নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ট্রুথ নেভার ডাই্‌জ

নিজের সম্পর্কে লেখার কিছু নেই । সাদামাটা ।

আহমেদ জী এস

পুরোপুরি একজন অতি সাধারন মানুষ । আমি যা আমি তাই ই । শয়তানও নই কিম্বা ফেরেশতা । একজন মানুষ আপনারই মতো দু'টো হাত, চোখ আর নিটোল একটা হৃদয় নিয়ে আপনারই মতো একজন মানুষ । প্রচন্ড রকমের রোমান্টিক আবার একই সাথে জঘন্য রকমের বাস্তববাদী...

আহমেদ জী এস › বিস্তারিত পোস্টঃ

পশুরের জলে শেষ জলকর ...........

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:৪৫



[ ভালোবাসা দিবসে খুলনা ও সুন্দরবন সংলগ্ন অঞ্চলগুলিতে সুন্দরবনকে ভালোবেসে প্রতিবছর যে " সুন্দরবন দিবস" পালিত হয়, তাকে স্মরণ করে উৎসর্গিত । ]

এই যে মাত্র সাড়ে তিন হাত জমি মেপে দিলেন আমায়
তাতেও কি দিতে হবে ভূমিকর ?
পশুরের পাড়ে আমার যে জমি ছিলো দশ একর
ছিলো সে গাঙে নাও, উঠোনে ঝোলানো
মাছ ধরা জাল, গোয়ালে গরু ছিলো দেড় হালি
সেসব তো কবে হয়ে গেছে খালি-
রমজান মাতবর নিয়ে গেছে দেনার দায়ে সবি তার ।
বাকী ছিলো খড়ের গোলা, দরমার বেড়ায় বাঁধা ঘর,
মুরগীর খোপও ছিলো খান দুই,
ছিলো পালনা মুরগীর দল , ছিলোনা কোনও ভয় ডর-
উঠোন -ঘরবাড়ী বেড়াতো দাঁপিয়ে, সকালে কুক...কুরুৎ কুউ..
ডাক দিলেই মোকলেসের মা সেজদায় পড়ে যেতো ফজরের ।

কি জানি কি বসাবেন সেইখানে, বইবে নাকি জোয়ার
তা কি পশুরের মতো উজান ভাটায় পাল্টাবে স্বরূপ ,
আলো ভরা অপরূপ ?
নাকি পাল্টে যাবে মরা গোলপাতা , গজারীর শরীর ?
আহা , ঘরের চাল ছাইবো কি দিয়ে !
ঘাঁই হরিনীর রোশনাই দেখা যাবে কি তাতে আর !

বনবাঁদাড় উজার করে সোনার ভান্ড
ভেসে আসবে নাকি সবার আঙিনায়
ঘটে যাবে নাকি , কি সব এলাহী কান্ড !
এপার তো গেছে, ওপারের মহাজন ও নাকি
আড়ি পেতে আছে
কখন খুঁটি গেড়ে দেবে সাড়ে তিন হাত জমির সীমানায় !

দাঁড়ান .....দাঁড়ান, যাবোই তো চলে ;
যে টিনের চালে বাঁধানো পাতকূয়োঁর জলে
আর যে পশুরের বুকে কেটেছে জীবনভর,
সেই জলে দেখে নেই মুখখানি শেষবার
নাকি তাতেও দিতে হবে জলকর ?


( ছবির কৃতজ্ঞতা ইন্টারনেটে shunya.net এর কাছে )

মন্তব্য ৫৪ টি রেটিং +২১/-০

মন্তব্য (৫৪) মন্তব্য লিখুন

১| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:০১

ইয়েন বলেছেন: অসাধারণ ...

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:২২

আহমেদ জী এস বলেছেন: ইয়েন,




প্রথমেই অনেক পুরোনো এক সহব্লগারের কাছ থেকে পাওয়া এই মন্তব্যটিতে ভালোলাগা।

বাসন্তী শুভেচ্ছা।

২| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৪৪

বোকা মানুষ বলতে চায় বলেছেন: এপার তো গেছে
ওপারের মহাজন ও নাকি
আড়ি পেতে আছে
কখন খুঁটি গেড়ে দেবে সাড়ে তিন হাত জমির সীমানায়

এই যে মাত্র সাড়ে তিন হাত জমি মেপে দিলেন আমায়
তাতেও কি দিতে হবে ভূমিকর?


মাটির ভালবাসা মাখা কবিতায় রইলো একগুচ্চ লাল গোলাপের শুভেচ্ছা।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৪৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: বোকা মানুষ বলতে চায়,




ভালোবাসা দিবসে এই মাটির প্রতি ভালোবাসাটুকুই থাকুক গোলাপের সুরভী ছড়িয়ে।



শুভেচ্ছা ভালোবাসা দিবস আর ফাগুনের।

৩| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৫

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: দাঁড়ান .....দাঁড়ান, যাবোই তো চলে ;
যে টিনের চালে বাঁধানো পাতকূয়োঁর জলে
আর যে পশুরের বুকে কেটেছে জীবনভর,
সেই জলে দেখে নেই মুখখানি শেষবার
নাকি তাতেও দিতে হবে জলকর ?

অত্যান্ত ভালো লেগেছে।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:০০

আহমেদ জী এস বলেছেন: মাহমুদুর রহমান,




এ হলো অন্যরকম ভালোবাসা, নিজের ঘর-গৃহস্থালীর জন্যে প্রানের আকুলতায় ভেজানো।
ভালো লাগারই কথা । মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।

বাসন্তী শুভেচ্ছা রইলো।

৪| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:০৪

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
ভাল ।

নদী ও জনপদের কথায়++++++

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:১৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: মোঃ মাইদুল সরকার,




যে নদী হারায় মরুপথে, যে জনপদ উজার হয় তান্ডবে, তারই কাহিনী এই কবিতাটি।

প্লাস দেয়াতে ধন্যবাদ।
বাসন্তী শুভেচ্ছা।

৫| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৩৭

করুণাধারা বলেছেন: বিদ্যুৎ কেন্দ্র হয়েই যাবে। কেউ জানবে না পশুরের বুকে কত অশ্রু জল এসে মিশে যাচ্ছে............

কবিতার হাহাকার হৃদয়ের অন্তঃস্থলে গিয়ে লাগলো। খুব ভালো লিখেছেন।


+++++

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৫০

আহমেদ জী এস বলেছেন: করুণাধারা,




কেউ জানবে না পশুরের বুকে কত অশ্রু জল এসে মিশে যাচ্ছে............
জানবেনা, গোলপাতা, কেঁওড়া আর সুন্দরী গাছেদের কান্না। মধুচাক কখন মিলোবে হাওয়ায়, জানা হবেনা কারও কোনদিন!

