নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

চলে যাব- তবু যতক্ষণ দেহে আছে প্রাণ, প্রাণপণে পৃথিবীর সরাব জঞ্জাল।

হাবিব স্যার

বিশ্বজোড়া পাঠশালা মোর, সবার আমি ছাত্র।

হাবিব স্যার › বিস্তারিত পোস্টঃ

আমার শৈশব.....

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৪:৫২



আমি যখন দ্বিতীয় শ্রেণি থেকে তৃতীয় শ্রেণিতে উঠি তখন কিভাবে যেন ক্লাসে ফার্স্ট হয়ে যাই। অতটা ভালো ছাত্র ছিলাম না সে সময়। যোগ-বিয়োগে প্রচুর ভুল করতাম। মুখে বলতাম ৬ কিন্তু লেখার সময় খাতায় ৯ লিখে দিতাম এমন অবস্থা। দুই সংখ্যার ভাগ অংক পারলেও তিন সংখ্যাতে গিয়েই কুপোকাত! কোন ভাবেই মিলাতে পারতাম না। দাগটানা খাতায় বাংলা লেখা বেশ ভালোই ছিলো কিন্তু পরিক্ষার খাতায় লিখতে গেলেই কাকের ঠ্যাং বকের ঠ্যাং হয়ে যেতো। লাইনগুলোকে টেনে কিছুতেই উপরের দিকে রাখতে পারতাম না। বাম দিকে খাতার অর্ধেকটা থাকতেই ডান দিকের অংশ শেষ। নিজের লেখা খাতা নিজেরই ছিঁড়ে ফেলতে ইচ্ছে করতো।

২য় শ্রেণির বার্ষিক পরিক্ষা শেষ করেই বেড়াতে যায় নানার বাড়ি। নানা বাড়ি বেড়িয়ে বাড়িতে এসে সহপাঠি আমার চাচাতো ভাইয়ের কাছে শুনি আমি নাকি প্রথম হয়েছি! বাবা-মা লেখাপড়া না জানলে কি হবে, আমার প্রথম হওয়ার খবরে আমার চেয়ে যেন তাদেরই বেশি আনন্দ। পরের জুমা'বারে বাবা মসজিদে "বাতাসা" দিলো ভালো রেজাল্টের খুশিতে। আর চারিদিকে প্রশংসার বন্যা তো আছেই। বাড়ির সবার আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু তখন আমি। চাচা-চাচিরা তাদের ছেলে-মেয়েদেরকেও বলে, "তোরা কি খাস আর হাবিবুর কি খায়! তোদের নামই থাকে না খাতায়, আর দ্যাখগা হাবিবুর! মায়ের লগে সারাদিন কাম কইরাও ফাস্ট অয়।" আমার সামনে যখন এমন প্রশংসা করা হতো, কি যে লজ্জা লাগতো! চাচিদের কথা আর কি বলবো, আমার মাই বেশি প্রশংসা করতো আমার।

তৃতীয় শ্রেণিতে সে বার কয়েকজন নতুন ছাত্র এসে ভর্তি হলো আমাদের ক্লাসে। তাদের সাথে কিছুতেই পেরে উঠছি না। ক্লাসে ইংরেজি আর গনিত স্যারের বকা নিয়মিতই খাওয়া লাগতো। ক্লাস থ্রির বিজ্ঞানের তখনকার টার্ম আমার কাছে "বোঝা" মনে হতো। "বিজ্ঞান করে অজ্ঞান" টাইপের কথা শুধু মাথায় ঘুরতো। সব মিলিয়ে ক্লাসের পড়াশোনা যাও একটু পাড়বো স্যারদের কটুক্তি আর আমাকে নিয়ে "কি ফাস্টবাবা", "তরে ফাস্ট বানাইছে ক্যারা রে" টাইপের কথাবার্তায় পড়াশোনা আমার কাছে ভীতিকর হয়ে উঠেছিলো। খুব একটা পিটুনি দেয়া হতো না ঠিকই তবে কটু কথাগুলো আমার খুব লাগতো। বিশেষ করে সহপাঠিদের কাছে, আমি তখন "ফাস্টবাবা" হিসেবে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠলাম।

