নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ট্রুথ নেভার ডাই্‌জ

নিজের সম্পর্কে লেখার কিছু নেই । সাদামাটা ।

আহমেদ জী এস

পুরোপুরি একজন অতি সাধারন মানুষ । আমি যা আমি তাই ই । শয়তানও নই কিম্বা ফেরেশতা । একজন মানুষ আপনারই মতো দু'টো হাত, চোখ আর নিটোল একটা হৃদয় নিয়ে আপনারই মতো একজন মানুষ । প্রচন্ড রকমের রোমান্টিক আবার একই সাথে জঘন্য রকমের বাস্তববাদী...

আহমেদ জী এস › বিস্তারিত পোস্টঃ

কপাল পোড়া পুরুষ ........ নপুংসক ?

১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০১



ছোটবেলায় শুনেছিলুম, শেষ জমানায় নাকি পৃথিবী ভরে যাবে নারীতে। শত শত নারীর ভাগে একজন পুরুষেরও দেখা মেলা নাকি কঠিন হয়ে পড়বে। সম্ভোগের জন্যে দলে দলে মেয়েরা পুরুষদের পেছনে পেছনে দৌঁড়ুবে আর ভয়ে পুরুষেরা তালগাছ আর নারকেল গাছের মাথায় চড়ে বসে থাকবে! সেই চ্যাংড়া বয়সে মনে হয়েছিলো, আহারে..... সেই দিন কবে আসবে!!!!!!!

সেই দিন কি আসতে চলেছে ?

নতুন করে আবার এ নিয়ে তর্ক শুরু হয়েছে যদিও “পুরুষের দিন শেষ হয়ে আসছে” তর্কের শুরু বেশ অনেক বছর আগে থেকেই।
জেনেটিক বিজ্ঞানীদের কেউ বলছেন, শেষ পর্যন্ত মেয়েরাই মনে হয় রাজত্ব করতে চলছে বিশ্বজুড়ে! পুরুষদের হারিয়ে মেয়েরা জিতে যাচ্ছে প্রজাতির টিকে থাকার ম্যারাথন দৌঁড়ে। এখন থেকে সময় ধার করে চলতে হবে পুরুষদের। পুরুষরা হারিয়ে যাবে একদিন।
আবার কেউ কেউ বলছেন - না তা হবেনা.... পুরুষেরা বিবর্তনের ধারাতেই পরাজয়টা সামলে নিতে পারবেন।
সাম্প্রতিক তর্কটা শুরু হয়েছিলো ২০১১ আগষ্টের শেষের দিনটিতে, ম্যানচেষ্টারে অনুষ্ঠিত ১৮তম “ইন্টারন্যাশনাল ক্রোমোজম কনফারেন্স” এ যখন অষ্ট্রেলিয়ান জেনেটিসিষ্ট প্রফেসর জেনি গ্রেভস বললেন, যে “Y” ক্রোমোজমের কারনে পুরুষেরা পুরুষ হয়ে ওঠে তা গত মিলিয়ন মিলিয়ন বছর ধরে ধীরে ধীরে তার চরিত্র হারিয়ে ফেলে এখন ধুঁকছে বেঁচে থাকার জন্যে। সময় হয়ে আসছে তাদের শেষ নিঃশ্বাসটি ফেলার। আগামীতে পুরুষ মানুষেরা পুরুষ থাকবেন কিনা, রয়েছে সংশয়। সৃষ্টির শুরুতে “Y” ক্রোমোজমের যে চরিত্র ছিলো তা এরই মধ্যে ধুঁয়ে মুছে শেষ। মিলিয়ন মিলিয়ন বছর ধরে বিবর্তনের মধ্যে দিয়ে বাড়তি যেটুকু তারা অর্জন করেছিলো তাও এখন ধংসের পথে। সামনের দিন শুধু মেয়েদের, যাদের শরীরে কোনও “Y” ক্রোমোজম নেই, বদলে রয়েছে দু’দুটি “X” ক্রোমোজম। নিজেকে, পুরুষ বিদ্বেষী নন বলে ঊল্লেখ করে জেনেটিক্সের জটিল সব অংক কষে গ্রেভস দেখিয়ে দেন - পুরুষের দিন শেষ, গাড্ডায় পড়েছে পুরুষ প্রজাতি। প্রজননের জন্যে আর পুরুষের প্রয়োজন হবেনা!

এর পাল্টা জবাবে যুক্তরাষ্ট্রের কেমব্রীজের হোয়াইটহেড ইন্সটিটিউট ফর বায়োমেডিক্যাল রিসার্চের জেনিফার হিউজেস বলেন, ব্যাপারটি অত সহজ নয়। “X” ক্রোমোজমের তুলনায় “Y” ক্রোমোজম দূর্বল হলেও মিলিয়ন মিলিয়ন বছর ধরে সে বিবর্তিত হয়েছে, সেই বিবর্তনের ধারাতেই অতল খাদে পড়ার আগেই ব্রেক কষে ফেলবে “Y” ক্রোমোজম। তার লক্ষনও আছে। তিনিও জেনেটিক্স মহাকাব্যের শ্লোক তুলে ধরে মেঘনাদ বধ যে হবেনা তা দেখিয়ে দেন।

তাদের কষে দেয়া অংকের ফল দেখিয়ে দু’জনার কেউই কিন্তু কনফারেন্সে উপস্থিত বিজ্ঞানীদের সন্তুষ্ট করতে পারেন নি । ভোটে তুলতে হলো বিষয়টি। জিতলোনা কোনও পক্ষই, সমানে সমান। ৫০/৫০ ভোটে বিষয়টি ঝুলে রইলো। মজার ব্যাপার হলো, খুব একটা অপ্রত্যাশিত না হলেও পক্ষে বিপক্ষের বিজ্ঞানীদের লিঙ্গভেদের অনুপাত বেশ লক্ষ্য করা গেছে এই ভোটাভুটিতে! হায়রে এখানেও নারী পুরুষ বৈষম্য!

আপনারা যারা পুরুষ তারা হয়তো এখন কপাল চাপড়াতে পারেন আর যারা নারী তারা বগল বাজাতে পারেন! নারী স্বাধীকার বা নির্যাতন নিয়ে যারা চেল্লাচিল্লি করেন তারাও পুলকিত হতে পারেন। পাপিয়ারা অট্টহাসি দিয়ে সেলফি তুলতে পারেন, কুড়িগ্রামের মহিলা ডিসির মতো আরও কেউ রণহুঙ্কার ছাড়তে পারেন!
কিন্তু সাধু সাবধান! কারোই বিষাদগ্রস্থ বা উল্লসিত হবার কোনও কারন নেই যেহেতু বিষয়টি বিজ্ঞান। জেনেটিক্সের মতো অতি জটিল একটি বিষয়ের বিজ্ঞান।

বিজ্ঞান তো হিসেব নিকেষ করেই সত্যটি বলে কিম্বা সত্যের কাছাকাছি কিছুর আভাস দেয়! তাই ভয়, করোনা ভাইরাসের মতো কখন যে সত্যটা হামলে পড়ে!

এই যেমন, আমরা জেনে এসেছি, ২৮ দিনের ফেব্রুয়ারী মাসটি চার বছর পর পর ২৯ দিন হয়ে যায়। ভবিষ্যতে নাকি ২৯ ফেব্রুয়ারি বলে আর কিছু থাকবেই না পৃথিবীতে! অর্থাৎ পৃথিবীর ক্যালেন্ডার থেকে হারিয়ে যাবে লিপইয়ার। তবে সে জন্যে আমাদের অপেক্ষা করতে হবে আরো ৪০ লক্ষ বছর। মহাকাশীয় সূত্রের অমোঘ নিয়মেই মহাকাশের বস্তুসমূহ ছুঁটে চলছে নিরন্তর । সেই হিসেবে চাঁদও আমাদের ছেড়ে একটু একটু করে দূরে চলে যাচ্ছে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন,এর ফলে আমাদের ওপর চাঁদের টান ( টাইডাল ফ্রিকশন ) কমে যাচ্ছে। আর তাই পৃথিবীর নিজ অক্ষের চার দিকে ঘূর্ণনের গতিও উত্তরোত্তর কমে আসছে। তাই একটু একটু করে বেড়ে যাচ্ছে দিনের আয়ু। প্রতি শতাব্দীতে ১৪ মিলিসেকেন্ড করে! পরিণতি হিসেবে পৃথিবী থেকে ২৯শে ফেব্রুয়ারী দিনটি হারিয়ে যাবে একদিন।

তেমনি হিসেব নিকেষের পাল্লায় পড়ে আসলে পুরুষ মানুষও কি হারিয়ে যাবে পৃথিবী থেকে ?
তাহলে বুঝে নেয়া ভালো, আসলে রহস্যটা কি! অংকটিই বা কি !

এই যে আমি-আপনি যারা “মানুষ” নামে পরিচিত তাদের প্রতিটি দেহকোষে রয়েছে ২৩ জোড়া ক্রোমোজম। আমাদের জন্মের সময় এই এক একটা জোড়ার একটি এসেছে আমাদের পিতার থেকে বাকীটি মায়ের থেকে। ক্রোমোজম থাকে আমাদের প্রতিটি কোষের নিউক্লিয়াসে। এরা দেখতে পাকানো দড়ির মতো বা বলতে পারেন স্প্যাগেটির মতো, প্রোটিন আর ডিএনএ দিয়ে তৈরী। এরাই বহন করে আমাদের জন্মগত চরিত্রগুলো ( জেনেটিক ইনফর্মেশন), চোখ ও চুলের রং থেকে শুরু করে স্বভাব , উচ্চতার যোগান দেয় এরাই। এই ২৩ জোড়ার ভেতর ২২ জোড়াকে আমরা বলি “অটোসোমস”। এদেরকে ক্রমিক নম্বর দিয়ে প্রকাশ করা হয়। যেমন ক্রোমোজম নম্বর-১ থেকে ক্রোমোজম নম্বর-২২, এমনি করে। এরাই আমাদের বংশগতির চরিত্রকে নিয়ন্ত্রন করে। পুরুষ এবং নারীদের মধ্যে এই ২২ জোড়া ক্রোমোজমে কোনও পার্থক্য নেই। ২৩ জোড়ার বাকী ক্রোমোজমটি হলো আমাদের লিঙ্গ নির্ধারণকারী “সেক্স ক্রোমোজম”। এই “সেক্স ক্রোমোজম” এর কারনেই আমাদের লিঙ্গ ও তার সঙ্গতিপূর্ণ শারীরিক গঠন নির্ধারিত হয়। এই সেক্স ক্রোমোজমই হলো আপনাদের চেনা “X” ও “Y” ক্রোমোজম। পুরুষ আর নারীতে এখানেই পার্থক্য।

ছবি - অটোসোমাল ক্রোমোজমস

ছবি - সেক্স ক্রোমোজম । খর্বাকায় “Y” ।

আপনি পুরুষ হলে আপনার এই সেক্স ক্রোমোজমের জোড়াটি গঠিত হবে একটি “X” ও একটি “Y” ক্রোমোজম দিয়ে অর্থাৎ আপনি হবেন “XY” । আপনি মেয়ে হলে ক্রোমোজমের জোড়াটি গঠিত হবে দু’টো “X” মিলে অর্থাৎ আপনি “XX” ।
বলে রাখা ভালো, পুরুষের শুক্রকীট বা স্পার্ম এবং মেয়েদের ডিম্বানুর কোষগুলো যাদেরকে গ্যামেট (Gamete) বলা হয় সেগুলি কিন্তু অন্যান্য কোষদের মতো নয়। এখানে পুরুষের শুক্রকীটের কোষগুলিতে একটি মাত্র ক্রোমোজমই থাকে অর্থাৎ কোনও কোষে শুধু মাত্র X ক্রোমোজম থাকে, কোনও কোষে থাকে শুধু Y । তেমনি মেয়েদের বেলাতে ডিম্বানুর সকল কোষেই থাকবে একটি করে ক্রোমোজম আর তা X ক্রোমোজম যেহেতু X ছাড়া মেয়েদের অন্য ক্রোমোজম নেই। তাই মেয়েদের ডিম্বানুর কোষগুলোর চরিত্র একই রকমের। পুরুষের চরিত্রে রকমফের আছে।
আপনি পুরুষ (XY) হয়ে জন্ম নিলে এই X ক্রোমোজমটি আসবে আপনার মায়ের ডিম্বানুর X থেকে আর আপনার পিতার, যিনিও XY; তার শুক্রকীট বা স্পার্ম থেকে আসবে Y ক্রোমোজমটি। যদি পিতার থেকে Y এর বদলে X চলে আসে তবে আপনি আর ছেলে থাকবেন না, মেয়ে (XX) হয়ে জন্ম নেবেন! নাবিল থেকে নাবিলা হয়ে যাবেন!
তেমনি আপনি নাবিলা হয়ে থাকলে আপনার বেলায় একটি X আসবে আপনার মায়ের ডিম্বানু থেকে আর বাকী X টি আসবে আপনার পিতার শুক্রকীট বা স্পার্ম থেকে। ভুলক্রমে পিতার Y টি চলে আসলে আপনি আর নাবিলা থাকবেন না, নাবিল হয়ে যাবেন !
এই পর্যন্ত পড়ে এসে এখন কিছু অনুসন্ধিৎসু প্রশ্ন আপনার মনে আইঢাই করতেই পারে, কখন ছেলে বা মেয়ে হবে কিম্বা কারা সংখ্যায় বেশী হবে।



