নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ট্রুথ নেভার ডাই্‌জ

নিজের সম্পর্কে লেখার কিছু নেই । সাদামাটা ।

আহমেদ জী এস

পুরোপুরি একজন অতি সাধারন মানুষ । আমি যা আমি তাই ই । শয়তানও নই কিম্বা ফেরেশতা । একজন মানুষ আপনারই মতো দু'টো হাত, চোখ আর নিটোল একটা হৃদয় নিয়ে আপনারই মতো একজন মানুষ । প্রচন্ড রকমের রোমান্টিক আবার একই সাথে জঘন্য রকমের বাস্তববাদী...

আহমেদ জী এস › বিস্তারিত পোস্টঃ

The world is running out of antibiotics... Why? এন্টিবায়োটিকের কথা। প্রথম পর্ব

০৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:১৫


পূর্বসূত্রিতা : “The world is running out of antibiotics...” এন্টিবায়োটিকের কথা। “The world is running out of antibiotics...”

[ বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থা থেকে শুরু করে ইউনিসেফ পর্যন্ত আতঙ্ক প্রকাশ করে সাবধানবাণী দিয়েছেন এই বলে, “The world is running out of antibiotics...”। তারা বলছেন, অনুজীব ধংসকারী( এন্টিমাইক্রোবিয়ালস) ঔষধের যথেচ্ছ আর অপব্যবহারের কারনে যক্ষা, নিউমোনিয়া সহ মূত্রতন্ত্রের রোগ, খাদ্যের বিষক্রিয়া, যৌনরোগ, পানি ও খাদ্যবাহিত রোগ, হাসপাতাল থেকে সংক্রমিত রোগ ইত্যাদি জীবন সংহারী রোগগুলোর বিরূদ্ধে মানুষের হাতের অস্ত্র মানে এন্টিমাইক্রোবিয়ালসগুলো দিনে দিনে ভোঁতা হয়ে যাচ্ছে। যে হারে অনুজীবগুলি বিশেষ করে ব্যাকটেরীয়া মানুষের তৈরী অস্ত্রগুলোর বিরূদ্ধে প্রতিরোধ ( রেসিষ্ট্যান্স) গড়ে তুলতে লেগেছে তাতে অচিরেই মানুষের অস্ত্রভান্ডারে টান ধরবে।
টান ধরবে না-ই বা কেন? নতুন নতুন ঔষধ আবিষ্কারে গবেষণার কাজে বিলিয়ন বিলিয়ন ডলার খরচের কথা না হয় বাদই দিলুম কিন্তু এক একটি নতুন এন্টিমাইক্রোবিয়াল তথা এন্টিবায়োটিক আবিষ্কারে যে বছরের পর বছর লেগে যাচ্ছে, তা অতিক্রম করবে মানুষ কিভাবে ?
]

“বাঁচতে হলে লড়তে হবে” এই সূত্র ধরে ক্ষুদে ক্ষুদে অনুজীবগুলোই এখন মানুষকে প্রতি নিয়ত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছে। মানুষ পড়েছে মারাত্মক স্বাস্থ্য হুমকির মুখে। যে হারে অনুজীবগুলো তাদের বিরূদ্ধে ব্যবহৃত ঔষধগুলোর প্রতি রেসিষ্ট্যান্ট হয়ে যাচ্ছে ততো দ্রুত কিন্তু মানুষ নতুন নতুন ঔষধ নামক অস্ত্র সরবরাহ করতে ব্যর্থ। অনুজীবগুলোর সাথে পাল্লা দিয়ে মানুষ “সময়” নামের ফ্যাক্টরটিকে কব্জা করতে পারছেনা কিছুতেই। তাই ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশান, ইউনিসেফ চিকিৎসক সমাজের কাছে আবেদন জানিয়েছেন, তারা যেন অযথা ও যথেচ্ছভাবে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার না করেন এবং সর্বশেষ আবিষ্কৃত এন্টিবায়োটিকগুলির প্রয়োগে সতর্ক থাকেন। কারন যথেচ্ছ ব্যবহারে হাতের এই পাঁচও যদি অকেজো হয়ে যায় তবে আগামী দিনগুলোতে কঠিন কঠিন রোগগুলো থেকে মানুষকে আর বাঁচিয়ে আনা সম্ভব হবেনা। চিকিৎসা খরচ বৃদ্ধি সহ বাড়বে হাসপাতালে শুয়ে শুয়ে ভালো হওয়ার অপেক্ষায় গোনা দিন, বাড়বে মৃত্যুহার।


শুরুর আগেই জেনে নেয়া ভালো, স্বাস্থ্যই বা কি আর শারীরিক অসুস্থতা তথা রোগই বা কি।

স্বাস্থ্য সম্পর্কে যতো “কনসেপ্ট”ই থাকনা কেন শুধু ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন এর কনসেপ্টটা একটু জেনে রাখি, তা হলো- “হেলথ ইজ আ ষ্টেট অব কমপ্লিট ফিজিক্যাল, মেন্টাল এ্যান্ড সোস্যাল ওয়েল-বিয়িং এ্যান্ড নট মিয়ারলি এ্যান এ্যাবসেন্স অব ডিজিজ অর ইনফার্মিটি।” এসব ভারী ভারী কথায় আমাদের মতো সাধারন মানুষের কি চলবে? চলবেনা। আমরা সহজে যা বুঝতে পারি তা হচ্ছে, আমার শরীর-মন যখন স্বাভাবিক ভাবে চলছে তখন আমি সুস্থ্য। তা না হলে আমি অসুস্থ্য। ব্যস, এর বেশী কিছু বুঝতে আমরা চাইনে......

তাহলে অসুস্থতা কি ?
জানা অজানা কারনে শরীরের যে কোনও অঙ্গের স্বাভাবিক কাজ ও গঠনের যে কোনও ধরনের ব্যত্যয় যখন কোনও না কোনও উপসর্গ বা লক্ষন নিয়ে প্রকাশিত হবে তখন তাকেই আমরা শারীরিক অসুস্থতা বা রোগ বলে ধরে নেব।
যেমন এই মূহূর্তে আপনার মাথা ব্যথা হচ্ছে। তার মানে, আপনার মাথা নামক অঙ্গটির কোথাও না কোথাও জানা অজানা যে কোনও কারনে স্বাভাবিক কাজের ব্যাঘাত হচ্ছে। যার উপসর্গ হিসেবে আপনি ব্যথা অনুভব করছেন।
একই ভাবে এখন আবহাওয়া ভালো যাচ্ছে না, জ্বরজারি চতুর্দিকে। আপনিও জ্বর অনুভব করছেন। জ্বরটি নিজে কিন্তু কোনও রোগ বা অসুস্থতা নয়,চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এটি একটি - প্রটেক্টিভ রেসপন্স। অর্থাৎ এটি একটি উপসর্গ যা আপনাকে সতর্ক করে দিতে চাইছে যে, আপনি কোনও না কোনও শারীরিক ঝুঁকিতে আছেন । বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই এর অর্থ আপনার শরীরে কোনও না কোন অনুজীবের সংক্রমন ঘটেছে। আবার আপনার অভিজ্ঞতা থেকেই জানেন হয়তো, ক্যানসার রোগীদেরও প্রথম দিকে জ্বরের উপসর্গ থাকে। এই জ্বরের সাথে কিন্তু অনুজীবদের কোনও সংশ্লিষ্টতা নেই। এখন এই সব জ্বরের উপসর্গ দেখে কি ধরনের চিকিৎসা দেবো আমরা ? এ ক্ষেত্রে অনুজীব ব্যাকটেরীয়ার কারনে যদি জ্বরটি হয় তবে এন্টিবায়োটিক দিতেই হবে। ভাইরাসের কারনে জ্বর হলে সেখানে এন্টিবায়োটিকের কোনও ভূমিকাই নেই। লাগবে এন্টিভাইরাল কিছু। ক্যানসারজনিত জ্বরের জন্যে কোনও এন্টিবায়োটিক বা এন্টিভাইরালে কাজ হবেনা। ওর চিকিৎসা আলাদা।
এই উদাহরণ টানলুম এই কারনে যে, আমরা সাধারন মানুষেরা যেন ধরে নিয়ে বসে না থাকি যে- “জ্বর হলেই এন্টিবায়োটিক লাগবে”।

