নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কলমই আমার অস্ত্র

আমি মুসলমান।

নূরুল হুদা (শান্ত)

পেশায় সাংবাদিক....

নূরুল হুদা (শান্ত) › বিস্তারিত পোস্টঃ

যুদ্ধাপরাধের দায় শুধু জামায়াতকে নয়, দেশের কওমী-দেওবন্দী গোষ্ঠীকেও নিতে হবে : তাই মৃত কওমী নেতা হাফেজ্জী হুজুরকেও আনতে হবে বিচারের আওতায়

২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৩



’৭১ এর যুদ্ধাপরাধ-এর দায় কি শুধু জামায়াতের? কখনই নয়। এর সাথে যুক্ত ছিল এ দেশের কথিত কওমী বা দেওবন্দী গোষ্ঠীও। যারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মদদ যুগিয়েছে মানবতা বিরোধী কর্মকাণ্ডসমূহের। অথচ আজকাল কওমী-দেওবন্দী গোষ্ঠীটি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চেয়ে শুধু জামায়াতের দিকেই আঙ্গুল তুলে দেয় এবং নিজেরা সেজে বসে রেডিমেট মুক্তিযোদ্ধা।

বলাবাহুল্য এই গোষ্ঠীটির সেই সময়কার হর্তা-কর্তাদের অধিকাংশই ’৭১-এ জামায়াতের অনুরূপ যুদ্ধাপরাধের সাথে যুক্ত ছিল। যেই এলাকায় জামায়াতের অস্তিত্ব ছিল না, সেখানে শান্তি কমিটি ও রাজাকার বাহিনীর দয়িত্ব নিজ কাঁধে তুলে নিত কওমী মাদ্রাসার শিক্ষক ও ছাত্ররা। যাদের সহায়তায় ’৭১-এ করা হয় বহু খুন ধর্ষণ ও লুটতরাজের মত ওয়্যার ক্রাইম ।



১)

কওমী দেওবন্দীদের নেতা কথিত হাফেজ্জী হুযূর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে একজন বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে উপাধী দেয় (দৈনিক পাকিস্তান, ৩রা জুন, ১৯৭১)





২) গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের সাথে প্রত্যক্ষ অথবা পরোক্ষভাবে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দদের তালিকায় বাংলাদেশ জেনোসাইড আর্কাইভেও রয়ে গেছে: মওলানা মোহাম্মদ উল্লাহ, (হাফেজ্জী হুজুর) সভাপতি, খেলাফত আন্দোলন, গ্রাম-সোহাগপুর, থানা-বেলকুচি, পাবনা-----এর নাম।



৩) উল্লেখ্য: সিলেটের যে সমস্ত এলাকায় শান্তি কমিটি ও রাজাকারবাহিনী গঠন করা হয়েছিল, প্রায় সবই হয়েছিল দেওবন্দী সিলসিলার বা নিখিল ভারত জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের (দেওবন্দ) উত্তসুরী ‘পূর্ব পাকিস্তান জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম’ নামক দলটির উদ্যোগে। এ দলটির পশ্চিম পাকিস্তান শাখার নেতৃত্বে ছিলেন মুফতী মাহমুদ ও পূর্ব পাকিস্তান শাখার নেতৃত্বে মৌলানা মহীউদ্দীন।





৪) ভারত জমিয়তে উলামায়ে হিন্দের (দেওবন্দ) উত্তসুরী ‘পূর্ব পাকিস্তান জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম’ নামক দলটির রাজাকার গিরি:









**** অনেকে বলতে পারেন: কওমী রাজাকারদের অনেকে যেমন হাফেজ্জী হুযুর তো মারা গেছে। তার বিচার হবে কি করে?

উত্তর হচ্ছে: এই কওমী রাজাকারা যাদের হত্যা, ধর্ষণ, সম্ভ্রমহরণ করেছে তারা তো তাদের ক্ষমা করেনি। তাহলে আমরা এদের ক্ষমা করব কিভাবে?