উপরের ছবিতে দেখুন ছেলে বা মেয়ে হবার সম্ভাবনার হার। আর যেহেতু ছবির ৪টি ক্রোমোজমের ভেতর ৩টিই যখন X তখন অংকটি আপনিই কষে ফেলুন। এটা হলো সোজা সরল হিসেব। কিন্তু সব ক্ষেত্রেই তা হয় না।
আসলে একজন পুরুষের যতোগুলি শুক্রকীট আছে তাতে যদি Y ক্রোমোজমওয়ালারা বেশী থাকে সংখ্যায় তবে সেক্ষেত্রে ছেলে সন্তান হবার হার বেশী হবে।
আবার X ক্রোমোজমওয়ালারা দলেবলে ভারী হলে মেয়ে জন্মদান স্বভাবতই বাড়বে।
এটা হলো অতি স্বাভাবিক শারীরবৃত্তিয় প্রক্রিয়া, বেসিক জেনেটিক্স। ক্রোমোজমের এমন জোড়া বাঁধার ভেতরেও কখনও কখনও ব্যতিক্রমও হয়ে থাকে এবং তাতে বেশ কিছু শারীরিক ত্রুটি-বিচ্যুতি ঘটতে পারে।
তবে এখানে আমাদের আলোচ্য বিষয় তা নয় এবং বিষয়টি অত্যন্ত জটিল বলেই এই বিষয়ে কিছু বলা থেকে বিরত রইলুম।

যে Y ক্রোমোজম নিয়ে এতো কথা, এতো বাকবিতন্ডা, ফিরে যাই সেখানে। কারন Y ক্রোমোজমের যখন ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা তখন আমাদের মতো পুরুষ ব্লগাররা কখন যে অপুরুষ হয়ে ব্লগটা পুরুষ শূন্য হয়ে গিয়ে মেয়ে ব্লগারে ভরে যায়, সেই ভয়টা কতোখানি ঝাঁকুনি দেয়ার মতো তা বুঝে নেয়া ভালো!
ঝাঁকুনির ভয় পাবো নাই বা কেন ?
Y ক্রোমোজম না হয় পৌরুষের প্রতীক কিন্তু বেঁচে থাকার জন্যে এর কি কোনও প্রয়োজন আছে ? যদি থাকে তবে Y ক্রোমোজম ছাড়াই শুধুমাত্র X ক্রোমোজম নিয়ে নারীরা কিভাবে বেঁচেবর্তে দোর্দন্ড প্রতাপে দাঁপিয়ে বেড়াচ্ছে এখনও?
Y ক্রোমোজমওয়ালারা এবারে নিশ্চই গাঁড্ডায় পড়বেন! তাইতো !!!!!!!
ব্যাপারটি আর একটু তলিয়ে দেখা যাক।

এখন না হয় X ক্রোমোজম Y এর চেয়ে গায়ে গতরে বেশ ভারী আর দীর্ঘাঙ্গী।

ছবি -২৩ নম্বরে সেক্স ক্রোমোজম। খর্বকায় Y

সে তুলনায় Y যথেষ্ট খর্বকায়, শীর্ণ আর দুর্বল। এটা জেনে পুরুষেরা লজ্জা পাবেন না। আদিতে পুরুষরাও তাদের পার্টনার দোর্দন্ড প্রতাপী X ক্রোমোজমের মতোই বলিষ্ঠ আর সমানে সমান ছিলেন। ঘড়ির কাঁটাকে যদি ১৬৬ মিলিয়ন বছর পিছিয়ে নিয়ে যাই, যে সময়ে প্রথম স্তন্যপায়ী প্রানীর উদ্ভব, তখন চিত্রটি ছিলো বর্তমানের চেয়ে ভিন্ন। সে সময়ে পুরুষের “প্রোটো-Y” ক্রোমোজমটিও ছিলো X এর সমানে সমান। তাতেও ছিলো মেয়েদের মতোন সমান সংখ্যক জিন (Gene )। মেয়েরা তখন যদি ছিলো ওয়ান্ডার উওম্যান, তবে ছেলেরাও ছিলো হারকিউলিস-স্যামসন-গোলিয়াথের মতোন। কিন্তু কপাল পোড়া ছেলেদের! সময়ের বিবর্তনে মেয়েরা তাদের বংশানুক্রমিক ধারা অনেকটা বজায় রেখে বর্তমানে পৌঁছুতে পারলেও পুরুষেরা তা পারেনি। মেয়েরা যেমন প্রতিদিনকার বাস্তবের ঘর-সংসার সামলে রাখে এবং রাখছে তেমনি মিলিয়ন মিলিয়ন বছর ধরে শরীরের অন্দর-বাহিরের সংসার মেয়েরাই সামলে এসেছে ঠিকঠাক। অপরদিকে ছেলেরা সব সময়ই উড়নচন্ডী, উশৃঙ্খল। সব কিছু উড়িয়ে দিতেই অভ্যস্থ। হেন আকাম নেই যা তারা করেনা! হারকিউলিসের মতোন শক্তির মাস্তানী দেখাতে গিয়ে শক্তিই হারিয়ে ফেলছে প্রতিদিন একটু একটু করে!
এখন যে হিসেবটা দিচ্ছে জেনেটিক বিজ্ঞানের কেউ কেউ, সেখানে X ক্রোমোজমের জিন (Gene ) সংখ্যা ১০৯৮টি আর Y ক্রোমোজমের ২৬টি, দু’জনে আর সমান সমান নয়। সমান সংখ্যক জিন নিয়ে শুরু করেও গাঁথুনীতে জোর না থাকায় পুরুষের Y ক্রোমোজম খসে খসে জরাজীর্ণ ২৬ টিতে এসে ঝুলে আছে। মনে হয় পুরুষেরা ক্রমে ক্রমে যেন ইঁদুরে পরিনত হয়েছে!

কেন এই গড়মিল, কেনই বা Y ক্রোমোজমে জিন সংখ্যা এতো এতো কমে গেলো ?

এই অংকটি করতে হলে কিছু যোগ-বিয়োগ জেনে নিতে হবে। জিন (Gene ) দিয়েই শুরু করি-
ছবি - গোলাপী রঙে চিত্রিত ডিএনএ’র একটি ইউনিট যেটাকে জিন বলে।

ক্রোমোজম যে প্রোটিন আর ডিএনএ দিয়ে তৈরী, সেই ডিএনএর একটি ইউনিটকে বলা হয় জিন। এদের কাজ হলো চারিত্রিক বৈশিষ্টগুলিকে নিয়ন্ত্রন করে বংশপরম্পরায় জেনেটিক ইনফরমেশানগুলো প্রজন্ম থেকে প্রজন্মে ছড়িয়ে দেয়া। যেমন চেঙিস খান এশিয়া জুড়ে যে হত্যাযজ্ঞ, ত্রাস আর ধর্ষন চালিয়ে এসেছে, সে একই ধাঁচের ধ্বংসযজ্ঞ তার সন্তানেরাও করে এসেছে। চেঙিস খানের Y ক্রোমোজমের জিন, বংশ পরম্পরায় চেঙিস খানের ঐ চারিত্রিক বৈশিষ্টগুলিই ছড়িয়ে দিয়েছে তার সন্তানদের। জেনেটিক বিজ্ঞান বলে, এখনও এশিয়ার ঐ অঞ্চলে ৮% অর্থাৎ ১৬ মিলিয়ন লোক প্রায় একই রকমের চারিত্রিক বৈশিষ্টের অধিকারী এবং তা সম্ভবত চেঙ্গিস খানেরই!
X ক্রোমোজমে যে বেশী জিন রয়েছে সেগুলোর প্রতিরূপ বা প্রতিমূর্তি কিন্তু পুরুষের Y ক্রোমোজমে নেই ফলে পুরুষের সেক্স ক্রোমোজমে মেয়ে জিনগুলিই সংখ্যাধিক্যের কারনে ডমিন্যান্ট বা প্রভাববিস্তার কারী। এর মানে দাঁড়াচ্ছে এই যে, পুরুষেরা না চাইলেও তাদের ভেতরে মেয়েলী একটা ভাব প্রচ্ছন্নে সক্রিয় থাকবে। মেয়েদের এই জিনগুলিকে বিজ্ঞানীরা বলেন-“ X লিংকড জিনস” আর ছেলেদেরটাকে বলেন “ Y লিংকড জিনস”। মেয়েদের ১০৯৮টি X লিংকড জিনের সব জিনগুলিই যে স্ত্রী চরিত্র রচনা করবে তেমনটা কিন্তু নয়। এর অনেকগুলিই “জেনেটিক ডিসঅর্ডার” যেমন হেমোফিলিয়া, ফ্রাজাইল এক্স সিনড্রোম, মাসকুলার ডিসট্রোফি ইত্যাদি জন্মগত ত্রুটিগুলোর জন্ম দেবে আর তা পুরুষদের মাঝেও ফুটে উঠবে।
অন্যদিকে পুরুষদের Y লিংকড জিনস মাত্র ২৬ টি। এদের ১৬টিই কোষের কাজগুলো নিয়ন্ত্রনে ব্যস্ত। ৯ টি ব্যস্ত পুরুষদের ব্রান্ডেড জিনিষ শুক্রকীট বা স্পার্ম উৎপাদনে! এই প্রোডাকশন লাইনে গন্ডগোল হলেই কি হবে বুঝতেই পারছেন! বাকী যে ১টা থেকে গেলো সেটাই আপনার-আমার পুরুষত্বের ধ্বজ্জাধারী! এটাই হলো SRY gene ( সেক্স ডিটারমিনিং রিজিয়ন অব ওয়াই ) যা পুরুষের অন্ডকোষ বা Testis তৈরী করে দিয়ে “মেল সেক্সুয়াল ট্রেইট” বজায় রাখছে আপনার-আমার মাঝে। এমনকি প্রকৃতিতেও। বলতে পারেন SRY gene হলো ভোটের “ইভিএম” মেশিনের মতো, জায়গা মতো টিপলেই ভোটটি “স্ত্রী” ঘরে না পড়ে পড়বে গিয়ে “পুরুষ” ঘরে। ডিম্বাশয় বা “ওভারী”র বদলে আপনি পাবেন “অন্ডকোষ”।
উপরে জেনেটিক বিজ্ঞানীদের যে তর্ক-বিতর্ক আর ভোটাভুটির কথা বললুম তা এই “ইভিএম” মেশিনেরই সক্ষমতা আর অক্ষমতা নিয়ে বিতর্ক।
এতোক্ষন যা জানলেন তাতে ধরে নিতে হয় আপনি এই সোজা বিষয়টি বুঝেছেন যে, শরীরের সমস্ত কোষেই একজোড়া ক্রোমোজম বা ক্রোমোজমের দুইটি করে কপি থাকে, কেবল মাত্র পুরুষের Y ক্রোমোজমের আছে একটি মাত্র কপি যা তাদের পিতা থেকে ছেলে সন্তানে প্রবাহিত।
এর অর্থ দাড়াচ্ছে এই, Y ক্রোমোজমের জেনেটিক রিকম্বিনেশান হয়না। জেনেটিক রিকম্বিনেশান তখনই হয় যখন দুইটি ডিএনএ (DNA) অনু নিজেদের ভেতরে তাদের জেনেটিক মেটেরিয়ালের কিছু অংশ আদান-প্রদান করে থাকে।
ছবি - রিকম্বিনেশান যেভাবে হয়.....

যেহেতু Y ক্রোমোজমের একটিই মাত্র কপি তাই কারো সাথে আদান-প্রদানের সুযোগ তাদের নেই। ফলে তাদের পক্ষে জেনেটিক সাফলিং (shuffling) করাও সম্ভব নয় যে সাফলিংয়ের মাধ্যমে ক্ষতিকারক জিন মিউটেশান (gene mutation) বা জিন এর খারাপ চরিত্র বদল রোধ করে প্রতিটি প্রজন্মে সঠিক চরিত্রের জিন ছড়িয়ে দেয়া যায়। এই দু’টি গুন থেকে Y ক্রোমোজম বঞ্চিত বলেই সময়ের বিবর্তনে ধংসপ্রাপ্ত হতে বাধ্য হয় এবং হিউম্যান জেনোম (genome) থেকে বাতিল হয়ে যায়।এই SRY অংশটুকু বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয় বলেই পুরুষের কপাল নাকি পুড়ছে। অন্ডকোষ তৈরীর এই কারখানা লে-আউট ঘোষনা করলে “পুরুষ” প্রোডাক্ট পাওয়া যাবে কই ? এই কারনেই যেখানে X ক্রোমোজম অনেক বাঁধা বিঘ্ন পেরিয়ে শুরু থেকেই আজও অনেকটা যেমন তাদের চরিত্র আর গাঁথুনী ঠিকঠাক ধরে রাখতে পেরেছে সেখানে Y ক্রোমোজম ব্যর্থ। আদি পিতৃপুরুষের গুন তাদের মধ্যে এখন আছে সামান্যই। অর্থাৎ পুরুষের বারোটা বেজে এখন চৌদ্দটার দিকে রওয়ানা দিয়েছে!
এ থেকে আপনার মনে হতেই পারে X ক্রোমোজম একটা “ডিসেন্ট সাইজড” ক্রোমোজম। প্রকৃতি প্রদত্ত চমৎকার ক্ষমতা বলে ১০০০ এর উপর সংখ্যক প্রোটিন কোডিং জিনস নিয়ে X ক্রোমোজম উত্তরসূরীদের জন্যে বুদ্ধিমত্তা সাপ্লাই দিতে কিম্বা প্রজননে সহায়তা অথবা উভয় কাজেই নিয়োজিত। আপনি বলতেই পারেন X ক্রোমোজম আসলে “ ব্রেইনস এ্যান্ড বলস ” ( “brains-and-balls” ) এর ভূমিকায় রয়েছে।
অপরদিকে খর্বকায় Y ক্রোমোজম যেন একটি আগাছার জঙ্গল, ফসল উৎপাদনের সুযোগ নেই এখানে। ২৬টি প্রোটিন কোডিং জিনস নিয়ে তার কাজ কেবল বিভিন্ন প্রোটিন তৈরীর নির্দেশনা দেয়া, তাও আবার বেশীর ভাগটাই যার অন্ডকোষে সীমাবদ্ধ। ভাবুন তো, বুদ্ধিমত্তা নিয়ে পুরুষ ক্রোমোজমের কোনও মাথাব্যথা নেই , তার দৃষ্টি শুধু অন্ডকোষ বা সেক্স এর দিকে! এ কারনেই কি পুরুষেরা যৌনতার দিকে ঝুঁকে পড়ে বেশী বেশী ?

