নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ট্রুথ নেভার ডাই্‌জ

নিজের সম্পর্কে লেখার কিছু নেই । সাদামাটা ।

আহমেদ জী এস

পুরোপুরি একজন অতি সাধারন মানুষ । আমি যা আমি তাই ই । শয়তানও নই কিম্বা ফেরেশতা । একজন মানুষ আপনারই মতো দু'টো হাত, চোখ আর নিটোল একটা হৃদয় নিয়ে আপনারই মতো একজন মানুষ । প্রচন্ড রকমের রোমান্টিক আবার একই সাথে জঘন্য রকমের বাস্তববাদী...

আহমেদ জী এস › বিস্তারিত পোস্টঃ

অতল জলের রহস্যময়ী....

১৬ ই মে, ২০২০ রাত ৯:৩৫


প্রজন্মের পর প্রজন্ম ধরে ইয়োরোপিয়ান জেলেরা কিছুতেই একটা ব্যাপারের কোনও কূলকিনারা পাচ্ছিলো না, উত্তর ইয়োরোপ জুড়ে এই যে এতো এতো ঈল মাছ ধরছে তারা নদী আর খাঁড়ি থেকে তার সবই তো বড় বড়, কোথাও একটা পিচ্চি বাচ্চা ঈলও তো দেখা যায়না আর একটা আধটা ধরাও তো পড়েনা কখনও!
অদ্ভুত।
শুধু বড়গুলো মানে প্রাপ্তবয়স্কগুলোই কেন, পিচ্চি বা বেবী ঈলগুলো কেন নদীতে দেখা যায়না? তাহলে বড়গুলো আসেই বা কোত্থেকে আর কোত্থেকেই বা জন্ম নেয় ?
আটলান্টিকের ওপারে উত্তর আমেরিকার জেলেদেরও ওই একই জিজ্ঞাসা।

এমন কি, খাবারের প্লেটে উত্তর স্পেনের অলিভ অয়েলে ঈলের ষ্ট্যু উইথ গার্লিক এর মতো দামী ডেলিকেসী “এ্যাঙ্গুলাস”, জাপানের ডেলিকেসী “উনাডন” আর “উনাজু” যারা চেখে দেখেন তারাও জানেন না এই এতো দামী খাবারের জন্যে ঈল মাছ আসে কোত্থেকে।

একশো বছর আগের মানুষেরা যেমনটা ভেবেছে এখন আপনিও তেমনটাই ভাবতেই পারেন, তাইতো আসলেই ঈলমাছেরা আসছে কোত্থেকে!

এরিষ্টোটল ভাবতেন ওরা আসে কেঁচো থেকে। প্রাচীন লোকেদের ধারনা, এরা এমনি এমনিই তৈরী হয়। কিছু কিছু ফিলিপিনো উপজাতির ধারনা এরা কোনও মৃত আত্না থেকে আসা কিছু। এমনকি এখনও অনেক লোকেরাই জানেনা, আসলে কোথায়ই বা তারা তৈরী হয়, কোথায়ই বা ঈলমাছের ফ্যাক্টরী।

দুই যুগ গবেষণার পরে ১৯২২ সালে জানা গেলো, উত্তরটি হলো “সারগাসো সাগর”।

মহাসাগরের মাঝে আর একটি সাগর। সাগরের একধারে না একধারে একটা তীর থাকে কিন্তু এই সাগরের কোনও তীর নেই, চারিধারের সীমানা ঘিরে শুধু নীল আটলান্টিকের জল। উত্তর আটলান্টিকের বারমুডা ট্রায়াঙ্গেলের প্রায় বুকের ভেতরে থাকা আটলান্টিকের ঘূর্নায়মান একটি জলধারা।

ছবি-১. বারমুদা ট্রায়াঙ্গল ও সারগাসো সাগর।

উত্তর আটলান্টিক স্রোত, ক্যানারী স্রোত, উত্তর আটলান্টিক ইকুয়েটরীয়াল স্রোত আর গালফ স্রোতের চক্রে পড়া জলের ঘূর্ণাবর্ত। ৭০০ মাইল প্রস্থ আর ২০০০ মাইল দৈর্ঘ্য নিয়ে এই জলাবর্তটির পশ্চিম বাহুর কাছাকাছি আবার রয়েছে বারমুদা নামের দ্বীপটি। স্রোতে ভেসে আসা সোনালী রংয়ের বিপুল জলজ উদ্ভিদ “সারগাসম” যার নাম, এর সাথে শ্যাওলা আর সামুদ্রিক বর্জ্য এই জলরাশির চক্করে পড়ে এখানেই ঘূর্নায়মান হয়ে জমাট বেঁধে আছে। মেরিন বায়োলজিস্টরা যাকে বলছেন,ভাসমান স্বর্ণালী রেনফরেস্ট ৷

ছবি-২. আটলান্টিকের স্রোত।

স্বভাবতই এই সাগরের জল আমাদের পানা পড়া আর শ্যাওলা জমা পুকুরের মতোই কালচে বা ঘোলাটে রংয়ের হবার কথা। কিন্তু অবাক করা ব্যাপার হলো, এই সাগরের জলের রং গাঢ় নীল আর ব্যতিক্রমী ভাবে স্বচ্ছ। জলাভ্যন্তরের ২০০ ফুট পর্যন্ত দৃষ্টি আটকায় না মোটেও। বারমুদা ট্যায়াঙ্গেলের রহস্য নিয়ে আজও যারা ঘাটাঘাটি করেন তারা এ ব্যাপারটিতে উৎসুক হবেন সন্দেহ নেই। কারন, সাহিত্য আর মিডিয়াতেও এই সাগর নিয়ে ঘিরে আছে রহস্য। এখানে জাহাজ নাকি রহস্যজনক ভাবে আটকে যায় আগাছায়, আটকে থাকে শত শত বছর ধরে, যাদের আর কোনদিনই বেরুনোর পথ থাকেনা। বেশীর ভাগেরই নাকি কোনও খোঁজও মেলেনা।
আপনাদের হয়তো জানা আছে - এই সব ফ্যান্টসী জনশ্রুতি নিয়ে গড়ে উঠেছে উইলিয়াম হোপ এর উপন্যাস “ দ্য বোটস অব দ্য গ্লেন ক্যারীগ”। ভিক্টর এ্যাপেলটন লিখেছেন “ডন ষ্টারডি” উপন্যাসের সিরিজ -“ডন ষ্টারডি ইন দ্য পোর্ট অব লস্ট শীপস” বা “ এ্যাড্রিফট ইন দ্য সারগাসো সী”। এলিজাবেথীয়ান জলদস্যুদের প্রজন্মরা এখনও যে এই সাগরের নীচে বেঁচে আছে তা নিয়ে ডক স্যাভেজ লিখেছেন তার উপন্যাস “ দ্য সারগাসো ওগ্যার”। সারগাসো সাগরকে “ মিথিক্যাল” জায়গা আখ্যা দিয়ে এর চেয়েও সরেস কাহিনী নিয়ে লেখা হয়েছে “ দ্য লিভিং গ্রেভইয়ার্ড অব দ্য সী”। এখানে বিভিন্ন দেশের হারিয়ে যাওয়া জাহাজের নাবিকেরা নাকি মিলেমিশে “ইউটোপিয়ান হারমোনী”র সাথে বাস করে আসছিলো যতোদিন না জর্মন নাজীরা এ জায়গাটাকে দখল করে নেয়। “ দ্য লষ্ট কন্টিনেন্ট” ছবিটিতেও আছে অদ্ভুতুরে সব গল্প। জাহাজে ভ্রমনকারীরা হারিয়ে যাচ্ছে সারগোসা সাগরের অতলে যা মাংশাসী জলজ আগাছা আর দৈত্যের মতো বিশাল বিশাল বহু পা-ওয়ালা প্রানীতে ঠাসা। সেখানে আবার আছে স্প্যানিশ জলদস্যুদের ছানাপোনা যারা শত শত বছর আগে এখানে আটকেপড়া মানুষদের পরবর্তী প্রজন্মকে শাসন করে চলছে। এমন ডজন ডজন গল্প, উপন্যাস আর ছবি তৈরী হয়েছে এই সাগরের অদ্ভুত আচরণ নিয়ে। আসলেই অদ্ভুত। উত্তর আটলান্টিকের হীম শীতল ঝঞ্ঝাপূর্ণ আবহাওয়ার মাঝেও যে এ সাগরটির এলাকা বেশ উষ্ণ আর আবহাওয়াও মোটেও ঝঞ্ঝাপূর্ণ নয়! আপনাদের পঠিত জুলভার্ণের “ টোয়েন্টি থাউজ্যান্ড লীগস আন্ডার দ্য সী” এই সাগরকে ঘিরেই।

ছবি-৩. সারগাসো সাগরের জলাবর্ত

ছবি-৪ . আটলান্টিকের বুকের স্রোতে জন্মানো সারগাসো সাগর

১৯২২ সালে জোহানেস স্মীথ সারগাসো সাগরটিকে ঈল মাছের ফ্যাক্টরী হিসেবে আবিস্কার করার পর থেকেই মানুষ জানতে পারলো বাচ্চা ঈল মাছ না দেখার আসল রহস্যটি কি। সারগাসো সাগরটিই হলো তাবৎ ঈলমাছের সূতিকাগার। ইয়োরোপীয় ঈল মাছেরা ডিম পারার সময় এগিয়ে এলেই উপকূল থেকে হাজার হাজার মাইল সমুদ্রপথ পাড়ি দিয়ে এখানে আসে ডিম পাড়তে। আমেরিকান ঈলদের বেলাতেও তাই। শরৎকালে এরা উপকূল ছাড়ে তাদের নির্দিষ্ট নিয়তির পথে সারগাসো সাগরের পানে। বসন্ত কালে ডিম পাড়ার পরে মা ঈলদের আর ফেরা হয়না কোলাহল মুখর উপকূলে। সারগাসো সাগরের অতলেই হারিয়ে যায় তারা। ডিম থেকে বেরুনো লার্ভাগুলো গালফ স্রোতের সাথে ভেসে ভেসে ২ থেকে ৩ বছর পরে ইয়োরোপীয়ান উপকূলের নদনদীতে এসে হাজির হয়। লার্ভা থেকে জন্ম নেয়া বাচ্চা ঈলগুলো তখন বেশ ডাঙর। তাই বাচ্চা ঈলের সাথে কখনও মোলাকাত আর হয়না জেলেদের।
জোহানেস স্মীথের এই ধারনাকে নিতান্তই অপ্রতুল বললেন যুক্তরাজ্যের আবহাওয়া, মৎস এবং জলসম্পদ বিজ্ঞান কেন্দ্রের বিহেভিওরাল ইকোলোজিষ্ট ডেভিড রাইটন। বললেন, এতো দূরের যাত্রা পথে ঈলগুলোকে সনাক্ত করার মতো প্রযুক্তি তো নেই, তারা তো শরৎকালে ঠিকই জলের অন্ধকারে ডুব মারে কিন্তু তারপর? কেউই জানেনা তারপর কি হয়। কোথায় কেমন করে উধাও হয় তারা!
দেশের নদ নদীতে বা নিদেন উপকূলের নোনাজলে ডিম পারতে অসুবিধা কী ? অতোদূর যেতে হবে কেন ?

