নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চলে যাব- তবু যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ, প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল।

হাবিব স্যার

বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর, সবার আমি ছাত্র।

হাবিব স্যার › বিস্তারিত পোস্টঃ

আয়াতুল কুরসি

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:৩৮



আয়াতুল কুরসির সনেটীয় অনুবাদ

হেফাজত করো রব শয়তান হতে
দয়ালু মহান আল্লা' স্মরণ শুরুতে।

তিঁনি আল্লা' যিঁনি ছাড়া মা'বুদ না আছে
মহাশক্তিশালী তিঁনি সত্তা চিরঞ্জীব।
আচ্ছন্ন করে না ঘুমে তন্দ্রার আবেশে
(আল্লার কৃপায় বাঁচে জীবন প্রদীপ)।
আসমানসমূহ ও জগত পার্থিব
সবকিছু আল্লাহর তিঁনিই মনিব।
কেউ নাই এমন যে তার দরবারে
অনুমতি ব্যতিরেকে সুপারিশ করে।

গোচর ও অগোচর সব তাঁর জানা
জ্ঞানের পরিধি তাঁর বিশাল অপার
তাঁর ইচ্ছা ছাড়া কিছু মানুষ পারেনা।
আকাশ পৃথিবীব্যাপী সিংহাসন তাঁর
এসবের হেফাজতে তিঁনি ক্লান্ত নন
(দয়াময়) তিঁনি সদা সূউচ্চ মহান।
.............................................


আয়াতুল কুরসির ভাবানুবাদ:

আশ্রয় চাই রবের কাছে
যেন শয়তান দূরে রয়,
সকল তারিফ আল্লাহর
যিনি দয়ালু ও করুণাময়।
...............................

আল্লাহ ছাড়া উপাস্য নাই
ধারক বাহক জীবিত,
তন্দ্রা ঘুম নাইতো তাহার
তিনি ছাড়া সবই মৃত।

আসমান জমিন চন্দ্র তারা
যে দিক তুমি দৃষ্টি দিবে,
সকল কিছু সৃষ্টি যে তার
নেয়ামতগুলো দেখতে পাবে।

কে করবে সুপারিশ আর
এ ধরায় কে আছে এমন,
রবের হুকুম ছাড়া তুমি
প্রাণবিহীন এক খুঁটি যেমন।

সকল জ্ঞান প্রভুর তরে
নাই কিছু তার অগোচরে,
যে করবে নাফরমানি
পড়বে ধরা পরপারে।

কত বড় প্রভুর আসন
আসমান জমিন জুড়ে আছে,
এসব কিছু রক্ষা করা
অসম্ভব নয় রবের কাছে।

তিনি হলেন মহান আল্লাহ
রহমান ও রাহীম,
তিনি হলেন সুউচ্চ আর
আলিয়ূল আজীম।
..............................
ছবি: গুগল থেকে...

মন্তব্য ৬২ টি রেটিং +৫/-০

মন্তব্য (৬২) মন্তব্য লিখুন

১| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১০:৫৫

ফরিদ আহমদ চৌধুরী বলেছেন: আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:০০

হাবিব স্যার বলেছেন: জাযাকাল্লাহ খাইরান। সনেট কবি অনেক দিন পর আপনার দেখা পেলাম। কেমন আছেন?

২| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:১৫

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: অত্যন্ত সুন্দর কবিতা হয়েছে ।
পোস্টে প্লাস ।

শুভ কামনা হাবিব স্যার কে ।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:১৮

হাবিব স্যার বলেছেন:





মন্তব্য শুনে কবিতা লেখার আগ্রহ বেড়ে গেলো।
আল্লাহ আপনাকে এই সওয়াবের ভাগীদার করুন।
আপনার সুস্থতা কামনা করছি। কেমন আছেন প্রিয় ভাই।

৩| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:২৫

নীল আকাশ বলেছেন: পভুর তরে না হয়ে হবে প্রভুর তরে.....পরপরে না হয়ে হবে পরপারে.....
আপনি পেয়েছেন কি? ;) এটা তো দেখি আগের সব গুলি চেয়ে ভালো হয়েছি.......
মাঝে মাঝে ব্লগে আসি আপনার কবিতা পড়ার জন্য.......।
আল্লাহ আপনাকে কবুল করে নিন, ছুম্মা আমীন!

