নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ট্রুথ নেভার ডাই্‌জ

নিজের সম্পর্কে লেখার কিছু নেই । সাদামাটা ।

আহমেদ জী এস

পুরোপুরি একজন অতি সাধারন মানুষ । আমি যা আমি তাই ই । শয়তানও নই কিম্বা ফেরেশতা । একজন মানুষ আপনারই মতো দু'টো হাত, চোখ আর নিটোল একটা হৃদয় নিয়ে আপনারই মতো একজন মানুষ । প্রচন্ড রকমের রোমান্টিক আবার একই সাথে জঘন্য রকমের বাস্তববাদী...

আহমেদ জী এস › বিস্তারিত পোস্টঃ

The world is running out of antibiotics... Why? এন্টিবায়োটিকের কথা। দ্বিতীয় পর্ব

১০ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:০২


আগের পর্বগুলির লিংক -
“The world is running out of antibiotics...” এন্টিবায়োটিকের কথা।
The world is running out of antibiotics... Why? এন্টিবায়োটিকের কথা। প্রথম পর্ব

[“বাঁচতে হলে লড়তে হবে” এই সূত্র ধরে ক্ষুদে ক্ষুদে অনুজীবগুলোই এখন মানুষকে প্রতি নিয়ত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিচ্ছে। মানুষ পড়েছে মারাত্মক স্বাস্থ্য হুমকির মুখে। যে হারে অনুজীবগুলো তাদের বিরূদ্ধে ব্যবহৃত ঔষধগুলোর প্রতি রেসিষ্ট্যান্ট হয়ে যাচ্ছে ততো দ্রুত কিন্তু মানুষ নতুন নতুন ঔষধ নামক অস্ত্র সরবরাহ করতে ব্যর্থ। অনুজীবগুলোর সাথে পাল্লা দিয়ে মানুষ “সময়” নামের ফ্যাক্টরটিকে কব্জা করতে পারছেনা কিছুতেই। যথেচ্ছ ব্যবহারে হাতের কাছের সর্বশেষ এন্টিবায়োটিকটিও যদি অকেজো হয়ে যায় তবে আগামী দিনগুলোতে কঠিন কঠিন রোগগুলো থেকে মানুষকে আর বাঁচিয়ে আনা সম্ভব হবেনা।]

ব্যাকটেরীয়ার চরিত্র থেকেই শুরু করি আমরা –

একটি প্যাথোজন (Pathogen) হলো একটি অনুজীব যা কোনও প্রানী, উদ্ভিদ বা পতঙ্গে রোগসৃষ্টির কারন হয়ে দাঁড়ায়। আর এই প্যাথোজেনগুলোর থাকে প্যাথোজেনেসিটি (Pathogenicity) যা তার রোগ সৃষ্টির ক্ষমতাকে বোঝায়। একটি অনুজীব তার এই প্যাথোজেনেসিটির প্রকাশ ঘটায় তার ভ্যিরুলেন্স (Virulence) বা ক্ষতিকারকতা দিয়ে । আর এই ভ্যিরুলেন্স হলো অনুজীবগুলোর সংক্রমন ঘটানোর ক্ষমতার মাত্রার পরিমান। এই ভ্যিরুলেন্সের মাত্রা নির্ভর করবে তার জেনেটিক অথবা জৈবরাসায়নিক অথবা শারীরিক গঠনের বৈশিষ্টগুলোর উপর। যেমন খারাপ বংশের সন্তান খারাপই হবে, ভালো বংশের ভালো।

অনুজীব কর্তৃক সংক্রমনের প্রথম ধাপটিই হলো “কলোনাইজেশান” (Colonization) বা বসতি স্থাপন। যা হলো আপনার শরীরের উপযুক্ত প্রবেশ পথে অনুজীবটির নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা । এই বসতি স্থাপন করতে গিয়ে অনুজীবগুলি আপনার দেহের সেইসব টিস্যুগুলিকেই পছন্দ করে যে সব টিস্যু বাইরের আবহাওয়ার সংস্পর্শে রয়েছে এবং অনেকটাই আদ্র। এই এলাকাগুলো হলো আপনার ত্বক (Skin) শ্বাসনালী (Respiratory tract), পরিপাকনালী (Digestive tract), মূত্রনালী (Urinary tract) এবং চোখের পর্দা (Conjunctiva)। এই সকল এলাকায় যে সকল অনুজীব কলোনী তৈরী করে তারা সাধারনতঃ টিস্যুতে আটকে থাকা যায়, নিজের ভেতরে এমন একটা পদ্ধতি তৈরী করে নেয় এবং আপনার নিজস্ব ডিফেন্স সিষ্টেম বা প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার অব্যাহত চাপকে অতিক্রম করা বা বাঁধা দেয়ার ক্ষমতাও অর্জন করে নেয়। আপনি জেনে অবাক হবেন, আপনার ঐ সকল জায়গাতে যে অনুজীব (নর্মাল ব্যাকটেরীয়াল ফ্লোরা) বিরাজ করে তারা সংখ্যায় আপনার দেহে যে ৫০ থেকে ১০০ ট্রিলিয়ন কোষ আছে তার চেয়েও কয়েকগুন বেশী। এরা সবাই-ই যে কান কাটা কামাল বা মুরগী মিলনের মতো খতরনাক, তা কিন্তু নয়। অনেক ছোটখাটো মাস্তানের পাশাপাশি কিছু ভালো অনুজীবও আছে এদের মধ্যে। এদেরকে আমরা বলি “সিমবায়োটিক” (Symbiotic)। এরা আপনার শরীরকে আশ্রয় করেই ঘুরে ফিরে বেড়াবে আর আপনার শরীর থেকেই খাবার খেয়ে বেঁচে থাকবে কিন্তু বিনিময়ে তারা আবার আপনার কিছু উপকারও করে দেবে। যেমন- ল্যাকটোব্যাসিলাস। এরা আপনার খাবারের দুগ্ধজাতীয় অংশকে হজমে সাহায্য করবে এবং কিছুটা “ভিটামিন-কে” তৈরী করবে। আছে- ব্যাকটেরয়েডস থিটাআওটামাইক্রন (Bacteroides Thetaiotamicron) যারা আপনার খাবারের উদ্ভিজ জাতীয় খাবারের মধ্যের গুরুপাচ্য অংশকে সহজপাচ্য করতে সাহায্য করবে। এদেরকে আপনি আপনার শরীরের “পেয়িং গেষ্ট” বলতে পারেন।


ছবি - আপনার শরীরে লেগে থাকা যতো অনুজীব ।

কিছু অনুজীব আছে মিনমিনে স্বভাবের। এদেরকে বলা হয় “কমেনসাল” (Commensal)। এরাও আপনারটা খেয়ে পড়েই বেঁচে থাকবে, আপাত নিরীহ দর্শন কিন্তু সুযোগ পেলেই আপনার ক্ষতি করতে ছাড়বেনা। এরা হলো আপনার “নন-পেয়িং গেষ্ট”। যেমন আপনার বাড়ীতে কেউ কেউ বেড়াতে আসে, দু’চারদিন থাকে, খায়-দায়, ঘোরে-ফেরে, নেহাৎ ভদ্দরলোক। কিন্তু তারা চলে গেলে দেখা যাবে আপনার মোবাইলটি হাওয়া, সান-গ্লাসটি নেই, লিপিষ্টিকটা আর খুঁজে পাচ্ছেন না। এমনকি হয়তো লুঙ্গিটাও নেই ! আপনার শরীরের উপরিভাগে থাকা লক্ষকোটি অনুজীবই এই শ্রেনীর। এরা সুযোগসন্ধানী।
আর কিছু আছে ভয়ঙ্কর যাদেরকে বলা হয় “প্যাথোজেনিক”। এরা শুধু আপনার শরীরে রোগই ঘটায় না আপনার আয়ুষ্কালের বারোটা বাজিয়ে দিতেও পারে।
এইসকল অনুজীব যে কেবল আপনার দেহেই থাকে তা নয়, থাকে আপনার চারপাশের আবহাওয়া আর পরিবেশে, প্রথম পর্বের শুরুতে যে এনভায়রনমেন্ট বা পরিবেশের কথা বলা হয়েছে সেখানে।