চেষ্টা চললো ঈলদের পিছে পিছে দৌঁড়ুনোর। কিভাবে এরা হাযার হাযার মাইল সমুদ্র পাড়ি দেয় আর গতিপথই বা কি করে ঠিকঠিক চিনে নিতে পারে! কিন্তু মাছের পিছু পিছু জলের নীচে দৌঁড়ুনোর প্রযুক্তি যে এখনও যে মানুষের হাতে আসেনি! যেহেতু ঈলমাছের জীবনচক্রের এই অংশটুকু অজানাই রয়ে গেছে তাই এদের সংরক্ষনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহনে অপারগ হয়ে “ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজার্ভেশান অব নেচার” ২০০৮ সালে এদের গায়ে “ক্রিটিক্যালী এনডেঞ্জারড” প্রজাতির একটা ছাপ মেরে দিয়েছে।
দেবে নাইবা কেন ?
“ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব এ্যাকোয়াটিক রিসোর্সেস, ডেনমার্ক” এর জেষ্ঠ্য গবেষক কীম এ্যারেষ্ট্রাপ তো পরিষ্কার বলে দিয়েছেন - পরিনত বয়সের ঈলগুলোর মাইগ্রেটরী চরিত্র ব্লাক হোল বা ব্লু হোল যা-ই বলুন না কেন তাদের মতোই রহস্যময়। তাদের জীবনচক্রের মধ্যে যদি এরকমের একটি ছিদ্র থেকেই যায় তবে তো সংখ্যাগত বাস্তুবিদ্যা ( ইকোলজি)র আলোকে তাদের প্রজন্ম রক্ষার ব্যবস্থা করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবেই।

২০০০ সালের মাঝামাঝি এসে মেরিন মাইগ্রেশান নিয়ে CODYSSEY এবং EELIAD প্রজেক্টের ডঃ ডেভিড রাইটন আর ডেনমার্কের কীম এ্যারেষ্ট্রাপ এবং তাদের ইয়োরোপীয়ান সহযোগীরা মিলে উঠে পড়ে লাগলেন এই ছিদ্র ভরাট করতে। সবে উন্নত হওয়া “এ্যানিমল টেলিমেট্রি”র সুযোগ নিয়ে তারা সাতশো’রও বেশী বড় বড় ইয়োরোপীয়ান স্ত্রী ঈল মাছের গায়ে ইলেকট্রোড ট্যাগ বসালেন।

ছবি - ৫. ম্যারাথন দৌঁড়ের আগে ডাটা ট্রান্সমিটার নিয়ে প্রস্তুত...... ( ছবি- ডেভিড রাইটন )

কাজটি সহজ ছিলোনা মোটেও। যারপর নাই পিচ্ছিল মাছগুলো বারবার পিছলে পিছলে যাচ্ছিলো। তবুও শেষমেশ ট্যাগ বসানোর কাজটির পরে তাদের কাজ ছিলো মাছগুলোকে ট্রাকিং করা। জিপিএস দিয়ে অনুসরণ করাও যাচ্ছিলোনা ঠিকমতো। কারন মাছগুলো যাচ্ছিলো সমুদ্রের গভীরে ২০০ মিটার নীচে ডুব দিয়ে। দীর্ঘ যাত্রা, সময়ও বেশ লম্বা। কয়েক মাসেই ট্যাগের ব্যাটারী শেষ হয়ে গিয়ে খসে পড়ছিলো মাছের গা থেকে আর ভেসে উঠছিলো উপরে। ভেসে ওঠা ট্যাগের ধরনের উপর নির্ভর করে স্যাটেলাইটের মাধ্যমে যে ডাটা সংগ্রহ করা হলো তাতে বোঝা গেলো, আগে মাছগুলোর এই মাইগ্রেশান নিয়ে যা ভাবা হতো তার চেয়েও ব্যাপারটা বেশ জটিল। সাধারনের মধ্যে দীর্ঘদিনের প্রচলিত ধারনা এই যে, ডিম পাড়তে ঈল মাছ শরৎকালেই ইয়োরোপ ত্যাগ করে যাত্রা শুরু করে আর বসন্তকালে পৌঁছে যায় সারগাসো সাগরে। অর্থাৎ অক্টোবর থেকে ডিসেম্বরের মাঝে এরা ইয়োরোপ ছেড়ে যায় আর এদের ডিম পাড়ার সময়টা হলো ফেব্রুয়ারী থেকে এপ্রিল। কিন্তু এই হাযার হাযার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিতে যে গতিতে তারা যাচ্ছে তাতে সময়মতো সারগাসো সাগরে পৌঁছুতে পারার কথা নয়। তার উপরে এরা সোজা রাস্তায় যাচ্ছেনা মোটেও বরং সর্পিল এবং লম্বা পথ ধরেই চলছে। সাঁতরানোর ধরনটাও অদ্ভুত। রাতের বেলা এরা সাঁতরে চলছে সাগরের উপরের উষ্ণ জলের স্তর দিয়ে আর সকাল হলেই ডুব দিচ্ছে প্রায় হাযার খানেক মিটার গভীরে হীমশীতল অঞ্চলে। তাদের ভাবগতিক দেখে মনে হয় ডিম পাড়ার জন্যে তাদের মধ্যে অনেকেরই তাড়াহুড়োও নেই খুব একটা। তাদের কেউ কেউ হয়তো ডিম পাড়ার পরবর্তী মৌসুম ধরার জন্যেই লম্বা ঘুরপথ বেছে নিচ্ছে। তাও আবার এ্যাজোরস দ্বীপপুঞ্জ হয়ে।

কেন ? রহস্যটা কি ?

“রেসিয়াল মেমোরী” ? তাদের ডিএনএ’র ভেতরে লুকিয়ে থাকা কোনও কোড ? হাযার বছর থেকে এই পথ ধরেই তাদের পূর্বপুরুষেরা আসা যাওয়া করতো, সেই স্মৃতির ইমপ্রিন্ট ? নাকি অজানা কাল থেকে নিজেদের “ জন্ম আর মরন” হবে এই সারগাসো সাগরের অতল জলে, এরকম একটি রূপকথার মতো নির্ধারিত নিয়তির গল্প আছে তাদের ? কে জানে, বারমুদা ট্রায়াঙ্গেলের কথিত রহস্যের সাথে তারাও জড়িয়ে আছে কিনা কোথাও!
এই রেসিয়াল মেমোরীর সাথে মনে হয় জড়িয়ে গেছে “ম্যাগনেটোরিসেপশন” থিয়রী।
ঈল মাছেরা পথ নির্দ্ধারন করতে গিয়ে চৌম্বক ক্ষেত্র চিহ্নিতকরনে তাদের যে “অনকমন সেন্স অব ম্যাগনেটোরিসেপশন” গুনটি ব্যবহার করে সে বিষয়টি আবার তুলে আনলেন যুক্তরাজ্যের Aberystwyth University র লুইস জোন্স নামের এক ছাত্র। পরীক্ষাগারে জোন্স এ্যাংগুইলা প্রজাতির ঈলের উপরে বিভিন্ন চৌম্বক ক্ষেত্র প্রয়োগ করে দেখালেন, সারগাসো সাগরের চৌম্বক ক্ষেত্রের মতো চৌম্বক তরঙ্গের বেলায় মাছগুলো দক্ষিনপশ্চিমমুখী হয়ে চলে। আর উত্তরপশ্চিম আটলান্টিকের চৌম্বক ক্ষেত্রের মতো চৌম্বক তরঙ্গের বেলায় মাছগুলো উত্তরপূর্বমুখী হয়ে চলে। এর ফলে উভয় ক্ষেত্রেই উন্মুক্ত সাগরের ঈলগুলো গালফ স্রোত মুখী হবে। এবং তার সাথে ভেসে একেবারে সারগাসো সাগরে।
জাপানের Nihon University’র ঈল বিষয়ক জীববিজ্ঞানী মাইকেল মিলার এমন ম্যাগনেটোরিসেপশন ধারনাকে সমর্থনও করলেন। কিন্তু বাঁধ সেধে বসলেন নরওয়ের ইন্সটিটিউট অব মেরিন রিসার্চের সিনিয়র বৈজ্ঞানিক গবেষক ক্যারোলিন ড্যুরিফ। Gizmodo নামের একটি সায়েন্টিফিক জার্নালকে দেয়া এক স্বাক্ষাতকারে ক্যারোলিন জানালেন, লুইস জোন্সের গবেষণাপত্র তিনি পড়েছেন এবং সেখানে বড়সড় দূর্বলতাগুলোকে তিনি সনাক্ত করেছেন। যেমন, জোন্স ২ বছর বয়েসী( জুভেনাইলস) ঈলদের উপর পরীক্ষাটি করেছেন যেটা ভুল কারন জোন্স ধরে নিয়েছেন সেগুলো সবে প্রসূত লার্ভাদের মতোই আচরণ করবে। অথচ লার্ভা থেকেই জুভেনাইল ঈলগুলো রূপান্তরিত হয়েছে তাই তাদের সম্পূর্ণ আলাদা একটি “সেন্সরী সিষ্টেম” থাকার কথা।

আটলান্টিকের অপর পাড়ে অধ্যাপক জুলিয়ান ডডসন এর নেতৃত্বে মৎস ও সমুদ্রসম্পদ বিষয়ক কানাডার “লাভাল” য়্যুনিভার্সিটির একদল গবেষক নেমে পড়লেন রহস্য খুঁজতে। নোভা স্কটিয়া আর সেইন্ট লরেন্স এসচুয়ারী থেকে ধরা ২৮টি ঈলমাছের গায়ে স্যাটেলাইট ট্রান্সমিটার বসিয়ে চললো পরীক্ষা।

ছবি -৬. Scientists recently released satellite-tagged eels along the Nova Scotia coast and tracked one all the way to the Sargasso Sea — a first. (Credit: Martin Castonguay)

পরীক্ষায় পাশ করলো একটিমাত্র ঈল। আড়াই হাযার কিলোমিটার পাড়ি দিয়ে সারগাসো সাগরের উত্তর সীমানায় গিয়ে হাজির হলো মাছটি। তার গায়ে লাগানো ট্রান্সমিটার থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেলো, আমেরিকান কন‌টিনেন্টাল শেলফের প্রান্তে এসেই মাছটি সরাসরি দক্ষিনে মুখ ঘুরিয়ে সোজা সারগাসো সাগরের দিকে গেছে।
এ তথ্য থেকে ডডসনের ধারনা, সম্ভবত সমুদ্রের চৌম্বক ক্ষেত্র ধরে ধরে পথ চিনে নেয়ার মতো কিছু কারিশমা তাদের আছে।
ছবি - ৭. রহস্যময় যাত্রা... কেন এতো ঘুরপথ !

ঐ একজন বাদে পরীক্ষায় ফেল করে বাকীরা সাগরের মাঝপথে ঝরে গেছে কোনখানে কে জানে!
এই বাকীদের সম্পর্কে জুলিয়ান ডডসন খুব সাবধানে সিদ্ধান্ত টানলেন এভাবে--
“সমুদ্রের এখানে ওখানে ভেসে ওঠা ট্রান্সমিটারের কাছ থেকে যে তথ্য আমরা পেয়েছি তাতে বোঝা যাচ্ছে যে সারাটা পথ উপকূল ধরেই সব ঈলমাছ সারগাসোর দিকে যায়নি। এই পথটুকু যেতে তাদের কয়েক সপ্তাহ সময় লাগার কথা, হয়তো তারা গেছেও সেখানে। আমরা জানি, আমেরিকান ঈলগুলো ডিম পাড়তে সারগাসো সাগরেই যায় কিন্তু কেউই আমরা উন্মুক্ত সাগরে বা সারগাসোতে কোনও প্রাপ্তবয়স্ক (এ্যাডাল্ট) ঈলমাছই দেখিনি, দেখিনি তাদের ডিম পাড়ার ঘটনাও। আমার মতো একজন বিজ্ঞানীর কাছেও এটা যেন চমকপ্রদ একটা রহস্য।”

কেন এরকমটা হচ্ছে এ নিয়ে হাইপোথিসিসের শেষ নেই। জাপানের Nihon University’র মাইকেল মিলারের মতে, এই হাইপোথিসিসগুলো থেকে বোঝা যায় যে, মাছেদের হয়তো একটা মিশ্র ষ্ট্রাটেজী রয়েছে যা খুবই নতুন একটি ধারনা। এ কথার পরে ডেভিড রাইটনকে বলতেই হলো - রহস্যের তলায় পৌঁছুতে লাগবে আরো উন্নত ট্যাগ যেগুলো টিকে থাকবে দীর্ঘদিন এবং শুধু বড় মাছগুলোতেই নয় বসাতে হবে সকল আকৃতির মাছেই। আর এজন্যেই আমাদের অপেক্ষা করতে হবে প্রযুক্তির বিপ্লবের উপর।
মাইকেল মিলার তর্কের সমাপ্তি টানলেন এই বলে - আরও ভালো এবং সম্পূর্ণ তথ্য না পেলে মাছেদের এই চরিত্রের অন্য ব্যাখ্যাও যে থাকতে পারেনা তা উড়িয়ে দেয়া যাবেনা।

অন্য কোন ব্যাখ্যা ? বারমুদা ট্রায়াঙ্গেলের রহস্যের মতোই রহস্যঘেরা কোনও ব্যাখ্যা ? নাকি বারমুদা রহস্যের সমাপ্তি বা অসমাপ্তি নিয়ে দোটানায় থাকার মতো দোটানায় পড়ে যেতে হয় এমন কোনও ব্যাখ্যা ?
যাকগে, বিজ্ঞানীরা বিজ্ঞানের কাজেই ব্যস্ত থাকুন আর আমরা যারা রহস্যের গন্ধ পেলেই নাক উঁচিয়ে বসে থাকি তাদের সারগাসো সাগরের অতল জল আগামীতে আরো নতুন কোনও রহস্যের জন্ম দেয় কিনা এমন অপেক্ষায় থাকতে দোষ কি ?


