নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ট্রুথ নেভার ডাই্‌জ

নিজের সম্পর্কে লেখার কিছু নেই । সাদামাটা ।

আহমেদ জী এস

পুরোপুরি একজন অতি সাধারন মানুষ । আমি যা আমি তাই ই । শয়তানও নই কিম্বা ফেরেশতা । একজন মানুষ আপনারই মতো দু'টো হাত, চোখ আর নিটোল একটা হৃদয় নিয়ে আপনারই মতো একজন মানুষ । প্রচন্ড রকমের রোমান্টিক আবার একই সাথে জঘন্য রকমের বাস্তববাদী...

আহমেদ জী এস › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমি বুঝিনা , কিছুতেই বুঝিনা....

৩১ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:১২


আগুন কেন লাগবেনা ??????

আমি বুঝিনা, কিছুতেই বুঝতে পারিনা, ঘরবাড়ীতে আগুন লাগার ঘটনায় প্রথমেই সকল সংস্থার হোমরা-চোমরারা রাজউকের বিল্ডিং কোড মেনে ইমারতটি বানানো হয়েছিলো কিনা তা খুঁজতে গিয়ে আকাশ-পাতাল এক করে ফেলেন কেন? মিডিয়ার লোকেরাও সেই ইমারতের প্লানিং পাশ করা আছে কি নেই, থাকলে কে তা পাশ করেছে , কেন করেছে, পরিদর্শন করা হয়েছে কিনা তা নিয়ে পি.এইচ.ডি থিসিস রচনায় বসে যান।
আমাকে কেউ কি বলবেন – রাজউকের পাশ করা প্লানিং দেখে আগুন লাগা কি বন্ধ হয় নাকি প্লান অনুমোদিত না হলে সেখানেই শুধু আগুন লাফিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে ?

আগুন যে রাজউক এর প্লানিং আর বিল্ডিং কোড দেখে লাগেনা একথা সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোকে বোঝাবেন কে? বহুতল ইমারতের কমপ্লায়েন্স এর খুটিনাটি - ইলেক্ট্রিক ফ্যাসিলিটিজ সমূহের সুচারু নিরাপত্তা, ফায়ার সিকিউরিটির হাল নাগাদ সক্ষমতা, দাহ্য পদার্থের পরিমান, পর্যাপ্ত পানি (ষ্প্রিঙ্কলার) ও বালুর ব্যবস্থা, ইমার্জেন্সি এস্কেপওয়ের রক্ষাবেক্ষন, লিফট-সিড়ি সহ মূল ‌ইমারত থেকে বেরুনোর প্রশস্ত নির্গমনপথের (যেখানে অধিকাংশ ফ্লোরেই কোলাপসিবল গেট তালা মারা থাকে) সার্বক্ষনিক উন্মুক্ততা আছে কি নেই এই গুলো নিয়ে কাউকে কথা বলতে শুনিনা। আগুন লাগার হাযারো কারন থাকতে পারে কিন্তু সে আগুনের হাত থেকে বাঁচার একটি রাস্তাও থাকবেনা , একটি উপায়ও রাখা হবেনা তা আমি কিছুতেই বুঝতে পারিনা। মিডিয়ার লোকজনদেরও তেমন করে বলতে শুনিনি, “দূর্ঘটনার জন্যে দায়ী সেবা প্রদানকারী সংস্থা ও সংশ্লিষ্টদের অবিলম্বে দোষী সাবস্ত্য করে শাস্তির আওতায় আনা হবে কিনা” এমন প্রশ্ন করতে। তারা কখনও জানতে চেয়েছেন কিনা, বিল্ডিং কোডে জানমালের নিরাপত্তার জন্যে রাজউক কি কি বিধান সংযুক্ত করেছেন এবং তা মেনে চলার গ্যারান্টি ক্লজ কিছু আছে কিনা সেখানে। ফিজিক্যাল ইন্সপেকশান তো পরের কথা।
এরকম ঘটনা ঘটার পরপরই এর দোষ ওর ঘাড়ে চাপানোর সংস্কৃতিতে যেটা বলে পার পাওয়া যায় তা হলো- “রাজউকের বিল্ডিং কোড মেনে ইমারতটি বানানো হয়নি” এই এস্কেপগোট বাক্যটির আকছার ব্যবহার। যাতে সাধারন পাবলিক দায়িত্বশীল কর্তৃপক্ষের দোষ না খুঁজে ইমারতের মালিকের দোষটাই বড় করে দেখেন। এতেই আসল অপরাধীরা ফাঁকতালে বেরিয়ে যেতে পারে নির্বিধায় এবং যায়ও।
আমাকে কেউ বলবেন কি, বনানীর কামাল আতাতুর্ক রোডের প্রায় বিল্ডিংয়েরই হয় প্রবেশ পথ কোলাপসিবল গেট দিয়ে বন্ধ, নয় পেছনের গেট বন্ধ থাকে, কেন? প্রবেশ বা বেরুনোর গেট যদি বন্ধই থাকে তবে উর্দিপড়া সিকিউরিটির লোক রেখে লাভ কি ? এ তো জেনে-শুনে-বুঝে একটি মৃত্যু ফাঁদ তৈরী করে রাখা যেখানে বিল্ডিংগুলো পুরনো ঢাকার মতো গায়ে গায়ে লাগানো! ‌
বৈদ্যুতিক আর অন্যান্য সার্ভিস সংযোগ গুলো যে কি ভয়ঙ্কর ভাবে জট লাগানো তা মনে হয় কাউকে বুঝিয়ে বলতে হবেনা। বনানী কেন সারা দেশেই এই একই অবস্থা।

গুলশানের চিত্র এমন। প্রতিমূহুর্তে বিপদের ঝুঁকি..................

এই যে গুলশান কাঁচা বাজারে আগুন লাগার পরপরই কেউ বললেন – যে কোনও মূল্যে মার্কটটি ভেঙে শপিংমল বানাতে হবে। শপিংমল বানালেই জিন্দেগীতে আর আগুন লাগবেনা ওখানে, এই রকম থিসিস আমি আসলেই বুঝিনি। কেউ আমাকে বুঝিয়ে বলবেন ?
তৎক্ষনাৎ প্রতিক্রিয়ায় খোদ পূর্তমন্ত্রী সহ উত্তরের মেয়রও জোর দিলেন, বিল্ডিং কোড না মানার কারনে বিল্ডিংয়ের মালিকের (তাও আবার অবৈধ অংশটুকুর সম্ভবত) কঠিন থেকে কঠিন শাস্তির বিধান নিশ্চিত করবেন। অবশ্য পরে পূর্তমন্ত্রী বলেছেন , এমন দূর্ঘটনার জন্যে মালিক, ডেভেলপার এমনকি রাজউক এর কর্মকর্তা কর্মচারীদেরও আইনের আওতায় নিয়ে আসবেন।
আরো ভালো হতো যদি উনি বলতেন, যে কোনও দূর্ঘটনার সব কারন চিহ্ণিত করে তা দূর করার ব্যবস্থা করবেন।
আমি বুঝিনা, যে কোনও স্থানে আগুন লাগার অনুঘটকগুলোকে দুর করা ও সাথে সাথে দূর্যোগ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার কথা উপর মহলের কেউ বলেন না কেন ? ব্যক্তিকে শাস্তি দিয়ে কি হবে, ঘাতক বিষয়গুলোকে যথা সম্ভব দূরীভূত করার প্রচেষ্টা কেন নেই ?