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:৪৯

হাবিব স্যার বলেছেন:




ভুল ধরিয়ে দেওয়ার জন্য কৃতজ্ঞতা। আল্লাহ আপনাকে এর প্রতিদান দিন। আসলে অনিচ্ছাকৃত ভুল।

"এটা তো দেখি আগের সব গুলি চেয়ে ভালো হয়েছি......." এই যে একটা কথা বললেন যা আমাকে এমন অনুপ্রেরণা জুগিয়েছে যা দিয়ে হাজার মাইল পথ সহজেই চলা যাবে।

"মাঝে মাঝে ব্লগে আসি আপনার কবিতা পড়ার জন্য.......। " এই কথাটার মাঝে কি লুকিয়ে আছে জানেন? হাজার কোটি টাকার চেয়ে দামি এই কথা। মনে হচ্ছে আমার কবিতা সার্থক।

"আল্লাহ আপনাকে কবুল করে নিন, ছুম্মা আমীন! " এই যে দোয়াটা করলেন মনে হচ্ছে আমার কবিতা পূর্ণতা পেলো। এই দোয়ার প্রতিদান অন্য কিছুতেই দেওয়া সম্ভব নয়। তাইতো আপনার জন্য দোয়া করি আল্লাহ যেন আপনাকে জান্নাতুল ফেরদাউসের মেহমান বানিয়ে নেন। সেখানেও যেন আমি আপনাকে কবিতা শুনাতে পারি। আমিন। ছুম্মা আমিন।

৪| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:২৮

আব্দুল্লাহ্ আল মামুন বলেছেন: সুন্দর কবিতা। প্রিয় কবি ভালো লিখেছেন

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:৪৯

হাবিব স্যার বলেছেন: মামুন ভাই! আপনার আগমন অনেক দিন পর। তারপরেও ভালো লাগছে। আল্লাহ আপনার ভালো করুন।

৫| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:৫৩

আরোহী আশা বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো......++

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:১০

হাবিব স্যার বলেছেন: অশেষ ধন্যবাদ আপনাকে

৬| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:১২

বাকপ্রবাস বলেছেন: চমৎকার

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:১৫

হাবিব স্যার বলেছেন:
বাহ, বলতে না বলতেই আপনি হাজির। দেখে আসুন আপনার বাড়িতে আমি গিয়েছিলাম।

৭| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:২২

তারেক ফাহিম বলেছেন: প্রিয় হাবিব স্যার, ন্যাটগত সম্যার কারনে গত ২দিন ব্লগে আসতে পারিনি।

প্রিয় প্রাঙ্গনে না আসতে পেরে খুব অলস সময় পার করছি :(

আপনার কবিতাগুলো খুব মিস করছি।

আয়াতুল কুরসির ছন্দাকারে বাংলানুবাদ ভালো লাগলো।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৪৬

হাবিব স্যার বলেছেন:




নেট গত সমস্যা? আমি প্রথম দেখায় পরেছিলাম নাট্যগত সমস্যা। তাই তো বলি কি রে, এইটা আবার কেমন সমস্যা? পরে ভালো করে খেয়াল করে দেখি ন্যাট গত সমস্যা। যাই হোক প্রিয় ফাহিম ভাই যে ভুলে টুলে যান নাই শুনে খুশি হলাম। আল্লাহ আপনার উপর অশেষ রহম করুন। আমিন।

৮| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:৩৮

আরোগ্য বলেছেন: আয়াতুল কুরসি আমার খুব প্রিয় আয়াত ও দোয়া। খুব ভাল লাগলো। স্যার পরপারে বানানটা মনে হয় পরপাড়ে হবে।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৪৭

হাবিব স্যার বলেছেন:





প্রিয় আরোগ্য! আপনার আগমনে মুগ্ধ হলাম। আপনার সুন্দর মন্তব্য আমাকে নতুন করে লেখার প্রেরণা যোগাবে। আশা করি ভালো আছেন। দোয়া করি আল্লাহ আপনাকে উত্তম জাযাহ দিন। কিন্তু পরপারে মনে হয় ঠিক আছে । আপনি আরেকটু দেখেন প্লীজ।

৯| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৬

সৈয়দ তাজুল ইসলাম বলেছেন: এটা কি কোন সূরার অনুবাদ?

ভাইস্তার জন্য আজ কোরআন শরীফ কিনে নিয়ে এসেছি! একটু খোঁজে দেখতাম! :)

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৪৫

হাবিব স্যার বলেছেন:





আয়াতুল কুরসি কুরআনুল কারিমের সবচেয়ে বড় সূরা ‘সূরা আল-বাক্বারার ২৫৫ নং আয়াত’। যা সমগ্র কুরআনের সবচেয়ে বড় আয়াতও বটে। এ সূরার রয়েছে অনেক ফজিলত। এর ফজিলত সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হযরত ওবাই ইবনে কা’বকে জিজ্ঞাস করলেন সবচেয়ে ফজিলত ও গুরুত্বপূর্ণ আয়াত কোনটি? ওবাই ইবনে কা’ব আরজ করলেন, সেটি হচ্ছে আয়াতুল কুরসি। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা সমর্থন করলেন এবং বললেন, হে আবুল মানজার! তোমাকে এ উত্তম জ্ঞানের জন্য ধন্যবাদ। (মুসনাদে আহমদ)