তথ্যসূত্রঃ

https://www.the-scientist.com/notebook/researchers-track-eels-on-their-cross-atlantic-migration-32273

https://www.the-scientist.com/the-nutshell/migratory-eels-use-magnetoreception-31655

https://sciencenordic.com/animals-and-plants-denmark-videnskabdk/a-mystery-of-secret-eel-migration-solved/1442652

http://news.bbc.co.uk/earth/hi/earth_news/newsid_8273000/8273877.stm

https://www.discovermagazine.com/planet-earth/mystery-of-the-vanishing-eels

Wikipedia, the free encyclopedia.
এবং অন্যান্য ইন্টারনেট সাইট .......

মন্তব্য ৯৩ টি রেটিং +২২/-০

মন্তব্য (৯৩) মন্তব্য লিখুন

১| ১৬ ই মে, ২০২০ রাত ৯:৪০

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: সুন্দর পোস্ট।

১৬ ই মে, ২০২০ রাত ৯:৪৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন,




ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে।
এই করোনা ক্রান্তিকালে শুধু করোনালাপে না থেকে আইসোলেশানের একঘেয়েমী কাটাতে একটু অন্য দিকে আপনাদের মন ঘুরিয়ে নেয়ার ইচ্ছে থেকেই এই লেখা।

২| ১৬ ই মে, ২০২০ রাত ৯:৪৬

জুন বলেছেন: সেদিন একটা "ম্যুভি দেখলাম জার্নি টু দ্যা মিস্টিরিয়াস আইল্যান্ড" নামে। সেখানে কল্প কাহিনীর বিখ্যাত লেখক জুলভার্নের বিখ্যাত সাবমেরিন নটিলাসকে ইলের ইলেক্ট্রিসিটি দিয়ে নায়ক রক চালু করলো। তারমানে কি পরিমান বিদ্যুৎ তারা শরীরে সৃষ্টি করতে পারে। আবার আসবো লেখায়। একটু চোখ বুলিয়ে গেলাম :)
+

১৬ ই মে, ২০২০ রাত ১০:০৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: জুন,




জ্বী... ইলেক্ট্রিক ঈল প্রায় ৬০০ ভোল্ট বিদ্যুৎ এর মতো শক দিতে পারে। আমাদের ঘরবাড়ীতে যে বৈদ্যুতিক সকেট যে বিদ্যুৎ থাকে তার দু'গুনেরও বেশী। :(
চোখ বুলিয়ে গেলেন কিন্তু খেয়াল রাখুন, আবার যেন চোখের আড়াল না হয়ে যান।

৩| ১৬ ই মে, ২০২০ রাত ৯:৪৮

শায়মা বলেছেন: বাপরে! ঈলদের জীবনেও দেখি শান্তি নেই। পাপারাজ্জীরা সেখানেও হাজির!!! :(

১৬ ই মে, ২০২০ রাত ১০:৪০

আহমেদ জী এস বলেছেন: শায়মা,




শান্তি আছেই বা কোথায় ? হায়রে... শান্তির মা তো মারা গেছে সেই কবে!!!!
ঈলদের জীবনে শান্তি থাকবে কোত্থেকে? এতোদিনের সেলফ আইসোলেশান থেকে মুখখানি বাড়িয়ে সেই তো পাপারাজ্জীদের মতোই ঈলদেরই ধাওয়া করে এলেন..... :P

যেখানেই থাকুন ভালো থাকুন , থাকুন নিরাপদে।

৪| ১৬ ই মে, ২০২০ রাত ১০:১১

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
অসাধারণ !!
পড়ে চতৎকৃত হলাম।
আমাদের কত কিছুইযে অজানা
ভাবতে অবাক লাগে!

১৬ ই মে, ২০২০ রাত ১১:০০

আহমেদ জী এস বলেছেন: নূর মোহাম্মদ নূরু,




রহস্যের শেষ নেই এই এতোটুকুন পৃথিবীতে! এর কতো কিছুই যে আমাদের অজানা। সে কারনেই মনে হয় পৃথিবীটা এতো সুন্দর!

"ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে" এমন বলাটা, বলতে বলতে পঁচে গেছে; একঘেয়ে লাগছে। অন্য কি বলা যায়, বলুন তো!!!!!

নিরাপদে থাকুন। সুস্থ্য থাকুন।

৫| ১৬ ই মে, ২০২০ রাত ১০:২৭

রাজীব নুর বলেছেন: ঈল মাছ কি বাংলাদেশে পাওয়া যায়? খেতে কেমন?
অজানা একটি বিষয় জানলাম।

১৬ ই মে, ২০২০ রাত ১১:৩৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: রাজীব নুর,




ঈল মাছ পাওয়া না গেলেও তাদের চাচাতো ভাই "বাইন মাছ" পাওয়া যায়। সেলিম আনোয়ার বলেছেন- কুইচ্চা। এই "কুইচ্চা" হোল ঈল মাছের নাতি পুতি। এদেরও পাওয়া যায়। আর পাবেন তাদের পাড়া-প্রতিবেশী "লৈট্টা" মাছ ? "লৈট্টা" মাছের শুটকি খেয়ে দেখতে পারেন, কেমন খেতে। B-) :)

৬| ১৬ ই মে, ২০২০ রাত ১০:৩১

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

বড় ঈলগুলো কোথা থেকে আসে আর তাদের জীবন সম্পর্কে রহস্যটা তাহলে রয়েই গেলো!!! আমাদের আরো কয়েক বছর বা যুগ হয়তো অপেক্ষা করতে হবে। সব সাইজের ঈল মাছের গায়ে সেন্সর বসানো চাট্টিখানি কথা না!

তবে, যদি একবার বসানো যায়, বলা যায় না, সারগোসার সমুদ্রতলের সেই জলদস্যুদের নতুন প্রজন্মদের দেখা পাওয়া যেতেই পারে!

খুবই উপভোগ্য একটি লেখা। অনেক দিন পরে সামুতে এমন একটি পোস্ট পেলাম!

১৭ ই মে, ২০২০ সকাল ৮:৫৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: সত্যপথিক শাইয়্যান,




হ্যা সে কথাও লেখা আছে এভাবে ---
"- পরিনত বয়সের ঈলগুলোর মাইগ্রেটরী চরিত্র ব্লাক হোল বা ব্লু হোল যা-ই বলুন না কেন তাদের মতোই রহস্যময়। তাদের জীবনচক্রের মধ্যে যদি এরকমের একটি ছিদ্র থেকেই যায় তবে তো সংখ্যাগত বাস্তুবিদ্যা ( ইকোলজি)র আলোকে তাদের প্রজন্ম রক্ষার ব্যবস্থা করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়াবেই।"

সব সাইজের ঈলের গায়ে যদি জাতীয় পরিচয়পত্র ( সেন্সর ) বসানো যায় তবে তাদের নিয়ে একটা ভোট ব্যাংক হতে পারে আর তাতেই ভোটে জিতে নতুন জন্ম হওয়া জলদস্যু - ভূমিদস্যু - ব্যাংকদস্যু প্রজন্মের দেখা মিলতে পারে। :|

পোস্টে সাথে থাকার জন্যে ধন্যবাদ।
ভালো থাকুন আর নিরাপদে।

৭| ১৬ ই মে, ২০২০ রাত ১০:৩৪

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আহমেদ জী এস আমি একজন ভূতত্ত্ববিদ। আর আমার কাছে ইলেকট্রিক ইল সবথেকে আকর্ষণীয়। তাদের ইলেকট্রিক শক দেয়ার ক্ষমতা সত্যি বিস্ময় কর । তাছাড়া কন্টিনেন্টাল ড্রিফথ থিওরির
পক্ষে প্রমাণ বয়ে বেড়াচ্ছে বিশেষ প্রজাতির ইল। ঈল স্থানে ইল বেশি ভালো লাগছে। দারুন একটি বিষয়ের উপর অনবদ্য পোস্ট। ওরা বাংলা নাম কুইচ্চা বা কুইচ।

১৭ ই মে, ২০২০ সকাল ৯:১৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: সেলিম আনোয়ার ,




কন্টিনেন্টাল ড্রিফথ থিওরির পক্ষে প্রমাণ বয়ে বেড়াচ্ছে বিশেষ প্রজাতির ইল।
একজন ভূতত্ত্ববিদ একথা বলে আমাকে কৌতুহলী করে তুললেন। এ ব্যাপারে আমাকে আরো পড়াশোনা করতে হবে। ব্লগীংয়ের আকর্ষনটা এখানেই।

মন্তব্যে প্লাস।
ভালো থাকুন আর নিরাপদে থাকুন।

৮| ১৬ ই মে, ২০২০ রাত ১০:৩৯

আহমেদ রুহুল আমিন বলেছেন: ‘সারগাসো সাগর’ ও ‘ঈল মাছের’ এই জীবন রহস্য তথা মহান সৃষ্টিকর্তার অপার সৃষ্টি রহস্য যুগ যুগ ধরে মানব জাতির কাছে অজানাই রয়ে যাবে..! এই ‘করোনাকালে’ শ্বাসরুদ্ধ সময়ে এরকম একটি রহস্যপূর্ণ বিজ্ঞান মনস্ক প্রবন্ধ পড়ে আপ্লুত হলাম । আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ......আরো এধরনের প্রবন্ধ পোস্ট দিবেন এই প্রত্যাশা রইল ।

১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ১২:৪২

আহমেদ জী এস বলেছেন: আহমেদ রুহুল আমিন,




শুধু এই ছোট্ট পৃথিবীটাই রহস্যে ঘেরা নয়, সারাটি বিশ্বব্রহ্মান্ডের প্রতি পদে পদে কতো যে রহস্য ছড়িয়ে আছে!!!!!!!!
এ জাতীয় আমার অনেক লেখা আছে দেখে নেবেন আশা করি ।
‘করোনাকালে’ শ্বাসরুদ্ধ সময়ে আপনাদের একটু ভিন্ন স্বাদের লেখাতে ঘুরিয়ে আনতে পেরেছি জেনে আমিও আপ্লুত, প্রচেষ্টা সার্থক মনে করছি্

যেখানেই থাকুন, নিরাপদে থাকুন।

৯| ১৬ ই মে, ২০২০ রাত ১০:৪৭

শায়মা বলেছেন: হা হা ভাইয়া সেলফ আইসোলেশনে কি আর সাধে গেছি? মানুষের নাকি লকডাউনে সময় কাটেনা। আর আমার তো নিঃশ্বাস ফেলবারও সময় নেই। আমার মনে হয় এই লকডাউনে সবচেয়ে বিপদে পড়েছে টিচারেরা। অনলাইন ক্লাস। চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে থাকা প্যারেন্টস! আমি একজন ক্যামেরা সাই মানুষ কেমনে যে কি করি !!! সারাদিন লেসন প্ল্যান, ভিডিও, পাওয়ার পয়েন্ট বানাতে বানাতে আর মিরর প্রাকটিসে জীবন যায় যায়। :(

কাটেনা সময় যখন আর কিছুতে গানের বদলে গাই কাটে যে সময় কখন কোথা হতে......:(

১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:১২

আহমেদ জী এস বলেছেন: শায়মা,




হাসালেন। এটা মনে হয় ঠিক বলেন নি যে, আপনি একজন ক্যামেরা সাই মানুষ। বরং উল্টোটাই- ক্যামেরা সচেতন। :P

যাক, তাহলে সাজুগুজু বাদ গিয়ে সময় কাটছে আপনার ভালোই! করোনার কেরামতিতে কোনও না কোনও সৃজনশীল কাজে হাত লাগিয়ে এখন তো আপনি এক্সপার্ট হয়ে উঠছেন। ক'দিন পরে দেখা যাবে "শায়মা'স টিউটোরিয়াল" খুলে ফেলে এখানে সেখানে স্কীল ডেভেলপমেন্ট এর জ্ঞানগর্ভ লেকচার দিয়ে বেড়াচ্ছেন রিসোর্স পারসন হয়ে। :| B:-/