মহাখালির চিত্র। আগুন লাগবেনা কেন ?

একই কথা সড়ক দূর্ঘটনার বেলাতেও। সবাই ঝাঁপিয়ে পড়ে দেখতে চান যে, গাড়ীটির ফিটনেস আছে কি নেই। ভাবখানা এই যে, ফিটনেস থাকলে আর এক্সিডেন্টই হতোনা। ফিটনেস সার্টিফিকেট না থাকলেই এক্সিডেন্ট হবে। আমাকে কেউ একটু বুঝিয়ে বলবেন কি, দেশের এক তৃতীয়াংশ পাবলিক ট্রান্সপোর্টেরই যেখানে ফিটনেস সার্টিফিকেট তো ভালো কোনও কাগজই নেই সেখানে এই থিয়রী মোতাবেক প্রতি মিনিটে সড়কে তো কয়েক হাযার এক্সিডেন্ট হবার কথা, তা হয়না কেন ?

এদের থামানোর কি কেউ নেই ???????

মিডিয়া পর্যন্ত এই পার্মানেন্ট ধারনার বাইরে যেতে পারেনা। ড্রাইভার- হেলপারের লাইসেন্সও খোঁজে সবাই। দূর্ঘটনার আসল জিনিষগুলো প্রায়ই খুঁজে দেখেনা কেউ, সেসবের কথা জোর গলায় বলেও না কেউ। চুক্তি ভিত্তিক গাড়ী, যাত্রী তোলার প্রতিযোগীতা, ট্রাফিক আইন না জানা ও না মানা, রাস্তায় কোন ধরনের যানবাহন কি ভাবে- পথচারীরাই বা কিভাবে পথ চলবে সে সম্পর্কে কারোই ধারনা না থাকা-

এই হলো পাবলিক ...............

যত্রতত্র পথচারী পারাপার, যেখানে সেখানে থামিয়ে বাস-ট্যাক্সিতে যাত্রী তোলা, চলাচলের রাস্তার অপ্রতুলতা, ফুটপাতের অব্যবস্থা ও দখল ইত্যাকার বিষয়গুলো জেনেও সমাধানের পথে হাটেন না কেন কেউ? কেন সড়কে নিরাপত্তার আইনগুলো কঠোর ভাবে পালিত হবেনা এটা জানতে চেয়ে কোনও দায়িত্বশীল পক্ষ অনশন করেন না কেন ?

সবাই একটি সার্টিফিকেট এর দোহাই পাড়েন , কেন ?
আমি বুঝিনা ....... কিছুই বুঝিনা...............................

ছবিসূত্র : নেট থেকে । ছবির যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞ।

[ প্রিয় পাঠক ব্লগার! ব্লগের লেখা নিয়ে আমি একটি ছোট্ট ঘর বানিয়েছি যে ঘরের দেয়ালে সামু ব্লগে আমার লেখাগুলোর কিছু কিছু লটকে দিয়েছি। ভাবছি সামুর মানসম্মত সেরা লেখাগুলোকেও (লেখকের নাম ও সামুতে প্রকাশের তারিখ সহ) সময় পেলে ধীরে ধীরে সেখানে লটকে দেবো এক এক করে। আপনাদের সদয় অনুমতি চাইছি আমার ঘরটিকে "মিনি সামু" হিসেবে আপনাদের সামনে অবারিত করার------- আহমেদ জী এস এর ব্লগ .......... "অতল জলের আহ্বান"]

মন্তব্য ৫৫ টি রেটিং +১৯/-০

মন্তব্য (৫৫) মন্তব্য লিখুন

১| ৩১ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৩২

হাবিব স্যার বলেছেন: কি আর বলবো, ঢাকা শহরের এই অবস্থা দেখলে মেজাজই খারাপ হয়। রাস্তাঘাটে তারের জটলা, যেখানে সেখানে গাড়ি পার্কিং, লোকাল বাসে দৌড়ে উঠা, পথচারীদের ওভার ব্রীজ ব্যবহার না করা.......... এসবই যেন আজ নিয়ম হয়ে দাঁড়িয়েছে

৩১ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৪৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: হাবিব স্যার,



ধন্যবাদ প্রথম মন্তব্যটির জন্যে।

আমি হঠাৎ হঠাৎ হৃদয় বিদারক দূর্ঘটনাগুলোর কারনগুলোর দিকে আঙুল তুলতে চেয়েছি। সীমিত জ্ঞানে যা বুঝি তা-ই বলতে চেয়েছি। ডিজাষ্টার নিয়ে যারা কাজ করেন তারা হয়তো আরো ভালো করে বলতে পারতেন। বলেনও হয়তো অন্যত্র কিন্তু এই ব্লগে তেমন করে বলতে শুনিনি। বা বলেছেন, তা হয়তো আমার চোখ এড়িয়ে গেছে।

আপনার মন্তব্যের ঐ বেনিয়মগুলোকেই ভাঙতে বলেছি।

২| ৩১ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৪৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: খুবই দারুন একটা পোস্ট। আসলেইতো আগুন না লাগাটাই আশ্চর্য্যের ঘটনা এই নগরীতে। যে অবস্থা সৃষ্টি করে রাখা হয়েছে তাতে আগুন লাগাটাই বরং স্বাভাবিক ঘটনা।সচেতনতা সৃষ্টির জন্য আপনার পোস্টটিকে স্টিকি করার কথা বিবেচনা করতে পারে ব্লগ কতৃপক্ষ।

একটা ছবি ভাইরাল হয়েছে ফেসবুকে। মন্ত্রীর ব্রিফিং এ মন্ত্রীর পেছনে বসে রাজউকের দুই কর্মকর্তা ঘুমাচ্ছে !!!! এদের লাথি মেরে ঘুম ভাঙ্গানোর সময় হয়েছে।

৩১ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:০৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: ঢাবিয়ান,



বারে বারে অযাচিত ভাবে অসংখ্য নিরিহ মানুষ মারা যাবে আর যারা যারা এই সব গাফিলতির জন্যে দায়ী তারা একে অপরের ঘাড়ে দোষ চাপিয়ে নাক ডেকে ঘুমাবে, এটা ভাবতেই মাথা-মেজাজ ঠিক রাখতে পারিনি। মনে হচ্ছিলো যেন সবকিছু ভেঙে গুড়িয়ে দেয়ার শক্তি যদি থাকতো দু'হাতের মুঠিতে ! মুঠির সে জোর নেই যে এইসব অকর্মাদের কিছু করি। তা-ই এই লেখা।

ভালো লাগলো মন্তব্যের আন্তরিকতাটুকু।

৩| ৩১ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ৯:৫৩

রাজীব নুর বলেছেন: আমাদের দেশের মানুষ আইন কানুন মানে না।
এই কারনের সমস্যা বেশী হয়। যতদিন মানুষ আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হবে না ততদিন দূর্ঘটনা ঘটতেই থাকবে।

৩১ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:৩৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: রাজীব নুর,



"আমাদের দেশের মানুষ আইন কানুন মানে না।"
আইন কানুন যাতে মানে তার জন্যে যাদের করার কথা তারা কে কি করেছে আমি বুঝতে পারিনা............