ব্যাকটেরীয়ার স্বভাব চরিত্র সম্পর্কে আপনার কিছুটা ধারনা হলো, এবারে জেনে নিন এন্টিবায়োটিকের চরিত্র এবং এর খুটিনাটি কিছু দিক -
১৯২৯ সালের কোনও একদিন স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং “পেনিসিলিন” নামের প্রথম এন্টিবায়োটিকটি আবিষ্কার করে বসলেন নেহাৎ ঘটনাচক্রেই। একটি এ্যাগার ( Agar যা অনুজীবদের খাবার হিসেবে ব্যবহার করা হয়। অনেকটা মাছকে আকৃষ্ট করার জন্যে আপনি বড়শীতে যে “আদার” বা “চাড়” বা “ফিড” ব্যবহার করে থাকেন তেমন একধরনের খাবার) পাত্রে ষ্ট্যাফাইলোকক্কাই নামক একটি ব্যাকটেরীয়ার বংশবৃদ্ধি লক্ষ্য করছিলেন ফ্লেমিং। অবাক হয়ে দেখলেন, বংশবিস্তার তো ঘটেই-নি উল্টো ব্যাকটেরিয়াগুলোই মারা পড়েছে। খুঁজে পাওয়া গেলো কারনটি। এ্যাগারের পাত্রটিতে পেনিসিলিয়াম নামের এক ধরনের ছত্রাক বাসা বেঁধেছে। সেই ছত্রাকের নিঃসৃত রসের কারনেই মারা পড়েছে ফ্লেমিংয়ের ব্যাকটেরিয়াগুলি। আবিষ্কার হলো “পেনিসিলিন” নামের প্রথম এন্টিবায়োটিকটি। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ এবং যুদ্ধের আঘাতজনিত ক্ষতে ব্যাকটেরীয়ার সংক্রমনের অবশ্যম্ভাবীতা ছিলো পেনিসিলিনের থেরাপিউটিক ভ্যালু বা প্রয়োগিক উপযোগীতা মূল্যায়নের একটি প্রেরনা। ১৯৪৬ সাল নাগাদ পেনিসিলিন ব্যাকটেরীয়াল সংক্রমনের চিকিৎসায় সহজলভ্য হয়ে গেলো। প্রথম দিকে ষ্ট্যাফাইলোকক্কাই এবং ষ্ট্রেপটোকক্কাই ব্যাকটেরীয়া দ্বারা সংগঠিত সকল ইনফেকশানের চিকিৎসায় পেনিসিলিন হয়ে উঠলো ধন্বন্তরী। মানুষের দেহের অনেক ইনফেকশানের বিরূদ্ধে এর অবিশ্বাস্য কার্যকরীতা, পাশাপাশি মানুষের টিস্যুর উপর এর কোনও ক্ষতিকারক প্রভাব না থাকার ঘটনাটিই এন্টিবায়োটিক কেমোথেরাপীর মৌলিক নীতিমালাকে সামনে নিয়ে এলো। আর এ থেকেই জীবন রক্ষায় “সিলেক্টিভ টক্সিসিটি” বা বিশেষভাবে চিহ্নিত বিষক্রিয়ার প্রসঙ্গটিও উঠে এলো। ইনফেকশান বা সংক্রমনের চিকিৎসায় ব্যবহৃত এন্টিবয়োটিকগুলোকে অবশ্যই ব্যাকটেরীয়ারদের বিরূদ্ধেই কার্যকর হতে হবে কিন্তু কোনও হোষ্ট বা প্রানীকোষের উপরে এরা কোনও বিষক্রিয়া বা প্রভাব ফেলতে পারবেনা। তাই বাজারে হরেক রকমের এন্টিবায়োটিকের দেখা পাচ্ছেন আপনি কারন ব্যাকটেরীয়ার উপর একেক শ্রেনীর এন্টিবায়োটিকের কাজের ধরন আলাদা আলাদা। এরা কেউ ব্যাকটেরীয়ার কোষপ্রাচীর তৈরীতে বাঁধা দেয় অর্থাৎ কোষের দেয়াল তুলতে দেয়না যেমন- পেনিসিলিনস, সেফালোস্পোরিনস (সেফালেক্সিন, সেফুরোক্সাইম, সেফট্রায়াক্সন,সেফিক্সাইম,সেফেপাইম)। কেউ কেউ এদের ডি-এন-এ তৈরীতে প্রভাব ফেলে যেমন-ফ্লুরোকুইনোলনস ( সিপ্রোফ্লক্সাসিন, লিভোফ্লক্সাসিন, স্পারফ্লক্সাসিন ইত্যাদি)। কেউ ব্যাকটেরীয়ার প্রোটিন সংশ্লেষনে বাঁধা দিয়ে তাদেরকে ভাতে মারে পানিতে মারে যেমন- টেট্রাসাইক্লিনস, ক্লোরামফেনিকল, এজিথ্রোমাইসিন ইত্যাদি ইত্যাদি।
আপনার সহজ বুদ্ধিতেই আপনি জানেন যে, এন্টিবায়োটিক একটি মারাত্মক রাসায়নিক বস্তু। এই সব রাসায়নিক বস্তু ব্যাকটেরীয়া কোষের বিভিন্ন জায়গাতে মরনঘাতী আঘাত হানে যা উপরেই বলা হয়েছে। অথচ আপনার দেহটিও তো কোষ দ্বারা তৈরী তার কেন ক্ষতি হয়না? হয়না, কারন ব্যাকটেরীয়ার কোষ যা যা দিয়ে যেমন ভাবে তৈরী, আপনার কোষটি কিন্তু তেমন করে তৈরী নয়। যেমন - ব্যাকটেরীয়ার কোষপ্রাচীর তৈরীতে “পেপটাইডোগ্লাইকেনস” নামক একটি প্রোটিন লাগে। আপনার কোষ তৈরীতে এই বস্তুটির দরকার নেই।
এখন দেখা যাক মানুষের তৈরী এই সব মারনাস্ত্রের বিরূদ্ধে ব্যাকটেরীয়াগুলোর প্রতিক্রিয়া কেমন। আপনি মানুষ নামের মহাপরাক্রমশালী প্রানী হয়ে ব্যাকটেরীয়াদের মতো ক্ষুদে প্রানীগুলোকে ক্রসফায়ারে ফেলে দেবেন আর তারা নিরবে তা মেনে নেবে, তা কি হয় ? “বীরভোগ্যা বসুন্ধরা” এমন একটা প্রবচন তো আছেই। তাই বাঁচতে হলে লড়তেই হবে। তাই টিকে থাকতে গিয়ে এই নগন্য প্রানীগুলো হয়তো আপনাকে ব্রাশফায়ারে নিপাত করতে পারবেনা ঠিক কিন্তু লাঠিসোটা নিয়ে আপনার বিরূদ্ধে সন্মুখ সমরে নেমে যেতে তো পারবে! তা যদি নাও পারে তবে দূর থেকে ইট-পাটকেল তো ছুঁড়ে মারার চেষ্টা করবেই। তাতেও যদি বাঁধা পরে তবে মনে মনে কিছু গালাগালি তো তারা দেবেই । অর্থাৎ আপনার ছুঁড়ে দেয়া এটমবোমার বিরূদ্ধে ব্যাকটেরীয়াগুলোও তাই সম্ভাব্য সকল উপায়ে লড়ে যাবে এবং যাচ্ছেও সেই এন্টিবায়োটিক আবিষ্কারের পর থেকেই।
পেনিসিলিনের আবিষ্কার ও ব্যবহারের অল্পকালের মধ্যেই ষ্ট্যাফাইলোকক্কাই এর কিছু প্রজাতির (Strains) মধ্যে পেনিসিলিনের বিরূদ্ধে রেসিষ্ট্যান্ট হয়ে ওঠার ঘটনা প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে ষ্ট্যাফাইলোকক্কাস অরিয়াস নামের ব্যাকটেরীয়ার সকল প্রজাতির ৮০%ই কিন্তু পেনিসিলিনের বিরূদ্ধে রেসিষ্ট্যান্ট। আপনার শরীরে পূঁজ হওয়া সংক্রান্ত প্রায় সকল ইনফেকশানের ( যেমন - ফোঁড়া, বিষফোঁড়া, কান-পাকা, টনসিলাইটিস) পেছনে মূলত এরাই দায়ী। তবে বিস্ময়কর ভাবে স্ট্রেপটোকক্কাস পাইওজেনস (গ্রুপ-এ) নামক ব্যাকটেরীয়াটি যারা আপনার শ্বাসনালীর প্রদাহ, টনসিলাইটিস, বাতজ্বর, কিডনীতে নেফ্রাইটিস ইত্যাদি রোগ সৃষ্টি করে তারা কখনই পেনিসিলিনের বিরূদ্ধে সম্পূর্ণভাবে রেসিষ্ট্যান্স গড়ে তুলতে পারেনি। সেজন্যেই স্ট্রেপটোকক্কাল ইনফেকশনের অধিকাংশ ক্ষেত্রেই পেনিসিলিন একটি যুক্তিসংগত পছন্দ হিসেবে থেকে গেছে। এখন যদি আপনি সব ধরনের সংক্রমনেই পেনিসিলিন ব্যবহার করতে চান তবে সেটা হবে ভুল।
এই সব ব্যাকটেরীয়া যে পাইরোজেনিক এক্সোটক্সিন আপনার শরীরে ছড়াবে তা থেকেই হবে আপনার “জ্বর”। তাই জ্বর হলো একটি প্রটেক্টিভ রেসপন্স যে কথা আগেই বলা হয়েছে।