হুমমমমম... কাটেনা সময় যখন আর কিছুতে , মনটাও বসেনা কোথাও যখন, তখন "করোনায় রন্ধন" বা "করোনার সাজুগুজু" টাইপের ব্লগ পোস্ট দিতে পারেন............... :-P

১০| ১৬ ই মে, ২০২০ রাত ১০:৫৩

নেওয়াজ আলি বলেছেন: করোনা হতে কিছু সময় রিলিফ পেলাম । জয়তু লেখক।

১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:৪৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: নেওয়াজ আলি,




"রিলিফ" (ত্রান) যে পেয়েছেন সে আওয়াজ দিয়ে গেলেন। রিলিফ পেয়ে আপনার মতো সবাই-ই যদি আওয়াজ দিতেন তাহলে রিলিফ না পাওয়া লোকজনদের বের করতে সুবিধে হতো। :P

জোকস এপার্ট .. আসলে করোনায় ঘরে বসে বসে শুধু চারদিকের করোনালাপের একঘেয়েমী কাটাতে একটু অন্য দিকে আপনাদের মন ঘুরিয়ে নেয়ার ইচ্ছে থেকেই এই লেখা।

১১| ১৬ ই মে, ২০২০ রাত ১০:৫৭

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:



আহমেদ জি এস ভাই, পৃথিবীতে যে কয়টি রহস্যময় স্থান রয়েছে ‘বারমুডা ট্রায়াঙ্গল’ তার মধ্যে অন্যতম। বারমুডা ট্রায়াঙ্গল নিয়ে মানুষের মাঝে কৌতুহলের শেষ নেই। বারমুডা ট্রায়াঙ্গল রহস্য আপাতত শেষ হবার নয়। এই ধরনের দুর্গম অতল সাগরে রহস্য সমাধান এখন পর্যন্ত মেরিন বিজ্ঞানীদের হাতের নাগালের বাইরে।

বারমুডা ট্রায়াঙ্গল নামটা প্রথম দেন ভিনসেন্ট এইচ গ্যাডিস, সেই ১৯৬৪ সালে। তিনি উত্তর আটলান্টিক সাগরের এক নামহীন জায়গায় অদ্ভুত সব হারিয়ে যাবার ঘটনা থেকে এ জায়গার নাম দেন বারমুডা ত্রিভুজ। জায়গাটার ক্ষেত্রফল লেখকভেদে প্রায় ১,৩০০,৩০০ থেকে ৩,৯০০,০০০ বর্গ কিলোমিটার। তবে এর আগে ১৯৫০ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর দ্য মায়ামি হেরাল্ড পত্রিকায় এ অঞ্চলে জাহাজের উধাও হওয়া নিয়ে রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছিল।



১৮৭২ সালের ৫ ডিসেম্বর মারি সেলেস্ত নামের এক মালবাহী জাহাজ নিউ ইয়র্ক বন্দর থেকে যাত্রা করে। কিন্তু যেখানে মালামাল পৌঁছাবার কথা, সেখানে কোনোদিনই পৌঁছায়নি। অনেক খোঁজাখুঁজির পর জাহাজখানা ভাসমান অবস্থায় পাওয়া গেল বারমুডা ট্রায়াঙ্গল এলাকায়। কিন্তু ১১ জন কর্মীর কেউ ছিল না জাহাজে। ব্যক্তিগত জিনিসপাতি, খাবারদাবার, দামি মালামাল, লাইফবোট সবই অক্ষত সে জাহাজে, শুধু মানুষগুলো উধাও। আরো অবাক ব্যাপার, প্লেটে খাবার ছিল, সেগুলোতে পচন ধরে গিয়েছিল যখন উদ্ধারকারীরা পৌঁছায়। কী এমন হয়েছিল যে খাবারের মাঝ থেকে উঠে যেতে হবে?

১৮৮১ সালে এলেন অস্টিন নামের একটি জাহাজ সমুদ্রে এক পরিত্যক্ত ভাসমান জাহাজ দেখতে পায়। জাহাজের ক্রুরা পরিকল্পনা করলো পরিত্যক্ত জাহাজের জিনিসপাতি নিয়ে নেবে। এমন ভাবনা থেকে কয়েকজন নেমে পড়লো জাহাজটিতে। তারা ভাবছিল সেই জাহাজটিকে চালিয়ে নিউ ইয়র্কে নিয়ে যাবে। দুটো জাহাজ রওনা হলো একসাথেই। কিন্তু এলেন অস্টিন খুব শীঘ্রই নামহীন জাহাজটির খেই হারিয়ে ফেলল।

পরে যখন আবার খুঁজে পেলো, তখন দেখা গেল, জাহাজটি পরিত্যক্ত, তাদের নিজেদের ক্রুরাও উধাও! তখন এলেন অস্টিন থেকে বার্তা পাঠানো হলো, উদ্ধারকারী জাহাজ পাঠাতে। যখন উদ্ধারকারী জাহাজ এসে পৌঁছাল, সে জায়গা অর্থাৎ বারমুডা ট্রায়াঙ্গল থেকে এলেন অস্টিন ও নামহীন জাহাজ দুটোই উধাও। কোনোদিন তাদের খোঁজ পাওয়া যায়নি। কথিত আছে, অনেক জাহাজ নাকি এ দুটো জাহাজকে একসাথে ঘুরতে দেখেছে সমুদ্রে, তারা চেষ্টারত ছিল অন্য জাহাজদের পথভ্রষ্ট করতে।



১৯১৮ সালে একইভাবে কোনো চিহ্ন না রেখেই হারিয়ে যায় ইউএসএস সাইক্লপস, ব্রাজিলগামী সে জাহাজটি মার্কিন সরকার কর্তৃক ব্রিটিশদের সাহায্য করতে দেয়া হয়েছিল প্রথম বিশ্বযুদ্ধে, ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে। মার্চের ৪ তারিখে সেটিকে শেষবার দেখা যায় বারবাডোজের তীরে। ৩০৬ জন ক্রুও এর সাথে উধাও। ১৯৪১ সালেও ইউএসএস প্রোটিয়াস ও ইউএসএস নিরিয়াস একইভাবে নেই হয়ে যায়।

এবার আসা যাক প্লেনের কথায়। বারমুডা ট্রায়াঙ্গলে হারিয়ে যাওয়া সবচেয়ে আলোচিত হলো ফ্লাইট নাইনটিন। ১৯৪৫ সালের ডিসেম্বরের গোড়ার দিকে মার্কিন নেভির পাঁচ সেরা অ্যাভেঞ্জার বম্বার একটি রুটিন মিশনে বের হয়। লেফটেন্যান্ট চার্লস টেইলর নিয়মিত কথা বলছিলেন রেডিওতে বেজের সাথে। কিন্তু হঠাৎ বাক্যের অর্ধেকেই সব চুপ হয়ে যায়। এমন না যে, ঝিরঝিরে বা অস্পষ্ট হয়ে গেল- একদম নেই হয়ে গেল। আর কোনোদিন সেই পাঁচ বিমানের দেখা মেলেনি। সেগুলোকে উদ্ধার করতে পাঠানো বিমানগুলোও ফেরেনি কোনোদিন। আর জায়গাটি বারমুডা ট্রায়াঙ্গল। তদন্তে লেখা হয়েছিল ‘অজ্ঞাত কারণে’ তারা উধাও।

সূত্র: বারমুডা ট্রায়াঙ্গল: রহস্য


১৭ ই মে, ২০২০ বিকাল ৫:৪৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: ঠাকুরমাহমুদ,




হয়তো বারমুদা ট্রায়াঙ্গল একটি অজানা রহস্যই অনেকের কাছে। লোকের মুখে মুখে ফেরা গল্প কাহিনীতে এলাকাটি আসলেই শয়তানের ত্রিভূজ হয়েই উঠেছে। তবে এলাকাটি কিন্তু এখনও সবচেয়ে বেশী ব্যবহৃত মেরিন ও এভিয়েশান রুট।
এটা পৃথিবীর ধনীদের এলাকার কাছাকাছি অবস্থিত হওয়ায় সাগর ও আকাশ পথে ভিড় লেগেই থাকে। আপনি যদি এই অঞ্চলে একশো বছর ধরে আকাশ পথে যাওয়া বিমান ও জলপথে যাওয়া জাহাজের সংখ্যা দেখেন, তাহলে দেখবেন অন্যান্য এলাকার তুলনায় দুর্ঘটনা এখানে অনেক কম বরং, দুর্ঘটনার শতকরা হার পৃথিবীর আর পাঁচটা জায়গার মতোই। বইয়ে লেখা কাহিনীর পরে আর কোনও নতুন কাহিনী শোনা যায়নি। গেছে কি ?
যাহোক, এই ডেভিলস ট্রায়াঙ্গল নিয়ে নতুন করে বলার কিছু নেই।

যা বলার তা বলেছি, ঈল মাছেরা কেন যাবে সেই বারমুদা ট্রায়াঙ্গলে ? :P

১২| ১৬ ই মে, ২০২০ রাত ১১:৫৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


প্রাকৃতিক ইল ক্রমেই কমে গেছে; ইুরোপে বছরে ১৫ হাজার টনের কম প্রাকৃতিক ইল ধরা পড়ছে; ফার্মে অনেক বেশী ইল উৎপাদিত হচ্ছে।

৭০/৮০ বছর জীবনে একবার মাত্র ডিম পাড়ে, এটা বড় সমস্যা বংশ বিস্তারে।

১৭ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:১৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: চাঁদগাজী,




ঠিক বলেছেন। প্রাকৃতিক ঈল ক্রমেই কমে যাচ্ছে ইয়োরোপ আর আমেরিকার উপকূল থেকে। সে কারনেই কিন্তু “ইন্টারন্যাশনাল ইউনিয়ন ফর কনজার্ভেশান অব নেচার” ২০০৮ সালে এদের গায়ে “ক্রিটিক্যালী এনডেঞ্জারড” প্রজাতির একটা ছাপ মেরে দিয়েছে।

প্রায় ৮০০ প্রজাতির ঈল আছে পৃথিবী জুড়ে। আপনার কথা মতো প্রজাতি ভেদে এরা কেউ কেউ ৭০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকতে পারে তবে সব্বাই-ই নয়। অধিকাংশই ৩০ বছরের বেশী বাঁচেনা। আর ডিম তো একবারই দেবে কারন “ জন্ম আর মরন” হবে এই সারগাসো সাগরের অতল জলে, এরকম একটি রূপকথার মতো নির্ধারিত নিয়তির গল্প তো আছেই তাদের। আসলে সারগাসো সাগরে ডিম পাড়ার পরে তারা আর ফিরে যায়না তাদের বিচরণ এলাকায় যেখান থেকে তারা এসেছিলো।

ভালো থাকুন, নিরাপদে থাকুন।

১৩| ১৭ ই মে, ২০২০ রাত ১২:৪৯

রোকসানা লেইস বলেছেন: অতলজলের রহস্যময় খুব আকর্ষণীয় আমার কাছে। ঈলদের নিয়ে যে এত বিশাল গবেষণা হয়েছে জানা ছিল না। বেশ সুন্দুর উপস্থপান করেছেন আহমেদ জী এস।

রহস্যময় সাগরের তলে ইউরোপ, আমেরিকা থেকে সারগাসাে পর্যন্ত বেশ ভ্রমণ হলো ঈলদের সাথে।
খাওয়া ছাড়া মানুষের আর কি প্রয়োজন ঈল মাছের। কিন্তু প্রকৃতির হয় তো প্রয়োজন আছে এমন বিশাল মাছটির।

১৭ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: রোকসানা লেইস,




প্রকৃতির কোনও জিনিষই ফেলনা নয়। কোথাও না কোথাও তার একটা উপযোগিতা থাকেই।
শুধু খাদ্য হিসেবেই নয় মানুষের যে কি প্রয়োজনে সে লাগছে তার নমুনা দেখুন ২১ নম্বরে সহব্লগার ঢাবিয়ান এর মন্তব্যে।

অতলজলের রহস্য যখন খুব আকর্ষণীয় আপনার কাছে তবে এখানে ঘুরে আসতে পারেন একবার --
স্বপ্নে দেখা এক রাজকন্যে……“কোয়েলাকান্থ” দ্য ফিস আউট অব টাইম ।

১৪| ১৭ ই মে, ২০২০ রাত ২:৪৮

সোহানী বলেছেন: ওরে বাপরে, ঈল নিয়ে যে এতো কিছু তা জানাই ছিল না। প্রকৃতির এ অপার রহস্য অবশ্যই একদিন আমরা ভেদ করতে পারবো। সে জ্ঞান আমরা ঠিকই অর্জন করবো।

সেলিম ভাই থেকেই জানলাম এর নাম, কুইচ্চা। জানা ছিল না।

ঝাল ঝাল করে হালকা ঝোল ও সাথে টমেটু কুচি সহকারে বেশী ধনিয়া পাতা সহ বাইন মাছ আমার মায়ের খুব ছিল। যদিও এতো কাটা বাছাবাছি করে খাওয়া আমার পছন্দ নয়। আর লইট্টা মাছ ও শুটকি খেয়েছি চিটাগাং এ। কাটাঁ বেঁছে লইট্টা মাছ দিয়ে বেসনে ডুবিয়ে দারুনভাবে মুচমুচে একটা পদ রান্না করতো মা। রোজার দিনে কত খাবারের লোভ দেখালাম... B:-/ B:-/

১৭ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫১

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোহানী,




আচ্ছা, আপনারা সবাইকেই তো বলতে শুনি - "ওরে বাপরে" কিন্তু কেউ বলেন না কেন - "ওরে মা'রে..." ?
মা-দিবসে তো সবাই লাট খেয়ে পড়েন মা'য়ের কাছেই.... :P :((

আমি লিখলুম কি আর আপনি বললেন কি! ঈল নিয়ে যে এতো কিছু তা জানাই ছিল না আপনার কিন্তু ঈল প্রজাতি খেতে কোনটার কি স্বাদ তাতো ভালোই জানা আছে দেখলুম। :D
রেসিপি লিখে ফেলুন................

