নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

জানার আকাঙ্ক্ষায় ব্লগে আনাগোনা।

হাফিজ বিন শামসী

আলহামদুলিল্লাহ।

হাফিজ বিন শামসী › বিস্তারিত পোস্টঃ

সর্বাবস্থায় আল্লাহ্ প্রশংসা এবং ধন্যবাদের দাবীদার।

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:০৪






الحمد لله
সকল প্রশংসা এবং কৃতজ্ঞতা আল্লাহর জন্য।

সুখ শান্তি, দুঃখ কষ্ট, উত্থান পতন, সফলতা বিফলতা নিয়েই জীবন। জীবনে উত্থান আছে, পতন আছে। সফলতার পাশাপাশি আছে বিফলতা। সুখের পরে যেমন দুঃখ আছে, দুঃখের পরে আছে সুখ। সব কিছু নিয়েই জীবন। এর কোনটাকে বাদ দিয়ে জীবন হয় না।এ সবই জীবনের অংশ, জীবনের সৌন্দর্য।

অনেক দুঃখ ভোগের পরে কষ্টের বিনিময়ে ক্রয়কৃত সুখ অনেক স্বাদের, অনেক মধুর। লটারির মাধ্যমে বিলিয়নিয়ার হওয়া আর তিল তিল করে নিজে উপার্জন করে বিলিয়নিয়ার হওয়ার স্বাদ এবং তৃপ্তি এক রকম না। রাত জেগে,ঘুম হারাম করে পরীক্ষায় পাস আর ফেলের অনুভূতি পক্ষান্তরে নকল করে পাস আর ফেলের অনুভূতি যেমন এক না।

জীবনের সুখের সময় গুলোতে যেমন মহান রাব্বুল আলামীনের শুকরিয়া জ্ঞাপন করা এবং তাকে ধন্যবাদ দেয়া আমাদের কর্তব্য তেমনি শত কষ্টের মাঝেও তাঁর শুকরিয়া জ্ঞাপন করা ধন্যবাদ দেয়া আমাদের কর্তব্য।এই শুকরিয়া জ্ঞাপন এবং ধন্যবাদ দেয়ার মাঝেই লুকিয়ে থাকে প্রশান্তি, আত্মতৃপ্তি। আল্লাহ আমাদের মুখাপেক্ষী নন। আমরা তার মুখাপেক্ষী।তাই বেশি বেশি আল্লাহর শুকরিয়া জ্ঞাপন করা এবং তাকে ধন্যবাদ দেয়া আমাদের উচিৎ। আমরা যতই কষ্টের মাঝে থাকি, যত ধরণের কষ্ট আমাদের বেষ্টনী দিয়ে ঘিরে রাখুক না কেন তারপর ও আল্লাহ তার অসংখ্য নেয়ামতের চাদর দিয়ে আমাদের ঢেকে রাখেন। আমরা চিন্তা করলে তাঁর শুকরিয়া আদায়ের জন্য অসংখ্য অপশন, উপাদান আমরা খুঁজে পাই। সে সবের কথা চিন্তা করে আমাদের সর্বাবস্থায় অন্তর থেকে শুকরিয়া আদায় এবং ধন্যবাদ জানানোর বাক্য 'আলহামদুলিল্লাহ' বলা উচিৎ।
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীন বলেন- لان شكرتم لازيدنكم ولئن كفرتم ان عذابي لشديد
অনুবাদ- তোমরা কৃতজ্ঞ হলে অবশ্যই আমি তোমাদেরকে আরো বেশি দেব আর অকৃতজ্ঞ হলে নিশ্চয়ই আমার শাস্তি তো কঠোর (সূরা ইব্রাহীম, আয়াত ৭)

মন্তব্য ৩৩ টি রেটিং +৩/-০

মন্তব্য (৩৩) মন্তব্য লিখুন

১| ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৪:৪০

ইসিয়াক বলেছেন: সর্বাবস্থায় আল্লাহ্ প্রশংসা এবং ধন্যবাদের দাবীদার।

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৪৮

হাফিজ বিন শামসী বলেছেন:
আলহামদুলিল্লাহ।

জাযাকাল্লাহ।

২| ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:১৫

চাঁদগাজী বলেছেন:



আপনি শেষ লাইনে বলেছেন যে, আল্লাহ বলেছেন, " তোমরা কৃতজ্ঞ হলে আমি তোমাদেরকে আরো বেশী দেবো, আর অকৃতজ্ঞ হলে আমার শাস্তি তো কঠোর"