এমনি করেই যে কোনও অসুস্থ্যতা বা রোগ হতে পারে হাযারটা কারনে। এই কারনগুলি নির্ভর করে এজেন্ট-হোষ্ট- এনভায়রনমেন্ট এর মিথোস্ক্রিয়ার মধ্যে দিয়ে। এখানে এজেন্ট হলো রোগ উৎপাদনের অনুঘটক, হোষ্ট হলুম আমরা প্রানীকূল আর এনভায়রনমেন্ট হলো আমাদের চারধারের পরিবেশ। হোষ্টকে যদি আমরা “জমি” হিসেবে ধরি তবে এজেন্ট হবে “বীজ”। আর এ থেকে ফসল মানে রোগ বা অসুস্থ্যতা হতে গেলে মোটামুটি উপযুক্ত একটি পরিবেশ বা আবহাওয়ারও দরকার পড়বে।

এবারে এজেন্টদের সম্পর্কে কিছু জেনে নিই যাতে নিজেরাই বুঝতে পারি কখন কি চিকিৎসা বা ট্রিটমেন্ট দিতে হবে। বিশেষ করে চিকিৎসায় এন্টিবায়োটিক লাগবে কি লাগবেনা বুঝতে পারবো তাও। এর ফলে অযথা ও অনিয়ন্ত্রিত এন্টিবায়োটিক ব্যবহারে বিরত থাকতে পারবেন আপনি ও আপনার পরিবার।

প্রথমেই জৈব বা বায়োলজিক্যাল এজেন্টদের নিয়ে কথা বলা যাক -
এরা হলো, রোগের কথা উঠলেই আপনাদের মাথায় ঘুরতে থাকা ব্যাকটেরীয়া, ভাইরাস, ফাংগাস, প্রটোজোয়া ইত্যাদি যাদের কে আমরা অনুজীব বলি তারা-ই। ধরুন আপনার আমাশা (ডিসেন্ট্রি) হয়েছে। এটি হতে পারে সাধারনত ব্যাকটেরিয়া দ্বারা কিম্বা প্রটোজোয়া দ্বারা। চিকিৎসা কি একই হবে ? হবেনা। ব্যাকটেরিয়ার কারনে আমাশা হলে লাগবে এন্টিবায়োটিক আর প্রটোজোয়ার কারনে হলে দিতে হবে একটি এন্টিপ্রোটোজোয়াল ঔষধ। এই জ্ঞানগুলো আমরা সাধারন মানুষেরা জানিনে বলেই বা জানার সুযোগ নেই বলেই সকল ক্ষেত্রেই এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করে ফেলি যখন তখন। অনেক শিক্ষিত মানুষও কিন্তু এমন ভুলটা করে বসেন। আসলে আমরা সবাই তো আর ডাক্তার নই অথচ সময় সময় বিবিধ কারনে আমাদের যে ডাক্তার হয়ে উঠতেই হয়! গন্ডোগোলটা এখানেই। আর এমন করেই একটি ব্যাকটেরীয়ার ভয়াল সুপারবাগ হয়ে ওঠার পথটি সুগম হয়।

পুষ্টি সংক্রান্ত এজেন্ট যেমন প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট, ভিটামিন, খনিজ লবন, পানি ইত্যাকার পদার্থের ঘাটতির জন্যে আপনি যেমন অপুষ্টিতে ভুগবেন তেমনি আপনি ভুগতে পারেন রক্তশূন্যতাতেও। ভিটামিনের ঘাটতিতে হতে পারে শতখানেক রোগ। আবার শরীরে ফ্যাট বা চর্বির আধিক্যের কারনে আপনি মুটিয়ে যেতে পারেন, আপনার রক্তনালীতে জমতে পারে চর্বি যা আপনার উচ্চ রক্তচাপের কারন। আর এই চর্বি যদি হৃদপিন্ডকে পেয়ে বসে তবে তা হতে পারে মরনঘাতীও। এসব রোগ হলে আপনি দূর্বলতা অনুভব করবেন, নিজেকে অসুস্থ্য-অসুস্থ্য লাগবে, ভাববেন ভয়াল রোগে পেয়ে বসেছে আপনাকে - এন্টিবায়োটিক খেতেই হবে। অথচ এসব রোগের একটিও সারিয়ে তুলতে কিন্তু এন্টিবায়োটিকের মোটেই প্রয়োজন নেই আপনার।

রোদ, ঠান্ডা, আদ্রতা, বিদ্যুত, শব্দ ইত্যাদির মতো ফিজিক্যাল এজেন্টগুলোও কিন্তু আপনার শারীরবৃত্তিয় কার্যক্রমে বাঁধার সৃষ্টি করতে পারে। যেমন রোদের প্রচন্ড তাপে আপনার শরীরে পানিশূন্যতা ঘটতে পারে, হতে পারে হিটষ্ট্রোক। ঠান্ডায় জমে গিয়ে ফ্রষ্টবাইটের শিকার হতে পারেন, অল্প ঠান্ডায় ভুগতে পারেন সর্দিতেও। এখন বলুন, এসব রোগের চিকিৎসায় আপনি কি এন্টিবায়োটিকের উপর নির্ভর করবেন ? নিশ্চয়ই , না। অথচ সর্দি কাশিতে আমাদের যেন এন্টিবায়োটিক না হলেই চলেনা।

তেমনি আপনার শরীরের অভ্যন্তরে তৈরী হতে পারে বা জমতে পারে অতিরিক্ত ইউরিয়া, ইউরিক এসিড, বিলিরুবিন, ক্যালসিয়াম কার্বোনেট ইত্যাদি। এরা হলো এক একটি রাসায়নিক এজেন্ট। অতিরিক্ত ইউরিয়া ইউরেমিয়ার জন্ম দিয়ে আপনার কিডনীকে অকেজো করে দিতে পারে, ইউরিক এসিড শরীরের গাঁটে গাঁটে বাত তৈরী করতে পারে, বিলিরুবিন জন্ডিস নামে আপনাকে সোনার বরন করে দিতে পারো! এখানেও কিন্তু এন্টিবায়োটিকের কোনও কারিশমা দেখানোর সুযোগ নেই।

এছাড়াও বহিরাগত অনেক রাসায়নিক এজেন্ট যেমন ধুলো-বালি, কেরসিন-ডিজেল-পেট্রল, কীটনাশক, গ্যাস, ফুলের রেনু সহ বিভিন্ন এলার্জেন বা এলার্জী সৃষ্টিকারী জিনিষ সমূহ আপনাকে বিভিন্ন রোগ সহ নানান ধরনের এলার্জীতে ভোগাতে পারে। যার ভালো একটি উদাহরণ হলো- এ্যাজমা বা শ্বাসকষ্ট ।
এর পরেও রয়েছে যান্ত্রিক এজেন্ট যারা আপনাকে আঘাতজনিত অসুস্থ্যতায় ফেলতে পারে। যেমন ভারীকাজ করতে গিয়ে আপনার ঘাড়-মেরুদন্ড ব্যথা করতে পারে, হাত-পা মচকে যেতে পারে, যেতে পারে ভেঙেও। এবং শেষতক অঙ্গ বিকৃতি ঘটতে পারে।
মাথায় রাখুন, এসবের কোনও কিছুতেই কিন্তু আপনার এন্টিবায়োটিকের প্রয়োজন একেবারেই নেই।

তাহলে এন্টিবায়োটিক লাগে কোথায় ?


