নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চলে যাব- তবু যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ, প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল।

হাবিব স্যার

বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর, সবার আমি ছাত্র।

হাবিব স্যার › বিস্তারিত পোস্টঃ

পাঠ প্রতিক্রিয়া-৩: লেখাজোকা সংকলন

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:০৯



চোখ ধাঁধানো প্রচ্ছদ আর দারুণ সব লেখার সমন্বয়। এক মলাটে জায়গা করে নিয়েছে কয়েকজন উদীয়মান লেখকের ভাবনা। নিবন্ধ, গল্প, কবিতা, ছড়া, অনুগল্প, রম্যগল্প, স্মৃতিকথা, ভ্রমণ; কি নেই এতে? একটি ফুলের তোড়ায় যেমন স্থান করে নেয় নানান ফুল, তেমনি এই সংকলনটি নানান ভাবনার সমাবেশে সমৃদ্ধ। বলছিলাম "লেখাজোকা সংকলন" বইয়ের কথা। কেমন হলো বইটি? একজন পাঠক হিসেবে তারই মতামত তোলে ধরবো এই লেখায়।

=== নিবন্ধ ===

১. সার্টিফিকেট নয়, প্রয়োজন মেধা ও প্রতিভার মূল্যায়ন- কাওসার চৌধুরী।

"আমরা গরু দেখে দেখে বড় হয়েছি। তারপরও গাইড বই পড়ে গরুর রচনা মুখস্থ করি। একজন ছাত্রকে যদি বলা হত তুমি যেভাবে গরু দেখেছ সেভাবে গরুর বর্ণনা কর। তাহলে তার মধ্যে চিন্তাশক্তির বিকাশ ঘটত। গরু নিয়ে ভাবত। অন্যের লেখা গরুর বর্ণনা কষ্ট করে মুখস্থ করতে হত না। আর এটাই ছাত্রদের থিংকার বানায়, গবেষক হওয়ার পথ প্রসারিত করে। এজন্য নোট বইয়ের বিরুদ্ধে আমার কঠোর অবস্থান। অন্যের লেখা পড়ে ভাবটা নিজের মধ্যে ধারণ করা যায় না। এজন্য গাইড বই মুখস্থ করতে হয়। মুখস্থ করা শিক্ষা হচ্ছে তলা বিহীন ঝুড়ি।"

আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থাকে এভাবেই তোলে ধরেছেন চিন্তাশীল লেখক কাওসার চৌধুরী। প্রবন্ধের মূল কথা হলো, শুধু ভালো রেজাল্টই মেধা যাচাইয়ের একমাত্র পদ্ধতি হতে পারে না। সেই তো প্রকৃত মেধাবী যে নতুন কিছু চিন্তা করতে পারে।

"সার্টিফিকেট তো আমাদের আছে.........
তাহলে আমরা কোথায় পিছিয়ে আছি; মেধায়? প্রতিভায়? জ্ঞানে?
নাকি, তিনটিতেই!"
এমন প্রশ্ন আমার, আমাদের সকলের।

যে সব ভুল সহজেই ধরা পড়ে চোখে:

(১) বেশ কিছু ভুল বানান: সুচক (সূচক), কিন্ডার গার্ডেন (কিন্ডার গার্টেন), হৃদয়াঙ্গম (হৃদয়ঙ্গম), খেলাধুলা (খেলাধূলা), মুখস্ত (মুখস্থ), সেক্সপিয়ার (শেক্সপিয়ার), মার্জ জুকারবার্গ (মার্ক জুকারবার্গ), খরছ (খরচ), মাওলানা ভাসানি (মাওলানা ভাসানী)।
(২) কিছু বাক্য গঠনে আরো যত্নবান হওয়া যেত। যেমন: "একটি ছাত্র যদি স্কুলে পড়ার পরও...." (একজন ছাত্র যদি স্কুলে পড়ার পরও.......),
"ইউরোপের উন্নত দেশগুলোতে দেখেছি শিশুরা বই খাতা নিয়ে স্কুলে যায় না, তার প্রয়োজনীয় উপকরণগুলো স্কুলে থাকে। তার পড়াশুনার পাঠ স্কুলেই শুরু, স্কুলেই শেষ।" (ইউরোপের উন্নত দেশগুলোতে দেখেছি শিশুরা বই খাতা নিয়ে স্কুলে যায় না, তাদের প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ স্কুলেই থাকে। তাদের পড়াশুনার পাঠ স্কুলেই শুরু, স্কুলেই শেষ।)

সব মিলিয়ে ভালো ছিলো নিবন্ধটি। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন সময়ের দাবী।

২. ফিবোনাচ্চি সিরিজ এবং সোনালী অনুপাত- শাহানা ইয়াসমিন

ফিবোনাচ্চি সিরিজ এবং সোনালী অনুপাত নিয়ে চমৎকার একটি লেখা। লেখাটি পড়ে জানতে পারলাম "মোনালিসা" চিত্রকর্মটি সোনালী অনুপাত মেনে বানানো হয়েছে। সূর্যমূখী বীজের বিন্যাস এবং আনারসের চোখগুলোও নাকি ফিবোনাচ্চি সিরিজ মেনে চলে। কি মজার বিষয় তাই না? এমনই সব অজানা আর মজার বিষয়ের সমাবেশ ঘটেছে এই লেখায়।

চমৎকার লেখাটিতে কিছু অংশ বুঝতে পারলাম না। যেমন: ০, ১, ১, ২, ৩, ৫, ৮, ১৩, ২১, ৩৪, ৫৫, ৮৯, ১৪৪, ২৩৩, ৩৩৭........
এটি একটি ফিচোনাচ্চি সিরিজ। বলা হয়েছে, এই সিরিজের যে কোন সংখ্যার বর্গ তার দুই ধাপ আগের সংখ্যার বর্গের বিয়োগ ফল একটি ফিবোনাচ্চি সংখ্যা। কথা বুঝলাম। কিন্তু উদাহরণ দেয়া হয়েছে এইভাবে:
৮২- ৩২= ৬৪- ৯= ৫৫
১৩২- ৫২= ১৬৯- ২৫= ১৪৪ (কিছুই বুঝলাম না!)

আবার বলা হয়েছে, ফিবোনাচ্চি সিরিজের বর্গ করলে এই সিরিজ পাওয়া যায়: ১২, ১২, ২২, ৩২, ৫২, ৮২, ১৩২, ২১২..... ( কেউ কি বলবেন কোন সংখ্যাকে বর্গ করলে এই সিরিজ মিলবে?)

আবার বলা হয়েছে, এই সিরিজের সংখ্যাগুলো যদি এভাবে যোগ করি তাহলে

১২+১২+২২=৬= ৩×২
১২+১২+২২+৩২= ১৫= ৩ ×৫ ( কেমনে হলো, কিছুই বুঝলাম না!!!)

৩. সপ্রতিভ বক্তব্য, লেকচার, উপস্থাপনা বা প্রেজেন্টেশনের ছলাকলা বা কলাকৌশল- শায়মা হক।

" পৃথিবী বদলে দেয়া সিদ্ধান্তগুলোর ঘোষণা হয়েছে কোন না কোনো বক্তৃতার মাধ্যমে। কয়েক মিনিটের বক্তৃতা বদলে দিয়েছে কোন দেশের মানচিত্র; কোন জাতির ভাগ্যাকাশ। সেসব বক্তৃতাতে এক ধরনের যাদুশক্তি ছিলো। কয়েক মিনিটে আবৃত্তি করা সেসব পঙক্তিমালার শক্তি – লক্ষ, বুলেট বোমাকে হার মানিয়েছে। যুগেযুগে আদর্শ প্রচারের সবচেয়ে বলিষ্ঠ মাধ্যম বক্তৃতা।"

-- বলছিলাম শক্তিমান লেখিকা শায়মা হকের লেখা থেকে। বক্তৃতা দিতে গিয়ে যাদের হাঁটু ধরে রাখার জন্য আলাদা লোকের প্রয়োজন তাদের জন্য লেখাটি টনিক হিসেবে কাজ করবে আশা করি।

যে ভুল ধরা পড়ে সহজেই:

(১) বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে আরো যত্নশীল হওয়া উচিত ছিলো। যেমন:

"এই বক্তৃতা বা লেকচার দেওয়াটা যে কতটা কঠিন বা ভয়ংকর হতে পারে, তা মনে হয় যাদের প্রেজেন্টেশন বা স্পিচ ভীতি আছে তারা খুব ভালো করেই জানেন।"

"কিন্তু এই বক্তৃতা বা স্পিচ বা প্রেজেনটেশনে আবার ভয় কিসের!"

" স্পিচ বা বক্তৃতা বা লেকচার বা প্রেজেন্টেশন নিয়ে এববার আর এক সেমিনারে অংশগ্রহনের সুযোগ হয়েছিল"

বাক্য তিনটিতে এতবার "বা" বলেছেন যে, তা ভালো লাগছে না। এরকম আরো কিছু বাক্য রয়েছে।

(২) বানানের দিকে নজর দেয়া উচিত ছিলো: মুল্যায়িত (মূল্যায়িত), অব্যার্থ (অব্যর্থ), পরিছন্ন (পরিচ্ছন্ন)।

=== গল্প===

১. অবয়ব- স.আ. নেওয়াজ

গল্পটি ভালো ভাবে বুঝতে পারিনি। লেখার শুরুটা বেশ আকর্ষণীয় ছিলো, কিন্তু শেষে গিয়ে বুঝলাম না কিছুই। গল্পটি এরকম ছিলো:

ককপিট থেকে বারবার কেউ এ্যানাউন্সমেন্ট করছেন-- দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার কারণে সবাই যাতে সিট-বেল্ট বেঁধে রাখেন এবং সিট থেকে না উঠেন। আমি আইল সিটে আছি, আর আমার পাশে উইন্ডো সিটে যে ভদ্রলোক ব'সে আছেন, তাকে দেখে মনে হচ্ছে- এ্যালারটিং এ্যানাউন্সমেন্টের চেয়ে বরং সে যে উঠে ওয়াশরুমে যেতে পারছেন না, তা নিয়েই বেশী উদ্বিগ্ন!- কেননা গত একঘণ্টায় কমহলেও সে চারবার ওয়াশরুমে গিয়েছেন। এবার আমাকে পঞ্চমবারের মতো উঠে দাঁড়াতে হচ্ছে না, এটা ভেবেই ভালো লাগছে।