৪| ৩১ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:৩০

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: শ্রদ্ধেয় জী এস ভাই,

খুব ভালো একটি পোস্ট দিয়েছেন। লেখার সঙ্গে ছবিগুলি অত্যন্ত পরিপূরক। মহাকালী বাজারের ছবিটি দেখে শিউরে উঠলাম। সঙ্গে রানিং বাসে যাত্রী তোলাটাও ততটাই ভয়ানক। এরপরেও দুর্ঘটনা দায় খুঁজতে যাওয়াটা বোধহয় নিরর্থক। আইনকানুন নিশ্চয়ই দরকার কিন্তু সেই সঙ্গে দরকার জনসচেতনতা। আমাদের চেতনার প্রসার ঘটুক। সঙ্গে প্রশাসনিক সক্রিয়তা জরুরী।

বিনম্র শ্রদ্ধা ও শুভকামনা জানবেন।

৩১ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:৫৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: পদাতিক চৌধুরি,



"আমাদের চেতনার প্রসার ঘটুক। সঙ্গে প্রশাসনিক সক্রিয়তা জরুরী।"
এটাই বোঝাতে চেয়েছি লেখায় কারন বারেবারে এমন হৃদয় ভেঙে দেয়া ঘটনাগুলো ঘটুক তা চাইনে। চায়না কেউ-ই।

হোলির বিলম্বিত শুভেচ্ছা।
ভালো থাকুন।

৫| ৩১ শে মার্চ, ২০১৯ রাত ১০:৫১

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
কলাপসিবল গেইট একটা বাজে পদ্ধতি।
ধোঁয়া-আগুনের সময় চাবি খুজে পাওয়া যায় না।

০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:১২

আহমেদ জী এস বলেছেন: হাসান কালবৈশাখী,



হ্যাঁ..। খুব বাজে একটা পদ্ধতি যদি তা তালা মেরে আটকানোই থাকে।
যেমনটা ছিলো বনানীর টাওয়ারটির ছাদে যাবার গেটে।

৬| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১:২৫

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ঢাকা শহরে যতবার গেছি কোন না কোন ঘটনার সাক্ষী হয়েছি। গত বইমেলায় বেশ কয়েকদিন ঢাকায় ছিলাম বলে অভিজ্ঞতার পাল্লা কিছুটা ভারী হয়েছে। সবচেয়ে অবাক হয়েছি রিক্সাওয়ালাদের ড্যাম কেয়ার প্যাডেলিং দেখে। এরা বাস, কার, ট্রাক, ট্রেন কাউকেই পাত্তা দেয় না। কাউকে সাইড দেয় না!! এটা আমাকে অবাক করেছে। এমনকি কোন সিগনালে, চৌরাস্তায়ও বড় গাড়িকে ওভারটেক করতে চায়। একদিন তো একটি বাস প্রায় আমাকে রিক্সায় চাঁপা দিতে গিয়েছিল!! ভাগ্য ভাল, বাসের ব্রেক ছিল! সম্ভবত গাড়িটি হেল্পার নয় ড্রাইভার নিজেই চালাচ্ছিল। না হলে ঐদিনই ইহলোক ত্যাগ করতে হতো।

একটি শহর কতটুকু অপরিকল্পিত হলে তা পৃথিবীর সবচেয়ে বসবাস অযোগ্য শহরের খেতাব পায় তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এদেশে সরকার আসে সরকার যায়। সুযোগ মতো সুবিধাভোগীরা পকেট ভরে। পকেট ভরে উপচে পড়লে বিদেশে পাচার করে। পরবাসী হয় পরিবার নিয়ে। দেশ নিয়ে ভাবার, পরিকল্পনা করার ধৈর্য আর দায়বদ্ধতা তাদের নেই।

এত কিছুর পরও ঢাকায় মানুষ বসবাস করছে! প্রতিদিন আগুন লাগছে না! প্রতিদিন ১ হাজার মানুষ এক্সিডেন্টে মরছে না! এটাই তো বিরাট গর্বের। ভাল থাকুন রাজধানীবাসি। ভাল থাকুন প্রিয় গুরু আহমদ জী এস স্যার।

০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৩১

আহমেদ জী এস বলেছেন: কাওসার চৌধুরী,




অনেকদিন পরে আপনাকে দেখে ভালো লাগলো।

যথার্থ বলেছেন - এদেশে সরকার আসে সরকার যায়। সুযোগ মতো সুবিধাভোগীরা পকেট ভরে। পকেট ভরে উপচে পড়লে বিদেশে পাচার করে। পরবাসী হয় পরিবার নিয়ে। দেশ নিয়ে ভাবার, পরিকল্পনা করার ধৈর্য আর দায়বদ্ধতা তাদের নেই।

সমগ্র পরিবেশটা যে কি ঝুঁকির উপরে বসিয়ে রেখেছে আমাদের তাতে প্রতি ঘন্টায় এরকম খানকয়েক অঘটন ঘটার কথা। আপনার কথামতো তা ঘটছেনা।
সম্ভবত এই অশিক্ষিত, গরীব মানুষগুলির প্রতি এটা সৃষ্টিকর্তার অন্য রকমের অনুগ্রহ। ভালো থাকুক সবাই।

৭| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ ভোর ৬:১৪

বলেছেন: একটা ভালো বিষয় নিয়ে লিখেছেন - এই লেখাটা রাজউক, সিটি মেয়র ও রাজধানী উন্নয়ন কতৃপক্ষের কাছে একটা অনুলিপি পৌঁছে দেয়া দরকার তাতে যদি কিছুটা কাজ হয়।


হ্যাটস অফ, আ.জি.এস ভাই

০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৫৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: ল,



অসংখ্য ধন্যবাদ লেখাটির বিষয়গুলোর প্রতি আপনার সমর্থনের জন্যে।
শুভেচ্ছান্তে ।

৮| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:০৩

নতুন নকিব বলেছেন:



ভালোলাগার মতো সুন্দর একটি পোস্ট। দারুণ লিখেছেন। ঠিক যেন মনের কথাগুলো সব বলে দিয়েছেন। প্রতিবাদের ভাষায়। বিমূর্ত কাব্যিকতায়।

আচ্ছা, ঢাকা কি কোনোদিন বসবাসের উপযোগী হবে? পরিকল্পিত নগরের রূপ দেয়াা সম্ভব এই মেগাসিটিকে?

পোস্টে +++

০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:১৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: নতুন নকিব,



মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদটি প্রথমেই জানিয়ে রাখি।

দেশটাকে ভালোবাসেন বলেই খুব গভীর আশা নিয়ে জানতে চেয়েছেন - ঢাকা কি কোনোদিন বসবাসের উপযোগী হবে? পরিকল্পিত নগরের রূপ দেয়াা সম্ভব এই মেগাসিটিকে?
আপনাকে আশাহত করে বলতেই হচ্ছে - না..কোনওদিনও না! জবাই করা কোনও প্রানীকে বাঁচানোর সাধ্য যেমন কারো নেই তেমনি লোভ আর উদ্ভট মস্তিষ্কের চাকুতে জবাই হওয়া "ঢাকা"কেও বাঁচানোর সাধ্য কারো নেই...............