আগে যে সব ডিজিজ এজেন্টদের কথা বলা হয়েছে তারা সবাই-ই ভিন্ন ভিন্ন উপায়ে আপনার কোনও না কোনও শারীরিক অঙ্গপ্রত্যঙ্গের গঠন বা তার কার্যকলাপে বিঘ্ন সৃষ্টি করে আপনাকে অসুস্থ্য করে তোলে। তবে আমরা সচরাচর যে সব রোগে ভুগি বা যেসব রোগের সাথে পরিচিত তার প্রায় সবটাই “ফাংশনাল” বা ক্রিয়াবৈগুন্যজাত। আর এসব এজেন্টদের সংস্পর্শে এলে সচরাচর আমাদের শরীরের কোষকলায় বা টিস্যুতে কিছু পরিবর্তন ঘটে থাকে যাকে আমরা বলি ইনফ্লামেশন বা প্রদাহ।
প্রদাহ হলো যেকোনও ক্ষতিকারক উদ্দীপনার কারনে আমাদের শরীরের কোষকলা বা টিস্যু যে স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া দেখিয়ে থাকে তা।
কি প্রতিক্রিয়া দেখায় আমাদের টিস্যুগুলো বা প্রদাহের লক্ষনগুলিই বা কি?
তা হলো- জায়গাটি প্রথমে লাল হয়ে উঠবে, একটু পরে ফুলে উঠবে তারপরে সেখানের তাপমাত্রা বেড়ে যাবে এবং ব্যথা হতে শুরু করবে। শেষতক ঐ এলাকার স্বাভাবিক কাজ স্থগিত হয়ে যাবে। এই লক্ষনগুলি এক বা একাধিক হলেই আমরা বলবো প্রদাহ হয়েছে। একটা উদাহরণ দিয়ে বুঝতে চেষ্টা করি। মনে করা যাক, কেউ আপনার গালে একটি থাপ্পড় দিয়েছে। এখন কি হবে ? আপনার গালটি লাল হয়ে উঠবে, জায়গাটি গরম হয়ে যাবে তারপরে ফুলেও উঠতে পারে আবার না ও পারে। কিন্তু শেষে ব্যথাটি লাগবে আপনার এটা নিশ্চিত। কিছু সময় পরে আপনার ঐ টিস্যুগুলো আবার স্বাভাবিক হয়ে আসবে যদি অন্য কোনও অনুঘটক প্রক্রিয়াটিতে নাক না গলায়। এগুলোই হলো আপনার গালের টিস্যুগুলির স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া বা নর্মাল রি-এ্যাকশান কারন টিস্যুগুলি “থাপ্পড়” নামের একটি ক্ষতিকারক উদ্দীপনা বা ষ্টিমুলীর শিকার হয়েছে। আর যদি আপনার ফিঁয়াসে আপনার গালে হাত দিয়ে একটু আদর করে দেয় ? হয়তো আপনার মুখমন্ডল লাল হতে পারে লজ্জায় কিন্তু এছাড়া আর কিচ্ছুই হবেনা। কারন ঐ স্পর্শ কোনও ক্ষতিকারক উদ্দীপনা বা ষ্টিমুলী নয়। এতো গেলো মেকানিক্যাল কারনে হওয়া প্রদাহের কথা।
কিন্তু এই প্রদাহের কারন যদি হয় কোনও অনুজীব তবে তাকে আমরা বলি - সংক্রমন বা ইনফেকশান।
মানুষের প্রচলিত ইনফেকশানগুলো ঘটে থাকে মূলত অনুজীব দ্বারা যার ভেতরে ব্যাকটেরীয়া নামক এককোষী প্রানী যতো নষ্টের গোড়া।
এই ব্যাকটেরীয়াগুলো জ্যামিতিক হারে বংশবিস্তার করতে পারে কয়েক ঘন্টার মধ্যেই, আপনার দেহের বিভিন্ন অঙ্গপ্রতঙ্গ সংক্রমিত করতে পারে যা কিছু ক্ষেত্রে আপনার জীবন সংশয়ের কারন হয়েও উঠতে পারে। শুধুমাত্র এই ব্যাকটেরীয়াগুলোকে নিশ্চিহ্ন করতেই আমরা এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করে থাকি। এই ব্যবহার করতে গিয়ে একটি এন্টিবায়োটিকের ফার্মাকোলজিক্যাল প্যারামিটারস (বিচার্যক্ষেত্র) বিবেচনায় এনেই আমরা একটি সঠিক এন্টিবায়োটিক বাছাই করি।
আসলে সত্যটি হলো এই যে, বাজারে প্রাপ্ত সকল এন্টিবায়োটিকই কিন্তু ব্যাকটেরীয়া বিধংসী। তারপরেও আমরা কিন্তু একটি এন্টিবায়োটিককে অন্য আর একটির তুলনায় উৎকৃষ্ট বলে মনে করি তার ঐ ফার্মাকোলজিক্যাল প্রোফাইলের কারনে এবং এন্টিবায়োটিকটি যে রেসিষ্ট্যান্ট হয়ে যায়নি সে বিবেচনা থেকে।
এই কারনেই বাজারে হরেক রকমের এন্টিবায়োটিক পাবেন আপনি। কেন এতো এতো এন্টিবায়োটিক বাজারে ?
এই চিত্রটি ভালোভাবে বুঝতে ও অনুধাবন করতে হলে আপনাকে দু’টো বিষয়ে মনোনিবেশ করতে হবে - ব্যাকটেরীয়া ও তার রেসিষ্ট্যান্ট হয়ে ওঠার সক্ষমতা আর হোষ্টের ইমিউন সিষ্টেম (গ্রাহকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা) এর দিকে।
যেহেতু বিষয় দু’টিই বিশাল এবং নিত্যনুতন গবেষনার কারনে তা প্রতিনিয়ত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং একই সাথে একজন নন-মেডিক্যাল ব্যক্তির জন্যে তা বুঝে ওঠা বেশ জটিল তাই যেটুকু না বললেই নয় তাই-ই আগামী পর্বে সোজা ভাষায় বলার চেষ্টা থাকবে আমার, যাতে তা সহজপাচ্য হয়।

চলবে....................

ছবির কৃতজ্ঞতা - ইন্টারনেট।

মন্তব্য ৫৮ টি রেটিং +২৩/-০

মন্তব্য (৫৮) মন্তব্য লিখুন

১| ০৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:২৫

করুণাধারা বলেছেন: প্রথম প্যারাটুকু পড়েছি। ভালো লাগলো পড়ে। লাইক। প্রথম।

০৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৫৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: করুণাধারা,



সর্বপ্রথম মন্তব্য করা এবং সাথে লাইক দেয়াতে অনেক ধন্যবাদ আপনাকে।
আশা করি সাথেই থাকবেন। একটি সচেতনতা সৃষ্টিতে আপনাদের সহযোগিতার কোনও বিকল্প নেই।

শুভেচ্ছান্তে।

২| ০৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৫৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


অনেকেই ঔষধকে, এন্টিবায়োটিককে নাস্তার মতো করে খেয়ে যাচ্ছেন; ফলাফল, ভয়াবহ

০৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৪৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: চাঁদগাজী,



কেন খাচ্ছেন , কেনই বা খাবেন না, খেলেও কখন খেতে হবে এইসব নিয়ে এই লেখা। তাতে যদি অনেকেই নাস্তার মতো ‌এগুলো না খান এবং ভয়াবহ ফলাফলের স্রোতে ভেসে না যান, এই ভরসায়।

মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।

৩| ০৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৩৮

:):):)(:(:(:হাসু মামা বলেছেন: এন্টিবায়োটিক একবার শরীরে প্রবেশ হলে পরে এন্টিবায়োটিক ছাড়া অন্য ঔষুধ শরীরে তেমন কাজ দেয়না। আরো অনেক সমস্যা
আছে এই এন্টিবায়োটিকের ভিতরে।

০৫ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:০৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: :):):)(:(:(:হাসু মামা,




বলেছেন - "এন্টিবায়োটিক একবার শরীরে প্রবেশ হলে পরে এন্টিবায়োটিক ছাড়া অন্য ঔষুধ শরীরে তেমন কাজ দেয়না।" কথাটি ঠিক নয়। তবে যখন তখন যে কোনও রোগে অপর্যাপ্ত এন্টিবায়োটিক খেলে সমস্যা হতেই পারে যা এন্টিবায়োটিকের সাইডএফেক্ট বা পার্শ্ব-প্রতিক্রিয়ার কারনে। এবং ঐ এন্টিবায়োটিকটি সঠিক সময়ে কাজ নাও করতে পারে যেটার সম্ভবনাই বেশী।

এই লেখাটিতে আপনি এন্টিবায়োটিক সম্পর্কে জানার মতো অনেক কিছুই পাবেন। সাথেই থাকুন।
লাইক দেয়া আর প্রিয়তে নেয়ার জন্যে অজস্র ধন্যবাদ।
শুভেচ্ছান্তে।

৪| ০৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৪৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: এন্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহারকে না বলি।
পোস্টে লাইক এন প্রিয়তে ।

০৫ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:৪৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: গিয়াস উদ্দিন লিটন,



এন্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহারকে না বলুন , ঠিক আছে। কিন্তু এন্টিবায়োটিকের কথা না জেনে না বলাটা মনে হয় ঠিক হবেনা। জেনে বুঝে বললে ওয়াদাটা পোক্ত হয়।

লাইক দেয়া এবং প্রিয়তে নিয়েছেন জেনে কৃতজ্ঞ।
সাথেই থাকুন এবং সুস্থ্যে।

৫| ০৫ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:২১

বলেছেন: কেন এত এন্টিবায়োটিকের উৎপাদন, ও বাজারজাতকরন?
প্রোডাকশন বন্ধ করে দিলেই তো হয়!..

০৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:২৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: ল ,




লিখেছি সে কথাও কেন বাজারে এতো এতো এন্টিবায়োটিক।
প্রোডাকশন বন্ধ করে দিলে হবেনা তাহলে মানুষকে কঠিন কঠিন সংক্রমন থেকে বাঁচাবেন কি করে??

সাথেই থাকুন তাহলে বুঝবেন কোন পথে এবং কেমন করে এন্টিবায়োটিকের ব্যবহার কমিয়ে আনা যায়!
শুভেচ্ছান্তে।

৬| ০৫ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:৪২

হাসান কালবৈশাখী বলেছেন:
উন্নত দেশগুলোতে ডাক্তাররা পারতপক্ষে এন্টিবায়োটিক দিতে চায় না।

০৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৩৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: হাসান কালবৈশাখী,



উন্নত দেশগুলোতে ডাক্তাররা পারতোপক্ষে এন্টিবায়োটিক কেন দেন না তার একটা কারনও মোটমুটি এপর্বের পরের লেখাতে দিয়েছি। দিয়েছি এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের আসল নিয়ম।

সাথেই থাকুন এবং থাকুন সুস্থ্য।
শুভ সকাল ( সম্ভবত আপনার সময়টা আমাদের উল্টো)

৭| ০৫ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:৫৬

আখেনাটেন বলেছেন: খুব ভালো একটি বিষয় নিয়ে লিখছেন। অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার নিয়ে আমাদের এখনই বৃহৎ পরিসরে ভাবনা দরকার। বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের উপর ঐ রিপোর্টের পর সরকারের আরো কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।



০৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:১১

আহমেদ জী এস বলেছেন: আখেনাটেন,




অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার নিয়ে আমাদের এখনই বৃহৎ পরিসরে সচেতন হওয়া দরকার। এজন্যে এন্টিবায়োটিকের ভেতর বাহির না জানলে প্রয়োজনীয় সচতনতা আসবেনা মনে হয় কারন এন্টিবায়োটিকের সম্পর্কে কিছুই না জেনে এটাকে একটা ধনন্তরী ঔষধ হিসেবেই কি শিক্ষিত কি অশিক্ষিত সবাই এগুলো খেয়ে থাকেন একটু কিছু অসুস্থ্য হলেই।

এ সম্পর্কে জানানোর জন্যেই আমার এমন লেখা। সাথেই থাকবেন আশা করি।
শুভেচ্ছান্তে।

৮| ০৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১২:৪১

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: ভালো হচ্ছে।
চলুক।

০৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৪৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: মাহমুদুর রহমান,




ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে।

চলুক বলেছেন , সাথেই থাকুন।
শুভেচ্ছান্তে।

৯| ০৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১২:৫২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: প্রতিক্ষিত মুল্যবান পোষ্ট ।
এন্টিবায়টিকের উৎপাদন , বাজারজাতকরণ , ব্যবহার ও প্রয়োগের লক্ষ্যে
যথাযথ সরকারী নীতিমালা প্রনয়ন ও বাস্তবায়নের জন্য দেশের সকলকে
সোচ্চার হতে হবে । এন্টিবায়টিক তথা ঔষধ শিল্পের সাথে দেশী বিদেশী
অনেক শক্তিশালী নিয়ামক জড়িত । ভোক্তভোগীসহ দেশরে সংষ্লিস্ট
সকল মহলেই বিষয়টির ভয়াবহতা সম্পর্কে কম বেশী ওয়াকেবহাল ।
তারপরেও সেই নিয়ামকগুলির উপর কোন কার‌্যকরী নিয়ন্ত্রনমূলক
কার‌্যক্রম গ্রহণ করা যাচ্ছেনা । এর জন্য জনগনকে কার‌্যকরীভাবে সম্পৃক্ত
করা প্রয়োজন । এর জন্য সর্বাজ্ঞে প্রয়োজন জনগণকে এন্টিবায়টিকের
অপপ্রয়োগ ও তার ক্ষতিকর দিক গুলি সম্পর্কে সচেতন করে তোলা ।
এর জন্য এ বিষয়ে সাধারনের বোধগম্য ভাষায় চিকিৎসা বিজ্ঞানের
জটিল বিষয়বালীকে তাদের মাঝে বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে বিশেষ
করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তোলে ধরা খুবই জরুরী এবং এটা
এ সময়ের একটি দাবীও বটে । অতি আয়াসলব্দ এই দুরুহ কাজটি
শুরু করার জন্য রইল প্রাণডালা অভিনন্দন । লেখাটি প্রিয়তে গেল ।

নিরন্তন শুভেচ্ছা রইল


০৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:৫৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: ডঃ এম এ আলী,



প্রাজ্ঞজনের মন্তব্য। বলতে পারা যায়, বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত নির্দেশনাও।

প্রয়োজন জনগণকে এন্টিবায়টিকের অপপ্রয়োগ ও তার ক্ষতিকর দিক গুলি সম্পর্কে সচেতন করে তোলা । সাধারনের বোধগম্য ভাষায় চিকিৎসা বিজ্ঞানের জটিল বিষয়াবলীকে তাদের মাঝে বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যমে বিশেষ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তুলে ধরা খুবই জরুরী
সে চেষ্টাই করেছি আমি এখানে এবং পরেও করবো। মন্তব্যের মধ্যে দিয়ে আপনাদের এতো এতো সাহচর্য্য আমাকে সবসময় অনুপ্রানিত করেছে এবং করবে আগামীতেও।

প্রিয়তে নেয়ার জন্যে কৃতজ্ঞ বরাবরের মতোই।

ভালো থাকুন সব সময়। সুস্থ্যতার সাথে থাকুন।
অনিঃশেষ শুভেচ্ছা আপনার জন্যেও।

১০| ০৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১:২১

রাকু হাসান বলেছেন:

হুম বলেছিলেন এই টপিকে পোস্ট আসছে । পেয়েও গেলাম । অসাধারণ পোস্ট । এবার আর বুঝতে বেগ হতে হয় নি । আপনি দ্বায়বোধ থেকে মূল্যবান একটি পর্ব লিখছেন । যার জন্য শ্রদ্ধাসুলভ একটি ধন্যবাদ বা কৃতজ্ঞতা পাওয়ার দাবিদার । সামু পোস্টটি স্টিকি করলে খুশি হবো । এতে জনসচেনতা বাড়বে । আপনার পোস্টের মাধ্যমে অনন্ত কখন এন্টিবোয়াটিক নিব । পড়ে না ঠিক কখন আমি এন্টিবোয়াটিক নিয়েছিলাম । অনন্ত ৬ বছর আগে নিলেও নিতে পারি ,সেটা হলে শৈশবে নিয়েছি কিনা জানি না । আপনার মতো ব্লগার দিয়ে সামু ঝুড়ি পূর্ণ হয়ে যাক । মৌলিক জনসচেনতা পোস্টের জন্য কৃতজ্ঞতা ও শ্রদ্ধাপ্লুত ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি । ভালো থাকুন আমার সুপ্রিয় শ্রদ্ধাভাজন ।

০৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:৩০

আহমেদ জী এস বলেছেন: রাকু হাসান,



প্রেরণাদায়ক এমন মন্তব্যের মধ্যে দিয়ে আপনার ও আপনাদের এতো এতো সাহচর্য্য আমাকে সবসময় অনুপ্রানিত করে এসেছে এবং করবে আগামীতেও।
সহজবোধ্য করতে হয়েছে এজন্যে যে, ব্লগের সিংহভাগ ব্লগারই কিন্তু চিকিৎসা বিজ্ঞান সম্পর্কে অনেকটাই ধারনাহীন এবং শোনা কথায় বেশী আস্থাবান। তাদের ভ্রম কাটাতে হয়তো এই লেখাটি কিছুটা সাহায্য করবে বলে আমার বিশ্বাস।

মন্তব্যটি ভালো লেগেছে এবং প্লাস++++++

ভালো থাকুন, পরবর্তী পর্বগুলোর সাথেও থাকুন।
শুভকামনা রইলো।

১১| ০৬ ই মে, ২০১৯ রাত ১:৫৩

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



"The world running out of Antibiotics" দিয়ে লেখাটি শুরু হলেও এর বিষয়বস্তু আর ব্যাপকতা যে কত গভীর তা এই ফিচারটি না পড়লে অনুধাবন করা যাবে না। অসুস্থতার কারণ, ব্যাকটিরিয়া, ভাইরাসের আক্রমণ, জ্বরের কারণ, ক্যানসারের সিমটম কি নেই এই লেখায়? কৃতজ্ঞতা রইলো স্যার এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি নিয়ে আবারো লেখার জন্য। আমি অনেক দরকারি বিষয়াদি জানতে পারলাম। এটা শিক্ষনীয় বটে।

ওয়ার্ল্ড হেলথ ওরগেনাইজেশন (WHO) এর সাম্প্রতিক গবেষণায় এন্টিবায়োটিকের বিষয়ে ভীতিকর রিপোর্ট এসেছে। ব্যাকটেরিয়ার সুপারবাগ এখন বিশ্ব স্বাস্থ্যের জন্য হুমকি স্বরুপ। WHO এর মতে, "Antimicrobial resistance is a global health emergency that will seriously jeopardize progress in modern medicine," says Dr Tedros Adhanom Ghebreyesus, Director-General of WHO. "There is an urgent need for more investment in research and development for antibiotic-resistant infections including TB, otherwise we will be forced back to a time when people feared common infections and risked their lives from minor surgery."

রিসার্চে আরো বলা হয়েছে, "Pharmaceutical companies and researchers must urgently focus on new antibiotics against certain types of extremely serious infections that can kill patients in a matter of days because we have no line of defence," says Dr Suzanne Hill, Director of the Department of Essential Medicines at WHO."!!

ওষুধের যথেচ্ছ ব্যবহার সারাবিশ্বকে আজ ভাবিয়ে তুলেছে। এমন অবস্থা মোকাবেলায় জরুরী ভিত্তিতে ছয়টি করণীয় তুলে ধরেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সেগুলো হলো- প্রতিটি দেশকে সম্মিলিত জাতীয় অর্থনৈতিক পরিকল্পনা প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা উচিত। পর্যবেক্ষণ ও ল্যাবরেটরি ক্যাপাসিটি বাড়ানো দরকার। প্রয়োজনীয় ওষুধের যথেচ্ছ ব্যবহার বন্ধসহ ওষুধের গুণাগুণ নিশ্চিত করতে হবে। ওষুধের ব্যবহার ভালভাবে মনিটরিং করতে হবে। সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণ বাড়াতে হবে। শক্তিশালী গবেষণার পাশাপাশির চিকিৎসার নতুন নতুন ওষুধ ও উপকরণের বিস্তার ঘটাতে হবে।

ওষুধ প্রতিরোধী হওয়ার বিষয়ে সতর্ক করে দিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানায়, যেসব এন্টিবায়োটিক কুষ্ঠ, যক্ষ্মা, গনোরিয়া ও সিফিলিসসহ বিভিন্ন জটিল রোগ প্রতিরোধে ঐতিহাসিক ভূমিকা রেখেছে, সেগুলোর অনেক এন্টিবায়োটিক আজ জীবনের ঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। ওষুধ প্রতিরোধী মোকাবেলায় দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ না করলে অনেক সাধারণ সংক্রামক রোগ ভাল হবে না। এতে অসহায় অবস্থায় রোগীকে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়তে হবে। ওষুধ প্রতিরোধী হয়ে উঠার বিষয়টি খুব পরিষ্কার।

এ বিষয়ে আজ উদ্যোগ না নিলে আগামীকাল একটি রোগীকে সুস্থ করে তোলা সম্ভব হবে না। লাখ লাখ মানুষকে সুস্থ করে তুলতে পারে এমন অতি প্রয়োজনীয় অনেক ওষুধ নষ্ট করে ফেলতে পারি না আমরা। ওই সব ওষুধ যাতে প্রতিরোধী না হয়ে ওঠে সেদিকে সতর্কতা অবলম্বন করাই হবে বুদ্ধিমানের কাজ। পৃথিবীতে অর্ধেকের চেয়ে বেশি ওষুধের ক্ষেত্রে ভুল প্রেসক্রিপশন হচ্ছে অথবা ওষুধ ভুলভাবে বিতরণ বা বিক্রি করা হচ্ছে। প্রায় অর্ধেক রোগী ভুলভাবে ওষুধ গ্রহণ করছে। এন্টিবায়োটিকের সঠিক ব্যবহার না হলে সংক্রামক রোগের বিস্তার ঘটায়। এন্টিবায়োটিক ব্যবহারে সাবধানী না হলে খুব শীঘ্রই মানবজাতি জীবাণুর বিরুদ্ধে প্রাণরক্ষার যুদ্ধে পরাস্ত হবে বলে জানায় বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।।

০৭ ই মে, ২০১৯ রাত ১২:১৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: কাওসার চৌধুরী,



মন্তব্যের প্রথম প্যারাটির ভেতরে লেখকের জন্যে যে প্রেরণা, তা লেখকের উত্তরোত্তর শ্রীবৃদ্ধি ঘটাবে নিঃসন্দেহে।
পরবর্তী চারটি প্যারার বক্তব্য নিয়েই গড়ে উঠেছে আমার এই লেখা - The world is running out of antibiotics... Why?
আর আপনার শেষের প্যারাটির বক্তব্যই ভিন্নভাবে উপস্থাপন করেছি আমি।

সবটা মিলিয়ে আপনার শেষের পোস্টের "সুপারবাগ" হয়ে ওঠা ব্যাকটেরীয়ার চরিত্র আর তাদেরকে সুপারবাগ হয়ে উঠতে না দেয়ার গল্পই লিখে গেছি এখানে।

মন্তব্যে ভালো লাগা। আশা করি পাঠকেরা আপনার এই মন্তব্যে আগামী দিনের এক অশনিসংকেতের দেখা পাবেন আর সতর্ক হবেন।

শুভরাত্রি।

১২| ০৬ ই মে, ২০১৯ সকাল ১১:২০

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: প্রিয়তে থাকলো আপাতত

০৭ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:০১

আহমেদ জী এস বলেছেন: কাজী ফাতেমা ছবি,




পুরো লেখাটিই ইনফেকশান কি এবং তার প্রতিকারের জন্যে এন্টিবায়েটিকের ভূমিকা কি , কি কারনে এই সব এন্টিবায়োটিক রেসিষ্ট্যান্ট হয়ে ওঠে তারই ছবি। আপনি যেমন প্রকৃতির ছবিকে তুলে আনেন ক্যামেরায় তেমনি আরেক প্রকৃতির ছবি আমি তুলে এনেছি লেখায়। সময় করে পড়ে নেবেন।

প্রিয়তে নিয়েছেন জেনে ধন্যবাদ।
সাথেই থাকুন।

১৩| ০৬ ই মে, ২০১৯ সকাল ১১:২৭

শামছুল ইসলাম বলেছেন: ধন্যবাদ আহমেদ জী এস ভাই।

এমন সহজপাচ্য খাদ্য বহুদিন খাইনি।

পরবর্তী সহজপাচ্য খাদ্যের লোভে অপেক্ষা করছি।

০৭ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:২৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: শামছুল ইসলাম,




হা....হা.... এটা কি আপনার সেই দাওয়াত খাওয়া? :)

রোযার মাস সংযম ও ধৈর্য্য ধরার মাস। ধৈর্য্য ধরুন, সহজপাচ্য আসছে............................