কিছুক্ষণের মধ্যেই আমার সে ভালো লাগা উবে গেল; যখন দেখলাম প্লেনটি প্রচণ্ড-রকমের ঝাঁকাচ্ছে। মনে মনে ভয় পেলেও বাহির থেকে দেখে তা বুঝার উপায় ছিল না। কেননা আমি তখন মুভি দেখায় মগ্ন ছিলাম।
তাও বেশীক্ষণ ধ'রে চললো না। মুভি বন্ধ ক'রে দিয়ে লোকেশন ডিসপ্লে ম্যাপ-এ দেখলাম, প্লেনটি তখন ছত্রিশ হাজার ফুট উপর দিয়ে ইন্দোনেশিয়ার জাভা-সী অতিক্রম করছিল। আবহাওয়ার অবস্থা এতো-বেশী খারাপের দিকে যাচ্ছিল যে, ককপিট থেকে ইমারজেন্সি ওয়াটার ল্যান্ডিং-এর জন্য প্যাসেঞ্জারদের কী কী প্রিকওশন নিতে হবে তা বারবার জানিয়ে দেয়া হচ্ছিল।

এমন পরিস্থিতিতে আমি যেমনটি করি তাই করছিলাম। জীবনের সবচেয়ে সুন্দরতম মুহূর্তগুলোর কথা ভাবছিলাম। মনে পড়ছিল, ছেলেবেলায় স্কুল-ছুটির পর গেইটের বাহিরে মা'র ক্লান্ত অথচ মৃদু-হাসিমুখ নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকার কথা। জামাল ভাইয়ের দোকানের ছোলাবুট, ঝালমুড়ি ঝাঁকানোর শব্দ, আরও কতো কি...।

ওই মুহূর্তে প্লেনটি আসলে ঝালমুড়ির পটের মতো ক'রেই আমাদের ঝাঁকাচ্ছিল। হঠাৎ মনে হলো, আচ্ছা, ট্রাভেল-ব্যাগ থেকে ডাইরি বের ক'রে কথাগুলো লিখে ফেললে ক্যামন হয়। কিছুক্ষণের মধ্যে কী হতে যাচ্ছে কে জানে...। অন্তত ডাইরিটা যদি কোনভাবে কারো হাতে প'ড়ে যায়; আমার শেষকথাগুলো তো বেঁচে যায়; যেমন ক’রে বেঁচে যায় বিধ্বস্ত প্লেনের ব্ল্যাক-বক্স! ...
.
.
.

মনে হচ্ছে যেন, একটা চিলের একটানা ডাকের শব্দে চোখ খুললো। তীব্র আলোতে চোখ মেলতে কষ্ট হচ্ছিল খুব। বোধকরি অত্যধিক স্নায়ু-চাপে ঘুমিয়েই পড়েছিলাম।

এবার এ্যানাউন্সমেন্ট হচ্ছে--আমরা ঢাকা এয়ারপোর্টে অবতরণ করেছি। ককপিট থেকে টেম্পারেচার লোকাল টাইম ইত্যাদি জানিয়ে দেয়া হচ্ছে। ট্রাভেল ব্যাগটা হাতে নিয়ে আমি সবার পেছন-পেছন হেঁটে প্লেন থেকে বের হয়ে ইমিগ্রেশন শেষ ক'রে তিন নাম্বার বেল্টের সামনে গিয়ে লাগেজের জন্য দাঁড়ালাম। যেখান থেকে এক নাম্বার টার্মিনালে দাঁড়িয়ে থাকা অপেক্ষমাণ মানুষগুলোকে সহজেই দেখা যায়।

গ্লাসের বাহিরে তাকিয়ে আমি বিস্মিত হয়ে গেলাম!-- ওখানে মা, বাবা, বোনেরা, ভাগ্নে-ভাগ্নি সবাই দাঁড়িয়ে। আমি সত্যি বুঝতে পারিনি যে, আমার জন্য এত-বড় একটা সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছিল সেদিন।

একবার ইচ্ছে করছিল লাগেজ-টাগেজ ফেলেই দৌড়ে গিয়ে সবার সাথে আগে দেখা ক'রে আসি। কিন্তু লাগেজ ফেলে কী ক'রে যাই? ওটার ভিতরে যে অনেক অনেক স্বপ্ন নিয়ে ফিরেছি সবার জন্য।

দূর থেকে মা-কে দেখছি, ঠিক যেন স্কুলের গেইটের বাহিরে দাঁড়িয়ে আমার জন্য অপেক্ষা করছেন। বাবা-কে ধবধবে সাদা পাঞ্জাবি-পায়জামা আর লম্বা সাদা-দাড়িতে বেশ লাগছে; একেবারে যেন সাক্ষাৎ পীর-আউলিয়ার মতোই দেখাচ্ছে। আচ্ছা, বাবার হাতে লাঠি কেন? কবে নিলেন? বাবা ঠিক আছেন তো!?

একটা কালো চোখের কথা মনে পড়ল। মনের অজান্তেই হয়তো খুঁজে যাচ্ছিলাম। যেমন খুঁজেছি--কখনো চৈত্রের দুপুরে, কখনো শ্রাবণের সন্ধ্যায়, আবার কখনো পৌষের সকালে... যার আজো কোনও অবয়ব মেলেনি।

যাক, লাগেজ হাতে পেলাম। লাগেজ পেয়ে আমি পারলে দৌড়ে বাহিরে চ’লে যাই। কিন্তু আরেকটা কাজ, মানে, কাস্টমসের স্ক্যানিং তো বাকি। আমি স্ক্যানারের দিকে এগিয়ে কাস্টমস অফিসারের কাছাকাছি যেতেই--সে অন্যদিকে চ'লে গেলো। মনে হলো যেন, সে আমাকে দেখলই না। আমিও সুযোগ পেয়ে গ্রীন-চ্যানেল দিয়ে সোজা বেরিয়ে গেলাম।

ভিজিটর রেলিং-এর কাছে দৌড়ে গিয়ে মা-কে জড়িয়ে ধরতে চাইলাম আমি; একি! মা ফ্লাইট ইনফরমেশন মনিটরের দিকে তাকিয়ে কেনো? আমি বললাম, ‘আমি তো এসে গেছি মা!’ বাবা, সেও ওইদিকেই তাকিয়ে।
এখানে উপস্থিত সবাই উদ্ভ্রান্ত; পাগলের মতো শুধুই ফ্লাইট ইনফরমেশন মনিটরের দিকে তাকিয়ে আছে। কেউ এদিক-ওদিক ছোটাছুটি করছে, কেউ মোবাইলে কথা বলছে... কিন্তু কেউ আমার কথা শুনতে পাচ্ছে না, আমাকে দেখতে পাচ্ছে না। আমি শরীরের সমস্ত শক্তি দিয়ে চিৎকার ক'রে উঠলাম-- বললাম, ‘কেউ আমাকে দেখতে পাচ্ছ না কেন!? শুনতে পাচ্ছ না কেন!?’
তবুও না, কেউ শুনলো না আমার কথা।

এবার আমিও ফ্লাইট ইনফরমেশন মনিটরের দিকে তাকালাম-- দেখলাম, আমার প্লেনটি আসলে তখনও লেন্ডেড হয়নি।
স্ট্যাটাস: ডিলেড।
.
.
.
ইন্দোনেশিয়ার মুনা দ্বীপের একজন দ্বীপবাসীনি--তখন সাগর পাড়ে বিচ্ছিন্ন একটি বড় পাথরের উপর একটা ডাইরি হাতে নিঃসঙ্গ ব'সে আছে। ডাইরির পাতাগুলো একবার সে প্রথম থেকে শেষ, আবার শেষ থেকে প্রথম এমন করেই উল্টিয়ে যাচ্ছে। তারপর এদিক-সেদিক তাকিয়ে আবার বন্ধ ক'রে দিচ্ছে। তার চেহারা দেখে স্পষ্টই বোঝা যাচ্ছে যে, সে ভিতরের লেখাগুলো কিছুই বুঝতে পারছে না।

আমি মেয়েটির পাশেই ব’সে আছি। কিন্তু এখন আমি জানি, সেও আমাকে দেখতে পাচ্ছে না। আমি তাকে চিনি না। তবে তার কালো-গভীর চোখ দেখে আমার সেই খুঁজতে থাকা চোখটির কথাই মনে পড়ল। আমি হাসলাম। নিজেকে বললাম, আমি কি তবে শেষমেশ অবয়ব খুঁজে পেলাম!?


--গল্পটির প্রথম অংশের সাথে শেষাংশের কোন সংযোগ খুঁজে পেলাম না।

২. সোনালী বালির প্রাচীর- আখেনাটেন


"কলার খোসাটা এভাবে রাস্তার উপর ফেললেন কেন?’’ লোকটা উঁচু স্বরে কথাটা বলে চলে যাচ্ছিল। সাথে সাথে আমার মেজাজ গেল হট হয়ে। কাছে গিয়ে ঠাস করে দেড় টনি চড় হাঁকালাম। ঘটনার আকস্মিকতায় লোকটা মারাত্মক ভয় পেয়ে গেছে। আমি কুৎসিত কিছু গালি দিয়ে বাসার দিকে রওয়ানা হলাম। এই সাধু বাবাদের জন্য সমাজে যে নিজের খুশি-রুচিতে চলব সেটাও হওয়ার জো নেই। এই ভদ্রলোকদের পাছার কাপড় খুলে প্যাঁদানো দরকার। এত ভদ্রগিরি কোথা থেকে আসে এদের!..........."

"শিলার ছোটভাই মবিন দেখি হাসপাতালের গেটেই দাঁড়িয়ে আছে। আমি যাওয়ার সাথে সাথেই সে আমাকে জড়িয়ে ধরে কাঁদাকাটি শুরু করে দিল। আমার চোখও দিয়ে টপটপ করে পানি পড়ছে। বুকটা খালি খালি লাগছে। ভীষণ অপরাধী মনে হচ্ছে নিজেকে। মনে হচ্ছে আমি শিলাকে বিয়ে না করলেই হয়ত ওর এরকম অবস্থা হত না!