আয়াতুল কুরসির ফজিলত-
< রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, প্রত্যেক ফরজ সালাত শেষে আয়াতুল কুরসি পাঠকারীর জান্নাতে প্রবেশ করার জন্য আর কোনো বাধা থাকে না মৃত্যু ব্যতিত। (নাসাঈ)
< শয়নকালে পাঠ করলে সকাল পর্যন্ত তার হেফাজতের জন্য একজন ফেরেশতা পাহারায় নিযুক্ত থাকে। যাতে শয়তান তার নিকটবর্তী হতে না পারে। (বুখারি)
< হযরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেন, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, আয়াতুল কুরসি কুরআনের অন্যসব আয়াতের সর্দার বা নেতা। আয়াতটি যে ঘরে পড়া হবে, সে ঘর থেকে শয়তান বের হয়ে যাবে।
< যে লোক প্রত্যেক ফরজ নামাজের পর আয়াতুল কুরসি তিলওাত করবে, তার জন্য বেহেশতে প্রবেশের একমাত্র বাধা হচ্ছে মৃত্যু। অর্থাৎ সে মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গেই বেহেশতের ফলাফল ও আরাম আয়েশ ভোগ করতে থাকবে।
< হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু একদিন দেখতে পেলেন একজন আগন্তুক সদকার মাল চুরি করতেছে তখন তিনি আগন্তুকের হাত ধরে বললেন, ‘আল্লাহর কসম ,আমি তোমাকে আল্লাহর রাসূলের কাছে নিয়ে যাব’। তখন আগন্তুক বলে যে সে খুব অভাবি আর তার অনেক প্রয়োজন। তাই দয়া করে হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে ছেড়ে দিলেন। পরদিন সকালে রাসূল রাদিয়াল্লাহু আনহুর কাছে আসার পর তিনি আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞাসা করলেন ‘গতকাল তোমার অপরাধী কি করছে?’ হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু তখন তাকে ক্ষমা করার কথা বললেন। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘অবশ্যি সে তোমাকে মিথ্যা বলেছে আর সে আবার আসবে।’ পরদিন আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু অপেক্ষায়, যখন সে আবারো চুরি করতে আসল তখন তিন তাকে পাকড়াঁও করলেন আর বললেল, ‘এবার অবশ্যই আমি তোমাকে আল্লাহর রাসূলের কাছে নিয়ে যাব।’ এবারও সেই বলে যে- সে খুব অভাবি আর তার অনেক প্রয়োজন আর শপথ করে যে আর আসবে না। পরদিন আবারো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি একই জবাব দেন আর তখন তিনি বলেন, ‘আসলেই সে তোমাকে মিথ্যা বলেছে আর সে আবার আসবে।’ পরদিনও আবার হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু চোরের জন্য অপেক্ষা করতে লাগলেন আর যখন সে আবারো চুরি করতে আসল তখন তিনি তাকে পাকড়াঁও করলেন আর বললেন ‘এবার অবশ্যই আমি তোমাকে আল্লাহর রাসূলের কাছে নিয়ে যাব। তুমি বার বার শপথ করো আর চুরি করতে আসো।’ সে যখন দেখল এবার সে সত্যিই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে নিয়ে যাবে তখন অবস্থা বেগতিক দেখে সে বলে, ‘আমাকে মাফ কর। আমি তোমাকে এমন কিছু বলে দিব যার মাধ্যমে আল্লাহ তোমাকে কল্যাণ দান করবেন।’ আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু সেটা জানতে চাইলে চোর বলে, ‘যখন ঘুমাতে যাবে তখন আয়াতুল কুরসি পড়ে ঘুমাবে তাহলে আল্লাহ তোমার জন্য একজন পাহাড়াদার নিযুক্ত করবে, যে তোমার সঙ্গে থাকবে আর কোনো শয়তান সকাল পর্যন্ত তার কাছে আসতে পারবে না।’ এটা শুনে হজরত আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে ছেড়ে দিলেন।

পরদিন রাসূল রাদিয়াল্লাহু আনহু আবার অপরাধীর কথা জানতে চাইলে তিনি আগের রাতের কথা বললেন। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেন, ‘যদিও সে চরম মিথ্যাবাদী কিন্তু সে সত্য বলেছে’। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বললেন, ‘তুমি কি জানো সে কে?’ আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন,‘না’। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আবু হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহুকে বললেন , ‘সে হচ্ছে শয়তান।’ (বুখারি)

আয়তুল কুরসী কুরসি হচ্ছে এই-

اَللهُ لآ إِلهَ إِلاَّ هُوَ الْحَىُّ الْقَيُّوْمُ، لاَ تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَّلاَ نَوْمٌ، لَهُ مَا فِى السَّمَاوَاتِ وَمَا فِى الْأَرْضِ، مَنْ ذَا الَّذِىْ يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلاَّ بِإِذْنِهِ، يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيْهِمْ وَمَا خَلْفَهُمْ وَلاَ يُحِيْطُوْنَ بِشَيْئٍ مِّنْ عِلْمِهِ إِلاَّ بِمَا شَآءَ، وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ، وَلاَ يَئُودُهُ حِفْظُهُمَا وَ هُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيْمُ-