তাই প্রশ্ন উঠেছে - এই ধংসের ধারা কি চলবেই, নাকি পুরুষেরা একটা না একটা ব্রেক কষে সমতায় ফিরে আসবে!
শুরুর তর্কে জেনি গ্রেভস পুরুষদের পিলে চমকানো এমন কথাই বলেছেন যে , পুরুষের আর সমতায় ফেরা হবেনা। পুরুষের আসল পৌরুষত্ত্বের আর কিছু বাকী নেই । অবশ্যম্ভাবী ভাবেই Y ক্রোমোজম এখন খাঁদের কিনারায়। বেশ কিছু প্রানী প্রজাতির সেক্স ক্রোমোজম সহ সব ক্রোমোজমের বিবর্তন নিয়ে বছরের পর বছরের গবেষণার ফল থেকে উদাহরণ দিয়ে গ্রেভস দেখিয়েছেন, ইতিমধ্যেই অন্য কিছু স্তন্যপায়ী প্রানীদের প্রজন্ম থেকে প্রজন্মের ভেতরে Y ক্রোমোজমের লীলাখেলা ক্রমাগত অস্তাচলের পথে এমনকি কিছু রডেন্ট (rodent) যেমন ইঁদুর এর বেলাতে এই খেলা চিরতরেই নাকি বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ধারনা এমনটাই যে, একটি সাধারণ অটোসোমাল ক্রোমোজমের জোড়া থেকে জন্ম নেয়া সেক্স ক্রোমোজমের Y টি খুব দ্রুতই নিঃশেষিত হতে চলেছে যার প্রমান পাওয়া যাচ্ছে অনেক মেরুদন্ডী, অমেরুদন্ডী প্রানী সহ উদ্ভিদেও।
গ্রেভসের ধারনা, Y ক্রোমোজমের ভাগ্যে এই নিঃশেষিত হবার ঘটনাটি অনেক ভাবেই ঘটে থাকতে পারে। এসবের উপর ভিত্তি করেই তিনি Y ক্রোমোজমকে চিত্রিত করেছেন তিনটি ভাগে। প্রথমটি -“ডমিন্যান্ট Y” যা তার ক্ষুদ্র আকৃতি নিয়েও পুরুষের পৌরুষত্বের উপরে বীরদর্পে প্রভাব বিস্তার করে রেখেছে। দ্বিতীয়টি - “সেলফিস Y” যে আবার অন্য অটোসোম কোষগুলি থেকে জিন ছিনিয়ে নিয়ে আসছে। শেষেরটি -“উইম্পি Y” যেটি তার পূবর্পুরুষেরই ছায়া।
এই “উইম্পি Y” টিকে নিয়েই জেনেটিক বিজ্ঞানীরা পড়েছেন ধাঁধায়। Y ক্রোমোজমের এই বিভিন্ন ধরনের কারনে ধারনা করা হয় -সম্ভবত এখানে ঘটে গেছে অসংখ্য মিউটেশান, সংযুক্তি আর বিযুক্তির খেলা। প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে Y ক্রোমোজম অন্ডকোষেই বন্দী, ডিম্বকোষে নয়। আর কে না জানেন যে , অন্ডকোষ একটি ভয়ঙ্কর জায়গা! গ্রেভস সে দিকেই তার অঙুলি তুলে বলেছেন - এখানে কোষ বিভাজন হয় খুব বেশী হারে, ডিএনএ ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার সুযোগও বেশী আর এদেরকে সারিয়ে তুলে উদ্ধার করার প্রক্রিয়ার রয়েছে ঘাটতি। এখানে জেনেটিক রি-কম্বিনেশান হয়না ( আগেও এর উল্লেখ আছে ) বলেই ক্ষতিগ্রস্থ এলাকাটিকে চিহ্নিত করে রিপেয়ার করা অনেক ক্ষেত্রেই সম্ভব হয়না। তাই একটি ক্ষতিগ্রস্ত Y ক্রোমোজমে থাকা ভালো অংশটুকুর বেঁচে থাকার চান্স খুব একটা থাকেনা। ক্ষতিগ্রস্ত বা খারাপ Y ক্রোমোজম নিয়ে তাই প্রকৃতিকে চলতেই হচ্ছে অগস্ত্যযাত্রার পথে। আদিতে যে ১৭০০টি জিন নিয়ে Y ক্রোমোজমের পথ চলা শুরু সেখান থেকে বর্তমানের ২৬ বা ৪৬টিতে তা নেমে আসার আনুপাতিক হার ধরে গ্রেভস দেখিয়েছেন, এই চলা চলতে পারে আরও বেশী হলে ৪.৬ মিলিয়ন বছর মাত্র। তারপরেই নাই হয়ে যাবে সে।

এই লম্বা সময় দেখে আপনার হয়তো খুশি খুশি লাগবে এটা ভেবে যে, যাকগে বাঁচা গেলো- এখনই নপুংসক হচ্ছিনে! কিন্তু ৪.৬ মিলিয়ন বছর পরে পৃথিবী নামক গ্রহটিতে আপনার কোনও উত্তরসুরী আর থাকবেনা কখনও, এটা মেনে নিতে পারা যাবে কি; কবি যেখানে বলে গেছেন - “মানুষের মাঝে আমি বাঁচিবারে চাই................” ? আসলে সময়টা মোটেও তেমন লম্বা নয় যেখানে পৃথিবীতে প্রানের জন্ম ৩.৫ বিলিয়ন বছর আগে, এই তো যেন সেদিনের কথা!

করোনা ভাইরাসের হাত থেকে না হয় বাঁচা গেলো কিন্তু ধ্বংসের আলামত নিয়ে ধুঁকে ধুঁকে চলা Y ক্রোমোজমের হাত থেকে পুরুষ প্রজাতি বাঁচবে তো ?
বাঁচবে .......বাঁচবে !
পুরুষের জন্যে শ্বাস নেয়ার ভেন্টিলেটর নিয়ে এসে হোয়াইটহেড ইন্সটিটিউট ফর বায়োমেডিক্যাল রিসার্চের জেনিফার হিউজেস বলেছেন -ওস্তাদের মা’র শেষ রাতে! আস্তিনে লুকানো ট্রাম্প কার্ডটি তো Y ক্রোমোজম এখনও খেলেনি।
গেলো ২৫ মিলিয়ন বছর ধরে মানুষ-শিম্পাঞ্জী আর রেসাস বানরের Y ক্রোমোজমের সিকোয়েন্সের বিবর্তনের ধারা পর্যবেক্ষন সাপেক্ষে জেনিফার হিউজেসের ধারনা এমনটাই। ছুঁড়েছেন লাখ টাকার প্রশ্নও - এতো মিলিয়ন মিলিয়ন বছর ধরেও যখন Y ক্রোমোজম মরেনি তখন সে কেন মরবে এখন ?
তুরুপের তাসটি Y ক্রোমোজমের হাতেই। সে এমন একটি প্রক্রিয়ায় পারদর্শী হয়ে উঠেছে যে, খাঁদের অতলে যাবার আগেই ব্রেকটি কষে ফেলতে পেরেছে। তার জিন সংখ্যা কমে যাওয়াটাকে সে থামিয়ে দিতে পেরেছে।

একটি ড্যানিস (Danish) পরীক্ষায় তেমন পারদর্শিতার কথাই প্রকাশিত হয়েছে ২০১৭ সালের আগষ্টে PLoS Genetics জার্নালে । বলা হয়েছে - মানুষের উপরে গবেষনা চালিয়ে দেখা গেছে, Y ক্রোমোজমগুলি তাদের গাঁথুনীতে বিশাল মাত্রায় পূনঃ পরিবর্তন ঘটাতে সক্ষম যা জিনগুলির অনেক অনেক কপি (জেনেটিক এ্যাম্পলিফিকেশান) বানিয়ে ফেলতে পারছে। এতে শুক্রকীটের কাজ শানিয়ে তুলতে পারা যাচ্ছে পাশাপাশি জিনের ক্ষয়ক্ষতির লাগামও টেনে ধরা যাচ্ছে।
তুরুপের এই তাসটি হলো এ্যাম্পলিকোনিক সিকোয়েন্স ( ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জেনোমিক অঞ্চলের কয়েকটি সংলগ্ন নকল নিয়ে গঠনের ধারা যেটা অন্ডকোষের ভেতরেই বেশী সীমাবদ্ধ ) এর “প্যালিনড্রোম” ষ্ট্রাকচার। একটা কিছু গেঁথে তোলার অস্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া যেখানে একটা সুস্থ্য ( আন-ড্যামেজড) জিনকে টেম্পলেট হিসেবে ধরে ক্ষতিগ্রস্থ জিনের ভেতরে তা উল্টো ভাবে কপি-পেষ্ট করে বসিয়ে দেয়া। অনেকটা আপনার খুব পরিচিত “রমাকান্তকামার” শব্দটির মতো যেখানে অক্ষরগুলো উল্টো করে বসালেও একই রকম দেখায়। এভাবেই এই জিনগুলি নিজেরা নিজেরাই পুনঃসংযোজিত হতে পারছে এবং ক্রমোজমটি টিকে থাকছে।
Y ক্রোমোজমের রেপ্লিকেশান ক্ষমতা নেই বলে তার জেনেটিক ক্ষয়প্রাপ্তি সে রোধ করেছে, গাড়ী চালানোর স্বাভাবিক জৈব জ্বালানীর গোষ্ঠী কিলিয়ে সূর্য্যালোক ব্যবহার কিম্বা নৌকার মতো পাল খাটানোর ট্রিকস খাটিয়ে।

জেনিফার হিউজেস শিম্পাঞ্জীর সাথে তুলনা করে দেখিয়েছেন ৬ মিলিয়ন বছর আগে শিম্পাঞ্জী ও মানুষের বংশকুল আলাদা হয়ে যাবার পরে আজ পর্যন্ত কিন্তু মানবকুলে Y ক্রোমোজমের MSY (male-specific region of the Y chromosome) যা লিঙ্গ নির্ধারন করে সেই অংশে ( ইভিএম মেশিন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান) জিন সংখ্যার ঘাটতি পড়েনি যেটা ঘটেছে শিম্পাঞ্জীর বংশকুলে। অন্যদিকে যে জিনগুলি মানবকুল হারিয়ে ফেলেছে বলে বলা হয় তা কিন্তু শিম্পাঞ্জীর বংশকুলের MSY অংশে একেবারেই অনুপস্থিত।
এর অর্থ মানবকুল গেলো ৬ মিলিয়ন বছর ধরে তার MSY কে স্থিতাবস্থায় রাখতে সক্ষম হয়েছে। কোনও কিছুই তার হারায়নি।
ছবি- MSY gene loss in the human and chimpanzee lineages over the course of sex chromosome evolution. Tree represents evolutionary relationships between autosomal progenitors of mammalian sex chromosomes (AA) and present-day human X and human and chimpanzee Y chromosomes. Gene contents for each chromosome are indicated. Timeline of major events is shown at right (not drawn to scale)

খাদের কিনারে ঝুলে থাকা নয়, Y ক্রোমোজম বেশ ভালো ভাবেই যেন হাইওয়েতে রয়েছে।

সম্প্রতি করা একটি গবেষনার কথাও তুলে ধরেছেন জেনিফার হিউজেস, যেখানে বানরের উপরে গবেষনা করে তাদের MSY এর সিকোয়েন্সগুলো দেখা সমাপ্ত হয়েছে। বানরকুলের এই MSY অংশ বিবর্তিত হলেও ২৫ মিলিয়ন বছর আগে বানরকুল থেকে মানবকুল আলাদা হয়ে যাবার এই দীর্ঘ সময়েও কিন্তু মানবকুলের Y ক্রোমোজম অবিশ্বাস্য ভাবেই অপরিবর্তিত রয়েছে। পাশাপাশি পুরুষদের জন্যে তিনি এমন আশার বানীও শুনিয়েছেন যে, প্রাচীন স্তন্যপায়ী প্রানী যেমন Callithricidae প্রজাতির বানর, নেংটি ও ধাঁড়ী ইঁদুর এমনকি বলদের MSY সিকোয়েন্স নিয়েও গবেষণা চলছে যা থেকে সুদীর্ঘ কাল থেকে চলে আসা জিন হারানো কিম্বা নতুন করে জিন জোটানোর ইতিহাসের অজানা জানালা খুলে যায় আমাদের সামনে। তখন হয়তো জানা যেতে পারে - পুরুষের বারোটা ছাড়িয়ে চৌদ্দটা বাজবে কবে!