একটি ওয়াও মন্তব্য!!!!!!

১৪| ০৬ ই মে, ২০১৯ দুপুর ১২:১১

ঢাবিয়ান বলেছেন: খুবই প্রয়োজনীয় একটি পোস্ট। আমাদের দেশে ডাক্তারের প্রেস্ক্রিপশন ছাড়াও ফার্মেসিতে এন্টিবায়োটিক পাওয়া যায় যে কারনে নন মেডিকেল পার্সনরা নিজেদের ইচ্ছেমাফিক এন্টিবায়োটিক খায় যেটা খুবই ভয়ঙ্কর একটা ব্যপার । বিদেশে ডাক্তাররা পারতপক্ষে এন্টিবায়োটিক দিতে চায় না। আর আমাদের দেশে মানুষ সাধারন সর্দি কাশি হলেও ফার্মেসিতে গিয়ে ফাইমোক্সিল কিনে খেয়ে ফেলে।

০৮ ই মে, ২০১৯ সকাল ৯:৩২

আহমেদ জী এস বলেছেন: ঢাবিয়ান ,




যা বলেছেন, আমাদের দেশের চিত্র এটাই। এই অগনিত মানুষের দেশে যেখানে আইন মেনে চলার সংস্কৃতি নেই, যেখানে গ্রামে গঞ্জে হাযার হাযার লাইসেন্স বিহীন ফার্মেসী গড়ে উঠতে পারে রাতারাতি যা দেখার কেউ নেই, যেখানে ঔষধ বিক্রেতারাই এক একজন প্রেসক্রাইবার যারা প্রেসক্রিপশানের ধার ধারেন না মোটেও- সেখানে এই চিত্রটার দেখাই মিলবে। পরিনামের কথা ভেবে আমাদের দেশে কেউই কিছু করেনা, এটাও বাস্তব।

ব্লগের সিংহভাগ ব্লগারই যেখানে চিকিৎসা বিজ্ঞান সম্পর্কে অনেকটাই ধারনাহীন এবং শোনা কথায় বেশী আস্থাবান তাই আমি চেষ্টা করেছি এন্টিবায়োটিকের ব্যবহার সম্পর্কে সহজবোধ্য করে লিখতে যাতে তাদের ভ্রম কাটাতে এই লেখাটি কিছুটা সাহায্য করবে পারে!

মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।
সাথেই থাকুন।

১৫| ০৬ ই মে, ২০১৯ দুপুর ১২:১৩

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
অতিরিক্ত কোন কিছুই ভাল না।

ধন্যবাদ পোস্টের জন্য।

০৮ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:০০

আহমেদ জী এস বলেছেন: মোঃ মাইদুল সরকার ,




মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ আপনাকেও।

সাথেই থাকুন। নিজে জানুন এবং অন্যকে জানতে সাহায্য করুন নইলে এই মহামারী থেকে বাঁচতে আর সহজ কোনও সচেতনতা মূলক পথ নেই।
শুভেচ্ছান্তে।

১৬| ০৬ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৫

নীল আকাশ বলেছেন: ভাই,
খুব প্রয়োজনীয় একটি বিষয় নিয়ে লিখছেন। অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার নিয়ে আমাদের এখনই বৃহৎ পরিসরে ভাবনা শুরু করা দরকার। বঙ্গবন্ধু মেডিকেলের উপর ঐ রিপোর্টের পর সরকারের এখনই দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরী হয়ে পেড়েছে।
ঢাবিয়ান ভাই আমার কথাই উপরে বলে দিয়েছেন: আমাদের দেশে ডাক্তারের প্রেস্ক্রিপশন ছাড়াও ফার্মেসিতে এন্টিবায়োটিক পাওয়া যায়। যে কারনে নন মেডিকেল পার্সনরা নিজেদের ইচ্ছেমাফিক এন্টিবায়োটিক খায়, যেটা খুবই ভয়ঙ্কর একটা ব্যপার । বিদেশে ডাক্তাররা পারতপক্ষে এন্টিবায়োটিক দিতে চায় না। আর আমাদের দেশে মানুষ সাধারন সর্দি কাশি হলেও ফার্মেসিতে গিয়ে কিনে নিয়ে আসে। এর চেয়ে ভয়ংকর হলো ফার্মেসিতে যারা বসেন তারাও এন্টিবায়োটিক আন্দাজে ডোজ না মেনে দিয়ে দেন।
আর একটা জঘন্য কথা, শুধুই নিজের লোভের জন্য প্রয়োজন ছাড়াও আজকাল ডাক্তাররা এন্টিবায়োটিক দিয়ে থাকেন । এটা বন্ধ করতেই হবে।
প্রিয়তে রেখে দিলাম। একজন ডাক্তার হিসেবে আপনার চেয়ে ভালো এই বিষয়ে আর কেই বা লিখতে পারবে।
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল!

০৮ ই মে, ২০১৯ সকাল ১১:১৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: নীল আকাশ,



বাস্তবটাই তুলে ধরেছেন।
এন্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার নিয়ে আমাদের বৃহৎ পরিসরে ভাবনা শুরু করা দরকারই শুধু নয় , প্রথমেই এবং একমাত্র ভাবেই দরকার প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্য্যন্ত সাধারন মানুষের সচেতনতা। যেখানে আইন না মানাই আমাদের রক্তে রক্তে মিশে আছে সেখানে আইন করে কিছু শোধরানো আমাদের দেশে কখনই তেমন একটা কার্যকর হয়নি এবং হবার কথাও নয়।

সাথে থাকার জন্যে ধন্যবাদ। শুভেচ্ছান্তে।

১৭| ০৬ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৫:২৭

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: মানব জাতির ভবিষ্যৎ অন্ধকার।

০৯ ই মে, ২০১৯ সকাল ৯:৩৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম,




সে ভবিষ্যৎ যাতে আরো অন্ধকার না হয় তাই সবস্তরেই সচেতনতা দরকার।

শুভেচ্ছান্তে।

১৮| ০৬ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩২

করুণাধারা বলেছেন: নন মেডিকেল ব্যক্তির জন্য কঠিন বিষয়টা সহজ করে বলেছেন, আমি বেশ ভালোভাবে বুঝতে পারলাম। B-)

বুঝতে পারলাম, এ যাবৎ অপ্রয়োজনে অনেক অ্যান্টিবায়োটিক খেয়েছি! যেমন আপনি বলছেন, সর্দি কাশি হলে অ্যান্টিবায়োটিক খাবার প্রয়োজন নেই। সর্দি হলে হয়ত খাইনি, কিন্তু কাশতে কাশতে অস্থির হয়ে গিয়ে অ্যান্টিবায়োটিক খাইনি, এমন কখনোই ঘটেনি!! নিজেই ডাক্তারের কাছে গিয়ে বলেছি, "চেস্ট ইনফেকশন হয়েছে, খুব কাশি, অ্যান্টিবায়োটিক দিয়ে দিন"। খেলাম ফাইমক্সিল! এমন কত ডাক্তারি যে নিজে করেছি, আর ডাক্তারও আমার কথা শুনে এন্টিবায়োটিক খেতে দিয়েছেন.........

এখন আমাদের ভেবে দেখার সময় হয়েছে- এভাবে নির্বিচারে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া যায় না.........