এখন ঐ যে বললুম, ব্যাকটেরীয়াগুলোও এন্টিবায়োটিকের বিরূদ্ধে সম্ভাব্য সকল উপায়ে লড়ে যাচ্ছে সেই এন্টিবায়োটিক আবিষ্কারের পর থেকেই, তাই একে একে এরা প্রায় সকল এন্টিবায়োটিকের বিরুদ্ধে কালে কালে রেসিষ্ট্যান্ট হয়ে যাচ্ছে। ১৯৪০ দশকের শেষার্ধ থেকে ১৯৫০ সালের প্রথমার্ধে স্ট্রেপটোমাইসিন, ক্লোরামফেনিকল এবং টেট্রাসাইক্লিন এর আবিষ্কার এবং চিকিৎসাক্ষেত্রে এদের সংযোজন সূচিত করেছে পূর্ণমাত্রায় এন্টিবায়োটিক যুগের। যত্রতত্র, যখন তখন ব্যবহৃত হতে থাকলো এইসব ঔষধ। বেশিদিন যেতে পারেনি ১৯৫৩ জাপানে একটি সিজেলা ( Shigella) বা আমাশয় জনিত রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটে গেলে দেখা গেলো মাল্টিড্রাগ রেসিষ্টান্ট হয়ে গেছে এমন একটি ডিসেন্ট্রি ব্যাকটেরীয়ার আবির্ভাব ঘটেছে। এরা তখন প্রচলিত সব এন্টিবায়োটিক যেমন ক্লোরামফেনিকল, টেট্রাসাইক্লিন, সালফোনামাইড, স্ট্রেপটোমাইসিন এর বিরূদ্ধে রেসিষ্ট্যান্স তৈরী করে ফেলেছে। আরো দেখা গেল, ব্যাকটেরীয়া যে মাল্টিড্রাগ রেসিষ্টান্ট জিনকে নিজেদের একে অপরের ভেতরে চালান করে দিতে পারে তেমনি অন্য প্রজাতির ব্যাকটেরীয়ার ভেতরেও চালান করে দিতে পারে তার স্বাক্ষ-প্রমান দিন দিন বাড়ছে। এ থেকে বোঝা গেলো যে, দীর্ঘদিন এন্টিবায়োটিকের বহুল ব্যবহারে ব্যাকটেরীয়াগুলোও শিখে ফেলেছে এদের হাত থেকে বাঁচার কায়দা-কানুনগুলো।

ব্যাকটেরীয়াগুলো কি করে রেসিষ্ট্যান্ট হয়, আপনাদের আরও ভালোভাবে বোঝার সুবিধার জন্যে আবার তা খোলাসা করে বলাটা নিশ্চয়ই বাহুল্য হবেনা -
যখন আপনি একটি ব্যাকটেরীয়াল ইনফেকশানের হাত থেকে বাঁচার জন্যে যুদ্ধ করে যাচ্ছেন তখন আপনার ইমিউন সিষ্টেম যা আপনার শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, তার উপর প্রচন্ড চাপ সৃষ্টি হয়। অনুপ্রবেশকারী ব্যাকটেরীয়ার বিরূদ্ধে যখন এই ইমিউন সিষ্টেমটাকে নামতেই হয় একটা যুদ্ধে তখন একটা এন্টিবায়োটিককে আনা হয় অক্সিলারী ফোর্স বা আনসার বাহিনী হিসেবে। দাঙ্গা দমনে যখন সাধারন পুলিশ বাহিনী দিয়ে দাঙ্গা সামাল দেয়া যায়না তখন যেমন স্পেশাল দাঙ্গাপুলিশ নামাতে হয় , ব্যাপারটি অনেকটা তেমনই। এই এন্টিবায়োটিকগুলি অনুপ্রবেশকারী ব্যাকটেরীয়ার বিরুদ্ধে ততক্ষন পর্য্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যায় যতোক্ষন পর্য্যন্ত না আপনার ইমিউন সিষ্টেম বিদেশী আক্রমনের ধাক্কা সামলে উঠে বাকী আক্রমনকারীদের ধংস করে ফেলতে পারে। ওদিকে দাঙ্গাকারীরা যেমন হরেক কৌশল বা রাস্তা বের করে পুলিশকে পিছু হঠাতে চায় তেমনি ব্যাকটেরীয়াগুলিও প্রতিরোধের বিভিন্ন উপায় নিয়ে হাজির হয়। যেমন-
এন্টিবায়োটিকগুলিকে তার লক্ষ্যস্থলে পৌঁছুতে না দেয়া- যখন আপনি কাউকে এড়িয়ে চলতে চান তখন আপনি কি করেন? হয় আপনি পালিয়ে থাকেন নয়তো তাদের ফোন কল রিসিভ করেন না বা সহজেই তাকে কাছে আসতে দিতে চাননা। ব্যাকটেরীয়াগুলোও এন্টিবায়োটিককে দূরে সরিয়ে রাখতে আপনার মতোই কৌশলগুলো ব্যবহার করে। একটি এন্টিবায়োটিককে তার লক্ষ্যবস্তুতে পৌঁছুতে বাধা প্রদান করার কার্যকর পদ্ধতি হলো তাকে মোটেও গ্রহন না করা অর্থাৎ ধারে কাছে ঘেসতে না দেয়া। ব্যাকটেরীয়াগুলো ঠিক এই কাজটিই করে থাকে, তার কোষ আবরণীর ভেদ্যতা(Permeability) পরিবর্তন করে ফেলে অথবা তার কোষাভ্যন্তরে প্রবেশের যতোগুলো দরজা খোলা ছিলো( এই দরজাগুলো তার দরকার হয় খাদ্যগ্রহন, রেচন, শ্বাসপ্রশ্বাস ইত্যাদির জন্যে) তাদের অনেকগুলিকেই বন্ধ করে দিয়ে ঔষধ প্রবেশে বাঁধা প্রদান করে। এছাড়াও তারা আর একটি পদ্ধতি প্রয়োগ করে থাকে। জুয়া খেলার আড্ডাগুলোতে গন্ডোগোল পাকানো জুয়ারীদের চ্যাংদোলা করে দরজার বাইরে ছুঁড়ে ফেলার জন্যে যেমন মাস্তান বা Club Bouncer পোষা হয় তেমনি ব্যাকটেরীয়াগুলোকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করার জন্যে তারা ‘মলিকিউলার ইকুইভ্যালেন্ট’ তৈরী করে ফেলে। কতক ব্যাকটেরীয়া আবার ATP থেকে শক্তি সংগ্রহ করে পাম্পের মাধ্যমে ব্যাকটেরীয়াগুলোকে বাইরে বের করে দেয়।
লক্ষ্যবস্তুর পরিবর্তন - অনেক এন্টিবায়োটিক তাদের ব্যাকটেরীয়াগুলোর লক্ষ্যবস্তুতে আঠার মতো লেগে থাকে আর ব্যাকটেরীয়ার কোষের অন্যান্য অনুগুলোর সাথে এই লক্ষ্যবস্তুর স্বাভাবিক ক্রিয়াকলাপ চলতে বাঁধা দেয়। ব্যাকটেরীয়াগুলো এখানে একটি চালাকী করে থাকে। তারা এই লক্ষ্যবস্তুর গঠন পরিবর্তন করে ফেলে এমনকি তাকে আর একটি নতুন অনু দ্বারা প্রতিস্থাপন করে যাতে এন্টিবায়োটিক তাদের চিনে ফেলতে না পারে অথবা লেগে থাকতে না পারে। যেমনটা, শত্রুর আস্তানা খুঁজে না পেলে আপনি সেখানে ঢুকবেন কি করে?
এন্টিবায়োটিককে ধংসকরন - এই পদ্ধতিটি ব্যাকটেরীয়ার জন্যে এন্টিবায়োটিকের সাথে পাল্লা দেয়ার চূড়ান্ত পর্যায়। এখানে ব্যাকটেরীয়াগুলি সরাসরি তার প্রতিদ্বন্দী এন্টিবায়োটিকটিকে নিষ্ক্রিয় করার মাধ্যম বেঁচে থাকে। কিছু ব্যাকটেরীয়া আছে যারা ‘বিটা-ল্যাকটামেজ” নামের একধরনের এনযাইম উৎপাদন করে যা সরাসরি এন্টিবায়োটিকটিকে ধংস করে দেয়।
এখন কথা হলো, ঔষধের সাথে যুদ্ধ করার এই কলাকৌশলগুলি ব্যাকটেরীয়ারা পেল কোথায়?
কতক ব্যাকটেরীয়ার ক্ষেত্রে দেখা যায় তাদের আদৌ কোনও যুদ্ধকৌশল নেই। আর কতক ব্যাকটেরীয়া আছে যারা তাদের জন্মগত ক্ষমতাকেই কাজে লাগায়। তৎস্বত্তেও অনেক ব্যাকটেরীয়াই একটি নির্দিষ্ট এন্টিবায়োটিকের বিরূদ্ধে প্রথম থেকেই প্রতিরোধ গড়ে তুলতে সক্ষম হয়নি। তারা এই ক্ষমতা গড়ে তুলেছে একই প্রজাতির অন্য ব্যাকটেরীয়া থেকে গৃহিত জিন (Gene) এর কপি থেকে যা পরিবর্ত একটি প্রোটিনের বা বিটা-ল্যাকটামেজ এর এনকোড। এমনকি তারা ভিন্ন প্রজাতি থেকেও একই রকম জিন এর একটি কপি পেয়ে থাকে।
এইরকম রেসিষ্ট্যান্ট জিন পেতে ব্যাকটেরীয়াদের রয়েছে বিভিন্ন রাস্তা। এই রকম একটি রাস্তা হলো, রূপান্তরের সময় সমগোত্রীয় অনুজীবগুলি পরষ্পর সংলগ্ন হতে পারে এবং একে অপরকে ডি-এন-এ আদান প্রদান করতে পারে। আরেকটি রাস্তা আছে - প্লাজমিড (Plasmid)। প্লাজমিড হলো ব্যাকটেরীয়াল ক্রোমোজমের এর বাইরে থাকা ডি-এন-এর একটি ক্ষুদ্র ও গোলাকার অংশ। এই প্লাজমিডগুলো বিভিন্ন এন্টিবায়োটিকের বিরূদ্ধে প্রতিরোধের নির্দেশনা এনকোড করতে পারে। অনেকটা রেকর্ড কিপারের মতো কাজ এদের। এরা সেই রেকর্ড অন্য ব্যাকটেরীয়াকে ধরিয়ে দিতে পারে। ক্লিনিক্যাল প্রাকটিসে আমরা যে সব এন্টিবায়োটিক রেসিষ্ট্যান্সের ঘটনা দেখি তার বেশীর ভাগই এই প্লাজমিডের কাজ।