ক্লাস ফোরে আমার রোল নাম্বার হয়ে গেল আট! অবশ্য আমার বাড়ির অন্য চাচাতো ভাই-বোনদের রোল নম্বর তখনো আমার পরে। সে জন্যই রক্ষা। তারা অনেকে একটা-দুইটা বিষয়ে ফেলও করেছে। বাড়িতে এই নিয়ে সমস্যা হয়নি ঠিকই কিন্তু স্কুলে সেই আগের মতো আমাকে নিয়ে কৌতুক চলতোই। ক্লাস ফাইভ থেকে সিক্সে যখন উঠি তখন আমার রোল নম্বর প্রথম পনের জনের মধ্যে ছিলো না। স্কুল থেকে কোনমতে ফাইভ পাশের সনদ নিয়েছিলাম।

ছোট চাচা সে বার দাখিল পরিক্ষার্থী। আমার সহপাঠিরা যারা আমার সাথে পঞ্চম শ্রেণি পাশ করেছে তারা সবাই ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হচ্ছে। আমাকে নিয়ে গ্রামের মাদ্রাসায় ভর্তি করানো হলো ক্লাস ফোরে! কিছুটা মন খারাপ হলো আমার, কিন্তু চাচাকে কিছু বললাম না। শুধু মা বললো, "দুই বছর পিছে?" আমি যে "ফাস্টবাবা" তা যদি মা জানতো তাহলে হয়তো এ কথাও বলতো না। আমার মতোই চুপ থাকতো।

মন্তব্য ৬৪ টি রেটিং +১৩/-০

মন্তব্য (৬৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:০০

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনি ২য় শ্রেণী থেকে ৩য় শ্রেণীতে উঠার সময়, ক্লাশে ছাত্র ছিলেন ১ জন।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:০৫

হাবিব স্যার বলেছেন: তা মোটেও নয়। ক্লাসে প্রায় বিশজন ছাত্র ছিলো।

২| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:০৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


আপনাকে বিশাল বৈরি পরিবেশে পড়তে হয়েছে প্রাইমারীতে, বিশেষ করে শিক্ষকদের দিক থেকে; এই ধরণের শিক্ষকদের কাছে পড়ালেখা হয় না।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:২০

হাবিব স্যার বলেছেন: একেবারেই ঠিক বলেছেন। প্রাইমারির সময়টা আমার কাছে আতংকের মতো ছিলো। এমন শিক্ষকেরা শিক্ষক হবার যোগ্যতাই রাখে না। কি করে যে তারা চকরি পেয়েছিলো আল্লাহই ভালো জানে।

৩| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:০৮

আরোগ্য বলেছেন: ফার্স্টবাবার ফার্স্ট হওয়ার রহস্য কি স্যার? B-)

আমি কিন্তু ছোট থেকেই পড়ালেখায় বেশ ভালো ছিলাম। এজন্য টিচাররাও খুব স্নেহ করতো। তবে আফসোস বোর্ড পরীক্ষার কোনটাতেই ফার্স্টক্লাস পাইনি। :((

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:২৩

হাবিব স্যার বলেছেন:




ঝড়ে বক মরছিলো হয়তো একবার। বারবার কি আর হয়। কিন্তু বাকিটা কালকে বলার ইচ্ছা আছে। মাদ্রাসার সময়ের গল্প। তখন বুঝবেন কিছুটা ।

শিক্ষকদের আদর বা একটু মিষ্টি কথা একজন ছাত্রের পরিবর্ত হওয়ার জন্য অনেক বড় ভূমিকা পালন করে বলে আমি মনে করি। কিন্তু আপনি ফার্স্ট নক্লাস না পাবার কোন কারন দেখছি না।