সচেতনতামূলক চমৎকার পোস্টে লাইক।

০৯ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:১১

আহমেদ জী এস বলেছেন: করুণাধারা,




আবারও এসে মন্তব্য করা সহ লাইক দেয়াতে প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই।

নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে যা বলেছেন, বাস্তব চিত্র কিন্তু সেটাই। আমরা সচেতন শ্রেনীরাই যখন এমনটা করি তখন সাধারন মানুষের অবস্থানটি কি তা বলা বাহুল্য।

আপনার বলাটাকেই কোট করি --এখন আমাদের ভেবে দেখার সময় হয়েছে- এভাবে নির্বিচারে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া যায় না.........

সাথেই থাকুন। শুভেচ্ছান্তে।

১৯| ০৬ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৩৩

রাজীব নুর বলেছেন: সুপারবাগ ভয়াবহ ।

০৯ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:৪৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: রাজীব নুর,




সুপারবাগ ভয়াবহ তো বটেই কিন্তু তারচেয়েও বেশী ভয়াবহ আমাদের অজ্ঞতা ও অবিমৃশ্যকারীতা।

২০| ০৭ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৪২

সোহানী বলেছেন: চাকরীর প্রয়োজনে কিছুদিন কাজ করেছিলাম হ্যাল্থ মিনিস্ট্রিতে। খুব খারাপলাগে অন্য মন্ত্রনালয় যেমনই হোক অন্য অন্তত হ্যাল্থ মিনিস্ট্রি সৎ থাকা উচিত কিছুটা হলেও। ভাবা উচিত বৃহত্তর স্বার্থ। এখনো সময় আছে যা করেছি তা বন্ধ করে ভবিষ্যত দেখা উচিত। জাতীয় হ্যাল্থ প্লেন করা উচিত অবিলম্বে।

বরাবরের মতোই সুপার পোস্ট।

০৯ ই মে, ২০১৯ সকাল ১১:২৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোহানী,





জাতীয় হেলথ প্লান বলে একটা কিছু আছে এদেশেও কিন্তু ঐ "আছে" পর্যন্তই। আসলে ভবিষ্যতের ভয়ালতা ভেবেই জনসচেতনতা বাড়াতেই হবে যে কোনও ভাবে।

অনেকদিন পরে দেখা মিললো! সাথেই থাকুন আর আপনাদের বলিষ্ঠ পরামর্শ দিন।

২১| ০৮ ই মে, ২০১৯ সকাল ৯:৪৫

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: এন্টিবায়োটিক নিয়ে এমন একটা সিরিজ পোস্ট করার জন্য প্রথমেই লেখককে জানাই সাধুবাদ :)
একরকম একটা সিরিজের দরকার ছিলো :)

এদেশের বেশিরভাগ মানুষই ডাক্তার একটা ঔষধ দিলেই হলো সেটাই মনে রাখে এবং পরবর্তীতে অকারণেও উক্ত ঔষধ সেবন করে। এক্ষেত্রে দেখা যায় কেউ কেউ ডোজই শেষ করে না। ফলাফল দাড়ায় ভয়াবহ।

কারনে-অকারণে এন্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহারের কারনে শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার ক্ষতি হয়। শরীর এন্টিবায়োটিকে অভ্যস্ত হয়ে যায়। এজন্যই বোধহয় বলা হয়, "কোনো কিছুরই বেশি ব্যবহার ভালো নয়"।

লেখাটা দুইবার পড়েছি। প্রত্যেকটা বিষয় চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন। এজন্য আপনাকে ধন্যবাদ :)

১০ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: আর্কিওপটেরিক্স,



এন্টিবায়োটিকের অপ্রয়োজনীয় ব্যবহারের একটি সুন্দর উদাহরণ দিয়েছেন যে, ডাক্তার একটা ঔষধ দিলেই হলো মানুষ সেটাই মনে রাখে এবং পরবর্তীতে অকারণেও উক্ত ঔষধ সেবন করে। আবার এমনটাও আছে , কারো কোনও রোগ হলেই কেউ একজন সাজেশান দেবে এই বলে - আমার খালাম্মার এই রকম অসুখ হয়েছিলো উনি এই ঔষধ খেয়ে এখন সুস্থ্য আপনিও ঐটা খান! মুশকিল হলো, আমাদের দেশের সবাই-ই একেকজন ডাক্তার। এটাই আগামী দিনগুলোতে ভয়ঙ্কর বিপদের দিকে ঠেলে দেবে চিকিৎসাকে।

সুন্দর মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ। সাথেই থাকুন । শুভেচ্ছান্তে।

২২| ০৮ ই মে, ২০১৯ সকাল ৯:৪৬

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: এক্ষেত্রে CDC এর কোনো ভূমিকা আছে কি?

১০ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৩১

আহমেদ জী এস বলেছেন: আর্কিওপটেরিক্স ,



CDC থেকে যদি সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল এ্যান্ড প্রিভেনশান বুঝিয়ে থাকেন তবে তাদের ভূমিকাটাই তো বেশী হওয়া উচিৎ নয় কি?
আমাদের দেশে এর আলামত তেমন একটা দেখিনি বা তারা যা করেন তা জনগণ জানেনা।

২৩| ০৮ ই মে, ২০১৯ দুপুর ১২:০৭

নীলপরি বলেছেন: আগেই এসেছিলাম । পুরোটা পড়া হয়নি । আজ পড়লাম । ভালো লাগলো , এতো কিছু জেনে । পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম ।

শুভকামনা

১০ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৪৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: নীলপরি,




লাইক দিয়েছেন দেখেছি, ধন্যবাদ।
জানার মতো আরো অনেক কিছুই আছে এই লেখাতে। সাথেই থাকুন। সময়-সুযোগ মতো পড়ুন।

শুভকামনা আপনার জন্যেও।

২৪| ০৮ ই মে, ২০১৯ দুপুর ১২:১৯

মনিরা সুলতানা বলেছেন: প্রয়োজনীয় লেখা, সিরিজের সাথে আছি।
অনেক ধন্যবাদ সহজ বোধ্য করে লেখার জন্য।

১০ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:১১

আহমেদ জী এস বলেছেন: মনিরা সুলতানা,



পড়ার জন্যে আপনাকেও ধন্যবাদ।
সিরিজের দ্বিতীয় পর্ব দিয়েছি ইতিমধ্যেই, খুব সহজ করে। সাথেই থাকবেন বলে আশা করছি।
শুভেচ্ছান্তে।

২৫| ০৮ ই মে, ২০১৯ দুপুর ১২:২৯

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: অলিতে গলিতে গ্রামে গঞ্জে গড়ে উঠা লাইসেন্স বিহীন ঔষুধের দোকান গুলোকে নিয়ন্ত্রন করা না গেলে এবং তাদের এন্টিবায়োটিক প্রেসক্রাইব করা বন্ধ করতে ব্যর্থ হলে এর পরিনাম হবে ভয়াবহ যা রোধ করা রাষ্ট্রের পক্ষে সম্ভব না।

১০ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:২৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: দেশ প্রেমিক বাঙালী,



বিশ্বসংস্থাগুলো যে ভয় করছে তাতে আমাদের দেশের অলিতে গলিতে গ্রামে গঞ্জে গড়ে উঠা লাইসেন্স বিহীন ঔষুধের দোকান গুলোকে নিয়ন্ত্রন করা না গেলে আসলেই তা সত্যে পরিনত হবেই। ঠিক আশঙ্কাই করেছেন আপনি।
আমাদের দেশে কোন কোন ব্যাকটেরীয়া ইতিমধ্যেই প্রতিরোধী হয়েছে এবং কোন কোন এন্টিবায়োটিকের উপর তারা কি পরিমানে রেসিষ্ট্যান্স গড়ে তুলেছে, তেমন কোনও গবেষণাও নেই।
পুরো চিত্রটিই বিপদ্জনক।

মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।

২৬| ০৮ ই মে, ২০১৯ দুপুর ১২:৩১

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: এবং ডাক্তারদের নাম কামানোর জন্য প্রথম পর্যায়েই এন্টিবায়োটিকে ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।

১০ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:২৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: দেশ প্রেমিক বাঙালী ,