মবিনকে জিজ্ঞেস করলাম কীভাবে এটা ঘটল? মবিন বেশ রাগত স্বরে চিৎকার করে বলল, ‘শিলাপা, শফিক সাহেবের ফার্মেসিতে ব্লাড প্রেশার মাপার জন্য নেমেছিল আপনার ছোটবোনের সাথে। কোন শুয়োরে নাকি আপনাদের গলির মুখে রাস্তার উপর কলার খোসা ফেলে রেখেছিল। ওটার উপর পা পিছলেই শিলা আপা পাশের…’’

মবিন আর সব কি যেন বলছিল! আর আমার কানের কাছে কথাগুলো গ্রেনেডের স্প্লিন্টারের মতো এসে বিঁধছে। এভাবেও প্রকৃতি প্রতিশোধ নিতে পারে। মাথা চক্কর দিয়ে উঠল। খালি মবিনকে একটি কথা আস্তে করে বলতে পারলাম, ‘‘শুয়োরটা তার নিজের বাচ্চাকেই খেয়ে ফেলেছে রে মবিন। বাচ্চার মাকেও...’’। ...এরপরই সবকিছু অন্ধকার হয়ে গেল চারপাশে...।"

--একটা কলার খোসা থেকে কত বড় ঘটনার জন্ম! হাস্যরসাত্মক গল্পের ইতি এভাবে হবে ভাবতেই পারিনি। এক কথায় চমৎকার সমাজ সচেতনতা মূলক গল্প। ভালো লেগেছে খুব।


৩. ডিল্যুশন-(গেম চেঞ্জার)


"শোন, দেশপ্রেম হলো একটা ভ্রান্তি! মানুষ ঠকানোর ছল। যদি দেশপ্রেম বলে কোন কিছুর অস্তিত্ব থাকতো, তাইলে ঐ যে মুনিম খান, উপজেলা চেয়ারম্যান সে সেইটা বেশি চর্চা করতো, ঐ যে এহসান শহিদ, এমপি। সে সেইটা বেশি জানতো! তোগোর হেডমাস্টারে করে দেখাইতো! তোরা দেইখ্যা দেইখ্যা শিখতি।
ঐ বালের এম-পি নিজেই বর্ডার থাইক্কা টনের পর টন বিদেশি মদ-হেরোইনের ব্যবসা করে কোটিপতি হইতেছে থানা পুলিশরে ক্ষেমতা দিয়া আটকাইয়া। ঐ ওসি কি করে জানিস? ঘুষ খাইয়া গরিব মাইনশের মামলা না নিয়া জুলুমগারগো পক্ষে কলম লিখে। ঐ শালারপুত সাংবাদিক সেইটারে সাপোর্ট কইরা পত্রিকা ভইরা দেয়। এইসব দেইক্ষা তোগোর বড় ভাইরা বিদেশে গিয়া পরিবার লইয়া আরামে আছে। তারা ঐসব দেশের আইন মানে। সেইসব দেশের উন্নত থাইক্কা আরো উন্নত করতে কাম কাজ করে। আর আমরা এইখানে ভেজাল খাইয়া, ক্যান্সার লইয়া, অসুখ লইয়া এইখানে পইচ্চা আছি।
ক্যান পইচ্চা আছি জানিস?.........."

এক্কেবারে বাস্তব ধর্মী একটা গল্প। আমরা ছোটবেলায় কেউ যখন প্রশ্ন করে "বড় হয়ে কি হতে চাও?" আমরা এর উত্তর দেই মুখস্থ। আসলে আমরা অনেকেই মন থেকে কথাগুলো বলিনা। ডাক্তার হয়ে গরীবের সেবা করবো কিংবা পুলিশ হয়ে দেশের সেবা করবো বলি ঠিকি তা আমাদের মনের কথা নয়। গল্পে গল্পে এমন বিষয়ই তুলে ধরা হয়েছে।

৪. জুঁই-সামিয়া ইতি:

অনলাইনে বিভিন্ন রোবটিক চ্যাট অ্যাপস পাওয়া যায়। অনেকেই এই রোবটকে বাস্তব মানুষ মনে করে চ্যাট করতে থাকে। এক পর্যায়ে রোবটের প্রেমে পড়ে যায় কেউ কেউ। শেষমেশ দেখা করতে বললে রোবটিক অ্যাপস আর চ্যাট করে না। এমনই গল্পের প্রেক্ষাপট। জুঁই একটি চ্যাটবুট সফটওয়ারের নাম। গল্পের নায়ক সত্যি ভেবে তার সাথেই প্রেম করতে থাকে।

শেষটা জানতে হলে অবশ্যই বইটি পড়তে হবে। সবটা বলে দিলে তো মজাই শেষ..........

৫. এক ডলার ছাপ্পান্ন সেন্ট-সোহানী।

তথাকথিত আধুনিক পরিবারের একজন স্বাধীন অবিবাহিত মায়ের সন্তান লিসা। তার মায়ের একাধিক বয়ফ্রেন্ড। লিসা জানেনা তার বাবা কে। লিসা বড় হতে থাকে পিতৃস্নেহ ছাড়াই। এক পর্যায়ে লিসার মাও লিসার সাথে থাকে না। লিসার দিন চলতে থাকে খুব কষ্টে। লিসা সিদ্ধান্ত নেয় বিবাহের আগে কোন ভাবেই সন্তান নিবে না......... এমনই ঘটনার প্রবাহ ধরে এগিয়ে গেছে গল্প। চমৎকার লেখনির বহিপ্রকাশ গল্পটি। একদম যুগোপযোগী। নারী স্বাধীনতার ভয়াবহ রূপ দেখানো হয়েছে গল্পে........


৬. ভালোবাসার জাল বুনেছি- শিখা রহমান


""বাইরের দরজা বন্ধ করে বহ্নি শোবার ঘরের বিছানায় এসে বসলো। ও ঠোঁট চেপে কান্নার দমক সামলাচ্ছে; আবীর জানে না কিন্তু ও আসলেই একটা বিষাক্ত মাকড়শা, Black Widow। একবছর আগে ঠিক আজকের দিনটাতে রণো ঠিক ওর ঠোঁটের মতো বেগুনী হয়ে গিয়েছিলো। এতো অভিমানী হয় মানুষ? বিয়ে হয়ে যাচ্ছে বলে বহ্নির মানুষটা চুপচাপ ঘুমের ওষুধ খেয়ে মরে যাবে? একবারো বললো না যে “বিয়ে করো না”; শুধু কষ্টে বেগুনী হতে হতে চিরকুট লিখে গেলো “আমার মৃত্যুর জন্য কেউ না শুধু একটা রানী মাকড়শা দায়ী।“

বহ্নি দেয়াল বেয়ে ওঠা মাকড়শাটার দিকে তাকিয়ে বললো “রণো...মিছেমিছি তুমি জাল বুনে যাচ্ছ। রানী মাকড়শাটা সেই কবেই তোমার ভালোবাসার জালে আষ্টেপৃষ্টে জড়িয়ে গেছে। আমার বোকা মাকড়শা...ভালোবাসার জাল বুঝি কেউ ছাড়াতে পারে? কিন্তু আমার জাল তুমি কাটলে কেন বলতো? খুব অভিমানী ছিলে যে...বেশী বেশী ভালোবাসা পেতেই বুঝি ভালোবাসার জাল ছিড়েছো? তুমি ফেরারী আর আর আমি? সেই কবে থেকে বাঁধা পড়ে আছি.....আর কতোদিন তোমাকে একা একা ভালোবাসবো বলতো? আমি যে এখনো অপেক্ষা করে আছি...এখনো...” """ দারুণ লেখনীর অসাধারণ গল্প। এ ছাড়া আর কিছুই বলার নেই।


=== অনুগল্প===


১. সীমাবদ্ধতা-সুমন কর

গল্প পড়ে বুঝলাম নায়ক নায়িকার ধর্ম আলাদা বলে সমাজ তাদের সম্পর্ক মেনে নিচ্ছে না। নায়িকা পালিয়ে যেতে বলছে কিন্তু নায়ক তাতে রাজি নয়।

২. কৃষ্ণজল- মনিরা সুলতানা

গল্পটি সম্পর্কে আমি কোন মন্তব্য করবো না। মনিরা আপু কাজটা ঠিক করেন নি। একটি ছোট গল্প লিখতে পারতেন।

=== কবিতা===

১. অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার পর- রাবেয়া রাহীম

" মায়ের অপেক্ষায় যে পথ শেষ হয় সে পথে চেয়ে থাকি
পশ্চিম আকাশে গোধূলির লাল আভা ছড়িয়ে পড়ছে
প্রার্থনার জন্য শেষ্ঠ সময়; কাঁদবারও!"

দারুণ কবিতা। চোখ ছলছল করার মতো। ভালো লাগবেই আপনার।

২. মিথোজীবিতা--জাহিদ অনিক


"তর্জনী উঁচিয়ে মুখের যেখানটা'য় ঠেসে ধরলে চুপ হয়ে যাওয়া বোঝায়-
ঠিক সেখানটায়; উপরের ওষ্ঠে তোমার প্রথম খাঁজ।
কিছুটা বাঁকা- কিছুটা রুক্ষ;
শীতে ফেটে যাওয়া ক্ষত যেন উপশম নেই - যত্ন আত্তি নেই অনেকদিন।
নিজ ওষ্ঠাধর কখনো ছুঁয়ে দিয়েছ আঙ্গুলের ডগায়?
ওটা যেন বর্ষার জল গড়িয়ে চলার অগভীর স্রোতস্বিনী।"

--জাহিদ অনিকের কবিতার কথা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না। যেমন তার কবিতার ভাষা তেমনই গভীর ভাব।

৩. আমি তোমার জলকাব্য হবো-কাজী ফাতেমা ছবি


"তুমি মাঝি হও ছোট ডিঙার! কি হবে? চলো ডিঙা ভাসাই অথৈ জলে
আমি তোমার জলকাব্য হবো! কি লিখবে ছন্দ আমায় নিয়ে-মন নেবো আজ ছলে
ভেবেছিলে চুপটি বসে থাকবে একাকি! একটু চোখ ফিরাও মন রাজ্যের সুলতান
তুমি হবে আমার গোধূলিয়ার রঙ বাহারী কুহু সুরের মুলতান?
ফিরে তাকাও না-গভীর ভাবনার বেড়াজালে তুমি বন্দি
নাকি আমাকে পরাজিত করবে বলে-মনে আঁটছো কোনো ফন্দি?"

-- কি দারুণ কবিতার ভাষা, কি তার ছন্দ। ভাবের গভীরতারও কমতি নেই। কবিতাটি পড়ে মনে হতে পারে বই কেনাটাই স্বার্থক!

৪. এক থালা ভাত- অক্ষর অনিক

"ভাতাররে ভাষায় খাইলো, পোলা দুইডারে স্বাধীনতায় খাইলো
বাজানডারে রাজাকারে খাইলো
হামারে কেউ খায় না!
হামি কি বেশি কিছু চাইছিলাম!
হামারে একথালা ভাত দে,
হামি পোলা দিমু, ভাতার দিমু, বাজান দিমু
আর তুই আমারে এক থালা ভাত দে!"

-- এ যেন কবিতা নয় এক মহাকাব্য। '৫২ থেকে '৭১-এর অপূর্ব সংযোগ ঘটেছে কবিতায়।

=== ছড়া===

১. বীরপুরুষ- কি করি আজ ভেবে না পাই!

"যে হারায়, সে-ই বুঝে
মায়ের কি মমতা;
অপূর্ব নেয়ামত
কি অসীম ক্ষমতা!"

-- একটি ছোট্ট খোকার বেড়ে উঠা এবং মা হারানোর গল্প। চোখ ছলছল করে উঠলেও অবাক হবো না। সত্যিই অসাধারণ লেখনি।

-- দু'টি বানান ভুল ছিলো: দুখ (দু:খ ) মধূর (মধুর)

২. মা- আলভী গাংনি

"মাকে ভালোবাসি
মাগো তোমায় ভালোবাসি
আজকে শুধু নয়
তোমায় আমি বাসবো ভালো
সারা জীবনময়!"