৪| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:০৯

ভুয়া মফিজ বলেছেন: দুই বছর পিছনে ভর্তি করানো হলো কেন? স্কুল ছাড়াও শৈশবের অন্যান্য স্মৃতি নিয়েও লিখুন।

স্মৃতিচারন ভালো হয়েছে।

এখন লিখলে লাইন ঠিক থাকে? নাকি একটু বাকা হয়? :)

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:২৫

হাবিব স্যার বলেছেন:




জ্বি, আপনি ঠিকই পড়েছেন। দুই বছর। অন্যান্য স্মৃতি নিয়ে লিখার ইচ্ছা আছে। আগামীকাল মাদ্রাসা জীবনের কিছু লিখবো ইনশাআল্লাহ।

হা হা হা..... না, এখন লাইন আঁকাবাঁকা হয়না। সোজা হয়ে গেছে। অবশ্য খেয়াল রাখতে হয়।

৫| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:১৫

চাঁদগাজী বলেছেন:


@আরোগ্য,

আপনি ভুল করছেন, হয়তো; আপনি অবশ্যই ফাষ্ট ক্লাশ পেয়েছেন।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:২৬

হাবিব স্যার বলেছেন: আপনি এতো শিউর হলেন কি করে?

৬| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:১৮

রাজীব নুর বলেছেন: ভালো লাগলো আপনার শিশু কালের গল্প।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:২৬

হাবিব স্যার বলেছেন: ধন্যবাদ রাজিব ভাই।

৭| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৩০

চাঁদগাজী বলেছেন:


@লেখক,

ব্লগার আরোগ্য'কে নিয়ে আমার কমন্টের বিপরিতে আপনি বলেছেন, "লেখক বলেছেন: আপনি এতো শিউর হলেন কি করে? "

-উনার মন্তব্য ও পোষ্টের অবস্হা দেখে শিউর হলাম।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৩২

হাবিব স্যার বলেছেন: এখন দেখি আরোগ্য কি বলেন?

৮| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৮

আরোগ্য বলেছেন: মুরুব্বির মন্তব্য ঠিক আছে, আমিই ভুল করেছি।

এসএসসিতে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে ৪.৭৫, এইচএসসিতে একই বিভাগ থেকে ৪.৬০, বি,এ তে ইংরেজি বিভাগ থেকে ২.৮৫ যদিও এখানে ফার্স্টক্লাস পাইনি তবুও আমি নিজেকে একজন ভালো শিক্ষার্থী হিসেবে দাবী করি। রেজাল্টের মান কখনও একজনের মেধার মানদণ্ড হতে পারে না।

আপাতত সামনের সপ্তাহে ঢাবিতে আরবি ভাষার কোর্স করার ভর্তি পরীক্ষা। সবাই দোয়া করবেন।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০২

হাবিব স্যার বলেছেন: আপনার জন্য দোয়া থাকলো। তবে ঢাকার ভেতরে থাকলে আমিও কোর্সটা করতাম।

৯| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৭

আরোগ্য বলেছেন: সপ্তাহে দুই দিনের ক্লাস এক বছরের জন্য। আশা করি সামনের বছর চেষ্টা করবেন এ বছর ফোর্ম তোলার সময় শেষ।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:০৮

হাবিব স্যার বলেছেন: আমি থাকি ঢাকার ধামরাইয়ে। ঢাকার ভিতরে যাবার ইচ্ছা আছে। দেখি আল্লাহ যদি কবুল করেন।

১০| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১১

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
আমি কখনোই ক্লাসে প্রথম হতে পারিনি।
আফসোস!

