নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

সবাই যখন নীরব, আমি একা চীৎকার করি \n--আমি অন্ধের দেশে চশমা বিক্রি করি।\n

গিয়াস উদ্দিন লিটন

গিয়াস উদ্দিন লিটন › বিস্তারিত পোস্টঃ

প্রবাসে বাংলাদেশের রক্তের উত্তরাধিকারী গুণীগন -পর্ব - ১৫৭ -১৬০

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:০০



১৫৭/ অস্কারের বিচারক হচ্ছেন বাংলাদেশি নাফিস বিন জাফর



টানা দুইবার অস্কার জয়ের পর এবার এর বিচারক হচ্ছেন বাংলাদেশের নাফিস বিন জাফর। সিনেমার ‘নোবেল’ খ্যাত অ্যাকামেডি অ্যাওয়ার্ড বা অস্কার পুরস্কার প্রদানকারী অ্যাকাডেমি অব মোশন পিকচার আর্টস অ্যান্ড সায়েন্সেস এর সদস্য হবার আমন্ত্রণ পেয়েছেন তিনি।

ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস বিভাগের অস্কারের জন্য ভোট-মূল্যায়নও দেবেন নাফিজ। নাফিজ বিন জাফর মূলত বাংলাদেশি সফটওয়্যার প্রকৌশলী। বাংলাদেশ হতে প্রথমবারের মতো এ সম্মান পেলেন তিনি। ২০১৭ সালে এতে অভিতাভ বচ্চন, আমির খান, সালমান খান, ইরফান খান, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, দীপিকা পাডুকোন, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনও আমন্ত্রণ পেয়েছিলেন।

এবারে নতুনদের তালিকায় আমন্ত্রন পেয়েছেন নাফিজ বিন জাফর। বিভিন্ন বিভাগে ৫৭টি দেশের ৭৭৪ জন নতুন সদস্যের এই তালিকায় ওয়ান্ডার উইমেন খ্যাত গ্যাল গ্যাডেট হতে শুরু করে ৯৫ বছর বয়সী অভিনেত্রী বেটি হোয়াইট রয়েছেন। রয়েছেন ক্রিস হেমসওয়ার্থ, ক্রিস উভান্স, ডোয়াইন জনসন-দ্য রক, ক্রিস প্যাট, আনা ফারিস এর মতো তারকারা।


নাফিস প্রথম বাংলাদেশি ব্যক্তি হিসেবে ২০০৭ সালে অস্কার পুরস্কার জেতেন। হলিউডের পাইরেটস অফ দ্য ক্যারিবিয়ান- অ্যাট ওয়াার্ল্ডস অ্যান্ড চলচ্চিত্রে ফ্লুইড অ্যানিমেশনের জন্য সায়েন্টিফিক অ্যান্ড টেকনিক্যাল বিভাগে ডিজিটাল ডোমেইন নামে ভিজ্যুয়াল ইফেক্টস ডেভেলপার কোম্পানির হয়ে দুই সহকর্মী ডাগ রোবেল ও রিয়ো সাকাগুচি সাথে নাফিস এ পুরস্কার জিতেছিলেন।

এর পর ‘২০১২’ মুভিতে প্রথম ড্রপ ড্রেসট্রাকশন টুলকিট ব্যবহারের জন্য অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড অব সায়েন্স ২০১৪ পুরস্কার পান তিনি। ওই ড্রপ ড্রেসট্রাকশন টুলকিটটি প্রথম ব্যবহার হয় ‘২০১২’ ছবিতে। এরপর ট্রান্সফরমারের প্রতিটি সিরিজ ও ২০১৪ সালে মুক্তি পাওয়া ‘অগম্যান্ট’সহ ২০ টিরও বেশি ছবিতে এটি ব্যবহার করা হয়েছে। নাফিস ১৯৭৮ সালের ৮ অক্টোবর ঢাকায় জন্মগ্রহণ করেন।



১৫৮/ অস্ট্রেলিয়ায় শ্রেষ্ঠ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী বাংলাদেশের সুমাইয়া




অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের শিক্ষার্থী সুমাইয়া সুলতান ২০১৬ সালের শ্রেষ্ঠ আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছেন যিনি সেখানকার ম্যাকুয়ারি ইউনিভার্সিটিতে পড়ছেন।বিজ্ঞান ও প্রকৌশল প্রযুক্তি ক্ষেত্রে নারীর ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখার জন্য সম্প্রতি সিডনি অপেরা হাউসে এক অনুষ্ঠানে ডিপার্টমেন্ট অফ প্রিমিয়ার অ্যান্ড কেবিনেটের সংস্থা ‘স্টাডি এনএসডব্লিউ’ তাকে এই সম্মানে ভূষিত করে।ম্যাকুয়ারি ইউনিভার্সিটি ক্যাম্পাসে নারীদের সচেতনতা ও গুরুত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে ‘উইমেন ইন সায়েন্স এন্ড ইঞ্জিনিয়ারিং (ওয়াইজ)’ প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে তিনি ছিলেন প্রধান উদ্যোক্তা।

সুমাইয়াকে শ্রেষ্ঠ শিক্ষার্থী নির্বাচনের কারণ হিসেবে আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, “শুধু শিক্ষাগত অর্জনের জন্য তাকে এই সন্মানে ভুষিত করা হয়নি, সমাজের মুল্যবোধে ইতিবাচক পরিবর্তনে তার অব্যাহত অবদানের জন্যই বিশেষভাবে তাকে এই সন্মানে ভুষিত করা হয়েছে।”ম্যাকুয়ারি ইউনিভার্সিটির ম্যানেজার (ক্যারিয়ার ও এমপ্লয়মেন্ট) জুলি ডোহার্টি সুমাইয়াকে এই পুরস্কারের জন্য মনোনীত করেন।তিনি বলেন, “সুমাইয়া প্রকৃত অর্থেই একজন ব্যতিক্রমী শিক্ষার্থী, আমি এটা তার অ্যাকাডেমিক সাফল্যের জন্য বলছি না। বরং তার মধ্যে অন্যকে প্রভাবিত করার এবং ব্যতিক্রমী কিছু একটা করার অদম্য স্পৃহা রয়েছে।”

সুমাইয়ার বাড়ি ঢাকার দোহারে। তার বাবা আবু সুলতান ভূইয়া ব্যবসা করেন এবং মা মাকসুদা বেগম গৃহিণী।

সুত্র- এখানে


১৫৯/ সেরা উদ্ভাবকের তালিকায় বাংলাদেশি তরুণ



বিশ্বখ্যাত কারিগরি বিশ্ববিদ্যালয় যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটস ইনস্টিটিউট অব টেকনোলজির (এমআইটি) জার্নাল টেকনোলজি রিভিউ ঘোষিত ২০১৬ সালে ৩৫ বছরের কম বয়সী সেরা ৩৫ জন উদ্ভাবকের সম্মাননায় ভূষিত হয়েছেন বাঙালি তরুণ এহসান হক। এর আগে এই সম্মাননা যাঁরা পেয়েছেন তাঁদের মধ্যে আছেন গুগলের দুই প্রতিষ্ঠাতা সের্গেই ব্রিন ও ল্যারি পেজ, ফেসবুকের মার্ক জাকারবার্গ, আইম্যাক ও আইপ্যাডের ডিজাইনার জোনাথন আইভ, লিনাক্সের জনক লিনাস টরভাস, ইয়াহুর সহপ্রতিষ্ঠাতা জেরি ইয়াং, টুইটারের জ্যাক ডরসে প্রমুখ। বলা যায় এমআইটির এই তালিকার অনেকেই পরবর্তী সময়ে বিশ্বকে বদলে দেওয়ায় নেতৃত্ব দিয়েছেন।
বাঙালি এহসান হকের কাজ হলো মানুষের কথা ও শারীরিক ভাষার গাণিতিক মডেল বের করে সেটাকে কাজে লাগানো। এর মাধ্যমে তৈরি হবে এমন যন্ত্র, যা অটিজম বা ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্তদের আলাপচারিতায়, চাকরিপ্রার্থীদের সাক্ষাৎকারের প্রস্তুতিতে, এমনকি বিতার্কিক বা বক্তাদের তাঁদের বক্তৃতার ভুলগুলো সংশোধন করতে সহায়তা করবে। এরই মধ্যে বানানো হয়েছে একটি বিশেষ চশমা, যা বক্তৃতা দেওয়ার সময় বক্তাকে আরও সাবলীল হতে সাহায্য করে।
মানুষে মানুষে কথোপকথন বা আলাপচারিতা অনেকটা দ্বৈত নাচের মতো। আমরা একে অন্যের কথাবার্তা, আকার-ইঙ্গিত, ভাবভঙ্গি বুঝে কথার পিঠে কথা বলে আলাপচারিতাকে এগিয়ে নিয়ে যাই। যদিও আলাপচারিতার এই ‘মুদ্রা’ বা কৌশল কোথাও লেখা নেই, কেউ জানে না, কিন্তু সবাই (মানুষ) বোঝে।
আর এহসানের কাজ হলো আলাপচারিতার এই কৌশলগুলোকে কম্পিউটারের কাছে বোধগম্য করে তোলা। তাতে লাভ?
‘লাভ তো অনেক কিছু।’ এহসান বলেন, ‘যেমন ধরুন যাদের অটিজম বা এসপারগার সিনড্রম আছে, তাদের অনেকেই মানুষের সঙ্গে সহজভাবে কথা বলতে পারে না, বুঝতে পারে না অন্যের আবেগ | কথা বলা শুরু করলে কখন থামবে বুঝতে পারে না, তাদের কথায় অন্য কেউ বিরক্ত হচ্ছে নাকি আনন্দিত হচ্ছে, সেটাও বুঝতে পারে না। কারণ আলাপচারিতার শারীরিক ভাষাটা তাদের কাছে বোধগম্য নয়। এখন যদি এমন হতো যে সেই মানুষটির সঙ্গে আছে এমন যন্ত্র, যা বলে দেবে শ্রোতার মনোভাব। মানে শ্রোতার হাসি আসলেই আনন্দের না কাষ্ঠ হাসি। তাহলে এ ধরনের মানুষের যোগাযোগ সক্ষমতা অনেক বেড়ে যেত।’