ছবি - প্লাজমিডের কাজের ধরন

তৃতীয় রাস্তাটি হলো- ট্রান্সপোজন (Transposon)। এরা হলো নাচুনে এক একটি জিন। এরা DNA এর একটি ছোট টুকরো যারা লাফিয়ে লাফিয়ে DNA এর একটি অনু থেকে আর একটি DNA অনুতে যেতে পারে।এরা একবার একটি ক্রোমোজম বা প্লাজমিডের নাগাল পেলে তার মধ্যে গেড়ে বসে।
আর শেষের রাস্তাটি হলো মৃত বা পচনশীল ব্যাকটেরীয়ার DNA খুঁজে বের করা।

ব্যাকটেরীয়াগুলো এভাবেই জন্মগত বা প্রাকৃতিক উপায়ে মিউটেশান ও সিলেকশানের মধ্যে দিয়েই এন্টিবায়োটিকের বিরূদ্ধে যতো রেসিষ্ট্যান্স গড়ে তোলে। আমাদের দূর্ভাগ্য এই যে, যদি একটি ব্যাকটেরীয়া তার ক্রোমোজমাল ডিএনএ’ন ভেতর একই রকম একটি প্রতিরোধ সক্ষম জিন পেয়ে যায় অথবা ঘুরে বেড়ানো একটি প্লাজমিডকে খপ করে ধরে ফেলতে পারে তবে তার বংশধরগন উত্তরাধিকার সূত্রে সেই জিনটির গুনাবলী পেয়ে যাবে এবং গোষ্ঠী পরম্পরায় চলতে থাকবে প্রতিরোধ। এখন প্রশ্ন, কেন এই প্রতিরোধ সক্ষম জিনটি বেঁচে থাকে আর কেনই বা তা সকল ব্যাকটেরিয়া গোষ্ঠীতে ছড়িয়ে যায় ? উত্তরটি আর কিছুই নয়, ডারউইনের “সারভাইবাল অব দ্য ফিটেষ্ট” সূত্র অনুযায়ী রেসিষ্ট্যান্ট জিন সম্বলিত ব্যাকটেরীয়াটি মানুষের তৈরী অস্ত্রের বিরূদ্ধে সংগ্রাম করে টিকে থেকে বংশ বিস্তার চালিয়ে যেতে থেকে আর তা একসময় সাসেপটিবল বা সংবেদনশীল ব্যাকটেরীয়ার সংখ্যা ছাড়িয়ে যায়। আর আপনি হয়তো জানেনই , ব্যাকটেরীয়াদের বংশবিস্তার হয় ম্যালথাসের সূত্র অনুযায়ী- জ্যামিতিক হারে এবং তা কয়েক ঘন্টার ভেতরেই।

ছবি - ব্যাকটেরীয়াল মিউটেশান।

তো ব্যাকটেরীয়া যদি এমনিভাবে বারবার বুদ্ধিমান মানুষকে হারিয়ে দিতে চায় তবে মানুষ কি করবে? সে রেসিষ্ট্যান্ট হয়ে যাওয়া এন্টিবায়োটিকের খোল নলচে (কেমিক্যাল ষ্ট্রাকচার) পাল্টে ফেলবে যাতে ব্যাকটেরীয়াগুলো তাকে চিনতে না পারে। মানুষ করেছেও তাই। ১৯৬১ সালে পেনিসিলিনের কেমিক্যাল ষ্ট্রাকচার খানিকটা পাল্টে দিয়ে মানুষ বানিয়েছে এমপিসিলিন। এই নতুন ঔষধ ব্যাকটেরীয়ারা আগে দেখেনি কখনও, জানেনা কি করে এর বিরূদ্ধে যুদ্ধ করবে তারা। ব্যাকটেরীয়ারগুলো মরতে লাগলো পটাপট । মানুষও তখন দেদারসে যে কোনও ইনফেকশানে এটাই ব্যবহার করতে থাকলো। দীর্ঘদিন ধরে মার খাওয়ার অভিজ্ঞতা থেকে একসময় ক্ষুদে ব্যাকটেরীয়ারগুলো শিখে ফেললো এমপিসিলিনকে প্রতিরোধের কৌশল। মানুষ তো আর হেরে যাবার পাত্র নয় সে পেনিসিলিনকে অন্যভাবে ঘুরিয়ে ১৯৬২ সালে বাজারে নিয়ে এলো-ক্লক্সাসিলিন। ১৯৭২ সালে এমপিসিলিনকে আরেকটু পাল্টে বানিয়ে ফেললো এমক্সিসিলিন। এভাবেই বাজারে আসতে থাকলে নতুন নতুন এন্টিবায়োটিক। চলতে থাকলো মানুষ আর ব্যাকটেরীয়ার মধ্যে অসম এক যুদ্ধ যে যুদ্ধ কখনও থেমে যাবার নয়, চলছে আজ অবধি। এবারে আপনারা নিশ্চয়ই বুঝতে পেরেছেন হাযারো এন্টিবায়োটিক কেন বাজারে?

চলবে..........................

[ ছবির জন্যে ইন্টারনেট এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে কৃতজ্ঞ । ]

মন্তব্য ৪৬ টি রেটিং +১৫/-০

মন্তব্য (৪৬) মন্তব্য লিখুন

১| ১০ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৪৩

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: অসাধারণ একটি পোস্ট। তথ্যসমৃদ্ধ, শ্রমসাধ্য ও সহজবোধ্য ভাষায় লেখা। এ টু জেড পড়ে আগের পর্বগুলোর মর্মার্থ ভালোভাবে বুঝতে পারলাম। তবে আমার মনে একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। আর তা' হলো সময় যতই লাগুক, ব্যাকটেরিয়া বিধ্বংসী নতুন নতুন এন্টিবায়োটিক তৈরির উৎস কী সীমিত হয়ে আসছে? তাহলে এক সময় যখন আর কোন উৎসই পাওয়া যাবে না, তখন তো মহা সর্বনাশ।
পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম। ধন্যবাদ ভাই আহমেদ জী এস।

১০ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৪৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম,



ধন্যবাদ পোস্টটি পড়ে মন্তব্য করার জন্যে।
আপনার আশঙ্কার জবাব আসছে আগামী পর্বে।

ভালো থাকুন আর সাখেই থাকুন।

২| ১০ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৫৫

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: ভাই Shutterstock থেকে ছবিটা নামিয়ে এখানে আপলোড করেছি। পোস্টের ছবিটা এটা দিয়ে আপডেট করতে পারেন।
https://archive.org/download/shutterstock-703941442/shutterstock-703941442.png

১০ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:০৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: আর্কিওপটেরিক্স,




ধন্যবাদ ছবিটির জন্যে। আপডেট করে দিয়েছি।

৩| ১০ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:১৭

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: সিমবায়োটিক জীবন ব্যবস্থা কি মিউচুয়ালিজম নামে পরিচিত? মিথোজীবিতা?

r- প্লাজমিড অর্থ রাইবোজোমাল প্লাজমিড বলা যায় কি?

প্যাথোজেনই কি ম্যালেরিয়ার জন্য দায়ী? (প্যারাসাইট বলে যাকে)

প্লাজমিডই তো রিকম্বিনান্ট ডিএনএ টেকনোলজির মূল? তাই নয় কি?

এন্টিবায়োটিক এর সাথে গ্রাম + - এর সম্পর্ক কি?


