নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চলে যাব- তবু যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ, প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল।

হাবিব স্যার

বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর, সবার আমি ছাত্র।

হাবিব স্যার › বিস্তারিত পোস্টঃ

আঁধার রাতের গল্প: পর্ব-০৩

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৫৯



মুখ থেকে পেষ্টের ফেনা ফেলে একটা মুচকি হাসি দিলো ফরহাদ। সে হাসি লাইলি হয়তো খেয়াল করেনি। খেয়াল করলে অবশ্যই লজ্জা পেতো। ভেজা চুল গামছায় পেঁচিয়ে খোঁপা করতে করতে রান্নাঘরে গেলো লাইলি। ও তাকাচ্ছে না দেখে ফরহাদও আর কিছু বললো না।

রান্না শেষ হবার আগেই ফরহাদ খাবারের জন্য তাগাদা দিয়ে গেলো একবার।
- হাসপাতালে যেতে হবে, খাবার নিয়ে আসো তাড়াতাড়ি।
- আপনে বহেন, আনতাছি। হইছে পরাই......

চৈত্রের দিনগুলোতে সকাল ৯ টা বাজতেই সূর্য প্রায় মাথার উপর উঠে আসে। বেশ গরম পড়ে। খাওয়া-দাওয়া শেষ করেই ফরহাদ বেরোবে হাসপাতালের উদ্দেশ্যে। তাই একটু তাড়াহুরো করছে। লাইলির গলায় পেঁচানো ওরনায় হাত মুছতে মুছতে স্টীলের টিফিন বাটিটা হাতে নিলো ফরহাদ। ওর এমন কান্ড দেখে লাইলি কিছুই বলে না। শুধু মিষ্টি করে হাসে। ফরহাদও হাসে ওর সাথে তাল মেলাতে গিয়ে।

টিফিনের বাটিটা হাতে করে একটা সিগারেটে টান দিয়েই বেড়িয়ে পড়লো ফরহাদ। পৌঁছাতে একঘন্টা লেগে যাবে। হাসপাতালে দর্শনার্থীদের জন্য গেট খুলে সকাল আটটার সময়। ফরহাদ পৌঁছাতে পৌছাতে ১০টা বেজে গেছে। গিয়ে দেখে ফরহাদের শ্বশুড় বাড়ির লোকজন এসেছে। তারা যে ফলগুলো এনেছিলো সেগুলো খাচ্ছিলো ফরহাদের বৌ। ওয়ার্ডে রোগীর সাথে কাওকে থাকতে দেয়া হয়নি বলে ফরহাদের বৌকে কেবিনে ভর্তি করানো হলো। সাথে থাকবে ফরহাদের শ্বাশুড়ি। মেয়ের এমন দূর্দিনে সে কি বাড়িতে বসে থাকতে পারে? হাজার হোক মেয়ে তো!

কয়েক দিনের চিকিৎসায় ফরহাদের বৌ অনেকটাই সুস্থ এখন। ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করতে পারে। হাঁটতেও পারে। সে এখন বাড়িতে যেতে চায়। কতদিন সে তার সাজানো সংসার দ্যাখেনা...! সন্তানদের জন্যও মন কেমন করছে। এর মধ্যে ছোট ছেলেটাকে একবার নিয়েও আসা হয়েছিলো। তারপরও, সে আর হাসপাতালে থাকতে চায় না। এখানে তো আর খরচ কম হচ্ছে না। সব যাচ্ছে তার বাবার বাড়ি থেকে। তার স্বামী তো আর খরচ করছেনা। আর কত আনবে ও বাড়ি থেকে!

হাসপাতাল থেকে ছাড়িয়ে বাড়িতে নিয়ে আসলো ফরহাদ তার বৌকে। কিন্তু তার মনে এখন অন্য চিন্তা। বৌয়ের অনুপস্থিতিতে লাইলির সাথে যেভাবে মিশেছে এখন আর তা সম্ভব হবে না। সে লাইলিকে ছাড়তেও চায় না। লাইলিকে সে ঘর বাঁধার স্বপ্ন দেখিয়েছে। লাইলি যখন বলতো "এক বৌ রাইখ্যা আমারে বিয়ে করবেন ক্যামনে? সমাজে কি মাইনা নিবো?" ফরহাদ তখন নানা কথা বলে ভুলিয়ে রাখতো লাইলিকে।