সুনামীর উতল হাওয়া বয়ে যাবে নিঃস্পন্দ জনপদে বাধাহীন, তখন বুঝবে তুমি বুঝবে...............

মন্তব্যে অজস্র ভালোলাগা।
বাসন্তী রাতের শুভেচ্ছা।

৬| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৫৫

রাজীব নুর বলেছেন: খুব সুন্দর কবিতা লিখেছেন ভাইজান।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:২২

আহমেদ জী এস বলেছেন: রাজীব নুর,




জ্বী, ধন্যবাদ।

হ্যাপী ভ্যালেন্টাইন'স ডে।


৭| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৫৯

নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন বলেছেন: ভালোবাসা দিবসের ভালোবাসা পেয়েছি ভাই, এরচেয়ে হয়না বড়ো কোনো উপহার। কাব্য রসে ভরপুর প্রতিটি পঙক্তি জুড়ে।
বড়ই মুগ্ধ গেলাম কবিতা পড়ে।

ফাল্গুনী শুভেচ্ছা আপনাকে,
শুভ বসন্ত।


[ রোহিঙ্গারা আমাদের প্রায় হাজার একর পাহাড় ধ্বংস করে দিলো, তবুও আমরা বিচলিত নই; আর দেশ-মানুষের স্বার্থে চৌদ্দ মাইল দূরের রূপ-ঝলক পাবেনা সুন্দরবন কখনোই।]

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:০৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: নাঈম জাহাঙ্গীর নয়ন,




ভালোবাসা দিবসে অন্যরকম এক ভালোবাসার কথাই বলে গেছে কবিতাটি। কাব্য রস নয়, হাহাকারে ভরা । লোভ আর স্বেচ্ছাচারিতার কাছে আত্মসমর্পণের দলিল।

মাঠ-ঘাট, বন-বাঁদার দখলে করে দেশটাকে হাড়িকাঠে চড়িয়ে যে জাতি ভোগের আস্বাদে মাতোয়ারা তাদের বিচলিত হবার কোনও কারন নেই।
একদিন এই প্রকৃতি প্রতিশোধ নেবেই।

ফাগুন রাতের শুভেচ্ছা আপনাকেও।

৮| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:২৪

শাহরিয়ার কবীর বলেছেন: জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে, ২০৭০ সালের মধ্যে সুন্দরবন থেকে রয়েল বেঙ্গল টাইগার
সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে যাবে। উৎসঃ সময় টিভি!


কবিতায়+++


১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:৪৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: শাহরিয়ার কবীর,




বায়ু থেমে যাওয়ারও আগে, জলের ধারা শুকিয়ে যাওয়ারও আগে আমরাই সব কিছু থামিয়ে দেবো। বাঘকেও অতোদিন অপেক্ষা করিয়ে রাখবোনা কারন হাড়-হাভাতে আমাদের পেটে যে শুধু দখলের খাই খাই!

প্রকৃতি কিন্তু কাউকে ছেড়ে কথা কয়না।

মন্তব্য ও প্লাসের জন্যে ধন্যবাদ।
ফাগুন রাতের শুভেচ্ছা।

৯| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৪

জুন বলেছেন: এ শুধু কবিতা নয় এ যেন সুন্দরবন এর জল জংগলের করুন আর্তনাদ। আহমেদ জী এস এই সুন্দরবন আমি বেশ কয়েকবার ঘুরে এসেছি। তার অপার সৌন্দর্যে বিভিন্ন দেশ থেকে আসা আমাদের সহ পর্যটকদের চোখ আমাদের মতই এর রূপে বিস্ময়াভিভূত হয়েছে। দুকুল ছাপানো কত নদী এর মাঝ দিয়ে প্রবাহিত হয়ে আছড়ে পরেছে সমুদ্রের বুকে। সেই সুন্দরকে আমরা কি করে হত্যা করছি এটাই ভেবে কুল পাই না।
মনে পড়ে মালয়েশিয়া থাইল্যান্ড তাদের উপকুলে গড়ে ঊঠা এতটুকু ম্যানগ্রোভ বন নিয়ে কত গর্ব কত অহংকার, সেই সাথে তার ভবিষ্যৎ নিয়ে কত আশা আকাংখার গল্প। আর আমরা প্রকৃত প্রদত্ত এই অপার সৌন্দর্যকে কালিমালিপ্ত করতে উঠে পরে লেগেছি।
তখন আপনার কবিতার মতই সেখানে যত নদী আছে তার জলে মুখ দেখার মত পানিটুকু অবশিস্ট থাকে কি না দেখেন। এসব ভাবলেও আমার বুকটা জ্বলে যায়। কেমন দেশে আছি আমরা! কেমন জাতি আমরা যারা নিজ দেশের কিছুই ভালোবাসি না!
অনেক অনেক ভালোলাগা রইলো প্লাস ও প্রিয়তে।

১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:২৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: জুন,




অনবদ্য একটি মন্তব্য। এমন মন্তব্য আপনাকেই মানায়! কবিতার মর্মমূলে গিয়ে এই মন্তব্যে আমায় ঋণী করে রাখলেন।
শুধু " অসাধারন" , " ভালো লাগলো" , সুন্দর কবিতা' ইত্যাদি বলে দায় সারলেন না। পশুরের জলে আমাদের মুখখানির ছায়া দেখিয়ে গেলেন। সব কিছু গিলে ফেলার ক্ষুধা নিয়ে, বাঘের মতো মুখব্যাদান করে থাকা আমাদেরই মুখ।
আমরা, যতো অসুন্দরের সেবক এক জাতি! প্রকৃতিই হোক বা মনুষ্য সৃষ্টিই হোক, সুন্দরতাকে কতোখানি গিলে খেলে লাভের বখরা কতোটুকু হবে এই নেশায় বিভোর অদ্ভুত এক অমানুষ প্রজাতি। জল জংগলের করুন আর্তনাদে আমাদের বিচলিত হলে চলেনা। সুন্দরের রূপে বিস্ময়াভিভূত হইনে আমরা , বিস্ময়াভিভূত হই লাভের অংকে! ম্যানগ্রোভ বন নিয়ে গর্ব-অহংকার করিনে , অহংকার আমাদের পকেটের গ্রোথে।
কিন্তু আমরা জানিনে, কবে একদিন শুধুমাত্র সাড়ে তিন হাত জমিতেই আমাদের সীমানা খুঁটি গেঁড়ে দেবেন ঈশ্বর!