বরাবরের মতোই চমৎকার চমৎকার একটা পোস্ট :)

প্রিয়তে নিলাম :)

১০ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:৫৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: আর্কিওপটেরিক্স ,



আপনার প্রশ্নের প্রথমটি - মিথোজীবিতাও বলতে পারেন।

দ্বিতীয়টি - না । ছবিতেই আপনার উত্তর দেয়া আছে।

তৃতীয়টি - ম্যালেরিয়া একটি প্যারাসাইটিক রোগ। প্লাজমোডিয়ামের প্রজাতি দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ম্যালেরিয়া হয়ে থাকে। এটাও একধরনের প্যাথোজেন।

চতুর্থটি - না। রিসার্চাররা একটি ডিএনএ'র ক্ষুদ্র অংশ অথবা জিনকে প্লাজমিডে ঢুকিয়ে দিয়ে রি-কম্বিনেশান করতে পারেন। কিন্তু এটাই সম্ভবত রিকম্বিনান্ট ডিএনএ টেকনোলজির মূল নয়। পড়াশোনা করে বলতে হবে, সঠিকটি কি!

পঞ্চমটি - গ্রাম ষ্টেইনিং হলো মাইক্রোস্কোপের নীচে ব্যাকটেরীয়াদের দেখার সুবিধার্থে এ্কটি ষ্টেইনিং বা রঞ্জন পদ্ধতি। এ থেকেই গ্রাম পজেটিভ আর গ্রাম নেগেটিভ এসেছে। এন্টিবায়োটিকের সাথে এদের সম্পর্ক সেই অর্থে নেই। কোনও কোনও এন্টিবায়োটিক শুধুমাত্র গ্রাম পজেটিভ ব্যাকটেরীয়ার উপরে কাজ করে কেউবা শুধু গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরীয়ার উপরে কাজ করে। এই জাতীয় এন্টিবায়োটিকদের বলা হয় "ন্যারো স্পেকট্রাম" এন্টিবায়োটিক।
আর যারা উভয় ক্ষেত্রেই কাজ করে তারা " ব্রড-স্পেকট্রাম" এন্টিবায়োটিক।

প্রিয়তে নেয়ার জন্যে কৃতজ্ঞ। মন্তব্যে ভালোলাগা।

৪| ১০ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:২১

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: অ্যাগারই কি টিস্যু কালচারের মিডিয়া?

সিজেলা, স্যালমোনেলা........... Food poisoning..........

সি ফুড.......

১০ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:১৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: আর্কিওপটেরিক্স,



অ্যাগারই কি টিস্যু কালচারের মিডিয়া?
- সম্ভবত না। এ্যাগার একটি বায়োলজিক্যাল কালচার মিডিয়া। যেমন, ম্যাককনকি এ্যাগার মিডিয়া । সিজেলা - স্যালমোনেলা এ্যাগার মিডিয়াও আছে।

ফুড পয়জনিং সাধারনত সিজেলা প্রজাতি দিয়েই বেশী ঘটে থাকে। বটুলিনাম প্রজাতি সিজেলার চেয়েও মারাত্বক ফুড পয়জনিং এর জন্যে দায়ী।
স্যালমোনেলা প্রধানতঃ টাইফয়েড রোগের আবদুল। B-)

৫| ১০ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:৩৪

মাহমুদুর রহমান বলেছেন: আচ্ছা তাহলে ভালো বংশের কেন খারাপ সন্তান জন্মে?

১১ ই মে, ২০১৯ সকাল ৯:২৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: মাহমুদুর রহমান,





ভালো বংশে খারাপ সন্তান জন্ম হয়না । জন্মের পরে খারাপ হয়ে যায় সঙ্গ দোষে আর পরিবেশের কারনে।

৬| ১০ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:৫৬

রাজীব নুর বলেছেন: অদ্ভুত সব ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েই একদিন পৃথিবীর সব মানুষ মরবে।

১১ ই মে, ২০১৯ সকাল ৯:৪৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: রাজীব নুর,




হয়তো! তবে জেনেটিক ইঞ্জিনায়ারিং, বায়োটেকনোলজি ইত্যাদি যে ভাবে এগুচ্ছে তাতে একদিন "মরন"টাকে অনেকদিন ঠেকিয়ে রাখা যাবে।
আর এই পোস্টে ব্যাকটেরীয়া ও এন্টিবায়োটিক নিয়ে বলা হয়েছে। ভাইরাসের জন্যে এন্টিবায়োটিক লাগেনা, লাগে এন্টিভাইরাল ড্রাগ।
মনটাকে সতেজ-ফুরফুরে রাখুন, আপনার ইমিউন সিষ্টেম চাঙা থাকবে। ব্যাকটেরীয়াকে ঝেঁটিয়ে বিদায় করে দেবে। B-)

৭| ১০ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:৩১

নীলপরি বলেছেন: খুব ভালো আজকের পর্বও । কমেন্ট আর উত্তরগুলোও পড়লাম ।

পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম ।

শুভকামনা

১১ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:৩৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: নীলপরি,



আপনার কাছে লেখাটি ভালো লেগেছে এবং পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকবেন, বলেছেন।
এমন মন্তব্যে লেখকের খুশি হওয়ারই কথা। হয়েছিও!

সকালের শুভেচ্ছা।

৮| ১০ ই মে, ২০১৯ রাত ১১:৪২

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া
এই রকম অনুজীব টনুজীব ব্যাকটেরিয়াদের কথা পড়তে গেলে আমার মাথা ঘুরতে থাকে। তবে সবচেয়ে ভয়ংকর কথা হলো ইদানীং শুধু আমার গলা বসে যায়।

এমনিতেই আমি হেঁড়ে গলায় চিল্লাচিল্লি পছন্দ করিনা সে যতই রাগ হোক না কেনো।

তবে ইদানীং একটু জোরে চিল্লালেই মানে বিশেষ করে ক্লাসে দূরের কোনো বাচ্চাকে একটু জোরে লেকচার দিলে বা কিছুক্ষন বক বক করলেই গলা বসে যাচ্ছে! :( এবং সেই বসা সহজে আর উঠছেনই না..... :(

বেশ কয়েক সপ্তাহ থাকছে।

এই নিয়ে আমি চিন্তায় আছি। ডক্টরের কাছে গেলাম বলে বাচ্চাদের সাথে জব ছেড়ে দেন, গান ছেড়ে দেন, ফিস ফিস করে কথা বলেন ....... X((

পেনিসিলিন শ্বাসতন্ত্রে ভালো কাজ করে পোস্ট পড়ে মনে হলো। সেটাই খাবো নাকি মাতবরী করে নিজেই ডক্টর হয়ে? সেটাই ভাবছি।

১১ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: শায়মা,




আমার ভাগ্য ভালো যে আপনার ডাক্তার আপনাকে ব্লগ ছাড়তে বলেননি! বললে এমন সংবেদনশীল মন্তব্য কোথায় পেতুম? :|
ব্লগ রেসিষ্ট্যান্ট হয়ে যেতেন। ব্লগে কিছুই আসতো যেতোনা আপনার!
গলা বসে গেলে তাকে দাঁড় করাতে হবে ঠেকনা দিয়ে হলেও। তবে সে ঠেকনা পেনিসিলিন না-ও হতে পারে! কেন না-ও হতে পারে তা জানতে পারবেন আসছে পোস্টে।
ততোক্ষন পর্য্যন্ত নিজে নিজে ডাক্তারী করা চিন্তার নাটবল্টু মাথা থেকে খুলে রাখুন। :P

লঘু লয়ের এমন মন্তব্যখানি ভালো লাগলো। ভালো লাগলো অনেকদিন পরে আপনাকে ব্লগে দেখেও।
সাথেই থাকুন। শুভেচ্ছান্তে।

৯| ১১ ই মে, ২০১৯ রাত ২:২৮

কলাবাগান১ বলেছেন: আপনি নিশ্চয়ই এই খবর টা দেখেছেন, যেখানে (bacteriophage- virus) ইউজ করে ব্রিটেনের এক মৃত্যপথে থাকা এক বালিকা কে সারিয়ে তোলা হয়েছে যে সুপারবাগ (antibiotic resistant) দ্বারা আক্রান্ত ছিল।
Bacteriphages saves life of dying teen from superbug infection

এখানে লিখার উদ্দেশ্য হল- আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের বায়োলজি ফ্রেশম্যান ক্লাশের ছাত্র/ছাত্রী রা এক বছর ব্যাপি বায়ো১০১ ক্লাশের ল্যাবে তাদের ক্যাম্পাসের আসে-পাশের মাটি থেকে প্রাপ্ত ভাইরাস কে ডিটেক্ট করে এবং শেষ পর্যন্ত্য এর জিনোম ও সিকোয়েন্স করে থাকে। পরে সেন্ট্রাল ডাটাবেস এ ভাইরাসের নমুনা জমা দেওয়া হয়। আমার বায়ো ১০১ ক্লাসে প্রায় ৫০০ ছাত্র/ছাত্রী, তার মাঝে প্রতি বছর প্রায় ১০০ জন অনার্স ছাত্র/ছাত্রী এই প্রোগামে যোগ দেয়...প্রতি বছর আমরা প্রায় ১০০ টা ভাইরাস এই ডাটাবেসে জমা দেই....(ড:হ্যাটফিল এর ল্যাব_ পিটসবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে)...। ড: হ্যাটফিল এর ডাটাবেস থেকেই লন্ডনে আক্রান্ত বালিকার ব্যাকটিরিয়াকে ধ্বংস্ব করার জন্য তিনটা ভাইরাসকে পাওয়া যায় এবং সেই ভাইরাস দিয়েই বালিকার সুপারবাগ কে ধ্বংস করা হয়।
এই প্রোগাম টা কে বাংলাদেশের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুজীব বিভাগের এ্যালামনি এসোসিশয়নে বলেছিলাম যাতে বাংলাদেশে করা যায়...কিন্তু কোন সায় পাই নি.। প্রোগাম টা দেখুন...কেমন ভিশিনারি চিন্তাধারা ফ্রম ড: হ্যাটফিল (বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় এই প্রোগাম কে এডোপ্ট করেছে). নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় জয়েন করতে পারে
https://seaphages.org/