পুরুষের যারা বারোটা বাজিয়ে ছেড়েছেন তাদের মাথায় আবার পানি ঢেলে দিয়েছেন বেইজিং ইনস্টিটিউট অব জেনোমিক্স এর প্রফেসর সান ইঙ্গলি। চায়নিজ আর আফ্রিকার মানুষদের উপর গবেষণা চালিয়ে তিনি শুনিয়েছেন আরেক কথা। গত ৫০ হাযার বছর ধরে DNA methylation প্রক্রিয়ায় মানুষ তার জিনের চরিত্র বজায় রেখে এসেছে যখন থেকে প্রথম সভ্য মানুষটি আফ্রিকা থেকে মাইগ্রেট করেছে অন্যত্র। এই মিথাইলেশানের ফলেই Y ক্রোমোজমের গাঠনিক প্যাটার্ন এতো সময় ধরে স্থিতাবস্থাতেই রয়েছে ।

ইউনিভার্সিটি কলেজ অব লন্ডনের প্রফেসর ক্রিস ম্যাসন পুরুষ বিদ্বেষীদের বক্তব্যগুলি সাজিয়ে রাখা বাক্সে একটা পেরেক ঠুকে দিয়েছেন এই বলে- ৪ বা ৫ মিলিয়ন বছরের মতো লম্বা সময় যদি লাগেই Y ক্রোমোজমের ডিগবাজী খেতে তবে ততো বছর ধরে আধুনিক মেডিসিন কি আঙুল চুষবে? একটা না একটা উপায় বের করে ফেলবেই সে।

পক্ষে বিপক্ষে যারা যতো কথাই বলুক, আমার -আপনার তাতে কিছু যায় আসেনা। আমরা নপুংসক হচ্ছিনে শীঘ্রই অন্তত আগামী একশো-দু’শো বছরে তো নয়-ই!
শুনতে হয়তো স্বস্তি লাগছে কিন্তু পুরুষের বিদায় ঘন্টা যারা শোনাতে চাইছেন তাদের বাজানো বাদ্য যদি সত্যি সত্যিই শব্দ করে বাজে, তখন কি হবে ? তখন কি, এই লেখার শুরুতেই পুরুষেরা যে তালগাছ - নারকেল গাছে চড়বেন বলা হয়েছে তেমন করে কি সত্যি সত্যিই পুরুষেরা গাছে চড়ে ইজ্জত বাঁচাবেন ?????


স্বীকারোক্তিঃ
চারদিকে মরনঘাতী করোনাকে নিয়ে যে অস্থিরতার, যে শঙ্কার, যে মৃত্যু ভয়ের দমবন্ধ করা পরিবেশ সেখান থেকে আপনাদের দৃষ্টি খানিকটা সময়ের জন্যে হলেও অন্যদিকে সরিয়ে রাখার ইচ্ছে থেকে সময়ের বৈপরীত্যে এমন লেখাটি।

সূত্রঃ
১- Click This Link
২- Click This Link
৩- http://www.ncbi.nlm.nih.gov/pubmed/22083302
৪- Click This Link
৫- Click This Link

ছবিঃ নেট থেকে।

মন্তব্য ৭০ টি রেটিং +৩০/-০

মন্তব্য (৭০) মন্তব্য লিখুন

১| ১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২৬

রাজীব নুর বলেছেন: ধর্মীয় কোনো কিছুতে বিশ্বাস করবেন না।
বিশ্বাস করবেন বিজ্ঞান।

পোষ্ট টি তৈরি করতে গিয়ে অনেক পরিশ্রম করেছেন।

১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: রাজীব নুর,





বিজ্ঞানের কথা এলেই ধর্মকে সেখানে টেনে না আনাই ভালো।
ধর্ম আর বিজ্ঞান এক নয়।

প্রথম মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।

২| ১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২৮

ওমর সাহিত্যিক বলেছেন: অর্ধেকের বেশি পড়েছি। অনেক তথ্য স্পমৃদ্ধ লিখা। ভালোই লাগছিল। কিভাবে আমরা হেরে যাচ্ছি তা জানতে। লিখার বাস্তবিকতা আছে। আসলেই পুরুশ হেরে যাচ্ছে। পুরোটা পড়ব সময় করে। ধন্যবাদ

১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: ওমর সাহিত্যিক ,





আমার ব্লগে স্বাগতম।

চেষ্টা করেছি পাঠকদের কাছে সহজবোধ্য করে তুলতে।
একটু ধৈর্য্য নিয়ে পড়তে হবে। সময় লাগবে।

ভালো থাকুন, নিরাপদে থাকুন।

৩| ১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৩

মা.হাসান বলেছেন: যার গাছে চড়ার দরকার হয় গাছে উঠুক, যে সাঁতার কাটতে চায় সাঁতার কাটুক- আমি বাবা জায়গায় দাঁড়িয়ে থাকবো।গাছে ওঠা বা সাঁতার কাটা কোনটাই শিখিনি, এই পোস্ট পড়ে শেখার আগ্রহ একেবারে চলে গেল।

সেই গোপ, সেই জুলফি, সেই বাইসেপ, সেই সিনা , সেই ভুড়ি - পাজামা পড়লে ফিতে লাগে না, এক বসায় একটা পাঠা খেয়ে ফেলে, পারলে আরও খুঁজে-- কোথায় গেল সেই পুরুষ?

ছেলেপুলেদের নাম এখন আর নাবিল- নাবিলা রাখা হয়না । নিনি - নাম শুনে ছেলে না মেয়ে কি বুঝবেন? তাও যদি ই কেটে উ করে দেওয়া যেত(দু'জায়গাতেই)।

যাহোক ও জিনিসটা ফ্রিজে সংরক্ষণ করা যায় না? ক' বছর পর বড় সাইজ বলে মার্কেটে বিক্রি করে দিলাম? আমার নানির বাসায় দেখেছি ঘড়ার ভিতর পুরনো ঘি, পুরনো তেঁতুল থাকতো। এখন থেকে না হয়ে বংশানুক্রমে ফ্রিজের ভিতরে ও জিনিসই সংরক্ষণ করব।

ব্লগ পুরুষশূন্য হয় হোক , কবি শূন্য যেন না হয়।
আর একটা জিনিস ভেবে দেখবেন, পুরুষরা কিন্তু অসম্পূর্ণ সৃষ্টি । পুরুষ থেকে পুরুষের ক্লোন করা সম্ভব বলে মনে হয় না (চারা রোপণ করবেন কোথায়?); মহিলা থেকে কিন্তু মহিলার ক্লোন করা সম্ভব।

এত জটিল একটা বিষয় খুব সহজ করে লিখেছেন। আমার মত কম বুদ্ধির পুরুষ ও রিডিং পড়তে পারল (এই বাক্যে বিশেষ্য /বিশেষণ এর দ্বৈত প্রয়োগ হয়ে থাকতে পারে, মা জননীরা নিজ গুনে ক্ষমা করবেন)।

১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: মা.হাসান,




গাছে ওঠা বা সাঁতার কাটার কোনটাই যখন শেখেননি তখন আপনার জী্বনটাতো ষোল আনাই মিছে। Y ক্রোমোজম থাকলেই বা কি আর না থাকলেই বা কি! গালে হাত দিয়ে বসে থাকা ছাড়া আপনার তো কোনও উপায় দেখছিনে।

সেই পুরুষ কোথাও যায়নি। বিজ্ঞানীরা বলেছেন, তেমন অবস্থা দেখলে বলদ খামারের মতো পুরুষের খামার তৈরী করা হবে যেখানে হারকিউলিস টাইপ পুরুষদের সংরক্ষণ করে রাখা হবে। :D

ফ্রিজে নয় মাছের এ্যাকুইরিয়মে রাখতে পারেন। দেখতে তো ব্যাঙাচির মতই। ঝাড়ে বংশে বাড়বে। চাই কি ভালো একটা ব্যবসা ফেঁদে বসতে পারেন কাটাবনে। :#)

ব্লগ পুরুষশূন্য হয় হোক , কবি শূন্য যেন না হয়।
এইটাই যা ভয়ের। আমরা থাকি আর না থাকি কবিরা যেন নাই না হয়ে যান। :((

চেষ্টা ছিলো সবার বোধগম্য করে লেখার। বিজ্ঞান তাও আবার জেনেটিক্সের মতোই জটিল। ভয় ছিলো কোথাও উল্টোপাল্টা করে ফেলিনি তো! করে থাকলে সবাই নিজ গুনে ক্ষমা করে দেবেন।

৪| ১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪২

সোনালি কাবিন বলেছেন: অসাধারণ

১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:১৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোনালি কাবিন,




আমার ব্লগে স্বাগতম।
মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।

নববর্ষের আগাম শুভেচ্ছা। ভালো থাকুন আর নিরাপদে!

৫| ১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৩

ব্লগার_প্রান্ত বলেছেন: পুরোটা পড়লাম। এই ব্যপারে আমার পাঠ্য বইয়ের বাইরে জ্ঞান সীমিত।
তবে গোটা দুনিয়ায় মাতৃত্ব এবং প্রজননের ধারণার বিরুদ্ধে যে সাংস্কৃতিক আগ্রাসন চলছে, তাতে এমনিও খুব বেশিদিন দেখতে হবেনা।

১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৪৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: ব্লগার_প্রান্ত ,




খুব চমৎকার পর্যবেক্ষন মন্তব্যের শেষ লাইনে।

এই লেখাটি বুঝতে মনে হয় পাঠ্যবইয়ের জ্ঞানের সহযোগিতার বেশি একটা প্রয়োজন নেই। সবাই যাতে বুঝতে পারেন তেমন সহজ করেই লিখেছি আমার সামর্থ অনুযায়ী। ধীরে ধীরে পড়লে বুঝে ওঠা সহজ। গল্পের মতো পড়ে গেলে হবেনা, কঠিন মনে হবে।

নববর্ষের আগাম শুভেচ্ছা।

৬| ১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৬

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
জেনেটিক্স সব সময়ই একটি কঠিন বিষয়।
কিন্তু বুঝতে পারলে মজাও আছে।

১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:৩৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন,




শুধু জেনেটিক্সই বা কেন বিজ্ঞানের সব শাখাই যেমন কঠিন তেমনই ভাবনা আর বিস্ময়ের খোরাক যোগানিয়া।

মন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ।
আগাম শুভেচ্ছা নববর্ষের।

৭| ১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩০

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: ও ভাইডি
কি কল্লেন কইনছাইন দেহী
এমনেই করোনাতংকে প্রাণ ঘরবন্দী, আফনে আবার ভুই দেখাইলেন জাত যাওয়ার অখন কনে বন্দী হবো;)
হা হা হা

যাক তবু ভাল তুরুপের তাস খানা আছে। :)

আচ্ছা, এই বির্বতন সভ্যতার বদলের প্রভাবে নয়তো? আগে মানুষ প্রকৃতি নির্ভর ছিল। প্রকৃতির সাথে সমন্বয় রেখেই নিজেকে প্রস্তুত রাখতো টিকে থাকার যুদ্ধে। কিন্তু যখন সভ্যতার যান্ত্রিকায়ন হলো, শরীরের চেয়ে মস্তিস্ক বেশি গুরুত্ব পেতে থাকলো, মানুষের শারিরিক সক্ষমতা্ও সে অনুপাতে কমতে থাকলো। টিকে থাকার নূন্যতম পর্যায়েই বলা যায় নেমে এল । এর সাথে যুক্ত হলো মানসিকতার সমানুপাতিক বদলে যা্ওয়া। এসব কি প্রভাবক হিসেবে কোন প্রভাব রাখছে? গবেষকগণ হয়তো বলতে পারবেন।

করোনা কালে ঝাড়া দিয়ে খাড়া করা লেখা দিয়ে ভাবনারে দৌড়ের উপর রাখার জইন্য ধইন্যা :)
নিরাপদে থাকুন। সুস্থ থাকুন।

১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:৪০

আহমেদ জী এস বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু,




কিচুই কইনছাই নাই। কইছি কফালডা পোড়ার কতা। ভুত দেখাই নাই, জিন-পরী দেখাইছি। :||

বিবর্তন হতে পারে যে কোনও উপলক্ষ্য ধরে। যেমন ধরুন, এই যে ফ্যাসনেবল দাঁড়ি রাখার চল হয়েছে আজকাল তেমন চললে একদিন হয়তো দেখা যাবে সারা শরীরে আবার বানরের মতো লোম গজিয়ে যাচ্ছে। হু নো'জ ? :-*
ইদানিং পরিবেশ দূষনের কারনে দেখা যাবে যে একদিন আমাদের ফুসফুস লোহার মতো শক্ত হয়ে ভেন্টিলেটর হয়ে গেছে। গায়ের চামড়া গন্ডারের মতো মোটা। :)