১৫| ১৭ ই মে, ২০২০ ভোর ৪:৪৫

শের শায়রী বলেছেন: মোবাইলে পুরাটা পড়ে কমেন্ট বুক দিলাম। দিনের বেলা এই অসাধারন পোষ্টে কমেন্ট দেব।

১৭ ই মে, ২০২০ রাত ৮:৫৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: শের শায়রী,




মন্তব্যের জন্যে এ্যাডভান্স বুকিং .... :( :|
জায়গা খালি রেখেছি।

১৬| ১৭ ই মে, ২০২০ ভোর ৫:৪৬

রিম সাবরিনা জাহান সরকার বলেছেন: ছোট বেলার রহস্য পত্রিকার স্বাদ পেলাম যেন। ভাল লাগলো।

১৭ ই মে, ২০২০ রাত ৯:২০

আহমেদ জী এস বলেছেন: রিম সাবরিনা জাহান সরকার,




ছোটবেলাটা তো মনে হয় এই সেদিন পার করলেন! তিন গোয়েন্দা সিরিজ পড়তে পারেন এই যা। আর সেবা প্রকাশনী। তা কোনটার স্বাদ পেলেন ? B-)

১৭| ১৭ ই মে, ২০২০ সকাল ৯:০০

জাফরুল মবীন বলেছেন: ঈলের ব্যাপারে আগ্রহ ছিলো।জানা হলো অনেক কিছু।ধন্যবাদ আপনাকে।

একটা ব্যাপার।ঈল তো ইলেকট্রিসিটি তৈরি করতে পারে।এর গায়ে যে ট্রান্সমিটারগুলো লাগানো হলো তা কি ঈলের ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ দ্বারা প্রভাবিত হতে পারে না?

১৭ ই মে, ২০২০ রাত ১০:২৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: জাফরুল মবীন,




আপনার আগ্রহ খানিকটা হলেও মেটাতে পেরেছি জেনে ভালো লাগছে।
যদ্দুর জানি, শিকার ধরার সময়ই বা আত্মরক্ষার্থে ঈল মাছেরা ইলেকট্রোম্যাগনেটিক ওয়েভ তৈরী করে। এখন এটা আমার জানা নেই , ট্রান্সমিটারগুলো এর কারনে কি রকম আচরণ করবে। যারা এসব নিয়ে মেতে আছেন তারা নিশ্চয়ই এটা মাথার মধ্যে রেখে তাদের ডিভাইসটি সেই রকম করেই বানিয়েছেন যাতে কোনও প্রভাব না পড়ে।

১৮| ১৭ ই মে, ২০২০ সকাল ৯:০৪

ভুয়া মফিজ বলেছেন: মাছের ছবিগুলো দেখে ভাবছিলাম, এগুলোর ভুনা খেতে কতোই না জানি মজা হবে। বাইন মাছ ভুনা আমার খুবই প্রিয় কিনা! =p~

দিনে দিনে মানুষের খানা-খাদ্য কমে যাচ্ছে। ঈল নিয়ে এতো টাকা খরচ করার মানে কি? ধরে ধরে চচ্চরী বানায়ে ফেললেই তো ঝামেলা শ্যাষ। নাহ্, রোযার দিনে আপনে আমার ক্ষুধা বাড়ায়া দিলেন!!! :P

১৭ ই মে, ২০২০ রাত ১০:৪১

আহমেদ জী এস বলেছেন: ভুয়া মফিজ,




আপনার রোজার কামও শ্যাষ! দোজখ কনফার্ম। :((
দিনে দিনে মানুষের খানা-খাদ্য কমে যাচ্ছে বলেই তো মাছগুলোকে বাঁচিয়ে রাখতে এতো আয়োজন যাতে একজন ভুয়া মফিজ এগুলো চচ্চড়ি বানিয়ে বা ভুনা করে খেয়ে মাশা'ল্লাহ ভূঁড়িটা বাগাতে গিয়ে বিপদে না পড়ে। :P

১৯| ১৭ ই মে, ২০২০ সকাল ১০:২৫

অন্তরন্তর বলেছেন: ইল, ঈল অথবা আমাদের কুইচ্ছা নিয়ে এত গবেষণা চলেছে তা জানতাম না। তার মানে ঈল এর জীবনচক্র মিষ্টেরিয়াস। জগতে এত এত মিষ্টেরি আছে বলেই মানুষ তা জানবার জন্য গবেষণা করে যাচ্ছে। ঈল নিয়ে এপিক পোস্ট আহমেদ জি এস ভাই। অনেক ধন্যবাদ।

১৭ ই মে, ২০২০ রাত ১০:৫৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: অন্তরন্তর,




জানার আগ্রহ তো মানুষের সেই সৃষ্টি থেকেই। আর এই জানা থেকেই তো রচিত হয় - সভ্যতা।

অনেক ধন্যবাদ আপনাকেও, এই বন্দি সময়েও এখানে এসেছেন বলে।

২০| ১৭ ই মে, ২০২০ সকাল ১১:০৪

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: বারমুডার মতোই রহস্যময় ঈল বৃত্তােন্ত মুগ্ধ পাঠ।

দারুন রোমাঞ্চ আর নতুন জগত উন্মোচনের অনুভবে ঘুরেচি ঈলের সাথে সাথে :)
অনেক অনেক ধন্যবাদ দারুন জ্ঞানগর্ভ বৈচিত্রময় বিষয়ের নান্দনিক উপস্থাপনায়।

++++

১৮ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২১

আহমেদ জী এস বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু,




হুমমমমম... রহস্য যাতে আরো পেকে ওঠে সে জন্যে ঈল মাছের মতো পিছলে বারমুদা ট্রায়াঙ্গলে গিয়ে পড়েছি! :P
আপনিও তার পেছনে পেছনে এসে কতোগুলো প্লাস রেখে গেলেন। আপনাকেও ++++

২১| ১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ১২:৩৪

ঢাবিয়ান বলেছেন: আমাদের এখানে আন্ডার ওয়াটার অয়ার্ল্ডে নামে সাগরের রুপ দেয়া এক বিশাল একু্রিয়ামে দেখেছি এই ইল মাছ। যে একুরিয়ামে রাখা হয়েছিল সেটার চারপাশে জ্বলা লাইটগুলো জ্বলছিল এই মাছের ইলেক্ট্রিসিটি ব্যবহার করে।

এখন আরো অনেক কিছু জানলাম এই মাছ সম্পর্কে।

১৮ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪২

আহমেদ জী এস বলেছেন: ঢাবিয়ান,



আপনি যেমন অনেক কিছু জানলেন তেমনি আমিও নতুন একটা বিষয় জানলুম যে, ঈলমাছের ইলেক্ট্রিসিটি ব্যবহার করে মাছের একুরিয়ামের চারপাশের লাইটগুলো জ্বলে। ধন্যবাদ।

২২| ১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ১:১৯

রাজীব নুর বলেছেন: শুনেছি বাইম মাছ খেতে খুব স্বাদ। আমি কখনও খাই নি। আমার কাছে সাপ সাপ মনে হয়। সাপ আমি খুব ভয় পাই।

১৮ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: রাজীব নুর,




আপনার তো দেখি জীবনটা ষোলআনাই মিছে! :((

কেবল খুব স্বাদই নয়, দামীও বটে। খেয়ে দেখুন একবার। আপনি তো আর আস্ত মাছ খাবেন না ( অবশ্য রেষ্টুরেন্টে আস্ত মাছ পাবেন না) যে দেখলে সাপ সাপ লাগবে।

২৩| ১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ২:১৫

মেহবুবা বলেছেন: তথ্য সমৃদ্ধ লেখা।

১৮ ই মে, ২০২০ রাত ৮:০৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: মেহবুবা,



আমার ব্লগে স্বাগতম।

মন্তব্যে খুশি।

২৪| ১৭ ই মে, ২০২০ দুপুর ২:২১

করুণাধারা বলেছেন: প্রকৃতি কত যে রহস্য লুকিয়ে রেখেছে!! শুধু ডিম পাড়ার জন্য এতটা কষ্ট করে ঈল মাছগুলো এতটা পথ পাড়ি দেয় কেন! পথ চিনে ঠিক ঠিক সারাগাসো সাগরে পৌঁছায়ই বা কী করে? পোস্ট পড়ার পর প্রশ্নগুলো মাথায় ঘুরছে। বৈজ্ঞানিকরা যদি উত্তর খুঁজে পান, আপনি নিশ্চয়ই সেটা জানবেন। আশাকরি তখন আমাদেরও জানাবেন। B-)

এরিস্টটলের মত জ্ঞানী মানুষ ভাবলেন ঈল মাছ কেঁচো থেকে এসেছে! এ নিয়ে এত ভাবনাচিন্তা হয়েছে আপনার এ পোস্ট না পড়লে জানতেই পারতাম না। "ঈল মাছ বিদ্যুতের ঘায়ে একজন শক্তিশালী মানুষকে মেরে ফেলতে পারে"- আমার জানার দৌড় ছিল এটুকুই।

আমাদের ইলিশ মাছ গুলো যদি এমন একটা ব্যবস্থা করতে পারত তাহলে সবসময় বড় ইলিশ পাওয়া যেত, টন টন জাটকা ধরা পড়ত না। :(

ঈদের শুভেচ্ছা রইল।

১৮ ই মে, ২০২০ রাত ৮:৪৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: করুণাধারা,



শুধু এই ছোট্ট পৃথিবীটাই রহস্যে ঘেরা নয়, সারাটি বিশ্বব্রহ্মান্ডের প্রতি পদে পদে কতো যে রহস্য ছড়িয়ে আছে!
আপনার জানার দৌঁড় যে খানিকটা লম্বা করে দিতে পেরেছি তাতে লেখাটিকে স্বার্থক মনে হচ্ছে।

আমাদের ইলিশ মাছও কিন্তু একটি "মাইগ্রেটরী ফিস" ডিম পাড়তে তারা লোনা পানি থেকে মিঠা পানিতে আসে আবার ফিরেও যায়। ডিম পাড়ার সময় হলে বঙ্গোপসাগরের বিচরণ এলাকা থেকে তারাও ২০০/৩০০ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে আমাদের পদ্মা,মেঘনা, পুরাতন ব্রহ্মপূত্র নদেও চলে আসে। ঈলদের মতোন ডিম পাড়ার স্থানেই মরন অবধি থেকে যায়না, ডিম পাড়া শেষে তারা আবার ফিরেও যায় তাদের বিচরন ক্ষেত্রে। তাই পথে পথে তারা ধরাও খায় জেলেদের জালে।

ঈদের আগাম শুভেচ্ছা আপনাকেও। যেখানেই থাকুন নিরাপদে থাকুন, থাকুন সুস্থ্যতার সাথে।

২৫| ১৭ ই মে, ২০২০ বিকাল ৫:৪৬

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ঈল মাছকে আমি 'কুচিয়া' হিসাবে জানতাম। এখন তো আপনার পোস্ট পড়ে ধারণা পুরোটা পাল্টে গেল। এই মাছটি যে এতো রহস্যময় তা জানতাম না। হয়তো ভবিষ্যতে কোন একদিন সব রহস্যের একটি সমাধান আসবে। তবে এই মাছে নাকি ইলেকট্রিসিটি উৎপন্ন হয়?