নাৎসী যুদ্ধাপরাধীদের যেমন কবর থেকে তুলে বা কবরের গায়ে আঘাত করে বিচার করা হয়েছিল তেমনি এই মৃত কওমী রাজারকারদেরও অনুরূপ কায়দায় বিচার করতে হবে, দিতে হবে অনুরূপ শাস্তি।





লিঙ্কসমূহ:

১) http://forum.projanmo.com/topic17911.html

২) http://www.genocidebangladesh.org/?p=304

মন্তব্য ৩০ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৩০) মন্তব্য লিখুন

১| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:২৮

আল মতিন বলেছেন: হে আওয়ামীলীগ, তোমরা সকল প্রকার দাঁড়ি টুপি ওলাদের কে ঝুলাই দাও! বাপের দেশে তোমরা ভাল থাক....

২| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৯

মুহাই বলেছেন: +++

২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৭

নূরুল হুদা (শান্ত) বলেছেন: ধন্যবাদ

৩| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪১

আলতামাশ বলেছেন: পাগলের প্রলাপ

২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৫

নূরুল হুদা (শান্ত) বলেছেন: বুঝলাম না, আপনি যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চান না????

৪| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৪

কসমিক রোহান বলেছেন: বাংলাদেশ ছাড়া অন্যদেশের প্রতি যাদের আগ্রহ বেশি। বাংলাদেশের চেয়ে অন্যদেশকে যারা বেশি পছন্দ করে তাদেরও বিচার হওয়া উচিৎ।
যারা পাশ্চাত্যকে ফলো করে আমাদের দেশী সংস্কৃতিকে অবমাননা করে, যারা আশে-পাশের রাষ্ট্রের সংস্কৃতি পছন্দ করে ও আশে-পাশের রাষ্ট্রের মিডিয়া ফলো করে স্বদেশের ভাষা চর্চ্চা না করে ভিনদেশী ভাষা চর্চ্চা করে তাদেরও বিচার হতে হবে। যারা আমাদের দেশের সম্পদ বিনষ্ট করে অন্যদেশের উপকার করে তাদেরও বিচার হতে হবে।

এখানে কওমী-আলেয়া, হিন্দু-মুসলিম, উপরমহল-নিম্নমহল নাই সবার বিচার হতে হবে। বিচার চাই।

পূর্বে যেসব অন্যায় ঘটে গেছে তার ক্ষতি আগেই হয়ে গেছে যার জন্য জড়িতদের বিচার হতেই হবে, কিন্তু বর্তমানের যারা উপরোক্ত দেশ বিদ্বেষী কাজ করছে তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই, সে যেই হোক।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৭

নূরুল হুদা (শান্ত) বলেছেন: ধন্যবাদ, আমিও একমত

৫| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৫

নূরুল হুদা (শান্ত) বলেছেন: আলতামাশ৥৥৥ অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য, তাই মুছে দিলাম, দেওবন্দ গোষ্ঠী রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধী নয় এমন প্রমাণ থাকলে দিতে পারেন

৬| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৫

আলতামাশ বলেছেন: কিরে আবাল, সাহস নাই? কমেন্ট মুছলি কেন?

২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:০৬

নূরুল হুদা (শান্ত) বলেছেন: এটা কি ধরনের মন্তব্য????? আমাদের দেশের ভাষায় একটা প্রবাদ আছে “বানরের হাতে খুন্তি দিও না” আপনার মত কলেজে পড়া ছেলেদের হাতে কিবোর্ড মাউস দেয়া ঠিক না, যারা বাপের দেয়া টিফিনের টাকা বাচিয়ে সাইবার ক্যাফে গিয়ে ব্লগিং করেন। তারা ব্লগের পরিবেশ ও সুস্থতা চিন্তা না করেই কমেন্ট করেন। আপনাদের মত ব্লগারদের জন্য আজ সামুর বহু নামকরা ব্লগার চলে গেছে। আপনারা গালি দিয়ে তুই তুকারি করেন অবলিলায়। যা অনেকের ইগোতে লাগে। কারণ সবার মানসম্মানের মাপকাঠিতো এক না। আপনাদের মত ফোর্থ ক্লাস ব্লগারদের জন্য আজ স্বাধীন মত প্রকাশের মত এত আকাঙ্খিত বিষয়ের উপর সরকার হস্তক্ষেপ করতে যাচ্ছে। যা সব ব্লগারদের জন্য ন্যাক্কারজনক। আপনার গালাগালি করতে ইচ্ছা হলে এই শিক্ষিত সমাজে নয়, আপনি যেই সমাজ থেকে এসেছেন সেই সমাজে করবেন।

৭| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৬

আলতামাশ বলেছেন: ফরিদ উদ্দিন মাসুদকে চিনস?