তবে ভয় নেই, আপনার জীবদ্দশায় তা দেখে যেতে পারবেন না।

নববর্ষের শুভেচ্ছা আগাম।

৮| ১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৬

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
আমি কলা বিভাগের ছাত্র, বিজ্ঞানের কারিশমা ততটা বুঝিনা
তবে আমার বিশ্বাস এক সময় এক সময় পৃথিবীতে রাজত্ব করবে নারী।
কবির ভাষায়, নারী হেসে ওঠার আগে পৃথিবী ছিল বিষণ, বাগান ছিল
জঙ্গল আর পুরুষ ছিল সন্ন্যাসী। শতাব্দীর পর শতাব্দী সৌন্দর্য আর
কোমলতার প্রতীক হলো নারী। যার মায়াজালে আটকা পড়েছে অনেক
বাঘা বাঘা পুরুষ। অথচ এই নারীরাই হাতে তুলে নিয়েছে অস্ত্র, অর্জন
করেছে যুদ্ধকলায় যোগ্যতা, সামর্থ্য, বীরত্ব। যুগে যুগে এমন সুন্দরী
নারীর আবির্ভাব ঘটেছে, যারা সম্মুখ সমরে পরাজিত করেছেন বহু
বীরকে আবার দেশ পরিচালনাও করেছেন দক্ষ হাতে। যারা সৌন্দর্য
এবং নেতৃত্বে তাক লাগিয়ে দিয়েছিল প্রাচীন বিশ্বকে।

১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:১৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: নূর মোহাম্মদ নূরু,




যথার্থ কারিশমা নিয়ে করা মন্তব্য।+++

আপনার বিশ্বাস মতো একসময় নারীরা যে রাজত্ব করবে তা তো শুরুতেই বলেছি।

বিজ্ঞানের তো কারিশমা থাকেনা থাকে পর্যবেক্ষন, নিরীক্ষন, পরীক্ষন, বিশ্লেষণ।

৯| ১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:০০

অক্পটে বলেছেন: খুব ভাল লাগল বিষয়টি। আপনি যেভাবে সহজ করে বললেন আজকের এই লেখাটা না পড়লে বোধহয় বিষয়টা আর কখনোই ক্লিয়ার হতোনা।
ধন্যবাদ লেখাটির জন্য।

১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১০:০৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: অক্পটে,




অক্পটেই বলেছেন সত্যটি, যে জটিল লেখা হলে বুঝতেন না বিষয়টি। আমি এ জাতীয় লেখা সহজ করে লিখতেই চেষ্টা করি যাতে পাঠকের বুঝতে সুবিধে হয়। একটু রসকষও থাকে যাতে পড়তে গিয়ে একঘেয়েমী না লাগে।
ধন্যবাদ মন্দব্যের জন্যে।

নববর্ষে নিরাপদ থাকুন।

১০| ১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:২১

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: পুরোটাই পড়লাম। ওয়াই ক্রোমোজোম আর এক্স ক্রোমোজোম সাম্যাবস্থায় থাকুক। সময় এখন জেনেটিক্স এর
একজন নারী পরম কাম্য শক্ত সমর্থ পুরুষ। নারী নিজের স্বার্থ রক্ষায় ওয়াই ক্রোমোজোম শক্তি শালী থাকে যেন সেই কামনা করবে। পুরুষ রা শুধু সেক্স নিয়ে পড়ে থাকে না।
তার মধ্যে সামাজিক দায়বদ্ধতা কম নয় কিন্তু। দারুন বিশ্লেষণ ধর্মী পোস্ট। অনবদ্য । অনেক কিছু জানা হলো।
আপনাকে ধন্যবাদ শ্রদ্ধেয় আহমেদ জী এস।

১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১০:৪৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: সেলিম আনোয়ার,




নারী-পুরুষ মিলেই এই বিশ্ব সংসার, সুন্দর এই পৃথিবী।

সময় এখন জেনেটিক্সের হলেও ভয়ও আছে অনেক, দুঃশ্চিন্তাও অনেক। ক্লোন করে কি থেকে যে কি বানিয়ে ফেলবে, আল্লাহ মালুম! যদিও বিশ্ববিবেক ওসবের অনুমতি দেয়নি এখনও।

১১| ১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৪২

বিজন রয় বলেছেন: মেগাপোস্ট, সময় নিয়ে পড়তে হবে।
আমার মনে হচ্ছে এটা পড়ার পর আমার তালগোল পাকিয়ে যাবে।

১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:০৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: বিজন রয়,




মিনি পোস্ট লেখার মতো কারিশমা আমার জানা নেই। আমার প্রায় সব পোস্টই ম্যাক্সি-মিডি। নো মিনি! :(
কি করবেন আর , এসেই যখন পড়েছেন তখন তালগোল পাকিয়ে ফেললেও সময় নিয়ে পড়ুন, পুরুষের বিজয়ের একটা উপায় বাৎলেও দিতে পারবেন হয়তো!

১২| ১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:০৪

রাজীব নুর বলেছেন: আমার মন্তব্যের উত্তর দেওয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।

১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:৩৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: রাজীব নুর,




আসিয়াছেন ফের
এইতো ঢের.................

১৩| ১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:১৩

শের শায়রী বলেছেন: যদিও আমাদের লুঙ্গির কোচা ধইরা টান দেয়ার অবস্থা জিন পরীর কারনে, কিন্তু তারপরো প্রিয় তালিকায় নিয়ে গেছি, কারন ওই সব স্বপ্ন দেখা দিন মাত্র কয়েক মিলিয়ন বছর পর সত্য হইবে। তবে ততদিনে এই মনুষ্য প্রজাতি আসলে কতটা মনুষ্য থাকবে না বিবর্তিত হয়ে সব তালগাছে উঠবে আল্লাহ মালুম।

দারুন একটা ব্যাতিক্রমী পোষ্ট পেলাম অনেক দিন পর আহমেদ ভাই। আবারো পড়ব।

১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: শের শায়রী,




সে কথাই তো বলেছি যে, পুরুষের পোড়া কপাল! সেটা লুঙ্গির কোঁচা ধরে টান নাকি আর কিছু ধরে টান সেটাই তো বোঝাতে চেয়েছি!
কি যে হবে!!!!!!! মাঝখানে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ব্যাপারটা না থাকলে চার মিলিয়ন পরে টেসে যাওয়া থেকে মানুষ এমন কি "শের"কে ধরে রাখাও কষ্টকর হবে।

সুন্দর মন্তব্য আর প্রিয়তে নেয়ার জন্যে ধন্যবাদ।

নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

১৪| ১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:২২

ইমরান নিলয় বলেছেন: ভালো সাজিয়েছেন। আপনার অন্য পোস্টগুলাও দেখবো সময় করে।

১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:০৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: ইমরান নিলয়,




আমার ব্লগে স্বাগতম।
সময় করে ঘুরে আসবেন বলে বিশ্বাস করি।

নববর্ষের শুভেচ্ছা।

১৫| ১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:০৪

কথার ফুলঝুরি! বলেছেন: কঠিন লেখা ভাইয়া । পুরোটা না পড়লেও প্রায় ৯০ শতাংশ পড়লাম । এমনিতেই বড় লেখা তাঁর উপর বিজ্ঞান বিষয়ক । তবে চেষ্টা করেছি বোঝার ।

ক্রোমোজোম এর বিষয় ও ছেলে মেয়ে হওয়া এই বিষয়ে পড়েছি । তবে আপনি যে বিষয়টি হাইলাইট করতে চেয়েছেন সেটা নিয়ে আরও একটু পড়তে হবে। ইদানীং পড়ার নেশায় ধরেছে । আবার পড়বো সময় করে । বিষয়টি পুরোপুরি ক্লিয়ার হতে হবে ।
কিন্তু ভাইয়া এমনিতেই চারিদিকে করোনা আতঙ্ক তাঁর উপর এমন একটা বিষয় । এ যে আরেক আতঙ্ক । :||

১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:০৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: কথার ফুলঝুরি!




জেনেটিক্স হয়তো কঠিন কিন্তু আমি এ জাতীয় লেখায় সবচেয়ে সহজবোধ্য ভাষা-উপমা-শব্দ ইত্যাদি ব্যবহার করে পাঠকদের কাছে নিয়ে আসি যাতে তাদের বিষয়টি বুঝতে অসুবিধে না হয়। এটাতেও জেনেটিক্স এর অনেক জটিল তথ্য যেমন XXY, XYY, X , XXX এই কম্বিনেশানেও ক্রোমোজম যে থাকতে পারে সে প্রসঙ্গ তুলিনি। তুলিনি ট্রান্সজেন্ডার প্রসঙ্গও যেটা নীচে শ্রদ্ধেয় সহব্লগার ডঃ এম এ আলী বলেছেন কারন পুরুষের ভাগ্য নিয়ে যা বলতে চেয়েছি তাতে এই প্রসঙ্গ আসেনা। এলেও এগুলো অনেক পাঠকের কাছেই দূর্বোধ্য আর দাঁতভাঙা কিছু মনে হবে বলে এড়িয়ে গেছি।
পাশাপাশি বিজ্ঞ সহ ব্লগার কলাবাগান১ ক্রোমোজম নিয়ে আমার লেখার বাড়তি কিছু বলেছেন তার মন্তব্যে , বলেছেন "জিন এক্সপ্রেশান" আর "ইএ্যাক্টিভেশান" এর কথাও। এগুলোর আলোচনা অনেক পাঠককেই বুঝে উঠতে না পারার কারনে বিভ্রান্তিতে ফেলে দিতে পারে। যদিও ক্রোমোজমের আলোচনা যখন, তখন প্রায় সবটুকু নিয়ে আলোচনা হতেই পারে যাদের এ ব্যাপারে একাডেমিক জ্ঞান আছে বা যারা জানতে আগ্রহী, তারা তেমনটা চাইতেই পারেন! কিন্তু আমি তো ব্লগের সবার জন্যে লিখেছি যেটুকু একেবারে না লিখলেই নয়।

আপনাকে এতো কিছু বলার কারন, ইদানীং আপনাকে নাকি পড়ার নেশায় ধরেছে এবং আর একটু পড়তে হবে বলেছেন, তাই।

না.. না.. আতঙ্ক ছড়ালে ছড়াবে পুরুষ ব্লগারদের মধ্যে। আপনাদের তো পোয়াবারো- মাসল ফুলিয়ে সেলফি তোলার চান্স করে দিলুম।

নতুন বছরের শুভেচ্ছা রইলো।

১৬| ১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:১৮

নেওয়াজ আলি বলেছেন: বাংলাদেশ যেন পুরুষ শূন্য না হয় । তাহলে পলিটিক্স করবে কে। ভাই একটু ছোট ছোট লেখা দিলে ভালো হয়।

১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:৩৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: নেওয়াজ আলি,




ছোট লেখা যে আমি লিখতে পারিনে! লিখতে গেলেই কীবোর্ডের আঙুল আর থামতে চায়না।
আর ছোট ছোট লেখা তো ফেসবুকে ফেসটা একটু দেখানোর জন্যে। আমি তো ব্লগে লিখি যেটা মহাসাগরের মতো বিশাল........

১৭| ১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:২৫

রাজীব নুর বলেছেন: আবার এলাম আপনার পোষ্টে। কে কি মন্তব্য করেছে দেখে গেলাম।

১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:৫০

আহমেদ জী এস বলেছেন: রাজীব নুর,




আপনি দেখি সামাজিক দূরত্ব ভাঙা পাবলিকের মতো হৈছেন, লকডাউন ( কমেন্ট ডাউন) দ্যাখতে আইছেন! :-P
বলে তো গেলেন না, কার মন্তব্য কেমন!!!!!!!!

নববর্ষের শুভেচ্ছা আপনাকে।

১৮| ১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:৪৭

রাশিয়া বলেছেন: বিবর্তনে বিশ্বাস রাখলে বিজ্ঞানকে ভিত্তি ধরলে অস্বীকার করার উপায় থাকবেনা যে পুরুষ জাতি আসলেই বিলুপ্তপ্রায়। কিন্তু বিশ্বাসকে একপাশে সরিয়ে রেখে বাস্তবের দিকে তাকালে দেখতে পাই পুরুষ জাতি প্রায় বিশ লক্ষ বছর ধরে টিকে আছে এবং শীঘ্র তা বিনশ হবার কোন কারণ নেই।

@ রাজীব নুর, বিজ্ঞান আসলে বিশ্বাস করার মত কোন বিষয় নয়। বিজ্ঞান গবেষণা লব্ধ কিছু থিওরি দেয়। অন্য কথায় প্রকৃতিতে যা ঘটে থাকে, বিজ্ঞান সেটাকে অংকের ভাষায় প্রকাশ করে। তাই ধর্মের চেয়ে বিজ্ঞানকে অনেক যৌক্তিক লাগে। কিন্তু বিজ্ঞানের থিওরি যে অনেক সময় মিথ্যা হয়ে যায় - এই ব্লগই তার প্রমাণ। কিন্তু ধর্ম অবিশ্বাস্য হতে পারে - তাঁকে মিথ্যা বলা যাবেনা কোন অবস্থাতেই।

১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:২৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: রাশিয়া,




শীঘ্র পুরুষ জাতি বিনাশ হবার কোন কারণ নেই, সেই কথাই বলেছি। শীঘ্রই নয়, লাগবে সাড়ে চার মিলিয়ন বছর।

রাজীব নুরকে যা বলেছেন তার জবাব তিনি নিশ্চয়ই দেবেন যদি আপনার এই মন্তব্য দেখে থাকেন।

১৯| ১৩ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:২১

নতুন নকিব বলেছেন:



সময় নিয়ে পড়ার ইচ্ছে। +++

১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:৪৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: নতুন নকিব,





সময় নিয়েই পড়ুন। তারপর না হয় মন্তব্য।

শুভেচ্ছা নতুন বছরের।

২০| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১২:২৩

আমি তুমি আমরা বলেছেন: ৪.৬ মিলিয়ন বছর লম্বা সময়। অতদিন পুরুষ না, পৃথিবী টিকে থাকে কিনা কে জানে। যাইহোক, জেনিফার হিউজেস পুরুষদের ভালবাসেন বলেই মনে হচ্ছে।