এহসানের বানানো মাক (MACH-My Automated Conversation coacH) ও লিসা (LISSA-Live Interactive Social Skills Assistant) প্রোগ্রাম তাৎক্ষণিকভাবে বলে দিতে পারে একজন মানুষ কথার মধ্যে কতবার ‘এ্যা, আহহহ’ ইত্যাদি বলেছে। কথা বলার সময় তার শারীরিক অঙ্গভঙ্গি স্বাভাবিক না আরোপিত। তার শব্দ প্রক্ষেপণ কী যথাযথ?

মানুষের মুখাবয়ব পর্যালোচনা করে মানুষের অভিব্যক্তি নির্ণয় করার কাজটি কেমন করে হয়, সেটি ব্যাখ্যা করে এহসান বললেন, ‘মূল কথাটি সোজা, উদাহরণের মাধ্যমে শিক্ষা। যেমন মানুষের মুখটা অধিকাংশ ক্ষেত্রেই বলের মতো গোলাকার। কিন্তু তারপরও একটা অস্পষ্ট ছবিতে একজন মানুষের মুখ আর ফুটবল পাশাপাশি রাখলে আমরা খুব সহজেই বলে দিতে পারি কোনটা ফুটবল এবং কোনটা মানুষের মুখ। মানুষের পক্ষে এই কাজটা খুব সহজেই করে ফেলা সম্ভব, কারণ আমরা ছোটবেলা থেকে মানুষের মুখ দেখে অভ্যস্ত। ঠিক তেমনিভাবে মেশিনকে অনেকগুলো মানুষের মুখের ছবি উদাহরণ হিসেবে দেওয়া হলে আধুনিক গাণিতিক পরিভাষা ব্যবহার করে মেশিনের পক্ষেও মানুষের চেহারা শনাক্ত করা সম্ভব। তবে কাজটি মোটেই সোজা নয়।’