ভালোবাসা দিবসে অন্য রকম ভালোবাসার অশ্রুভেজা এই কবিতাটিতে একাধারে লাইক দিয়ে আর প্রিয়তে নিয়ে আপনি অমিত প্রজ্ঞার ছাপ রেখে গেলেন।

আপনাকে এই ভালোবাসা দিবসের শেষপ্রহরের শুভেচ্ছা।

১০| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:০৪

ঠ্যঠা মফিজ বলেছেন: অসাধারন । আমাদের ঘুমন্ত বিবেক বুদ্ধি জাগ্রত হোক।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:০০

আহমেদ জী এস বলেছেন: ঠ্যঠা মফিজ,



ভালোবাসা দিবসে অন্য রকম ভালোবাসার অশ্রুভেজা এক কবিতা। সুন্দরবন নিয়ে দেয়া আপনার পোস্টের জন্যে এ আমার অর্ঘ্য।

ভয় হয়, বায়ু থেমে যাওয়ারও আগে, জলের ধারা শুকিয়ে যাওয়ারও আগে আমরাই সব কিছু থামিয়ে দেবো কিনা! বাঘকেও অতোদিন অপেক্ষা করিয়ে রাখবোনা কিনা কারন হাড়-হাভাতে আমাদের পেটে শুধু যে দখলের খাই খাই!

মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।

১১| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:৪১

খায়রুল আহসান বলেছেন: অসাধারণ! একটি অনিন্দ্যসুন্দর কবিতা পড়লাম, এবং সেই সাথে পশুরের সম্ভাব্য পরিণতির কথা ভেবে শঙ্কিত হয়ে উঠলাম।
নদী আমাদের মা। নদীর প্রতি ভালবাসা মানে মায়ের প্রতি ভালবাসা। আজকের এই ভালবাসা দিবসে আপনার এই অনন্যসাধারণ ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ দেখে মুগ্ধ হ'লাম।
আর যে পশুরের বুকে কেটেছে জীবনভর,
সেই জলে দেখে নেই মুখখানি শেষবার
নাকি তাতেও দিতে হবে জলকর?
- বুক ফেটে যায়, এমন করুণ আর্তনাদের মত কথা শুনে।
জুন (৯) এবং করুণাধারা (৫) এর মন্তব্য দুটো খুব ভাল লেগেছে।
কবিতায় ভাল লাগা + +।

১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:০১

আহমেদ জী এস বলেছেন: খায়রুল আহসান,



মুগ্ধ এমন অনুভব মেশানো মন্তব্যে।
ভালোবাসা দিবসে সবাই্তো একটি জায়গাতেই যায়, আমি নেহাৎ বোকা বলে সেখানে না গিয়ে অন্য রকম ভালোবাসায় অশ্রুভেজা হৃদয়ে এক নদীর কাছে গিয়েছি।

আপনি, জুন, করুণাধারা সে পশুরের জলে নিজেদের ছায়া দেখালেন ঋদ্ধ মন্তব্যের ভেতর দিয়ে। আসছে এক অশনি সংকেতের শব্দ, অনুভবের উঠোনে এনে জোরালো করে তুললেন।

করুণ আর্তনাদের মত সবচেয়ে কষ্টকর লাইনগুলি তুলে এনে আপনিও আর এক ভালোবাসার নদীতে নাও ভাসালেন। জানিনে আপনাদের এই নাও কখন একদিন চরায় আটকে ঘুরপাকই খাবে শুধু!

বসন্ত দিনের শুভেচ্ছা। শুভেচ্ছা সবে গত হয়ে যাওয়া ভালোবাসা দিবসেরও।

১২| ১৪ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৫৩

সুমন কর বলেছেন: অনেক সুন্দর হয়েছে। কবিতায় অনেক কিছু তুলে ধরেছেন।

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:০৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: সুমন কর,



কবিতায় অনেক কিছু তুলে ধরতে হয়েছে একারনে যে, সবুজ অরণ্যানী, নদীর জলে মানুষের ছায়ারা যেন চিরতরে হারিয়ে না যায়, সে বোধটুকু জাগিয়ে তুলতে।

মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ ।
শুভ বসন্ত।

১৩| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:১৪

আখেনাটেন বলেছেন: কি জানি কি বসাবেন সেইখানে, বইবে নাকি জোয়ার
তা কি পশুরের মতো উজান ভাটায় পাল্টাবে স্বরূপ ,
আলো ভরা অপরূপ ?
-----ভালো প্রশ্ন রেখেছেন।

একদিকে আলো জ্বালতে গিয়ে আরেক দিকে নিকষ অন্ধকারের হাতছানি। সে আলোর রোশনাই এক পক্ষের চোখ ধাঁধিয়ে দিলেও আরেক পক্ষের চোখ অন্ধ করে দিচ্ছে সে খবর কয়জনে রাখে।

অসাধারণ কবিতা। একটা সময় হয়ত আমাদের অনেক কিছুই হবে, শুধু থাকবে না ঐ চির সবুজ প্রাণ।

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৫৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: আখেনাটেন,



"সে আলোর রোশনাই এক পক্ষের চোখ ধাঁধিয়ে দিলেও আরেক পক্ষের চোখ অন্ধ করে দিচ্ছে সে খবর কয়জনে রাখে।"
ঋদ্ধ অনুভূতির রুদ্রজ প্রকাশ।

নদীর জলে ছায়া ফেলে সবুজ অরণ্যানী হয়তো একদিন হাতছানি দিয়ে আর ডাকবেনা, চিত্রল হরিণের লঘু পায়ে চকিৎ চলে যাওয়া ছন্দ ধরা দেবেনা হয়তো আর চোখে। কেবল কালো সোনার ধুলো উড়িয়ে বাতাস হু-হু করে বয়ে যাবে এক রূক্ষ প্রান্তরের গা ছুঁয়ে.......................

মন্তব্যে ভালো লাগা।
শুভ বসন্ত।

১৪| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৯

নীল আকাশ বলেছেন: এপার তো গেছে, ওপারের মহাজন ও নাকি
আড়ি পেতে আছে
কখন খুঁটি গেড়ে দেবে সাড়ে তিন হাত জমির সীমানায়
এই যে মাত্র সাড়ে তিন হাত জমি মেপে দিলেন আমায়
তাতেও কি দিতে হবে ভূমিকর?
দাঁড়ান .....দাঁড়ান, যাবোই তো চলে ;
যে টিনের চালে বাঁধানো পাতকূয়োঁর জলে
আর যে পশুরের বুকে কেটেছে জীবনভর,
সেই জলে দেখে নেই মুখখানি শেষবার
নাকি তাতেও দিতে হবে জলকর ?


এই কবিতা নিয়ে কিছু বলার মতো ভাষা আমার নেই বা যোগ্যতাও নেই, গুরু।
মন থেকে শুধুই অকৃত্রিম একরাশ ভাললাগা রেখে গেলাম।
প্রিয়তে থাক, মাঝে মাঝে এসে পড়ব। হুটহাট করে মাঝে মধ্যেই আপনার লেখা পড়তে দারুন লাগে।
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল!