পরিশ্রমী পোস্টে ভাললাগা রইল।

১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:২৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: আমি তুমি আমরা,





জেনিফার হিউজেস পুরুষদের ভালবাসেন বলেই মনে হচ্ছে। হয়তো বাসেন কিন্তু আসলে বেশী বাসেন তার জেনেটিক্সের গবেষণাটিকে। :((

নতুন বছরের শুভেচ্ছা।


২১| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ ভোর ৫:০১

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: বিজ্ঞানের ছাত্র ছিলামনা,তবু কষ্ট করে পড়লাম।এখন দেখছি মাথা ঘুরছে।

১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:৩৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: নুরুলইসলা০৬০৪,




খুব বোধগম্য ভাবে বাংলায় লেখা এই পোস্ট বুঝতে বিজ্ঞানের ছাত্র হবার দরকার নেই মোটেও। বাংলা বুঝলে লাইন বাই লাইন পড়লেই চলে। লাইন বাই লাইন এই কারনে যে , এটা গল্প নয়।

পড়ার জন্যে ধন্যবাদ।
নববর্ষের শুভেচ্ছা জানবেন।

২২| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:৩১

নীল আকাশ বলেছেন: গুরুজী,
লেখাটা খুব মনোযোগ দিয়ে পড়লাম। প্রজননের এই বংশ বিস্তারের ধারার বর্ণনা নিয়ে আগে কিছু ভাসা ভাসা লেখা পড়েছিলাম তবে এবার অনেক কিছুই পরিষ্কার হলো।

আসলে বিজ্ঞান গবেষনা করছে এবং করেই যাবে। কারণ এটাই তাদের কাজ। এত নিত্য নতুন দারুন সব তথ্য উঠে আসবে যা আমাদের বিশ্বাস বা অবিশ্বাসের ধারণাকে হুট করেই বদলে দিতে পারে। কিন্তু তাতে কি আসলে বংশ ধারার বিস্তারে কোন প্রভাব ফেলবে? মানুষের দেহের এই সুশৃংখল জীনের বিন্যাস দেখেও কিছু কিছু বিজ্ঞানীরা স্রষ্টার অস্তিত্ব নিয়ে সন্দেহ করে। তার মনে করে বিবর্তন নামক ভুয়া একটা থিওরী দিয়ে সব কিছু ব্যাখ্যা করতে পারবে। যেখানে সামান্য একটা জীনের গড়মিল হলেই সারা পৃথিবীতে মানববংশ উলট পালট হয়ে যেতে পারে অথচ মিলিয়ন বছর ধরেই কত সুন্দরভাবে মানব প্রজাতীর বিস্তার ঘটছে।

নতুন নিউজ দেখুন -
কভিড-১৯ রোগে আক্রান্ত হওয়া নারী ও পুরুষের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভিন্নতা দেখা গেছে মৃত্যুর হারে। উদাহরণস্বরূপ, যুক্তরাষ্ট্রে নারীদের তুলনায় এই রোগে পুরুষদের মারা যাওয়ার হার দ্বিগুণ। একইভাবে পশ্চিম ইউরোপে রোগটিতে মারা যাওয়া ব্যক্তিদের ৬৯ শতাংশই পুরুষ। চীন ও অন্যান্য জায়গায়ও একই প্যাটার্ন দেখা গেছে।

ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের অ্যানা পুরডির নেতৃত্বে একদল গবেষক বিভিন্ন দেশে লিঙ্গভেদে করোনার প্রভাব নিয়ে কাজ করছেন। কেন এই ভিন্নতা তা খুঁজে বের করার চেষ্টা করছেন। তবে এখন পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট কারণ উদঘাটন করতে পারেননি তারা। একটি তত্ত্ব হচ্ছে, করোনা ভাইরাসের ক্ষেত্রে পুরুষদের তুলনায় নারীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বেশি। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটির ইমিউনোলজি বিষয়ক অধ্যাপক ফিলিপ গৌলডার বলেন, টিকা ও সংক্রমণের ক্ষেত্রে পুরুষদের তুলনায় নারীদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সচরাচর বেশি আগ্রাসি হয়ে থাকে। এর একটি কারণ হচ্ছে, নারীদের এক্স ক্রোমোসোমের সংখ্যা দুটি ও পুরুষদের একটি। গৌলডার জানান, করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে এই ক্রোমোসোমের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, করোনার মতো ভাইরাসগুলোর উপস্থিতি শনাক্ত করে এক্স ক্রোমোসোমে থাকা প্রোটিনগুলো। নারীদের কোষে দুটি এক্স ক্রোমোসোম থাকায় এই প্রোটিন প্রতি কোষে পুরুষদের তুলনায় দ্বিগুণ পরিমাণে নিঃসৃত হয়। যার ফলে, নারীদের দেহে ভাইরাসটির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

Y-ক্রোমাজম প্রভাবের যে কমে আসার কথা বলা হচ্ছে সেটা অমূলক নয়। আপনি তো লেখার প্রথমেই বলে দিয়েছেন শেষ সময়েরর আগে পুরুষ কমে আসবে। এটা তো ঠিক করা আছে। যেটা নির্ধারন করা আছে সেটা হবেই। এটা কেউ পরিবর্তন করতে পারবে না।

বিজ্ঞান চলুক বিজ্ঞানের মতো তবে সব কিছুর উপরে যিনি আছেন তিনিই এই মানবজাতীর বংশবিস্তার বজায় রাখবেন যত দিন উনি চাইবেন। X / Y কোন ক্রোমাজমই হারিয়ে যাবে না যতদিন উনি না চাইবেন।

লেখা দুর্দান্ত হয়েছে। লাইকড সহ সোজা প্রিয়েতে নিয়ে রাখলাম।
পরে আবার এসে পড়বো।
শুভ কামনা রইলো।

১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:৫৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: নীল আকাশ,




বংশ ধারার বিস্তারে কোন প্রভাব ফেলবে?
ফেলতে পারে। জেনেটিক্স বিজ্ঞানীরা কেউ কেউ তেমনটাই বলেছেন। বলেছেন, নতুন প্রজন্ম সৃষ্টিতে বর্তমানের মতো নারী-পুরুষের মিলিত হবার প্রয়োজন পড়বেনা। এক্স ক্রোমোজম এর এসআরওয়াই জিন ওয়াই ক্রোমোজমে চলে যেতে পারে। কেউ বলেছেন নারীদের দ্বারা ইউনিসেক্স রিপ্রডাকশনের কথা।
কেউ কেউ "পার্থেনোজেনেসিস" এর কথাও বলেন। নিষিক্তকরণ ছাড়াই যেখানে প্রজনন সম্ভব। ভালো উদাহরণ হতে পারে মরিয়মের গর্ভধারণ। যদিও বিজ্ঞানীদের কেউ কেউ বলেন কিছু অমেরুদন্ডী প্রানী ও উদ্ভিদ ছাড়া মানুষের মধ্যে এটা সম্ভব নয়।

কতো কিছুই যে এখনও আমাদের কাছে অজানা। হয়তো মানুষ একদিন সত্যটা বের করে ফেলবে, আমরা যখন থাকবোনা।
জেনেটিক বিজ্ঞানীদের বিভিন্নজনের মধ্যেই যেখানে মতভেদ রয়েছে সেখানে আমার মতো নগন্য জ্ঞানবুদ্ধির একজন তা থেকে আসল সত্যটার নির্যাস কতোটুকু আর বের করে আপনাদের আশ্বস্ত করতে পারবে এই দ্বিধায় বিশদ আলোচনায় গেলুম না। অনেক কিছুর বিচার বিশ্লেষণ করতে হবে, অনেক.... অনেক.... অনেক টেকনিক্যাল বিষয়-আসয় আনতে হবে যা সহজ করে বোঝানোর ক্ষমতাই হয়তো আমার নেই। আবার কোনও একটি মতবাদের প্রতি যদি আমি ঝুঁকে পরি তবে আমার ব্যাখ্যাও বায়াসড হতে বাধ্য যা হয়তো আসলেই সত্য নয়।

তবে এটা সত্য, মেয়েদের ইমিউন সিষ্টেম পুরুষদের তুলনায় বেশী শক্তিশালী।
হ্যা...বিজ্ঞান চলুক তার পথেই......................................

২৩| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:৩২

কলাবাগান১ বলেছেন: জী এস ভাই ...চমৎকার লিখা.. আমার খুব প্রিয় একটা বিষয়...এরকম ধারার একটা লিখা দিয়েছিলাম অনেক আগে.।baby from father-father

আপনার কাছ থেকেই এমনই লিখা আমাদের প্রাপ্য..চমকে উঠেছিলাম আপনার 'বাল্যখিল্য' মন্তব্য এমন কটা পোস্টে যেটা চা দোকানে বসে গুল তাপ্পি করা লোকজনের মানায়...।চাদা তুলে শেখ হাসিনা সহ বিভিন্ন দেশের নেতা দের রকেটে করে স্পেসে পাঠানো...এই ধরনের কথা বার্তা যে কত টা হালকা সেটা যে লোক বংগবন্ধু কে কপালে তিলক পড়িয়ে 'হিন্দু' দেখানোর চেস্টা করেছিল, তাদের ই মানায়। আপনার কমেন্ট সেখানে খুবই বেমানান লাগলো।

ও হ্যা এটা জানেন তো যে প্যালিন্ড্রোমিক যে সিকোয়েন্স গুলি ওয়াই ক্রোমজমে আছে, তারা নিজেরা নিজেরা রিকম্বিনেশন করে মাঝে মাঝে SRY gene কে ডিলেট করে ফেলে আর তার ফলাফল হয় XY chromosome but female!!!!

১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:৫৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: কলাবাগান১,




আপনার মন্তব্যের দ্বিতীয় প্যারাটির বিষয়ে সবিনয়ে জানাচ্ছি - ভালো করে খেয়াল করে দেখুন, যে পোস্টে মন্তব্য করেছি সেটা কি সিরিয়াস কোন লেখা নাকি ব্যঙ্গাত্বক ! ব্যঙ্গাত্বক লেখায় সিরিয়াস হবার কোনও কারন নেই। তাই মন্তব্যে লেখকের সাথেও রঙ্গময় বাহাস করেছি। যেমন ঢংয়ে লেখা তেমন ঢংয়েই মন্তব্য।
ব্লগ একটা বারোয়ারী জায়গা। এখানে শত শত ধরনের হাযার হাযার রকমের লেখা আসে। আপনি যদি কোনও হাল্কা লেখা পড়ে মন্তব্য করতে চান তবে সে লেখার সাথে মিলিয়েই মন্তব্য করাটা মনে হয় ব্লগীয় আবেশ। প্রবন্ধ বা নিবন্ধ টাইপের পুরোপুরি রাজনৈতিক - ধর্মীয় - সামাজিক - অর্থনৈতিক - মানবিক ইত্যাদি বিষয় নিয়ে সিরিয়াস লেখাগুলিতে ব্যঙ্গ-রঙ্গ-তামাশা করার সুযোগ নেই। মন্তব্য করতে হলে লেখার সাথে মিলিয়েই করা উচিৎ নতুবা আপনার মতের অমিল হলে আপনার মতামত শালীনতার সাথে বুঝিয়ে যুক্তি দিয়ে লিখতে পারেন কিম্বা মন্তব্য করা একেবারেই এড়িয়ে যেতে পারেন। সেটাই ভব্যতা।
এই যেমন আমার এই লেখাতে অনেক জায়গাতেই কিছু রসীয় অনুধাবন আছে ( লেখাটা নিরেট নিবন্ধ বা প্রবন্ধের চরিত্রের ছাঁচে লেখা নয় কিন্তু) পাঠক সে রসে মেতে রসময় মন্তব্য করতেই পারেন। সেটা মনে হয় "বালখিল্য" হবেনা, হবেনা "বেমানানও"।

সম্ভবত আমার অবস্থানটি আপনাকে বোঝাতে পেরেছি। ব্লগের লেখাগুলিতে আমার সকল মন্তব্য যদি আপনি দেখে থাকতেন তবে বুঝতেন আমি ব্লগারদের সাথে মিশে যাই কি ভাবে, আমি যতোই বয়েসী হইনে কেন। তারপরেও আপনার তীব্র সংবেদনশীল জায়গাটিতে ( লেখাটি আপনার নয় কিন্তু ) যদি কোনও আঘাত লেগে থাকে তবে দুঃখিত।

.....ফলাফল হয় XY chromosome but female!!!!
এসব কি আর আগে জানতুম! জেনেছি এই লেখাটি নিয়ে কয়েক ডজন লেখা ঘাটতে গিয়ে। জেনেছি ডিএনএ'র মতো ক্রমোজমের হাযারো প্যাঁচ । প্রাসঙ্গিক নয় বলে সে বৃত্তান্তে যাইনি। ১৫ নম্বর প্রতিমন্তব্যে সে কথাও বলেছি। আর যেহেতু আপনি একজন জীববিজ্ঞানের লোক আপনি তো আরও অনেক কিছুই জানবেন। সে জানা তুলে ধরা যদি আমার এই লেখাটিকে আরও সমৃদ্ধ করে তবে আপনাকে স্বাগতম।

ভালো থাকুন। নিরাপদে থাকুন।
নববর্ষের শুভেচ্ছা।

২৪| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ৯:৫৭

কলাবাগান১ বলেছেন: নীল আকাশ না বুঝেই বলেছেন (অক্সফোর্ডের প্রফেসর এ ভাবে বলেছেন সাধারন এর বুঝার জন্য)
"নারীদের কোষে দুটি এক্স ক্রোমোসোম থাকায় এই প্রোটিন প্রতি কোষে পুরুষদের তুলনায় দ্বিগুণ পরিমাণে নিঃসৃত হয়। যার ফলে, নারীদের দেহে ভাইরাসটির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।"

কিন্তু পুরা কথাটাই 'ভুয়া'....যদি দুটি এক্স ক্রোমোসোম দ্বিগুণ পরিমাণে জিন এক্সপ্রেশন করে, তাহলে কোন নারীই বেচে থাকার কথা না....৫-১০% জিন এক্সপ্রেশন ভ্যারিয়েশন এর জন্য পুরা শরীর উলটপালট হয়ে যাবার কথা আর প্রায় ১০০০ এর ও বেশী জিন আছে এক্স ক্রমোজমে (মহিলা ও পুরুষ উভয় এর সমান) ..আর ১০০০ জিন যদি মহিলাদের মাঝে দ্বিগুন এক্সপ্রশন করে পুরুষদের চেয়ে, সেটা নেচার কোন ভাবেই টলারেট করবে না...