বাংলা উচ্চারণ- আল্লা-হু লা ইলা-হা ইল্লা হুওয়াল হাইয়্যুল ক্বাইয়্যুম। লা তা’খুযুহু সিনাতুঁ ওয়ালা নাঊম। লাহূ মা ফিস্ সামা-ওয়াতি ওয়ামা ফিল আরদ্বি। মান যাল্লাযী ইয়াশফাউ’ ই’ন্দাহূ ইল্লা বিইজনিহি। ইয়া’লামু মা বাইনা আইদিহিম ওয়ামা খালফাহুম, ওয়ালা ইউহিতূনা বিশাইয়্যিম্ মিন ‘ইলমিহি ইল্লা বিমা শা-আ’ ওয়াসিআ’ কুরসিইয়্যুহুস্ সামা-ওয়া-তি ওয়াল আরদ্বি, ওয়ালা ইয়াউ’দুহূ হিফযুহুমা ওয়া হুওয়াল ‘আলিইয়্যুল আ’জিম। (সূরা আল-বাক্বারা আয়াত-২৫৫)

অর্থ : আল্লাহ, যিনি ব্যতীত কোন উপাস্য নেই। যিনি চিরঞ্জীব ও বিশ্বচরাচরের ধারক। কোন তন্দ্রা বা নিদ্রা তাঁকে পাকড়াও করতে পারে না। আসমান ও জমিনে যা কিছু আছে সবকিছু তাঁরই মালিকানাধীন। তাঁর হুকুম ব্যতিত এমন কে আছে যে, তাঁর নিকটে সুফারিশ করতে পারে? তাদের সম্মুখে ও পিছনে যা কিছু আছে সবকিছুই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসমুদ্র হতে তারা কিছুই আয়ত্ত করতে পারে না, কেবল যতুটুকু তিনি দিতে ইচ্ছা করেন তা ব্যতিত। তাঁর কুরসি সমগ্র আসমান ও জমিন পরিবেষ্টন করে আছে। আর সেগুলির তত্ত্বাবধান তাঁকে মোটেই শ্রান্ত করে না। তিনি সর্বোচ্চ ও মহান’।

আয়াতের মর্যাদার কারণ-
এ আয়াতটিতে ১০টি বাক্য রয়েছে। যার প্রত্যেকটি আল্লাহর একত্ববাদের স্বীকৃতি, গুনাবলি বৈশিষ্ট্য আলোচনা করা হয়েছে-
১. তিনিই আল্লাহ যিনি ব্যতিত ইবাদতের উপযুক্ত আর কোনো ইলাহ নেই
২. আলহাইয়্যুল কাইয়্যুম- তিনি সদা জীবিত এবং বিদ্যমান
৩. লা তা’খুজুহু সিনাতুও ওয়ালা নাউম- আল্লাহ তাআলা তন্দ্রা ও নিন্দ্রা থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত
৪. লাহু মা ফিসসামাওয়াতি ওয়া মা ফিল আরদ্বি- আকাশ এবং জমিনের যা কিছু রয়েছে তার সবাই আল্লাহর মালিকানাধীন
৫. মানজাল্লাজি...বিইজনিহি- সৃষ্টি কোনো বস্তুই আল্লাহর চেয়ে বড় নয় বিধায় এমন কে আছে যে তাঁর সামনে তাঁর অনুমতি ব্যতিত সুপারিশ করতে পারে?
৬. ইয়া’লামু… খালফাহুম- মানুষের জন্মের পূর্বে এবং জন্মের পরের যাবতীয় বিষয় সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা জানেন
৭. ওয়ালা ইউহিতুনা…বিমাশা আ- সমস্ত সৃষ্টির জ্ঞান মিলে একত্রিত হয়ে আল্লাহর জ্ঞানের কোনো একটি অংশ বিশেষকেও পরিবেষ্টিত করতে পারে না
৮. ওয়াসিআ’… ওয়াল আরদ্বি- তাঁর কুরসি এতো বড় যে, সাত আসমান ও সাত জমিনকে পরিবেষ্টিত করে আছে
৯. ওয়া লা ইয়াউদুহু হিফজুহুমা- আল্লাহর নিকট এত বৃহৎ দুইটি সৃষ্টি আসমান-জমিনের হেফাজত করা কোনো কঠিন কাজ নয়
১০. ওয়া হুয়াল আলিয়্যুল আজিম- তিনি অতি উচ্চ এবং অতি মহান।

এই পুরো আয়াতটিই আল্লাহর একত্ববাদ ও মর্যাদার গুণগান বিধায় আল্লাহ এ আয়াতের মধ্যে অনেক ফজিলত রেখেছেন। আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে আয়াতুল কুরসির আমল করার এবং কুরআন অনুযায়ী জীব্ন যাপন করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

১০| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:৫৯

নজসু বলেছেন: বিমোহিত।
আপনার লেখা প্রশংসনীয়।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৫৪

