নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ট্রুথ নেভার ডাই্‌জ

নিজের সম্পর্কে লেখার কিছু নেই । সাদামাটা ।

আহমেদ জী এস

পুরোপুরি একজন অতি সাধারন মানুষ । আমি যা আমি তাই ই । শয়তানও নই কিম্বা ফেরেশতা । একজন মানুষ আপনারই মতো দু'টো হাত, চোখ আর নিটোল একটা হৃদয় নিয়ে আপনারই মতো একজন মানুষ । প্রচন্ড রকমের রোমান্টিক আবার একই সাথে জঘন্য রকমের বাস্তববাদী...

আহমেদ জী এস › বিস্তারিত পোস্টঃ

ঘোষ্ট রাইডার ?

২৪ শে আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:০৩



রহস্যটা রহস্যই রয়ে গেলো, জানা হলোনা সাইত্রিস বছর আগে সেদিনটাতে আসলেই কি ঘটেছিলো। আজ আর জানারও উপায় নেই। উপায় নেই কারন, ঘটনার পাত্র দু’জনের একজন আমি, ভুত-প্রেতের গল্পে জমাট এই দেশে আর অন্যজন এসব থেকে হাযার হাযার মাইল দূরে ।
আমার অনেক লেখা থেকে আপনারা অনেকেই জানেন যে, যৌবন কালে চিকিৎসক হিসেবে আমাকে সেই সুদূর দক্ষিন বঙ্গের খেপুপাড়া (কলাপাড়া) হেলথ কমপ্লেক্সে কিছুদিন চাকুরী করতে হয়েছিলো। রহস্যটি সেই খেপুপাড়ারই।
ব্লগে পরাবাস্তব-ভৌতিক- আধিভৌতিক লেখা যখনই দেখি তখনই আমার এই ঘটনাটা মনে পড়ে। মনে মনে ক’দিন ভেবেছি,. আমিও সেটা লিখে আপনাদের কাছে জানতে চাইবো- আসলে সেদিন ঘটেছিলো কি । ঘটনার পাত্র আমরা দু’জনই একজন আরেক জনের উপর দোষ চাপিয়ে গেছি প্রতিবারই যখন দ্বিতীয়জনের সাথে আমার দেখা হয়েছে ।

আমি ডাঃ আহমেদ জী এস, আমাকে তো আপনারা চেনেনই। অন্যজন ডাঃ মনিরজ্জামান। ডেন্টাল সার্জন। পোংটা নম্বর ওয়ান ! খেপুপাড়া (কলাপাড়া) হেলথ কমপ্লেক্সে একসাথেই আমরা কাজ করি। যদিও পোংটামিতে আমিও কম যাইনে। তাই মনে হয় আমাদের সম্পর্কটা বেশ ফুরফুরে, রেশমী মিঠাইয়ের মতো রঙিন আর মিষ্টি ছিলো। আমি তাকে সম্বোধন করি “মুনির সাব” বলে আর উনি আমাকে ডাকেন কখনও “ ওস্তাদ”, কখনও আমার ঘরের নামের সাথে “ভাই” শব্দটি যোগ করে - “বাবু ভাই”।

তো হয়েছে কি - হঠাৎ করে একদিন জানতে পারলুম, আমাদের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের নামে একটি মোটর সাইকেল( হোন্ডা -৫০) বরাদ্দ আছে কমপ্লেক্সের বড় ডাক্তার মানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা অফিসারের অফিসিয়াল কাজে ব্যবহারের জন্যে। যদিও কখনও সেটা আমরা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখিনি বা আমাদের বস ডাঃ আব্দুল জব্বার বিশ্বাসকেও চালাতে দেখিনি। শুনেই, গ্রামগঞ্জে একটি মটর সাইকেল চালিয়ে যাচ্ছি, এটা ভাবতেই মনখানি উড়িল দিলো আকাশে। মুনির সাব তো আমার চেয়েও বেশী আটখানা। বললো, “ ওস্তাদ চলেন যাই, জব্বার ভাইকে গিয়ে বলি মটর সাইকেলটা আমাদের দিতে।”
তো গেলুম ডাঃ আব্দুল জব্বার বিশ্বাসের কাছে - “জব্বার ভাই, শুনলাম আমাদের একটা হোন্ডা আছে । আপনাকে তো ওটা চালাতে দেখিনা কখনও। তো , সেটা কই ?”
-“সেটা তো পিয়ন জয়নাল( ঠিক নামটি মনে পড়ছেনা এই মূহুর্তে) চালায়।”
- কি ! আমরা কয়জন ডাক্তার থাকতে একজন পিয়ন আমাদের হোন্ডা চালাবে আর আমরা লগি মারবো ( হাটা ) ? কভি নেহী। আমাদের একটা মান সম্মানের ব্যাপার আছে না ? ওটা আনান।”
তো মটর সাইকেল আসলো ক’দিন পরে। আমি ছাড়া বাকী ডাক্তার সাহেবেরা কেউ মটর সাইকেল চালাতে জানেন না। মনির সাহেবের উৎসাহ সব চেয়ে বেশী- ব্যাচেলর মানুষ তো তাই !
তো, বিকেল বেলা আমি হোন্ডার ট্রেনার হয়ে বাকীদের তালিম দেই। আর ট্রেইনিং পিরিয়ড শেষ হলে একজনকে পিছে বসিয়ে আমি নদীর পাড় ঘেসে বেড়ী বাঁধের উপরে যে পাকা রাস্তা সে রাস্তা দিয়ে শিষ দিতে দিতে ফুরফুরে বাতাসে ভেসে চলি।
ক’দিন মকশো করে হাত -পায়ের ছাল ছড়িয়ে মনির সাহেব হোন্ডা চালানো অনেকটা রপ্ত করে ফেললেন। একা একাই স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের পাশের নির্জন মাটির রাস্তাটি ধরে অনেকদূর অব্দি চালিয়ে আসতেন।

তখন শীতকাল। সন্ধ্যের আগে আগে আমরা মাঝে মধ্যেই দু-তিন কিলোমিটার দূরের উপজেলা কমপ্লেক্সে ব্যাডমিন্টন খেলতে যেতুম। আমার সাথে হোন্ডার পিছনে থাকতো মুনির সাহেব। তার যন্ত্রনায় চালানো মুশকিল হতো।
- “ ওস্তাদ আমারে এট্টু চালাইতে দ্যান”
- “ আরে রাহেন মিঞা,অতো অস্থির হইলেন ক্যা ? শ্যাষ কালে কোতায় এক্সিডেন্ট ক‌ইররা বইবেন তহোন মান ইজ্জত লইয়া টানা টানি। হাত আরও পাকুক।”

এমনি একদিন মনির সাহেবকে নিয়ে আমি উপজেলা কমপ্লেক্সে ব্যাডমিন্টন খেলতে গেছি। খেলতে খেলতে রাত প্রায় ৯টা বেজে গেছে। শীতের রাত, হালকা কুয়াশা জমতে শুরু করেছে।
- মনির! চলেন চলেন রাইত অনেক।
- ওস্তাদ, এইবার আমি চালাই।
- মাথা খারাপ হইছে নাকি ? বাজারের মইদ্যে দিয়া রাস্তা। কার ঠ্যাঙ ভাঙাবেন আল্লায় জানে।
- ওস্তাদ, দিয়া দ্যাহেন একবার। আর অনেক রাইত, মানুষজন কম। এক্সিডেন্ট করমু না।
কি ভেবে যেন তাকে চালাতে সায় দিলুম। কমপ্লেক্সের প্রধান ভবনের সামনেই গেটের কাছে আমাদের হোন্ডাটা। ইনি হোন্ডাটাতে ষ্টার্ট দিলেন, আমি পিছনে বসেছি মাত্র এমন সময় উপজেলার একজন কর্মচারী দৌড়ে আমার কাছে এসে থামতে বললেন। তার স্ত্রীর ক’দিন থেকে সর্দি জ্বরের কথা বলে আমার কাছে করনীয় কি জানতে চাইলেন। আমি তার কথার সবটা শোনার জন্যে পা-দু’টো মাটিতে রেখে পিছনের সীট থেকে উঠে দাঁড়ালুম। তার সাথে আমি কথা বলছি আর ওদিকে হোন্ডাটা আমার ছড়ানো দু’পায়ের ফাঁক গলে ধীরে ধীরে বেড়িয়ে যেতে থাকলো। আমি লোকটির সাথে কথা বলছি আর দেখছি, মনির সাহেব গেট পেরিয়ে মেইন রাস্তায় ওঠার যে রাস্তাটা উপজেলা কমপ্লেক্স থেকে বেড়িয়েছে, সে রাস্তায় উঠে গেলেন। এক মিনিট - দু’মিনিট , এভাবে দশ মিনিট হয়ে গেল , মুনিরের পাত্তা নেই। এক্সিডেন্ট করে বসেনিতো কোথাও!! আতঙ্কিত না হলেও উদ্বিগ্ন হলুম। যার সাথে কথা বলছিলুম সে বললো -“ ছার, ঐ ছারে হয়তো হোমকে আম্নের লইগ্যা অপেক্ষা করতেছে।”
কি করা! উপজেলা কমপ্লেক্সের রাস্তা দিয়ে হাটছি, মুনিরের দেখা নেই। শীতের রাত ,রাতও অনেক , কোনও লোকজন নেই এমনকি একটা রিক্সাও নেই। নাক বরাবর সোজা রাস্তা, বেড়ীবাঁধের বড় পাকা রাস্তার সাথে মিশেছে। লাইটের আলো আর কুয়াশা মিলে কেমন কেমন যেন লাগছে কিন্তু মনির সাহেবের ছায়াও নেই কোনখানে। গা ছমছম করলেও মেজাজটা গরম হতে থাকলো । এই রকম ফাজলামো মুনিরের করা উচিৎ হয়নি।
এখন যদি রিক্সা না পাই তো সারাটা পথ আমাকে এই শীতে দু-তিন কিলোমিটার দূরের স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হেটেই যেতে হবে। হাটছি আর আমার মেজাজের ব্যারোমিটার বাড়ছে। কোত্থাও নেই মুনির। কি হলো তাহলে ? পথের পাশে পড়ে গেলে তো দেখতে পেতুম। এক্সিডেন্ট করলে তো সোরগোল পাওয়া যেত! কিন্তু নাহ। নেই। তাহলে কি মুনির সাহেব আমার সাথে মশকারী করছে ? আমাকে হাটতে বাধ্য করে মজা দেখতে চাইছে ? আবার এও ভাবছি, এসব তো তার করার কথা নয়। একজন ডাক্তার তাতে সরকারী অফিসার, কোনটা সঙ্গত কোনটা অসঙ্গত এ বোধটা তো তার থাকা উচিৎ!
হাটছি পনের মিনিট হয়ে গেলো। মুনির যেন হাওয়া হয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত আমাকে ফেলে মুনির বাসায় ফিরে গেলো ? শীতের রাতেও রাগে গজগজ করতে করতে মুনির সাহেবের চৌদ্দগুষ্ঠি উদ্বার করতে করতে ঘেমে যাচ্ছিলুম। রাগলেও আশা ছিলো, মুনির ফিরে আসবেই। আমাকে একা ফেলে সে কিছুতেই যাবেনা। এমন বেয়াদবী সে করবেনা আমার সাথে ।