-- মাকে নিয়ে লেখা ছড়াটিও অসাধারণ হয়েছে।


৩. সেকালের শ্বশুর বাড়ি- শহিদুল ইসলাম প্রামাণিক


" এখন বুঝি শ্বশুরগুলো
আগের মত নাই
নতুন নতুন বিয়ে করেও
শান্তি পাই না তাই।"

-- একখান মজার ছড়া। পড়বেন আর হাসবেন। বেশি আনন্দে মিষ্টি বানান মিস্টি করে ফেলছেন প্রামানিক দা!

===রম্য===

১. নিজে বাঁচলে দিগম্বর মামার নাম- গিয়াস উদ্দিন লিটন

-- প্রতিটি লাইনে লাইনে রম্য। পড়বেন আর হাসবেন।

সতর্কতা: গল্পটি পড়ার সময় কোন ভাবেই লুঙ্গি পড়া যাবে না। কারন হাসতে হাসতে লুঙ্গি খুলে গেলে গল্পকার দায়ী নন!


===প্রচ্ছদ সমাচার এবং সম্পাদকীয়===

১. প্রচ্ছদের উপরে লেখা সম্পাদনা- শায়মা, গিয়াস উদ্দিন লিটন। আসল নাম তো শায়মা হক!
২. প্রচ্ছদের ভিতরে কিছু কথা লেখা আছে, যেখানে ব্লগের নাম লেখা আছে "সামহ্যোয়ার ইন ব্লগ!" বানানটি আসলে "সামহোয়‍্যার ইন...ব্লগ"
৩. দেড় পৃষ্ঠার সম্পাদকীয়তে ৯টি বানান ভুল! যা কোন ভাবেই মেনে নেয়ার মতো না। বইয়ের নাম যতবার উল্লেখ করা হয়েছে ততবার ভুল করা হয়েছে। সম্পাদকীয়তে বলা হয়েছে "লেখাজোখা সংকলন!" আসল বানান হলো "লেখাজোকা সংকলন।"


সহজ স্বীকারোক্তি: ব্লগটি প্রায় অর্ধেক লেখার পর হঠাৎ করে কম্পিউটার বন্ধ হয়ে যায়। ফলাফল সব নতুন করে লিখতে হলো। অনেকগুলো লেখায় আলোচনায় আনতে পারিনি। সময় করে আপডেট করে দেব। ভুলভ্রান্তি মার্জনীয়।

সবশেষে চমৎকার একটি সংকলনের জন্য লেখাজোকা টিমকে অবশ্যই ধন্যবাদ দিতে হবে। লেখাজোকা দীর্ঘজীবী হোক। ভালো থাকুক এর সাথে সংশ্লিষ্ট সবাই।


মন্তব্য ৮৫ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (৮৫) মন্তব্য লিখুন

১| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:৩৪

সূর্য পুত্র ও চাঁদ কন্যা বলেছেন: স আ নেওয়াজের গল্পটি পড়ে না বুঝার কিছু নেই।

গল্পের শেষে নায়ক মারা গেছেন ।
বিধ্বস্থ প্লেনের ধ্বংসাবশেষ থেকে পাওয়া ডায়েরী পড়ছে মেয়েটি। যার পাশে বসে আছে মৃত আত্মা! একটি অসাধারন গল্প।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:৫৭

হাবিব স্যার বলেছেন: প্রথম মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। এখন বুঝলাম।

২| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:৩৯

সূর্য পুত্র ও চাঁদ কন্যা বলেছেন: প্রথমে সংকলনের নাম ছিলো লেখাজোখা। শেষ মূহুর্তে নীলভাইয়া বানানটাকে লেখাজোকা না লেখাজোখা হবে সেটা ভেবে বলতে বলেন। কয়েকজনের সাথে আলাপ আলোচনার পরে লেখাজোকা করে দেওয়া হয়। কিন্তু ভেতরের নামগুলি বদলাতে ভুলে গেছেন হয়তো ভাইয়া। মানে সম্পাদকীয়তে। :)

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:৫৮

হাবিব স্যার বলেছেন: এটা আমি আপনি মানলেও অনেকেই বইটির সম্পাদকীয় পড়ে সন্তুষ্ট হবেন না।

৩| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:৪৪

সূর্য পুত্র ও চাঁদ কন্যা বলেছেন: সম্পাদকীয়তে ৬ বার লেখাজোখা লেখা হয়েছে। আরও ৩ টা বানান কি কি ভুল? :)

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:০৫

হাবিব স্যার বলেছেন: সহযোগীতা, আনুরাগী, মলাটবন্ধী

৪| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:৪৪

সুমন কর বলেছেন: চমৎকার পোস্ট মডেম করেছেন। সমালোচনা ঠিক এমনটিই কাম্য।

বানানের (সহজ) এতো ভুল মেনে নেওয়া কষ্টকর।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:০৬

হাবিব স্যার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ সুমন ভাইয়া। সুন্দর মন্তব্য করেছেন

৫| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:৫১

সূর্য পুত্র ও চাঁদ কন্যা বলেছেন: আসল নামও শায়মা হক না! :)

আর সামহ্যোয়ার ইন ব্লগও আসল নাম না....সামহোয়্যার ইনও আসল নাম না .....

আসল নাম Somewhereinblog :)

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:০৭

হাবিব স্যার বলেছেন: আসল নাম যেটাই হোক একই বইয়ের দুই জায়গায় দুই রকম নাম গ্রহনযোগ্য নয়। ব্লগের বাংলা নামের বানান ব্লগ পাতার একদম নিচেই আছে, দেখুন।

৬| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১:৫৪

আরোগ্য বলেছেন: বাহ্ এক বইতে এতো গুণী ব্লগারদের সমাহার। খুব ভাল লাগলো।
শুক্রবার যাবো ইনশাআল্লাহ। আপনি কখন যাবেন?

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:০৯

হাবিব স্যার বলেছেন: আরোগ্য আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ, আমি যেতে পারবো কিনা জানিনা। তবে যদি যাবার সুযোগ হয় আপনাকে অবশ্যই জানাবো।

৭| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৩:১৮

বলেছেন: এক ডলার ছাপ্পান্ন সেন্ট -- হৃদয় নিংড়ানো ধন্যবাদ ও শুভ কামনা সব লেখক ও কবিয়ালদের।


ভালে লাগলো খুব।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:১০

হাবিব স্যার বলেছেন: সব মিলিয়ে বইটি পাঠক প্রিয়তা পাবে এমনটাই কামনা। অনেক ধন্যবাদ লতিফ ভাই, আপনার মন্তব্যের জন্য।

৮| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ভোর ৫:৫৮

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখাজোকাতে একা "কাওসার চৌধুরী"র যেই পরিমাণ ভুল আপনি ধরেছেন, ঐ লেখা কি করে বইমেলার সংকলনে গেলো? উনি শিক্ষা ব্যবস্হা নিয়ে লিখেছেন? সারছে, উনাকে শুধু গরুর রচনা নয়, ছাগলের রচনাও মুখস্হ রাখতে হবে, দেখছি।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:১২

হাবিব স্যার বলেছেন: এটা সম্পাদনার ভুল অথবা যিনি প্রিন্ট করেছেন তার ভুল। প্রুফ রিডিং হলে এমনটা হতো বলে মনে হয় না।

৯| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:৪৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: খুব কঠিন একটি কাজ করেছেন আপনি। তবে আপনি অল্প কয়েকজন ব্লগারের লেখার ভুল বের করেছেন যেটা বাকিদের লেখার ভেতরেও বের করা সম্ভব। ইতি সামিয়া যে সব শব্দ এবং বাক্য ব্যবহার করেছেন লেখায়, সেগুলো ফেসবুক বা ব্লগের পাতায় মানায়, ছাপানো বই এর পাতায় নয়। আজকের দিনের কবিতা বুঝি না তাই কোন মন্তব্যও করতে পারছি না কবিদের ব্যপারে।

হুমায়ুন আহমেদের কোন একটি সাক্ষাৎকারে একবার পড়েছিলাম উনার বই লেখার অভিজ্ঞতার কথা। বই লিখতে প্রায়ই উনি চলে যেতেন নির্জন কোন এক স্থানে। শহুড়ে কোলাহল থেকে দূরে, স্ত্রী সন্তানদের থেকেও দূরে। আর যখন বাড়ীতে লিখতেন, তখন স্ত্রী গুলতেকিনের ওপড় বয়ে যেত ঝড়। এই লিখছেন , আবার দলা পাকিয়ে ফেলে দিচ্ছেন সেই কাগজ। একটি লেখা শেষ করার পর শুরু হত আরেক যুদ্ধ। সেটা প্রুফ রিডিং এর যুদ্ধ । বেশ কয়েকজন প্রুফরিডার মিলে তার বই প্রফ রিডিং করত। কিন্ত প্রুফ রিডাররা নাকি কিছুতেই তাকে সন্তুষ্ট করতে পারতো না। এতটাই পারফেকশনিস্ট ছিলেন তিনি।একটা বই ছাপানোর পেছনে কতজনের পরিশ্রম ছিল তখন তাই ভাবছি।পাঠককে বাস্তব জগত থেকে কল্পনার জগতে নিয়ে যাওয়াটাতো এত সহজ ব্যাপার নয়। আজকের দিনে যারা বইমেলায় বই ছাপাতে চলে যায় তারা কজন এভাবে ভাবে?

একারনেই যারা লেখালেখিতে আগ্রহী তাদের উচিৎ পত্র পত্রিকায় লেখা ছাপানোর চেষ্টা করা। নিজের প্রতিভা যাচাই না করেই এইভাবে বই ছাপাতে চলে যাওয়াটা কোন অবস্থাতেই বুদ্ধির পরিচয় নয়। বইমেলার বই কিনে পাঠক প্রতারিত হবার অভিযোগ এই কারনেই উঠছে।

২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:২১

হাবিব স্যার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে শ্রদ্ধেয় ঢাবিয়ান ভাই। কিছুটা কষ্ট হয়েছে বটে, তবে বই প্রকাশের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট যারা তারা যদি দেখতো আরো ভালো হতো। সামিয়া ইতির গল্পটা কি আপনি পড়েছেন? যতটুকু এখানে আছে তা কিন্তু আমার লেখা, গল্পের সারকথা বলার চেষ্টা করেছি সংক্ষেপে.......