হাবিব স্যার বলেছেন:






আপনি যে উৎসাহ প্রদান করলেন আল্লাহ এর জন্য উত্তম প্রতিদান দিন। আমিন।


কল্যাণকর কাজে উদ্বুদ্ধকারী কতিপয় হাদীস

সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্ল্লামের প্রতি দরুদ ও সালাম বর্ষিত হোক।
সওয়াব অর্জনের ক্ষেত্র অনেক এবং ভাল ও উত্তম কাজের প্রতিদান বিরাট।
قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى الله ُعَلَيْهِ وَسَلَّمَ: فِيْمَا يَرْوِىْ عَن رَّبِّهِ عَزَّ وَجَلَّ قَالَ: إِنَّ اللهَ كَتَبَ الحَْسَنَاتِ وَالسَّيِّئَاتِ ثُّمَّ بَيَّنَ ذَلِكَ فَمَنْ هَمَّ بِحَسَنَةٍ فَلَمْ يَعْمَلْهَا كَتَبَهَا الله ُلَهُ حَسَنَةً كَامِلَةً. رواه البخاري -৬০১০ ، ومسلم- ১৮৭
"নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মহান প্রতিপালক থেকে বর্ণনা করেন: তিনি বলেন, নিশ্চয় আল্লাহ তা'আলা ভাল ও মন্দ উভয়টিকে লিপিবদ্ধ করেন। অতঃপর তিনি এভাবে বর্ণনা করেছেন : 'যে ব্যক্তি কোন ভাল কাজ করার ইচ্ছা করে অথচ তা এখনও বাস্তবে পরিণত করেনি, তার জন্য আল্লাহ নিজের কাছে একটি পূর্ণাঙ্গ সওয়াব লিপিবদ্ধ করেন।" [বুখারী ৬০১০, মুসলিম ১৮৭ (২৪৬)]

যে ব্যক্তি নেকির কাজে নির্দেশ প্রদান করবে এবং এ কাজের জন্য উপদেশ ও পথ-প্রদর্শন করবে তার জন্য বিরাট সওয়াব রয়েছে।
এ সম্পর্কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন :
مَنْ دَعَا إِلى هُدًى كَانَ لَهُ مِنَ الأَجْرِ مِثْلُ أُجُوْرِ مَنْ تَبِعَهُ لَا يَنْقُصُ ذلِكَ مِنْ أُجُوْرِهِمْ شَيْئاً، وَمَنْ دَعَا إِلى ضَلَالَةٍ كَانَ عَلَيْهِ مِنَ الِإثْمِ مِثْلَ آثَامِ مَنْ تَبِعَهُ لَا يَنْقُصُ ذَلِكَ مِنْ آثَامِهِمْ شَيْئًا. رواه مسلم- ৪৮৩১
"যে ব্যক্তি সঠিক পথের দিকে ডাকে তার জন্য এ পথের অনুসারীদের বিনিময়ের সমান বিনিময় রয়েছে। এতে তাদের বিনিময় কিছুমাত্র কম হবে না। আর যে ব্যক্তি কোন ভ্রান্ত পথের দিকে ডাকে, তার উক্ত পথের অনুসারীদের গুনাহের সমান গুনাহ হবে, এতে তাদের গুনাহ কিছুমাত্র কম হবে না।" [ মুসলিম, হাদীস নং - ৪৮৩১]

১১| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ২:৫৩

রাজীব নুর বলেছেন: মনোমুগ্ধকর।

২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৩:১৮

হাবিব স্যার বলেছেন: অবশেষে আপনার আগমনে আমি মুগ্ধ। আশা করি ভালো আছেন। আল্লাহ আপনাকে সবসময় ভালো রাখুন।

১২| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৮:৩৪

করুণাধারা বলেছেন: আয়াতুল কুরসির ছন্দোময় অনুবাদ চমৎকার হয়েছে। আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন।

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:২২

হাবিব স্যার বলেছেন: আল্লাহ আমাদের তাঁর শেখানো ভাষা ও নিয়মে, দুনিয়া ও আখেরাতে কল্যাণে লাভে আশ্রয় প্রার্থণা করার তৌফিক দান করুন আমীন। ছুম্মা আমীন | হযরত আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইরশাদ করেন, যখন তোমরা দু’আ করবে তখন প্রার্থিত বিষয়টি লাভের বিষয়ে সুদৃঢ় বিশ্বাস রাখবে এবং বলবে হে আল্লাহ! যদি তুমি চাও আমাকে প্রদান কর, কেননা আল্লাহকে বাধ্যকারী কেউ নেই। (ছহীহ বুখারী)