বেড়ীবাঁধের বড় পাকা রাস্তায় উঠে কিছু দূর যাওয়ার পরে একখানা রিক্সা মিললো। যেতে যেতে বাজারের জটলার কাছে আসতেই দেখি বাজারের রাস্তার একপাশে দু’পা ছড়িয়ে হোন্ডায় বসে দু’হ্যান্ডেলে হাত রেখে মুনির সাহেব এদিক ওদিক দেখছেন। দেখেই রক্ত মাথায় চড়লো। আমি এই গ্রামের রাস্তায় হাটতে হাটতে শেষ আর উনি এখানে বসে হাওয়া খাচ্ছেন! কাছে গিয়েই বললুম -
“মিঞা, ফাইজলামিরও তো একটা সীমা থাহে! রিক্সা নাই, আধা ঘন্টা হাটাইলেন! ”
উল্টো মুখ গোমড়া করে আমাকেই ঝাড়ি দিয়ে মুনির বললেন -
-“ বাবু ভাই , আপনের দেরী হইবে কইতেন। আমি একটা বিড়িতে টান দিতে পারতাম এতোক্ষুনে”।
- “ কি উল্ডাপাল্ডা কন ? আমি কই গেছিলাম যে দেরী হইবে ? “
- “ ওস্তাদ ফাইজলামী কইররেন না। আপনে কইলেন এইখানে থামতে। কি জানি কিনবেন বাজার দিয়া। আমিতো সেই থিক্কাই এইহানে বইয়া রইছি। সামনে যাই নাই যদি খুইজ্জা না পান! “
মেজাজ গরম হয়না কার ? এই রাত্তিরে এমন ফাইজলামী ভালো লাগে ?
বললুম - “ আমি এইহানে থামতে বলছি ? ইয়ার্কি করেন ?
মুনিরের সিরিয়াস মুখ, মেজাজও তুঙ্গে - “ আধা ঘন্টা বওয়াইয়া রাকলেন, দোষ তো আপনের আর এহোন মিছা কতা কন?”
মুনির কি ইয়ার্কি করছে আমার সাথে ? করতেও পারে । আমাকে একটু ঘোল খাওয়ালো আর কি!
নরম সুরে বললুম - “ মুনির সাব! আমি তো আপনের সাথেই ছিলাম না। দ্যাকলেন না লোকের সাথে কথা কইতেছিলাম আর আপনি আস্তে আস্তে হোন্ডায় টান দিয়া চইল্লা গ্যালেন।“
- আমার লগে ইয়ার্কি কইররেন না ওস্তাদ। সারা রাস্তা চুপচাপ ছিলেন। এহানে আওয়ার পরে আপনে কইলেন এহানে থামতে। মানুষজনের মইদ্যে আমি কষ্ট কইররা থামাইলাম। আর এহোন কন , আপনে আমার লগে আছিলেন না।“

- আরে মিঞা আমি যদি আপনের পিছনেই থাকতাম তাইলে আমার মতো বকবক করা মানুষ এতোক্ষুন চুপচাপ ছিলো ? এইডা আপনের বিশ্বাস হয় ? আপনের হয় হ্যালুসিনেশান হইছে নয় আপনেরে ভুতে ধরছে! ”

- ভুতে ধরলেতো ভালোই হইতো, এইহানে আধাঘন্টা বইয়া থাকতাম না। একটানে হেলথ কমপ্লেক্সে চইল্লা যাইতাম।“

যাক, আমরা কেউই কাউকে বোঝাতে পারছিলুম না। মুনির সাহেবের বিশ্বাস, আমি ওনার সাথে ইয়ার্কি করছি তেমনি আমারও বিশ্বাস, মুনিরও আমার সাথে বেশ বড় ধরনের একটা ফাইজলামি ফাইজলামি খেলা খেলছে। বেশ কিছুদিন এটা নিয়ে আমরা কেউ কাউকে ছাড় দিচ্ছিলুম না। আমিতো জানি সত্যটি কি, কি কি ঘটেছে। কিন্তু মুনিরের ঐ একই কথা, আমি থামতে বলাতেই সে নাকি বাজারে থেমেছে আর অপেক্ষা করেছে আমার ফিরে আসার। হ্যালুসিনেশান হয়নি তার। বাইকের শব্দের কারনে সে আমার কথা শুনতে পাবেনা বলে আমি নাকি তার কানের কাছে মুখ নিয়ে থামার কথা বলেছি!

এরপরে আমি দেশের বাইরে লিবিয়াতে চলে যাই, মুনির সাহবেও চলে যান আমেরিকাতে। আমি দেশে ফিরে আসি ৯৫ সালে। ৯৬ সালে এবং পরে আরেকবার মুনির সাহেব ছুটিতে দেশে এলে ঢাকাতে আমার বাসায় এসে দেখা করেন। দু’বারই আলাপ করতে করতে আমি খেপুপাড়ার সেই ঘটনা মনে করিয়ে জানতে চেয়েছিলুম - সত্যটা কি ? এতোদিন পরে বলা যায় নিশ্চয়ই ?
মুনিরের ঐ একই কথা - আমি নাকি তার সাথে আগামাথা ইয়ার্কি করেছি সেই দিনটাতে। সত্যটা না বলে এখনও সেই ইয়ার্কিই নাকি করছি।
আর আমিও ভাবছি, মুনির এখনও ইয়ার্কি ছাড়তে পারলোনা!

আজ সাইত্রিশ বছর হয়ে গেলো সেই রহস্যের জট আর খুললো না।

আরও আশ্চর্যের ব্যাপার হলো রাতে এই লেখা টাইপ করতে গিয়ে বারে বারেই অক্ষরগুলো উল্টে পাল্টে যাচ্ছিলো। “ত” এর বদলে “থ” বা “দ” , “চ”-য়ের জায়গায় “ট” বা “ঠ” হয়ে যাচ্ছিলো। স-য়ের জায়গায় ‘ম’ আর ন-য়ের জায়গায় ‘র”। এমনি প্রায় প্রতিটি শব্দেই। এমনটা আমার আগে হয়নি কখনও।
আরও একটা রহস্য ??????

কাল্পনিক_ভালোবাসাকে ভালোবেসে এই রহস্যময় ঘটনাটি পত্রস্থ করা গেল।

ছবি সূত্র - ইন্টারনেট

মন্তব্য ৯৫ টি রেটিং +২৭/-০

মন্তব্য (৯৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২৪ শে আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনাদের দু'জনের তর্কের অবসান ঘটাতে পারতো সেই উপজেলা কর্মীটি, যার স্ত্রী অসুস্হ হয়েছিলেন; আপনারা ৩ জন মিলে সেটা নিয়ে কথা বলেছিলেন?

২৪ শে আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩২

আহমেদ জী এস বলেছেন: চাঁদগাজী,



আমরা তিনজনে মিলে কথা বলার সুযোগ ছিলোনা। কারন আমরা দুজনেই উপজেলা কমপ্লেক্স ছেড়ে দেড় ২ কিলোমিটার দূরে।উপজেলার কর্মীটি তখন উপজেলা কমপ্লেক্স চত্বরে কিম্বা তার বাসায়।

মনে হয় রহস্যটির সবটা না পড়ে এই রহস্যটি করলেন। ;)

২| ২৪ শে আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩৯

আমি সাজিদ বলেছেন: বেশ ভয়ানক অভিজ্ঞতা শ্রদ্ধেয় ব্লগার৷ খেপুপাড়ায় চাকরিরত অবস্থায় এধরনের আর কোন অভিজ্ঞতার স্বাক্ষী হয়েছিলেন কিনা জানতে মন চাচ্ছে।

২৪ শে আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: আমি সাজিদ,




না হে.... এটা ছাড়া আমার থলিতে আর কোনও ভুত বা রহস্য নেই। :((
লাইক দেয়াতে ধন্যবাদ।

৩| ২৪ শে আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪১

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ঘটনাটা অত্যন্ত সহজ। আপনের বডি থাইকা গেছিল, আত্মা মুনির সাহেবের পিছনে বইসা রইছিল। বিড়িখোর বডির আত্মাও বিড়িখোরই হয়। সেই আত্মা বাজারে গেছিল বিড়ি কিনতে। মুনির সাহেব নতুন ড্রাইভার। চালানোর টেনশানে পিছনে বডি, নাকি আত্মা ঠাওর করতে পারে নাইক্কা!! :)

কি বোর্ডের রহস্যটা মনে হয়, মনের অজান্তে ''ক্যাপস লক'' কি'তে চাপ পরার ফল!

