নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আলোর আয়না এই ব্লগের সকল মৌলিক লেখার স্বত্ত্ব লেখকের।এখান থেকে কোনো লেখা লেখকের অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ, ছাপা, অনুলিপি করা গ্রহনযোগ্য নয়।লেখা অন্য কোথাও প্রকাশ, ছাপা করতে চাইলে লেখকের সম্মতি নিতে হবে। লেখকের ইমেল - [email protected]

ফকির ইলিয়াস

এই ব্লগের সকল মৌলিক লেখার স্বত্ত্ব লেখকের।এখান থেকে কোনো লেখা লেখকের অনুমতি ছাড়া অন্য কোথাও প্রকাশ, ছাপা, অনুলিপি করা গ্রহনযোগ্যনয়। তা সৃজনশীল কাজের পরিপন্থী। লেখা অন্য কোথাওপ্রকাশ, ছাপা করতে চাইলে লেখকের সম্মতি নিতে হবে। লেখকের ইমেল - [email protected]

ফকির ইলিয়াস › বিস্তারিত পোস্টঃ

একটি তুলনামূলক আলোচনা : খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনার ভারত সফর

১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:২৯

শেখ হাসিনা সম্প্রতি ভারত সফর করে এলেন। খালেদা জিয়া গিয়েছিলেন ২০০৬ সালে।

বেগম খালেদা জিয়া কী এনেছিলেন সে সময়ে ? এর একটা ক্ষুদ্র তুলনামূলক আলোচনা এখানে তুলে ধরা হলো ।



এবার শেখ হাসিনার সফরে সন্ত্রাস দমনে তিন চুক্তি এবং বিদ্যুৎ আমদানি ও সাংস্কৃতিক বিনিময় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। আলোচনায় প্রাধান্য পেয়েছে দ্বিপক্ষীয় সব ইস্যু। ভারতের পক্ষ থেকে আশ্বাস মিলেছে অর্থনৈতিক ও সমস্যা সমাধানে সহযোগিতার।



প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফরে স্বাক্ষরিত চুক্তি তিনটি হচ্ছে ১. অপরাধ দমনে পারস্পরিক আইনগত সহযোগিতা চুক্তি ২. সাজাপ্রাপ্ত আসামি হস্তান্তর চুক্তি এবং ৩. আন্তর্জাতিক সন্ত্রাস দমন ও মাদক পাচার প্রতিরোধ চুক্তি। এছাড়া বিদ্যুৎ আমদানি ও সাংস্কৃতিক বিনিময় সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। এ সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে ভবিষ্যতে ভারত থেকে ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হবে। এছাড়াও ভারতের পক্ষ থেকে বাংলাদেশকে নদী খনন, রেল ও সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নে ১০০ কোটি ডলারের ঋণ সহায়তার ঘোষণা দেয়া হয়। কোনো একক দেশকে ভারতের এই বিপুল আর্থিক সাহায্য দেয়ার ঘটনা এটাই প্রথম। ভারতের বাজারে বাংলাদেশের আরো ৪৭টি পণ্য শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার করার অনুমতি দিয়েছে এবং নেপাল ও ভুটানের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণে ট্রানজিট দেবে ভারত। এ সফরে টিপাইমুখ প্রকল্প ও তিস্তা নদীসহ বিভিন্ন অমীমাংসিত ইস্যু সমাধানে ফলপ্রসূ আলোচনা ও আশ্বাসও মিলেছে। তিস্তা নদীর পানি বণ্টনে চুক্তি করার ব্যাপারে বাংলাদেশের ব্যাপক আগ্রহ থাকলেও এবারের সফরে তিস্তার পানি বণ্টনে কোনো চুক্তি সই হয়নি। তবে খুব শিগগিরই ‘যৌথ নদী কমিশন’ (জেআরসি) ও মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে বিষয়টি নিয়ে আরো আলোচনা হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে।