১৩| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৯:০০

মীর সাজ্জাদ বলেছেন: অনেক মেধাবী হলেই এমন কবিতা লেখা সম্ভব। একরাশ মুগ্ধতা রইল।

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:২৩

হাবিব স্যার বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ। আপনার প্রশংসায় আমি মুগ্ধ। খুবই ভালো লাগছে। আল্লাহর রহমত ছাড়া সম্ভব হতো না এটা। আপনাদের অনুপ্রেরণা আমাকে লেখার শক্তি ও সাহস যোগায়। এতো সুন্দর মন্তব্যে আপনার প্রতি কৃতজ্ঞতা। দোয়া করি আপনার আমার সবার লেখনি শক্তি কথা বলবে মানবতার কল্যানের জন্য। আল্লাহ আমাদের সহায় হোন। আল্লাহ আপনার ভালো করুন।

১৪| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১১:০৭

নূর মোহাম্মদ নূরু বলেছেন:
আল্লাহ আপনার পরিশ্রমের পুরস্কার দিবেন।

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:২৩

হাবিব স্যার বলেছেন: আপনার সুন্দর মন্তব্যে কৃতজ্ঞতা। অনেক ভালো লাগলো আপনাকে পেয়ে। জাযাকাল্লাহ খাইরান।

১৫| ২৭ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ১১:২৮

নূর ইমাম শেখ বাবু বলেছেন: চমৎকার স্যার!

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ৮:২৩

হাবিব স্যার বলেছেন: প্রিয় বাবু ভাই! আপনাকে অনেক দিন পরে পেলাম। আলহামদুলিল্লাহ। আপনাকে পেয়ে ভালো লাগছে। আল্লাহ আপনার জন্য উত্তম পুরস্কারের ব্যবস্থা করুন। দোয়া করি আপনার কলম সত্যের কথা বলুক।

১৬| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:৩২

এস এম ইসমাঈল বলেছেন: মাশাআল্লাহ, এবারের অনুবাদ অনেক ভালো হয়েছে। কিন্তু আমার কিছু সাজেশান্স ছিল। যেমন সব সময় আল কুরআনের অনুবাদ লেখার সময়, ছন্দ মিলের দিকে বেশী খেয়াল না দিয়ে তাতে আল কুরআনে বর্ণিত বিষয়ের উপর ফোকাস দিতে হবে। কারন আমাদের মাঝে অনেকেই আরবী ভাষায় কুরআন পাঠ করতে পারলেও অর্থ জানেন না। সে দিকে সতর্ক দৃষ্টি দেয়া দরকার। অনুবাদে কোন কোন ক্ষেত্রে প্রয়োজন মত আরবি শব্দ ব্যবহারে কোন দোষ নেই। তবে কোন অতিরিক্ত শব্দ ব্যবহার করা যাবে না। এতে হয়তো পাঠকের কাছে ভুল বার্তা যেতে পারে। এটাকে আরবীতে বলে “ফাসাদে মানাহ” অর্থাৎ শব্দ বা বাক্যের অর্থগত বিভ্রান্তি।
কমেন্টস এ আপনি যে তথ্যগুলো দিয়েছেন, সেগুলোকে আপনার লেখার শেষে ফুটনোট বা পাদটীকা হিসেবে দিতে পারেন। এতে লেখার সৌকর্য বাড়বে।
আপনার লেখার ক্ষেত্রে আমি শুধুমাত্র একজন মনোযোগী পাঠকই নই বরং একজন সমালোচক ও বটে। আশা করি এতে আপনি কিছু মনে করবেন না।

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ সকাল ১১:৪৮

হাবিব স্যার বলেছেন:




আমি আপনার এমন সমালোচনা ও পরামর্শের জন্যই যেন অপেক্ষা করছিলাম। ধন্য হলাম আপনার সুপরামর্শ পেয়ে। তবে আমি সব সময় যে কথা বলি তা হলো আমি শাব্দিক অনুবাদ করি না। ভাবানুবাদ করতেই বেশি ভালো লাগে আর লেখায় ছন্দ আসে। আমার পরবর্তী লেখায় আপনার পরামর্শ কামনা করছি। আল্লাহ আপনাকে উত্তম প্রতিদান দিন। আমিন।

১৭| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৩৯

এস এম ইসমাঈল বলেছেন:
এ বাক্যটি আমার কাছে অপ্রাসঙ্গিক আর অতিরিক্ত মনে হয়েছে।
অনেক সময় পূর্ণ ভাবানুবাদ করতে গেলে যদি দু একটা অতিরিক্ত বাক্য যোগ করতে হয়, তাহলে সেটা বন্ধনীর ভিতরে দিলে ভাল হয়।

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৪৮

হাবিব স্যার বলেছেন: আপনি আমাকে এতটা সময় দিলেন! জাযাকাল্লাহ খাইরান।

১৮| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৪০

এস এম ইসমাঈল বলেছেন:
এ বাক্যটি মূল অর্থের সাথে অসামনঞ্জস্যপূর্ণ মনে হয়েছে। অর্থাৎ দুর্বল অনুবাদ করা হয়েছে।