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১৪

হাবিব স্যার বলেছেন: ক্লাসে প্রথম হওয়া কখনো মেধার মানদন্ড নয়। অনেকে প্রথম না হতে পারলেও জীবনে সাকসেস হয়।

১১| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:২৫

মোহাম্মদ সাজ্জাদ হোসেন বলেছেন:
লেখক বলেছেন: ক্লাসে প্রথম হওয়া কখনো মেধার মানদন্ড নয়। অনেকে প্রথম না হতে পারলেও জীবনে সাকসেস হয়।

ভাইরে, জীবনেও সাকসেস হয়নি। পদে পদে ব্যর্থতা। সফলতা আমার কাছে সোনার হরিণ। সেই হরিণ চিরঅধরা।

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০১

হাবিব স্যার বলেছেন: কি বলছেন ভাই? আমার তো বিশ্বাসই হচ্ছে না! যাই হোক, আপনার জীবনের সর্বাঙ্গীন সফলতা কামনা করি।

১২| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪৩

জুন বলেছেন: ছোট বয়সেই আমরা সহপাঠীদের মাধ্যমে সবচেয়ে বেশি উত্যক্ত হই। কচি বয়সে এটা মনের উপর প্রচন্ড বিরূপ প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। এই প্রথম শুনলাম টিচাররাও এমন করে থাকে । আর করে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির পর, এই পৈশাচিক/ বিকৃত কাজের নাম র‍্যাগিং।
+

০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২২

হাবিব স্যার বলেছেন: এমন তিক্ত অভিজ্ঞতা যার হয়েছে সে ছাড়া আর কেও এর কষ্ট বুঝবে না। সহপাঠিদের সাথে এমন হওয়াটা স্বাভাবিক হলেও টিচারদের কাছ থেকে এমন ব্যবহার আরো মারাত্মক। অন্যরা শিক্ষকদের কাছ থেকেই উৎসাহ পেয়ে আরো বেশি করে এমন করতে থাকে।

মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ জুন আপু।

১৩| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:১৫

ঢাবিয়ান বলেছেন: পোস্ট ভাল হয়েছে। যারাই মাদ্রাসায় পড়েছে তাদের সবার ক্ষেত্রেই একটা মিল আছে যে, তাদের ইচ্ছার বিরুদ্ধে তাদের মাদ্রাসায় ভর্তি করানো হয় । গ্রামাঞ্চলে একটা ভ্রান্ত বিশ্বাস জারি আছে যে, একজন সন্তানকে মাদ্রাসায় পাঠালে সেই শেষমেষ পিতা মাতাকে বেহেশতে নেবে ! কত শিশুকে যে বলি হতে হয় এই অমানবিক কুসংস্কারের কাছে।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:৫০

হাবিব স্যার বলেছেন:




পূর্বের তুলনায় বর্তমানে মাদরাসা শিক্ষা ব্যবস্থায় পরিবর্তন সাধিত হয়েছে। তবে গ্রামের মাদরাসাগুলো এখনো সেই অবস্থায়ই আছে, কারন শিক্ষকগণ অভিজ্ঞ নয়।

আপনাকে ধন্যবাদ ঢাবিয়ান, মন্তব্যের জন্য।

১৪| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১০:৪২

বলেছেন: আপনার শৈশব টা ধারাবাহিক করুন!
দেখি স্কুলের ফাস্ট বয় মাদ্রাসায় স্কোর কেমন করে?

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:৫২

হাবিব স্যার বলেছেন: জ্বি ল ভাইয়া, সেই চিন্তায় করতেছি। কিন্তু সময়ের সাথে পাল্লা দিয়ে পারতেছি না যে। দোয়া করবেন।

১৫| ০৭ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:৫৩

পদাতিক চৌধুরি বলেছেন: না! দুরন্ত শৈশব নয় বরং এ এক অন্য সকাল। যে সকাল এক রৌদ্রোজ্জ্বল দিনের সূচনা করে। ক্লাস ফোরে তাহলে ফাস্টবাবার মাদ্রাসায় গমন। আরো কিছু শোনার জন্য আগ্রহী হয়ে উঠলাম।

শুভকামনা ও ভালোবাসা প্রিয় হাবিব ভাইয়ের গোটা পরিবারবর্গকে।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:৫৪