শীর্ষ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের ভূখণ্ড কোনো দেশের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করতে দেয়া হবে না। অর্থনৈতিক সহযোগিতা বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়াকে সন্ত্রাস ও দারিদ্র্যমুক্ত শান্তির আবাসস্থল হিসেবে গড়ে তোলার অঙ্গীকারও করেন তিনি। বৈঠকে টিপাইমুখে বাঁধ নির্মাণের বিষয়ে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উদ্বেগ প্রকাশ করা হলে ভারতের প্রধানমন্ত্রী ড. মনমোহন সিং আবারো আশ্বস্ত করেন, বাংলাদেশের জন্য ক্ষতিকর কিছু করবে না ভারত। ড. মনমোহন সিং আরো আশ্বাস দেন, বাংলাদেশ থেকে অধিক সংখ্যক পণ্য ভারতে প্রবেশাধিকার দেয়া হবে। সমুদ্রসীমা নির্ধারণের ইস্যু জাতিসংঘে নিয়ে যাওয়ায় বৈঠকে অস্বস্তি প্রকাশ করে ইস্যুটি সালিস আদালত থেকে প্রত্যাহার করে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার মাধ্যমে নিষ্পত্তির প্রস্তাব করে ভারতীয় পক্ষ। বাংলাদেশ এ বিষয়ে কিছুই বলেনি। শীর্ষ বৈঠকে ঐকমত্য হয়েছে, সীমান্ত ব্যবস্থাপনার বিষয়ে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপকে সক্রিয় করা হবে।

প্রধানমন্ত্রীর দিল্লি সফর শেষে গত ১২ জানুয়ারি প্রদত্ত বাংলাদেশ-ভারত যৌথ ঘোষণায় উন্নয়নের সব ক্ষেত্রে সহযোগিতার অঙ্গীকার করা হয়। বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের স্বার্থে বাংলাদেশ ও ভারত তাদের একে অন্যের সমুদ্র, রেল ও সড়কপথ ব্যবহার করতে দিতে রাজি হয়েছে। নেপাল ও ভুটানে ট্রানজিটের জন্য বাংলাদেশকে তার ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে ভারত। অন্যদিকে বাংলাদেশ চট্টগ্রাম ও মংলা বন্দর ভারতকে ব্যবহার করতে দেবে। যদিও চট্টগ্রাম সমুদ্র বন্দর ও মংলা বন্দর বাংলাদেশ শুধু ভারতকে নয়, নেপাল ও ভুটানকেও দেয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ। এ ব্যাপারে ভারত রাজি আছে কিনা সে সম্পর্কে যৌথ ঘোষণায় কিছুই বলা হয়নি। ৫০ দফার যৌথ ঘোষণায় সন্ত্রাসবাদ দমন, ট্রানজিট, সীমান্ত বিরোধ ও ব্যবস্থাপনা, তিস্তা নদীসহ অভিন্ন ৫৪ নদীর পানিবণ্টন, বাণিজ্য বৈষম্য বিলোপ ও বিদ্যুৎ খাতে সহযোগিতাসহ বিভিন্ন বিষয় উল্লেখ করা হয়। এতে আরো বলা হয়, বাংলাদেশের আশুগঞ্জ ও ভারতের শীলঘাট বন্দরকে পরস্পর ব্যবহার করতে ‘পোর্ট অব কল’ ঘোষণা করা হয়েছে। আশুগঞ্জ থেকে ‘ওভার ডাইমেনশনাল কার্গো’ (ওডিসি) ওয়ান টাইম কিংবা দীর্ঘ মেয়াদে পরিবহনে ব্যবহারের অবকাঠামো উন্নয়নে একটি যৌথ প্রতিনিধিদল সফর করে পর্যালোচনা করবে। এই উন্নয়নের জন্য ভারত প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ করবে।