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:১৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: নীল আকাশ,



নীল আকাশের মতোই উদার একটি মন্তব্য। +++

কবিতাটি এমন জটিল কিছু নয় যে, কিছু বলার মতো ভাষা আপনার থাকবেনা। কবিতার যে অংশটুকু তুলে দিয়েছেন তাতে আপনার ভেতরে ক্ষনিকের জন্যে হলেও যে ভাবের উদয় হয়েছিলো, তাই-ই লিখে দিতেন!

প্রিয়তে নিয়েছেন জেনে কৃতজ্ঞ।

শুভেচ্ছা এই বসন্ত রাতের।

১৫| ১৫ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:৫২

জাহিদ অনিক বলেছেন:


ঘাঁই হরিণির কথা দেখে মনে পড়ে গেল, জীবন বাবুর কবিতার কথা--------
এখানে বনের কাছে ক্যাম্প আমি ফেলিয়াছি; সারারাত দখিনা বাতাসে আকাশের চাঁদের আলোয় এক ঘাইহরিণীর ডাক শুনি— কাহারে সে ডাকে!


জলের আশ্রয়ে যে থাকে, যে জলের মধ্য থেকে বেড়ে ওঠে তাকে দিতে হবে জলকর; জলের সাথে যার ঐহিক সম্পর্ক- সাড়ে তিন হাত জমির জন্য তাকেও দিতে হবে জলকর। এরকম আরও কিছু চিত্রপট ভালো লেগেছে খুব।

তবে---- কয়লা বিদ্যুত কেন্দ্রের পক্ষে বা বিপক্ষে কিছু বলতে চাই না। নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট নিয়েও অনেক বিতর্ক। ১৯৬০ সালে শুরু হওয়া কর্মকান্ড এখনো চলছে, কেবল শুরু হতে হতেই কয়েক দশক। আমাদের দেশের পাশের দেশ তার পাশের দেশ সবাই বানাচ্ছে নিউক্লিয়ার প্লান্ট, আমরা বানাই আর না বানাই, ঝুকি আমাদের তো রয়েই যাচ্ছে।

১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৫২

আহমেদ জী এস বলেছেন: জাহিদ অনিক,




আগেই অনেক কিছু বলে যাওয়া নিয়ে এই মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।

নিউক্লিয়ার পাওয়ার প্ল্যান্ট নিয়ে অনেক বিতর্ক থাকলেও স্থান নির্বাচনে প্রকৃতির উপর তাৎক্ষনিক কোনও আছর নেই।
কিন্তু রামপালে কয়লা বিদ্যুৎ, সবুজ অরণ্য ও বয়ে যাওয়া নদীগুলো সহ জীব-বৈচিত্রকে তাৎক্ষনিক ভাবে অস্থির করে তুলবে এবং কালক্রমে গিলে খাবে। আসলে ঝুঁকিটা আমাদের দু'জায়গাতেই দু'রকমে।

বসন্ত শুভেচ্ছা ।

১৬| ১৬ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৬

মৃন্ময়ী শবনম বলেছেন: আমার আজকের পোষ্টটি অনুগ্রহ করে পড়ে মন্তব্য করবেন, লেখাটি আমার এবং সোহানাজোহার আলোচনায় লেখা হয়েছে।

১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩০

আহমেদ জী এস বলেছেন: মৃন্ময়ী শবনম,



আপনি আমার এই পোস্টটিতে প্রাসঙ্গিক মন্তব্য না করে অনুরোধ রেখে গেলেন যেন আপনার ঐ পোস্টে গিয়ে কিছু বলে আসি!
লেখাটি, আপনার রেখে আসা অনুরোধ এর পরপরই পড়েছি। গতকাল মন্তব্য করতে গিয়ে দেখি অনেক কিছুই নেই, নেই অনেক মন্তব্য ও প্রতিমন্তব্য। সম্ভবত আপনি লেখাটি পুরোমাত্রায় সংশোধন করেছেন, এবং তা থেকে আপনার অনেক অভিযোগই সরিয়ে নিয়েছেন, যদি আমার ভুল না হয়।
যা আছে তাতে মন্তব্য করার মতো বিষয় কিছু দেখিনি। তবুও গতকাল মন্তব্য করার জন্যে তৈরী ছিলুম কিন্তু টেকনিক্যাল কারনে সামুতে লগইন হতে পারছিলুম না কয়েক ঘন্টা চেষ্টা করেও। আজ বিকেলে দেখি, আপনি মন্তব্য ও প্রতি মন্তব্যগুলোও সরিয়ে ফেলেছেন।

আমার এখানে আসার জন্যে ধন্যবাদ। আপনার ওখানে মন্তব্য করাটা আপাতত স্থগিত রাখলুম। দুঃখিত.....
শুভেচ্ছান্তে।

১৭| ১৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:২৪

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন:



আর্তনাদঘন হৃদয়ের গহীন, যেখানে হারাবার কিছু নেই আত্মাহীন শরীরের অবস্থান ব্যাতিত । জলে মুখ দেখে জলকর দেয়া নাকি জলের জন্য জলের বিসর্জন !

কবিতার ভাবগাম্ভীর্য জীবন্ত করে তুলেছে আঁকড়ে থাকা জীবন যাপণ ।

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০০

আহমেদ জী এস বলেছেন: কথাকথিকেথিকথন,



কাব্যিক ঢংয়ে করা মন্তব্যটি সে কথাই বলেছে যেখানে হারানোর কিছু নেই। আমরা সব হারিয়ে আর্তনাদঘন জীবনের গহীন জলে দেখি নিজেরই মুখ।

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে।

১৮| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:২৯

বঙ্গভূমির রঙ্গমেলায় বলেছেন:
আমি কবিতা বেশী একটা বুঝিনা তবে আপনার কবিতাটি আমি কয়েকবার পড়তে বাধ্য হলাম।

বেচে থাকুক সুন্দর বন, বেচে থাকুক ভালবাস।

ভাল থাকুন জি এস ভাই। :)