- ইসরায়েলে ইহুদীরা ক্রমাগতভাবে ভালো করছে, আর প্যালেষ্টাইনীরা সব হারাচ্ছে ৭৩ বছর; ইহা এই সুরার আলোকে ব্যাখ্যা করেন।

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ বিকাল ৫:৫৩

হাফিজ বিন শামসী বলেছেন: : ওটা কুরআনের আয়াত আমি কোড করেছি। কোরআন আমি বিশ্বাস করি বলেই কোড করেছি।


আল্লাহ কাকে কিভাবে শুদ্ধ করবেন তিনিই ভাল জানেন। সর্ব অবস্থায় আমাদের ধৈর্যধারণ করা উচিত এবং তার উপর বিশ্বাস রাখা উচিত।

৩| ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:১২

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, " ওটা কুরআনের আয়াত আমি কোড করেছি। কোরআন আমি বিশ্বাস করি বলেই কোড করেছি। "

-প্যালেষ্টাইনী ও ইসরায়েলীদের অবস্হা দেখলে, কি মনে হয়, কারা আল্লাহের অনুগ্রহ বেশী পাচ্ছে?

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০৯

হাফিজ বিন শামসী বলেছেন: প্রতিপত্তি, বিত্তবৈভব থাকলেই যে তার ওপর আল্লাহর অনুগ্রহ বেশি সে ভাবা ঠিক না। আল্লাহ্ কাউকে শক্তি, বিত্ত দিয়ে পরীক্ষা করেন আবার কারো থেকে নিয়ে পরীক্ষা করেন।

৪| ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৪০

সুপারডুপার বলেছেন: @ চাঁদগাজী সাহেব ,

লেখক সরাসরি উত্তর দিতে পারছেন না। তাই আমি দিচ্ছি। অন্য আয়াতে ইসরায়েলীদের কথা বলা আছে।

§ "হে বনী-ইসরাঈলগণ! তোমরা স্মরণ কর আমার অনুগ্রহের কথা, যা আমি তোমাদের উপর করেছি এবং সে বিষয়টি যে, আমি তোমাদেরকে উচ্চমর্যাদা দান করেছি সমগ্র বিশ্বের উপর।" (সুরা বাক্বারা : আয়াত ৪৭)

§ "যখন মূসা স্বীয় সম্প্রদায়কে বললেনঃ হে আমার সম্প্রদায়, তোমাদের প্রতি আল্লাহর নেয়ামত স্মরণ কর, যখন তিনি তোমাদের মধ্যে পয়গম্বর সৃষ্টি করেছেন, তোমাদেরকে রাজ্যাধিপতি করেছেন এবং তোমাদেরকে এমন জিনিস দিয়েছেন, যা বিশ্বজগতের কাউকে দেননি। " (সুরা মায়েদা : আয়াত ২০)

৫| ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৬:৫২

সুপারডুপার বলেছেন: § "হে বনী-ইসরাঈল! আমার অনুগ্রহের কথা স্মরণ কর, যা আমি তোমাদের দিয়েছি। আমি তোমাদেরকে বিশ্বাবাসীর উপর শ্রেষ্ঠত্ব দান করেছি।" (সুরা বাক্বারা : আয়াত ১২২)

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:২৪

হাফিজ বিন শামসী বলেছেন: আপনি যে আয়াত উল্লেখ করেছেন এটা ইয়াহুদীদেরকে আল্লাহ তাআলা ওই সময়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন। এটা বর্তমান সময়ের কথা বলেননি। তারা আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করার পরেও আল্লাহর নাফরমানী করেছে সেই কথাটা তাদেরকে স্মরণ করে দিচ্ছেন।

৬| ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৩৭

সুপারডুপার বলেছেন: লেখক বলেছেন: আপনি যে আয়াত উল্লেখ করেছেন এটা ইয়াহুদীদেরকে আল্লাহ তাআলা ওই সময়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন। এটা বর্তমান সময়ের কথা বলেননি।
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
@লেখক, আল কোরআনে বর্তমান সময়ের জন্য কি বলা আছে ?