হুমায়ূন আহমেদ স্যারের লেখা একারনেই পাঠক প্রিয়তা পেত। কোন লেখা পড়ার সময় এলোমেলো বাক্য বা বাক্যের মাঝখান থেকে শব্দ মিসিং খুবই বিরক্তিকর। বুঝাই যাচ্ছে এই বইয়ের প্রুফ রিডিং হয়নি। সম্পাদনার কাজে যারা ছিলেন তাদেরকে আরো সতর্ক হওয়া উচিত ছিলো। আশা করি এমন ভুল তারা করবেন না।

এমনটা যদি কন্টিনিউ হয় তাহলে নতুনদের বই কেউ পড়তে আগ্রহী হবে না।

১০| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:১০

নতুন নকিব বলেছেন:



সুন্দর রিভিউ। অবশ্যই কষ্টসাধ্য কাজ। তাও আবার দু'বার করে লিখতে হয়েছে। যাক, আপনার কষ্ট স্বার্থক। কারণ, এরকম একটি সংকলনে বানানগত সমস্যাসহ এত অসংলগ্নতা থেকে যেতে পারে, নিতান্তই আশাতীত। লেখাজোকা'র পাঠক মাত্রেরই আপনার এই প্রতিক্রিয়া কাজে দিবে।

যা হোক, তারা তাদের পরবর্তী সংস্করণে আশা করি ভুলগুলো শুধরে নিতে সক্ষম হবেন।

অনেক ভালো থাকুন। শুভকামনা সবসময়।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:২৫

হাবিব স্যার বলেছেন:



নকীব ভাই, আসসালামুআলাইকুম। দীর্ঘদিন পর ব্লগে এলাম। অসুস্থতার কারনে ব্লগ থেকে দূরে ছিলাম। এখন কিছুটা সুস্থ, আলহামদুলিল্লাহ।

আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। আপনার মতো আমিও বলতে চাই "তারা তাদের পরবর্তী সংস্করণে আশা করি ভুলগুলো শুধরে নিতে সক্ষম হবেন।" অনেক ভালো থাকবেন সবসময়। শুভ সকাল

১১| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:২৪

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ধন্যবাদ, হাবিব ভাই। লেখাজোখা নিয়ে আপনার রিভিউটি করার জন্য। আপনি খুব মনযোগ দিয়ে পড়েছেন বলেই এই ভুলগুলো ধরা পড়েছে। তবে, একটি কথা না বললেই নয়; যারা লেখালেখি করেন তারা বানান বিশারদ নয়। এজন্য প্রকাশনীগুলো পেশাদার প্রুফ রিডার দিয়ে কমপক্ষে তিনবার চেক করিয়ে নেয়। আর সর্বশেষ লেখক নিজে প্রুফ দেখেন। এটাই আমাদের প্রচলিত নিয়ম। এছাড়া নামকরা প্রকাশনীতে সম্পাদকীয় প্যানেল থাকে। পৃথিবীর কোন লেখকের লেখা হুবহু ছাপা হয় না, প্রুফ না দেখে।

এজন্য বানান ভুলের দায়ভার লেখকের উপর বর্তায় না।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:২৮

হাবিব স্যার বলেছেন: আসসালামুআলাইকুম আওসার ভাই, আশাকরি ভালো আছেন। সম্পাদকীয় প‌্যানেল আরেকটু সময় পেলে হয়তো এই ভ্রান্তিগুলো হতো না। পরবর্তী সংকলনে এই বিষয়গুলোর প্রতি সম্পাদকমন্ডলী নজর দিবেন আশা করি।

১২| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:০৬

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন: আপনার রিভিউ দেখলে মেজাজ খারাপ হয়। আগের পোস্টগুলোতে নীল আকাশের মন্তব্য পড়ে নিন।

## ৮২- ৩২= ৬৪- ৯= ৫৫
১৩২- ৫২= ১৬৯- ২৫= ১৪৪.... (কিছুই বুঝলাম না!)

এখানে টাইপিং ইরর আছে। শেষের ২ কে পাওয়ার হিসেবে ধরতে হবে।

৮^২- ৩^২= ৬৪- ৯= ৫৫
১৩^২- ৫^২= ১৬৯- ২৫= ১৪৪
১^২ ১^২ ২^২=৬= ৩×২
১^২ ১^২ ২^২ ৩^২= ১৫= ৩ ×৫
ক্লিয়ার?


সামনে থেকে টাইপ করা দেখেছি। যারা টাইপ করে, পুরো বাক্য একবার পড়ে টাইপ করে। মানে পেজটা শেষ করলেই বাঁচি, এমন অবস্থা। প্রুফ রিডাররাও সব ভুল ধরে না/ধরতে পারে না। এসব কমন ব্যাপার। তবে আমাদের সবাইকে সচেতন হওয়া দরকার, এমন ভুল না হওয়াটাই কাম্য।

ঢাবিয়ান ও কাওসার চৌধুরীর মন্তব্যকে সমীহ করছি।


সামুর নামদেখে হাসি পাচ্ছে, আসলে হবে কোনটা!!??
সামহোয়্যার ইন...ব্লগ?
somewhere in... blog?
সামহোয়্যার ইন...নেট লিমিটেড?

পুনশ্চঃ উপরে নীচে দেখে লাভ নেই, সামুর নামঃ "সামহোয়্যার ইন ব্লগ"(https://www.somewhereinblog.net)। সূর্য পুত্র ও চাঁদ কন্যা নিকটা শায়মার। একটু বুঝে শুনে প্রতিউত্তর হবে। ঠিক আছে...

পরিশ্রমী পোস্টের জন্য ধন্যবাদ

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:৩৩

হাবিব স্যার বলেছেন:




রিভিও দেখলে মেজাজ খারাপ কেন হয় বুঝলাম না!!! একটু বলবেন কি?

আর নীল আকাশ ভাই যা বলেছিলো তা আমি পজেটিভলি নিয়েছি। আপনি আপনার কথা বলুন।

এখন বুঝতে পেরেছি, আসলে পাশের ২ বর্গের জন্য। আপনাকে ধন্যবাদ।

ঠিক আছে বুঝলাম।

সুন্দর মন্তব্যের জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ

১৩| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১০:১০

পাঠকের প্রতিক্রিয়া ! বলেছেন:
১^২ +১^২ +২^২=৬= ৩×২
১^২ +১^২ +২^২ +৩^২= ১৫= ৩ ×৫

মাঝে যোগ হবে। আমি ঠিকই টাইপ করেছি। সামুতে আসে নি। এর দায়ভার সামুর.. :P

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:৩৪

হাবিব স্যার বলেছেন: বুঝতে পেরেছি আপু, ধন্যবাদ আপনাকে। শুভ সকাল

১৪| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:০০

নীলপরি বলেছেন: খুবই পরিচ্ছন্ন ,নির্মোহ পোষ্ট । ভালো লাগলো ।

শুভকামনা

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:৩৫

হাবিব স্যার বলেছেন: নীলপরি, আপনাকে অনেক ধন্যবাদ প্রশংসার জন্য। শুভসকাল

১৫| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৩৩

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: আমি কিনেছি পড়ার সময় হচ্ছে না,বানানের বিষয়ে আসলেই আরো একটু যত্নবান হওয়া দরকার ছিল আপনার লেখা পড়ে মনে হচ্ছে। দারুণ রিভিউ কোন তেল মারামারির ব্যাপার নেই।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:৩৭

হাবিব স্যার বলেছেন:



অনেক ধন্যবাদ তারেক ভাই, আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
চেষ্টা করেছি নিরপেক্ষ মতামত প্রদানের জন্য।
পাঠ শেষে আপনার প্রতিক্রিয়াও জানাতে পারেন।

শুভসকাল

১৬| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:৫৪

সৈয়দ তাজুল বলেছেন:
হাবিব ভাই,



প্রামানিক ভাইয়ের মত প্রায় সকলের লেখাই ব্লগ থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে মনে হয়। আর ব্লগকে সকলেই নিজের প্রিয়তমা/প্রিয়তম ভেবেই সময় দেন। যতটুকু সম্ভব সব দিকে খেয়াল রেখে পোস্ট করেন। তারপরও অনেকে ব্যস্ততার কারণে দ্রুত লেখা প্রকাশ করতে গিয়ে বানানের দিকে দৃষ্টি দিতে পারেন না। সেজন্য বানান ও শব্দগঠনে অনেক অপরিমার্জিত থেকে যায়।

যাই হোক, আপনি দ

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:৪০

হাবিব স্যার বলেছেন:



তাজুল ভাই, আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। বুঝতে পেরেছি। কিন্তু একটা সংকলনের জন্য লেখার বানান এবং বাক্যের অসংলগ্নতা মেনে নেয়া কষ্টকর। তার মধ্যে আবার আকাঙ্খিত একটা সংকলন। আশাকরি পরবর্তী সংস্করনে ভুলগুলো শুধরে নেয়া হবে। শুভসকাল

১৭| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:১৯

রাজীব নুর বলেছেন: ধন্যবাদ পোষ্টের জন্য।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:৪১

হাবিব স্যার বলেছেন: ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য।

১৮| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ২:৪৪

জাহিদ অনিক বলেছেন:

এই সমালোচনামূলক রিভিউ আমার খুব ভাল লেগেছে।
আমিও দেখেছি কিছু ভুলভ্রান্তি রয়ে গেছে মুদ্রণে।
সেগুলোকে বরং ভেবে নিচ্ছি-- ভ্রান্তিবিলাস।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:৪৩

হাবিব স্যার বলেছেন: জাহিদ অনিক ভাই, সুন্দর প্রশংসামূলক মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। মুদ্রণজনিত ভ্রান্তিবিলাস পরবর্তীতে দূর হবে আশা করি। ভালো থাকবেন প্রিয় কবি।

১৯| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:০৪

সম্রাট ইজ বেস্ট বলেছেন: হাবিব ভাইকে অসংখ্য ধন্যবাদ। রিভিউ খুব সুন্দর হয়েছে। সমালোচনাটাও উপভোগ্য। বর্তমানে বের হওয়া বইগুলোতে এমন কমন কিছু সমস্যা থেকেই যাচ্ছে। লেখকদের এ ব্যাপারে আরও মনোযোগী হওয়া উচিত। তবে তাঁদের বইয়ে যতই সমস্যা থাকুক, সামুর ব্লগার হিসেবে সবগুলো বইই পড়ার উপযুক্ত বলে আমি মনে করি। আর ভুলত্রুটিগুলো আশা করি দ্বিতীয় মুদ্রণে সংশোধন হয়ে যাবে!
কিন্তু একটা কথা থেকেই যাচ্ছে, আমি আবার একটু খুঁতখুঁতে পাঠক। ভুল বানানের বই পড়া আমার জন্য একটু পীড়াদায়ক। আমার মতই যারা খুঁতখুঁতে স্বভাবের আর বানান নিয়ে যাদের মাথাব্যথা আছে তারা হয়ত বইগুলো কিনতে ততটা আগ্রহী হবে না। যদিও আমার ইচ্ছে আছে সবগুলোই কেনার। তাই সংশ্লিষ্ট সবাইকে বানানের ব্যাপারে আরও মনোযোগী হতে অনুরোধ করছি। সেই সাথে বাক্যগঠনের ব্যাপারটাও মাথায় রাখতে হবে।

লেখক-লেখিকা সবাইকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা! আর হাবিব ভাইকেও সুন্দর ও গঠনমূলক রিভিউয়ের জন্য ধন্যবাদ।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:৪৭

হাবিব স্যার বলেছেন:




সম্রাট ভাই, ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য। বানান ভুল আবার বাক্য গঠনে অসংলগ্নতা, এমন বই কেউই পড়তে চাইবে না। বাক্যগঠনের ব্যাপারে আরো সতর্ক হওয়া দরকার ছিলো। আশাকরি আমার পরবর্তীতে এমন ভুল আর হবে না।

গঠনমূলক মন্তব্যের জন্য আপনাকেও ধন্যবাদ সম্রাট ভাই।

২০| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:১০

মেহেদী হাসান হাসিব বলেছেন: উপভোগ্য সমালোচনা-মূলক রিভিউ । জবাব নেই! ++++

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:৪৯

হাবিব স্যার বলেছেন: হাসিব ভাই, প্রশংসামূলক মন্তব্যের জন্য আপনাকে ধন্যবাদ। শুভ সকাল

২১| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:২০

চাঁদগাজী বলেছেন:

সুমন কর বলেছেন: চমৎকার পোস্ট মডেম করেছেন। সমালোচনা ঠিক এমনটিই কাম্য। বানানের (সহজ) এতো ভুল মেনে নেওয়া কষ্টকর।

@সুমন কর,
"পোস্ট মডেম"টা কি ধরণের জিনিষ? আপনার লেখাও আছে সংকলনে?