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: বঙ্গভূমির রঙ্গমেলায়,



আপনার মন্তব্যের প্রথম লাইনটি যে কোনও লিখিয়ের জন্যে শ্লাঘার।
কৃতজ্ঞ ।

বসন্ত বাতাসে ভাল থাকুন আপনিও।

১৯| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৩২

নীল আকাশ বলেছেন: শুভ সকাল,
আপনি আমার একটা পোস্টে বলে এসেছিলেন - sb]আপনার জানার জন্যে বলি - আমি কোনও লেখা পড়লে তা ধৈর্য্য নিয়েই সবটা পড়ি নইলে প্রাসঙ্গিক মন্তব্য কি করে করবো ? একটু আধটু পড়ে বা না পড়েই বাহবা দিয়ে কোনও মন্তব্যই করিনে, করিও নি আমার ব্লগীয় জীবনে। ওটা লেখকের সাথে একরকম প্রতারণা করারই মতো । - আপনার এই কথা আমি খুব করে মেনে চলি। না জেনে কোন বিষয় নিয়ে আমি কখনোই মন্তব্য করি না। বিশেষ করে টেকনিক্যাল বিষয়গুলিতে তো প্রশ্নই আসে না। এটা আমার প্রফেশনাল লাইফের সাথে কনফ্লিক্ট করে। সেদিন এই বিষয় নিয়ে আপনার কবিতাটা পড়ার পর মনে হলো ঠিক এই বিষয়ে আমার জানা অংশ কম, ভাসা ভাসা। তাই কবিতাটা পড়েই চলে এসেছিলাম। আগে ভালো করে এই বিষয়টা দেখে এবং পড়ে আসি। তারপর এই বিষয় নিয়ে লিখব। বেশ কয়েকদিন ঘাটাঘাটি করে যা পেলাম তার সারমর্ম তুলে দিলাম নীচে -

প্রতি বছর ২২মে বিশ্বব্যাপি পালিত হয় ‘আন্তজার্তিক প্রাণবৈচিত্র্য দিবস’। প্রতিবছরের জন্যই এ দিবসের একটি প্রতিপাদ্য থাকে। ২০১১ সনের প্রতিপাদ্য ছিল ‘বনপ্রাণবৈচিত্র্য’। নিদারুণভাবে সেবছরই প্রাণবৈচিত্র্য দিবসের পরের দিন ২৩ মে বাংলাদেশ পরিবেশ অধিদপ্তর বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন সুন্দরবনের প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকার ৪ কি.মি. দূরত্বে ‘১৩২০ মেগাওয়াট কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎপ্রকল্প’ নির্মাণের জন্য ‘এলাকার ছাড়পত্র’ অনুমোদন করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১০ জানুয়ারী ২০১০ ভারত সফরে গেলে যেসব সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয় তার মধ্যে এ বিদ্যুৎপ্রকল্পটি একটি অন্যতম বিষয় ছিল। ২০ এপ্রিল ২০১৩ বাংলাদেশ-ভারত উক্ত প্রকল্পের চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষর করে। চট্টগ্রামের আনোয়ারার পারকি সমুদ্র সৈকত, খুলনার বটিয়াঘাটার লবনচর থেকে বাতিল করে প্রকল্পটি শেষমেষ ৫২২তম বিশ্বঐতিহ্য সুন্দরবন অঞ্চলে অনুমোদন করে রাষ্ট্র। কোনো ধরণের প্রতিবেশগত প্রভাব যাচাই ছাড়াই বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড এবং ভারতের ন্যাশনাল থার্মাল পাওয়ার কোম্পানি (এনটিপিসি) যৌথভাবে সুন্দরবন পূর্ব বনবিভাগের চাঁদপাই রেঞ্জের নলিয়ান থেকে ১৪ কি.মি. উত্তর-পূর্বে বাগেরহাট জেলার রামপালে উক্ত প্রকল্পের কাজ শুরু করে। বিদ্যুৎ, জ্বালানী ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অধীন ‘বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড’ ২০১৩ সনের জানুয়ারিতে উক্ত প্রকল্পের জন্য ‘পরিবেশগত প্রভাব যাচাই প্রতিবেদন (ইআইএ)’ প্রকাশ করে। ইআইএ প্রতিবেদনের কোথাও ‘বন’, ম্যানগ্রোভ বন, সুন্দরবন ও ম্যানগ্রোভ বাস্তুসংস্থানের কোনো কার্যকরী সংজ্ঞা দেয়া হয়নি। ইআইএ প্রতিবেদন উল্লেখ করেছে, বিদ্যুৎপ্রকল্পটি সুন্দরবন থেকে ১৪ কি.মি., সুন্দরবন প্রতিবেশগত সংকটাপন্ন এলাকা হতে ৪ কি.মি., সুন্দরবনের হিরণপয়েন্ট থেকে ৯৭ কি.মি. এবং সুন্দরবন বিশ্বঐতিহ্য অঞ্চল থেকে ৭০ কি.মি. দূরে অবস্থিত। ইআইএ প্রতিবেদন সুন্দরবন বলতে মূলত: কি বুঝতে চেয়েছে বা কি বোঝাতে চেয়েছে তা স্পষ্ট করতে পারেনি।

সুন্দরবন এক জটিল ম্যানগ্রোভ বাস্তুসংস্থান। এখানে কেবলমাত্র ৪০০-৫০০ বাঘ বসবাস করে না। ম্যানগ্রোভ বনের বিশেষ চরিত্রের কারণেই সুন্দরবন অঞ্চলে এর নাম হয়েছে বাদাবন, জোয়ারভাটা বন কি প্যারাবন। বলেশ্বর, পশুরসহ প্রায় ৪৫০টি ছোট বড় নদ-নদীর প্লাবনভূমিতে গড়ে ওঠা এই বনের ৬০১৭ কি.মি এলাকায় ৩৩৪ প্রজাতির উদ্ভিদ, ৩৭৫ প্রজাতির প্রাণী, ৩৫ প্রজাতির সরীসৃপ, ৪১ প্রজাতির স্তন্যপায়ী, ২১০ প্রজাতির মাছ, ২৪ প্রজাতির চিংড়ি, ১৪ প্রজাতির কাঁকড়া, ৪৩ প্রজাতির ঝিনুক সহ অগনিত প্রাণবৈচিত্র্যের সাথে বনজীবী জনগণ গড়ে তুলেছে এক বাদানির্ভর ঐতিহাসিকতা। এখানে এক এক প্রাণসত্তার বিচরণস্থল ও আন্ত:সম্পর্ক এক এক ধরণের। সুন্দরবনের মৌয়ালদের মৌবিজ্ঞান মতে, একটি মৌমাছি এক ফোঁটা মধুর জন্য ৮০টি ফুলে যায়। একটি বাঘের বিচরণঅঞ্চল ১৪ বর্গ কি.মি.।