৯| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:৩৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: জী এস ভাই, সব অংক জলের মতোই পরিস্কার। সুতরাং বোঝাবুঝির কিছু নাই। যাদের বোঝা দরকার, তারা ঠিকই বোঝে; না বুঝলে এসব থেকে টু পাইস কামাবে কিভাবে? পাবলিকরে আবজাব বলে ডাইভার্ট করা আরকি!! সব ঠিক করে ফেললে তো ইনকাম বন্ধ! আপনার তো জানার কথা, সব অবৈধ আয়ের ভাগ, উপর থেকে নীচ পর্যন্ত সবাই পায়।

এসব সমস্যার সমাধান তখনই সম্ভব, যখন এই সিস্টেমটাকেই বদলে দেয়া যাবে। এটা এমনি এমনি হবে না। এটার জন্য একটা সত্যিকারের গণ-আন্দোলন দরকার।

আপনেই না হয় এর নেতৃত্ব দেন.......আমরা স্লোগান দিমুনে...... ;)

০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৫৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: ভুয়া মফিজ,



খুব আশাবাদী হয়ে আপনারা শুধু বলেই যান - "সব সমস্যার সমাধান তখনই সম্ভব, যখন এই সিস্টেমটাকেই বদলে দেয়া যাবে।"
এই সিষ্টেমটাকে কি করে বদলাবেন? এই সিষ্টেমের সব নাট-বল্টুই তো দু-নম্বরী আর ঝরঝরে।
সত্যিকারের গণ-আন্দোলন করে ? সেই জনগণ কি আর আছে? "সত্যিকার"টাই বা পাবেন কই আর "গণ" তো টোটালি গণকেস।

১০| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:৪৪

জাহিদ অনিক বলেছেন: পোষ্ট পড়ে বলার মত কিছুই খুঁজে পেলাম না, কি বলব ! কাকে বলব? আগুন একটার পর একটা লেগেই যাচ্ছে, দুর্ঘটনা প্রতিদিন হয়ে যাচ্ছে--- মানবসৃষ্ট দুর্যোগের পাশাপাশি প্রকৃতিও যেন ছেড়ে কথা বলছে না।
তাই ঘুরে এলাম আপনার অতল জলের আহ্বানে।

০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৩৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: জাহিদ অনিক,




"অতল জলের আহ্বানে" গিয়েছেন, ভালো কিন্তু লেখাটির প্রতিপাদ্যের কথা কাকে বলব? একথা ভেবে ভেবে অতল জলে তলিয়ে যাবেন না যেন!
ধন্যবাদ মন্তব্যের ঘরে।

১১| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:২০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: বুঝি না বুঝিনা
কেন বুঝিনা জানিনা!

যাতনারা নিত্য কুড়ে খায়! কত সহজ থেকে সহজতর সমাধান আছে। অথচ এত সব জঞ্জালের মাঝ্ওে আমরা উন্নয়নের মহাসড়কে!
কখনো সিঙ্গাপুরকেও পিছনে ফেলে দেই।!!!

এসব বাগাড়ম্বরের বদলে প্রকৃত সমাধানের আন্তরিকতা থাকলে কত পথই না আছে।
আর তারা যদি নাই পারে- আমজনতার কাছে উন্মুক্ত প্রস্তাব আহবান করুক।

সেরা পাচটি থেকে বেছে নিক দীর্ঘ
মেয়াদী প্রকৃত উন্নয়ন আর মুক্তির পথ। মানুষের বেঁচে থাকার মতো নূন্যতম যোগ্যতা অর্জন করুক রাজধানী!

কে বোঝাবে কারে???

তাইতো সেই কথা - আমি বুঝিনা কিছুতেই বুঝিনা!!!!!!!!!!!!!!!!!

০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৫৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু,



এসব বাগাড়ম্বরের বদলে প্রকৃত সমাধানের আন্তরিকতা থাকলে কত পথই না আছে।
আর তারা যদি নাই পারে- আমজনতার কাছে উন্মুক্ত প্রস্তাব আহবান করুক। সেরা পাচটি থেকে বেছে নিক দীর্ঘ

এইটা খুব ভালো বলেছেন।
কিন্তু সমস্যা হলো, আন্তরিক হলে যে রুজি রোজগার বন্ধ হয়ে যাবে, সর্দি হলে ডাক্তার দেখাতে সিংগাপুর যাওয়া হয়ে উঠবেনা...........

কাকস্যঃ পরিবেদনা!

১২| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:১২

আখেনাটেন বলেছেন: বাস্তবতা হচ্ছে এই সকল ম্যান-মেইড দুর্যোগ কমাতে একটাই চাবিকাঠি তা হচ্ছে 'সুশাসন'। এই সুশাসন যদি কুশাসনে রূপান্তর হয় তাহলে আমাদের মতো আমপাবলিক দশকের পর দশক ধরে হাপিত্যেশ করেই যাব। দাদা করেছে হাপিত্যেশ। দাদার ব্যাটা করেছে। দাদার ব্যাটার ব্যাটা করছে। ব্যাটার ব্যাটাও সেটাই করবে। আপসোসের কোনো দিনক্ষণ নেই।

আমি আগেও বলেছি এখনও বলছি এর জন্য দরকার একজন নীতিবান রাষ্ট্রনায়ক। কিন্তু দুর্ভাগ্য স্বাধীনতার অর্ধ-শতাব্দী হলেও আমরা এর দেখা পেলাম না।

০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:৪৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: আখেনাটেন,



নীতিবান রাষ্ট্রনায়ক ?
ভালোই বলেছেন। রাজনীতিতে 'নীতি' থাকেনা, থাকে "রাজ করা"; অন্তত এদেশে। তাই স্বাধীনতার অর্ধ-শতাব্দী হলেও এর দেখা পাননি, আগামী শতাব্দীতেও তার দেখা পাবেন বলে মনে হয়না।
আমরা গোবেচারা পাবলিক, আশায় আশায় দিন কাটাই কবে এক রাজপুত্তুর এসে সোনার জিয়ন কাঠি ছুঁইয়ে দেবে কপালে!

১৩| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ২:১৬

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
এসব ব্যাপার বুঝতে গেলে আমাদের মাথা নষ্ট হয়ে যাবে
তবু কষ্ট করে কেউ পাল্টাবেনা।

+++++++

০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১২:০০

আহমেদ জী এস বলেছেন: মোঃ মাইদুল সরকার,




স্বভাব যায় না ম'লে! কেই বা আর পাল্টাতে চায় নিজেকে?

মন্তব্যে প্লাস দেয়ার জন্য কৃতজ্ঞ।

১৪| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২০

পুলক ঢালী বলেছেন: সুন্দর পোষ্ট জী,এস ভাই। বলার কিছু নেই। অগ্নিকান্ড একটা দুর্ঘটনা এটা ঘটবেই, অঙ্কুরে বিনষ্ট করতে না পারলে এটাই ইনফার্নো হয়ে যায়, তাই শুরুতেই নেভানো কেন যায়না এটা একটা প্রশ্ন এবং বেড়ে গেলে নিরাপদ এস্কেপ আছে কিনা এটা ২য় প্রশ্ন। এগুলোর উত্তর খুজতে গিয়ে অসংখ্য প্রশ্ন চলে আসছে। আমরা একদম সচেতন নই, কেন নই ? জীবনাচরন শেখার শুরুতেই ঘাটতি রয়ে গেছে।