একদিন ফরহাদের বৌয়ের চোখে ধরা পড়ে যায় ফরহাদ আর লাইলি। তাদেরই রান্নাঘরে। সেদিন থেকে লাইলিকে আর এ বাড়িতে আসতে দেয় না ফরহাদের বৌ। কিন্তু না আসতে দিলে কি হবে, তাদের প্রেম কি আর আটকানো যাবে! গ্রামে একটা কথা প্রচলন আছে "গাভী আর বাছুর এক থাকলে দুধ খাওয়াতে সমস্যা হয় না"। ফরহাদ আর লাইলির ক্ষেত্রে কথাটা একেবারেই ঠিক। এতোদিন তো বাড়ির ভিতরে করতো এখন বাইরে করে। গ্রামের জঙ্গলে। একদিন-দুইদিন করতে করতে গ্রামের মানুষের চোখে বাজে তাদের এমন মেলামেশা। চায়ের দোকানে রাজনীতির বদলে হট টপিক এখন ফরহাদ-লাইলির সম্পর্ক। ফরহাদ একটা দিক থেকে ভালো আছে যে বউকে কখনো মার-ধোর করেনা। তার এক কথা, "আমি লাইলিকে ভালোবাসি। ওকে বিয়ে করবো। দুই বৌ খাওয়াতে কোন অসুবিধা হবে না আমার।" কিন্তু সমস্যা তো আরেক জায়গায়। দুজনের জাত ভিন্ন! ফরহাদ খান বংশের আর লাইলি জোলা পরিবারের মেয়ে। সমাজ তো এ সম্পর্ক কিছুতেই মেনে নিবে না! সমাজের মাতাব্বররা বলে দিয়েছে, এই বিয়ে করলে ফরহাদকে সমাজে রাখবে না, এক ঘরে করে দিবে। আবার লাইলির সমাজ থেকে লাইলির বাবা ইলিমউদ্দিনের উপর চাপ! এমন চরিত্রের মেয়ে যে ঘরে আছে সে ঘরের কাউকে সমাজের কোন কাজে রাখা হবে না! ইলিমউদ্দিনের মেয়ের এমন চরিত্রের কারনে সব দোষ বাবার উপর এসে পড়লো। বাবা মেয়েকে শাষন করেনা, শাষন করলে কি আর এমন করতে পারতো! হুমকি-ধমকি আসতেই থাকে বাবা ইলিমউদ্দিনের উপর।

গ্রামে চৈত্রমাসে খাবারের তখন খুব অভাব। সবার ঘরে চাল থাকে না। তার উপর ইলিমউদ্দিন দিন আনে দিন খায়। একদিন কামলা না দিতে পারলে পরের দিন ঊপোষ থাকা ছাড়া উপায় নেই। এ ঘটনার পর থেকে এক প্রকার ইচ্ছা করেই ইলিমউদ্দিন কাজে যায় না। তাকেও কেউ ডাকতে আসে না। সে বছর রমজান মাসে তাদের সমাজে ফেতরা নিলো না। সমাজের ইমাম সাহেবকে মাতাব্বররা বলে দিয়েছে, ইলিমউদ্দিনের মেয়ে জেনা করেছে..., তাদের কারো ফেতরা যেন না নেয়া হয়! তাই করা হলো। ইলিমউদ্দিন অনেক আকুতি-মিনতি করেও কোন লাভ হয়নি। তাদেরকে অঘোষিত ভাবে একঘরে করে দেয়া হলো।

ইদানিং লাইলির শরীরে বেশ পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। যে মেয়েটা খাওয়ার জন্য পাগল ছিলো তার মুখের রুচি যেন হঠাৎ করে হারিয়ে গেলো। সব ধরনের খাবারই গন্ধ লাগে। বমিও হয় মাঝে মাঝে। পেটের নিচ দিকে ফোলা ফোলা মনে হয়। সেলোয়ার কামিছ পড়লে ফোলা ভাবটা আরো ফুঁটে উঠে। ওর মা বিষয়টা বুঝতে পেরেছে। মেয়েকে আর কি বলবে। ওর মা তো সবই জানে। যখন ফরহাদের বাড়ি থেকে লুকিয়ে লুকিয়ে খাবার দিতো ফরহাদ তখন তো লাইলির মা-ই ফরহাদকে প্রশ্রয় দিয়েছে বেশি। মেয়েকে ওর সাথে মিশতে বাঁধা দিতো না। এখন আর কিইবা বলবে লাইলির মা?

চলবে......

মন্তব্য ৩৪ টি রেটিং +৮/-০

মন্তব্য (৩৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:১৪

রাজীব নুর বলেছেন: আপনার লেখার হাত আগেও ভালো ছিল। এখন আরো বেশী ভালো হয়েছে।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:১৭

হাবিব স্যার বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ, রাজীব ভাই তো দায়িত্ব বাড়িয়ে দিলেন প্রশংসা করে।

২| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:১৯

তারেক_মাহমুদ বলেছেন: শেষ হয়ে গেল নাকি? বেশ ভালোইতো চলছিল ।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:২১

হাবিব স্যার বলেছেন: না ভাই, চলবে আরেকটু....... প্রথমে চলবে লিখতে ভুলে গিয়েছিলাম। সাথে থাকার জন্য অনেক ধন্যবাদ রইলো।

৩| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:২০

আরোগ্য বলেছেন: কি স্যার চলবে লিখেন নি কেন?