ইআইএ প্রতিবেদন নিয়ে যথেষ্ট বিতর্ক আছে, কারণ এখানে ম্যানগ্রোভ বাস্তুসংস্থানকে স্থলজ বন ও সমতল অঞ্চলের কৃষিজমিন হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। তারপরও ইআইএ প্রতিবেদন মতে, বিদ্যুৎপ্রকল্প এলাকাটি থেকে সুন্দরবনের যে দূরত্ব নানানভাবে উল্লেখ করা হয়েছে তা খুবই উদ্বেগজনক। কারণ ইআইএ প্রতিবেদন অনুযায়ীও যদি বিদ্যুৎ প্রকল্পটি স্থাপিত হয়, তা নৃশংস কায়দায় সুন্দরবনের অগণিত প্রাণসত্তার বিচরণঅঞ্চলকে বিনাশ করবে এবং সুন্দরবনকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেবে। খুব দায়সারাভাবে হলেও ইআইএ প্রতিবেদনের এক জায়গায় এ সম্পর্কে বলা হয়েছে, পশুর ও মাইদারা নদী হচ্ছে গাঙ্গেয় ও ইরাবতী ডলফিন এবং কুমিরের আবাসস্থল। রামপাল বিদ্যুৎপ্রকল্পের জন্য কয়লা পরিবহন ও তেল নি:সরনের ফলে এসব মহাবিপন্ন জলজ প্রাণীদের ক্ষেত্রে সমস্যা তৈরি হতে পারে (পৃ.২০৭ ও পৃ.২০৯)। ইআইএ প্রতিবেদন অনুযায়ী বিদ্যুৎকেন্দ্রে বাষ্প দিয়ে টারবাইন ঘোরানো ও শীতলীকরণসহ বিভিন্ন কাজে ব্যবহারের জন্য পশুর নদী থেকে ঘন্টায় ৯,১৫০ ঘনমিটার পানি প্রত্যহার করে ব্যবহারের পর পানি পরিশোধন করে ঘন্টায় ৫১৫০ ঘনমিটার হারে নদীতে ছেড়ে দেয়া হবে। ইআইএ প্রতিবেদন অনুযায়ী রামপাল বিদ্যুৎপ্রকল্প থেকে বছরে ৫২ হাজার টন সালফার-ডাই-অক্সাইড নি:সরণ হবে। সরকার বারবার বলছে এসব বর্জ্য ও রাসায়নিকে সুন্দরবনের কোনো সমস্যা হবে না, আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহৃত হবে। কিন্তু কি এমন ‘আধুনিক প্রযুক্তি’ যা কয়লানির্ভর বিদ্যুৎ প্রকল্পে বিশ্বের কোথাও ব্যবহৃত হয়নি, কিন্তু বাংলাদেশে ব্যবহৃত হবে? এটা একটা পুরোপুরি ধাপ্পাবাজি জনগনের সাথে। সুন্দরবনের মতো একটি ম্যানগ্রোভ বাস্তুসংস্থানের এট কোন ভাবেই সুরক্ষা দিতে পারবে না। রাষ্ট্রের এই ধোকাবাজীর বিরুদ্ধে সবার সোচ্চার হয়ে উঠা ঊচিৎ!!

সুন্দরবন নিয়ে কোনো ধরণের করপোরেট বা বাণিজ্যিক দর কষাকষি, রাজনৈতিক জালিয়াতি, দলীয় টেন্ডারবাজি দেনদরবার চলতে পারে না। কারণ উপকূলীয় অঞ্চলের সকল ঝড় তুফান ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলা করে দেশকে রক্ষা করে এই বন। বিশ্বের এক অন্যতম কার্বন-শোষণাগার সুন্দরবন কেবলমাত্র বাংলাদেশ নয় বরং সারা বিশ্বের ঐতিহ্য। এটা কে কিভাবে ধংশ করে দিতে চায় এই সরকার???

শুধুই ব্যক্তিগত লাভের জন্য এই নৃশংস আর জঘন্য প্রজেক্ট টাকে কেবলই তুলনা করা যায় হারিকিরির সাথে!!


যা বিষয়টা জানে না তাদের জন্য বিস্তারিত লিখে ভাবে তুলে দিলাম..........।

দেরীতে ফিরে আসার জন্য লজ্জিত।
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল!

২০ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:০০

আহমেদ জী এস বলেছেন: নীল আকাশ,



এমন মন্তব্য আমার এ লেখাটিকে আরো তেজী করে তুলেছে নিঃসন্দেহে। চমৎকার করে তুলে ধরলেন রামপাল নিয়ে 'ইআইএ' এর ধাপ্পাবাজী। ধাপ্পাবাজী আরো যে কতো ----
বাড়তি নৌযান চলাচল, তেল নি:সরণ, শব্দদূষণ, আলো, বর্জ্য নি:সরণ ইত্যাদি পরিবেশ আইন অনুসারে নিয়ন্ত্রণ না করা গেলে সুন্দরবনের ইকো সিস্টেম বিশেষ করে রয়েল বেঙ্গল টাইগার, হরিণ, ডলফিন, ম্যানগ্রোভ বন ইত্যাদির উপর ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে বলে সরকারি "ইআইএ" রিপোর্টেই আশংকা করা হলেও পরিবেশ অধিদপ্তর কিন্তু ছাড়পত্র দিয়ে ফেলেছে।
কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র মারাত্মক পরিবেশ দূষণকারী বলে সাধারণত কোন সংরক্ষিত বনাঞ্চল ও জনবসতির ১৫-২০ কিমি এর মধ্যে এ ধরণের বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করা হয় না।
ভারতেরই পরিবেশ মন্ত্রণালয়ের ইআইএ গাইড লাইন, ২০১০ এ স্পষ্ট বলা আছে-
Locations of thermal power stations are avoided within 25 km of the outer periphery of the following:• – metropolitan cities;• – National park and wildlife sanctuaries;• – Ecologically sensitive areas like tropical forest, biosphere reserve, important lake and coastal areas rich in coral formation;
(তথ্যসূত্র: Click This Link)
অথচ যে ভারতীয় কোম্পানি এনটিপিসিকে বাংলাদেশে সুন্দরবনের এত কাছে পরিবেশ দূষণকারী কয়লা ভিত্তিক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ করতে দেয়া হয়েছে, তার নিজ দেশ ভারতে হলে সেই কোম্পানি সেটা করতে পারতো না!

কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে যে জটিলতা ও ভয়াবহতার সৃষ্টি হয় তার ভুরি ভুরি উদাহরণ আছে আমাদের দেশের আশেপাশেই-
ভিয়েতনামের Quang Ninh, থাইল্যান্ডের Mae Moh, তাইওয়ানের Taichung, মালয়েশিয়ার Jaimah কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্র । যে সব থেকে বন্যা ও জলোচ্ছাসের সময় বিপুল পরিমাণ কয়লা নদীতে ভেসে গিয়ে ব্যাপক নদী দূষণ ঘটিয়েছে, হাজার হাজার মানুষ ফুসফুসের অসুখে ভুগেছে, চারপাশের কৃষি অঞ্চলে ফসলের ফলন ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে, জলাভূমিতে আর্সেনিক , ক্রোমিয়াম ও ম্যাংগানিজ এর দূষণ ঘটেছে।

রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র নিয়ে তিরিশ পৃষ্ঠার বেশি দীর্ঘ একটা রিপোর্ট দিয়েছে ইউনেস্কোও। বলেছে - কয়লা পোড়ানোর পর সেখান থেকে নির্গত কয়লার ছাই সুন্দরবনের পরিবেশের জন্য এক নম্বর হুমকি হিসেবে দেখা দেবে। বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে নির্গত বর্জ্য এবং পানি নদীগুলোকে দূষিত করবে। প্রকল্পকে ঘিরে সুন্দরবন এলাকায় যেভাবে জাহাজ চলাচল বাড়বে এবং ড্রেজিং করার দরকার হবে, সেটিও সুন্দরবনের প্রানীজগৎ ও পরিবেশের জন্য ক্ষতিকর হবে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে ঘিরে ঐ অঞ্চলের সার্বিক শিল্পায়ন এবং উন্নয়ন কর্মাকান্ডও সুন্দরবনের টোটাল ইকো সিষ্টেমটাকে পুরোপুরি বিষিয়ে তুলবে।

সরকারের পরিবেশ সমীক্ষাতেই স্বীকার করা হয়েছে, এভাবে সুন্দরবনের ভেতর দিয়ে কয়লা পরিবহনকারী জাহাজ চলাচল করার ফলে-
১) কয়লা পরিবহনকারী জাহাজ থেকে কয়লা, তেল, ময়লা আবর্জনা, জাহাজের দূষিত পানি সহ বিপুল পরিমাণ বর্জ্য নি:সৃত হয়ে নদী-খাল-মাটি সহ গোটা সুন্দরবন দূষিত করে ফেলবে।
২) সুন্দরবনের ভেতরে আকরাম পয়েন্টে বড় জাহাজ থেকে ছোট জাহাজে কয়লা উঠানো নামানোর সময় পানি-বায়ু দূষণ ঘটবে।৩) চলাচলকারী জাহাজের ঢেউয়ে দুইপাশের তীরের ভূমি ক্ষয় হবে।
৪) কয়লা পরিবহনকারী জাহাজ ও কয়লা লোড-আনলোড করার যন্ত্রপাতি থেকে দিনরাত ব্যাপক শব্দ দূষণ হবে।
৫) রাতে জাহাজ চলের সময় জাহাজের সার্চ লাইটের আলো নিশাচর প্রাণী সহ সংরক্ষিত বনাঞ্চল সুন্দরবনের পশু-পাখির জীবনচক্রের উপর মারাত্বক ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে।

ইউনেস্কো সুন্দরবনের কাছে এই বিশাল কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কাজ বন্ধ রাখতে বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহবান জানিয়েছে।
ইউনেস্কো এমন কথা বলতেই পারে, শোনা না শোনা তো আমাদের!

তাই ভয় হয় , আমাদেরও হয়তো একদিন এমনি করেই সুন্দরবনের মরে যাওয়া নদীগুলির পানিতে মুখখানির প্রতিবিম্বিত ছায়া দেখতে হলেও কোন ট্যাক্স দিতে হয় কিনা !!!!!!!!!!!!!

[ আপনার এই মন্তব্যটিকে আপনি আলাদা করে পোস্ট বানিয়ে দিতে পারেন। ]

২০| ১৯ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:১৬

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:


আমি এখনও সুন্দরবন যাইনি । অথচ তার আগেই সেটা হারিয়ে যেতে বসেছে ।

আপনার কবিতাটি আমাকে সত্যি খুবই কষ্ট দিয়েছে । সুন্দরবন আমাদে সবচেয়ে বড় সম্পদ আর সেটা কে আমরা বাচাতে পারছি না । এটা আমাদের ব্যর্থতা । পরবর্তি প্রজন্ম যখন প্রশ্ন করবে তখন কি উত্তর দেব ভেবে পাইনা ।

এখন নিজেদেরই ঘৃনা হয় । নিজের প্রতি একটা চাপা ক্ষোভ জন্মেছে ।

কবিতার জন্য অনেক অনেক ধন্যবাদ ।

২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:০৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: অপু দ্যা গ্রেট,



অদূর ভবিষ্যতে পরবর্তি প্রজন্মের উচ্চারিত অনেক প্রশ্নের জবাবই আমাদের কাছে থাকবেনা। এ আমাদেরই হটকারীতা আর মতিভ্রমের ফল।
পরবর্তি প্রজন্ম নয়, আপনিও যদি বলেন - " দাও ফিরে সে অরণ্য..", তবে তার জবাবও আমাদের কাছে নেই।

ঘুরে আসুন না হয় একবার সুন্দরবন থেকে! ফিরে এসে আবারও আপনাকে গাইতে হবে --- একবার যেতে দেনা, আমার ছোট্ট সোনার গাঁয়...

২১| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:০০

নীলপরি বলেছেন: প্রকৃতির নীরব আর্তনাদ ফুটে উঠেছে আপনার শব্দচিত্রে । কবিতা ভালো লেগেছে খুব ।

আশারাখি মানুষই কিছু করবে প্রকৃতির জন্য ।

শুভকামনা

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:০৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: নীলপরি,




সুন্দর এই মন্তব্যটির জন্যে ধন্যবাদ। কবিতাটি ভালো লেগেছে জেনে ভালো লাগলো।

শুভেচ্ছান্তে।

২২| ০১ লা মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৪৯

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: কবিতা অত্যন্ত সুন্দর হয়েছে। মন্তব্য করে পড়লাম। পোস্টে লাইক প্লাস ++

বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভকামনা জানবেন।

০১ লা মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:০২

আহমেদ জী এস বলেছেন: পদাতিক চৌধুরি,



মনে রেখে এই পোস্টে এসে মন্তব্য করেছেন দেখে ভালো লাগলো।
আপনার জন্যেও রইলো শুভকামনা ।

২৩| ০২ রা মার্চ, ২০১৯ সকাল ৮:৫৫

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আহমেদ জি এস ভাই,

খুব ভালো লাগা নিয়ে পড়লাম আপনার কবিতা । কবিতার নাম থেকে শুরু করে শেষ শব্দ পর্যন্ত মুগ্ধ ভালোলাগা।