২৭ শে নভেম্বর, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৫৯

নূরুল হুদা (শান্ত) বলেছেন: চিনব না কেন, সে তো দেওবন্দী ঘরনার চিহ্নিত জঙ্গি, যে জঙ্গি সংশ্লিষ্টতার কারণে জেল হাজতেও গিয়েছিল। এখন ভোল পাল্টে আওয়ামী লীগ সেজেছে।

৮| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:১১

আলতামাশ বলেছেন: ভুতের মুখে রামনাম

২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:১৩

নূরুল হুদা (শান্ত) বলেছেন: আপনি উপরের জঘন্য কৃতকর্মের জন্য ক্ষমা চেয়ে তারপর কমেন্ট করবেন প্লিজ।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:১৪

নূরুল হুদা (শান্ত) বলেছেন: ঠিক ধরেছেন, দেওবন্দীদের মুখে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার চাওয়া ভূতের মুখে রাম নাম এর মতই।

৯| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:১৪

শয়ন কুমার বলেছেন: সেই সময় বাংলাদেশের ওলামাদের প্রধান ছিলেন হাকীমুল উম্মত মাওলানা আশরাফ আলী থানভী রহমাতুল্লাহ আলাইহির সর্বশেষ জীবিত খলিফা খেলাফত মজলিসের হাফেজ্জি হুজুর রহমাতুল্লাহ আলাইহি। মুক্তিযোদ্ধার সময় আলেমরা হাফেজ্জি হুজুরকে জিজ্ঞাস করেছিল এই যে ভাতৃঘাতি যুদ্ধ শুরু হয়েছে এই যুদ্ধটা সম্পর্কে আপনার অভিমত কি ?
তখন হাফেজ্জি হুজুর বলেছিলেন- “ এটা হচ্ছে জালেমের বিরুদ্ধে মজলুমের যুদ্ধ। পাকিস্তানিরা হচ্ছে জালেম আর আমরা বাঙ্গালীরা হচ্ছি মজলুম। “ হাফেজ্জি হুজুরের এই কথা শুনে অনেক আলেম মুক্তিযোদ্ধে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে ঝাপিয়ে পড়েছিল। সাংবাদিক শাকের হোসাইন শিবলির একটি বই আছে “আলেম মুক্তিযোদ্ধাদের খোজে“ এই বইটিতে আপনারা অনেক বড় বড় আলেম যারা দেশের বিভিন্ন ক্বওমী মাদ্রাসা থেকে পাস করেছিলেন মুক্তিযোদ্ধের সময় তাঁদের বীরত্বের কাহিনী পাবেন।ব্রাক্ষণবাড়িয়া সদরের যে সবচেয়ে বড় ক্বওমী মাদ্রাসা জামিয়া ইউনিসিয়া সেই মাদ্রাসার প্রধান মুহতামিম ফখরে বাঙ্গাল আল্লামা তাজুল ইসলাম উনিও কিন্তু মুক্তিযোদ্ধার সময় পাকিস্তানী হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে ফতোয়া দিয়েছিলেন। আমাদের ব্রাক্ষণবাড়িয়া জেলায় অনেক বড় বড় আলেম উনার ফতোয়া শুনে মুক্তিযোদ্ধে ঝাপিয়ে পড়েছিল। দেশ স্বাধীন হবার পর বঙ্গবন্ধু কে ধন্যবাদ জানিয়ে চিঠিও দিয়েছিলেন। [ তথ্যসুত্রঃ ফখরে বাঙাল আল্লামা তাজুল ইসলাম রহমাতুল্লাহ আলাইহি ও উনার সাথীবর্গ, লেখকঃ হাফিয মুহাম্মদ নুরুজ্জামান, ইসলামিক ফাউন্ডেশন, বাংলাদেশ]
যেমন ধরেন পাবনার রাজাকার বাহিনীর প্রধান ছিলেন জামায়াতের তথাকথিত মাওলানা সোবহান আবার মুক্তিযোদ্ধাদের প্রধান ছিলেন দেওবন্দ মাদ্রাসা থেকে দাওরা হাদিস পাস করা মাওলানা কাসিমুদ্দিন যিনি রাজাকার বাহিনীর হাতে নির্মম ভাবে শহীদ হয়েছিলেন।