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:২৩

হাবিব স্যার বলেছেন: প্রথমে ভুলে গিয়েছিলাম। এখন লিখে দিয়েছি, দেখুন। ভালো থাকবেন আরোগ্য।

৪| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:২৬

আরোগ্য বলেছেন: আজকে পড়তে পড়তে বিলাসী গল্পের কথা মনে পড়ছিলো। ভালোই এগোচ্ছে।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৫০

হাবিব স্যার বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ........ আপনার কথা শুনে আস্বস্ত হলাম। সামনের পর্বে আরো মনযোগী হতে চেষ্টা করবো। অনেক ধন্যবাদ আরোগ্য সাথে থাকার জন্য।

৫| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৩৮

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন: ভা‌লোই লাগ‌ছে। সাম‌নে কা‌রো করুণ মৃত্যু দেখ‌তে চাই না। শুভ কামনা।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৫২

হাবিব স্যার বলেছেন: সাজ্জাদ ভাই, গল্পের শুরু থেকে আপনি সাথে আছেন। আপনার মতো আমিও চাইনা কারো করুন মৃত্যু হোক, কিন্তু কপালে যে কি আছে কে জানে? অনেক ধন্যবাদ আপনাকে সাথে থাকার জন্য

৬| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৪০

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ, রাজীব ভাই তো দায়িত্ব বাড়িয়ে দিলেন প্রশংসা করে।

দায়িত্ব নিতে কখনও ভয় পাবেন না।

০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৫৩

হাবিব স্যার বলেছেন: ইনশাআল্লাহ। পাশে থেকে সাহস জোগাবেন আশা করি। ধন্যবাদ রাজীব ভাই।

৭| ০৩ রা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:২৫

বলেছেন:
গল্পে খেয়াল করে দেখলাম ফরহাদের দাম্পত্য কলহ,রক্তক্ষরণ নেই



ভালো লাগলো।



০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:৩১

হাবিব স্যার বলেছেন: গল্পপাঠ এবং মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ লতিফ ভাই।

৮| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১২:০৫

নীলপরি বলেছেন: ভালো লাগলো । আগের পর্ব পড়ে নেবো এবার ।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:৩২

হাবিব স্যার বলেছেন: ধন্যবাদ নীলপরি। আগের পর্ব পড়ে মন্তব্যে জানাবেন কেমন লাগলো।

৯| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১২:৩১

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: প্রিয় হাবিব ভাই,

গল্প যে এরকম কিছু হতে যাচ্ছে সেটা কিন্তু আগেই অনুমান করা গেছিল। ঠিক আছে চেনা পরিবেশে গল্প এগোচ্ছে যখন এগিয়ে যাক। আপাতত পরের পর্বে লাইলির এবরশন না ডবল বিয়ে ,না গ্রাম্য সালিশ- এরকম কিছুর অপেক্ষায় রইলাম।


শুভকামনা ও ভালোবাসা সতত।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:৫৮

হাবিব স্যার বলেছেন: মনোযোগ সহকারে গল্পপাঠ এবং গল্পের পরিনতির একটা আভাস মন্তব্যে রেখে যাওয়ার জন্য প্রিয় পদাতিক ভাইকে জানাই অনেক ধন্যবাদ। গল্পের পরিনতি জানতে আশাকরি শেষ অবধি পাশেই থাকবেন। ভালোবাসা জানানোর জন্য কৃতজ্ঞতা আপনার প্রতি।

১০| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১:২৬

মুক্তা নীল বলেছেন:
ফরহাদের মতো পুরুষরা ছিলো, আছে এবং থাকবে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে, মেয়েরাই মেয়েদের শত্রু। ভালো লিখেছেন।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:০০

হাবিব স্যার বলেছেন: আপনি একেবারেই ঠিক বলেছেন মুক্তা। কথায় বলেনা, অভাবে স্বভাব নষ্ট! এখানেও লাইলির ক্ষেত্রে তাই হয়েছে। লেখার প্রশংসার জন্য অনেক ধন্যবাদ

১১| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:২২

রাজীব নুর বলেছেন: লেখক বলেছেন: ইনশাআল্লাহ। পাশে থেকে সাহস জোগাবেন আশা করি। ধন্যবাদ রাজীব ভাই।