২৪ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:০৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: ভুয়া মফিজ,




এক্কেরে ঠিক কইছেন। মুনির সাহেব সত্যিই মনে হয় বিড়িখোর আমার আত্মাডারে পিছনে নিয়া আইছিলো । এইডা মাথাত আহে নাই। রহস্য সলভড। ভুয়া মফিজ রে এহোন "ভুয়া শার্লক হোমস" কইতেই হয়। :D

কী বোর্ডের ক্যাপস লক ছিলোনা। সম্ভবত তাড়াহুড়ো করে লিখতে গিয়ে আঙুল আশেপাশের কী'তে পড়ছিলো বারবার। কারন অক্ষরগুলো আশেপাশের কী'তেই আছে ।
এখানে ভুয়া শার্লক হোমস ফেল কইরছুন.............. :P

৪| ২৪ শে আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৮

আমি সাজিদ বলেছেন: অপ্রাসঙ্গিক হলেও বলি - আপনার লিবিয়ার জীবন নিয়ে কিছু শুনতে চাই ব্লগার। যদি আগে লিখে থাকেন, প্রতিমন্তব্যে লেখাটার লিংক সংযুক্ত করবেন প্লিজ।

২৪ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:৩৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: আমি সাজিদ,



লিবিয়ার জীবন নিয়ে আলাদা ভাবে সম্ভবত কিছু লিখিনি । কোনও কোনও পোস্টের মন্তব্যে প্রসঙ্গক্রমে লিখেছি টুকরা টাকরা কিছু।
তবে লিবিয়া টাচ ডাউন নিয়ে এই লেখাটি দেখতে পারেন, খারাপ লাগবেনা ---
প্রথম বৈদেশ যাত্রা এবং সহযাত্রী গ্রেনেড .....

৫| ২৪ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:১৬

জুন বলেছেন: এই রাতে এই গল্প পড়লাম এখন ঘুম আসলে হয়, এমনিতেই আমি ভুত অনেক ভয় পাই আহমেদ জী এস :-&
নিকোলাস কেজের ঘোষ্ট রাইডারের মত রাস্তার উপর আগুনের দাগ পরতো কি হোন্ডা ৫০ চালাইলে :`>
বরাবরের মতই চমৎকার লেখা কিন্ত রহস্যটা ভেদ হলে ভালো হতো মনে হয় ।
+
অট ঃ কাভার প্রলোভনে আবারও পরতেছেন B:-) একবার না লেখার জন্য কি জানি সন্মানী দিতে চাইছিলো ব্লগারদের ?
সেইটা কি হইলো একটু জিজ্ঞাস কইরেন্তো উনারে #:-S

২৪ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:১১

আহমেদ জী এস বলেছেন: জুন,




এটা এমন কোনও জম্পেশ ভুতের গপ্পো না যে আপনার ঘুম আসবেনা।
নিকোলাস কেজের ঘোষ্ট রাইডারের মত রাস্তার উপর আগুনের দাগ পরতো কি হোন্ডা ৫০ চালাইলে
না, নিকোলাস কেজের মতো আগুনের দাগ পড়তোনা তবে আমার মতো অকেজো লোক হোন্ডা ৫০ চালালে মাটির রাস্তায় চাক্কার দাগ পড়তো। :P
ঘটনার আলামত হিসেবে এই নিন আপনার হোন্ডা ৫০ -


@ কাভা ...
অভিযোগ গুরুতর!
আম্নেরে জিঙ্গাইয়া মাদাম জুনরে কৈতে হৈবে। কি কমু ?????? :|

৬| ২৪ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:৩৬

শায়মা বলেছেন: ভাইয়া তুমিও ভূত হয়েছিলে!!!


কদিন আগে ব্লগে ছিলো চার বিয়ের ভূত !!! আজ দেখছি নিজেরাই সবাই ভূত!!!

এত ভূত চারিদিকে থাকলে তো আর ভূতেরা কাউকে ভয় দেখাতেই পারবেনা!!!

২৪ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:৫২

আহমেদ জী এস বলেছেন: শায়মা,




হা...হা... আমি ভুত হবো কি করে ? এখনও মরিনি তো! :P
তবে ভুয়া মফিজ আমাকে বিড়িখোর বডির আত্মা বানিয়ে ছেড়েছেন। :((

ভুতেরা ভয় দেখাতে না পারলে পেত্নী আছেনা ? শাকচুন্নী-উঁকুনখাগী পেত্নী ? তারা এখন থেকে ভয় দেখাবে যাদের চার চারটি বিয়ের ভুত মাথায় চাপে। =p~

৭| ২৪ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:৪০

বিএম বরকতউল্লাহ বলেছেন: বাহ চমৎকার লেখা।
শুভেচ্ছা নিন।

২৪ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:৫৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: বিএম বরকতউল্লাহ,




ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে।

৮| ২৪ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:৪৬

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি বাইকে চালাতে বা চড়তে ভয় পান?
এখন কি ব্যাডমিন্টন খেলেন না?
খেপুপাড়ার নামটা কি এখন কলাপাড়া হয়েছে?
মুনির সাহেব কি মদ্যপান করেন?
কলাপাড়াতে যে নদী আছে সেই নদী টার নাম কি?

২৪ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:৪৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: রাজীব নুর,



গপ্পেই লিখেছি যে, আমি ছিলুম বাইক ট্রেনার। বাইক ট্রেনারকে কি বাইক চালাতে বা চড়তে ভয় পেতে দেখেছেন কি কখনও ?

ব্যাডমিন্টন খেলার সময় কই। ব্লগমিন্টন খেলি এখন। :P

খেপুপাড়া আর কলাপাড়া একই জায়গার নাম এই জনপদের শুরু থেকেই । খেপু আর কলাই নামের দু'জন রাখাইন সম্প্রদায়ের লোক ঐ এলাকার বন-জঙ্গল কেটে বসতি স্থাপন করেছিলেন প্রথম। ওদের দু'জনার বসতি ছিলো একটি খালের দুই পাড়ে। তাই এক পাড়ের নাম হয়ে যায় "খেপুপাড়া" আর অন্য পাড়ের নাম হয় " কলাপাড়া"। সেই থেকেই দুটো নামই চলে আসছে।

আর সেখানের নদীটির নাম সম্ভবত- আন্ধারমানিক।

৯| ২৪ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:৪৮

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন: এই রহস্যের সমাধান করতে গেলে আরও রহস্যের সৃষ্টি হবে যেমন গল্পটা লিখতে গিয়ে অক্ষরগুলো রহস্যময় হয়ে গেল।

২৪ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:৫২

আহমেদ জী এস বলেছেন: মোঃ মাইদুল সরকার ,




রহস্যকে যতো প্যাঁচাবেন রহস্যের জট ততো পাকবে। দেখলেন তো, রহস্যকে প্যাঁচাতে গিয়ে অক্ষরগুলোই রহস্যময় আচরণ শুরু করে দিয়েছিলো ?


১০| ২৪ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:০৩

নুরুলইসলা০৬০৪ বলেছেন: আপনার বক্তব্য সম্পুর্ণ সত্য কিন্ত মুনির সাহেব যেহেতু একবার মিথ্যা বক্তব্য দিয়ে ফেলেছেন তাই সেই বক্তব্যেই দৃঢ় থাকতে চান।
সকল মানুষের জীবনেই এমনটা ঘটে, যখন সে সত্যবাদী থাকতে চান।

২৫ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ১০:৫৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: নুরুলইসলা০৬০৪,




আমাদের দু'জনার বক্তব্যই ঠিক যার যার প্রেক্ষাপটে। কেউই হয়তো স্বজ্ঞানে মিথ্যে বলেননি । ঘটনার অভিজ্ঞতায় ব্যাখ্যা ঠিক মতো হয়নি তাই মিথ্যে বলে মনে হতে পারে। আসলে যেটা হয়ে থাকতে পারে তার অনেকটাই পরবর্তী কিছু মন্তব্যে উঠে এসেছে। তার প্রতিমন্তব্যগুলো লেখা হলে দেখে নেবেন অনুগ্রহ করে।

ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্যে।

১১| ২৪ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:০৭

শেরজা তপন বলেছেন: কিছু রহস্য- রহস্যি থাকা ভাল, কি দরকার উন্মোচনের। না হলেতো এমন গল্প হবেনা

শেষের কি বোর্ডের কাহিনী - আপনি লেখার সময় ভয় পাচ্ছিলেন। আঙ্গুল কাঁপছিল -তাই ইধার উধার হচ্ছিল :)

২৫ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ১১:২৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: শেরজা তপন ,



কিছু রহস্য, রহস্য থাকাই ভালো।
গল্পটি তেমন ভয়ের নয় যে ভয়ে আঙ্গুল কাঁপতে পারে।
এই বুড়োকালে ভুতের ভয়ের প্রশ্নই আসেনা।

ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা।

১২| ২৪ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:১৪

কাতিআশা বলেছেন: হুমম...ঘটনা টা ভয়েরই বটে, প্যারানরমাল টাইপ!..থাক না কিছু জিনিস অজানা!

২৫ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ১১:৪৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: কাতিআশা,




হুমমমমমম... ঘটনা তেমন কোনও ভয়ের নয়। অনেকটা অলৌকিক হয়তো।

ধন্যবাদ রাতে এমন অদ্ভুতুরে গপ্পোটি পড়া জন্যে।

১৩| ২৪ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:২৪

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আহমেদ জী এস ভাই,
ঘটনাটির একটি মাত্র সমাধান ছিলো: আর তা হচ্ছে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সে সময়ে আপনার সাথে কথা বলারত লোকটি, যিনি তার স্ত্রীর অসুস্থথার জন্য সহযোগিতা চাইতে এসেছিলেন। - এখন এই রহস্য সমাধান করার আর পথ দেখছিনা।

*** আপনি মফস্বল অঞ্চলে দীর্ঘদিন সার্ভিস দিয়েছেন, এছাড়া আর কি কোনো ঘটনা আছে যা আমরা এখনো জানি না। আর কিছু কি কখনো দেখেছেন? বা এমন কিছু যদি এমন আরো ঘটনা তেকে থাকে প্লিজ গল্পাকারে লিখতে পারেন।

২৫ শে আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: ঠাকুরমাহমুদ,



উপজেলার কর্মীটির সাথে এই ঘটনার সম্পৃক্ততার কারন কিছু আছে কি ? নেই কারন আমরা দুজনেই উপজেলা কমপ্লেক্স ছেড়ে দেড় ২ কিলোমিটার দূরে। উপজেলার কর্মীটি তখন উপজেলা কমপ্লেক্স চত্বরে কিম্বা তার বাসায়।
আপনার কি মনে হয় তিনিই বাটি চালানোর মতোই "ভুত চালান" দিয়েছিলেন ? ;) :||

রহস্যের সুরাহার অনেকটা পরবর্তী মন্তব্য ও প্রতিমন্তব্যে পেয়ে যেতে পারেন। এই লেখায় চোখ রাখুন...............

