নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

কিছু বলবার নেই ।\nনা বলা অনেক কিছু রয়ে যায়।

বাংলর কথা

আমরা সারা দিন অনেক কথা বলি, কিন্তু কয়টি কথা কাজের জন্য বলি। মানুষের পরিচয় সে মানুষ যথেষ্ট না, মানবতা জাগ্রত থাকা প্রয়োজন।

বাংলর কথা › বিস্তারিত পোস্টঃ

কোটা নিয়ে কিছু কথা

১৪ ই জুলাই, ২০১৩ রাত ১২:৩৪

৭১ এ বাংলাদেশ নিশ্চিত স্বাধীন হবে জানলে তখন কেউ ঘরে বসে থাকতো না ,মা তার আদরের এক দিনের সন্তানের হাতে তুলে দিত মেশিনগান ।রাজাকার পাকিস্তানের পক্ষে যুদ্ধ করত না ,বলতো না পাকিস্তান জিন্দাবাদ । ২০১৩ তে বসে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে মেধাবীদের কাছে যতটা সহজ মনে করচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ কি সত্য এতটাই সহজ ?

৭১সালে রাজাকার ছাড়া বাকি সারে সাত কোটি মানুষ ছিল বাংলাদেশের পক্ষে ,কিন্তু দেশের ঐ মুহূর্তে এক কোটি মানুষ মুক্তিযুদ্ধে যেতে পারতো না । কেন দেশের তাজা প্রাণ গুল তাঁদের জীবনের মায়া ছেড়ে দিয়ে অস্ত্র হাতে তুলে নিল ?এর প্রধান কারণ মানুষ স্বাধীনতা চেয়ে ছিল,চেয়ে ছিল স্বাধীন সুন্দর জীবন কিন্তু মুক্তিযোদ্ধারা চেয়ে ছিল জীবনের বিনিময় স্বাধীন দেশ, মাতৃভূমি। মুক্তিযোদ্ধাদের ছিল বুকভরা আসা ,দেশের প্রতি ভালবাসা । দেশ স্বাধীনের পর মুক্তিযোদ্ধারা বিচারের আসায় অত্যাচারী রাজাকারদের হত্যা করেনি, চায়নি নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে ।আর রাজাকারেরা এখন অনেক অর্থ- সম্পদের মালিক ,আর কয় জন শহীদ , মুক্তিযোদ্ধা, বিরঙ্গনা পরিবার তাঁদের অবস্তান পরিবর্তন করতে পেরেছে ?

দেশে গণতন্ত্র আসার পর সকল মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন ভাবে সম্মান প্রদর্শন শুরু করল ।এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের কোটা , মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা আবাসন প্রকল্প এবং মুক্তিযোদ্ধাদের চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি ।এই সুবিধা সকল মুক্তিযোদ্ধাকে দিতে পেরেছে তা কিন্তু না ।

দেশের মোট চাকরির ৫% সরকারি চাকরিতে কর্ম সংস্থান হয় ।সরকারি চাকরির ৩০% মুক্তিযোদ্ধা কোটায় যা দেশের মোট চাকরির ৫.৭% । তাতেউ দেশের মেধাবীদের গলার কাটা হওয়া দাঁড়িয়েছে ।

মুক্তিযোদ্ধারা এখনও দরিদ্র ,এখনও নুন আনতে পান্তা ফুরায় ।আমরা এখনও মুক্তিযোদ্ধাদের রিক্সা চালাতে দেখি ,ভিক্ষা করতে দেখি, ঔষধের টাকার জন্য হাত পাত্তে দেখি। আর ভালমন্ধ খাওয়া স্বপ্নে ছাড়া খুব কম সময় হয় । কিন্তু মেধাবীরা তো এই নিয়ে একটা কথা বলে না ,আন্ধলন করে না?

দেশ মুক্তিযোদ্ধারা চালায় না, চালায় না মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান । দেশ মেধাবীরাই চালায় ,আর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান যদি মেধাবী হয় তাহলে কষ্ট কার ? যারা সার্টিফিকেট কে মেধা বলছেন ,তাদের জন্য বলব ১৯৭১-২০১৩ পর্যন্ত দেশের নীতি বারবার পরিবর্তন করা হয়েছে তার জন্য মুক্তিযোদ্ধা ,কি তাদের সন্তান দায়ী । ৩০% কোটা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য দেওয়া হয়েছে ,সন্তানরা চাকরী করে পিতা-মাতের অভাব মুছনের জন্য দেওয়া হয়েছ ।যারা কোটা পদে চাকরী করচ্ছেন তারা ন্যূন তম নম্বর পেয়েই চাকরী করছেন ।তাদের কে গালিগালাজ করে ,নিজেদের জ্ঞান কে প্রশ্নবিদ্ধ করা ছাড়া আর কিছু না ।





৭১ এ বাংলাদেশ নিশ্চিত স্বাধীন হবে জানলে তখন কেউ ঘরে বসে থাকতো না ,মা তার আদরের এক দিনের সন্তানের হাতে তুলে দিত মেশিনগান ।রাজাকার পাকিস্তানের পক্ষে যুদ্ধ করত না ,বলতো না পাকিস্তান জিন্দাবাদ । ২০১৩ তে বসে মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে মেধাবীদের কাছে যতটা সহজ মনে করচ্ছে মুক্তিযুদ্ধ কি সত্য এতটাই সহজ ?