হাবিব স্যার বলেছেন: প্রিয় ভাই, আপনার আগ্রহ আমাকে লিখার প্রেরণা জোগাবে। সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ আপনাকে। ভালোবাসা জানবেন।

১৬| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১২:৩০

মা.হাসান বলেছেন: আপনি তাহলে একজন কওমি সন্তান, আমার অভিবাদন ও সালাম নিন।
ক্লাসে ফার্স্ট হইবার আরো একটি তরিকা আছে, সহ ব্লগার অপু তানভীর তার একটি লেখায় বিষয়টি ব্যাখ্যা করেছেন। আপনার পিতা/মাতা/চাচা/মামা এনারা কি কেউ চেয়ারম্যান ছিলেন?
পরের ঘটনার অপেক্ষায় থাকলাম।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:৫৬

হাবিব স্যার বলেছেন: আমি আসলে আলিয়া মাদরাসায় পড়েছি। আপনার উপরও সালাম। অপু তানভীরের লেখাটি শেয়ারের জন্য ধন্যবাদ। সময় করে পড়ে নিবো ইনশাআল্লাহ। না, আমাদের ফ্যামিলির কেউ এ পর্যায়ে ছিলেন না। পরের ঘটনা শীগ্রই শেয়ার করার ইচ্ছা আছে।

কিন্তু কথা হচ্ছে, মা. হাসানের সাথে হাসান মাহবুবের কোন মিল আছে কি?

১৭| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১:১৫

অন্তরা রহমান বলেছেন: অনেক পুরান কথা মনে করিয়ে দিলেন। পঞ্চম আর অষ্টম শ্রেণিতে বৃত্তি পেয়েছিলাম। ছিলাম ক্লাসের ফার্স্ট গার্ল। তারপর বই পড়া শুরু, মিস হল এ প্লাস। কলেজে উঠে আরেক পড়া পরলাম। ইয়ে, প্রেমে পড়লাম আর কি। এবার এ-ও হাত ছাড়া হল। কিয়েক্টা অবস্থা।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:৫৮

হাবিব স্যার বলেছেন: কি ট্রাজেডিময় আপনার জীবন। তো আপনার সেই প্রেম কি পূর্ণতা পেয়েছিলো? আর একটা কথা, প্রো পিক কি আপনার?

১৮| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ২:৪৯

মুক্তা নীল বলেছেন:
লেখাটা ভালো হয়েছে। তবে পিছিয়ে পড়ার জন্য একটু খারাপ লাগছে। আরও জানার অপেক্ষায় রইলাম।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৮:৫৯

হাবিব স্যার বলেছেন: আবার হয়তো সামনে এগিয়ে যাবার গল্প আছে। আপনার অপেক্ষার মাঝে লেখার প্রেরণা খুঁজে পেলাম। ভালো থাকবেন মুক্তা

১৯| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:২১

আবুহেনা মোঃ আশরাফুল ইসলাম বলেছেন: নস্টালজিক শৈশব। ভালো লাগলো।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:০০

হাবিব স্যার বলেছেন: ধন্যবাদ ভাইয়া, সুন্দর মন্তব্যের জন্য

২০| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:১২

সোনাবীজ; অথবা ধুলোবালিছাই বলেছেন: নায়করাজ রাজীব নুরের ভাষায় যদি বলি, তাহলে বলবো- আপনার লেখায় কোনো ভনিতা নেই, আত্মগরিমা নেই, যেটা আমার কাছে সবচাইতে বেশি ভালো লাগলো। আমরা যেখানে নিজের অগুনতি সাফল্য ও মেধার গর্বে 'আমি কী হনুরে' ভাব ফুটাইয়া তুলি, আপনি সেখানে অত্যন্ত নির্মোহভাবে যা সত্য তাই তুলে ধরেছেন। এ সারল্য ও সততাই আপনার অমূল্য সম্পদ, যা আপনাকে অনেক মহৎ ও হৃদয়শীল করে তুলবে।

শুভেচ্ছা হাবিব ভাই।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:০৬

হাবিব স্যার বলেছেন:





খলিল মাহমুদ ভাই, আপনি গল্প লেখায়ও যেমন সেরা মন্তব্যও তেমনি হৃদয় ছুঁয়ে যাওয়া। আমার প্রতি আপনার মূল্যায়ন আমাকে দোলা দিয়ে গেলো। আপনার আকাঙ্খা পূর্ণ হোক।

আর রাজীব ভাই আসলেই ব্লগের নায়করাজ। আপনিও কম কিসে! ভালো থাকবেন প্রিয় ভাই।

২১| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:৫৫

করুণাধারা বলেছেন: লেখার বিষয়বস্তুর কারণে পড়ে মন খারাপ হলো। ছোট শিশুদের উপর মানসিক নির্যাতন যারা করে, এরা মানুষের পর্যায়ে পড়ে না। আপনার লেখা ভালো হয়েছে, পড়তে ভালো লাগলো।

পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:০৮

হাবিব স্যার বলেছেন: করুণা আপু, ঘটনাগুলো আমাকেও সে সময় দারুন ভাবে কষ্ট দিতো। এ অবস্থা চলতে থাকলে হয়তো আর লেখাপড়ায় হতো না। লেখা ভালো লাগছে জেনে ভালো লাগলো। সময় করে পরের পর্ব দিয়ে দিবো ইনশাআল্লাহ। ভালো থাকবেন আপু।

২২| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১০:২৭

তারেক ফাহিম বলেছেন: সবার স্মৃতিকি এক রকম নাকি B-)


কত কত স্মৃতি মনে পড়ে গেল। বিশেষ করে হাতের লেখা, খাতার বাম দিকের অর্ধেক খালি থাকতো ডান দিকটা শেষ :D

আমাগো সময় শিক্ষক দিদিরে আমরা ছোডরা হিন্দু আপা কিংবা মটু আপ কয়ে ডাকতাম :D

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:১০

হাবিব স্যার বলেছেন:




হা হা হা....... আপনারও কি স্মৃতি এ রকমই? হাতের লেখা কি এখনো টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া যায় নাকি?

আমাদের সময় হিন্দু স্যার ছিলোই না।

২৩| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ১১:৪৩

নীলপরি বলেছেন: প্রথমত মানুষ চাকরী পাওয়ার জন্য পড়ে । দ্বিতীয়ত অন্যকে ছোটো করে আত্মতৃপ্তি লাভ করে ।আপনার টিচারের আচরণে একথাই প্রমানিত হয় । তবে , অনেক টিচারই হয়ে থাকেন । এরজন্য পুরো সিসটেম দায়ী বলে মনে হয় ।
অনেককে দেখছি কেউ ভুল ইংরেজি বললে শুধরে দেওয়ার বদলে হাসে ।

খুব ভালো লিখেছেন ।পরের পর্বের অপেক্ষায় থাকলাম ।

++
শুভকামনা

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:১৪

হাবিব স্যার বলেছেন: যারা অন্যকে ছোট করে আনন্দ পায় তারা আসলে প্রকৃত শিক্ষা পায়ই নি। কারো ভুল দেখে হাসলে তার অভদ্রতাই ফুটে উঠে। লেখার প্রশংসার জন্য অনেক ধন্যবাদ পরি আপু। ভালো থাকবেন সবসময়।

২৪| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৭

মোঃ মাইদুল সরকার বলেছেন:
আমি আসলে পড়তে পড়তে ভাল ছাত্র হয়েছি।

বিশেষ করি নবম শ্রেণী থেকে মাষ্টার্সে ভাল ছাত্র ছিলাম। আমি কখনো ১ম, ২য়, ৩য় হতে পারিনি ৮ম শ্রেণী পর্যন্ত কারণ ক্লাসের স্যার ম্যাডামদের ছেলে মেয়েদের জন্য ওগুলো বরাদ্দ থাকতো!!!
++++

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:১৮

হাবিব স্যার বলেছেন:




স্যার ম্যাডামদের ছেলেদের আসল রুপ দেখা যায় কেন্দ্রীয় পরীক্ষার সময়।

আপনার স্মৃতিগুলোও লিখে ফেলেন ভাই, আমাদের অনেকেই উৎসাহিত করবে।

২৫| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ বিকাল ৫:৩৮

বিদ্রোহী ভৃগু বলেছেন: :)

আহারে শৈশব!