না আমার ঘটে আর কোনও ঘটনা বা অঘটনা নেই।
মফস্বলে বা শহরে কাজ করতে গিয়ে অনেক ডাক্তারী অভিজ্ঞতা আছে সেটা হয়তো লেখা যায় কিন্তু তা যে আমার ক্রেডিটের কথাই বলবে ! নিজেকে অমন ক্রেডিটওয়ালা বানিয়ে লেখাতে অস্বম্তি বোধ হয়।

১৪| ২৪ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:১৯

শায়মা বলেছেন: আমিও পেত্নী সেজে ভয় দেখাতে পারি। গলা টিপে মেরেও ফেলতে পারি আবার আগুনে পুড়িয়ে, পানিতে চুবিয়েও!!! তবে পেত্নী সেজে বেশিখন থাকিবোক না। চার বিয়েওয়ালা মানুষেরা অক্কা পেলেই আবার ভালোমানুষ সেজে বসে থাকবো! :)

২৫ শে আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:২৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: শায়মা,



ভালো , শুনে বা জেনে প্রীত হলুম।
আমাদের অপ্সরা যদি পেত্নী সাজে তবে কোন পার্লারে সাজবে সেটাও যদি বলতেন তবে আমরাও না হয় উইগ, লিপিষ্টিক লাগিয়ে মেয়ে সেজে পেত্নী হতে পারতুম। :P

১৫| ২৪ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:২৮

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: আপনি যে একজন লোকের সাথে কথা বলছিলেন, এটা ম্নুনির সাহেব খেয়াল করেন নি, তিনি স্টার্ট দিয়ে আপনি পিছনে বসা আছেন মনে করেই রওনা দিয়েছিলেন। আধঘণ্টা পর বাজারের জটলার ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় জটলার আওয়াজই তার কাছে 'একটু থামেন তো' মনে হয়েছে। অথবা তিনি আদৌ কোনো আওয়াজই শোনেন নি, কিন্তু জটলার কারণে তাকে থামতে হয়, এবং থেমে দেখেন যে পেছনে আপনি নেই। এটা একটা মারাত্মক ভুল হয়েছিল তার, যেটাকে কাভার আপ করার জন্য কিছু মিথ্যার আশ্রয় নেন।

অথবা, জটলার হাওকাও তার কাছে 'থামার' একটা আওয়াজ মনে হয়, তিনি থামেনও এবং অন্যমনস্কতার কারণে খেয়াল করেন নি যে আপনি সত্যিই ঐ বাজারে হোন্ডা থেকে নেমে গেলেন কিনা।

এর বাইরে আর কোনো কিছু হওয়ার সম্ভাবনা দেখছি না আমি। তবে, ঘটনাটা খুবই চমকপ্রদ।

২৫ শে আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:৪৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই,



রহস্যের পেছনে আপনার যুক্তির প্রথম অংশটুকু যথার্থ- ম্নুনির সাহেব খেয়াল করেন নি, তিনি স্টার্ট দিয়ে আপনি পিছনে বসা আছেন মনে করেই রওনা দিয়েছিলেন।
পরবর্তী যুক্তিটুকু মিলছেনা কিন্তু।
যাই হোক আপনাদের সবার মন্তব্য থেকেই বেরিয়ে আসবে আসল রহস্যটা। আপনার মন্তব্যের প্রথম অংশটুকুর যুক্তিটাও গননায় নেয়া হলো। বাকীটুকুর জন্যে চোখ রাখুন ব্লগের এই পাতায় .................

১৬| ২৪ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:৪২

সোহানী বলেছেন: আরে এইটা কিছু হইলো। ভুয়ার সাথে আমিও যোগ দিলাম।

আসলে ও বেচারা নতুন চালক হিসেবে তার ব্রেন অর্ধেকও কাজ করছিল না। এবং আপনি এরকম জায়গা থেকে ফেরার পথে অভশ্যই বাজারে নামতেন সিগারেট কিনতে। সেই সেরকম অতি টেনশানে তার ব্রেন তাকে বাজারে থামাতে বলেছে। এবং প্রতিদিনের মতো অভ্যাসবসত তাই সে থেমেছে। সে একবার পিছনে ফিরেনি কারন তার প্রয়োজন মনে পড়েনি।

প্রবলেম সলভড। আর কিবোর্ড এর সলিউশানতো আপনি দিয়েই দিলেন। এইটা নিয়া বলার কিছু নাই....... B-))

দেখলেনতো কেমনে শার্লক হোমস হইতে হয়......

২৫ শে আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:২৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোহানী,



জী দেখলুম, শার্লিকা হোমিনিস হতে পেরেছেন সহজেই। :P
এতো সহজেই যদি রহস্য উদ্ঘাটন করা যাইতো তয় পাবলিকে কষ্ট কৈরা অপরাধ বিজ্ঞান পড়ে ক্যা?

ও বেচারা নতুন চালক, এটা ঠিক আছে। আর আমি অবশ্যই বাজার থেকে সিগারেট কিনতুম না। হেলথ কমপ্লেক্সের কাছেই চা - সিগারেটের দোকান আছে।
সে একবার পিছনে ফিরেনি কারন তার প্রয়োজন মনে পড়েনি।
এ্ই তথ্যটাও হাতের কাছে রাখলুম, কাজে লাগবে রহস্যের কুলকিনারা করতে।
যাক , ভুয়া এই পরীক্ষায় ফেল্টুস হয়েছে কিন্তু যেহেতু খাতায় কিছু লিখেছেন বলে আপনাকে পাশ করানো গেলো! ;)

১৭| ২৪ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:৫৬

সাহাদাত উদরাজী বলেছেন: :D

২৫ শে আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৩২

আহমেদ জী এস বলেছেন: সাহাদাত উদরাজী



:( :((

১৮| ২৫ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১২:১৫

রাজীব নুর বলেছেন: আপনি কি লক্ষ করেছেন বাংলাদেশের নদীর গুলোর নাম অদ্ভুত সুন্দর।
সুজলা-সুফলা-শস্য-শ্যামলা নদীমাতৃক দেশ বাংলাদেশ। মায়ের মতো স্নেহ-মমতার পরশ দিয়ে অগণিত নদ-নদী জড়িয়ে রেখেছে বাংলাদেশকে, সেসব নদীর কয়েকটি অদ্ভুত সুন্দর নাম-

১। খড়খড়িয়া
২। কুড়িআনা
৩। ঘাঘট
৪। চুনকুড়ি
৫। জিনজির
৬। টঙ্কাবতী
৭। ডাহুক
৮।

২৫ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:০১

আহমেদ জী এস বলেছেন: রাজীব নুর,



এই মন্তব্য প্রাসঙ্গিক কিনা এই রহস্য পোস্টে ?
রহস্যটাকে নদীর জলে ভাসিয়ে নিতে চান নি তো আবার ? ;)

১৯| ২৫ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১২:২২

ঢুকিচেপা বলেছেন: “ “ত” এর বদলে “থ” বা “দ””
হা হা আমার মনে হয় ভুত এখনো পিছু ছাড়েনি। তাড়াতাড়ি ফকিরের কাছে যান।

রহস্যটা না জানার জন্য আত্মাটা অতৃপ্তই রয়ে গেল।

২৫ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:০৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: ঢুকিচেপা,


ভুত পিছু ছাড়বে কি করে ? ভুত থেকেই তো বর্তমানে এসে পড়েছি ................
তা এই করোনা কালে ফকিরের কাছে যেতেই হবে ? নাম বলেন ফকিরের । :)

রহস্যটা খুব কঠিন কিছু নয় মনে হয়। চোখ রাখুন এখানে, হয়তো পেয়ে যাবেন কিছু ক্লু।

২০| ২৫ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১২:৩৫

সাজিদ উল হক আবির বলেছেন: আমেজবহুল হরর গল্প। ভালো লাগলো স্যার!

২৫ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:৪৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: সাজিদ উল হক আবির,



হরর গল্প হয়েছে কি ? হরর গল্পে তো গায়ে কাঁটা দেবে, এখানে তো তা নেই, শুধু ধাঁধায় ফেলা হয়েছে ।
শুরুতেই লিখেছি - "ব্লগে পরাবাস্তব-ভৌতিক- আধিভৌতিক লেখা যখনই দেখি তখনই আমার এই ঘটনাটা মনে পড়ে। মনে মনে ক’দিন ভেবেছি,. আমিও সেটা লিখে আপনাদের কাছে জানতে চাইবো- আসলে সেদিন ঘটেছিলো কি ।"
কাভা আমন্ত্রন জানিয়েছে বলেই সাহস করে এই রহস্য প্রচেষ্টা।

২১| ২৫ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১:২৬

সিদ্ধাচার্য লুইপা বলেছেন: একের মধ্যে দুই - ভূতারোহীর পাশাপাশি কীবোর্ডের ভূত। বেশ জমে গেলো।

২৫ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:০৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: সিদ্ধাচার্য লুইপা,




জমে তো গেলো কিন্তু সিদ্ধাচার্য যদি সিদ্ধির জোরে সে জমে যাওয়াকে তরল করে দিতো, ভালো হতোনা ?

