| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
গোলাম মোস্তফা
এবাদতে আগ্রহী ও দেশপ্রেমের প্রচেষ্টায়।
আল্লাহর নির্দেশিত এবাদত না করা ও তার নিষিদ্ধ হুকুম থেকে বিরত না থাকার জন্য "জাহান্নাম" অবধারিত । হোক পুরুষ বা নারী । হাদিস বলে, জাহান্নামে মহিলা বেশী হবে ।
সমাজে নারীদের অবদান অপরিসীম। কেয়ামত পর্যন্ত কোরআন প্রচারের জন্য মাত্রাতিরিক্ত অসহনীয় কষ্টে মানবকুল সৃষ্টি দেয়া যার আসল পরিচয়।আল্লাহ কিন্তু একারনে অবশ্যই নারীকে সুখ ভোগ করার উপকরন প্রচুর দিয়ে থাকেন। ইসলাম প্রচারই হয়েছে "বিবি খাদিজা"- এর নারীর অবদানে। তবু কেন নারীরা এত মারপেচে পড়ে থাকবে?
কারনে বলা যেতে পারে, নামাজ অনাদায়, পর্দা না মানা, হালকা পরকীয়া যৌনাভোগ, সময় ও অর্থের অনর্থক অপচয়, পিতামাতাকে মিথ্যা ব্যখ্যাদান, বহুগামির সুরসুরি, আবেগে ও লোভে একটুতেই বিশ্বাস করে নিজেকে অসত্য বা অন্যায়ে বিলিয়ে দেয়া, অন্যের কিঞ্চিত উপহারে গদগদ অনুভব করা ইত্যাদি। আল্লাহকে চরম অনুমান বা উপলব্দি না করার অজ্ঞতায় ক্রমান্নয়ে দোষের পাহাড়সম জীবন গড়ে উঠছে । দোষ স্বীকার না করার প্রবনতা বা নিজেকে আধুনিক সংস্কৃতির বাহক ভাবা । আগুনের কাছে মোমের অবস্হান যে কি ভয়াবহ, তা পরিবার থেকে শিক্ষা না পাওয়া বা নিজে না জানা।
মাতৃত্ব ফুটোক ইসলামে, সময় কাটুক ইসলামে, আগতরা হাতেখড়ি পাউক ইসলামে, অপসংস্কৃতি ঢেকে যাউক ইসলামে, স্বামী হউক একান্ত স্ত্রীর। "মান আরাফ নাফসাহু ফাকাদ, আরাফ রাব্বাহ” বা know thyself as islam- এর মর্ম না জানা । আমিত্ব ঝেড়ে ফেলে দিতে পারলেই জীবনের মুল স্বাদ বা স্বার্থকতা উপভোগ করা যেতে পারে।মেনে নেয়া যায় নাকি?।
©somewhere in net ltd.