ভালো থাকুন। সুস্থ থাকুন।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:০১

হাবিব স্যার বলেছেন: আপনিও সপরিবারে ভালো থাকুন সুস্থ থাকুন! ধন্যবাদ

১২| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:০৫

গিয়াস উদ্দিন লিটন বলেছেন: আপনার লিখার সাথে আগে পরিচিত হইনি ।
এই পর্বগুলি পড়ে মুগ্ধ হলাম।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৪২

হাবিব স্যার বলেছেন: লিটন ভাই, আপনার এমন ভূয়সী প্রশংসা আমাকে মুগ্ধ করলো।

১৩| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৫৪

নীল আকাশ বলেছেন: হাজার হোক মা তো। মেয়ে হবে না।

ফেতরা নয় ফিতরা হবে। লাইনটাও ঠিক করতে হবে। এই ভাবে-
সেই বছর সবাই মিলে উনাকে ফিতরা পাবার অনুপযুক্ত ঘোষনা করে। সমাজের মাতব্বর লোকজন মসজিদের ইমাম সাহেবের সাথে মিলে বর্তমান পরিস্থিতি/ মেয়ের এহেন নির্লজ্জ কান্ডকারখানা দেখে এই সিদ্ধান্তে পৌছান যে, ফরহাদের সাথে এই মেয়ে যিনা করেছে। বাপ মায়ের প্রশয় ছাড়া এত বড় সাহস পাবেন এই মেয়ে। তাই এমনতর ঘৃন্য কাজের জন্য সমাজের সবাই মিলে এই পরিবারকে একঘরে করার সিদ্ধান্ত নেয়।

কিছু কিছু ভাব প্রকাশ করার জন্য রূপক অর্থ বা ভাষা ব্যবহার করুন। পড়তে ভাল লাগবে।
ধন্যবাদ।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৪৪

হাবিব স্যার বলেছেন: এমন করেই পাশে থাকবেন বাকি দিনগুলোতে, আশাকরি। সুন্দর সম্পাদনার জন্য ভালোবাসা জানবেন।

১৪| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১:৫৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: গতকালই পড়েছিলাম। মন্তব্য করার সময় পাইনি। শুধু লাইক দিয়ে জানান দিয়েছিলাম। :)

গল্প নিয়ে অবশ্য নতুন করে কিছু বলার নেই। এগুচ্ছে চমৎকার। চলতে থাকুক।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৪৭

হাবিব স্যার বলেছেন: আপনার লাইক দেখে আপনার আগমনের অপেক্ষায় বসেছিলাম। অবশেষে দেখা দিয়ে ধন্য করলেন। গল্পের প্রশংসায় কৃতজ্ঞতা জানিয়ে গেলাম। শুভরাত্রি।

১৫| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৪০

মাহমুদুর রহমান সুজন বলেছেন: গল্পের সাথেই আছি। শেষ পরিণতি গল্পের স্রষ্টার আদলে রচিত হলেই ভালো হয়। পাঠক আমরা তৃপ্তপাঠ চাই। ভাল থাকুন সবসময়।

০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:৫৬

হাবিব স্যার বলেছেন: গল্পের সাথে এতদূর আসার জন্য অনেক ধন্যবাদ সুজন ভাই। পাঠকের পরিতৃপ্তিই আমার কাম্য। কতটুকু পারছি/পারবো জানানাই, তবে নিজের মতো করে চেষ্টা করছি/করবো, ইনশাআল্লাহ। ভালো থাকবেন সবসময়। শুভরাত্রি।

১৬| ০৪ ঠা এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৩১

আহমেদ জী এস বলেছেন: হাবিব স্যার,





পড়লুম এই পর্ব। বাকীগুলোও পড়তে হবে।
ফিতরার ব্যাপারে আমার যে ধন্ধটা ছিলো সহব্লগার নীল আকাশ তা বলে গেছেন আগেই।

চলুক..............

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:০১

হাবিব স্যার বলেছেন: জি এস ভাইয়া, মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ। সাথে থাকবেন আশাকরি।

১৭| ০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৩:৩৭

ডঃ এম এ আলী বলেছেন: গল্পের চমৎকার প্লট
এগুচ্ছে বেশ সাবলিলভাবে ।
এখন নাকি চৈত্রে দেশে খাবারের কোন ্অভাব নেই !!
গল্পের বাকিটা দেখার অপেক্ষায় অঅ থাকলাম ।

শুভেচ্ছা রইল

০৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:০৫

হাবিব স্যার বলেছেন: ড: এম এ আলী ভাই, গল্পের প্রশংসায় ধন্যবাদ জানবেন। শুভেচ্ছা গ্রহন করলাম। সাথেই থাকবেন আশাকরি।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.