২২| ২৫ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১:৫৩

মুক্তা নীল বলেছেন:
ভাই ,
আপনার এই ঘটনাটা আমার দেখা আজ থেকে ১৭/১৮ বছর আগে এক সদ্য প্রেমে পড়া এক যুগলবন্দী অনেকটা এরকম ঘটেছিল। প্রেমিক তার মনের আনন্দে সিডিআই হান্ড্রেড রেড কালারের হোন্ডা চালাচ্ছিলো কিন্তু হঠাৎ কখনযে প্রেমিকাক
হোন্ডা থেকে পড়ে যায় প্রেমিক সেটা খেয়ালও করেনি। প্রায়
এক কিলো যাওয়ার পরে খেয়াল হয় পিছনের মানুষটা নেই। আসলেপ্রেমিক এতটাই ফিলিংসে ছিলো ,কখন যে তার
প্রেমিকা হোন্ডা থেকে পড়ে যায় সেটা সে বুঝতেই পারেনি।
কারণ এটা হয়েছে তার অতিরিক্ত ভালোবাসার
কারণে।প্রেমিক বলছিল তুমি আমার পিঠে এমনভাবে জড়িয়ে
ধরে বসেছিলে মনে হয়েছিল আমি আর দুনিয়াতে নেই কোন
এক স্বর্গরাজ্যে আছি। আর প্রেমিকা অভিযোগ করেছিল,
তোমার সাথে জোর করে ঘুরতে বের হয়েছি তাই তুমি ইচ্ছে
করে ফেলে্দিছো আমাকে । আসল কথা হচ্ছে,
এই দুই যুগোল এর মাথায় অতিরিক্ত আনন্দের ভূত চেপে
বসেছিল ।
ঠিক আমারও তেমনি মনে হচ্ছে আপনাকে মনির ভাই অত্যন্ত শ্রদ্ধা ও ভালোবাসতেন ‌। তাই উনি হয়তো খেয়ালই করেননি
কারো অসুস্থতায় আপনি চিকিৎসা দিচ্ছিলেন। মনির ভাই ভেবেছেন উনি হোন্ডা চালাবেন পিছনে আপনি বসবেন এর চেয়ে আনন্দের আর কি হতে পারে ..…

২৫ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:৪৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: মুক্তা নীল,




নিজের অভিজ্ঞতা থেকে যা বললেন সেই সূত্র ধরে আমার রহস্যের অনেকখানিই সুরাহা হবে বলে বিশ্বাস করি।

আপনার মন্তব্যের জবাবে এখানেই খানিকটা সুরাহা করার চেষ্টা করছি ---
১ ) মুনির সাহেব নিশ্চিত ছিলেন যে, আমি আমি হোন্ডার পিছনের সীটে বসা কারন আমি তো বসেই ছিলুম।
২) আপনার প্রেমিক যুগলের মতো মুনির সাহেবেরও মনে হয়েছিল ট্রেনার ও বড় ভাইকে চালিয়ে নিয়ে যাচ্ছি, এর চেয়ে বড় পাওনা আর কি আছে?
৩) বড় রাস্তায় একজন নতুন বাইকারের যেমন চালানো ছাড়া বা সামনের দিকে সতর্কতার সাথে নজর রাখা ছাড়া আর কিছুর খেয়াল থাকেনা , তেমনি মুনির সাহেবেরও বাইক চালানো ছাড়া মাথায় আর কিছুই ছিলোনা। আমি যে সীট থেকে উঠে দাঁড়িয়েছি এবং সীট থেকে ওঠায় বাইকটি হাল্কা হয়ে গেছে এই পরিবর্তনটুকু তার খেয়াল করার কথা নয় তার অনভিজ্ঞতার কারনে।
৪) এর পরে মুনির সাহেব বাইক চালানোতেই মনযোগী ছিলেন আশেপাশের কিছুই তার খেয়ালে ছিলোনা, সে কারনেই আমার অনুপস্থিতি তিনি অনুভব করেন নি যা স্বাভাবিক আপনার দেখা অভিজ্ঞতার মতো।

আমার কাহিনীর এটুকু পর্যন্তর রহস্যটা এটাই। কিন্তু প্রশ্ন হলো উনি থামলেন কেন ? সেটার ব্যাখ্যা এমন হতে পারে ---
১) লোকজনবিহীন অনেকটা রাস্তা চালিয়ে এসে বাজারে লোকজনের উপস্থিতিতে তিনি আত্মস্থ হয়ে পড়েন। সতর্ক হন এবং আমার অনুপস্থিতি উপলব্ধি করেন।
২) আমার অনুপস্থিতিতে মুনির সাহেব ধরেই নিয়েছেন আমি এইখানেই নেমে গিয়েছি। নইলে আমার তো কোথাও যাবার কথা নয়। তাই তিনি স্বাভাবিক প্রতিক্রিয়াতেই (রিফ্লেক্স এ্যাকশান ঘটিত) বাইকটি থামিয়েছেন।

তাহলে প্রশ্ন - আমার কাছে উনি কেন বললেন, আমি থামাতে বলেছি ? এর ব্যাখ্যা এমন হতে পারে--
১) বাজারের লোকজন দেখে উনি বাইক চালানোর ঘোর থেকে বাস্তবে ফিরে আসাতে এবং আমাকে দেখতে না পেয়ে ধরেই নিয়েছেন আমি কিছু না কিছু বলে নেমে গিয়েছি। সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই এমনটাই ইঙ্গিত দিয়েছেন তার মন্তব্যে।
২) আবার এটাও হতে পারে, বাইক চালানোর ঘোর থেকে ঝট করে বাস্তবে আসাতে খুব অল্প সময়ের জন্যে মুনির সাহেবের হ্যালুসিনেশান ( অবচেতন থেকে চেতনের ট্রাঞ্জিশনাল পয়েন্টে এমনটা ঘটতে পারে) হয়েছিলো এবং উনি আমার থামতে বলা শুনেছেন, এমনটা দৃঢ়তার সাথেই ধরে নিয়েছেন। এবং বারবারই সেই কথাই রিপিট করেছেন।

এবারে মনে হয় রহস্যের অনেকখানিই সুরাহা হয়েছে ?
বাকী রয়েছে ঘটনা পরবর্তীতে আমাদের দু'জনার কেউ কাউকে বোঝাতে না পারা সেই রহস্য।
মুনিরের ঐ একই কথা - আমি নাকি তার সাথে আগামাথা ইয়ার্কি করেছি সেই দিনটাতে। সত্যটা না বলে এখনও সেই ইয়ার্কিই নাকি করছি।
আর আমিও ভাবছি, মুনির এখনও ইয়ার্কি ছাড়তে পারলোনা!

মুনির সাহেব ঠিক আছেন কারন , উপরের সব বিশ্লেষণ থেকে তার এটা বোঝাই স্বাভাবিক।
আর আমার বেলায়- আমি এটা ভাবতেই পারছিনা একটা লোক পিছনে বসা নেই সে রকম কোনও খেয়াল তার একবারও হলোনা কেন ? এটা মনে হবার কারন, বাইক যারা চালায় তারা বোঝে, পিছনে কেউ বসে থাকলে অবস্থাটি কেমন আর কেউ না থাকলে কেমন। তার উপরে আমার মতো বাচাল লোক অনেকটা পথ কথা না বলেই চুপচাপ বসে থেকেছে এটাও মুনিরের কাছে অস্বাভাবিক লাগেনি কেন ? বলতেই তো পারতো - " ওস্তাদ চুপ কইরা বইস্যা রইছেন ক্যা ? ক্যামন চালাইতেছি কইলেন না তো ?"
তাই সন্দেহপ্রবনতা আমাকে ধরে রেখেছে এবং আমি ভাবছি যে, মুনির আমার সাথে ইয়ার্কি করছে।

আশা করি আপনি এবং এই পোস্টের আমার সব পাঠকেরা রহস্যটি অনুমান করতে পারছেন।

২৩| ২৫ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ২:২৯

নেওয়াজ আলি বলেছেন: সুন্দর লেখা দারুণ

২৬ শে আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৪৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: নেওয়াজ আলি,



ধন্যবাদ ।

২৪| ২৫ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ৮:২৮

আনমোনা বলেছেন: পিয়ন জয়নালের কি খবর? তারও হাত থকতে পারে।

২৬ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:০০

আহমেদ জী এস বলেছেন: আনমোনা ,



পারে তো অনেক কিছুই হতে। তেনাদেরও হাত থাকতে পারে! ;)
কার হাত কতোখানি আছে তা ২২ নম্বর প্রতিমন্তব্যে দেখে নিতে পারেন।

২৫| ২৫ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ৯:৫৭

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: সত্যিই রহস্যময়!

এত দীর্ঘপথ একাই চালিয়ে এলো!! টের পেলোনা আপনি পিছনে নেই!! আবার বাজারে আপনার কথাতেই থেমেও রইল!
আপনিও দীর্ঘপথ হেটেই এলেন!

জুনাপুর প্রশ্ন আমাদের অনেকেরই প্রশ্ন!
জ্যন্ত মডু ভূত হয়ে যায় উত্তর চাইলে ;) হা হা হা

২৭ শে আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: বিদ্রোহী ভৃগু,




যা হতে পারে তা ২২ নম্বর প্রতিমন্তব্যে বলেছি।
সেখানে আপনার কোনও সংযোজন থাকলে বলতে পারেন।
তবে ভুত বলে কথা, সাবধান!!!!!!!!

২৬| ২৫ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ১০:৩৮

দেশ প্রেমিক বাঙালী বলেছেন: চমৎকার অভিজ্ঞতা ও সাবলীল বর্ণনা। ভালো লেগেছে।

২৭ শে আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: দেশ প্রেমিক বাঙালী,




শুধু কি চমৎকার, রহস্যময় অভিজ্ঞতাও !!!!!
ধন্যবাদান্তে।


২৭| ২৫ শে আগস্ট, ২০২০ দুপুর ১২:১৭

জাহিদ অনিক বলেছেন: ১৫ নম্বর মন্তব্যকারী, সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই ভাইয়ার সাথে আমি একমত। এমন একটা কিছুই হয়েছিল বোধয়।
আপনার চালক সাহেব বাইক চালানো নিয়ে এতটাই মনে মনে ব্যস্ত ছিলেন যে, হয়ত তিনি খেয়ালই করেন নাই যে আপনি নেই পিছনে। সে আসলেই ঘোষ্ট রাইডার ছিলেন।

অনেকদিন পর একটা রসহ্য গল্প পড়লাম। ভৌতিক/রহস্য আমাকে খুব একটা টানে না। আপনার লেখা দেখে সাহস করছিলাম। এবং ভালো লেগেছে আপনার লেখাটা শ্রদ্ধেয়।

২৭ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:৩৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: জাহিদ অনিক,



এই অবেলায় আপনাকে দেখে ভালো লাগলো।
সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাইএর বক্তব্যের অনেকটাই, রহস্য ব্যাখ্যায় ২২ নম্বর প্রতিমন্তব্যে বলেছি।

সাহস করে ভালো করেছেন । ভুতে আর ভয় পাবেন না।

২৮| ২৫ শে আগস্ট, ২০২০ দুপুর ২:৩৮

পদ্ম পুকুর বলেছেন: গল্পের প্রতিটা লাইনেই পুংটামি লাফাইতাছে :-B আপ্নে পারেনও! মন্তব্যে ব্যাবাকতে এইডা আপ্নের নিজের কাহিনী ভাব্তাসে!!
আইচ্ছা ৫০ সিসির এই হোন্ডা সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আইলো ক্যাম্নে? এইগুলানতো ব্যারাক এর মহিলা কর্মীরা চালাইতো দেখছি...