কেন যেন আপনার কবিতা পড়তে পড়তে তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ের 'তারিণী মাঝি' গল্পটার কথা মনে পড়লো । ভালোবাসা দিবসে আপনি খুলনা ও সুন্দরবন সংলগ্ন অঞ্চলগুলিতে সুন্দরবনকে ভালোবেসে প্রতিবছর যে " সুন্দরবন দিবস" পালিত হয় সেটা নিয়ে লিখেছেন বলেই হয়তো মনে হলো তারাশঙ্কর বন্দোপাধ্যায়ের গল্পটার কথা । ১৪ই ফেব্রুয়ারিতে ব্লগের লেখাগুলো কেন যেন খুবই ন্যারো মনে হয়েছে চিন্তা ভাবনার দিক থেকে ।ভালোবাসাটা যে জীবনের জন্যও হতে পারে সেটা মনে হয় আমাদের ব্লগের কবিরা ভুলেই গেছেন । তারিণী মাঝির স্ত্রী যখন বন্যার পানিতে নৌকা উল্টে যাওয়ায় ডুবে যাচ্ছিলো তখন তারিণী মাঝি শেষ সময় পর্যন্ত তাকে নিয়ে তীরে সাঁতরে পৌঁছুতে চেয়েছিলো কিন্তু শেষ মুহূর্তে বন্যার পানি, স্রোতের সাথে যুদ্ধে পরিশ্রান্ত, বিপর্যস্থ তারিণী মাঝি যখন তার স্ত্রীর শরীরের উপর দাঁড়িয়ে জীবন বাঁচানো নিঃশ্বাসটা নিলো তখন সে জীবনকেই সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় মনে করে বলে উঠেছিল আহ জীবন বা এই ধরণের কোনো কিছু ।খুলনা ও সুন্দরবন সংলগ্ন অঞ্চলগুলিতে মানুষের কাছে সুন্দরবন জীবনের মতোই --সুন্দরবন বাঁচলে তারা বাঁচবে, সুন্দরবন ধ্বংস হলে তারাই সবার আগে ধ্বংস হবে । সুন্দরবনই তাদের কাছে জীবন ও জীবিকা । তাই সুন্দরবনের জন্য তাদের ভালোবাসা প্রেয়সীর ভালোবাসার চেয়ে কম নয় বরং তারিণী মাঝির মতোই হয়ত বেশি । আপনার প্রাজ্ঞ চোখ সেটা দেখতে পেরেছে আর সেটাই ভালোবাসা দিবসের কবিতার ছন্দ হয়ে উঠেছে ! এই কবিতার মতো কবিতা ব্লগে আপনার থেকেই আশাকরি আমি ।অবশ্যই সবার থেকে নয় ।
আগামী বছরের ভালোবাসা দিবসে আশাকরি আমাদের কবিরা ভালোবাসার কবিতা লেখার সময় জীবনকেও মনে রাখবেন ।

আগামী বই মেলাতেও আশা করি হয়তো ঋদ্ধ প্রকাশ হবে । যিনিই তার সম্পাদক হন না কেন এই কবিতা ঋদ্ধ-র কবিতা তালিকায় প্রথমে রাখার দাবি এইখানেই প্রথম জানিয়ে রাখলাম । আরো অনেকবারই জানাবো ঋদ্ধ প্রকাশের আগে পর্যন্ত । অনেক ধন্যবাদ ভালোলাগা কবিতার জন্য ।

০২ রা মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:১৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: মলাসইলমুইনা,



এমন মন্তব্যে তাড়িয়ে নিয়ে গেলেন ভালোলাগার মাঝ সমুদ্রে। মন্তব্যের বক্তব্যের ঢেউয়ে তাই মুগ্ধতায় ডুবতেই হলো!

সুন্দরবনের সুন্দরতা আর তেমন করে বোধহয় দেখা হবেনা, তার নিঝুমতায় কান পেতে শোনা হবেনা নৈঃশব্দের গান! এমন কষ্ট বোধ থেকেই লেখা। ভালোবাসার দিনটিতে সবাই্তো বিশেষ কোথাও না কোথাও যায়, আমি নেহাৎ বোকা বলেই সেখানে না গিয়ে অন্য রকম ভালোবাসা নিয়ে অশ্রুভেজা হৃদয়ে এক নদীর কাছে গিয়েছি। শেষবারের মতো দেখতে চেয়েছি তার জলে নিজের মুখখানি, আমাদের মুখখানি!!!!!

শেষের প্যারাতে এই কবিতাটির জন্যে ভালোবাসার যে জায়গাটুকু মেপে দিলেন, তাতে কৃতজ্ঞ - অশেষ ঋনী।

ভালো থাকুন আর সুখে।

২৪| ১৫ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ১২:৩৩

বলেছেন: সুন্দর ও সরল কথা মালা যেন কাব্যটিকে পূর্ণতার রূপ দিয়েছে। মুগ্ধতা রেখে গেলাম কাব্যে। ভাল থাকবেন কবি



শুভেচ্ছা সতত।

১৫ ই মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: ল ,



মন্তব্য দেখে ভালো লাগলো।
সুন্দর ও সরল কথা মালা হয়তো কাব্যটিকে পূর্ণতা দিয়েছে কিন্তু তারও চেয়ে বেশী করে ধরে রেখেছে পশুর নদীপাড়ের মানুষগুলির হাহাকার, সুন্দরবনের মরন যন্ত্রনা!

২৫| ১৫ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৪০

বলেছেন: দাঁড়ান .....দাঁড়ান, যাবোই তো চলে ;
যে টিনের চালে বাঁধানো পাতকূয়োঁর জলে
আর যে পশুরের বুকে কেটেছে জীবনভর,
সেই জলে দেখে নেই মুখখানি শেষবার
নাকি তাতেও দিতে হবে জলকর
?-----------------ভাষাহীন --------

১৭ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৮:৩৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: ল,



আবারও আসার জন্যে ধন্যবাদ।
শুভেচ্ছান্তে।

২৬| ১৭ ই মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৫০

শায়মা বলেছেন: জলকর দিতে হবে এত কিছু দেবার পরেও? :(

১৮ ই মার্চ, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: শায়মা,




জ্বি... হয়তো দিতে হবে আরও অনেক কিছু। বন্ধু বলে কথা! ভবিষ্যত বলে দেবে তা!

২৭| ১৪ ই জুন, ২০১৯ বিকাল ৩:০১

মুক্তা নীল বলেছেন:

প্রকৃতির প্রতি এত অপার ভালোবাসাময় যে কবিতা তাতে সুস্পষ্ট প্রকৃতি আর যাই হোক আপনার আমার সকলের অন্তর থেকে কখনো বিলীন হয়ে যাবে না, এ লেখায় প্রকৃতির টান ও প্রতিবাদ আমাকে মুগ্ধতায় নিয়ে গেল। সুন্দরবন বেচে থাকবে সুন্দর এর সকল অপরূপ সৃষ্টি ও প্রকৃতি দান নিয়ে এই আশা রাখি ।

শ্রদ্ধা জানবেন।

১৪ ই জুন, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩২

আহমেদ জী এস বলেছেন: মুক্তা নীল,




"এ লেখায় প্রকৃতির টান ও প্রতিবাদ আমাকে মুগ্ধতায় নিয়ে গেল।"

ঠিকই বলেছেন, প্রকৃতিকে অসতী বানানোর দুর্বৃত্তময় এই প্ররোচনার বিরূদ্ধে এ এক কবিতাময় প্রতিবাদ। আর তা আপনার মতো পাঠকদের মুগ্ধ করতে পেরেছে জেনে কবিতা লেখাটিকে সার্থক ভাবছি।

এখানে এসে মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.