১১ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৩৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: কলাবাগান১,




প্রথমেই এমন বিদগ্ধ একটি মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ জানিয়ে রাখি।
সত্যি বলতে কি আপনার দেয়া লিংকের সংবাদটি জানা ছিলোনা। এখন দেখলুম।
ব্যাকটেরীয়াদের সাথে যুদ্ধে হেরে যাবে মানুষ, এটা হয়না। প্রতিনিয়তই মানুষকে এই যুদ্ধে এগিয়ে থাকতে হবে। আর এই এগিয়ে থাকার জন্যে আপনার ঐ জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং এর পাশাপাশি বায়োটেকনিক্যাল মেডিসিন, ন্যানোটেকনোলজি নতুন দিগন্ত খুলে দেবে, এমন আশার বাণী শুনিয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
আর বাংলাদেশে ? এখানে এমন কোন গবেষনার বিষয়ে আপনি আশাবাদী হতে পারলেও আমি মোটেও আশাবাদী নই।
বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সার্বিক মান ও পরিস্থিতিতে আশাবাদী হবার সুযোগ মোটেও নেই।

প্রসঙ্গক্রমে বলি, আপনি মনে হয় মাইক্রোবায়োলজি বিষয়ের শিক্ষক। আমার চেয়ে আপনিই এই মাইক্রোবসদের প্রতিরোধী হয়ে ওঠার টেকনিক্যাল বিষয়টি নিয়ে আরো জ্ঞানগর্ভ লেখা দেয়ার উপযুক্ত। ভেবে দেখবেন।

মন্তব্যে লাইক ও প্লাস।
শুভেচ্ছান্তে।

১০| ১১ ই মে, ২০১৯ ভোর ৬:১০

চাঁদগাজী বলেছেন:


কোন কোন বড় রোগের জীবাণুগুলো এন্টিবাইওটিকের বিরু্দ্ধে নিজেরাই প্রতিরোধ গড়ে তুলছে?

১১ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৫৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: চাঁদগাজী,



কোন কোন বড় রোগের জীবাণুগুলো এন্টিবায়োটিকের বিরু্দ্ধে নিজেরাই প্রতিরোধ গড়ে তুলছে তার বয়ান পর্বের পোস্টেই দেয়া আছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বয়ানে। এই পোস্টে দেয়া প্রথম লিংকটি দেখুন অনুগ্রহ করে।

১১| ১১ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:০৩

বলেছেন: অনেক অজানাকে জানা হলো।।

পেলাম অনেক প্রশ্নের উত্তর।।

শুভ কামনা নিরন্তর। +++

১১ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:১০

আহমেদ জী এস বলেছেন: ল,




আপনার অনেক প্রশ্নের উত্তর পেয়ে যাওয়াতে লেখাটির সার্থকতা খুঁজে পেলুম।

অনেক অনেক শুভেচ্ছা রইলো।

১২| ১১ ই মে, ২০১৯ দুপুর ২:৩০

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং লন্ডনের যে বাড়িতে বসবাস করতেন তার পাশেই দীর্ঘদিন চাকরি করেছি। বাইরের ওয়ালে চমৎকার একটি নাম ফলক ঝোলানো। লেখা আছে তাঁর আবিষ্কার ও জন্ম মৃত্যুর বৃত্তান্ত। ইউকেতে এমন প্রয়াত গুণীজনদের বাড়ির সামনে এভাবে সরকারি খরছে নেইম ফলক ও লাইটিং করা হয় উনাকে সম্মান জানানোর জন্য। তাদের পরবর্তী প্রজন্ম বাড়িটি বিক্রি করলেও এই নেইম ফলক সরানোর সুযোগ নেই। এটা রাখা বাধ্যতামূলক। নিজের কল্পনার একজন বড় আবিষ্কারকের বাড়ি এজন্য প্রতিদিন খুঁটিয়ে খুঁটিয়ে দেখতাম। এই বুঝি স্যার ফ্লেমিং বেরিয়ে আসবেন।

লন্ডনের ক্যানজিলটনের সাইন্স মিউজিয়ামেও উনার আবিষ্কারের অনেক খুটিনাটি তথ্য সংগৃহীত আছে। এগুলো দেখতে পাওয়া আমার জীবনের বিরাট সংযোজন।

এই পোস্ট নিয়ে বলার কিছুই নেই। কয়েকবার পড়েও পড়া শেষ হয়নি। প্রিয়তে নিলাম। আরো পড়তে হবে। দারুন পরিশ্রমী আর গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সমৃদ্ধ পোস্টটি লেখার জন্য ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা রইলো। আশা করি, আগামী পর্বে আরো নতুন কোন তথ্য জানতে পারবো। +++

১২ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:০৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: কাওসার চৌধুরী,




আপনাকে নিঃসন্দেহে সৌভাগ্যবান বলা-ই চলে! যুগান্তকরী এক আবিষ্কারকের ঐতিহাসিক বাড়ীটির সান্নিদ্ধে ‌থাকা ক'জনার ভাগ্যে জোটে?
আমাদের দেশ হলে, সুযোগ সন্ধানীরা কবে যে সেটা ভেঙে মার্কেট বানিয়ে ফেলতো !!!!!!!!!!!

মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ ও প্লাস।
আগামী পর্বটিই শেষ পর্ব। সম্ভবত আপনাদের জানতে চাওয়ার অনেক আশাই মিটবে সেটাতে।সাথেই থাকুন।
শুভেচ্ছা রইলো।

১৩| ১১ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:২০

আখেনাটেন বলেছেন: চমৎকার হয়েছে লেখা। গল্পের ছলে বর্ননা করায় পড়তে ততটা একঘেয়েমি লাগে না। তবে লেখার মধ্যে আরো প্যারা থাকলে চোখের সুবিধা হত মনে হয়। :D

আপনি বিস্তারিত লিখছেন; ভালো হল। আমি নিজেও এ নিয়ে লিখতে চাচ্ছিলাম...। নিজে যেহেতু ল্যাবে এই বদমাশদের সাথে দিনের পর দিন যুদ্ধ করতে হয়েছে সেই অভিজ্ঞতার আলোকে... :P

*আর ৩ং মন্তব্য ও প্রতিমন্তব্যের প্রেক্ষিতে--- প্লাজমিড রিকম্বিনেন্ট টেকের অনেকগুলো ধাপের একটু গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এগুলো ভেহিকল হিসেবে কাজ করে এদের কিছু চমৎকার বৈশিষ্ট্যের কারণে (অরিজিন অব রেপ্লিকেশন, মার্কার, মাল্টিপল ক্লোনিং)। প্লাজমিডের বিকল্প হিসেবে আমরা ব্যাকটেরিওফেইজও ব্যবহার করতে পারি। আবার দুটোর মিশ্রনে তৈরি ফাজমিডও ব্যবহার করতে পারি। এছাড়া এখন ভেক্টর হিসেবে বেক্টেরিয়াল আর্টিফিশিয়াল ক্রোমোজমও ব্যবহার করা যায়। আর উপায় আছে।

১২ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:২২

আহমেদ জী এস বলেছেন: আখেনাটেন,




হা..হা.. ভালো বলেছেন। ঐ বদমাইশদের সাথে যুদ্ধ নয়, ইটিশ-পিটিশ করেছেন আপনি তাদের বাগে আনার জন্যে। :)

জ্বী, রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএ টেকনোলজিতে বেশ কিছু ভেক্টরের মধ্যে প্লাজমিড একটি। আপনিই ভালো বলতে পারবেন যে, ইঞ্জিনিয়ারিং করে প্লাজমিড আর ফেজ লাম্বাডার হাইব্রিড ‌থেকে 'কসমিড" নামেও ভেক্টর তৈরী করা হয়। আপনি যাদের যাদের কথা বলেছেন তারা তো এই রকমের ভেক্টর! এই ভেক্টরগুলো তো ধাপ নয়, এরা তো বাহক। এদের মধ্যেই তো বাছাই করা জিন ঢুকিয়ে দেয়া হয়। ধাপগুলো তো জেনেটিক মেটেরিয়াল আলাদা করা, এনজাইম দ্বারা হযম হয়ে যাওয়া রোধ করা, সেটাকে বর্ধনকরা তারপরে ডিএনএ মল্যিকিউলকে লাইগেট করে ভেক্টরের সাথে জুড়ে দেয়া ইত্যাদি। সেখানে ভেক্টর বা বাহকদের আমরা কি ধাপ বলতে পারবো? আমার ভুল হতে পারে যেহেতু আমি মাইক্রোবায়োলজিষ্ট নই ।
জানতে চাচ্ছি এ কারনে যে, আপনার কাজ মনে হয় এইসব ফাজিল আর বদমাইশদের সাথে।

আপনি নিজেও এ নিয়ে লিখতে চাচ্ছিলেন তা লিখছেন না কেন? আর একটি তথ্যসমৃদ্ধ লেখা পেতুম আমরা।.লিখুন...... ব্লগের সাদামাটা ফসলের ভীড়ে আমরা ঝিলিক দেয়া কিছু হাইব্রিড ফসলও চাই।

মন্তব্যে ++++++++++

ভালো থাকুন আর সাথেই থাকুন।

১৪| ১১ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:১৯

জাহিদ অনিক বলেছেন:
বাব্বা !!! কতকটা যেন ডাক্তারি পড়ে নিলুম !