অন্যদিকে ২০০৬ সালের ২০-২২ মার্চ বিএনপি-জামাত জোট সরকারের শেষ সময়ে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী, বর্তমান বিরোধী দলের নেতা খালেদা জিয়া ভারত সফর করেন। দীর্ঘদিন পর অনুষ্ঠিত সে সফরকে নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার ঝড় উঠেছিল দুদেশেই। তখন দুদেশের মধ্যে দুটি গতানুগতিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। এগুলো হচ্ছে মাদক পাচার বা চোরাচালান রোধে সহযোগিতা চুক্তি এবং বাণিজ্য উন্নয়ন চুক্তি। বাংলাদেশের জনগণ আশা করেছিল, গঙ্গার পানির ন্যায্য হিস্যা ও তিস্তা চুক্তিসহ ৫৪টি অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন, টিপাইমুখ বাঁধ নির্মাণ, বাণিজ্য ঘাটতি ও তিনবিঘা করিডোরসহ অমীমাংসিত ইস্যুগুলোর সুরাহা না হলেও আলোচনায় প্রাধান্য পাবে। অথচ সে সময় এ ইস্যুগুলো বাংলাদেশের পক্ষ থেকে উত্থাপনই করা হয়নি। খোদ সরকারের কাছে বিষয়গুলো উপেক্ষিত থাকায় ওই সফরের যৌথ বিবৃতিতেও দুদেশের মধ্যকার এক নম্বর সমস্যা অভিন্ন নদীগুলোর পানিবণ্টন নিয়ে একটি শব্দও স্থান পায়নি। এমনকি ওই সফরে প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী পানিমন্ত্রী বা কোনো পানি বিশেষজ্ঞও ছিলেন না। আরো বিস্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে, খালেদা জিয়ার ভারত সফরের সময় সীমান্ত সমস্যা নিয়ে কোনো আলোচনা হয়েছিল কিনা যৌথ বিবৃতিতে তারও উল্লেখ ছিল না। অথচ প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু সীমান্ত সমস্যা। ওই সফরের আগে তৎকালীন পররাষ্ট্র সচিব হেমায়েত উদ্দিন কিন্তু বেশ ঘটা করেই সংবাদ সম্মেলনে এসব ব্যাপারে আলোচনা হবে বলেই জানিয়েছিলেন। পরবর্তীতেও হেমায়েত উদ্দিন ওই সফরকে ফলপ্রসূ বা সম্পর্কের টার্নিং পয়েন্ট বলে গেছেন। তবে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কোন্নয়নে ওই সফর একধাপ এগিয়ে গিয়েছে একথা বলতে পারেননি। উপরন্তু তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী কোনো সংবাদ সম্মেলনে সফরের প্রাপ্তির কথা জানাননি। স্বভাবতই ওই সফরের সময় শীর্ষ বৈঠকের পরদিন সংবাদপত্রগুলোর শিরোনাম ছিল ‘নিরাপত্তা বাণিজ্যসহ সব বিষয়ে একসঙ্গে কাজ করার অঙ্গীকার’, ‘শুভেচ্ছাতেই সীমাবদ্ধ সফর’, ‘বাংলাদেশ-ভারত বাণিজ্য চুক্তি সই: খালেদা-মনমোহন বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নে মতৈক্য’, ‘বাংলাদেশের প্রাপ্তি শূন্য’ ইত্যাদি।

আজ যখন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভারতের সঙ্গে টানাপড়েনের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে আস্থা ও বিশ্বাসের সম্পর্কে রূপান্তরিত করে দেশ ফি
রেছেন, সে সময়ে বিরোধী দলসহ বিভিন্ন মহল এ সফরকে ব্যর্থ দেখাতে সোচ্চার হয়ে উঠেছে। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে নস্যাৎ করার কুৎসিত ষড়যন্ত্রের চর্চা এদেশে অব্যাহত রয়েছে দীর্ঘদিন ধরেই। এ ষড়যন্ত্র কখনো কখনো হয়ে ওঠে রাজনীতির হাতিয়ার। আজকের বিশ্বায়নের যুগে যখন সারা দুনিয়া অর্থনৈতিক কূটনীতিকে সর্বাগ্রে গুরুত্ব দিচ্ছে, সে সময়ে এ ভারত বিদ্বেষী মনোভাবের নামে সরকারকে সহযোগিতার বদলে অসহযোগিতা করার মানসিকতা জনগণের কাছে কতোটা গ্রহণযোগ্য হবে সে প্রশ্নই সকলের।













মন্তব্য ৩৩ টি রেটিং +১৩/-৩২

মন্তব্য (৩৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৫

বাঙ্গাল৭১ বলেছেন: খালেদা জিয়াতো এর আগের সফর থেকে এসে সরল স্বিকার উক্তিই করেছিলেন। " ফারাক্কার পানির কথা তার মনেই ছিল না। "

২| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৪৯

ধূসর মানচিত্র বলেছেন: আমি ব্যক্তিগত ভাবে ভারত বিরোধিতার কথা বলে অর্থনৈতিক ভাবে পিছিয়ে যাওয়া সমর্থন করি না। আর বিএনপি সহ বিরোধী দল রাজনৈতিক ভাবে ব্যবহার করবে। তবে রুঢ় সত্য কথা হল ভারত আমাদের বৃহৎ প্রতিবেশী দেশ এবং ভারত কখনোই নিজের স্বার্থ ছেড়ে দিয়ে বাংলাদেশকে সাহায্য দিবে না, তবে গ্লোবালাইজেশনের যুগে বিনিময় প্রথাই হল পরস্পরের স্বার্থ সংরক্ষণের উপায়।
বরাবর জানা কথা,খালেদা সরকার বাংলাদেশের ব্যাপারে কোন দাবি ভারতের কাছে তুলে নাই। কিছু প্রকৃতপক্ষে পাক আর না পাক আওয়ামী সরকার অন্ততঃ চেস্টা করেছে এবং কিছু চুক্তি হয়ত করেছে। আমাদের ভৌগলিক প্রেক্ষাপটে ভারতকে অস্বীকার করার কোন উপায় নেই,যদি না মায়ানমারের জায়গায় চীনের মত বৃহৎ পরাশক্তি থাকত।
তবে, হাসিনা-খালেদা বিরোধ ভাল লাগে না। জাতীয় টপিক স্পেশালি ট্রানজিট-বন্দর এসব ব্যাপারে সবাইকে এক প্লাটফর্মে এসে দেশের অর্থনৈতিক দিকসহ অন্য দিক ভেবে কথা বললে ভাল হত।
আপনার পোস্টে +++

৩| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:৫২

পৃথিবী আমারে চাই না বলেছেন: আপনি একজন "ভারতীয় দালাল" এর লাইভ example

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৪৮

ফকির ইলিয়াস বলেছেন: খচ্চরের মতো না চিল্লাইয়া যুক্তি দেন না কেন ?

৪| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৪

াহো বলেছেন: রবীন্দ্রজয়ন্তী Problem ,but Joint Cricket is fine



২০১১ সালে দুই দেশ যৌথভাবে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালনের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তাকেও জাতীয় স্বার্থবিরোধী আখ্যা দিয়েছে জামায়াত।

-------------------------------------------------------------------------------------
Why there is no Anti Burma

We have problem with Burma.Muslim Killing.Border Issue.

Last week ,there is a meeting in Dhaka.

Khalada ,BNP said about this in last 10 years in Open Meeting?

Any blogger write any feature?

--------------------------------------------------------------------------------
বাংলাদেশকে কেন এই ঋণ দিলো ভারত?


UK give us laon.

But UK govt also take laon to reduce budget deficit.

-----------------------------------------------------
Pakistan do not take his people from Bangladesh in 30 years.

But this is not a election issue

------------------------------------------------------
দেশবিক্রি ....।
দেশবিক্রি .... জাতীয় সস্তা ও ধোকাবাজী ধরনের কথা শুধু বার বার নিজেদের দৈন্যতাই প্রকাশ করে। প্রকাশ করে নিজেদের মগজের দৌড় ...

--------------------------------------------------------------------
ভারত কখনই কোনো প্রতিশ্রুতি রক্ষা করেনি, করবেও না।

A: Is Pakistan give us shaer of Assest of 71.Divide the country but not assest.

Is he takes his country man from Bangladesh?

Which country is best in the world?

--------------------------------------------------------
আমগো জনগন কমানোর লাইগ্যা পাবলিকরে সীমান্তে গুলি করে মারে।

sad incident.mid night people try to cross the border.


but pakistan kill us 30 million

------------------------------------------------------------

সরকারী প্রেসনোটে পহেলা বৈশাখ নববর্ষের ছুটি বাতিল, ২৪০টি রাস্তার নামকরন হিন্দু থেকে মুসলিম করন, ৬৯টি বই নিষিদ্ধ- হিন্দুরা মুসলমানদের অস্তিত্ব বিলোপের কাজ করেছে – এই সংবাদে দৈনিক সংগ্রামের উপসম্পাদকীয় জুন, ১৯৭






১৯৭১ সালে আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক চাপের কারণে ভারত আমদেরকে দখলে রেখে যা করতে পারেনি,

Reply


WE are the b..... nation,


WE do not recognize help.

Kasmir ,palestine does not get independence.But bangladesh get independence.