৭১সালে রাজাকার ছাড়া বাকি সারে সাত কোটি মানুষ ছিল বাংলাদেশের পক্ষে ,কিন্তু দেশের ঐ মুহূর্তে এক কোটি মানুষ মুক্তিযুদ্ধে যেতে পারতো না । কেন দেশের তাজা প্রাণ গুল তাঁদের জীবনের মায়া ছেড়ে দিয়ে অস্ত্র হাতে তুলে নিল ?এর প্রধান কারণ মানুষ স্বাধীনতা চেয়ে ছিল,চেয়ে ছিল স্বাধীন সুন্দর জীবন কিন্তু মুক্তিযোদ্ধারা চেয়ে ছিল জীবনের বিনিময় স্বাধীন দেশ, মাতৃভূমি। মুক্তিযোদ্ধাদের ছিল বুকভরা আসা ,দেশের প্রতি ভালবাসা । দেশ স্বাধীনের পর মুক্তিযোদ্ধারা বিচারের আসায় অত্যাচারী রাজাকারদের হত্যা করেনি, চায়নি নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে ।আর রাজাকারেরা এখন অনেক অর্থ- সম্পদের মালিক ,আর কয় জন শহীদ , মুক্তিযোদ্ধা, বিরঙ্গনা পরিবার তাঁদের অবস্তান পরিবর্তন করতে পেরেছে ?

১৯৯০ এর আগ পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধাদের পৃথক করে দেখা হতো না ।দেশে গণতন্ত্র আসার পর সকল মুক্তিযোদ্ধাদের বিভিন্ন ভাবে সম্মান প্রদর্শন শুরু করল ।এর মধ্যে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের কোটা , মুক্তিযোদ্ধা ভাতা, মুক্তিযোদ্ধা আবাসন প্রকল্প এবং মুক্তিযোদ্ধাদের চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধি ।এই সুবিধা সকল মুক্তিযোদ্ধাকে দিতে পেরেছে তা কিন্তু না ।

দেশের মোট চাকরির ৫% সরকারি চাকরিতে কর্ম সংস্থান হয় ।সরকারি চাকরির ৩০% মুক্তিযোদ্ধা কোটায় যা দেশের মোট চাকরির ৫.৭% । তাতেউ দেশের মেধাবীদের গলার কাটা হওয়া দাঁড়িয়েছে ।

মুক্তিযোদ্ধারা এখনও দরিদ্র ,এখনও নুন আনতে পান্তা ফুরায় ।আমরা এখনও মুক্তিযোদ্ধাদের রিক্সা চালাতে দেখি ,ভিক্ষা করতে দেখি, ঔষধের টাকার জন্য হাত পাত্তে দেখি। আর ভালমন্ধ খাওয়া স্বপ্নে ছাড়া খুব কম সময় হয় । কিন্তু মেধাবীরা তো এই নিয়ে একটা কথা বলে না ,আন্ধলন করে না?

দেশ মুক্তিযোদ্ধারা চালায় না, চালায় না মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান । দেশ মেধাবীরাই চালায় ,আর মুক্তিযোদ্ধার সন্তান যদি মেধাবী হয় তাহলে কষ্ট কার ? যারা সার্টিফিকেট কে মেধা বলছেন ,তাদের জন্য বলব ১৯৭১-২০১৩ পর্যন্ত দেশের নীতি বারবার পরিবর্তন করা হয়েছে তার জন্য মুক্তিযোদ্ধা ,কি তাদের সন্তান দায়ী । ৩০% কোটা মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মান প্রদর্শনের জন্য দেওয়া হয়েছে ,সন্তানরা চাকরী করে পিতা-মাতের অভাব মুছনের জন্য দেওয়া হয়েছ ।যারা কোটা পদে চাকরী করচ্ছেন তারা ন্যূন তম নম্বর পেয়েই চাকরী করছেন ।তাদের কে গালিগালাজ করে ,নিজেদের জ্ঞান কে প্রশ্নবিদ্ধ করা ছাড়া আর কিছু না ।



মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.