জানা হলো অনেক কিছুই, অনেক বিটলা অণুজীবের সাথে মোলাকাত হলো আপনার মাধ্যমে।
অনেক গেস্টদের সাথেও জানাশোনা হলোঃ “নন-পেয়িং গেষ্ট”, “পেয়িং গেষ্ট”, মিনমিনে স্বভাবের গেস্ট, কান কাটা কামাল বা মুরগী মিলনের মত গেস্ট !

মনে হচ্ছে এসব ব্যাকটেরিয়াদের সমরনীতি মানুষের চেয়ে অনেক উন্নত। এঁরা আর্টিলারি, পদাতিক, এয়ার কম্বাট, নেভাল সবকিছুতেই বেশ দক্ষ ! B-)

জীবনে কি'ই বা করলুম ! ব্যাকটেরিয়া অনুজীব হয়ে জন্মালেও কাজে লাগত ! আবার আসিব ফিরে এই বাংলায় হয়ত মানুষ নয়, অনুজীব হয়ে। :-B


পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলুম।

১৩ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:১৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: জাহিদ অনিক,




তাহলে আপনি অনলাইন ফ্রি-কোর্সে কিছুটা ডাক্তার হলেন ? :|
এখন তো জানলেন এদের সাথে আপনার কোলাকুলি আমার মাধ্যমে হয়নি, ওটা আপনি করছেন জন্ম থেকেই এবং করছেন নিত্যদিনই। ঠিক প্রেমিকাকে শরীরলগ্ন করে রাখার মতো রেখেছেন দিনরাত। :P

আসলেই ঐসব ব্যাকটেরিয়াদের সমরনীতি মানুষের চেয়ে অনেক উন্নত এবং মানুষকে দৌঁড়ের উপরেই রাখছে সারাক্ষন। বিশ্বাস না হলে সহব্লগার আখেনাটেন কে জিজ্ঞেস করতে পারেন!

মানুষ হয়ে জন্মে জীবনে কিছুই করেন নি ! ভাইরাস হয়ে জন্মালে বারবার মরতেন আবার বারবার বেঁচেও থাকতে পারতেন। ব্যাকটেরীয়া হতে চাইবেন না কারন যুদ্ধ করে টিকে থাকতে হবে। ভাইরাসের সে ভয় নেই, এরা জীবিত ও মৃতের মাঝামাঝি একটি প্রানী। জীবন্ত কোষে এরা জীবিত অবস্থায় থাকে আর এর বাইরে মৃত। মরেনা কখনও। জীবিত কোষে ঢুকলেই আবার জীবিত। তাই ভগবানের কাছে প্রার্থনা করবেন যাতে পরজন্মে আপনাকে ভাইরাস বানিয়ে দেন। :-P
তাহলে অফুরান সময় পাবেন রোগকাব্য লেখার। ;)

উইটি আর চমৎকার এই মন্তব্যে +++++++

১৫| ১২ ই মে, ২০১৯ রাত ৯:৩৮

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:




শুরু থেকে পড়ে আসলাম ।

এক সময় ডাক্তার কাম সায়েন্টিস্ট হওয়ার ইচ্ছে ছিল । তাই সাইন্সে পড়েছিলাম । তখন এই বিষয় গুলো নিয়ে একটা ফ্যান্টাসি তৈরি হয়েছিল ।

ব্যাক্টেরিয়া আর ভাইরাস নিয়ে বিস্তার একটা লেখাও ছিল । হারিয়ে ফেলেছি ।

রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ ও প্লাজমাজেল ও রাইবোজেম নিয়ে খানিকটা পড়াশুনা করেছিলাম বইয়ের বাইরে । এন্টিবায়োটিক এর বিষয়টি তখন আমার কাছে একটা আতংক ছিল । কারন তখন আমি মামা বাড়িতে থেকে পড়াশুনা করতাম । তাদের কারো কিছু হলেই এন্টিবায়োটিক নিয়ে নিতেন ।

আমার কাছে প্রেসক্রিপশন ছাড়া ঔষধ মানেই একটা আতংক । এই বিষয়ের প্রতি আরও আগে নজর দেয়া দরকার ছিল ।

পরের পর্বের জন্য অপেক্ষায় থাকলাম ।

১৩ ই মে, ২০১৯ সকাল ১১:৫৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: অপু দ্যা গ্রেট,




তাহলে তো দেখার অভিজ্ঞতা আছেই যে , মানুষ যখন ইচ্ছে তখনই এন্টিবায়োটিক খেয়ে থাকেন।
এন্টিবায়োটিকের এই যথেচ্ছে ব্যবহারে কী ভয়ঙ্কর এক ভবিষ্যৎকে আমরা ডেকে নিয়ে আসছি তা বোঝাতেই এই লেখা।

শুরু থেকে পড়ে আসার জন্যে ধন্যবাদ।
আরো ধন্যবাদ এ জন্যে যে ব্লগে আবারও এসেছেন।

ভালো থাকুন এবং সাথেই থাকুন।

১৬| ১২ ই মে, ২০১৯ রাত ১০:৪১

আখেনাটেন বলেছেন: হা হা; ঠিকই বলেছেন। সংক্ষিপ্ত করে লিখতে গিয়ে ঐ অবস্থা। প্লাজমিডকে ক্লোনিং এর জন্য প্রস্তত (কাটা ও জোড়ালাগা :D ) হচ্ছে রি-ডিএনএ-টেকের একটি স্টেপ। প্লাজমিড, কসমিড, ফাজমিড, ব্যাক, প্যাক এগুলো হল ভেহিকল ঐ টেকের-- কিছু বিশেষগুণের কারণে...।

আপনি সুন্দরভাবেই অ্যান্টিবায়োটিকের নানাদিক তুলে ধরছেন। পরের পর্বে নিশ্চয় আরো নতুন কিছু থাকবে। এরপরে আমার মতো নাদান পারিন্দার লেখা কি আর পাঠকেরা পড়বে? তাই আগামী দু চার বছর এদিকে আর টেরাই না করাই বেটার মনে কয়। :P

আমরা মূলত মাইকোব্যাকটেরিয়াম টিউবারকুলোসিস নিয়ে কাজ করেছি (এখন বায়োইনফরমেটিক্সে মন মজেছে)। কীভাবে এই বদমাশেরা স্ট্রেইন পরিবর্তন করে মানুষের শরীরে অভিযোজন করছে অত্যাশ্বর্য্যভাবে। তাই এত বছর পরেও ইনফেকশাস ডিজিজ হিসেবে হিউম্যান মরটালিটিতে এই বদমাশের নৃত্যগীত উপরের সারিতে। আমাদের কাজটি নেচার-এর ওপেন এক্সেস জার্নাল সায়েন্টিফিক রিপোর্টে প্রকাশিত হয়েছিল।

একটি নভল অ্যান্টিবায়োটিক উৎপাদন অ্ত্যন্ত ব্যয়সাপেক্ষ। তাই বৈশ্চিক বৃহৎ প্রতিষ্ঠানগুলোও আর এত বিনিয়োগে মনোযোগী নয়। এদিকে পুরোনো অ্যান্টিবায়োটিকগুলো কার্যকারিতা হারিয়ে ফেলছে দ্রুতগতিতে যা সভ্যতার জন্য বড় একটি হুমকী।

এখন মানুষ সচেতন হলেই হল।

১৩ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: আখেনাটেন,



হা...হা... এতোক্ষন পরে ঝেড়ে কাশলেন! আপনি যে বদমাশের হাড্ডিদের সাথে ঢিসিম-ঢুসুম নৃত্যে রত এমনটা জানা গেল। তা এই নৃত্যে ব্যালেরিনা গুড়িন ( ব্যাসিলাইরা ) কোন ছন্দে কেমন ষ্টেপিং করে, ড্যান্স ডিরেক্টরকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে ধেই ধেই করে কি ভাবেই বা নেচে যায় তার একটা ডকুমেন্টারী বানালে আমরাও না হয় বিনে পয়সায় সে সিনেমাটি দেখতে পেতুম।
ডকুমেন্টারীর নামটি দেয়া যেত -" হলে যক্ষা নাই রক্ষা"! বিশাল ক্যানভাসে, সেই পুরোনো আমলে এই যাত্রাপালার বিউটিকুইন বদমাইশেরা কারো ঘাড়ে চেপে নৃত্য করতে চাইলে থানা-পুলিশ না থাকায় তাদের দুধ, মাংশ, ডিম, ফলমূল ভেট দিয়ে তাড়াতে হতো, যেতে হতো বায়ু পরিবর্তনে সে সব কাহিনী থেকে শুরু করে হাল আমলে তাদের ডিসকো ড্যান্সার বনে যাওয়ার জমাট গল্প হতো তা! :)

আইডিয়াটি মন্দ নয় মনে হয়। আমার এই সিনেমার একটা সিক্যুয়েল হতে পারতো। নাদান পারিন্দা পরিচালকের নতুন ধামাকা।
এই ব্যালেরিনাদের নৃত্যে আদম সন্তানেরা যে ঠিক মতো স্টেপ মেলাতে পারছেনা তার বাস্তব কাহিনী চিত্র হয়ে উঠতো সেটা।
ট্রাই....টেরাই ....টেরাই................টেরা..... ই.............