ভারতের দেওবন্দ মাদ্রাসা কেন্দ্রিক যে আলেমদের সংগঠন আছে “জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ” উনারাও কিন্তু ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মুক্তিযোদ্ধার পক্ষে অনেক ফতোয়া দিয়েছিলেন। “জমিয়তে উলামায়ে হিন্দ” ১৯৭১ সালে স্পষ্টভাবে পাকিস্তানী হানাদার বাহিনী যে নির্মম ভাবে পূর্ব পাকিস্তানি জনগণদেরকে হত্যা করছে এই ব্যাপারে অনেকগুলি বিবৃতি দিয়েছিল। এই ফতোয়া গুলি ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ থেকে প্রকাশিত শায়খুল ইসলাম হযরত হোসাইন আহমদ মাদানী রহমাতুল্লাহ আলাইহির যে জীবনী বের হয়েছে সেই বইটির শেষে পরিশিষ্ট আঁকারে দেয়া হয়েছে। বিশিষ্ট গবেষক আলেম ডঃ মুশতাক আহমেদ “শায়খুল ইসলাম হযরত হোসাইন আহমদ মাদানী রহমাতুল্লাহ আলাইহিঃ জীবন ও কর্ম” শিরোনামে তথ্য ও তত্ত্ববহুল অভিসন্দর্ভ প্রনয়ন করেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস বিভাগে থেকে এই অভিসন্দর্ভ উপলক্ষ্যে মুশতাক আহমেদ কে পি--এইচ.ডি. ডিগ্রী প্রদান করা হয়েছে।জামায়াতে ইসলামীর বড় বড় নেতারা মুক্তিযোদ্ধার বিরোধীতা করেছিল এটা অস্বীকার করার কিছু নাই। কিন্তু আমার কথা হল সেই সময়ের কতিপয় বিপদ্গামী জামাত নেতার পাপের দায়ভার বর্তমানে ইসলামী ছাত্রশিবিরের নেতা কর্মীরা কেন নিতে যাবে ? খাতা কলমে শিবির ও জামায়াতে ইসলামী তো ২ টা ভিন্ন সংগঠন। আজকে শিবিরের ছেলেপুলেরা জামায়াতে ইসলামীর কতিপয় যুদ্ধপরাধীর জন্য রাজপথে মাঠে নেমে পুলিশের মাইর খাচ্ছে জেলে যাচ্ছে আর মাঝখান দিয়া শিবির সংগঠন টা বিলুপ্তির মাঝে পড়তাছে। শিবিরের কার্যকরি পরিষদের উচিত এখনি একটা কঠিন সিদ্ধান্ত নেয়া যে তারা জামায়াতে ইসলামীর কোন মিছিল মিটিংএ অংশগ্রহন করবে না। বাংলাদেশে তো আরো অনেক ইসলামী রাজনৈতিক দল আছে তাদের অনেক ইসলামী ছাত্র সংগঠন আছে যেমন চরমোনাই পীরের ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ, ঐ দলের ছাত্র সংগঠন ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন, হিযবুত তাহরীরের ছাত্রমুক্তি, খিলাফত মজলিসের ছাত্র মজলিস, মুফতী আমীনের ছাত্র মোর্চা কই তাদের কে তো কেউ রাজাকার বলছে না।