"ডাক্তারদের নাম কামানোর জন্য প্রথম পর্যায়েই এন্টিবায়োটিকে ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।"
এটা ঠিক হবেনা। কারন ব্যাকটেরীয়াজাত সংক্রমনে ডাক্তারকে এন্টিবায়োটিক দিতেই হবে। তারা যা করতে পারেন তা হলো, অহেতুক এর ব্যবহার না করা।
সাথেই থাকুন, এন্টিবায়োটিক কখন এবং কি পদ্মতিতে প্রয়োগ করতে হয় তা জানতে পারবেন পরবর্তী পর্বগুলোতে।

২৭| ১০ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৪:১৫

রোকসানা লেইস বলেছেন: খুব গুরুত্ব পূর্ণ একটা বিষয়ে লিখেছেন। এই বিষয়টার উপর লেখার ইচ্ছা ছিল। আপনার লেখাটি দেখে ভালোলাগছে।
এন্টিবায়টিকেরও আগে আমাদের দেশের মানুষের সবাই ডাক্তার। যে কোন রোগ হলে অন্তত দশজনের থেকে দশ রকম চিকিৎসার উপদেশ,পরামর্শ পাবেন, বিনা পয়সায়।
নিজেই ডাক্তার হয়ে যান অনেকে। এছাড়া ফার্মাসিতে যারা ওষুধ বিক্রি করেন তাদের কোন ডিগ্রি নাই । বিদেশে দেখেছি ফর্মাসিস্ট অনেকটা ডাক্তারের মতন। ওষুধের নাড়ীনক্ষত্র খুব ভালোভাবে জানেন ডাক্তারের চেয়েও বেশি তাদের জ্ঞান।
ওষুধ কেনার পর র্ফামাসিস্ট যত্ন করে বুঝিয়ে দেন কতটা খেতে হবে কি নিয়ম পালন করে। সহকারীরা ওষুধ বোতলে ভরে দেওয়া আর টাকা নেয়ার কাজ করেন। যদিও তারাও যথেষ্ট অভিজ্ঞ কিন্তু তারা কোন পরামর্শ দিবেন না। প্রধান র্ফামাসিস্ট সঠিক ভাবে ওষুধ খাওয়ার ব্যাপারে কথা বলার আগ পর্যন্ত আপনি নতুন পাওয়া ওষুধটি নিয়ে যেতে পারবেন না।
এন্টিবায়টিক নিয়ে অনেক আগেই সাবধান বানী এসেছে। যে এন্টিবায়টিক একদিন ধবংস করে দিতে পারে মানব সভ্যতা। রেজিস্টেন্ট কমে যাবে এর অতি ব্যবহারের ফলে। কাজ করবে না। অথচ এন্টিবায়টিক নিয়ম মতন না খেয়ে মুড়ি মুড়কির মতন খাওয়া। যেন সাধারন ব্যাপার হয়ে গেছে।
আপনার এই গুরুত্বপূর্ণ লেখাটি কজন পড়বেন আর কজন জানবেন দেশে, আশংকা করছি। দেশে তো নিজেরাই কিনে খেতে পারেন এন্টিবায়টিক পর্যন্ত। প্রেসইক্রপশনের প্রয়োজন পরে না।
বছর তিনেক আগে একটা খবর দেখে চমকে উঠেছিলাম।
পুরুষ মাছ নারী হয়ে গেছে এন্টিবায়টিকের সংস্পর্শে এসে। রোগীরা যে পরিমাণ এন্টিবায়টিক নিচেছন। সুয়ারেজের পানির মাধ্যমে তা মিশে যাচ্ছে যে আধার থেকে পানি সংগ্রহ করে পরিশুদ্ধ করে সেখানে। সাপ্লাই পানি একই সার্কেলের পানির মধ্যে, সঠিক ভাবে পরিশোধিত না হয়ে মিশে যাচ্ছে অযথা এন্টিবায়টিক মানুষের শরীরে।
সাথে সাথে সাপ্লাইর পানির পরিশোধনে পদক্ষেপ নেয়া হলো। বিদেশে এসব বিষয়গুলো জনগন জানার আগে কতৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থা নিতে দেখি। তারপরও যা ক্ষয় ক্ষতি হওয়ার হয়ে যায় এর মধ্যে অজান্তে। আর জেনে শুনেও খাদ্যের মধ্যে নানারকম এন্টিবায়টিক প্রয়োগ করা হয়েছে এতদিন। তখন ভালো মনে করা হয়ে ছিল। যা এখন বন্ধ করা হচ্ছে।
কিন্তু দেশে, ইচ্ছা করে এন্টিবায়টিক তাতক্ষনিক ভালো হওয়ার জন্য যেমন নিজেই খেয়ে নিচ্ছেন। তেমন অসংখ্য ভেজাল দ্রব্য মিশানো হচ্ছে খাদ্য সামুগ্রীতে। ভবিষ্যতের কথা চিন্তা নয় কেবল বর্তমানের সুখের আশা।
মানুষের স্বাস্থ্য ভয়ানক হুমকির মুখে।
আপনার লেখাটি লিফলেট আকারে র্ফামাসি গুলোতে ঝুলিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেন।



১১ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:০৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: রোকসানা লেইস,




চমৎকার একটি মন্তব্য। দেশের আর বিদেশের ড্রাগ বা প্রেসক্রিপশান সার্ভিং সম্পর্কে সত্যটাই বলেছেন।
আমাদের ঘরে ঘরেই ডাক্তার আর ঔষধবিক্রেতারা কেউই "ফার্মেসী' বিদ্যার "ব'ও জানেনা।

আপনার এই গুরুত্বপূর্ণ লেখাটি কজন পড়বেন আর কজন জানবেন দেশে, আশংকা করছি। দেশে তো নিজেরাই কিনে খেতে পারেন এন্টিবায়টিক পর্যন্ত। প্রেসইক্রপশনের প্রয়োজন পরে না।
বাস্তব কথাটি বলেছেন। ব্লগের অনেকেই পড়বেন না জানি তবুও লেখাটি দিয়েছি এই ভরসায় যে, যারা যারা পড়বেন এবং বিষয়টি বুঝতে পারবেন, তারা তো সাবধান হতে পারবেন!

পরবর্তী পর্বগুলিতে আরো কিছু জানতে পারবেন। সাথেই থাকুন।
ভালো লাগলো আপনাকে এখানে দেখে।
শুভেচ্ছান্তে।

২৮| ১০ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৫৯

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: হ্যা সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল ই বুঝিয়েছি। তবে বাংলাদেশের খুব কম লোক এদের কাজকর্ম সম্পর্কে জানে।

এদেরই তো লিডিং ভূমিকা পালন করা উচিত। এ বিষয়ে পড়াশোনা শুরু করতে হবে দেখছি !

১১ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৪৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: আর্কিওপটেরিক্স,




এদেরই তো লিডিং ভূমিকা পালন করা উচিত।
হা...হা... কাকস্য পরিবেদনা। বাংলাদেশের জনগণ সরকারী কোন বিভাগটির কাজকর্ম সম্পর্কে জানে বা তাদের জানানো হয়? অথচ এই জনগণের মাথার ঘাম পায়ে ফেলে অর্জিত টাকার ট্যাক্স দিয়েই ঐসব হাতি পোষা হয়। যেখানে জবাবদিহিতার বালাই নেই সেখানে এমনটাই তো হবার কথা, তাইনা ?

২৯| ২৮ শে মে, ২০১৯ বিকাল ৩:০১

বঙ্গভূমির রঙ্গমেলায় বলেছেন:
এন্টবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহার মানবজাতি হুমকিতে পড়বে বিশ্বাস।

পরবর্তী পোস্টের অপেক্ষায় রইলাম.......।


আগাম ঈদের শুভেচ্ছা রইল। :)

২৯ শে মে, ২০১৯ সকাল ১০:৫৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: বঙ্গভূমির রঙ্গ মেলায়,





পরবর্তী পোস্টের অপেক্ষায় থাকতে হবেনা , ইতিমধ্যেই সব পর্ব পোস্টকরা হয়েছে। অনুগ্রহ করে এখানে ক্লিক করুন -. The world is running out of antibiotics... Why? এন্টিবায়োটিকের কথা। শেষ পর্ব

লেখাটি পড়ার জন্যে আর সাথে থাকার জন্যে ধন্যবাদ।
ঈদ শুভেচ্ছা।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.