মেয়ে রা যখন মায়ের পেটে থাকে তখনই ছেলেদের জিন এক্সপ্রেশন এর সাথে ব্যালান্স করার জন্য তার দুটা এক্স ক্রমোজম এর একটা কে র‌্যান্ডমলি অকার্যকর করা হয়ে থাকে। এর এই কাজ টা করে থাকে Xist (X-inactive specific transcript) non-coding RNA যেটা এক্স ক্রোমজম এর লেপটে থাকে যাতে ঐ ক্রোমজমের থেকে জিন এক্সপ্রেশন না হয়। এটা কে X-inactivation বলা হয়. এতে সারাজীবন, মেয়েদের যে পরিমানে এক্স ক্োমজমের জিন এক্সপ্রেশন হয়ে থাকে, ছেলেদের ও সেইম পরিমানে হয়ে থাকে। এর জন্যই মেয়েদের কোষ কে বলা হয় মোজাইক ফর এক্স ক্রমোজম। এর খুব সুন্দর একটা উদাহরন হল Calico cat ...নিচের ছবিটা দেখুন



তবে কিছু জিন এই Xist জিন দ্বারা X-inactivation এর থাকে escape করে থাকে আর তার মাঝে ২-৩টা জিন ইমিউন এর সাথে জড়িত আর তার জন্য এদের থেকে দ্বিগুন পরিমান ইমিউন রিলেটেড এক্টিভিটি হতে পারে (এই কথাটাই অক্সফোর্ডের প্রফেসর বলেছেন)
অন্য দিকে এর জন্যই মেয়েদের অটোইমিউন ডিজিজ ও বেশি হয় যেমন আর্থরাইটিস, লুপাস...

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:১০

আহমেদ জী এস বলেছেন: কলাবাগান১,




সাধারন মানুষদের বোঝার জন্য অক্সফোর্ডের প্রফেসরসাহেব যে ভাবে বলেছেন, সহব্লগার নীল আকাশ সেটাই বুঝেছেন। তার তো অন্যভাবে বোঝার কথা নয় কারন তিনি কোনও জেনেটিসিস্ট নন। আপনি এ বিষয়ের লোক, ভেতরের আসলটুকু আপনারই বোঝার কথা যেটা আপনি এখানে বলেছেনও। তাই নীল আকাশকে খুব একটা দোষ দেয়া যাবেনা।

এক্স ক্রোমোজমের কিছু কিছু জিন যে কিভাবে ইনএ্যাক্টিভেশান এড়িয়ে যায় সেটা নিয়ে জানতে ইচ্ছে করে। যদিও এটুকু জানি এদের বেশীর ভাগই থাকে এক্স ক্রোমোজমের দু'টি বাহুর প্রান্তভাগে "সিউডোঅটোসোমাল" এলাকায়। এবং এই এলাকায় থাকা জিন নারী পুরুষ উভয়ের ক্রোমোজমেই থাকে। যদিও এক্স ক্রোমোজমের অনেক জিনই কিন্তু ওয়াই ক্রোমোজমে থাকেনা।

এটা ঠিক, যেহেতু মেয়েদের ইমিউন সিষ্টেম ছেলেদের তুলনায় বেশী কার্যকরী সেহেতু মেয়েদের মাঝে অটোইমিউন রোগগুলির
প্রকোপ বেশী। এর মধ্যে "রিউমেটয়েড আরথ্রাইটিস" রোগটি আমাদের দেশেও মেয়েদের মাঝে কমন একটি রোগ।

ভালো থাকুন, সুস্বাস্থ্যে থাকুন।
শুভেচ্ছান্তে।

২৫| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১২:০৯

নীল আকাশ বলেছেন: @ কলাবাগান১ঃ আমি কোন কিছু সূত্র ছাড়া কথা বলি না। এটা পত্র পত্রিকাতেই এসেছে। নিন এটার সূত্র দিলাম -
কভিড-১৯: নারী ও পুরুষের ক্ষেত্রে রোগটির প্রভাব ভিন্ন কেন?

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১২:৩৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: নীল আকাশ,




অনুগ্রহ করে ঠিক এর উপরের প্রতিমন্তব্যটি দেখে নেবেন।

২৬| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১২:৩২

করুণাধারা বলেছেন: চমৎকার আলোচনা- পড়তে পড়তে ভাবতে ভাবতে কিছুক্ষণের জন্য হলেও করোনাকে তো ভুলে থাকলাম!!

কথা হলো, Y ক্রোমোজমের ডিগবাজী খেতে ৪০০০০০০/ ৫০০০০০০ লাগবে। ততদিনে মেডিসিন/ বিজ্ঞান হয়ত থাকবে এ আই সম্পন্ন যন্ত্র মানুষের হাতে, তারা একটা ব্যবস্থা করে ফেলবে ঠিকই... ওসব নিয়ে না ভেবে আবার ফিরে যাই করোনায়, খালি তো ভাবতেই আছি... মিলিয়ন বছর না, এক বছর থাকব তো :(

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১:৫১

আহমেদ জী এস বলেছেন: করুণাধারা,




......পড়তে পড়তে ভাবতে ভাবতে কিছুক্ষণের জন্য হলেও করোনাকে তো ভুলে থাকলাম!!
ভুলে যাতে থাকতে পারেন সে জন্যেই এমন লেখা, এ স্বীকারোক্তি তো করেছিই আমি।

মিলিয়ন বছর না, এক বছর থাকব তো..
বালাই ষাট..... এই করোনা ক্রান্তিকালের ভেতর দিয়ে গেলেও এক বছর কেন মিলিয়ন বছর বেঁচে থাকুন আপনি - আপনারা সবাই।

ভালো থাকুন, থাকুন নিরাপদে আর রাখুন নিরাপদ সবাইকে।
নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

২৭| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ বিকাল ৩:১৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: বিয়ে স্বাদী, প্রেম ভালবাসার কি হইবে তাই ভাবছি =p~

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: ঢাবিয়ান,




বিয়ে-শাদী, প্রেম, ভালবাসার কিছুই হবেনা। আগের মতোই চলবে এবং দিনে দিনে তার রং পাল্টাবে আগামী মিলিয়ন বছর ধরে।
সুতরাং ঐসব কিছু না করে থাকলে এখনও অনেক সময় পড়ে আছে, র‍্যানডম গোটা দশেক করে ফেলতে কোনও বাঁধা নেই.... :P

২৮| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩০

ভুয়া মফিজ বলেছেন: X আর Y ক্রোমোজমের বেসিক জ্ঞান ছিল। আপনার পোষ্টটা পড়ার পর নিজেকে এখন এ'বিষয়ে একজন পন্ডিত বলে মনে হচ্ছে!! :P

আমি ব্যক্তিগতভাবে অবশ্য পুরুষ-নারী নিয়ে অতোটা চিন্তিত না। পুরুষ না থাকলে যেমন নারীরা মুল্যহীন, তেমনি নারীরা না থাকলে পুরুষরা মুল্যহীন। নারী-পুরুষের এই যে একটা পরিপূরকতা বা ভারসাম্য, এটা যিনি আমাদেরকে সৃষ্টি করেছেন, তিনি নষ্ট করবেন বলে আমার মনে হয় না।

তবে সারাজীবনই আমি ভেবেছি, আমি যদি একজন নারী হইতাম, তাইলে বেশী সুখী হইতাম। কারন, আমি সুন্দরী হইতাম নিঃসন্দেহে; কাজেই একজন অত্যন্ত ধনী কাউরে বিয়া কইরা সারাজীবন পায়ের উপরে পা তুইলা খাইতাম। কোন কাজকামই করতাম না!! =p~

তবে যতো যাই বলেন, এই ব্যাঙ্গাচীর মতোন শুক্রানুগুলিরে দেখলে আমার মেজাজ খুবই খারাপ হয়। এইগুলার চেহারা-ছবি আরেকটু ভালো করলে কি এমন ক্ষতিটা হইতো, কন দেহি!! যাই হোক, আপনের কে না জানেন যে , অন্ডকোষ একটি ভয়ঙ্কর জায়গা! ডায়লগটা আমার খুবই পছন্দ হইছে। =p~ =p~

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:২৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: ভুয়া মফিজ,




মনে তো আমাদের অনেক কিছুই হয়না তারপরেও তো কতো কিছু হয়ে যায়!

এই য্যামোন বিয়া করার সমায় আন্নের কি মনে হৈছিলো যে, সোয়ামি ন হৈয়া বউ হৈবেন? :) আগে হয় নাই এ্যাহোন খায়েশ হৈছে ছুন্দরী মাইয়া হৈবেন আর - ""খালি ডেটিং করিতেন আর ডেটিং করিতেন"....."। :P ছুন্দরী হন আর অছুন্দরী, মাইয়া হৈলে কি হৈবে হেডা জানেন ? পায়ের উফ্রে পা তুইল্লা খাইবেন ? হেডা হৈত ন ! না জানলে এহান থেইক্কা জাইন্না লন ---
নারী হওয়ার হ্যাপা বুঝতে ছোটনের একটি দিন............. :((

পুরুষ তো; "অন্ডকোষ" এর ডায়লগ হুনলে ভালা তো লাগবেই, পছন্দও হৈবে! :-P
তয় কানে কানে কই - "ডিম্বাশয় কিন্তু ভয়ঙ্কর স্বপ্নের একটা জায়গা"। B:-) :||

২৯| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৮:০৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:


খুবই কঠিন টারমিনলজি সমৃদ্ধ একটি বিষয়কে সহজবোদ্ধ ও প্রাঞ্জল ভাষায় তুলে ধরার একটি পরিশ্রমী প্রয়াস। পোষ্টটি সরাসরি প্রিয়তে গেল। খুবই গুরুত্বপুর্ণ তথ্য যথা মানুষের ২৩ জোড়া ক্রোমোজোমের মধ্যে ১ জোড়া সেক্স ক্রোমোজোম এর ফাংশনাল দিক যথা মেয়েদের জন্য XX এবং ছেলেদের জন্য হল XY ক্রোমোজোম এর সচিত্র বিবরণ খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন । উল্লেখ্য, অনেক লেখাতে দেখেছি বলা হয়েছে ১ জোড়া ক্রোমোজোমের বাইনারি মান দ্বারা আমাদের লিঙ্গ এবং জেন্ডার নির্ধারিত করা সম্ভব না। বলা হয়ে থাকে আমাদের বায়োলজিক্যাল পরিচয় এবং জেন্ডার হল অনেকটা মানসিক সত্তা। সামাজিক বাস্তবতা অনুযায়ী যাদের এই সেক্স এবং জেন্ডার এর মধ্যে মিল থাকে না সেরকম ক্ষেত্রে নাকি নাম দেয়া হয় ট্রান্সজেন্ডার, তৃতীয় লিঙ্গ অথবা হিজড়া। সম্ভবত ক্ষুদ্র কিছু পরিবর্তন আসতে চলেছে মর্ডান বায়োলজিতে। এসব ব্যাক্তিদের মেয়ে-সুলভ কিংবা ছেলে-সুলভ আচরণ এর জন্য সেক্স ক্রোমোজোমে অবস্থিত কিছু জটিল এবং সূক্ষ্ম জিনের নেটওয়ার্ক নাকি দায়ী।কিছু মানুষের মধ্যে সাইকোলজিক্যাল জেন্ডার ইস্যুও নাকি দেখা দেয়।তাই জন্মগত সেক্স যাইহোক না কেন, মাঝেমাঝে কিছু মানুষের মানসিক জেন্ডার তাদের বায়োলজিক্যাল সেক্স থেকে আলাদা হয়ে থাকে (Gender Identity Disorder) মর্মে উল্লেখ দেখা যায়। বিজ্ঞানীরা এখনও এর প্রকৃত কারণ খুঁজে বাহির করতে সক্ষম হননি বলে জানা যায় । যাহোক ইত্যাদি বিভিন্ন প্রক্ষাপটে পুরুষের কপাল না পুরে কিংবা মেয়েলি বিবর্তন ধারা বৃদ্ধি না পেয়ে বরং ট্রান্সজেন্ডার, তথা তৃতীয় লিঙ্গ অথবা হিজড়া বিস্তার ঘটতে পারে উল্লেখযোগ্য হারে!!!!! যাইহোক, বায়োলজিক্যালি সেক্স নির্ণয় করার জন্য অবশ্যই বিভিন্ন ধরনের ফ্যাক্টর রয়েছে এবং গবেষকেরা সেক্স নির্ণয় এর সাথে এসব ফ্যাক্টরের বিভিন্নভাবে বিভিন্নসময় যোগসূত্র স্থাপনে সক্ষম হয়েছেন।আপনার মুল্যবান এই লেখাটিতে এ সম্পর্কিত গুরুত্বপুর্ণ অনেক কথা বেশ কিছু প্রায়োগীক গবেষনা ইভিডেন্সসহ প্রাসঙ্গিকভাবে উঠে এসেছে আপনার এই মুল্যবান লেখাটিতে । লেখাটি আমাদের জানার পরিধিকে সমৃদ্ধ করবে দারুনভাবে।