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:১৯

হাবিব স্যার বলেছেন: শৈশবের দিনগুলোতে প্রেমের গল্প লিখবো নাকি ভাবতেছি!! :)

২৬| ০৮ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৫১

সুমন কর বলেছেন: জানলাম আপনার ৫ম শ্রেণি পর্যন্ত শৈশবের কাহিনী........আহা, এক রোল !!!

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:২০

হাবিব স্যার বলেছেন: এক রোলের কাহিনী যে এখানেই শেষ নয়। সাথে থাকবেন পরবর্তী এক রোলের ঘটনা জানতে।

২৭| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৭:২৮

সোহানী বলেছেন: আপনার লিখা পড়ে মনটা খারাপ হয়ে গেল হাবিব। দেশে যেভাবে বাচ্চাদেরকে ট্রিট করা হয় সেটা কোনভাবেই স্বাভাবিক বিহেব নয়। কিন্তু এ শিক্ষা যারা দিবে তারাইতো সে সঠিক শিক্ষাটা পায়নি, কিভাবে শেখাবে আপনাকে বা আপনার সন্তানদের।। এখানকার শিক্ষার পরিবেশের সাথে মেলাতে গেলে শিউরে উঠি। কিভাবে যে বাচ্চাদের দেখা হয় তা না দেখলে বিশ্বাস করবেন না। সব কিছুর উর্ধে শিশু। আসবো কোন এক সময় সেসব নিয়ে।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:২৩

হাবিব স্যার বলেছেন: এভাবে আর কতদিন চলবে আপু? ফুলের মতো সন্তানদের উপর শারিরিক নির্যাতনের চাইতে মানসিক নির্যাতনটাই বড়। এর ইফেক্ট একজন বাচ্চার ভবিষ্যত নষ্ট করে দেয়ার জন্য যথেষ্ট।

সোহানী আপু, আপনার ঘটনাগুলো পড়ার অপেক্ষায় রইলাম।

২৮| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৮:৫৫

আফসানা মারিয়া বলেছেন: 'তোরা কি খাস আর হাবিবুর কি খায়।'আপনি কি গাইতেন? যাই হোক, ডাটা ইউজ করে মোবাইলে গল্প পরাটা কঠিন। ভালো লাগলো।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:২৪

হাবিব স্যার বলেছেন: মারিয়া আপু, কষ্ট করে হলেও পড়ে মন্তব্য করেছেন, সে জন্যই আন্তরিক ধন্যবাদ। সাথে থাকবেন।

২৯| ০৯ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ৯:১৮

আহমেদ জী এস বলেছেন: হাবিব স্যার,



সহজ সরল ভাবে লেখা জীবনের এই কাহিনীটি ভয়াবহ মনে হলো।

সহব্লগার চাঁদগাজী জুন এর মন্তব্য আমাদের শিক্ষাব্যবস্থার দৈন্যতারই ছবি।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:২৫

হাবিব স্যার বলেছেন: জী এস ভাই, কাহিনী আপনার কাছে যেমন মনে হয়েছে ঠিক তেমনই আমার সেসময়কার উপর প্রভাব পড়েছিলো। আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থা কি ত্রুটিমুক্ত হবে না?