৫| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:০৬

রশিক রশীদ বলেছেন: পৃথিবী আমারে চাই না বলেছেন: আপনি একজন "ভারতীয় দালাল" এর লাইভ example

পৃথিবী ,আপনার যুক্তি কোথায় ? যে কোন বিষয়ে মতামত থাকলে তার পক্ষে জোড়ালো যুক্তি থাকেত হবে। গালা গালি ছাড়া আর গায়ের জোর ছাড়া আর কিছু কি নাই আপনার ?
বাকী গুলো মাইনাস দিয়ে পালিয়েছে, তাদেরতো আসলেই যুক্তি নাই । এরা অবশ্য একটি কাজে খুব পটু তাহলো পলায়ন । সেই ১৯৭১ সন থেকে পলায়নে প্রিশক্ষণ প্রাপ্ত ।

৬| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:১৫

জানপরী বলেছেন: খালেদা জিয়া ভারতের কাজ থেকে কিছু নিয়ে আসতে না পারলেও কিছু দিয়ে আসেনি।
কিন্তু শেখ হাসিনা উদার হাতে ভারতকে যা দিয়ে আসলেন তা ভারতের লাভের জন্য অনেক দিন থেকে বাংলাদেশের কাছ থেকে চেয়ে আসছে। এতে বাংলাদেশের লাভের চেয়ে ভারতে লাভ কয়েক শত গুন বেশী।
আর শেখ হাসিনা যা নিয়ে আসলেন তাতে বাংলাদেশের জনগণের ঋণের বোঝা আরও বাড়ল। ২৫০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করবে বাংলাদেশ, রপ্তানী করবে ভারত। নিশ্চয় ভারত নিজের ক্ষতি করে বাংলাদেশকে বিদ্যুৎ দেবে না এটা পাগলেও বুঝে।

অতএব ভাই, আর কত অন্যের পক্ষ নিয়ে কাজ করবেন? নিজেদের কথা একবার ভাবুন।

৭| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২০

অন্তীম বলেছেন: ভারতীয় দালালদের গদাম ছাড়া আর কিছু দিতে পারি না।

৮| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২১

রশিক রশীদ বলেছেন: জানপরি, দয়া করে বাংলাদেশের ক্ষতির একটি তালিকা দেবেন কি ? দয়া করে গালাগালি আর অযৌক্তিক প্রসঙ্গ আনবেন না । আপনার ব্লগে গিয়ে আপনার পোষ্টের যা শ্বদ চয়ন দেখলাম । ভয় পাইছি । আপনি গালাগালি শুরু করলে পারব না । ঐ দক্ষতা সবার থাকে না।

৯| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৩৬

মাহিরাহি বলেছেন: আপনি অন্য নিকে কথাগুলো লেখলে এত কানে লাগত না।
আপনাকে সবাই চিনে একজন কবি হিসাবে।
একটা দলের প্রতি আপনার পক্ষপাতিত্ব কেমন যেন খোলামেলা।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫৩

ফকির ইলিয়াস বলেছেন: আপনি জামাতি রাজাকার সমর্থক।

তা সবাই জানে।

আমার নিজ নামে লেখার সৎসাহস আছে।

সত্যধারণ করেই লিখি আমি ।

১০| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৪

পৃথিবী আমারে চাই না বলেছেন: @রশিক রশীদ- ফকির মহাশয়ের তাবত পোষ্টগুলোই তার ভারতভক্তির এক একটা প্রমান। একটু কষ্ট করে পড়ে নেন।

১১| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৪৯

যাযাবর রাজিব বলেছেন: ভাই যে হারে মাইনাস খাইলেন, তবে মাইণাস খাওয়ার মত লেখা লেখেননি কিন্তু । তারপরেও খাইলেন ,কি আর করা। আমি + দিলাম

১২| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫১

জানপরী বলেছেন: @ রশিক রশীদ, আপনার মত ভারতের দালালের কাছ থেকে দুরে থাকতে চাই।

১৩| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৬

লুকোচুরি বলেছেন: আপনি মাইনাস খাওয়ার মত লেখা লেখেননি-অথচ মানিনাসের বন্যা বয়ে যাচ্ছে। যা আপনার প্রটিটা লেখাতেই লক্ষ করি! আমরা বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই লেখার বিষয়বস্তু অনুধাবন নাকরেই-লেখকের নাম দেখেই রেটিং করি-এটা ঠিক নয়।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫৫

ফকির ইলিয়াস বলেছেন: ওসব আমার জন্য কোনো বিষয় না।

আমার পুরো ব্লগ পড়ার আমন্ত্রণ থাকলো ।

১৪| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:৫৮

আফসার নিজাম বলেছেন: আসসালমা।

বাংলাদেশের জনগণের পক্ষে চুক্তিগুলো আগে জানতে পাড়লে ভালো।
জনগণের মতামতের ভিত্তিতে চুক্তিগুলো সম্পাদন হওয়া বাঞ্ছনিয়।


মা'আসসালাম।

১৫| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১২:০৪

রশিক রশীদ বলেছেন: জানপরী বলেছেন: @ রশিক রশীদ, আপনার মত ভারতের দালালের কাছ থেকে দুরে থাকতে চাই।

জানপরি, আপনি আবারও প্রমান করলেন গালাগালি ছাড়া আপনার অধিক শিক্ষা নাই । আমি কিন্তু আপনাকে গালাগালির ধরন দেখে পাকিস্থানী প্রেতাত্না বলতে পারি নাই ।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫৬

ফকির ইলিয়াস বলেছেন: এসব জংলীগুলো থেকে দূরে থাকুন , রশিক রশীদ ।

এগুলো হলো অযথা ফাউল।

ভালো থাকবেন।

১৬| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ দুপুর ১:১৭

ঋত্বিক বলেছেন: খুব সুন্দর বিশ্লেষন করেছেন‌। বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ঐতিহাসিক বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরো মজবুদ হয়ে উঠুক। এই ধরনের পোষ্ট‌ আরো বেশি করে দরকার।
আপনার পোস্টে +++

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫৭

ফকির ইলিয়াস বলেছেন: থ্যাংকস

১৭| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ বিকাল ৪:৪৬

মইনুল িমঠু বলেছেন: পৃথিবী আমারে চাই না বলেছেন: তুই একটা "ভারতীয় দালাল"

১৮| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ৯:৫৭

ও.জামান বলেছেন: হাসিনার সংবাদ সম্মেলন দেখলাম। তিনি বলছেন, টিপাইমুখে ড্যাম হবে না বাঁধ হবে , না ব্যারাজ হবে তা তিনি জানেন না, বোঝেন না, কিন্তু ভারতীয়রা তাঁকে আশ্বস্ত করেছেন এতে বাংলাদেশের কোন ক্ষতি হবে না, সুতরাং বাংলাদেশীরা নিশ্চিন্ত থাকতে পারে ( অবশ্য সর্ষের তেলের বিজ্ঞাপন দেন নি)।
__________________________________
ফুটনোট: এই যদি হয় প্রধানমন্ত্রীর (নাকি মূখ্যমন্ত্রী?) জ্ঞানের বহর!!!!

১৯| ১৬ ই জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:০১

বকুল০৮ বলেছেন: ইতিহাস বলে, ভারতের সাথে চুক্তি করার আগে আরো সতর্ক হওয়া উচিৎ।
সীমান্তে বিএসএফ এর দ্বারা গুলি করে অযাচিত হত্যা বন্ধ,সড়ক ট্র্যানজিট না দিয়ে শুধু রেল ট্রানজিট দেয়া, দহগ্রাম-আঙ্গরপোতা চিটমহলের সমাধান, টিপাইমুখের ব্যাপারে শুধু আশ্বাস নয় - সমাধানমূলক চুক্তি করা, নেপাল-ভূটানের সাথে ভারতীয় ট্র্যানজিটের ব্যাপারে আশ্বাস নয় লিখিত চুক্তি করা---- এসব বিষয়ে আরো অগ্রসর হওয়া উচিৎ ছিলো।
বিতর্কিত কিছু করে পাকি-দালাল ও রাজাকার নির্ভর বিরোধীদলের হাতে ইস্যু তুলে দিয়ে, দেশকে অস্থিতিশীল করার সুযোগ দেয়া উচিৎ নয়।

পোস্টে +।

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫৯

ফকির ইলিয়াস বলেছেন: সরকার না ভেবে কিছু করেছে বলে আমার মনে হয় না ।

চুক্তিগুলোর বাস্তবায়ন হোক, বাংলাদেশের মানুষের কল্যাণে ।

২০| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৭:৫৭

কামার বলেছেন: চমৎকার বিশ্লেষণ। আমি অবাক হয়ে যাই, ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন বাংলা তার স্বাধীনতা হারানোর পর সুদীর্ঘ ২১৪ বছর পর স্বাধীনতা পুনরুদ্ধার করে তার ৪০ বছরের মধ্যেই সেটা আবার মারাত্মক হুমকির সম্মুখীন হওয়ার পরও মানুষ কিভাবে এখনও নিশ্চুপ হয়ে বসে আছে। এই দেশকে বাঁচাতে আর কত রক্ত ঝরাতে হবে?