১৭| ১৪ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:১৩

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: এই চমৎকার পোস্টটিতে আপনি যে শ্রম দিয়েছেন তা সার্থক বলেই আমি মনে করি কারণ এখানে আছে অনেক তথ্য যা থেকে অনেক কিছু আছে জানার, শেখার এবং বোঝার মতো বিষয়। সর্বোপরি আপনাকে নিরন্তর শুভেচ্ছা এতো কষ্ট করার জন্য।

১৪ ই মে, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩২

আহমেদ জী এস বলেছেন: দেশ প্রেমিক বাঙালী,




জীবন রক্ষাকারী এন্টিবায়োটিকগুলো সম্পর্কে মানুষের যে সব ভুল ধারনা রয়েছে তা যাতে সাধারন মানুষ জানতে, শিখতে আর বুঝতে পারেন সে কারনেই গল্পের মতো করে লিখতে চেষ্টা করেছি।
এ লেখা থেকে একজনও যদি সংক্রমন রোগ ও তার চিকিৎসা কি তা ঠিকঠাক বুঝতে পারেন, তবে তা হবে লেখাটির সার্থকতা।

এমন মন্তব্যের জন্যে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্যেও।

১৮| ১৪ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:১৪

নীল আকাশ বলেছেন: অসাধারণ একটি পোস্ট। তথ্যসমৃদ্ধ, শ্রমসাধ্য কিন্তু একই সাথে সহজবোধ্য ভাষায় লেখা।
লেখাটা পড়ে গেলাম। হালকা কিছু বুঝলাম তবে দারুন মজা লেগেছে।আমি আবারও ফিরে আসব।
এটা আমার ১ম মন্তব্য। সব কিছু পড়ে বুঝার পর হয়তো কিছু প্রশ্ন করব আপনাকে।
দারুন লিখেছেন। অনেক অনেক দিন থেকে এই বিষয়টা নিয়ে জানার ইচ্ছে ছিল।
প্রিয়তে রাখলাম।
ধন্যবাদ গুরু।

১৪ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:২২

আহমেদ জী এস বলেছেন: নীল আকাশ ,



জীবন রক্ষাকারী এন্টিবায়োটিকগুলো সম্পর্কে মানুষের যে সব ভুল ধারনা রয়েছে তা যাতে সাধারন মানুষ জানতে, শিখতে আর বুঝতে পারেন সে কারনেই গল্পের মতো মজা করে লিখতে চেষ্টা করেছি। কারন ব্লগে কেউ থিসিস টাইপ লেখা পড়তে ভালোবাসেন না।
পরবর্তী পর্বটি পড়া হলে আমার মনে হয় যে প্রশ্ন সম্ভবত করবেন তার অনেক উত্তরই হয়তো পেয়ে যাবেন।

প্রিয়তে নেয়া আর সাথে থাকার জন্যে সহস্র ধন্যবাদ।
শুভেচ্ছান্তে।

১৯| ১৪ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:১৫

নীল আকাশ বলেছেন: এই পর্বটাই বেস্ট হয়েছে। এত সুন্দর করে সব কিছু বুঝিয়ে দিয়েছেন। চমৎকার।

১৫ ই মে, ২০১৯ সকাল ১০:০৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: নীল আকাশ,




ধন্যবাদ দ্বিতীয়বার মন্তব্যের জন্যে।

২০| ১৪ ই মে, ২০১৯ বিকাল ৩:৫৬

করুণাধারা বলেছেন: কঠিন বিষয়টিকে গল্প বলার মত সহজ করে বুঝিয়ে দিয়েছেন। পরের পর্বের অপেক্ষায় রইলাম।

শুভকামনা।

১৫ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:৪৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: করুণাধারা,




সহজ করে বুঝিয়ে বলতে হয়েছে এ জন্যে যে, এমন কাঠখোট্টা বিষয়টি কোনও কষ্ট ছাড়াই সবাই যাতে জানতে, শিখতে আর বুঝতে পারেন । একে তো বিষয়টি চিকিৎসা বিজ্ঞান সম্পর্কিত তার উপরে জটিল এন্টিবায়োটিকের কথা, তাই গল্পের মতো মজা করে লিখতে হয়েছে। কারন ব্লগে কেউ থিসিস টাইপ লেখা পড়তে ভালোবাসেন না।

সাথেই থাকুন................

২১| ১৮ ই মে, ২০১৯ দুপুর ২:২৭

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া সামুর মূমুর্ষতার সাথে সাথে আমার ব্লগিংও মূমুর্ষ হয়ে পড়েছে।
ইদানিং তাই সারাদিন শপিং আর ইফতারী মেকিং নিয়ে আছি!

তবে এই মূমুর্ষ অবস্থায় ইফতারী ছবিওয়ালা আমার ঐতিহ্যবাহী পোস্টুখানা কেমনে দেই সেই চিন্তায় আছি!
ছবির ভারে সামু যদি আবার অক্কা অক্কা ভাবে যায় তো কি হবে আমাদের!!! :(

১৮ ই মে, ২০১৯ রাত ৮:১৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: শায়মা,



হুমমমম .. বড়-ই ভাবনার বিষয় বটে। সবটা মিলিয়ে যা গরম তাতে মূমুর্ষ না হওয়াটাই অস্বাভাবিক।

আর রোজা- রমযানের দিনে ইফতারী - টিফতারী নিয়ে ফেস্টু করে পোস্টু দিলে দো-জাহানের নেকী হাসিল হয়ে যেতে পারে! B-)
এই তো সুযোগ, ডোপিং করে টলার-শার্পার হয়ে শপিং করুন আর ইফতারী মেকিং করুন! ছবি পেস্টিং করুন!
ছবির ভারে ব্লগ অক্কা পেয়েছে কখনও এরকম রেকর্ড নেই । এক এ্যালবামে না হলে আরও দুই-তিনখানা এ্যালবামে ছবি সেঁটে ব্লগের দরজায় ঝুলিয়ে দেবেন। সাতনরি হারের মতো পর্ব-সমাহার, ঈদের বোনাস এ্যালবাম............. :P =p~

২২| ১৯ শে মে, ২০১৯ রাত ২:৩৪

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: এখন প্রিয়তে রাখলাম ।
সময় করে আসব ফিরে ইনসাল্লাহ ।
মাহে রমজানের শুভেচ্ছা রইল ।

১৯ শে মে, ২০১৯ সকাল ১০:২৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: ডঃ এম এ আলী,




প্রিয়তে নেয়ার জন্যে ধন্যবাদ। বিষয়টি নিয়ে আপনার বিদগ্ধ বিশ্লেষণের অপেক্ষায়।

আপনাকে ব্লগে পেয়ে ভালো লাগছে। আশা করি, শারীরিক সুস্থ্যতা নিয়েই আছেন।
রমজানের শুভেচ্ছা আপনাকেও।

২৩| ২৯ শে অক্টোবর, ২০১৯ সকাল ৯:৪২

খায়রুল আহসান বলেছেন: অনিষ্টকর বা 'ভিরুলেন্ট' অনুজীবদের বিপরীতে "শরীরের পেয়িং গেস্ট" দের কথা জেনে খুব ভাল লাগলো। আল্লাহ'র সৃষ্টি কত বৈচিত্রময়!
পেনিসিলিন থেকে এমপিসিলিন, ক্লক্সাসিলিন, এমোক্সিসিলিন, ইত্যদি রূপান্তর অনুজীবের বিরুদ্ধে মনুষ্য বিজয় এনে দিয়েছে, কিন্তু অন্যান্যবারের মত এসব বিজয়ও সাময়িক হতে পারে।
জটিল বিষয় সমূহের গল্পচ্ছলে এত সহজ বরণনা সত্যিই প্রভূত প্রশংসার দাবীদার।
পোস্টে প্লাস +

৩১ শে অক্টোবর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৫৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: খায়রুল আহসান,




আপনার মন্তব্য বরাবরই প্রেরণাদায়ক। এ মন্তব্যও তার ব্যতিক্রম নয়।

আসলেই আল্লাহ'র সৃষ্টি কত বৈচিত্রময়!

প্লাস দেয়াতে ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.