৩০| ১০ ই এপ্রিল, ২০১৯ রাত ১১:৫১

মনিরা সুলতানা বলেছেন: আমাদের শৈশবে বৈচিত্র্য থাকে বলেই পড়তে ভালোলাগে।
চমৎকার স্মৃতিচারণ।

১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ সকাল ৯:২৬

হাবিব স্যার বলেছেন: চমৎকার মন্তব্যের জন্য ধন্যবাদ মুনিরা আপু। আশা করি ভালো আছেন।

৩১| ১১ ই এপ্রিল, ২০১৯ দুপুর ১২:৫৯

নীল আকাশ বলেছেন: আপনার এই শৈশবের স্মৃতিগুলি নিয়ে লেখাটা আগেই পড়ে গিয়েছিলাম। তখন খুব ব্যস্ততার জন্য মন্তব্য করে যেতে পারি নি। আগে ডেস্কটপ কম্পিঊটার থেকে ব্লগে ঢুকতে পারতাম, এখন তাও পারি না। মোবাইল থেকে ঢুকা এবং মন্তব্য করা আজকাল বেশ কঠিন হয়ে পড়ছে। পোস্ট তো করতেই পারছি না। এই মাসে একটাও পোস্ট নেই।

ভুয়া মফিজ বলেছেন: দুই বছর পিছনে ভর্তি করানো হলো কেন? উনার সাথে আমিও জানতে চাই কেন এমন করা হয়েছিল?
একবার ফাস্ট হলে লাইফ শেষ যে কোন বাচ্চার, আমার চেয়ে এই ব্যাপারে বড় ভুক্তভোগী আর কেই বা আছে এই ব্যাপারে?

গদ্য লেখা ভালোই হচ্ছে, চালিয়ে যান।
সুযোগ পেলেই এসে পড়ে যাব।
ধন্যবাদ এবং শুভ কামনা রইল!!

১৫ ই এপ্রিল, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৯

হাবিব স্যার বলেছেন: আপনার শত ব্যস্ততাকে উপেক্ষা করে সময় দেয়াতে কৃতজ্ঞ প্রিয় নীলআকাশ । পরবর্তী ঘটনা জানাবো ইনশাআল্লাহ। শুভেচ্ছা রইলো।

৩২| ০৩ রা আগস্ট, ২০১৯ রাত ৮:১২

খায়রুল আহসান বলেছেন: সহজ সরল ভাষায় সততার সাথে বলা শৈশবের বয়ান শুনতে (পড়তে) খুব ভাল লাগল। শেষের কথাগুলো হৃদয়বিদারক!
আমি জীবনে কেবলমাত্র একবারই ফার্স্ট হয়েছিলাম, ৮ম থেকে ৯ম শ্রেণীতে উত্তীর্ণ হবার সময়। মনে আছে, তখন চারিদিক হতে খুবই সম্মান পেয়েছিলাম। আমার এক বন্ধুর বাবা শুধুমাত্র আমার ভাল রেজাল্টের কারণে আমাকে তার ছেলের সামনে খুব আদর করতেন আর তাকে ভর্ৎসনা করতেন, যা আমার ভাল লাগতো না। ভাল ফলাফলের কারণে বিজ্ঞান বিভাগ নিশ্চিত হয়েছিল, কিন্তু ওটাই হয়তো আমার জীবনের একটা বড় ভুল ছিল।
পোস্টে প্লাস + +

০৩ রা অক্টোবর, ২০১৯ দুপুর ১২:০৮

হাবিব স্যার বলেছেন: প্রিয় খায়রুল আহসান ভাই, মন্তব্যের জবাব দেড়িতে দেবার জন্য দু:খিত।
আমার এক বন্ধুর বাবা শুধুমাত্র আমার ভাল রেজাল্টের কারণে আমাকে তার ছেলের সামনে খুব আদর করতেন আর তাকে ভর্ৎসনা করতেন, যা আমার ভাল লাগতো না। ভাল ফলাফলের কারণে বিজ্ঞান বিভাগ নিশ্চিত হয়েছিল, কিন্তু ওটাই হয়তো আমার জীবনের একটা বড় ভুল ছিল। আপনার এই কথাগুলো আমার সাথেও মিলে গেলো.... আমার জন্য দোয়া করবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.