ছাত্র শিবির আজ থেকে জামায়াতে ইসলামীর লেজুর বৃত্তি ত্যাগ করুক তাইলে শিবির সম্পর্কে Djuice পোলাপাইনের যে ঘৃণা আছে তা আর থাকবে না।শিবিরের নেতরা আল্লাহর ওয়াস্তে আপনারা শিবিরের নেতা কর্মীদের কতিপয় যুদ্ধপরাধীর মুক্তির দাবিতে রাজপথের মিছিলে অংশ নিতে বলবেন না। ইসলাম কারো বাপের সম্পত্তি না যে কেউ ইসলাম কে নিয়া যেরকম ইচ্ছা সেরকম ব্যবহার করবে । আর যুদ্ধপরাধীর বিচারটা হয়ে যাওয়াই জামায়াতে ইসলামের জন্য ভাল। কারন এরদ্বারা জামায়াতে ইসলামীও দীর্ঘদিন ধরে একটা কলংকের হাত থেকে মুক্তি পাবে।
১৯৭১ সালের মুক্তিযোদ্ধার সময় যুদ্ধপরাধ ও দেশের বর্তমান ইসলামী রাজনীতি

২৭ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ১:৩৮

নূরুল হুদা (শান্ত) বলেছেন: আপনি এমন একটা বিতর্কিত বইয়ের রেফারেন্স দিয়ে নিজেকেই বিতর্কিত করলেন, যেই বইটি জামায়াত যুদ্ধাপরাধের দায় এড়ানো জন্য ছেপেছিল। যুগান্তর পত্রিকার ধর্মীয় পাতার বিভাগিয় সম্পাদক শাকের হোসেন শিবলী “আলেম মুক্তিযোদ্ধাদের খোজে” নামক বিতর্কিত বইয়ে বহু কুখ্যাত রাজাকারকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দেখায়। এই বইয়ের লেখাগুলো যুগান্তর পত্রিকায় আসলে যুগান্তর পত্রিকা ব্যাপক সমালোচনার মুখে। সারা দেশ থেকে যুগান্তর অফিসে ফোন আসে এই উপহাসমূলক লেখা বন্ধ করার জন্য। ব্যাপক সমালোচনার মুখে যুগান্তর পত্রিকা ধারবাহিক লেখাটি বন্ধ করে এবং একই সাথে শাকের হোসেন শিবলীকে বরখাস্ত করে। এই বইটি ব্যাপক সমালোচিত এবং জাতিকে বিভ্রান্ত করতেই উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে ছাপায় যুদ্ধাপরাধীদের পেয়িং এজেন্ট শিবলী । আর এই বিভ্রান্তিকর বইয়েই দেওবন্দী মওলানা কুখ্যাত রাজাকার আতাহার আলী ও হাফেজ্জীকে মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে দেখানো হয়েছে, যা যুগশ্রেষ্ঠ মিথ্যা ও ধোকাবাজি নামান্তর।

১০| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:৫৭

শোয়াইব আহেমদ বলেছেন: উনারা যে ধর্ষন ও সম্ভ্রমহরণের মত অপরাধ করেছেন তার যদি দুই একটা রেফারেন্স দিতেন তাহলে ব্যপারটা আরো পরিষ্কার হত। আর যদি সত্যিকারের রেফারেন্স দিতে না পারেন তহলে আপনার লেখার নিচের লাইন গুলো মুছে দিয়েন।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ৯:০০

নূরুল হুদা (শান্ত) বলেছেন: জামায়াতের সব নেতার বিরুদ্ধে সরাসরি ধর্ষণ ও সম্ভ্রমহরণ করেছে তার দলিল নেই। তারপরও তারা সেই অপরাধে অভিযুক্ত। কারণ হানাদার পানি বাহিনীর ন্যাক্কারজনক কর্মকাণ্ডে তারা প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ সহযোগীতা করেছে। দেওবন্দ গোষ্ঠীর ক্ষেত্রে একই বিষয়.....

১১| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৩০

ডিগবাজি বলেছেন: আর চাকমা রাজার বিচার চাইবেন না।

২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৩৪

নূরুল হুদা (শান্ত) বলেছেন: রাজাকার ত্রিদিব রায়-এরও বিচার হওয়া উচিত

১২| ২৬ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ১১:০৬

পানকৌড়ি বলেছেন: রাজাকার ত্রিদিব রায়-এরও বিচার হওয়া উচিত বললেন কিন্তু হবে কি ?