মাদাম জুনের তোলা সওয়ালের জওয়াবটা বিলকুল জরুরী। লিখলে টাকা পাওন যায়, কা_ভার ওই বিষয়ক ওই পোস্টটা অনেক পরে আইসা দেইখ্যা 'কি মিস করলাম' টাইপ অনুভুতিতে ব্যাপক দুঃখ পাইছিলাম। যদিও অনেক পরে বুঝতে পার্ছিলাম যে ওইডা একখান ভৌতিক গল্প আছিলো।.....

আপনার ব্লগমিন্টন খেলাও ভালোই লাগলো।

স্যার,
সাম্প্রতিক সময়ে আপনার সাথে বিভিন্ন মন্তব্যে মিথস্ক্রিয়াসহ আপনার প্রসঙ্গে ব্লগার সোনাবীজ....... এর লেখা পড়ে আপনার লেখার যে পরিপাটি ভাব তৈরী হয়েছিলো, এ লেখাটি সে গণ্ডীর একদমই তার বাইরে। বেশ মজা করে লিখেছেন। দুপুর বেলার ফকফকা আলোর মধ্যে লেখাটা পড়ছি, তার উপরে সামনে পেছনে ডানে বামে চার পাঁচজন বসে আছে, তাই একটুও ভয় পাচ্ছি না। =p~ বরং পড়তে মজাই লাগছে।

২৭ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:০৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: পদ্ম পুকুর,



"গল্পের প্রতিটা লাইনেই পুংটামি লাফাইতাছে" ।
ঠিক কৈ-মাছের মতো ? ;)

ব্যাবাকতের এইডা ভাবার কি আছে যে , এইডা আমার কাহিনী ? এইডা যে আমার নিজের কাহিনী হে কতা তো পেরথমেই বয়ান করছি। ভুতে দেহি তো এহোন আপনারেই ধরছে। :|

হোন্ডা ফিফটি হয়তো এখন ব্রাকের মেয়েরা চালায় কিন্তু সেই ৮৩ সালে একটা মটর বাইক ছিলো ষ্ট্যাটাস সিম্বল। আর তখন মনে হয় একমাত্র হোন্ডাই ছিলো বাজারে।

স্বাস্থ্যকেন্দ্রে আইলো ক্যাম্নে?
ভুতে আমারে চক্কর খাওয়াইবে বইল্লাই স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রাইখ্যা গেছে। :P
আসলে ওটা ছিলো ফ্যামিলি প্লানিংয়ের। এবং যেহেতু ঐ সময় ফ্যামিলি প্লানিং বিভাগ ছিলো হেলথ এর আন্ডারে তাই ওটা হেলথ কমপ্লেক্সেরই সম্পত্তি ছিলো । ক্লিয়ার ?

আমার লেখার যে পরিপাটি ভাব তৈরী হয়েছিলো আপনার মনে তা আর এখন নেই, এইতো ? :(( এখনতো আরও থাকবেনা, এমন কৈ-মাছের মতো লাফানো পোংটামী প্রতিমন্তব্যে। আপনার ধারনাকৃত গন্ডীর বাইরে আমার কিন্তু অনেক লেখা আছে।
আসলে সব মানুষের মধ্যেই মনে হয় একটা ছটফটে মন বাস করে। আপনিও হয়তো এর বাইরে নন।
ব্লগ তো কোয়ালিটি রি-ফুয়েলিংয়ের জায়গা তাই যেখানে যেমন, সেখানে তেমন করেই নেচে যাই। পরিপাটি , অপরিপাটি সবটাতেই।

উইটি এই মন্তব্যে আগেই লাইক বাটনে চাপ দিয়ে রেখেছি।

২৯| ২৫ শে আগস্ট, ২০২০ দুপুর ২:৩৯

পদ্ম পুকুর বলেছেন: আরেক্টা কতা, বেশি সিগ্রেট খাইয়েন না, ধুমপান কজেজ ভুতে ধরা...

২৭ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:০৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: পদ্ম পুকুর,




ধুমপান কজেজ ভুতে ধরা ?
তাই মনে হয় ভুতে ধরেছিলো আমাক আর মুনির সাহেবকে!!!!!!! :-0

৩০| ২৫ শে আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৫:৩৭

ঢাবিয়ান বলেছেন: বাংলাদেশের গ্রাম গঞ্জে ভুতের সাক্ষাৎ পায় নাই এমন মানুষ পাওয়া মুশকিল। বিদ্যূৎ গেলে দেখা যাব সবই বড় নিরামিশ। ভুত ফুত কিচ্ছু নাই। =p~ লেখা বরাবরের মত ভাল হয়েছে।

২৭ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:৪০

আহমেদ জী এস বলেছেন: ঢাবিয়ান,



ঠিক বলেছেন - "বাংলাদেশের গ্রাম গঞ্জে ভুতের সাক্ষাৎ পায় নাই এমন মানুষ পাওয়া মুশকিল।"
আপাত ব্যাখ্যাহীন কোনও ঘটনাকে তারা ভুতের গল্প বলেই চালিয়ে দিয়ে স্বস্তি পায়। এবং সেখান থেকেই আরও ঘটনার ডালপালা গজায়।

বরাবরের মতো সাথে থাকা ও লেখাটাকে "ভালো" বলার জন্যে ধন্যবাদ।

৩১| ২৫ শে আগস্ট, ২০২০ বিকাল ৫:৫৫

আখেনাটেন বলেছেন: বিরাট রহস্য। গন্ডগোলটা কুথায় ঠিক ঠাওর করতাছি না। :D


সবাই দেখি ভূতের গল্প লেখা শুরু করেছে।

২৮ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:৩৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: আখেনাটেন,



বিরাট রহস্যের উন্মোচনের দিক নির্দেশনা দেয়া হয়েছে ২২ নম্বর প্রতিমন্তব্যে। মিলিয়ে নিন।

সবাই দেখি ভূতের গল্প লেখা শুরু করেছে।
এটা একদিক থেকে ভালো, বিতর্কিত কিছু লেখালিখি এতে চাপা পড়েছে। আর কাভা বলেছে ভালো ভুতের গপ্পো লিখনেওয়ালাকে নাকি ফুচকা খাওয়াবে। :| :)
তাই ফুচকার লোল ঝড়ানো লোভে.............

৩২| ২৫ শে আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৬:০৫

মা.হাসান বলেছেন: ভোর ২-৩ টার দিকে লগ ইন না করে পড়ছিলাম- উদ্যেশ্য ভয় পাওয়া। বয়সের সাথে অশরীরির উপর ভয় কমছে, মানুষের উপর ভয় বাড়ছে। আপনার গল্পের অশরীরি আত্মা খুব নিরীহ, একটু রগড় করে গেলো, ক্ষতি করার আগ্রহ ছিলো বলে মনে হয় না।

সবাই ভুতের গল্পে ব্যাখ্যা খুঁজতে চায়। সব কিছুর ব্যাখ্যা আছে কি? সাগরের ঈল মাছের উপর একটা পোস্ট দিয়েছিলেন। ওখানে সম্ভবত এরকম কিছু তথ্য ছিলো যাতে মনে হয়েছিলো --ওদের ডিম পাড়ার বিষয়ে কিছু রহস্য আছে যার ব্যখ্যা আমার এখনো জানি না।

যা হোক আমিও একটা না, তিনটা ব্যাখ্যা দিলাম। আপনি মিথ্যে বলেছেন, অথবা আপনার সহকর্মিটি মিথ্যে বলেছেন অথবা তেনারা কেউ মজা করেছেন। আমার কাছে তৃতীয়টাই পছন্দ। যার যা খুশী ভাবুক, কি আসে যায়।

বর্ননা এমন ভিভিড ছিলো যে মনে হচ্ছিলো তিন যুগ আগের ঘটনা আমার চোখের সামনে ঘটছে। লেখায় +++

২৮ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:৫৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: মা.হাসান,




......লগ ইন না করে পড়ছিলাম- উদ্যেশ্য ভয় পাওয়া।
তাহলে বলতে চাচ্ছেন, ভয় পেতে না চাইলে " লগ-ইন" হতেন ? :||

আপনার ব্যাখ্যাগুলো মিলিয়ে নিতে পারেন ২২ নম্বর প্রতিমন্তব্যের সাথে। না মিললে বুঝতে হবে তেনারা কেউ মজা করেছেন।

৩৩| ২৬ শে আগস্ট, ২০২০ সকাল ৮:৪২

নিঃশব্দ অভিযাত্রী বলেছেন: মুক্তা নীল বলেছেন:
ভাই , আপনার এই ঘটনাটা আমার দেখা আজ থেকে ১৭/১৮ বছর আগে এক সদ্য প্রেমে পড়া এক যুগলবন্দী অনেকটা এরকম ঘটেছিল। প্রেমিক তার মনের আনন্দে সিডিআই হান্ড্রেড রেড কালারের হোন্ডা চালাচ্ছিলো কিন্তু হঠাৎ কখনযে প্রেমিকাক
হোন্ডা থেকে পড়ে যায় প্রেমিক সেটা খেয়ালও করেনি। প্রায় এক কিলো যাওয়ার পরে খেয়াল হয় পিছনের মানুষটা নেই। আসলেপ্রেমিক এতটাই ফিলিংসে ছিলো ,কখন যে তার প্রেমিকা হোন্ডা থেকে পড়ে যায় সেটা সে বুঝতেই পারেনি।
কারণ এটা হয়েছে তার অতিরিক্ত ভালোবাসার কারণে।প্রেমিক বলছিল তুমি আমার পিঠে এমনভাবে জড়িয়ে ধরে বসেছিলে মনে হয়েছিল আমি আর দুনিয়াতে নেই কোন এক স্বর্গরাজ্যে আছি। আর প্রেমিকা অভিযোগ করেছিল, তোমার সাথে জোর করে ঘুরতে বের হয়েছি তাই তুমি ইচ্ছে করে ফেলে্দিছো আমাকে । আসল কথা হচ্ছে, এই দুই যুগোল এর মাথায় অতিরিক্ত আনন্দের ভূত চেপে বসেছিল ।
- এটা তো আপনার কাহিনীর চেয়েও রহস্যময় :P