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:৫২

হাবিব স্যার বলেছেন: মন্তব্য করার সময় বানান ভুল ছিল, আশা করি বুঝতে পেরেছেন। যেমন আপনি "ধরনের" কে "ধরণের" এবং "জিনিস" কে "জিনিষ" লিখেছেন।

২২| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:২৭

চাঁদগাজী বলেছেন:


ব্লগার কাওসার চৌধুরী উপরে ১ মন্তব্যে বলেছেন, "এজন্য বানান ভুলের দায়ভার লেখকের উপর বর্তায় না। "

-মনে হয়, বানান ভুলের দায়ভার পাঠকের ঘাঁড়ে চাপিয়ে দেয়ার সময় হয়েছে! জয় ২১সে ফেব্রুয়ারী।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:৫৩

হাবিব স্যার বলেছেন: বানান ভুলের দায় বর্তায় সম্পাদকের উপর। কিছুটা লেখকের উপরও। আর কাওসার ভাইয়ের মন্তব্য দেখে মনে হচ্ছে রাগ করেছেন।

২৩| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৫২

ইব্‌রাহীম আই কে বলেছেন: কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ......এজন্য বানান ভুলের দায়ভার লেখকের উপর বর্তায় না।

চাঁদগাজী বলেছেন: -মনে হয়, বানান ভুলের দায়ভার পাঠকের ঘাঁড়ে চাপিয়ে দেয়ার সময় হয়েছে! জয় ২১সে ফেব্রুয়ারী।

বিষয়টা আসলে ভাবার মতো, আসলে দায়ভারটা কার উপর বর্তায়!

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:৫৫

হাবিব স্যার বলেছেন: বানান এবং বাক্য গঠনের ব্যাপারে লেখক সম্পাদক আরো যত্নবান হবেন আশাকরি।

২৪| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৩২

ঢাবিয়ান বলেছেন: যা অবস্থা দাড়িয়েছে তাতে মনে হচ্ছে প্রুফরিডিং এর দ্বায়িত্বও পাঠকের। সব ভুলভাল সংশোধন করে তারপর বই পড়তে হবে পাঠককে!!


২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৮:৫৮

হাবিব স্যার বলেছেন: ভুলভ্রান্তি থাকলে বই পড়তে যে কারোরই বিরক্তি এসে যাবে। পাঠকেরা এমন বই আশা করেন না। বই প্রকাশের ব্যাপারে আরো সতর্ক হওয়া প্রয়োজন।

২৫| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৪:৫৭

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় হাবিব ভাই,

পাঠ প্রতিক্রিয়া হিসেবে এক্সেলেন্ট ! কিন্তু বইটি কালেক্ট করার সুযোগ না থাকার জন্য মন্তব্য প্রদানে বিরত থাকলাম ।


গোটা পরিবারবর্গের সঙ্গে শুভকামনা ও ভালোবাসা জানবেন।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:০০

হাবিব স্যার বলেছেন:




প্রিয় দাদা, আপনার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। আশাকরি ভালো আছেন।

আপনার ঠিকানা দিয়েন আমার বইগুলো আপনাকে পাঠিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করবো ইনশাআল্লাহ।

আপনার ও আপনার পরিবারের জন্যও শুভকামনা এবং ভালোবাসা রইলো

২৬| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০১

সুমন কর বলেছেন: @চাঁদগাজী , ওটা পোস্টমর্টেম হবে।

ব্লগে টাইপ করলে, বিভিন্ন কারণে কিছু ভুল হয়। পরে সেটা আর এডিট করা যায় না, আমি দেখেছিলাম কিন্তু এডিট করার অপশন নাই। এটা নিয়ে ব্লগে মাঝে কিছু কথা হয়েছিল।

আমার পোস্টগুলোতে যেয়ে দেখুন, সবচেয়ে কম ভুল হয় (হতে পারে) আমার লেখাগুলোতে। আমি যখন নিয়মিত লিখতাম, তখন আপনি ছিলেন না। তাই এগুলো আপনার জানার কথা না।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:০২

হাবিব স্যার বলেছেন: মন্তব্যের বানান ভুল আমি ধরি না। ভুল হতেই পারে। আপনার লেখায় বানান ভুলের পরিমান অনেক কম। আপনার জন্য শুভকামনা। ভালো থাকবেন সুমন ভাই

২৭| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪০

বলেছেন:
কাওসার চৌধুরী বলেছেন: ......এজন্য বানান ভুলের দায়ভার লেখকের উপর বর্তায় না।

চাঁদগাজী বলেছেন: -মনে হয়, বানান ভুলের দায়ভার পাঠকের ঘাঁড়ে চাপিয়ে দেয়ার সময় হয়েছে! জয় ২১সে ফেব্রুয়ারী।
ইব্‌রাহীম আই কে বলেছেন---বিষয়টা আসলে ভাবার মতো, আসলে দায়ভারটা কার উপর বর্তায়


লেখতে লেখতে লেখক, আর পড়তে পড়তে পাঠক, পাঠক একসময় লেখক, লেখক আজীবন পাঠক, চলো পাঠশালায় যাই, শেখার শেষ নাই।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:০৩

হাবিব স্যার বলেছেন: ধন্যবাদ লতিফ ভাই, মন্তব্যের জন্য। বই প্রকাশের ব্যাপারে আরো সতর্ক হলেই হবে।

২৮| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:১৭

সোহানী বলেছেন: মেনি থ্যাংস হাবিব, আপনার রিভিউ এর জন্য অপেক্ষায় ছিলাম।

এবার আসি আত্মপক্ষ সমর্থনে কিছু কথা : জেসন যখন লিখা চাইলো সে সময়টা আমি ভয়াবহ বিজি ছিলাম। খুব দ্রত লিখাটা ওকে দিয়েছিলাম আল্লার নাম নিয়ে কারন যেখানে মাথার উপর লিটন ভাই আর শায়মা আছে সেখানে এতো চিন্তার কিছু নেই...হাহাহাহা

সরি, জানি কিছু বানান এবং বাক্য গঠন নিয়ে ঝামেলা আছে এবং এর দায়ভার লেখক, সম্পাদক, প্রকাশক (কোন কোন ক্ষেত্রে পাঠক :P ) দায়ী। এবং এটি যেহেতু প্রথম প্রকাশনা তাই অনেক কিছু শেখার আছে সবার ভবিষ্যতের জন্য।

তাই সবাইকে ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ থাকলো।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:১৮

হাবিব স্যার বলেছেন: সোহানী আপু, মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ জানবেন। আপনার গল্প আমার কাছে ভালো লেগেছে। আপনার আত্মপক্ষ সমর্থনও ভালো লাগলো। সম্পাদক মন্ডলী সতর্ক হলে টুকটাক ভুল হবে না আশা করি। সব সময় ভালো থাকবেন। লেখাজোকার জন্য শুভকামনা।

২৯| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:৪৯

ঢাবিয়ান বলেছেন: @ সোহানী , আপনারা দ্বায়িত্বশীল ব্লগার। বইমেলায় বই ছাপিয়ে রাতারতি কবি সাহিত্যিক বনে যাওয়াটা আপনাদের শোভা পায় না। বইমেলায় নবীন লেখকদের বই নিয়ে যেসব অভিযোগ শোনা যায়, তাতে এই ব্লগের ব্লগারদের অন্তর্ভুক্তির বিষয়টা খুবই দুঃখজনক। তাই অনুরোধ করব লেখক হবার প্রচলিত নিয়ম কানুন পালন করুন এবং অন্যদেরও উৎসাহিত করুন। খুব খুশি হব যেদিন দেখব এই ব্লগের ব্লগারদের লেখা পত্রিকায় ছাপা হচ্ছে।

আপনি ঢাবির একজন প্রাক্তন ছাত্রী। তাই আপনার কাছে সরাসরি এই অনুরোধটা করলাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক অঙ্গন অনেক ঐতিহ্যবাহী। এই দেশের নামকরা অধিকাংশ কবি সাহিত্যিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই গৌরবময় ঐতিহ্য রক্ষার দায়ভার আমাদের সবার।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:২১

হাবিব স্যার বলেছেন: ভাই ঢাবিয়ান, আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। ভালো লাগলো আপনার কথাগুলো। মন্তব্যটি আমারও কাজে লাগবে। সতত সুন্দর থাকুন

৩০| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:১৩

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন:

ঢাবিয়ান বলেছেন- খুব খুশি হব যেদিন দেখব এই ব্লগের ব্লগারদের লেখা পত্রিকায় ছাপা হচ্ছে।

@ ঢাবিয়ান,

এই ব্লগের একজনের লেখা অনেক আগে থেকে এই পত্রিকায় ছাপা হচ্ছে- কার্যকর রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন সংস্থা পরিচালনা করুক গণপরিবহন

দিতাম না। কিন্তু, আপনি ব্লগারদেরকে কলামিস্টদের চেয়ে ছোট করে দেখছেন।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:২৪

হাবিব স্যার বলেছেন: আপনার লিংকটি ওপেন হচ্ছে না।

৩১| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:১৬

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: view this link

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:২৫

হাবিব স্যার বলেছেন: সত্যপথিক ভাইয়া, আপনার মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ

৩২| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:১৭

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন:
দিব্য প্রকাশ থেকে পুর্বে আমার দুটি বই বেরিয়েছে। প্রথম বইটার কথা বলছি। প্রথমে পাণ্ডুলিপি পাঠিয়েছি। প্রেসে যাওয়ার আগে প্রকাশক আমাকে মেইল করলেন- পাণ্ডুলিপিটি আমরা তিনবার চেক করেছি, তাঁর পরও ফাইনালি দেখে দেয়ার জন্য আপনাকে একটু আসতে হবে। আমি সে সময় বাড়ীর কাজে খুব বিজি ছিলাম। এটা প্রকাশককে জানালে তিনি জানালেন- লিখকের অনুমোদন ছাড়া আমরা পাণ্ডুলিপি প্রেসে পাঠাই না। অগত্যা উভয় পক্ষের আলাপচারিতায় প্রকাশক স্পেশাল কুরিয়ারে আমার কাছে ওরিজিনাল পাণ্ডুলিপির হার্ড কপিটি পাঠিয়ে দেন। এত চেকের পরেও আমি পাণ্ডুলিপিতে ৪৮ টি সংশোধনী এনেছিলাম।
উপরের এই প্রক্রিয়াটি ‘লেখাজোকা’র বেলায় অনুসরণ করা হয়নি। লিখকদের লিখা গুলি আমি এবং শায়মার কাছে মেইলে এসেছিল। আমার গুলির বানান চেক করে আমি শায়মার কাছে পাঠিয়েছি, শায়মার গুলিও অনুরূপ। দুই বার চেক করার পর আমরা পাণ্ডুলিপি প্রকাশকের কাছে প্রেরণ করি। সেই থেকে মলাটবন্ধী হওয়া পর্যন্ত বাকি কাজ সন্মানিত প্রকাশক করেছেন।
বইটিতে একটা বানান ভুলও আমাদের কাম্য ছিলনা।বইটি এখনো হাতে পাইনি।তাই বলতে পারছিনা কোথায় ফল্ট হয়েছে। লিখকদের লিখা সম্পাদনের অধিকার সম্পাদকের থাকে। আমাদেরকে কোন লিখক বলেননি যে, তাঁর লিখা সম্পাদনা বা বানান শুদ্ধ করা যাবেনা। সেই হেতু বানান ভুলের দায় কোন মতেই লিখকের নয়।
এ দায় সম্পাদকের। যেহেতু আমরা প্রেসে যাওয়ার আগে পাণ্ডুলিপিটি চেক করার সুযোগ পাইনি বা চেক করিনি তাই প্রকাশককেও আমরা এর দায় দিতে পারিনা। এটাও সম্পাদকের দায় বলে মনে করছি।
পরিশেষে, লেখাজোকার সকল ত্রুটি,বিচ্যুতির দায় আমাদের, সকল কৃতিত্বের ভার লিখক ও পাঠকের বলেই আমি মনে করছি।
যৌথ সম্পাদনায় এটা আমাদের প্রথম কাজ। আগামীতে সুযোগ পেলে সকল ত্রুটি বিচ্যুতি কাটিয়ে উঠার আশা রাখছি। লেখাজোকার সকল পাঠকের নিকট কৃতজ্ঞতা ও ক্ষমার দরখাস্ত রইল।
লেখাজোকা নিয়ে চমৎকার রিভিউ ও সমালোচনার জন্য শ্রদ্ধেয় হাবিব স্যার’কে ধন্যবাদ।


পুনশ্চঃ ===রম্য===

১. নিজে বাঁচলে দিগম্বর মামার নাম- গিয়াস উদ্দিন লিটন

-- প্রতিটি লাইনে লাইনে রম্য। পড়বেন আর হাসবেন।

সতর্কতা: গল্পটি পড়ার সময় কোন ভাবেই লুঙ্গি পড়া যাবে না। কারন হাসতে হাসতে লুঙ্গি খুলে গেলে গল্পকার দায়ী নন!
লাইন কয়টিকে আমি রীতিমত প্রশংসাপত্র মনে করছি।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:২৯

হাবিব স্যার বলেছেন: প্রিয় ভাই গিয়াস উদ্দিন লিটন, আপনার এমন সুন্দর মন্তব্য এবং নিজের কাঁধে সব দোষ নিয়ে যে বক্তব্য রাখলেন তাতে আপনার প্রতি আমার শ্রদ্ধাবোধ বেড়ে গেলো।

আপনার সরলতা আমাকে মুগ্ধ করেছে। ভালো থাকবেন সবসময়।

৩৩| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১০:১৮

অপু দ্যা গ্রেট বলেছেন:



কাল তো যাচ্ছি কিনে পড়ে তারপর মন্তব্য করব

তবে আপনার কল্যানে অনেক কিছুই পড়ে ফেলেছি ।

হেহেহেহেহ

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৩১

হাবিব স্যার বলেছেন: অপু ভাই, বই কি কিনেছেন? পাঠ প্রতিক্রিয়া জানাবেন নিশ্চয়।

৩৪| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:১২

মনিরা সুলতানা বলেছেন: ধন্যবাদ হাবিব স্যার ! আমার লেখা নিয়ে কোন মন্তব্য না করার জন্য, কারন আমার লেখা নিয়ে আমি নিজেও মন্তব্য করতে চাই না :)

আপনার রিভিউ যত পড়ছি মুগ্ধ হচ্ছি, সব সময় সবার সব লেখা নজর কাড়ে না সত্যি, কিছু কিছু বিষয়ে অনেকের ই স্বভাবসুলভ স্বাভাবিক গুন থাকে। আপনার রিভিউ গুলো আমার ভাললেগেছে।

শুভ কামনা, আপনার পরবর্তী পাঠ প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় রইলাম।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৩৬

হাবিব স্যার বলেছেন: মনিরা আপু, আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ। আপনার কাছ থেকে ছোট গল্প আশা করেছিলাম। এতো অল্প লেখায় আপনাকে মানায় না। আশা করি ভবিষ্যতে ঠকাবেন না আমাদের কে। আমার রিভিউ নিয়ে আপনার এমন প্রশংসা আমাকে নতুন করে প্রেরণা দিল। সময় করে পরবর্তী প্রতিক্রিয়া দিবো ইনশাআল্লাহ। দোয়া করবেন।

৩৫| ২১ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১১:৩৯

কাওসার চৌধুরী বলেছেন:



ব্লগার চাঁদগাজীকে বলছি; আপনি একজন সিনিয়র ব্লগার। লেখাজোখা সংকলনটি সংশ্লিষ্ট লেখকরা সম্পাদনা করেনি; লেখার প্রুফ দেখেননি। এজন্য এজন্য মুদ্রণজনিত কোন ভুলের দায়ভার লেখকের নয়। এর দায়ভার সংশ্লিষ্ট সম্পাদনা পরিষদ ও প্রকাশনীর।

আশা করি, বিষয়টি আপনার অজানা থাকলে এ বিষয়ে অভিজ্ঞদের কাছ থেকে জেনে নেবেন। নিজেকে সবজান্তা শমশের না ভাবাটা বুদ্ধিমানের কাজ।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৪১

হাবিব স্যার বলেছেন: প্রিয় কাওসার ভাই, আপনার কথা ঠিক আছে। গিয়াস উদ্দিন লিটন ভাই দায় স্বীকার করে নিয়েছেন। মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ আপনাকে। শুভ রাত্রি

৩৬| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ১২:০৬

নীলসাধু বলেছেন: শুভেচ্ছা রইল।
খুবই পরিশ্রমী রিভিউ হয়েছে।
যে সব ভুল ভ্রান্তি চোখে পড়েছে সে সব এড়িয়ে আগামীতে আরো সুন্দর প্রকাশনা হবে এ কামনা করি।
সম্পাদনা প্রুফ রিডিং ইত্যাদি কাজে পর্যাপ্ত সময় পাইনি আমরা। কাজগুলো দ্রুতই করতে হয়েছে।
আশা করছি সময় নিয়ে করলে আগামীতে আরো ভালো কাজ হবে।
তবে আশার কথা বইয়ে ভুল থাকা নতুন বা অস্বাভাবিক কিছু নয়। ভাষা বাক্য গঠন বানান এই তিন ক্যাটাগরীতে ভুল নেই এমন বই পৃথিবীতে এখনো প্রকাশিত হয়নি।
ভুল আছে সব বইয়ে।
এটাই স্বাভাবিক। কম বা বেশি।

শুভকামনা।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৮:৫৪

হাবিব স্যার বলেছেন: নীল ভাইয়া, আপনার সুন্দর ও আন্তরিক মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ জানাচ্ছি। লেখাজোকার জন্য শুভকামনা। যত কম ভুল হবে বইয়ের মান ততই উন্নত হবে। আগামীতে এমন ভুল এড়িয়ে আরো নির্ভুল বই হাতে পাবো আশা করি। ভালো থাকবেন সবসময়। শুভরাত্রি।

৩৭| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:০০

ঢাবিয়ান বলেছেন: @সত্যপথিক শাইয়্যান, আপনি ভুল বুঝেছেন । আমি লেখক হবার প্রচলিত নিয়ম কানুন অনুসরন করার ব্যপারে জোড় দিয়েছি , লেখকদের দীর্ঘমেয়াদী সাফল্যের জন্য। কাউকে ছোট করার উদ্দেশে নয়।

লেখিকা নাসরিন জাহান সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন -
বইমেলায় এখন সারাদিন ‘বই উন্মোচন’ হয় আর টেলিভিশনে দেখানো হয়। এদের অনেক বই-ই যাচ্ছে তাই। আমরা প্রচুর কষ্ট করে লেখা ছাপাতাম। সাহিত্য পাতায় লেখা ছাপতাম। এসব তরুণ প্রজন্মকে জানাই। সবসময় বলি, পত্রপত্রিকায় দিয়ে লেখাটা পরিচিত করো আগে সাহিত্য মহলে। আমরা কিন্তু অনেক জুনিয়র অবস্থায় আনিসুজ্জামান এবং আরো অনেকের কাছে যেতাম। জানতে চাইতাম লেখা কিছু হলো কিনা। তখন লেখকরা আমাকে অনেক সহযোগিতা করতেন। এখন তারা করে কিনা জানিনা।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:০০

হাবিব স্যার বলেছেন: আপনি একদম ঠিক বলেছেন। ধন্যবাদ ভাইয়া

৩৮| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৭:২৪

হাবিব স্যার বলেছেন: অসুস্থতার কারনে ঠিক সময়ে মন্তব্যের জবাব দিতে পারলাম না.. সবার কাছে ক্ষমা চাচ্ছি! দোয়া করবেন

৩৯| ২২ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১:৪৫

সত্যপথিক শাইয়্যান বলেছেন: @ঢাবিয়ান, ভুল বুঝায় আমি দুঃখ প্রকাশ করছি। আশা করি মনে কিছু নিবেন না।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:১২

হাবিব স্যার বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। ভালো থাকবেন।

৪০| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ৯:৩৩

সোহানী বলেছেন: @ঢাবিয়ান বলেছেন : আপনারা দ্বায়িত্বশীল ব্লগার। বইমেলায় বই ছাপিয়ে রাতারতি কবি সাহিত্যিক বনে যাওয়াটা আপনাদের শোভা পায় না।

প্রিয় ঢাবিয়ান: আপনি কি বইটি পড়েছেন? না পড়ে অন্যের রিভিউ এর উপর ভি্ত্তি করে কোন উপসংহারে আসা দ্বায়িত্বশীলতার পরিচয় দেয় কি? বইতে যেসকল লেখক/ব্লগারদের লিখা ছাপা হয়েছে তাদের লিখালিখির পরিসংখ্যানটা জানার অনুরোধ করছি। প্রায় প্রত্যেকেই লিখালিখির জগতে অনেকভাবেই ভূমিকা রেখেছেন। তাই তারা কেউই বইমেলায় বই ছাপিয়ে রাতারতি কবি সাহিত্যিক বনে যাওয়ার চেস্টা অন্তত করেনি।

ঢাবিয়ান বলেছেন : অনুরোধ করব লেখক হবার প্রচলিত নিয়ম কানুন পালন করুন এবং অন্যদেরও উৎসাহিত করুন। খুব খুশি হব যেদিন দেখব এই ব্লগের ব্লগারদের লেখা পত্রিকায় ছাপা হচ্ছে।

প্রিয় ঢাবিয়ান: একটু সংশোধন করি, আমরা যারা সামুতে লিখি তার ক'জন লেখক হবার জন্য ব্লগে লিখছে তা আমার জানা নেই। অন্তত আমি যাদেরকে চিনি তারা কেউই তা নিয়ে চিন্তা করে না। তাই প্রচলিত নিয়ম কানুন এর কোন দরকার আছে কি? আর পত্রিকায় ছাপা হলেই কি সে ভালো লেখক হবে? আমার অন্তত ১০টা লিখা বিভিন্ন পত্রিকায় দেখেছি, যা আমার অনুমতির ধার ধারেনি। তাহলে কে লেখক হলো আমি নাকি ওই চোর?