সহজ নয় বলেই তো কাজটি করার জন্য এমআইটির টিআর৩৫-এ নির্বাচিত হয়েছেন এহসান হক। ব্যবসায়ী বাবা এনামুল হক ও মা প্রয়াত সৈয়দা লুৎফে সাবার তিন সন্তানের একজন এহসান হক! পড়াশোনা ঢাকার উদয়ন স্কুল এবং পরে ঢাকা কলেজে। এরপরই যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতক। ইউনিভার্সিটি অব মেমফিস থেকে ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে স্নাতকোত্তর | ২০০৮ সাল থেকে এমআইটির বিখ্যাত মিডিয়া ল্যাবে কাজ করেন—মানুষের মুখাবয়ব ও কণ্ঠ বিশ্লেষণ করে যন্ত্রকে মানুষের আবেগ শনাক্ত করতে সাহায্য করা নিয়ে। ২০০৯ সালে ওয়াল্ট ডিজনির গবেষণাগারে প্রথম স্বয়ংক্রিয় রোবট—যা দেখতে, শুনতে এবং নিজের সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম—তৈরিতে সাহায্য করেছেন। ২০১০ সালে আইবিএম ওয়াটসন গবেষণাগারে তৈরি করেন বুদ্ধিমান বিজ্ঞাপন যন্ত্র, যা পথে চলতে থাকা মানুষের গতিবিধি, লিঙ্গ, বয়স, পরনের কাপড়ের রং ও ধরন বুঝে মানানসই বিজ্ঞাপন প্রচার করে! এরপর ২০১৩ সালে তৈরি করেন ‘মুড মিটার’, যা মানুষের চেহারা দেখে বলে দেয় রাগ না খুশি। ২০১৩ সালে এমআইটি থেকে পিএইচডি করার পর যোগ দেন ইউনিভার্সিটি অব রসেস্টারে। এখন সেখানে কম্পিউটার বিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কাজ করছেন।

স্ত্রী নাফিসা আলম এবং দুই ছেলে ওয়ালি (৫) ও আরিককে (৫ মাস) নিয়ে এহসানের সংসার।


১৬০/ যুক্তরাষ্ট্রে উইমেন অব কারেজ পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশী তরুণী শারমিন আখতার





বাল্য বিবাহে বাধ্য করতে পরিবারের প্রচেষ্টাকে রুখে দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের উইমেন অব কারেজ পুরস্কার পেলেন বাংলাদেশী তরুণী শারমিন আখতার। ২৯শে মার্চ ২০১৭ যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ে এক অনুষ্ঠানে ফার্ষ্ট লেডী মেলানিয়া ট্রাম্পের হাত থেকে পুরস্কার নেন শারমিন আখতার। এ সময় পররাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ের রাজনীতি বিষয়ক আন্ডার সেক্রটারী থমাস শ্যানোন উপস্থিত ছিলেন।

সারা বিশ্বে শান্তি ন্যায় বিচার, মানবাধিকার, লিঙ্গ সমতা ও নারীর ক্ষমতায়নের পক্ষে কাজ করার স্বীকৃতি হিসাবে ১৩ জন নারীকে এবার এ পুরস্কার দেয়া হয়। পুরস্কার দেয়ার সময় বক্তব্যে মেলানিয়া ট্রাম্প বলেন এখানে যারা আমার সঙ্গে এই মঞ্চে রয়েছেন তাঁরা সবাই তাঁদের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যে লড়েছেন; লড়েছেন অন্যের অধিকারের জন্যেও। তারা জেল জরিমানা এমনকি মৃত্যুর ঝুঁকি উপেক্ষা করে ন্যায়ের জন্যে যুদ্ধ করেছেন।

২০০৭ সাল থেকে এই উইমেন অব কারেজ পুরস্কার শুরুর পর থেকে এ পর্যন্ত বিশ্বের ৬০টি দেশের ১০০ নারীকে এ পুরস্কার দেওয়া হল।

বাল্য বিবাহের বিপক্ষে অবস্থানকারী এই পুরস্কার পাওয়া বাংলাদেশের শারমিন আখতার রাজাপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্রী। লেখাপড়া শিখে সে আইনজীবি হতে চায়।

সুত্র- এখানে

প্রবাসে বাংলাদেশের রক্তের উত্তরাধিকারী গুণীগন,পর্ব ১ হইতে ১৬০ এখানে।




মন্তব্য ৪৪ টি রেটিং +১১/-০

মন্তব্য (৪৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৩১

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: গর্বে বুকটা ভরে ওঠে সিরিজটি পাঠে :)

অনেক অনেক ধন্যবাদ গিয়াস ভাই কষ্ট করে নিয়মিত সিরিজটি চালিয়ে যাচ্ছেন বলে
কৃতজ্ঞতা অন্তহীন

+++++

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৪৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: না ভৃগু ভাই, আপনারা পোস্টটিকে প্রশ্রয়ের চোখে দেখেন এজন্য আমিই কৃতজ্ঞ ।
অনেক ধন্যবাদ জানবেন।

২| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৩৯

প্রামানিক বলেছেন: কষ্ট করে নিয়মিত সিরিজটি চালিয়ে যাওয়ার জন্য ধন্যবাদ।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৫১

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ প্রামানিক ভাই ।

৩| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:০৭

শামচুল হক বলেছেন: এই সিরিজটি খুবই মূল্যবান। ধন্যবাদ আপনাকে।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:২৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: পাঠ মন্তব্যে অনুপ্রাণিত , আপনাকেও ধন্যবাদ শামচুল হক ।

৪| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:০৭

সনেট কবি বলেছেন: পাঠে মুগ্ধ হলাম।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:২৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ কবি।

৫| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:১৯

সোহানী বলেছেন: যাক অনেকদিন পর আসলেন.... সবসময়ই ভালো লাগে তাই সিরিজের দিকে তাকিয়ে থাকি। (হায় আমার পালা যদি আসতো......... ;) )

তবে অনুরোধ (আব্দার) যদি সময় করতে পারেন দেশের মাটির গুণীগন এর তালিকা ও দিবেন.....

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৩৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আমি নিয়মিত আছি, সিরিজটি একটু দেরিতে এসেছে ।
আপনার ভাইকেই এখনো চেনালেন না !! ভাইএর পরে বোন! :D

৬| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৪৫

সোহানী বলেছেন: আমার ভাই ট্রান্সফার হয়েছে ইউএসএ তে, ১ ইয়ার কন্ট্রাক্ট। আপনি জানেন নিষ্চয় গ্লোবাল ফাইন্ডারী ইন্টেলকে কিনে নিয়েছে, তাই সব কিছু বুঝে নিতে যাচ্ছে। ভিসা হলেই জয়েন করবে। ওর আইডেন্টিটি দিব.... ও খুব প্রচার বিমুখ। আর তেলাপোকা একটা পাখি আর আমার নাম লিটন ভাইয়ের তালিকায়.............হাহাহা

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:০৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: উনার ব্যাপারে তথ্য দিবেন, আর আমার ধারণা আপনার বিষয়টা আপনি ফান করছেন না। তথ্য দিলে ব্যধিত হব।
আপনার ফেস বুকে কি অধমকে ফলোয়ার করা যাবে ?

৭| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৫২

দেশী পোলা বলেছেন: এহসান হক ব্লগিং করেন, সামু আর চতুর্মাত্রিকে

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:০৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: জেনে পুলক বোধ করছি, এই নামেই আছেন?

৮| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:১৭

সোহানী বলেছেন: এটাতো আমার সৈাভাগ্য আপনার সাথে লিংক হওয়া... আপনার ফেবু আইডি দেন। আমারটা পাবলিকলি দিতে চাই না। ব্যাক্তিগত জীবনকে ব্লগ থেকে কিছুটা দূরে রাখতে চাই।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১০:৪৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন:

৯| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:১৮

পবন সরকার বলেছেন: বাংলাদেশের গুণীদের সম্পর্কে অনেক কিছু জানা গেল।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:২৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ধন্যবাদ পবন সরকার

১০| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:১৮

শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া) বলেছেন: ভাল খবর, মানুষ জেনে নতুন কিছু করার উৎসাহ পাবে।

০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:২৪

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ শাহাদাৎ হোসাইন (সত্যের ছায়া)

১১| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১১:৫১

হেৃদওয়ানুল জান্নাহ বলেছেন: এটি ভবিষ্যতে বেশ কাজে দেবে ....অামাদের সাফল্য অবশ্যই জানতে হবে সবাইকে।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ রাত ১২:০২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনার নামটা বেশ সুন্দর। অনেক ধন্যবাদ জানবেন হেৃদওয়ানুল জান্নাহ

১২| ০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ সকাল ৯:৩০

ধ্রুবক আলো বলেছেন: প্রথমে আপনাকে ধন্যবাদ জানাই বিশেষ কৃতজ্ঞতার সাথে।

এই নিউজ গুলো কেন দেশি মিডিয়াতে হাইলাইট হয় না জানতে ইচ্ছে করে। দেশি মিডিয়ায় যতসব আলতু ফালতু নিউজ ভড়ে রাখছে।

