়ার পর একটা বয়স্ক লোকের কাছে ৩ সপ্তাহের জন্য রেখে গেল, যখন সে জানত ঐ লোক তার মেয়ের সাথে ইলিগাল সম্পর্ক চালাচ্ছে।

আমার বিচারে অপরাধীর সাথে শুধু ইন্ডিয়ার বিচার ব্যবস্থাই অপরাধী নয়; স্কারলেটের ব্রিটিশ মাও সমান দোষী।

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:০৬

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: ভারতের এই সমস্ত অপরাধীরা হল কুকুর। এদের পেটে ঘি হজম হয় না। ভারত নিজে চরম উগ্রবাদী, অনিয়ম ও র্দূনীতির দেশ তাই এরা ধর্ষণ করেও পার পেয়ে যায়।

ধন্যবাদ।

২| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:১০

মুহাম্মাদ আলী বলেছেন: ভারতের মত মহান দেশের বিরুদ্ধে এ অপবাদ মানি না মানবো না ;)

পিলাচ দিয়া গেলাম

২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ২:০৭

বাংলাদেশ জিন্দাবাদ বলেছেন: :)

ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.