১৮ ই মে, ২০২০ রাত ৯:১৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: কাওসার চৌধুরী,




ধারণা পাল্টানোর কিছু নেই, 'কুচিয়া' বা "কুইচ্চা"ও আসলে কিন্তু Synbranchiformes বর্গের ঈল জাতীয় মাছ। এর বৈজ্ঞানিক নাম Monopterus cuchia।
ছবিতে দেখুন--

প্রশ্ন - তবে এই মাছে নাকি ইলেকট্রিসিটি উৎপন্ন হয়?
হয়। উত্তরটি সুন্দর উদাহরণ পাবেন ২১ নম্বরে ঢাবিয়ান এর মন্তব্যে।

২৬| ১৭ ই মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৩

মিরোরডডল বলেছেন: বিশাল পোষ্ট । আমার মত ধৈর্যহীন মানুষের জন্য এই পোষ্ট পড়া একটা পানিশমেন্ট স্বরূপ :((

অনেক কিছু জানলাম । কিন্তু ঘটনা হচ্ছে আমার ঈল দেখে একদম সাপের মতন মনে হয় । :|
আমি একটা জায়গায় প্রায়ই বেড়াতে যাই । ওখানে অনেকেই ফিশিং করে । একদিন তাঁদের একজনের বেইটে ধড়া সাপ দেখে আমি ভয় পেয়েছিলাম । পরে জানলাম এটা ঈল ।

কেউ যদি মজা করে রান্না করে দেয় আর না জেনে খাই তাহলে ঠিক আছে । :)

আশা করি এরকম আরও অনেক লিখবেন । আমার মতন পাঠকদের কথা চিন্তা করে একটু ছোট করে যদি লেখেন তাহলে কম ধৈর্য পরীক্ষা দিতে হয় । ;)

১৮ ই মে, ২০২০ রাত ৯:৪৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: মিরোরডডল,




আপনাকে শাস্তি দেয়ার জন্যে দুঃখিত কিন্তু সাথে সাথে অনেককেই যে স্বস্তি দিতে পেরেছি তার কি হবে? :(

সম্ভবত আপনি দেশের বাইরে থাকেন, কিছু বড় বড় জায়গাতে আপনি ঈলের গেলিকেসী খেতে পারবেন যদিও গলাকাটা দাম।

বলা আছে- " আল্লাহতায়ালা ধৈর্য্যশীলদের পছন্দ করেন"। আপনাকে তাঁর অপছন্দের লোক বানাতে চাওয়া ঠিক নয়। :P

২৭| ১৭ ই মে, ২০২০ রাত ৮:৪৮

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: রহস্যময়ী ইল মাছের সাতকাহন ও তার সূতিকাগার‌ পড়লাম। ডিম পাড়ার সেই যাত্রা কতইনা রহস্যে মোড়া। বারমুডা ট্রায়াঙ্গলের মত যা আজও রহস্য.... পরিশ্রমী পোস্টে ভালোলাগা।
কাওসার ভাইয়ের সঙ্গে আমিও একমত ছবি দেখে আমাদের স্থানীয় কুঁচে বা কুঁচিয়ার মতোই লাগছে। তবে ওদের তো কানকো বা ফুলকা থাকে না বলেই জানি। ইল মাছের কি কানকো আছে?

১৮ ই মে, ২০২০ রাত ১১:১৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: পদাতিক চৌধুরি,




ঈলদের সাতকাহন আরো অনেক লম্বা। চার পাঁচ কাহন লিখেছি এখানে মাত্র। :D

কাওসার চৌধুরীর মন্তব্যের জবাবে আপনাদের স্থানীয় কুঁচে বা কুঁচিয়ার ছবি দিয়েছি। ঈল মাছের কানকো আর ফুলকো আছে।
রহস্য যাতে আরো পেকে ওঠে সে জন্যে ঈল মাছের মতো সাঁতরে সাঁতরে বারমুদা ট্রায়াঙ্গলে গিয়ে পড়েছি!

যেখানেই থাকুন নিরাপদে থাকুন।

২৮| ১৭ ই মে, ২০২০ রাত ৯:০৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




ঈল আর লইট্টা এক ধরনের মাছ না। কাছাকাছিও না। আমি ছবি দিয়েছি। ঈল সম্পূর্ণ ভিন্ন এক প্রজাতির মাছ। এছাড়া ব্লগারদের অবগতির জন্য ছুড়ি ও কাইক্কা মাছের ছবি দিয়েছি। ঈল অনেকটা কুইচ্চার মতো দেখতে তবে বাইন মাছের মতো না। যারা মাছ চিনেন আর দৃষ্টি যদি হয় ৬/৬ তারা কুইচ্চা আর বাইন ১৫ মিটার দুরত্ব থেকে চিনবেন।

সামুদ্রিক লইট্টা মাছ


সামুদ্রিক ছুরি মাছ


সামুদ্রিক কাইক্কা মাছ


২১ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: ঠাকুরমাহমুদ,




লইট্টা যে ঈল না সেকথা কিন্তু "রাজীব নুর" এর ৫ নম্বর মন্তব্যের জবাবে বলেছি এভাবে - "কুইচ্চা" হোল ঈল মাছের নাতি পুতি। এদেরও পাওয়া যায়। আর পাবেন তাদের পাড়া-প্রতিবেশী "লৈট্টা" মাছ......... পাড়াপ্রতিবেশী নিশ্চয়ই জ্ঞাতি-গোষ্ঠী না! :P

বাইন মাছ যাকে বাও বাইম বা রাজ বাইম বা বানেহারা বা বামোশ নামে ঢাকা হয় তার্ কিন্তু ঈলেরই প্রজাতি। বাইন মাছের বৈজ্ঞানিক নাম - এ্যাঙ্গুইলা বেঙ্গালেনসিস। আমি তাকে চিনিয়েছি - ঈলের চাচাত ভাই বলে। ;) ছবি --
ঠিকাছে ?

আর কুইচ্চা বা কুইচা মাছটি সিনব্রাঙ্কিফর্মস বর্গের সিনব্রাঙ্কিডা গোত্রের একটি ঈলজাতীয় মাছ যার বৈজ্ঞানিক নাম মনেপটেরাস কুচিয়া । এটা হলো ঈলের নাতি গোত্রীয়। :) নাতিদের মুখদর্শন হতে পারে ----

এ পর্যন্ত আমার মাদ্রাসার পাঠদান ঠিক আছে ? :(
আমি কিন্তু আপনার কাইক্কা মাছ আর ছুরি মাছ নিয়া পোস্টে কোনও ছুঁড়ি চালাইনি। :((

জবাব দিতে দীর্ঘসূত্রিতার জন্যে দুঃখিত।

২৯| ১৭ ই মে, ২০২০ রাত ৯:১৯

রাজীব নুর বলেছেন: কাইকা নদী আর সমুদ্রে হয়?

২১ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: রাজীব নুর ,



নীচের দিকে দেখুন.............. কত্তোবড় আর কোথায় থাকে। :P

৩০| ১৭ ই মে, ২০২০ রাত ৯:৩৮

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন: @রাজীব নুর ভাই, সামুদ্রিক কাইক্কা মাছ কেমন বড় হয় আশা করি ছবি দেখে বুঝতে পারছেন। সমুদ্রের পানি ভেদে মাছের সাইজ নানা রকম হয়ে থাকে।



২১ শে মে, ২০২০ রাত ৮:২৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: ঠাকুরমাহমুদ,




রাজীব নুর নিশ্চয়ই দেখে থাকবেন এবং এটা নিয়ে একটা পোস্ট দেয়ার জন্যেও ভাবতে থাকবেন................ :|

৩১| ১৭ ই মে, ২০২০ রাত ৯:৫৩

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন: জি এস ভাই
ডাঙ্গায় থেকে ডাঙ্গার জীবকেই চিনতে পারলাম না এখনো
সমুদ্রের গহীনের রহস্যময়ীকে চেনাতো সুদূরপরাহত !!
আগে নিজেকে চিনি নিজের স্বাজাতি চিনি ডাঙ্গার প্রাণিগুলি
চিনে নেই তার পরে না হয় ডোবায় ক্রমান্বয়ে নদী সাগর সমুদ্র !!

২১ শে মে, ২০২০ রাত ৮:৫৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: নূর মোহাম্মদ নূরু,




জ্বী........ জীবনের সত্যটাই বলে ফেলেছেন। ডাঙার দু'পেয়ে ভয়ঙ্কর জীবগুলোই চেনা হয়ে উঠলোনা আমাদের! ডাঙার হিংস্র চারপেয়ে জীবগুলোও এই দু'পেয়ে জীবের চেয়ে হিংস্র নয়, সাপেরও অতো বিষ থাকেনা তাদের মতো, কাকও অতো নিষ্ঠুর ঠোকর মারতে জানেনা যখন তখন....................

দার্শনিক মন্তব্যে সুপার লাইক ।

৩২| ১৮ ই মে, ২০২০ রাত ১২:৪৮

বিপ্লব06 বলেছেন: বেশ ডিটেইল পোস্ট! ভাল্লাগছে! সলিড স্টাফ!

পোস্টে প্লাস!
++++++++++++++

এককালে আম্রিকান ঈল (Anguilla rostrata) নিয়া ঘাটাঘাটি করার চান্স হইছিল। ফ্যাসিনেটিং স্পিসিস একটা!

ফান ফ্যাক্টঃ এই ইলের ম্যালা ফারম আছে কিন্তু ভায়াবল পোণা এখনো কেউ বানাইতে পারে নাই। ন্যাচারালি অকারিং পোণাগুলা প্রতি পাউন্ড ২-৩ হাজার ডলারে বিক্রি হয়। ইল ফারমগুলা কিনে নেয়। ইউরোপিয়ান একটা কনসোর্টিয়াম এইটা নিয়া ২০১০ থেইকা কাজ করতেছে। বাট প্রোগ্রেস খুব স্লো। লিঙ্ক দিলামঃ

PRO-EEL
EEL-HATCH
ITS-EEL

ভালো থাকবেন!