০৪ ঠা আগস্ট, ২০১৭ সকাল ১০:৫২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: দেশি মিডিয়ায় যতসব আলতু ফালতু নিউজ ভরে রাখছে। আপনি ঠিক বলেছেন ধ্রুবক। ১২/১৪ পাতার পত্রিকা কিনি অথচ পড়ে আরাম পাওয়া যায় এরকম কোন সংবাদ নাই।
অনেক ধন্যবাদ ধ্রুবক আলো ।

১৩| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:১৪

দিশেহারা রাজপুত্র বলেছেন: গিয়াস ভাই ধন্যবাদ আপনাকে।
এইগুলো জানলে অনুপ্রাণিত হওয়া যায়, গর্ব করা যায়।
মেধা আর মননে আমরা পিছিয়ে নেই শুধু অনেকগুলো শারমিন প্রয়োজন

০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১২:৫৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সুন্দর মন্তব্য, অনেক ধন্যবাদ রাজপুত্র।

১৪| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:২৯

সেলিম আনোয়ার বলেছেন: আবারো আপনার প্রেরণাদায়ক পোস্ট । ভাল লাগলো +

০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১:১৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ধন্যবাদ সেলিম আনোয়ার ভাই।

১৫| ০৬ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৫৯

আহমেদ জী এস বলেছেন: গিয়াস উদ্দিন লিটন ,



বরাবরের মতোই বাঙালী-বন্ধুসুলভ লেখা ................

০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১:২৩

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ৫ই জুলাই ঠিক দুক্কুর বেলা আপনি ভুতের ঢিল মারা খেয়েছিলেন, এর পরে কই যে হারালেন!!!
মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ জি এস ভাই ।

১৬| ০৭ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:৩৩

নীলপরি বলেছেন: অনেক কিছু জানলাম । ভালো লাগলো । ++++

০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ দুপুর ১:২৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ পরি।

১৭| ০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৩:৩৫

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: ভাল লাগল সুসংবাদগুলি শুনে ।
শুভেচ্ছা রইল ।

০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:৫৮

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনিও শুভেচ্ছা নিন ডঃ এম এ আলী ভাই।

১৮| ০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ সন্ধ্যা ৭:৪৫

আহমেদ জী এস বলেছেন: গিয়াস উদ্দিন লিটন ,



প্রতিমন্তব্যের জন্যে ধন্যবাদ ।

ভুতের ঢিল মারা খাইয়া তব্দা গেছিলাম , অহন হুজুরের পানি পড়া খাইয়া আর তাবিজ লইয়া ফিরর‍্যা আইতে পারছি .. :P

০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:৪৯

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: হাহাহাহাহা মজার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আহমেদ জী এস ভাই

১৯| ০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৪২

কথাকথিকেথিকথন বলেছেন: আমরা তাদের জন্যই গর্বিত যারা সমাজে শান্তি বয়ে আনে, একটি সুন্দর সমাজ গড়ার স্বপ্ন দেখায় ।

অনেক ভাল লাগলো ।

আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ ।

০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:৫২

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনার সুন্দর মন্তব্যটিও অনেক ভাল লাগলো কথন।

২০| ০৮ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ১০:৫২

চাঁদগাজী বলেছেন:


এটা বেশ বড় ধরণের ঘটনা; তবে, সিনেমা জগত কি বুঝবে যে, উনি বাংগালীদের সাথে যুক্ত ছিলেন এক সময়ে?

০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৫:১৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: সিনেমা জগত বলতে আন্তর্জাতিক সিনেমা জগতের কথা বলছেন কিনা জানিনা গাজী ভাই, তবে তার অস্কার প্রাপ্তির সময় তাকে বাংলাদেশী বলে পরিচয় দেয়া হয়েছিল। যা আমাদের প্রচার মাধ্যমে তেমন কাভারেজ পায়নি।

২১| ০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৮:৫১

জেন রসি বলেছেন: নাফিসের কথা জানতাম। বাকিদের কথা আপনার পোস্টে জানলাম। :)

০৯ ই আগস্ট, ২০১৭ রাত ৯:৩০

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ধন্যবাদ জেন রসি ভাই।

২২| ৩১ শে আগস্ট, ২০১৭ বিকাল ৪:২৬

হাসান মাহবুব বলেছেন: জেন রসি বলেছেন: নাফিসের কথা জানতাম। বাকিদের কথা আপনার পোস্টে জানলাম।

০৫ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ দুপুর ১:১৬

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: ধন্যবাদ, অনেক ধন্যবাদ

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.