| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
গোলাম মোস্তফা
এবাদতে আগ্রহী ও দেশপ্রেমের প্রচেষ্টায়।
মাসুদা আপা জি-টিভিতে। (১৯.৩.১৩)
রাত্র ১-০০টায় টক শোতে জনাব আজম খানের মোকাবেলা হলেন অঞ্জন ভাইয়ের মাধ্যমে।
বাড়ীতে ডাকাত পড়লে বাহ্যিক বুকফাটা হাসি দিতে হয়, তাই দিতে হল মনে হয়।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ভাষণে মান্যনীয় উপদেষ্টা সাহেব গভীরভাবে মর্মাহত।অথচ বিরোধীনেত্রীর ভাষনে ধন্য।
হরতালে সহিংসতা কারো ষড়যন্ত্র, মান্যনীয় উপদেষ্টা সাহেব নোংরা হরতাল করেন না।
তত্বাবধায়ক সরকার দিলে মান্যনীয় উপদেষ্টা সাহেব নোংরা হরতাল করবেন না।ভুলে বসলেন পাগল ওশিশু ছাড়া নিরপেক্ষ নাই, ১৮৬টি হরতাল করে (পাষন্ড সরকারথেকে) নাকি তত্বাবধায়ক সরকার এনেছিলন (আ,লী)।
জনগনের জন্য রাজনীতি করেন, অথচ কোথায় তাদর জায়গাটা মান্যনীয় উপদেষ্টা সাহেব দেখালেন না। বললেন না।
এই নষ্ট ও নাস্তিক ছেলেরা নাকি মুক্তযোদ্ধ করেছেন বলাতে শাহবাগ দুঃসাহস দেখালো, তারা কোন দলের সৃষ্ট মান্যনীয় উপদেষ্টা সাহেব বললেন।
শাহবাগ নাকি নষ্ট ও নাস্তিক ছেলেদের মঞ্চ মান্যনীয় উপদেষ্টা সাহেবও বিশ্বাস করেন।
সাদাকে সাদা ও কলোকে কালো বলতে অনুরোধ করলে মান্যনীয় উপদেষ্টা সাহেব আপাকে বাচ্চা মনে করেন।
ফাসি চাইলে আইনকে চোখ রাঙ্গানো হয়েছে মান্যনীয় উপদেষ্টা সাহেব বললেন।
সমর্থন, নৈতিক সমর্থন (জাঃইঃকে)দিলে দোষ কি, বললেন মান্যনীয় উপদেষ্টা সাহেব।
আন্তর্জাতিক ট্রাইবুন্যাল বিদেশী লোক দিয়ে হলে আন্তর্জাতিক মানের বিচার হয়, মান্যনীয় উপদেষ্টা সাহেব বললেন।
সবশেষে গোঃআজম যোদ্ধাপরাধী বা মানবতা লঙ্গনকারী কি না জানতে চাইলে পাশ কাটিয়ে গেলেন মান্যনীয় উপদেষ্টা সাহেব।ধন্য ধন্য উনার উপদেষ্টগিরী।
©somewhere in net ltd.