সাম্প্রতিক সময়ে চারিদিকে করোনা উৎকণ্ঠায় নিমজ্জিত পাঠককুলের মনযোগ কিছুটা ভিন্ন তবে প্রাসঙ্গিক বিষয়ে মনোনিবেশ করার লক্ষ্যে আপনার প্রয়াসটি অতিমাত্রায় প্রসংসার দাবীদার ।

এই বৈশ্বিক কঠিনতর সময়ে ভাল থাকার শুভকামনা রইল।

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১০:০৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: ডঃ এম এ আলী,




মন্তব্যে লাইক বেশ আগেই দিয়ে রেখেছি।

বলেছেন - বলা হয়ে থাকে আমাদের বায়োলজিক্যাল পরিচয় এবং জেন্ডার হল অনেকটা মানসিক সত্তা।
বিষয়টি ঠিক অমন নয় সম্ভবত। বায়োলজিক্যাল জেন্ডার বা সেক্স এবং জেন্ডার আইডেন্টিটি দু’টিই সম্পূর্ণ আলাদা ধারনা। বায়োলজিক্যাল জেন্ডার বা সেক্স নির্নিত হয়, একটি মানুষের শারীরিক গঠন আর শারীরবৃত্তীয় কার্যক্রম দিয়ে। অন্যদিকে জেন্ডার হচ্ছে গিয়ে ব্যক্তি বিশেষের নিজস্ব উপলব্ধি; যা তাকে পুরুষ, নারী কিম্বা তৃতীয় লিঙ্গই হোকনা কেন সমাজে তার জায়গা নির্ধারণ করে তাকে দিয়ে প্রতিনিধিত্ব করায়।
এসব কিছুর মূলেই কিন্তু রয়েছে “জিন” এর কারসাজি। সাথে রয়েছে রামের দোসর সুগ্রীবের মতো কিছু “হরমোন”।

মন্তব্যে করা আপনার আশঙ্কার কথা ধরেই বলি- কার বিস্তার যে কি ভাবে ঘটবে সেটা এখনও ঠিক করে উঠতে পারেনি বিজ্ঞান।
জিনগুলো কোনটার যে কি কারসাজি তা বের করতেই মাথার ঘাম পায়ে ফেলছেন বিজ্ঞানীরা। আমরা তো কোন ছাড়!
পুরুষের কপাল পোড়া নিয়ে পোস্টের বিষয়বস্তু হলেও আপনার এই জ্ঞানগর্ভ মন্তব্য সেখানে আলাদা মাত্রা জুড়েছে নিঃসন্দেহে।

ভালো থাকুন, নিরাপদে থাকুন।
নতুন বছরের শুভেচ্ছা।

৩০| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:২১

উম্মে সায়মা বলেছেন: ওরে বাবা কত্ত কাহিনি, কত্ত গবেষণা! তবে আমি তুমি আমরার মত আমারও কথা হল অত সময় পৃথিবী থাকলে তো পুরুষ থাকা না থাকার প্রশ্ন। সো নো চিন্তা ডু ফুর্তি।
থাক ভাই পুরুষও থাকুক নারীর পাশাপাশি। আর সব গবেষণার শেষে তো তা এলোই।
অনেকদিন পর ব্লগে এলাম। এবং আপনার পোস্ট পড়লাম। আপনার সায়েন্টিফিক পোস্টের এই ব্যাপারটা ভালো লাগে যে কঠিন কথাও আপনি সহজ ভাষায় বোধগম্য করে তোলেন।
ধন্যবাদ আহমেদ জী এস ভাই। ভালো থাকবেন।

১৬ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:৩৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: উম্মে সায়মা,




অনেকদিন পর ব্লগে এসে আমার এই পোস্টটি দেখে মন্তব্য করেছেন বলে কৃতজ্ঞ।

হুমমমমম ....... মিলিয়ন বছর অনেক দূর। সো নো চিন্তা ডু ফুর্তি। তখন পৃথিবী থাকুক বা না থাকুক, সেখানে পুরুষ থাকুক কি নাই হয়ে যাক আমাদের কিছু যাবে আসবে না।

ভালো থাকুন, নিরাপদে থাকুন।
শুভেচ্ছা রইলো নতুন বছরের।

৩১| ১৪ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:৪৩

পুলক ঢালী বলেছেন: জী, এস ভাই
এত কঠিন বিষয় এত সহজবোধ্য আর সাবলীল ভাবে লেখা সম্ভব কিনা জানিনা। মাঝে মাঝে রসের সমাহার ঘটিয়ে একঘেয়েমির বদলে মনযোগ আরো কন্সেনট্রেটেট করতে সহায়তা করেছেন। আমিতো সাইন্স ফিকশন ছবির চিত্রনাট্যের মত পড়েছি আর কল্পনায় ব্যাটল স্টার গ্যালেকটিকা দেখছিলাম। ধন্যবাদ আপনাকে কারন এমনভাবে লিখেছেন যে সায়েন্স এবং ডাক্তারী না পড়লেও যে কেউ বুঝতে পারবে।
ভাবছি পুরুষরা না থাকলে মেয়েরাও তো বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার কথা। তাহলে কি মেয়েরা কৃত্রীম উপায়ে গর্ভধারন করবে ? সে ক্ষেত্রে বেঁচে থাকা পুরুষদের ওয়াই ক্রোমোজম নিয়ে নিষিক্ত করা যাবে।
আমেরিকায় অলরেডী এই পদ্ধতিতে পিতামাতা (যাদের সন্তান হচ্ছেনা স্বামী বা স্ত্রীর ত্রুটির জন্য, তবে স্বামীর স্পার্ম না থাকলে অন্য কথা) ছেলে বা মেয়ে জন্ম দিচ্ছে।
ভাল থাকুন।

১৭ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ৯:৪৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: পুলক ঢালী,




এতো অকপট মন্তব্যের উত্তর দিতে দেরী হওয়াতে দুঃখ প্রকাশ করছি।

মাঝে মাঝে কিছু রসীয় অনুধাবন দিতে হয়েছে, পাঠক যেন একঘেয়েমিতে না ভুগে তাদের মনযোগ ধরে রাখতে পারেন লেখাতে।
আমার কঠিন সব লেখাতে এটুকু না করে স্বস্তি পাইনে, যদি পাঠক বিরক্ত বোধ করেন!

ভাবছি পুরুষরা না থাকলে মেয়েরাও তো বিলুপ্ত হয়ে যাওয়ার কথা।
লেখার শুরুটাই কিন্তু আপনার শঙ্কাকে উড়িয়ে দিয়ে করা।
জেনেটিক্স যে কোন পর্যায়ে গেছে এবং যাবে ভাবলে অবাক হতে হয়। জেনেটিক্স বলছে, নতুন প্রজন্ম সৃষ্টিতে বর্তমানের মতো নারী-পুরুষের মিলিত হবার প্রয়োজন হয়তো পড়বেনা। এক্স ক্রোমোজম এর এসআরওয়াই জিন ওয়াই ক্রোমোজমে চলে যেতে পারে। কেউ বলেছেন নারীদের দ্বারা ইউনিসেক্স রিপ্রডাকশনের কথা। কেউ কেউ "পার্থেনোজেনেসিস" এর কথাও বলেন। নিষিক্তকরণ ছাড়াই যেখানে প্রজনন সম্ভব।
আর নারী পুরুষের মিলন ছাড়া এ্যাসিষ্টেড প্রজনন তো হচ্ছেই আজকাল।

মন্তব্যে +++++

৩২| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১২:২০

সোহানী বলেছেন: পোস্টের শুরুতে পুরুষকূলকে যেভাবে অথৈই সাগরে ফেলেছেন তা শেষে এসে তারা নিশ্চয় স্বস্তির নি:শ্বাস ফেলেছে। যাক্ বাবা এ যাত্রায় তারা বেচেঁ গেল তা মিলিয়ন ইয়ার্স হলেও ;)

চমৎকার একটি লেখায় ভালোলাগা। বিজ্ঞানের ছাত্রী নই বলে জ্ঞান অতি সীমিত কিন্তু আপনার লিখাটা আমার মতো অজ্ঞানী ছাত্রীর জন্য মোটেও কঠিন ছিল না। যাহোক পুরুষ কূলের জন্য একরাশ দু:খবোধ তাদের স্বজাতীয় বৈশিষ্ট্য এর সাথে কম্পোমাইজ করার জন্য :-B

১৭ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ১১:১৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোহানী,




একটা কিছু লিখলুম, তা যদি আমার পাঠকেরা না-ই বুঝতে পারেন , তাদের বোঝার জন্যে তা যদি কঠিনই হয় তবে লিখে লাভ কি!!!!! না লেখাই ভালো।
আপনি হয়তো খেয়াল করে থাকবেন, আমি এ জাতীয় লেখা সহজ করে লিখতেই চেষ্টা করি যাতে পাঠকের বুঝতে সুবিধে হয়। একটু রসীয় অনুধাবনও থাকে যাতে পড়তে গিয়ে পাঠকের একঘেয়েমী না লাগে।

পুরুষদের জন্যে দুঃখবোধের কিচ্ছু নেই , তারা ব্রেক কষে ফেলেছে খাঁদে পড়ে যাওয়ার আগে। আমার কথা নয় বিজ্ঞানীদের কথা, তাও আবার মেয়ে বিজ্ঞানী! ;)
পুরুষরাতো স্বজাতীয় বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী জিন্দেগীভর কম্প্রোমাইজ করেই গেলো নইলে সংসার পড়ে যেতো কোন খাঁদে। :P

ভালো থাকুন, থাকুন নিরাপদে।
নতুন বছরের শুভেচ্ছা জানবেন।

৩৩| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ রাত ২:১৫

কলাবাগান১ বলেছেন: @নীল আকাশ ,

ঐ লিং আগেই দেখেছি...আমাদের সাংবাদিকরা শব্দ থেকে শব্দ কপি পেস্ট করে অনেক কিছু না বুঝেই....আর আপনারাও সেই 'ভুল' ইনফরমেশনকে সত্যে বলে ধরে প্রচার ও করেন...আপনি যদি পারেন তাহলে দেখিয়ে দেন কোথায় আমার দেওয়া তথ্যে ভুল আছে..ঐ লিং এর তথ্যে ভুল আছে।

১৮ ই এপ্রিল, ২০২০ দুপুর ১২:৩৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: কলাবাগান১,




আপনার এই মন্তব্য আশাকরি "নীল আকাশ" এরমধ্যেই দেখে থাকবেন।

৩৪| ১৫ ই এপ্রিল, ২০২০ সকাল ১১:৪৬

পুলক ঢালী বলেছেন: এত কঠিন বিষয় এত সহজবোধ্য আর সাবলীল ভাবে লেখা সম্ভব কিনা জানিনা ভুল :D
সঠিক: এত কঠিন বিষয় এত সহজবোধ্য আর সাবলীল ভাবে লেখা কিভাবে সম্ভব জানিনা।

২৪ শে এপ্রিল, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৩৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: পুলক ঢালী,




খুবই লজ্জিত, সময় করে এই মন্তব্যটির জবাব দেয়া হয়নি বলে।
বুঝতে পেরেছি।

৩৫ নম্বরের আপনার মন্তব্যটি মুছে ফেলেছি আপনার কথামতো।

৩৫| ০৬ ই মে, ২০২০ রাত ১১:১০

খায়রুল আহসান বলেছেন: বিজ্ঞানের কাঠখোট্টা কঠিন বিষয়কে অতি সহজভাবে আমাদের মত লে ম্যান'স ল্যাঙ্গুয়েজে বুঝিয়ে দেয়ার মত আপনার সুলিখিত পোস্ট এর আগেও কয়েকটা পড়েছি এবং মুগ্ধ হয়েছি। আজও এ পোস্টটা পড়ে তাই হ'লাম। অনেক ধন্যবাদ এমন সহজ করে কঠিন কথাগুলো বুঝিয়ে বলার জন্য।
পোস্টের প্রথম দিকে কিছুটা উদ্বেগ উৎকন্ঠার দোলাচলে থাকলেও, শেষে এসে অনেকটা আশ্বস্ত হয়েছি বটে!
কে না জানেন যে , অন্ডকোষ একটি ভয়ঙ্কর জায়গা! - এ কথাটা পড়ে আপনার কথার সাথে তেমন সঙ্গতিপূর্ণ না হলেও, ব্লগার গিয়াস উদ্দিন লিটন এর অন্ডকোষের নীচে তিন টোকা বিষয়ক একটা রম্য পোস্টের কথা মনে পড়ে গেল! :)
পোস্টে প্লাস + +

০৭ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: খায়রুল আহসান,




উদ্বেগ উৎকন্ঠায় থাকার কোনও কারন নেই, আপনার আমার কারোই। মিলিয়ন বছর অনেক অনেক দূর! আরো অনেক বছর আশ্বস্ত থাকতে পারবো আমরা সবাই। ;)

পোস্টে প্লাস দেয়ার জন্যে ধন্যবাদ।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.