২১ শে মে, ২০২০ রাত ১০:২৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: বিপ্লব06 ,




আপনার এই তথ্য আমার এই পোস্টটাকে সমৃদ্ধ করেছে অবশ্যই।
হ্যা.... ঈলের ডেলিকেসীগুলো আসলেই আকাশছোঁয়া দামেই মেলে। সে কথা আছে লেখার প্রথম দিকেই।

আমি তো নেট ঘাটা মানুষ। আপনি ঈল নিয়ে সরাসরি ঘাটাঘাটি করেছেন তাই আমার চেয়েও বেশী বলতে পারবেন। এ লেখায় কোন ফাঁক থেকে গেলে জানাবেন, কৃতজ্ঞ থাকবো।

৩৩| ১৮ ই মে, ২০২০ রাত ২:১০

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আপনার পোস্ট গুলো বিশদ বিবরণ সম্বলিত সম্পূর্ন একটি পোস্ট । আমি জাস্ট আমার নলেজ শেয়ার করলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যপুস্তক থেকে। আপনার পোস্টের নেই তুলনা।

২১ শে মে, ২০২০ রাত ১০:৫৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: সেলিম আনোয়ার,




মন্তব্যে কৃতজ্ঞতা।

৩৪| ১৮ ই মে, ২০২০ রাত ২:৪৬

ওমেরা বলেছেন: অতল জলের রহস্যময়ী ঈল ফিস সম্পর্কে কত কিছু জানলাম । অনেক কষ্ট করে এত কিছু জানানোর জন্য অনেক ধন্যবাদ ভাইয়া।

২২ শে মে, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: ওমেরা,




মন্তব্যে সাধুবাদ।

সুইডেনের করোনা পরিস্থিতি উদ্বেগজনক বলে জানি তাই কামনা নিরাপদে থাকুন, ভালো থাকুন।

৩৫| ১৯ শে মে, ২০২০ রাত ১০:৫৯

শের শায়রী বলেছেন:

জী এস ভাই, মাসুদ রানার পোকা ছিলাম। কোন এক বইতে যেন পড়ছিলাম, মাসুদ রানা সাগর নীচে ভুল করে ঈলের গর্তে হাত ঢুকাইয়া মরতে বসেছিল, সেই সময়ে ঈলের ব্যাপারে জানার আগ্রহ তৈরী হয়েছিল। তবে আপনার পোষ্ট পড়ে অনেক কিছু নতুন জানলাম, স্পেশালি, ঈলের গতিপথ। সারগাসো সী নিয়ে কিছুই জানতাম না। দারুন।

ঈলের বিদ্যুত উৎপন্ন নিয়ে অন লাইনে কিছু ফিচার পড়ছিলাম আপনার পোষ্টে তার কিছু দেবার লোভ সামলাতে পারলাম না। বৈদ্যুতিক ঈলের পেটে তিন জোড়া বিদ্যুৎ উৎপন্নকারী অঙ্গ রয়েছে। তন্মধ্যে প্রধান অঙ্গ হচ্ছে হান্টার’স (Hunter’s) এবং স্যাচ’স (Sachs’) অঙ্গ। স্যাচ’স অঙ্গের চেয়ে হান্টার’স বা শিকারী অঙ্গ থেকে অধিক বিদ্যুৎ উৎপন্ন হয়। আলাদাভাবে হান্টার’স অঙ্গ ৬৫০ ভোল্ট ও স্যাচ’স অঙ্গ মাত্র ১০ ভোল্ট পরিমাণ বিদ্যুৎ উৎপন্ন করতে পারে। এই ১০ ভোল্ট বিদ্যুৎ যোগাযোগের জন্য, প্রজননের জন্য বিপরীত লিঙ্গকে খুঁজতে ও শিকার সনাক্তকরণে ব্যবহৃত হয়। এই অঙ্গগুলো হাজার হাজার ইলেকট্রিক সেল বা বৈদ্যুতিক কোষ দিয়ে তৈরি। প্রতিটি কোষ ০.১৫ ভোল্ট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে। কোষগুলো একটির সাথে আরেকটি শ্রেণী সংযোগে যুক্ত থাকে। কোষগুলো থেকে এরা টানা এক ঘন্টা পর্যন্ত বিরতিহীন বিদ্যুৎ উৎপন্ন করতে সক্ষম।

ঈলের বৈদ্যুতিক কোষের একটি প্রান্ত মসৃণ ও অপর প্রান্তটি অমসৃণ বা ভাঁজ ভাঁজ থাকে। যখন স্নায়ুতন্ত্রের মাধ্যমে কোষে সংকেত পৌঁছায় তখন মসৃণ প্রান্তে থাকা বিশেষ ধরনের ছিদ্রগুলো খুলে যায়। ফলে ধনাত্মক আয়ন দ্রুত কোষের ভিতর প্রবেশ করে। তখন ক্ষণস্থায়ীভাবে ০.০৬৫ ভোল্ট আধান উৎপন্ন হয়। এরপর কোষের ভিতর ঋণাত্মক ও বাইরে ধনাত্মক আধান থাকায় অমসৃণ প্রান্তে ক্ষণস্থায়ীভাবে ০.০৮৫ ভোল্টের পার্থক্য সৃষ্টি হয়। ফলশ্রুতিতে মসৃণ প্রান্তেও ০.০৬৫ ভোল্ট আধান উৎপন্ন হয়। এভাবে প্রতিটি কোষের মসৃণ ও অমসৃণ প্রান্ত মিলে ০.১৫ ভোল্ট বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে।

পরিষ্কার পানির বিদ্যুৎ পরিবাহিতা খুবই কম। তাই বৈদ্যুতিক ঈল যেখানে বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র তৈরি করবে সেখানকার পানিতে লবণ ও অন্যান্য খনিজ উপাদান থাকতে হয়। বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য ঈল মস্তিষ্ক থেকে স্নায়ুর মাধ্যমে বৈদ্যুতিক কোষগুলোতে সংকেত প্রেরণ করে। তখন মাছের মাথার দিক থেকে পানির মাধ্যমে লেজের দিকে বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়। এ সময়ে মাছের চারদিকে বৈদ্যুতিক ক্ষেত্র তৈরি হয়। এই বৈদ্যুতিক ক্ষেত্রের নিকট কোনো প্রাণী থাকলে, তা শক্তিশালী শকের মাধ্যমে অচেতন হয়ে যায়। এভাবেই শিকার ধরা, খাদ্য অনুসন্ধান, যোগাযোগ ও আত্মরক্ষার কাজে আশ্চর্যজনকভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে বৈদ্যুতিক ঈল।

পাঠে মুগ্ধতা ভাই।।

২২ শে মে, ২০২০ রাত ৮:০৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: শের শায়রী,




ঈলের বিদ্যুৎ উৎপাদনের প্রক্রিয়া তুলে ধরে লেখাটিকে সমৃদ্ধ করলেন। যারা এটা পড়বেন, এই অজানা তথ্য জানতে পারলে তাদের জানার পরিধি আরো বাড়বে।

একসময় মাসুদ রানার পোকা আমিও ছিলুম, এখনও হাতের কাছে পেলে পড়ি।

৩৬| ২০ শে মে, ২০২০ বিকাল ৪:০৯

শোভন শামস বলেছেন: এই করোনাকালে এরকম একটি বিজ্ঞান মনস্ক প্রবন্ধ পড়ে আপ্লুত হলাম । আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ , আরো এধরনের প্রবন্ধ পোস্ট দিবেন এই প্রত্যাশা রইল ।

২২ শে মে, ২০২০ রাত ৮:৫২

আহমেদ জী এস বলেছেন: শোভন শামস,




ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে।
এই করোনা ক্রান্তিকালে শুধু করোনালাপে না থেকে আইসোলেশানের একঘেয়েমী কাটাতে একটু অন্য দিকে আপনাদের মন ঘুরিয়ে নেয়ার ইচ্ছে থেকেই এই লেখা।

এরকমের অনেক পোস্ট-ই আমার আছে ।
এটা দেখতে পারেন এই অবসরে - স্বপ্নে দেখা এক রাজকন্যে……“কোয়েলাকান্থ” দ্য ফিস আউট অব টাইম ।

৩৭| ২৪ শে মে, ২০২০ রাত ২:৩২

উম্মে সায়মা বলেছেন: ওরে বাবা কত্ত বড় রহস্য ঈলের! আর আপনি কত কিছুর খবর রাখেন আহমেদ জী এস ভাই। আমাদেরকে নতুন নতুন রহস্য জানানোর জন্য ধন্যবাদ।

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ৮:৪০

আহমেদ জী এস বলেছেন: উম্মে সায়মা,




পৃথিবীটা যে কতো সহস্র জটিলতায় ভরা, কতো রহস্যের চাদর গায়ে জড়ানো, কে তার হিসেব রাখে কতোটুকু আর!

ঈদের শুভেচ্ছা।

৩৮| ২৪ শে মে, ২০২০ দুপুর ১২:০৬

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: রহস্যে ভরা দুনিয়া। আমরা আর কতটুকু জানি?


ধন্যবাদ ভাই আহমেদ জী এস।

২৪ শে মে, ২০২০ রাত ৯:২৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম ,




হুমমমমমমম তাই ।
পৃথিবীর ভাঁজে ভাঁজে কতো যে রহস্য লুকানো কে তার হিসেব রাখে কতোটুকু আর!

ঈদ শুভেচ্ছা।

৩৯| ২৪ শে মে, ২০২০ রাত ৯:০৫

আখেনাটেন বলেছেন: চমকপ্রদ লেখা।

ঈলদের জন্মস্থানের রহস্য নিয়ে আতিপাতি লেখা। জুলিয়ান ডডসনের কথাটা রহস্যকে আরো গভীরতম করেছে। হয়ত একদিন ঠিকই এর কিনারা হবে।

২৫ শে মে, ২০২০ রাত ৮:১৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: আখেনাটেন,




জুলিয়ান ডডসনের কথা রহস্যকে আরো গভীরতম করেছে, সন্দেহ নেই। সেই সাথে মাইকেল মিলার তর্কের সমাপ্তি টানলেন যে কথা বলে - "আরও ভালো এবং সম্পূর্ণ তথ্য না পেলে মাছেদের এই চরিত্রের অন্য ব্যাখ্যাও যে থাকতে পারেনা তা উড়িয়ে দেয়া যাবেনা।" তাও কিন্তু কম রহস্যের ইঙ্গিত দেয়না।

কোনও কিছুই তো আর অজানা থাকেনা পৃথিবীতে, হয় আজকে নয় কালকে রহস্যকে ঘোমটা সরাতেই হয়।

ঈদের শুভেচ্ছা ।

৪০| ২৫ শে মে, ২০২০ ভোর ৪:৪৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




অসাধরণ তথ্যসমৃদ্ধ পরিশ্রমী পোষ্ট। সরাসরি প্রিয়তে। সপরিবারে করোনা অক্রান্ত হওয়ায় প্রায় মাসাধিককাল সময় সামুতে বিচরণ করতে পারিনি বলে এই পোষ্টটি দেখতে পারিনি ।এখন পোষ্টটি পাঠে অতল জলের রহস্যময়ী ঈল মাসের অসাধারণ
জীবন চক্রের বিবরণ জানা গেল ।

এখানে প্রসঙ্গক্রমে উল্লেখ্য যে, অন্তরজালে থাকা কতক সংবাদ পর্টালে দেখা যায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টিক কুলবর্তী উত্তরপুর্বাঞ্চলীয় state of Maine এ অল্প কয়েকজন জেলেকে লটারীর মাধ্যমে নির্বাচন করে elvers (Small, transparent worm-like fish that arrive in the coastal area of Maine from the Sargasso Sea )নামে পরিচিত বেবী ঈল ধরার অনুমতি দেয়া হয়। এগুলি নাকি খুবই দামী ( কেজি প্রতি দাম নাকি প্রায় ৫০০০ ইউ এস ডলার ) এবং সিড স্টক হিসাবে
এশিয়ান একোয়াকালচার কোম্পনীগুলির কাছে বিক্রয় হয় । এই ধরনের সংবাদে একটু বিভান্ত বোধ করছি । কারণ আপনার পোষ্টে প্রচুর অথেনটিক সুত্র উল্লেখ করে বলা হয়েছে সারাগাসু সাগরে জন্ম নেয়া ঈলগুলি দীর্ঘ পথ পারি দিয়ে জেলেদের নাগালের কাছাকাছি যাওয়া পর্যন্ত প্রাপ্ত বয়স্ক ঈলে পরিনত হয় ।যাহোক আপনার পোষ্টটি পাঠে একটি বিভ্রান্তির অবসান হল।

আশা করি এই করুনাকালীন সময়ে সুস্থ আছেন, যদিউ ডাক্তারগন ফ্রন্ট লাইন স্বাস্থকর্মী হিসাবে বেশ ঝুকীর মধ্যেই আছেন ।যার শিকার হয়েছে আমার পরিবারের লোকজন ,কেননা আমার পরিবারে স্বাস্থ কর্মী হিসাবে নিয়োজিত মেয়ে ও তার মা এবং তাদের সংশ্পর্শে আসায় আমি আমার ছেলেও করোনা আক্রান্ত হয়েছিলাম । আমাকে ও গিন্নীকে হাসপাতালে থেকে চিকিৎসাও
নিতে হয়েছে । ছেলে ও মেয়ে সপ্তাহ দুয়েক ঘরে আইসোলেটেড থেকে সুস্থ হয়েছে । যাহোক মাস দুয়েক হলো আল্লার রহমতে ও সকলের দোয়ায় সেসাথে সেখানকার নিবেদিত প্রাণ স্বাস্থ্য কর্মীদের একনিষ্ট সেবার কল্যানে সুস্থ দেহে গৃহে ফিরতে পেরেছি। এদিকে সুস্থ হয়ে পরিবারের সদস্য দুজন আবার স্বাস্থ সেবা কর্মে নিয়োজিত হয়েছে,তাই এখনো অশংকার মধ্যে ভয়ংকর দিন পার করছি । এমতকারণে আপনার জন্যও উৎকন্ঠিত আছি। দোয়াকরি পরিবার পরিজন নিয়ে এই মহা দুর্যোগময় মহুর্তে নিরাপদ ও সুস্থ থাকুন ।