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৫০

হাবিব স্যার বলেছেন: আল্লাহ আপনার পরিশ্রমের পুরস্কার দিবেন।

১৯| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৪২

এস এম ইসমাঈল বলেছেন: সকল জ্ঞান প্রভুর তরে
নাই কিছু তার অগোচরে,
এটা ঠিক আছে, কিন্তু কিন্তু তার পরের বাক্যটি অবান্তর। এটা কোনভাবেই ঐ আয়াতের অর্থের সাথে মিল খায়না।
<যে করবে নাফরমানি
পড়বে ধরা পরপারে<।


২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৪৯

হাবিব স্যার বলেছেন:
আমি আপনার কথার যথাযথ মূল্যায়ন হয়তো করতে পারবোনা কারন আমার জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করার অনুরোধ করছি যাতে আমার অন্তর আর প্রসারিত করে দেয় । কলমের কালিতে যেন মানুষের উপকার হয় , আল্লাহ ও রাসুলের কথা বলতে পারি।

২০| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৪৩

এস এম ইসমাঈল বলেছেন: কত বড় প্রভুর আসন
আসমান জমিন জুড়ে আছে,
এসব কিছু রক্ষা করা
অসম্ভব নয় রবের কাছে।

না লিখে এখানে শ্রান্তিকর বা কষ্টকর শব্দ গুলি ব্যবহার করলে অনুবাদ আরও সঠিক হতো।
তিনি হলেন মহান আল্লাহ
রহমান ও রাহীম,
তিনি হলেন সুউচ্চ আর
আলিয়ূল আজীম।
.
এখানে শুধু বলা হয়েছে, যার অর্থ হবে সুউচ্চ, সু মহান মর্যাদার অধিকারী সত্বা। যদিও এখানে ছন্দ মিলাতে রহমান রাহীম এসেছে, কিন্তু এ বাক্যটা আয়াতুল কুরসির অংশ নয়। তাই এটাকে আপনি ( ) এর ভিতরে দিয়ে লিখতে পারতেন। আর আমার মনে হয়, অনুবাদের ক্ষেত্রে আগে মূল আরবী পাঠ বা উচ্চারণ লিখে তার পরের লাইনে বাংলা অনুবাদ অংশটা যোগ করে দিলে বেশী ভালো হতো।
পুনশ্চ < হয়তো ভাবছেন, এই লেখা নিয়ে, আমার এত মাথা ব্যথা কেন? এর একমাত্র কারন হল আল্লাহ্‌র হাবীবের একটা হাদীস শরীফ।[তোমাদের মাঝে ঐ ব্যক্তি উত্তম যে কুরআন নিজে শিক্ষা করে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়।
আশা করি রোজ হাশরে এটা আমার নাজাতের উসীলা হবে। আমীন।

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৪৯

হাবিব স্যার বলেছেন:
আমি আপনার কথার যথাযথ মূল্যায়ন হয়তো করতে পারবোনা কারন আমার জ্ঞানের সীমাবদ্ধতা। আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করার অনুরোধ করছি যাতে আমার অন্তর আর প্রসারিত করে দেয় । কলমের কালিতে যেন মানুষের উপকার হয় , আল্লাহ ও রাসুলের কথা বলতে পারি।

২১| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৫১

এস এম ইসমাঈল বলেছেন: Dear Habib Sir, plz discard my comment no 17 & 18, those have been posted wrongly.

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১:৫৭

হাবিব স্যার বলেছেন: মুছে দিয়েছি প্রিয় ভাই। ধন্যবাদ আপনাকে।

২২| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৩:০৮

এস এম ইসমাঈল বলেছেন: সুপ্রিয় হাবীব স্যার, আপনার নামের কি সুন্দর অর্থ – সুপ্রিয় বা সবার প্রিয় পাত্র।
আপনার লেখায় অনুপ্রাণিত হয়ে অধম একটা অনুবাদ লিখলাম, দেখুন কেমন লাগে
আয়াতুল কুরসির ভাবানুবাদ:
পরম করুণাময় সুমহান আল্লাহ্‌র নামে করলাম শুরু
আল্লাহ্‌ ছাড়া কোন প্রভূ নাই তামাম দুনিয়ার,
সদা জাগ্রত মহান সত্তা, চিরঞ্জীব চিরস্থায়ী প্রভূ নিরাকার।
তন্দ্রা কিংবা ঘুম নাগাল পায় না সে মহান সত্তার,
আসমান জমিনে যা কিছু আছে সব কিছুর মালিকানা তাঁর।
অনুমতি ছাড়া কে আছে এমন সুপারিশকারী? করতে পারে উপকার?
সামনে বা পিছনে, আছে কিবা দূরে যা কিছু আছে সবই জানা আছে তাঁর,
তাঁর নির্দেশ ছাড়া কে পারে জানতে, সুরক্ষিত সে জ্ঞান ভান্ডার?
আসমান যমীনের সব কিছু ঘিরে আছে কুরসী তাঁহার।
এসব কিছুর সংরক্ষণে একটুও হয় না শ্রান্তি তাঁহার।
জ্ঞান, ক্ষমতা সম্মান পবিত্রতায় সর্বোচ্চ স্হান শুধুই তাঁর।