ভুয়া মফিজ বলেছেন: ঘটনাটা অত্যন্ত সহজ। আপনের বডি থাইকা গেছিল, আত্মা মুনির সাহেবের পিছনে বইসা রইছিল। বিড়িখোর বডির আত্মাও বিড়িখোরই হয়। সেই আত্মা বাজারে গেছিল বিড়ি কিনতে। মুনির সাহেব নতুন ড্রাইভার। চালানোর টেনশানে পিছনে বডি, নাকি আত্মা ঠাওর করতে পারে নাইক্কা!! :)কি বোর্ডের রহস্যটা মনে হয়, মনের অজান্তে ''ক্যাপস লক'' কি'তে চাপ পরার ফল! আমি যা বলতে এসেছিলাম উনি সেটা আগেই বলে দিয়েছেন।
লেখা ভালো লেগেছে।

২৮ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:০৬

আহমেদ জী এস বলেছেন: নিঃশব্দ অভিযাত্রী,




মুক্তা নীল এর কাহিনীটা আমার রহস্যটার চেয়েও বেশী রোমাঞ্চকর।

আর ভুয়া মফিজের কথা মেনে নিলে বলতেই হয়, এক নিঃশব্দ অভিযাত্রী সওয়ার হয়েছিল মুনির সাহেবের পেছনে। B-)
সেই নিঃশব্দ অভিযাত্রী মুনির সাহেবের ঘাড় যে মটকায়নি , সেটা মুনির সাহেবের ভাগ্য!

৩৪| ২৬ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:৪৯

করুণাধারা বলেছেন: অপেক্ষায় ছিলাম ধাঁধার উত্তর আপনার থেকে কী আসে তা দেখার জন্য। ২২ নম্বর প্রতিমন্তব্যে আপনার উত্তর পাওয়া গেল।

আমার অবশ্য মনে হয় মুনির সাহেব প্র্যাকটিকাল জোক করতে চেয়েছিলেন। কিন্তূ আপনাকে বেশি কষ্ট দিতে চাননি, তাই মাঝপথে থেমে অপেক্ষা করছিলেন। তবে শীতের রাতে এমন জোক হয়ত আপনার বিরক্তি উদ্রেক করবে, তাই পিছনে বসা- থামতে বলার গল্পের উদ্ভাবন। পরবর্তীতে বারবার একই কথা বললেন কেন সেটার অবশ্য সদুত্তর পাচ্ছি না...

তবে গল্প চমৎকার হয়েছে, এ জীবনে খেপুপাড়া যাবার কোন সম্ভাবনা নেই, তাই আপনার গল্পের মাধ্যমে খেপুপাড়া ভ্রমণ করতে পেরে খুব ভালো লাগলো!

৩১ শে আগস্ট, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫০

আহমেদ জী এস বলেছেন: করুণাধারা,




দেরীতে প্রতিমন্তব্য দিতে হলো বলে, দুঃখিত।
আপনি যেমনটা মনে করছেন তেমনটা না কিন্তু।
২২ নম্বর প্রতিমন্তব্যে রহস্যের গিট্টু খোলার হাতিয়ার দেয়া হয়েছে। ওখান থেকে হয়তো রহস্যের মূল রহস্যটা জানা যাবে।
নতুন বাইকার, রাত অনেক, গ্রামের রাস্তা সব মিলিয়ে মুনির সাহেবের একটা অপার্থিব ভাব এসে গিয়েছিলো মনে হয় । আর তার থেকেই পিছনে কেউ আছে কি নেই খেয়ালেই ছিলোনা । পরে হুশ হতে থেমেছেন। এবং ভেবেছেন আমি যখন পেছনে নেই তখন নিশ্চয়ই বাজারে নেমে গেছি। এবং এটা ভাবাই স্বাভাবিক। আর আমি থামতে বলেছি, এটা হয়তো তার নিছক অনুমান বা হ্যালুসিনেশান।

আপনি কি খেপুপাড়া গেছেন কখনও ? মন্তব্যে মনে হলো একসময় খেপুপাড়াকে আপনি চিনতেন তাই আক্ষেপ করেছেন।
শুভেচ্ছান্তে।

৩৫| ২৬ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১১:১৯

ঠাকুরমাহমুদ বলেছেন:




আহমেদ জী এস ভাই,
আপনি রয়ে গেছেন আর মটর সাইকেল সহ আপনার বন্ধু চলে গেছেন এর একমাত্র সাক্ষী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে আপনার সাথে দাড়ানো সেই ব্যক্তি যিনি আপনার কাছে ঔষধ পথ্য জানতে এসেছিলেন তার অসুস্থ স্ত্রীর জন্য। - আপনারর বন্ধু সেই ব্যক্তির সাথে কথা বললে জানতে পারতেন “তিনি বাইক নিয়ে হাওয়া হয়ে গেছেন কিন্তু আপনি আপনার জায়গায় ছিলেন এবং একজনের সাথে কথা বলছিলেন” আমি কি বুঝাতে পেরেছি?

এই সমস্যার গোজামিল সমাধান হতে পারে, তবে আমার কাছে এর সমাধান নেই। আর একটি সমাধান আছে তাতে আপনি আস্থা করতে পারছেন না, আমি কিভাবে আস্থা করবো? আর তা হচ্ছে আপনার বন্ধু কি বলেন?

*** কিছু মানুষ আছেন যারা আজীবন মজা করেন, আপনার বন্ধু হতে পারে এখনো মজা করছেন। অথবা ঘটনা সত্যি হলেও হতে পারে তবে সেই সত্যির পেছনে কি তা কখনো জানা সম্ভব না।


৩১ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৯:১৪

আহমেদ জী এস বলেছেন: ঠাকুরমাহমুদ,




আগেই দুঃখ প্রকাশ করছি দেরীতে প্রতিমন্তব্য দিতে হলো বলে।

বাহ... মন্তব্যে আপনিও তো আদিভৌতিক একটি অনুগল্প বলে গেলেন।

২২ নম্বর প্রতিমন্তব্যে রহস্যের গিট্টু খোলার হাতিয়ার দেয়া হয়েছে। ওখান থেকে হয়তো রহস্যের মূল রহস্যটা জানা যাবে।
তারপরেও বলি -
নতুন বাইকার, রাত অনেক, গ্রামের রাস্তা সব মিলিয়ে মুনির সাহেবের একটা অপার্থিব ভাব এসে গিয়েছিলো মনে হয় । আর তার থেকেই পিছনে কেউ আছে কি নেই খেয়ালেই ছিলোনা । পরে হুশ হতে থেমেছেন। এবং ভেবেছেন আমি যখন পেছনে নেই তখন নিশ্চয়ই বাজারে নেমে গেছি। এবং এটা ভাবাই স্বাভাবিক। আর আমি থামতে বলেছি, এটা হয়তো তার নিছক অনুমান বা হ্যালুসিনেশান। আবার আপনার কথা মতো, আমার বন্ধু আমার সাথে পরবর্তীতে মজাই করে গেছেন, এমনটাও হতে পারে।

৩৬| ২৭ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ৮:২৯

সোহানাজোহা বলেছেন: পুরো গল্প দু দুবার পড়েছি কিন্তু সমাধান করতে পারছিনা।
মনের আনন্দে হেটে যাওয়া এক আর বিরক্ত হয়ে পথে হাটা সত্যি সত্যি কষ্টকর। আপনি বিরক্ত হয়ে রাতের পথ হেটেছেন এটির জন্য আপনার বন্ধুকে আপনি স্পেশাল নাট বল্টু টাইট দিতে পারতেন। (মজা করেছি) গল্প খুব ভালো হয়েছে।

৩১ শে আগস্ট, ২০২০ রাত ১০:০৭

আহমেদ জী এস বলেছেন: সোহানাজোহা,




প্রতিমন্তব্য দেরীতে হলো বলে, দুঃখিত।

২২ নম্বর প্রতিমন্তব্যে রহস্যের গিট্টু খোলার হাতিয়ার দেয়া হয়েছে। ওখান থেকে হয়তো রহস্যের মূল রহস্যটা জানা যাবে।
অনুগ্রহ করে দেখে নেবেন।
গল্পটিকে ভালো বলার জন্যে ধন্যবাদ ।

শুভেচ্ছান্তে ।

৩৭| ০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:০১

আর্কিওপটেরিক্স বলেছেন: বিশাল রহস্য :D

০৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:১২

আহমেদ জী এস বলেছেন: আর্কিওপটেরিক্স,




শুধু বিশাল-ই নয় সুবিশাল রহস্য :#)

৩৮| ০৪ ঠা সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১২:০৬

আমি তুমি আমরা বলেছেন: ১৫ নং মন্তব্যে ব্লগার সোনাবীজ অথবা ধূলোবালিছাই এই ব্যাখ্যাটাই গ্রহণযোগ্য মনে হচ্ছে।মনির সাহেবের হ্যালুসিনেশন হয়েছে বলেই মনে হচ্ছে।

সেই উপজেলা কর্মচারীটিকে আপনারা পরবর্তীতে কোন প্রশ্ন করেন নি?

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৩২

আহমেদ জী এস বলেছেন: আমি তুমি আমরা,




"সোনাবীজ অথবা ধূলোবালিছাই" এর ব্যাখ্যাটার সাথে আরো অনেক ব্যাখ্যা সহ রহস্যটার সুরাহার অনেকটাই করা আছে ২২ নম্বর প্রতিমন্তব্যে। হয়তো ওগুলোও গ্রহনযোগ্য হতে পারে আপনার কাছে। অনুগ্রহ করে দেখে নেবেন।

ঘটনা যেটা ঘটেছে তাতে সেই উপজেলা কর্মচারীটিকে প্রশ্ন করার কোনও যৌক্তিকতা ছিলো কি ?