প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরন থেকে জানতে পেরেছি এফ,আর টাওয়ারের এসির আউটডোর ইউনিটে প্রথমে আগুন লাগে আধাঘন্টা ধরে জ্বলার পর রেডিয়েটর বার্ষ্ট করে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তাহলে আগুন লাগার সম্ভাব্য কারন কি হতে পারে ? কারেন্টের তার পুরনো হয়ে গেছে অথবা ২০ এম্পিয়ারের জায়গায় ১০ এম্পিয়ারের তার লাগানো ছিল যা গরম হয়ে গলে গিয়ে সর্ট হয়ে যায়। আধাঘন্টার মধ্যে নিভানো গেলনা কেন ? বাহিরে কারো নজর ছিলোনা ফায়ার সার্ভিস খবর পেয়ে রাস্তার জ্যামে আসতে দেরী করেছে। ছাদের দরজা বন্ধ থাকায় ধোঁয়া বেরোতে পারেনি তাই দম বন্ধ হয়ে অনেকে মারা গেছে । গায়ে গায়ে লাগানো বিল্ডিং । এক ছাদ থেকে সহজেই মানুষ পাশের ছাদে চলে যেতে পারতো। এগুলোর কোন জবাব নেই । হেলিকপ্টার থেকে ট্রুপ নামিয়ে ছাদের দরজা ভাঙ্গা যেতো কিনা এরকম অনেক প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। আমরা ভুলোমন জাতি অতীতের ঘটনা থেকে শিক্ষা না নিয়ে ভুলে গিয়ে তৃপ্তি পাই অথবা আমাদের মস্তিষ্ক অশান্তির লজিককে অস্বীকৃতি জানিয়ে আমাদের শান্তনা দেয় আমরা আবার গতানুগতিক সুখী জীবনে ফিরে যাই আরেকটা দুর্ঘটনা প্রত্যক্ষ করার জন্য।
ভাল থাকুন।

০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫১

আহমেদ জী এস বলেছেন: পুলক ঢালী,




এই প্রতিবন্ধকতার মাঝেও আপনাকে দেখে মনে হলো আসলেই আমরা একটা অদৃশ্য সুতোয় বাঁধা পড়ে আছি সামুর কাছে।

নরক মাথায় নেমে আসার আগে ও পরে কেন কিছু করার নেই, এ প্রশ্নের উত্তর নেই। প্রত্যক্ষদর্শীর বিবরন থেকে আপনি যা তুলে এনেছেন হয়তো তার ভেতরেই উত্তরটা খুঁজে পাওয়া যেতে পারে, সাথে সাথে আসতে পারে আরো হাযার প্রশ্ন। তার উত্তরে কারা কারা কি বলবেন আমি বুঝবোনা...............

১৫| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫৮

জুন বলেছেন: আমিও বুঝিনা আহমেদ জী এস কিছুতেই বুঝিনা আপনার না বোঝা ব্যাপারগুলো। উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে কথাটা আমাদের জন্য শতভাগ প্রযোজ্য।যেমন একজনের বদলে আরেকজন (জাহালম) জেল খাটে।
আপনি যা বলেছেন এর উপর আর কিছু বলার নেই। এখানে ভুয়া মফিজ সহ বাকী ব্লগারদের মন্তব্য প্রনিধান যোগ।
+ আগেই দেয়া।

০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:১৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: জুন,



আমিও বুঝে উঠতে পারছিনে আপনার এ মন্তব্যের জবাবই বা আমি কি দেবো!
যে ব্যাপারগুলো আমিই বুঝিনে সে ব্যাপারগুলো আপনিই বা কি করে বুঝবেন, তাও বুঝিনে। :(
এই বোঝাবুঝির ব্যাপারগুলো তাদের জন্যেই তোলা থাক যাদের বোঝার কথা!

১৬| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৪

করুণাধারা বলেছেন: সবাই একটি সার্টিফিকেট এর দোহাই পাড়েন , কেন ?
আমি বুঝিনা ....... কিছুই বুঝিনা......


সার্টিফিকেট যদি থাকে, তাহলে অন্য কারো উপরে দোষ চাপানো যায়, সেজন্যই। ধরেন গাড়ি ব্রেক ফেল করে পাঁচজনকে চাপা দিল, কিন্তু গাড়ির ফিটনেস সার্টিফিকেট আছে। তাহলে দোষ কার? নিশ্চয়ই মালিকের ক্ষতি করার জন্য কেউ এসে ব্রেক নষ্ট করে রেখে গেছে! সেই কেউ কে ধর,মালিকের কোন দোষ নেই। এইজন্যই প্রথমেই সার্টিফিকেট নামক এক খান কাগজের টুকরা আছে কিনা দেখা হয়, সেটা থাকলেই সাত খুন মাপ! সেই কাগজের টুকরাটা নিয়ম মেনে পেতে গেলে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয়, তার চাইতে অন্যরকম কিছু কাগজের টুকরা দিয়ে এই কাগজের টুকরাটা মালিকেরা নিয়ে নেন। আমরা আমজনতা সেই সার্টিফিকেট নামক সেই কাগজের খানাই খুঁজে দেখি........

অগ্নি নিরাপত্তার একটা কথা বলি। এক্ষেত্রে সার্টিফিকেট দেবার কথা এটা দেখে যে, ভবনে আগুন লাগলে ভবনের অধিবাসীরা নিরাপদে বের হতে পারবেন সেই ব্যবস্থা আছে কিনা, অগ্নি নির্বাপনের যথাযথ ব্যবস্থা আছে কিনা। ভবন নির্মাতার অনুরোধে কোনরকম ইনস্পেকশন ছাড়াই এই সার্টিফিকেট দেয়া হয়। এই ভয়ংকর ঝুঁকি তো আছেই, তার উপর আজকাল আরো একটা ভয়ংকর জিনিস ঘটছে, যেটা অনেকেই জানেন না। যেহেতু তিতাসের লাইনের গ্যাস নতুন নির্মিত ভবনগুলোতে দেয়া হচ্ছে না, তাই নির্মাতারা ব্যবস্থা করছে বিশাল বিশাল এলপিজি সিলিন্ডার গ্রাউন্ড ফ্লোরে রেখে মোটা তার দিয়ে বহুতল ভবনের বিভিন্ন তালার চুলার সাথে সংযোগ দেয়ার। গ্যাস সংযোগ আছে বলে এমন ফ্ল্যাট সহজেই বিক্রি হয়। এখনো এটা নতুন বলে হয়তো কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি, তবে ঘটবেই....... বড় আশঙ্কায় আছি.......

আপনার পোস্ট টি খুবই ভালো লাগলো। বিশেষ করে ছবিগুলো এবং তার ক্যাপশন!

আপনার মিনি সামু ঘরটিকে আমাদের জন্য অবারিত করার অনুমতি চাইছেন? অনুমতি দিয়ে ধন্য হলাম! তবে একটা কথা বলি ভয়ে ভয়ে, সবুজ বেজের উপর সাদা লেখা চোখে লাগছে; হতে পারে এখন আমার চোখে একটু সমস্যা দেখে আমার এমন মনে হচ্ছে। আমার মনে হয়, ঘাস ফুলের ছবিগুলো সামু ব্লগে যখন দিয়েছিলেন, সাদা বেজের উপর ভালো ফুটে ছিল!! এটা অবশ‍্য আমার মনে হওয়া। এমনিতে আপনার ঘর ভালো লেগেছে।

০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:২৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: করুণাধারা,



দীর্ঘ মন্তব্যে যে বাস্তবের ছবি আঁকলেন (এবং কোনও এক পোস্টে নিজের পর্যবেক্ষনের কথা বললেন) তাতে আপনি যে খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে চারপাশের জীবনটাকে দেখেন তা বোঝা গেলো।

হুমমমমম বড়সড় দূর্ঘটনা ঘটার কতো যে উপাদান ছড়ানো এ দেশে! এই দু'দিন আগেই দেখলুম মহাখালির মতো জায়গাতে একটা ব্যস্ত গ্যাস ফিলিং ষ্টেশনের দেয়ালের ঠিক লাগোয়া জায়গাটিতে কারা যেন আগুন দিয়ে রাস্তার আবর্জনা, রোড ডিভাইডারে লাগানো গাছের কেটে রাখা বাড়তি ডালপালা পোড়াচ্ছে। এই হলো আমাদের আক্কেলজ্ঞানের নমূনা! কি বিচিত্র এ দেশ!!!!!!!!!!