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০০

ফকির ইলিয়াস বলেছেন: বাঙালী জাতির জয় হবেই ।

২১| ১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০০

কামার বলেছেন: সে সময়ে এ ভারত বিদ্বেষী মনোভাবের নামে সরকারকে সহযোগিতার বদলে অসহযোগিতা করার মানসিকতা জনগণের কাছে কতোটা গ্রহণযোগ্য হবে সে প্রশ্নই সকলের।

আর আপনার ব্লগে এতো মাইনাস পরে কেনো এ প্রশ্ন সকল ব্লগারের?:)

পোস্টটি ১২ জনের ভাল লেগেছে, ৩১ জনের ভাল লাগেনি :(( :(( :((

১৮ ই জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ৮:০২

ফকির ইলিয়াস বলেছেন: প্লাস-মাইনাস আমার কাছে কোনো বিষয় না।

তাই তেমন প্রশ্ন তোলা অবান্তর ।

আমি জানি আমি অসত্য কিছু লিখছি না ।

২২| ২২ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১১:৩১

মাহিরাহি বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনি জামাতি রাজাকার সমর্থক।


আপনার মন্তব্যের পক্ষে কোন প্রমান আছে কি।

এপর্যন্ত ২৫০ টার মত পোষ্ট আছে আমার।

এমন কোন পোষ্ট দেখাতে পারবেন কি যেটা জামাতের পক্ষে গেছে।


কোনকিছু নিজের পক্ষে না গেলে, আক্রমনাত্বক হয়ে উঠাটা মানসিক দৈন্যতার পরিচায়ক।

২৩ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১০:১৬

ফকির ইলিয়াস বলেছেন: আপনার ভাষা আমি ভালো বুঝি ।

২৩| ৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ সকাল ১১:২৮

মেহেদী_হাসান বলেছেন: লেখক বলেছেন: প্লাস-মাইনাস আমার কাছে কোনো বিষয় না।

তাই তেমন প্রশ্ন তোলা অবান্তর ।

আমি জানি আমি অসত্য কিছু লিখছি না ।

@ লেখক, মাইনাস মানে হল আপনার লেখায় জনতার সমর্থন নাই; বুঝলেন।
গনতন্ত্রে বিশ্বাসী হলে এটা নিশ্চয় মানেন, দেশের কোন ইস্যুত সংখ্যাগরিষ্ট জনগন যা বলে সেটাই ঠিক- সেটাই সত্য।
আপনি সত্য বলছেন কিনা- আপনি জানলে হবে না, জনগন যেটা বলবে সেটাই ঠিক।
যেহেতু জনগনের বিরুদ্ধে আপনি কথা বলছেন, তাই আপনার বক্তব্য সত্য নয়। এই সত্যটা আপনি যদি না বুঝেন, তাহলে আপনার মাথায় কিসের মস্তিস্ক আছে।
আপনাকে একটা সৎ পরামর্শ দিই।
বাউল হিসেবে আপনার যে নাম আছে, সেটা আপনি ডোবাচ্ছেন লেখক হবার বৃথা চেষ্টা করে- সবাইকে দিয়ে সবকিছু হয় না।

৩০ শে জানুয়ারি, ২০১০ রাত ১০:৫১

ফকির ইলিয়াস বলেছেন: আপনি কথা কইলেন মশক প্রজাতির মতো।

এই ব্লগে আপনার যদি, ৫০ টা নিক থাকে তাইলে আপনি ৫০ টা
প্লাস- মাইনাস দিতে পারেন । এই তথ্যটি কী আপনি জানেন ?

জানেন না বলেই প্লাস মাইনাস নিয়া আপনার এতো মাথাব্যথা ।

যাক- আমি কে - আমি কী তা আমি জানি ।
আমার লেখক জীবন নিয়া আপনার মতো নস্যি , না ভাবলেও চলবে ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.