@ঢাবিয়ান বলেছেন : আপনি ঢাবির একজন প্রাক্তন ছাত্রী। তাই আপনার কাছে সরাসরি এই অনুরোধটা করলাম। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংস্কৃতিক অঙ্গন অনেক ঐতিহ্যবাহী। এই দেশের নামকরা অধিকাংশ কবি সাহিত্যিক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়েছেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সেই গৌরবময় ঐতিহ্য রক্ষার দায়ভার আমাদের সবার।

ভাই ঢাবিয়ান, এটা বলে কাকে আপনি হাসালেন বুঝতে পারলাম না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্রী বলে গৌরবময় ঐতিহ্য রক্ষার দায়ভার নিজের কাধেঁ নেবার মতো যথেষ্ট যোগ্য আমি নই। আমি সাহিত্যের গৌরবময় ঐতিহ্য রক্ষা করতে পারবো না বলে কি সব লিখালিখি ছেড়ে দিবো?

যাহোক, কথা বলার জন্য অনেক কিছুই বলা যায় কিন্তু বাস্তবতা অনেক ভিন্ন আশা করি তা আপনি জানেন! আর বইটা পড়ে আপনার নিজস্ব রিভিউ দেবার অনুরোধ থাকলো অন্যের পড়ার উপর ভিত্তি করে নয়।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:১৪

হাবিব স্যার বলেছেন: লেখাজোকার জন্য শুভকামনা রইলো। শুভরাত্রি সোহানী আপু

৪১| ২৩ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ সকাল ১১:২৬

খায়রুল আহসান বলেছেন: বইটি সবেমাত্র গত রাতে কিনলাম। ব্লগার জ্যাসন (কি করি... না পাই) গিফট করতে চেয়েছিলন, আমি রাজী হইনি।

বইটি না পড়ে বইটির উপর কোন মন্তব্য করাটা সমীচীন হবে না, তবে রিভিউ এর উপরে বইটি না পড়েও কিছু কথা অবশ্যই বলা যায়। রিভিউ এর বক্তব্য যুক্তিপূর্ণ, রিভিউ লেখক চেষ্টা করেছেন যথেষ্ট উদ্ধৃতির মাধ্যমে তার বক্তব্যকে সুসংহত করতে। একটি ত্রুটিহীন কিংবা কম ত্রুটিযুক্ত বই প্রকাশের জন্য, বিশেষ করে ভুল বানান, ভুল বাক্যবিন্যাস, যতিচিহ্নের ভুল, ইত্যাদি ত্রুটি থেকে বইকে মুক্ত করার জন্য প্রকাশক, লেখক, সম্পাদক - এই ত্রয়ের যৌথ প্রয়াস প্রয়োজন, এবং প্রত্যেককেই এ ব্যাপারে আবশ্যিকভাবে কিছুটা সময়ও দিতে হয়। একুশে বইমেলার প্রাক্কালে বই প্রকাশনার সময় প্রকাশকের হাতে মোটেই সময় থাকে না, প্রুফ রীডারগণও কাজের চাপে দায়সাড়া ভাবে কাজ করে যান। এর অবশ্যম্ভাবী ফল- ত্রুটিযুক্ত বই প্রকাশ। যেমনটি এক্ষেত্রে হয়েছে বলে আমার বিশ্বাস। ভবিষ্যতে এ ধরণের কাজ সেপ্টেম্বর/অক্টোবরে হাতে নিলে বইকে অনেকটা ত্রুটিহীনভাবে ছাপানো সম্ভব হবে বলে আমি মনে করি।

যাহোক, ত্রুটির কারণে বই কিনে যদি কোন পাঠক আশাহত হন, এর দায়ভার অবশ্যই কোনক্রমেই পাঠকের উপরে বর্তায় না। আলোচ্য ক্ষেত্রে এর দায়ভার বর্তায় প্রধানতঃ সমাদকদ্বয়ের ওপর এবং কিছুটা অবশ্যই প্রকাশকের উপরেও, কারণ বই ছাপানোর আগে পেশাদার প্রুফ রীডার দিয়ে পান্ডুলিপি পরীক্ষা করানোটা প্রকাশকের দায়িত্ব। তার পরেও যদি লেখক/সম্পাদক তাদের মূল পান্ডুলিপি পরিবর্তনে অনিচ্ছুক থাকেন, সেটা আলাদা কথা।

আমি গিয়াস উদ্দিন লিটন কে আন্তরিক অভিনন্দন জানাচ্ছি (৩২ নং মন্তব্য), একজন সম্পাদক হিসেবে অকুন্ঠচিত্তে ভুলভ্রান্তিগুলোর দায়িত্ব স্বীকার করে নেয়ার জন্য। এ দায় সম্পাদকের। যেহেতু আমরা প্রেসে যাওয়ার আগে পাণ্ডুলিপিটি চেক করার সুযোগ পাইনি বা চেক করিনি তাই প্রকাশককেও আমরা এর দায় দিতে পারিনা। এটাও সম্পাদকের দায় বলে মনে করছি। - এভাবে দায় স্বীকার করতে হলে সাহসের প্রয়োজন। নৈতিক বলিষ্ঠতা ও সচ্চরিত্র ছাড়া এ সাহস আসে না।

যতই ত্রুটি থাক, লেখাজোকা এর দুই সম্পাদক কে ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন জানাচ্ছি এমন একটা মহতী উদ্যোগ নিয়ে, যারা কোন কারণে নিজে বই প্রকাশ করতে পারেন নি বা পারছেন না, তাদের লেখাকে ছাপার অক্ষরে প্রকাশ করে উৎসাহিত করার জন্য। সকল লেখককেও অন্তর থেকে অভিনন্দন জানিয়ে তাদের উত্তরোত্তর সাফল্য কামনা করছি।

রিভিউটির জন্য হাবিব স্যার কে এবং কিছু প্রাণবন্ত আলোচনার জন্য মন্তব্যকারী পাঠকগণকেও ধন্যবাদ।
সবাই ভাল থাকুন, সবাইকে শুভেচ্ছা----

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:২২

হাবিব স্যার বলেছেন: খায়রুল আহসান ভাই, আপনার সুন্দর প্রশংসামূলক মন্তব্যের জন্য প্রথমেই ধন্যবাদ জানাই। আপনি বইটি কিনেছেন জেনে ভালো লাগলো। আপনার মতো করে পাঠ প্রতিক্রিয়া আশা করছি। আলাদা পোস্ট না হলেও মন্তব্যে জানাবেন, কেমন লাগলো। একেবারে নিরপেক্ষ মতামত।

বইমেলার অনেক আগেই লেখকেরা বই প্রকাশের ব্যাপারে উদ্যোগী হবে বলে আশা করি। তাতে করে বইয়ের ভুলের সংখ্যা কমে আসবে।

গিয়াস উদ্দিন লিটন ভাইয়ের এমন সাহসের জন্য অবশ্যই ধন্যবাদ পাবার যোগ্য।

লেখাজোকার জন্য শুভকামনা। পরবর্তীতে ভুলগুলো শুধরে নেয়া হবে আশা করি।

প্রিয় খায়রুল ভাই, সতত সুস্থ ও সুন্দর থাকুন। শুভরাত্রি।

৪২| ২৪ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৫

আরোগ্য বলেছেন: হাবিব স্যার মন্তব্যে আপনার অসুস্থতার কথা জানলাম। এর আগে আমার পোস্টে বলেছিলেন আয়েশা ভাবি ও আন্টি অসুস্থ। আশা করি আল্লাহর রহমতে এখন সবাই আগের চেয়ে সুস্থ আছেন। ব্লগে আপনার আগমন কামনা করছি।

২৫ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ রাত ৯:২৮

হাবিব স্যার বলেছেন: আরোগ্য, আলহামদুলিল্লাহ। এখন সবাই সুস্থ আছি আল্লাহর রহমতে। ব্লগে আগের মতো সময় দিতে পারবো না বোধহয় নিজের ব্যস্ততার কারনে। তবে সবসময় প্রিয় এই ব্লগটাতে আসার জন্য মন আঁকুপাকু করে। আল্লাহ আপনাকেও সুস্থ রাখুন সব সময়। শুভ রাত্রি।

৪৩| ২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ দুপুর ১২:০০

বিলিয়ার রহমান বলেছেন: ত্রুটি বিচ্যুতির দায়ভার বই সংশ্লিষ্ট সকলের।
একজন পাঠক হিসেবে আপনি অবশ্যই একটা নিখুঁত বইয়ের প্রত্যাশা করে থাকবেন।

লেখাজোকা ত্রুটিদোষে কতটা দুষ্ট আমি জানিনা (ত্রুটি বের করার মতো এক্সপার্ট নই) । তবে “লেখাজোকা” বইটির সাথে সংশ্লিষ্ট সকলকে কে ধন্যবাদ এবং অভিনন্দন জানাচ্ছি এমন একটা মহতী উদ্যোগ এর জন্য।

লিটন জ্বির মন্তব্যটা ভালো লেগেছে।

+

২৬ শে ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ বিকাল ৩:৩৯

হাবিব স্যার বলেছেন: প্রত্যাশার এবং ভালোবাসার একটি বইয়ের ত্রুটিহীন কপি যে কেউ আকাঙ্খা করবে আমার মতো। লেখাজোকার পরবর্তী সংকলনে সব ত্রুটি দূর হবে আশা করি। বিলিয়ার রহমান ভাই, মন্তব্যের জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

লিটন ভাইয়ের মন্তব্যটি আমার কাছেও ভালো লেগেছে।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.