আমার আহ্বানে সাড়া দিয়ে যে জলের অতলে নামলেন তাতে ভাগ্যবান মনে করছি নিজেকে। "সবুজ বেজের উপর সাদা লেখা চোখে লাগছে" , আপনার এমন মনে হওয়াটাই স্বাভাবিক লাইন স্পেস খুব একটা না থাকার কারনে। স্পেসটা বড় হলে মনে হয় তেমন একটা লাগতোনা চোখে। আপনার বলার পরে চেষ্টা করেও কিছুতেই লাইন স্পেস বাড়াতে পারিনি। অবশ্য সাদা জমিনে কালো অক্ষর সব সময়েই সুন্দর। কিন্তু ঐ গতানুগতিকতায় না গিয়ে একটু অন্যরকম করতে চেয়েছি। আর আমি তো জলের অতলে আসার আহ্বান জানিয়েছি তাই জলের নীলাভ সবুজ রংয়েই তা খুঁজতে চেয়েছি! তবুও আপনার কথা মনে রেখে যাতে কারো চোখে না লাগে সে চেষ্টা অব্যাহত থাকবে।
আর অনুমতির জন্যে কৃতজ্ঞতা জানাচ্ছি। শুভেচ্ছান্তে ।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:৩১

আহমেদ জী এস বলেছেন: করুণাধারা,



আপনার কথামতো বেশ চেষ্টা করে অনেকটা চক্ষু সহনীয় করে এনেছি আমার ব্লগপোস্ট। এবার হয়তো আপনার জন্যে পীড়া দায়ক হবেনা। অনুগ্রহ করে ঘুরে আসার আমন্ত্রন রইলো।

শুভেচ্ছান্তে।

১৭| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৬

ওমেরা বলেছেন: কিছু বুঝতে হলে মনে হয় রাজনীতি করতে হবে ভাইয়া। দেশে সড়ক দূর্ঘটনা আর আগুন দূর্ঘটনা বেড়েই চলেছে এগুলো থেকে মুক্তি পেতে হলে দেশের মানুষের মেন্টালিটি থেকে শুরু করে ঢাকা উচ্চ উচ্চ বিল্ডিং ,রাস্তাঘাট নতুন তৈরী করতে হবে ।অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।




০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৫১

আহমেদ জী এস বলেছেন: ওমেরা,



দেশের মানুষের মেন্টালিটি তো আর ঘরবাড়ী নয় যে নতুন করে রং লাগানো যাবে। এটা পার্মান‍্যান্ট কালার।
(অপ)রাজনীতি করে বলেই তো বোঝার জিনিষটা কেউ বুঝতে চায়না।

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে।

১৮| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:২৯

জুন বলেছেন: আরেকটা কথা বলতে ভুলে গেছি আহমেদ জী এস তা হলো এসব বুঝতে হলে অনেক ব্রেন্ট (ব্রেন) থাকতে হবে যা আমার আপনার কারো মাথাতেই নেই

০২ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৩৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: জুন,



আপনার মাথায় যে "ব্রেন্ট" নেই তা তো বোঝা-ই গেলো সামান্য একটা কথা বলতে ভুলে যাওয়াতে। ;)
আর যে বিষয়গুলো আমার "ব্রেন্ট" দিয়েই বুঝতে পারিনি তা আপনি বুঝবেন কি করে ? B:-) হা...হা..



১৯| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:২৯

এক নিরুদ্দেশ পথিক বলেছেন: এক অদ্ভুত সমাজ আমাদের, এক অদ্ভুত মানব সমাজ।
সব বুঝে, তারপরেও সর্বত্রই নির্বোধ সব সম্পদ ও মানব সম্পদ ব্যবস্থাপনা!

একদিকে ভীতি জাগানিয়া, অন্যদিকে গ্লানিকর হীনমান্যতা ও হতাশার!
আমরা এমন কেন?

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:০০

আহমেদ জী এস বলেছেন: এক নিরুদ্দেশ পথিক,




আমরা এমন কেন?
আমি বুঝিনা , কিছুতেই বুঝিনা আমরা এমন কেন! হয়তো বোধ-বুদ্ধি- মনে-মগজে-মননে-মনীষায় আমরা হত দরিদ্র বলেই এমন নির্বোধ।

২০| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:০০

নজসু বলেছেন:



বনানীতে যারা পুড়ে মারা গেলেন মারা যাবার পূর্বাবস্থায় তখন না জানি তাদের মনের অবস্থা কেমন হয়েছিলো।
যখনই ভাবি, তখনই কেমন যেন লাগে।

পোষ্টের ছবিগুলো দেখে মনে হচ্ছে, এই দায়ভার আমাদের।
আমরা ইচ্ছে করেই নিজেদেরকে কষ্ট দিয়ে মেরে ফেলছি।
আমাদের মৃত্যুর জন্য আমরাই দায়ী।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:১৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: নজসু,




আমাদের সকল অসহায়, অনাকাঙ্খিত মৃত্যুর জন্য আমরাই দায়ী। আমাদের সকল অযোগ্যতা- অসমর্থতা- অক্ষমতার সম্মিলিত ফল......

২১| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৫৮

নীলপরি বলেছেন: খুব ভালো লিখেছেন । প্রত্যেকটা ছবি বাস্তব । রোজ এগুলো সবাই দেখে ।তবে কেউ কিছু বলে না । কারণ কারো সময় নেই । আর এভাবেই একদিন সময় থেমে যায়!

পোষ্টের জন্য ধন্যবাদ

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৪৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: নীলপরি,



হুমমমমমমম... কেউ কিছু বলে না আর এভাবেই একদিন সময় থেমে যায় সবার জন্যে!

সুন্দর মন্তব্যে ধন্যবাদ।

২২| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:১৬

ভুয়া মফিজ বলেছেন: এই সিষ্টেমের সব নাট-বল্টুই তো দু-নম্বরী আর ঝরঝরে। সেজন্যেই তো এটাকে ভেঙ্গে ফেলা সহজ। শুধু একটু কায়দামতো ধাক্কা দিতে হবে...আর একজন সুবিধামতো নেতা দরকার। তাই তো আপনার পিছনে স্লোগান দিতে চাইলাম। :P

জোকস এপার্ট.....হতাশ হবেন না। হতাশা, ডিপ্রেশান এগুলো হার্টের জন্য ভালো না।

ও ভালো কথা, আপনার 'মিনি সামু' দেখলাম। ভালো উদ্যোগ। তবে কন্ডিশন দিয়েছেন দু'টা। মানসম্মত লেখা এবং সেরা লেখা। আমার জানামতে আমার কোন লেখাই এই দুই ক্যাটাগরীতে পরে না। তারপরও আপনার কোনোটা পছন্দ হলে লটকায়ে দিয়েন।

অনুমতি চাহিয়া লজ্জা দিবেন না। :)

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:২৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: ভুয়া মফিজ,



গন্ডোগোলটা তো ওখানেই ! কায়দামতো ধাক্কা দেয়া। কিন্তু কায়দাটা কি আর ধাক্কাটা দেবে কে ? কার এতো গায়ের জোর আছে ?
আমি হ্যালা পাতলা মানুষ, গায়ে দু'ছটাক গোসতও নেই । আমার পিছনে দাঁড়ালে তো আমাকে তুলে ধরতেই আপনাদের জান যাবে, পেছন থেকে হাত উঁচিয়ে "নাড়া" দেয়ার চান্স পাবেন কই ? :|

আপনার জানামতে আপনার কোন লেখাই যদি কোনও ক্যাটাগরীতে না পরে তবে না হয় "মফিজ" মার্কা "ভুয়া" একটা লেখাই ঝুলিয়ে দেবো আমার ঘরের দেয়ালে।

২৩| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:২৭

নীল আকাশ বলেছেন: গুরু জী এস ভাই শুভ রাত্রী,
কি নিদারুন এবং চরম বাস্তবতাই না তুলে ধরেছেন এই লেখায় আপনি!!