১৩| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৩৩

ওয়ান টু নাইন বলেছেন: @আলতামাশ , ব্যবহার বংশের পরিচয় আর কথায় শিক্ষার পরিচয় । আপনার দুটোই নাই । আদব কায়দা সিখে আসুন ।

১৪| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৩৫

ওয়ান টু নাইন বলেছেন: @শয়ন কুমার , এই দুই ইবলিশ এর চেলা লানুতুল্লাহি আলাইহি রহমতুল্লাহি আলাইহি হইল কেমনে ?

১৫| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ৮:০০

নূরুল হুদা (শান্ত) বলেছেন: নিয়েল ( হিমু ৥৥৥ আপনার অপ্রাসঙ্গিক ও ফালতু মন্তব্য কেটে দিলাম, দয়া করে এই ব্লগে কেউ অপ্রাসঙ্গিক মন্তব্য করবেন না।

১৬| ২৭ শে নভেম্বর, ২০১২ রাত ৯:৪৪

নূরুল হুদা (শান্ত) বলেছেন: ভী ম রু ল@@@@ আপনি অপ্রাসাঙ্গিক কমেন্ট দয়া করে করবেন না।

১৭| ০৮ ই ডিসেম্বর, ২০১২ রাত ১২:৩৬

স্বাধীনতা ১৯৭১ বলেছেন: পুরা একটা মিথ্যা কথা। হাফেজ্জী হুজুরকে দেশ স্বাধীন হবার পরও বঙ্গবন্ধু অনেক শ্রদ্ধা করতেন।

১৮| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৩ রাত ১:২০

চিন্তায় আছি বলেছেন: পুরা একটা মিথ্যা কথা।
হাফেজ্জী হুজুরকে দেশ স্বাধীন হবার পরও বঙ্গবন্ধু অনেক শ্রদ্ধা করতেন



@লেখক আপনাকে ভন্ড রাজারবাগী ছাগুর মত লাগছে

১৯| ১৪ ই জুন, ২০১৩ সকাল ১০:০৯

জেড সৈনিক বলেছেন: আপনি যে সব ব্লগের রেফারেন্স দিয়েছেন তারা সরকার ও শাহবাগী দের পেইড দালাল, নিরপেক্ষ নন। ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করুন এত দিন তাদের বিরুদ্ধে কেউ রাজাকারীর অভিযোগ তুললো না, ট্রাইব্যুনালে মামলা হলো না, যেই তারা হেফাজতের ব্যানারে আন্দোলন শুরু করলো তারা হয়ে গেলো রাজাকার। যে ছবি গুলো রেফারেন্স হিসাবে দেওয়া হইছে ওগুলো কোন পেপার কাটিং না, টাইপ করা, নীচে পত্রিকার নাম বসালে তা পত্রিকা হয়ে যায় না। অথচ জামায়াতের অপকর্মের সব পেপার কাটিং পাওয়া যায়।

এই গেমটা নতুন না। এত দিন পর পরাজয় নিশ্চিত দেখে রাজশাহীর ১৮ দলীয় মেয়র প্রার্থীকে রাজাকার বলা হইছে ১২ তারিখে সংবাদ সম্মেলন করে। এটা কুতসা রটাবার গোয়েবলসীয় পদ্ধতি।


আর হাফেজ্জী হুযুর সম্পর্কে মিথ্যাচার নিয়ে কি আর বলব? বংগবন্ধু তাকে এত ভালবাসতেন আর তিনি হয়ে গেলেন রাজাকার, কাদের সিদ্দিকী, জিয়াউর রহমান বীর উত্তমদের মত।

শিবলী কে বিশ্বাস কইরেন না। আপনার এলাকায় কোনও বয়স্ক ইসলাম মাইন্ডেড মানুষ যাকে আপনি বিশ্বাস করতে পারেন তাকে হাফেজ্জী হুযুর সম্পর্কে জিগায়েন., উত্তর পেয়ে যাবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.