ঈদ শুভেচ্ছা রইল

২৫ শে মে, ২০২০ রাত ৮:৫৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: ডঃ এম এ আলী,



আপনার উপস্থিতিতে স্বস্তির নিঃশ্বাস পড়লো। সৃষ্টিকর্তার কাছে অশেষ কৃতজ্ঞতা, আপনাকে সপরিবারে সুস্থ্যতা দান করেছেন বলে।
আমার জন্যে আপনার দুঃশ্চিন্তাতে ভ্রাতৃত্ববোধের পরিচয়ই শুধু নয়, মিললো এক সংবেদনশীল মানুষেরও। আমি এখন সক্রিয় নেই আমার পেশাতে । গত জানুয়ারী থেকেই নেই। আপাততঃ বন্দি চার দেয়ালের মাঝে। এছাড়া যে উপায়ও নেই।

পোস্টের উপরে আপনার মন্তব্যের উত্তরে বলি - রহস্যকে একটু ঘনীভূত করতেই গ্লাস বা এলভার ঈলদের সম্পর্কে খানিকটা ওভাবে বলতে হয়েছে। যদিও ইয়োরোপ বা আমেরিকার উপকূলে সারা বছর এদের দেখা মেলেনা। সারগাসো সাগরে জন্ম নেয়া থেকে উপকূলে আসতে তাদের প্রায় বছর খানেক লেগে যায়। তখন তারা প্রায় প্রাপ্তবয়স্ক। পিচ্চি বাচ্চা নয়।
প্রিয়তে নিয়েছেন জেনে আর লাইক দেয়াতে ভালো লাগলো।

যেখানেই থাকুন, নিরাপদে থাকুন। সৃষ্টিকর্তা আপনার সহায় হোন।
ঈদ শুভেচ্ছা।

৪১| ২৬ শে মে, ২০২০ রাত ১১:৫২

রাকু হাসান বলেছেন:

নিদেন শব্দটি কি অর্থে ব্যবহার করেছেন স্যার? আপনি হাজার বানানটি হাযার লিখছেন । এভাবে লেখায় আমার আপত্তি নেই । বাংলা বর্ণে জ,য খুব একটা পার্থক্য দেখি না। আমি গুলিয়ে ফেলি। পোস্টের ব্যাপারে কোনো প্রশংসা না করলেও হবে । আপনার কাছ থেকে এমন কিছুই সব সময় পাই। আপনার পরিশ্রম ,স্ডাডি লেবেল কল্পনা করে অবাক হই খুব। আমার ভাসা ভাসা ধারণা ছিল এ বিষয়ে । তাও ইংরেজি ভাষার কল্যাণে। কেন জানি এতটা জানা হয়ে উঠে নি । কিন্তু আপনার পোস্টে খুব ভাল ধারণা পেলাম । পোস্টটি আমি আবার পড়ব।

শের শায়রী ভাই ও ঢাবিয়ান ভাই বিদ্যুৎ উৎপাদনের কথা বলে গেলেন । অনলাইনে ঠিক এমন একটি ভিডিও পেলাম । দ্যা গার্ডিয়ানের । ঈলরা বিচিত্র ধরনের শব্দও সৃষ্টি করতে পারে।
বিশেষ করে শের ভাইয়া, আলী স্যার,ঠাকুরমাহদুম ভাইয়ার মন্তব্যে লাইকড । তাঁদের ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্য করার জন্য।

২৯ শে মে, ২০২০ রাত ৮:০৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: রাকু হাসান,




বেশ বিরতির পরে আপনাকে দেখছি। মন্তব্যও করেছেন দেখে ভালো লাগছে।
অতল জলের এক রহস্যময়ীর রহস্য এবারে নিশ্চয়ই ভাসা ভাসা না থেকে ডুবন্তই হয়েছে তবুও আবার পড়বেন বলেছেন। তা পড়ুন।
ঈলদের বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়াটি আসলেই অদ্ভুত। আপনার দেয়া ভিডিওটি দেখবো।

"নিদেন" শব্দটি এখানে "অন্তত" অর্থে ব্যবহার করা হয়েছে, শব্দটির অর্থও তাই। "নিদেন পক্ষে" লেখা হলে মনে হয় এই দন্ধটা আপনার থাকতোনা। আর "হাযার" বানানটি আমি "হাযার" লিখেছি কারন এটাও "হাজার"এর মতো সঠিক।

ভালো থাকুন, নিরাপদে থাকুন।

৪২| ৩১ শে মে, ২০২০ দুপুর ১:০২

বঙ্গভূমির রঙ্গমেলায় বলেছেন:
রহস্যময় পোস্ট।

ঈল মাছের বৈচিত্রময়তা সর্ম্পকে অনেক কিছু জানলাম।

ধন্যবাদ অনেক। :)

৩১ শে মে, ২০২০ রাত ১০:১১

আহমেদ জী এস বলেছেন: বঙ্গভূমির রঙ্গমেলায়,




হা...হা...হা... রহস্যময় পোস্ট... :( ভালো বলেছেন।
না, এটা রহস্যময় একটি বিষয় নিয়ে করা পোস্ট। ঈল মাছের রহস্য কিছুটা তুলে ধরতে চেষ্টা করেছি মাত্র।

মন্তব্যের জন্যে আপনাকেও ধন্যবাদ।

৪৩| ০১ লা জুন, ২০২০ সকাল ১১:১৪

রোকসানা লেইস বলেছেন: মাছের গায়ে যে বৈদ্যুতিক আলো থাকে তা আমি খুব ছোটবেলা থেকে জানি পড়েছিলাম একটা বইয়ে। আর বছর কয়েক আগে জাপানীরা মাছের বিদ্যুত দিয়ে আলো জ্বেলেছে সেটাও পড়েছি।
সাগর তলের অতল রহস্য দেখার প্রবল আগ্রহ। তাই সাবমেরিনে চড়ে ঘুরতে গিয়েছিলাম সাগরতলে। নিচের লেখাটা আপনার চোখে পরেনি। এছাড়াও আছে ডুবুরি হয়ে সাগর তলে ডুব দেয়ার উপর লেখা।


https://www.somewhereinblog.net/blog/Somudrojol/30201777

০১ লা জুন, ২০২০ রাত ৮:৩৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: রোকসানা লেইস,




ওহ... শিহরণ জাগানীয়া অভিজ্ঞতা আপনার!
আসলে অতল জলের নীচে আর এক রহস্যময় জড়ৎ আছে। সেই অতল জলের আহ্বান জানাচ্ছি এখানে - সমুদ্রের নীচের দৈত্যপুরী * মারিয়ানা ট্রেঞ্চ

আপনার দেয়া লিংকে যাবো সময় করে অবশ্যই।
আবারও আসার জন্যে ধন্যবাদ।

০১ লা জুন, ২০২০ রাত ৮:৩৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: রোকসানা লেইস,




টাইপো হয়েছে - এক রহস্যময় জড়ৎ আছে < এক রহস্যময় জগৎ আছে

৪৪| ২৮ শে জুন, ২০২০ রাত ৮:৫৪

খায়রুল আহসান বলেছেন: আপনার এ পোস্ট পড়তে পড়তে মনে পড়ে গেল, ক্লাস এইট কিংবা নাইনে থাকতে আমাদের শ্রদ্ধেয় শিক্ষক মাসুদ হাসান স্যার মহাসাগরিক স্রোতধারা পড়াতে পড়াতে ব্ল্যাকবোর্ডে ম্যাপ এঁকে বুঝাতেন এবং তখন তার মুখেই প্রথম "সারগাসো সী" শুনতে শুনতে এ সাগরটি সম্পর্কে নানা রকমের তথ্য জেনেছিলাম। তিরচিহ্ন দিয়ে এঁকে দেখানো সাগরটির চারিপাশ দিয়ে স্রোতের ঘূর্ণিচক্রের কথা মনে পড়ে।
এবারে আসি মূল কথায়। একটা কঠিন বিষয়কে গল্পচ্ছলে কত সহজ করে বলে গেলেন, পড়ে সত্যিই অভিভূত হয়ে গেলাম! অবশ্য বিজ্ঞানের খুঁটিনাটি বিষয়গুলোকে আম পাঠকের সহজে বোঝার সুবিধার্থে এভাবে গল্প বলার মুন্সীয়ানার পরিচয় এর আগেও আপনার কয়েকটা পোস্টে পেয়েছিলাম। এমন প্রাঞ্জল বর্ণনা পড়ে আমাদের ভাবনাগুলোও যেন এ অনাবিষ্কৃত রহস্যজালের আবর্তে আটকা পড়ে গেল!
"বাপরে! ঈলদের জীবনেও দেখি শান্তি নেই। পাপারাজ্জীরা সেখানেও হাজির!!!" পোস্ট পড়ার পর একটা জেনুইন অভিব্যক্তি! (৩ নং মন্তব্য) :)

২৮ শে জুন, ২০২০ রাত ৯:২৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: খায়রুল আহসান,




ঈলদের মতোই দীর্ঘ সময় পাড়ি দিয়ে এই অতল জলে এসে পড়লেন!

কি যে মজা ছিলো ভুগোলের পড়াতেই সেই উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত, ক্যানারী স্রোত, আটলান্টিক স্রোত, গালফ স্রোত, বেঙ্গুয়েলা স্রোত ইত্যাদি অনেক স্রোতের কথা পড়তে! ছবিও আঁকতে হতো। আমিও সেই সময় সারগাসো সাগরের কথা পড়েছি।

মূল কথার বক্তব্যে আমায় কৃতজ্ঞ করে রাখলেন।

৩ নং মন্তব্যটি আসলেই খাসা ।

ভালো থাকুন, নিরাপদে থাকুন।

৪৫| ২৯ শে জুন, ২০২০ রাত ১০:৩১

খায়রুল আহসান বলেছেন: কি যে মজা ছিলো ভুগোলের পড়াতেই সেই উষ্ণ উপসাগরীয় স্রোত, ক্যানারী স্রোত, আটলান্টিক স্রোত, গালফ স্রোত, বেঙ্গুয়েলা স্রোত ইত্যাদি অনেক স্রোতের কথা পড়তে! ছবিও আঁকতে হতো। - জ্বী, আপনি ঠিকই বলেছেন। আমার সেই ভূগোল শিক্ষক এবং ছবি এঁকে তাঁর স্রোতধারার গতিপথ পড়ানোর কথা এই ব্লগে দু'টি পোস্ট পড়ার সময় আমার মনে উদয় হয়েছে। প্রথমবার করুণাধারা রচিত "নতুন জীবন" সিরিজের একটি পর্বে "ল্যাব্রাডর কারেন্ট" এর কথা পড়ে, আর দ্বিতীয়বার আপনার এই পোস্টে "সারগাসো সাগর" এর কথা পড়ে।

২০ শে নভেম্বর, ২০২০ সকাল ৯:০২

আহমেদ জী এস বলেছেন: খায়রুল আহসান ,





"দুঃখিত" এমন কথা আর কতোবার বলবো ? ব্লগের নোটিফিকেশান দপ্তরকে একটা লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো মনে হয় সময়ের দাবী। ;)

এই পোস্ট লিখতে গিয়ে আপনার মতো আমিও হারিয়ে গিয়েছিলুম অনেক আগের ফেলে আসা স্কুল জীবনে। আসলেই মজা ছিলো ভুগোলের সে পড়াতেই।

আপনি ব্লগারদের সাম্প্রতিক পোস্টে গিয়ে তাদের পুরোনো পোস্টে আপনার মন্তব্যের কথা বলে আসেন বলেই ব্লগাররা তা জানতে পারেন। নইলে ব্লগে এটা জানার কোনও সুযোগ নেই। এজন্যেও ধন্যবাদ অনেকগুলো।

৪৬| ২০ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ২:৩৯

স্বপ্নবাজ সৌরভ বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম । রহস্যের শেষ নেই । অসাধারণ লেখনী স্যার।

২০ শে নভেম্বর, ২০২০ বিকাল ৪:৩৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: স্বপ্নবাজ সৌরভ ,



ধন্যবাদ লেখাটি পড়ার জন্যে ।

আপনার দেখা পেয়ে ভালো লাগলো।
ভালো থাকুন আর নিরাপদে ..................

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.