গনতন্ত্র থাক বা না থাক, আপনার চোখে পড়ুক না পড়ুক, দেশ তড়তড় করে এগিয়ে যাচ্ছে। আমাদের রাজনীতিবিদরা হচ্ছে সুবিধাবাদী সম্প্রদায়। যেখানে উচ্ছিষ্ট পায় তাদের পক্ষেই কথা বলাই এদের স্বভাব। সাংবাদিকরা হলো আরেক ধান্দাবাজ প্রজাতি। হলুদ সাংবাদিকতা কাকে বলে দেখার জন্য বাংলাদেশের চেয়ে ভাল উদাহরন হতে পারে না। সুতরাং যা পাবার তাই ক্রমাগত পাচ্ছে দেশের লোকজন।

এইদেশে ফায়ার ফাইটিং সিস্টেমের কোন নিয়ম বা স্ট্যান্ডার্ড আছে শুনি নি। কন্সট্রাকশন এর সময় সবচেয়ে কম দামী সব জিনিস লাগান হয় এখানে। প্রকৌশলী হবার কারনে চাকুরীজীবনে এইসব ফায়ার ফাইটিং সিস্টেমের ডিজাইন দেখার বেশ কয়েকবার সুযোগ হয়েছিল। ফায়ার ওয়াটার লাইনে যেসব পাম্প লাগান হয় সেগুলি খুবই নিন্ম মানের। বেশিরভাগ সময়ই ইমারজেনছি পানির সরবরাহ থাকে না। এত কমদামী সব স্প্রিংক্লার লাগান হয় যেগুলি অল্পকিছুদিন পরেই রাস্ট পড়ে নষ্ট হয়ে হোল বন্ধ হয়ে থাকে। সুতরাং ফলাফল কি হতে পারে নিশ্চয় বুঝে গেছেন?

ডিস লাইনের ব্যবসা করে কারা বলুন তো? সরকারী দলের ষন্ডাপান্ডার! এদের কে রুখবে কে? সারা ঢাকা নয়, সারা বাংলাদেশেরই একই অবস্থা।

কি বলব আর বলুন? যত অনিয়ম সব এখন এইদেশের নিয়ম হয়ে গেছে। ক্ষমতা অথবা টাকা থাকলে এই দেশে সব কিছু করাই সম্ভব।

গুরু, আপনার লেখাটা খুব ভাল লেগেছে। খুব মনোযোগ দিয়ে কয়েকবার পড়লাম তাই মন্তব্য করতেও দেরী হয়ে গেল।

আমার গুরুর নতুন ঘরে যদি আমার একটা লেখাও জায়গা পায় তাহলে নিজেকে খুবই কৃতার্থ মনে করব। আগের বার ভুল বুঝেছিলাম দেখে আবারও লজ্জিত হলাম।

ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১২:১০

আহমেদ জী এস বলেছেন: নীল আকাশ,



বাস্তবতাটা যে কতো ভয়ঙ্কর তা আপনি নিজের চোখেই তো দেখেছেন , নিজের অভিজ্ঞতা থেকেই বুঝেছেন।
এই সিষ্টেমটা আমাদেরই তৈরী একটা ফ্রাঙ্কেনষ্টাইন । কাঠামোগত ভাবে দেশটা তরতর করে যতোটা এগিয়ে যাচ্ছে সামনের দিকে, মন-মানসিকতায় তারও চেয়ে বশী তরতর করে এগিয়ে যাচ্ছে পেছনের দিকে।

আমাকে ভুল বোঝার কিছু নেই। চেষ্টা থাকবে, প্রায় সব নিয়মিত ব্লগারদের সেরা সেরা লেখাগুলোই আমার ঘরে সযতনে সাজিয়ে রাখার।
ভালো থাকুন আর টগবগে...............

২৪| ০১ লা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:৪৮

সুমন কর বলেছেন: দারুণ পোস্ট। আগুন লাগবে, মানুষ মরবে.....পরিবার নিংস্ব হবে !! তাতে তাদের কি ?? কমিটি হবে, সমাবেশ হবে, নিয়ম হবে, মিটিং হবে, ইটিং হবে.....সব শেষে খাম পৌছে যাবে। ব্যস...খেল খতম।

ইদানিং বাসে উঠাও বেশ ঝামালে হচ্ছে। ওরা দরজা লাগিয়ে রাখে..... X(( X( এতে অফিসে যাওয়া-আসা সমস্যা হচ্ছে। সমস্যার সমাধান না করে সাধারণ জনগণকে কষ্ট দেয়া !!

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৩৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: সুমন কর,



কমিটি হবে, সমাবেশ হবে, নিয়ম হবে, মিটিং হবে, ইটিং হবে এবং এরপরেও মানুষ মরা ফিটিং হবে..........

কোথায় যাবেন , কোনখানে? এর মাঝেই হা-হুতাশ করে করে সময় পার করতে হবে। পালানোর উপায় নেই!!!!!!!!

২৫| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:৫৫

সোহানী বলেছেন: কানাডার অগ্নি নির্বাপক সিস্টেম নিয়ে অনেকদিন থেকেই লিখবো ভাবছিলাম। কিন্তু এ বিভৎস ঘটনা একের পর এক দেখতে দেখতে ক্লান্ত। কিছুই লিখতে ইচ্ছে করে না। অনলাইনে আসলেই মৃত্যুর ছবি দেখি তাই খুব কমই অনলাইনে আসি। দেশ এখন এক মৃত্যুপুরী।

আমি দীর্ঘদিন মহাখালী গুলশান বনানী বা পুরোনো ঢাকায় কাটিয়েছি। সেখানের জীবনতো প্রতি মূহুর্তেই রিস্কি। আমরা যে বেচেঁ আছি সেটাই অনেক বড় রহস্য।

আর হাঁ, আগুন লাগবে, মানুষ মরবে পোকার মতো, তদন্ত কমিটি হবে যার কোন প্রতিবেদন কেউই দেখবে না, তারপর দোষারোপের খেলা চলবে, কিছু গ্রেফতার নাটক হবে, ফেইসবুক গ্রুপ জ্বালাময়ী পোস্ট প্রসব করবে। তারপর আবার সব আগের মতো হয়ে যাবে পরবর্তী আগুন লাগা পর্যন্ত।

কিন্তু কেন হবে না, বলতে পারেন? এক লক্ষ ছাপ্পান্ন হাজার বর্গমাইল এ দেশে দুই কোটি মানুষ বাস করার মতো সেখানে এ ঢাকা শহরেই আছে তিনকোটি লোক। কিভাবে চলবে....। বারবার বলা হচ্ছে ঢাকা থেকে লোকবল সরাও, সচিবালয় সরাও, স্কুল সরাও কলেজ সরাও, গার্মেন্টস সরাও..........। কে শুনে কার কথা। কারন মরেতো আমি আপনি তাই কার কি..।