২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ বিকাল ৪:২৫

হাবিব স্যার বলেছেন: প্রিয় ইসমাইল ভাই! মনোমুগ্ধকর। অনেক ভালো লাগলো।

২৩| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:১৫

এস এম ইসমাঈল বলেছেন: ভাল লাগার জন্য মুবারাকবাদ। অনেক ভাল থাকবেন।

২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৭:২৭

হাবিব স্যার বলেছেন: আল্লাহ আপনার মঙ্গল করুন। আমিন।

২৪| ২৮ শে অক্টোবর, ২০১৮ রাত ৮:১১

এস এম ইসমাঈল বলেছেন: এই ছবিটা দেখে মনতব্য করুন।


৩১ শে অক্টোবর, ২০১৮ দুপুর ১২:৫২

হাবিব স্যার বলেছেন:
পাড়তেছিনা ভাই, বলে দেন।

২৫| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৫৭

আরোগ্য বলেছেন: হাবিব স্যার পরলাম তো তবে কি এডিট করেছেন?

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০২

হাবিব স্যার বলেছেন: আপনি খেয়াল করেননি বা মনে নেই হয়তো.......

আগে শুধু ছন্দ অনুবাদ ছিল...........
আজকে সনেট দিলাম

২৬| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৮:৫৮

আরোগ্য বলেছেন: দেড় মাস আগের পোস্ট। তবে মনে হয় এটা বেশি ভালো লাগলো আগেরটার চেয়ে।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:০৪

হাবিব স্যার বলেছেন: কোনটার চেয়ে ভালো লাগলো?

২৭| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:১৩

আরোগ্য বলেছেন: হা হা হা !!!!!!
না বুঝেই মন্তব্য করেছি। ;)

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:১৪

হাবিব স্যার বলেছেন: সমস্যা নাই....
কেউ দেখেনি.......:P

আগে বলেন সনেট নিয়ে কি কথা বলতে চেয়েছেন?

২৮| ১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:২৮

আরোগ্য বলেছেন: চতুর্দশপদী হল এক ধরনের কবিতা যার প্রথম
উদ্ভব হয় মধ্যযুগে ইতালিতে । এর বৈশিষ্ট হল যে
এই কবিতাগুলো ১৪টি চরণে সংগঠিত এবং প্রতিটি
চরণে সাধারণভাবে মোট ১৪টি করে অক্ষর
থাকবে।এর প্রথম আট চরণের স্তবককে
অষ্টক এবং পরবর্তী ছয় চরণের স্তবককে
ষষ্টক বলে। অষ্টকে মূলত ভাবের প্রবর্তনা
এবং ষষ্টকে ভাবের পরিণতি থাকে।


আচ্ছা হাবিব স্যার সনেটে অষ্টকে ভাবের প্রবর্তনা
এবং ষষ্টকে ভাবের পরিণতি থাকে, কিন্তু সুরা সনেট করলে কি সেই ভাবে হয়?
আগ্রহমূলক প্রশ্ন একদম রাগ করবেন না নয়তো চাঁদমামাকে নালিশ দিব।

১৮ ই ডিসেম্বর, ২০১৮ রাত ৯:৩৯

হাবিব স্যার বলেছেন:



হা হা হা...........

আমিও জানতাম আপনি এমন মন্তব্যই করবেন......
অনেক ক্ষেত্রেই বৈশিষ্ট্য লোপ পায়.....

একেবারে হয় না সেটা বলা যাবে না। কিছুটা হয়......

২৯| ১৯ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ দুপুর ২:৫৭

নজসু বলেছেন:




আমি আপনার প্রতিমন্তব্যও পাঠ করেছি প্রিয় স্যার।
এই পোষ্টে সুন্দর সুন্দর মন্তব্য এসেছে। ধীরে ধীরে পাঠ করার ইচ্ছে রইল।
কমেন্ট পড়র বুঝলাম হাবিব নামটা সত্যিই সার্থক।

২০ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:৩৪

হাবিব স্যার বলেছেন: প্রিয় সুজন ভাই আপনার এমন সুন্দর মন্তব্যে আামি আপ্লুত.।
আপনি কি লক্ষ্য করেছেন সনেট আগে ছিল না নতুন একজন করেছি. ।

আমার জন্য দোয়া করবেন. । ব্যস্ততা যাতে কাটিয়ে ঊঠতে পারি

৩০| ২৭ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সকাল ৯:১৫

সনজিত বলেছেন: অনেক ভালো লাগলো......++ +

২৮ শে ডিসেম্বর, ২০১৮ সন্ধ্যা ৬:১৪

হাবিব স্যার বলেছেন: সনজিত ভাই ....
আপনার ভালো লাগায় আপ্লুত হলাম

আপনার ঊপর শান্তি বর্ষিত হোক

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.