৩৯| ০৬ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:১২

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:

অন্য একটি পোষ্টে লিংক পেয়ে গল্পটি দেখে গেলাম।
ভাল লিখেছেন । রহস্যের জটটি খুলে নতুন পোষ্ট দিন।
হেলোসিয়েশন বা দৃষ্টিভ্রম যা কিছুই বলেন ভৌতিক
কান্ড কিন্তু আছেই।এদের সন্ধান আমি পেয়েছি বহুবার।

শুভেচ্ছা রইল

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৪০

আহমেদ জী এস বলেছেন: ডঃ এম এ আলী,




লিংক পেয়ে রহস্যের জটাজাল দেখতে এসেছেন দেখে ভালো লাগলো। স্বস্তি পেলুম আপনাকে বহাল তবিয়তে দেখে।

ভুতের সন্ধান আমার কাছে আর নেই বলে নতুন পোস্ট দিতে হলে অন্য বিষয় খুঁজে নিতে হবে। তবে আপনার কাছে সন্ধান আছে বলেই আপনিই দিন না কেন তেমন কিছু!!!!!

৪০| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৫৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
হ্যাঁ ভুতের কাহিনী নিয়ে পোষ্ট দিবইতো দিন কয়েকের মধ্য।
দয়া করে দেখে যাবেন ।

শুভেচ্ছা রইল

০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:০৩

আহমেদ জী এস বলেছেন: ডঃ এম এ আলী,




নিশ্চয়ই দেখবো। আপনি লেখা দেবেন আর আমরা তা দেখবোনা, তা কি হয় ?

আপনার পরশপাথর পোস্টে মন্তব্য করে এসেছি ব্লগ খুলেই।

৪১| ০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২৮

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:

আমি সেটা দেখেছি ।
একটু ব্যস্ত ছিলাম।
আগের মন্তব্যগুলির
উত্তর দেয়া হয়নি বলে
জবাব তখন দিতে পারিনি।

৪২| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:০৩

মনিরা সুলতানা বলেছেন: অনেকক্ষণ থেকে মন দিয়ে পড়লাম !! ইংরেজিতে ভূত মানে ঘোস্ট লেখা থাকার পর ও গায়ে কাঁটা নাই :( তা এই রাত্রে খেজুর কাঁটা কোথায় পাবো ? এ জন্য কাটা চামচ এ ট্রাই করলাম।
উফফ এক্কেবারে গায়ে কাঁটা ।

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:২৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: মনিরা সুলতানা,





এ্যাদ্দিন পরে? তা ঘোষ্ট কবে গেছে রোষ্ট হয়ে, এখন তার গন্ধটুকুও পাবার কথা নয়! ;)
কাঁটা চামচ কেন ? চুলের কাটায় কাজ চলতো না ? কাঁটা চামচ খুঁজতে রান্নাঘরে যেতে হতোনা, মাথার চুলে হাত দিলেই কাঁটার ল্যাঠা চুকে যেত.... :P

৪৩| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৫৮

মনিরা সুলতানা বলেছেন: এই যাহ !!
রোস্ট বলেই না আজ নেই তাতে ঝাজ
আমি তো ভাবলাম একি তবে বন্ধু রাষ্ট্র থেকে
আমদানী কৃত পচাঁ পেয়াজ B:-)

চুলের কাঁটা সেই কবেই হয়েছে এ সংসারে ব্যান
শত হলেও সকলের ই আছে নিজের চোখের প্রতি টান :P

২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:২৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: মনিরা সুলতানা,




বেশ খানিকটা রাজনীতি করে গেলেন । ব্রাভো!
এমন বন্ধু হলে তার আর শত্রুর দরকার নেই! :(

চুলের কাঁটা না হয় সংসারে ব্যান হয়েছে কিন্তু চুলতো আর ব্যান হয়নি। করোনায় পার্লারে না যেতে পেরে চুল তো এখন ঝাঁটার মতো কাঁটা হয়ে বাড় বাড়ন্ত হয়েছে , তাইনা ? তাতে কি ঢাকা পড়েছে চোখ ? সে জন্যেই কি নিজের চোখের প্রতি টান ? :#)

দারুন কবিতা মন্তব্য হয়েছে । লাইকড ........................

৪৪| ২১ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১১:৩৯

খায়রুল আহসান বলেছেন: ভৌতিক ঘটনার সরস, সাবলীল বর্ণনা, ভাল লাগলো। তবে রহস্যটা উন্মোচিত হলে হয়তো আরো ভাল লাগতো।
শিরোনাম ও ছবি গল্পের সাথে যথোপযুক্ত।
যদিও অপ্রাসঙ্গিক, তবুও ১৮ নং মন্তব্যে রাজীব নুর যে সাতটি সুন্দর নামের নদীর তালিকা দিয়েছেন, তার সাথে আমার এলাকার তিনটে নদীর সুন্দর নাম যোগ করে দিতে চাই, জাস্ট নামগুলো আমার কাছে খুব সুন্দর মনে হয়েছে বলেঃ
৮। ধরলা
৯। দুধকুমার
১০। স্বর্ণামতি

মন্তব্যের আকারে আসা মুক্তা নীল এর আধাভৌতিক গল্পটিও বেশ ইন্টারেস্টিং! আর তার মন্তব্যের সূত্র ধরে আপনার প্রতিমন্তব্যের প্রতিটি পয়েন্টই যৌক্তিক।
পোস্টে ভাল লাগা + +

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:১২

আহমেদ জী এস বলেছেন: খায়রুল আহসান,



লেখাটাকে কি ভৌতিক বলা যাবে ? অলৌকিক বললে মানাতো ভালো।
রহস্যটার উন্মোচন তো অনেকটাই করে দিয়েছি ২২ নম্বর প্রতি মন্তব্যে, সেটা তো দেখেছেনই শুধু একটা গিট্টু খোলা গেলোনা।

নদীর নামগুলো সুন্দর আপনার এলাকার । "দুধকুমার" নামটি নতুন শুনলুম। আসলে এদেশের প্রচুর নদীর নামই কবিতার মতো দোল খাওয়া। যারা এই সব রুচিকর নাম দিয়েছেন আজকে তাদের উত্তরসূরীদের অরুচিকর সব কর্মকান্ড দেখলে দুঃখই হয় শুধু!

মন্তব্যের জন্যে অশেষ ধন্যবাদ।

৪৫| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ১০:৫২

উম্মে সায়মা বলেছেন: ওরে বাবা। বিশাল রহস্যময় ব্যাপার আহমেদ জী এস ভাই। ছাই ভাইয়ের কথায় যুক্তি আছে৷ হলেও হতে পারে এমন।
এখন মিসির আলিকে খুব দরকার ছিল।
ভালো লেগেছে ভুতের কেচ্ছা পড়ে। ধন্যবাদ

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:১৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: উম্মে সায়মা,



ভুত দেখলেন কই যে ভালো লাগার কথা বললেন? :(
যা পড়লেন তা তো রহস্য। রহস্যের গিট্টু তো ২২ নম্বর প্রতি মন্তব্যেই খোলার চেষ্টা করেছি। মিসির আলীর দরকার কি ? :P

অনেকদিন পরে আপনার দেখা মিললো।
ভালো থাকুন আর থাকুন ব্লগে...................

৪৬| ২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ দুপুর ১:১০

আমেনা বেগম চৌধুরী বলেছেন: পোস্টের ২৯ নং মন্তব্য পড়ার জন্য অনুরোধ করছি। দোষটি কার? আমি আপনার মন্তব্য সমর্থন করেছি তাই আমি দোষী? অনল চৌধুরী আপনার মন্তব্যকে একজন বিকৃত মন মানসিকতার লোক বলেছে।

২৮ শে সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৯:৩৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: আমেনা বেগম চৌধুরী,



আমার ব্লগে স্বাগতম।
আপনার লিংকের ঐ মন্তব্য আমি পড়েছি এবং তার পরিপ্রেক্ষিতে আরো একখানা মন্তব্য সেখানে রেখে এসেছি।
আমি নোংরা মানুষ নই , নোংরামী পছন্দও করিনে। তাই ঐ পোস্টে আর পাল্টা কিছু বলতে যাচ্ছিনে। যা বলার তা শোভনীয়তা আর শালীনতা বজায় রেখেই বলে এসেছি তারপরেও যদি তা কারো বোধের মধ্যে না আসে তবে বলতেই হয় - অশিক্ষিত, মূর্খ...........

৪৭| ২৪ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ৮:০৭

দীপংকর চন্দ বলেছেন: নিকোলাস কেজের ঘোষ্ট রাইডারের মত রাস্তার উপর আগুনের দাগ পরতো কি হোন্ডা ৫০ চালাইলে

হা হা হা হা

৫০ দরকার পড়লে আগুনের ওপর রাস্তার দাগ রেখে যাবে, তবু রাস্তার ওপর আগুনের দাগ রেখে যাবে না, এই বলে রাখলুম!

লেখা, এবং বেশ কিছু মন্তব্য-প্রতিমন্তব্য মন ছুঁয়ে গেলো।

শুভকামনা জানবেন। অনেক অনেক ভালো থাকবেন সবসময়।

২৪ শে নভেম্বর, ২০২০ রাত ৮:৩৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: দীপংকর চন্দ ,




দীর্ঘ আড়ালের ঘোমটা সরিয়ে এখানে আসার জন্যে ধন্যবাদ।
হোন্ডা ৫০ তে রাস্তায় আগুনের দাগ পড়তো না হয়তো তবে বৃষ্টির দিনে মাটির রাস্তায় চাকার দাগ থেকে যেত। :|

আপনাকে দেখার অনুভূতিটা আপনার আজকের পোস্টে জানিয়ে এসেছি। এখন থেকে হঠাৎ হঠাৎ নয়, নিয়মিত আপনার দেখা পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী।

ভালো থাকুন আপনিও। থাকুন নিরাপদে ..............।

৪৮| ০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ সন্ধ্যা ৭:১০

বলেছেন: স্যার ,,

মিঠাইয়ের মতো লেখাটাও রঙিন ও রসালো !!!

০৮ ই ফেব্রুয়ারি, ২০২১ রাত ১১:২৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: ল,





এই যে রসালো মিঠাই খেলেন বিনে পয়সায় কিন্তু দু'চারটে বাণী উগড়ে দিলেন না, তা কি ঠিক হলো ? :( :P

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.