মনটাই খারাপ হয়ে গেল। ভালো থাকেন সবসময়ই।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:১২

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোহানী,



"আগুন লাগবে, মানুষ মরবে পোকার মতো, তদন্ত কমিটি হবে যার কোন প্রতিবেদন কেউই দেখবে না, তারপর দোষারোপের খেলা চলবে, কিছু গ্রেফতার নাটক হবে, ফেইসবুক গ্রুপ জ্বালাময়ী পোস্ট প্রসব করবে। তারপর আবার সব আগের মতো হয়ে যাবে পরবর্তী আগুন লাগা পর্যন্ত।"
একদম ঠিক বলেছেন। এই একই নাটক বারবারে মঞ্চস্থ হবে।

আপনার সাথে একমত যে, ঢাকাকে এবং ঢাকাবাসীকে বাঁচাতে হলে সকল মন্ত্রনালয় এবং সংশ্লিষ্ট সব অফিস-আদালতকে " বিকেন্দ্রীকরণ" করা ছাড়া কোনও উপায় নেই। এরশাদ সাহেব একবার চেষ্টা করেছিলেন কিন্তু ব্যুরোক্রাটদের ফ্যাকড়া তোলা আর কূটচালে তা হালে পানি পায়নি। এখনও এবং কখনও পাবেনা। কারন তারই রাষ্ট্রের আসল চালিকা শক্তি। তারা যা বোঝাবে মন্ত্রীদেরকে মন্ত্রীমহোদয়েরা তা-ই বুঝবে। কারন, তাদের চটিয়ে গদি ঠিক রাখা যাবেনা।

ভালো থাকুন আপনিও।

২৬| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:৪৭

মলাসইলমুইনা বলেছেন: আহমেদ জি এস ভাই,
দেশ নিয়ে সব সময় খুব আশাবাদী থাকতে ইচ্ছে করে । কিন্তু আপনি যে আমার অপথেলোমোজিস্ট ডক্টর ফোর্ডের মতো দেশে নিয়ে আমার দৃষ্টি শক্তি আরো বাড়িয়ে দিলেন তাতেতো আশাবাদী হবার দৃষিটটাই এখন বুঝি অন্ধ হয়ে যাবার জোগাড় ! এই জীবন যে রক্ষার সাধারণ প্রয়োজনীয় কাজগুলোও করা হয় না (আগুন লাগার পরেও ইমার্জেন্সি এক্সিটগুলো তালাবদ্ধ) এগুলো কি সংশ্লিষ্টদের অযোগ্যতা, অদক্ষতা, নির্বুদ্ধিতা, না দায়িত্বের ব্যাপারে অসীম উদাসীনতা ঠিক বুঝে উঠতে পারি না । এই অবিশ্বাস্য অব্যবস্থার মধ্যে যে দেশটা চলছে কেমন করে সেটাই ভাবি । আপনার প্রতি আমার আস্থা শতভাগ ।তবুও একবার বলুন উপর থেকে দ্বিতীয় আর তৃতীয় ফটো দুটো ফটোশপ করা ! এই একবিংশ শতাব্দীতে মধ্যম আয়ে উন্নীত আমাদের দেশের রাজধানীতে ইলেক্ট্রিসিটির তারের এমন অবিশ্বাস্য উন্মুক্ত মহাপ্রদর্শনীও হয় এখনো, আল্লাহ আমাদের রক্ষা করুন !

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:১৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: মলাসইলমুইনা,




এগুলো সংশ্লিষ্টদের অযোগ্যতা, অদক্ষতা, নির্বুদ্ধিতা, দায়িত্বের ব্যাপারে অসীম উদাসীনতা আর সর্বোপরি " মরলে অন্যে মরুক, আমার কি?" এমন মনোভাব।
আক্ষরিক অর্থেই অবিশ্বাস্য অব্যবস্থার মধ্যে দিয়েই দেশটা চলছে। ছবিগুলো ফটোশপ নয়। বিডি নিউজ ডট কম এর ছাপ মারা আছে ছবির গায়ে। দেশে কবে এসেছেন জানিনে, তবে বাস্তবের এসব ছবি আরও ভয়ঙ্কর।

যতোদিন যায়, আমাদের আশারা একটু একটু করে কবরের দিকে এগোয় ধুঁকে ধুঁকে। দুঃখিত, আপনাকে কোনও আশার বাণী শোনাতে পারিনি। এ অক্ষমতা আমারই.................

২৭| ১৯ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:৫৯

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: বিষযগুলি আমিও বুঝিনা । বিষয়গুলি দেখার জন্য এত এত চোখ থাকতেও কেন এমন হয় ।
ভবন নির্মাণের সময় স্থাপত্য নকশা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলেও যারা নকশা বাস্তবায়ন করেন, তারা স্থপতির সাথে কয়েক যোজন দূরত্ব বজায় রাখেন । অগ্নি সহ কোন একটি ভবনের সার্বিক নিরাপত্তার জন্য সংস্লিষ্ট সকলের যথাাযথ সমন্বয় হয় বলে মনে হয়না । আর সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নজরদারির তো বলতে গেলে থাকেই না । বিশ্বের অনেক দেশেই ভবন নির্মাণের জন্য প্রয়োজনে নতুন আইন প্রণয়ন করা হয়েছে। আমাদেরও এটা করার সময় এসেছে। নতুন আইনে একটি নির্দিষ্ট সময় বেঁধে দেওয়া যায়। যেখানে বলা হবে, নিয়ম না মানলেই ভবন নির্মাণ স্থগিত হয়ে যাবে এবং পরিবর্তনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিলে ভবন ব্যবহারের অনুমতি মিলবে না। তবে কেবল আইন করলেই তো হবেনা না, প্রয়োগটাই থাকতে হবে ।

এই পোষ্টের ছবিতে যা দেখা গেল তাতে অবধারিতভাবেই সহজেই যে কোন জায়গায় শর্টসার্কিট হবে। শুধু লাইটপোষ্টে তারের জঞ্জাল কেন এই রাজধানীতে আধুনকি বিশাল বিশাল ভবন নির্মাণের সময় বৈদ্যুতিক নকশাও যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়না । বিদ্যুতের বিল না দিলে যেমন সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়, তেমনই বিদ্যুতিক নকশা মেনে না চললেও সংযোগ বিচ্ছিন্ন করার মতো পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। কিন্ত কতৃপক্ষ কি কোনদিন তা পারবে করতে ।

ধন্যবাদ সময়োপযোগী মুল্যবান পোষ্টটির জন্য, এটি প্রিয়তে গেল ।

শুভেচ্ছা রইল

২০ শে এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:২৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: ডঃ এম এ আলী ,




অনেকদিন পরে আপনার মন্তব্য পেয়ে ভালো লাগলো।
এতো চোখ আছে বলেই কোনও চোখে কিছুই ধরা পড়েনা। কারন একটি চোখ আর একটি চোখের দেখার অপেক্ষায় থাকে!

আইন তো আছেই কিন্তু বা'হাতের খেলায়, পেশীর জোরে সে আইন বস্তাবন্দী পড়েই থাকে। এ হলো আর এক সংস্কৃতি যার শেষ ঘটবেনা কোনকালে কেবল শ্রীবৃদ্ধিই ঘটবে।

প্রিয়তে নিয়ে কৃতজ্ঞতায় বেঁধে ফেললেন।
শুভেচ্ছান্তে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.