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৩৫

হাফিজ বিন শামসী বলেছেন: বর্তমান সময়ের জন্য সূরা আলে ইমরানের ১১০ আয়াতের ব্যাখ্যা টি পড়ুন كنتم خير امه اخرجت للناس تامرون بالمعروف وتنهون عن المنكر وتؤمنون بالله

৭| ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সন্ধ্যা ৭:৪৬

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন, " আপনি যে আয়াত উল্লেখ করেছেন এটা ইয়াহুদীদেরকে আল্লাহ তাআলা ওই সময়ের কথা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছেন। এটা বর্তমান সময়ের কথা বলেননি। তারা আল্লাহ তা'আলার পক্ষ থেকে শ্রেষ্ঠত্ব লাভ করার পরেও আল্লাহর নাফরমানী করেছে সেই কথাটা তাদেরকে স্মরণ করে দিচ্ছেন। "

-মুসলমানদের ও ইহুদীদের জীবনযাত্র, ধর্ম পালনের মাত্রা ও মনোযোগ, সমাজের প্রতি দায়িত্ব, পড়ালেখার প্রতি সন্মান, বিশ্বের সাথে মিলেমিশে থাকার প্যাটার্ণ দেখলে, মনে হয় ওরা মুসলমানদের চেয়ে অনেক অনেক ধর্মীয়, সৎ, সঠিক; ওরা নাফরমানী করেনি।

মুসলমানেরা রিফিউজী হয়ে মদীনায় গিয়ে ইহুদীদের সাহায্য নিয়ে ওখানে থেকেছিলো; পরে মদীনা কি করে মুসলামনদের রাজ্যের রাজধানী হলো? মুসলমানেরা কি উহা কিনে ছিলো?

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:০৮

হাফিজ বিন শামসী বলেছেন: আপনি ভুল বলছেন।

মদিনার আনসাররা ইহুদী ছিল না। তাঁরা ইব্রাহিম আঃ ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতো। তবে তাদের মধ্যে কুফরী ঢুকে গিয়েছিল। পরবর্তীতে মদিনার অনেক ইহুদী ইসলাম গ্রহণ করেছিল।

৮| ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:১৯

চাঁদগাজী বলেছেন:



লেখক বলেছেন, " আপনি ভুল বলছেন। মদিনার আনসাররা ইহুদী ছিল না। তাঁরা ইব্রাহিম আঃ ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতো। তবে তাদের মধ্যে কুফরী ঢুকে গিয়েছিল। পরবর্তীতে মদিনার অনেক ইহুদী ইসলাম গ্রহণ করেছিল। "

-আপনি ইতিহাস নিজের মতো করে লিখছেন: হযরত মোহাম্মদ (স: )'এর উম্মতেরা মুসলমান; ইব্রাহিম ইহুদী ছিলেন। কুফরী বলতে আপনি যা বুঝেন, উহা সঠিক নয়; ইহুদীদের মাঝে কুফরী ঢুকে গেলে ওরা বিশ্বে এত বেশী অবদান রাখতে পারতো না; মানব সমাজ ও ইতিহাস সম্পর্কে আপনার ধারণা দুর্বল

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:২৮

হাফিজ বিন শামসী বলেছেন: ভাই ইতিহাস আমি নিজের মতো করে লিখিনি ।আপনি ভুল বুঝছেন । ইব্রাহিম (আঃ) ইহুদি ছিলেন না।তৎকালীন মক্কা এবং মদিনায় বসবাসকারী বসবাসকারীদের অধিকাংশই ইব্রাহিম আলাইহিস সালামের অনুসারীরা ছিলেন। মদিনাতে মুষ্টিমেয় কিছু ইহুদী বসবাস করত। আপনি রাসূল সাল্লাল্লাহু ইসলামের জীবনী পড়েন তৎকালীন সমাজ ব্যবস্থা পেয়ে যাবেন। আপনি চাইলে আপনাকে আমি লিঙ্ক দিতে পারি। অথবা আপনি নিজে নেটে সার্চ দিয়ে আর রাহীকুল মাখতুম গ্রন্থটি পড়ুন।

৯| ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:২৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



লেখক বলেছেন, " আপনি ভুল বলছেন। মদিনার আনসাররা ইহুদী ছিল না। তাঁরা ইব্রাহিম আঃ ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলতো। তবে তাদের মধ্যে কুফরী ঢুকে গিয়েছিল। পরবর্তীতে মদিনার অনেক ইহুদী ইসলাম গ্রহণ করেছিল। "

-ইতিহাস অনুসারে খুবই সামান্য পরিমাণ ইহুদী খৃষ্টান ধর্ম গ্রহন করেছিলো; তারা মুসলিম ধর্ম গ্রহন করেনি।

২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৩১

হাফিজ বিন শামসী বলেছেন: কিছু কিছু ইহুদী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিল ।এমনকি ইহুদিদের নেতা ও ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিল।

১০| ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৮:৩৮

রাজীব নুর বলেছেন: সব অবস্থায় ঈশ্বরের শুকরিয়া আদায় করতা উচিত।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৪:৫৭

হাফিজ বিন শামসী বলেছেন: আলহামদুলিল্লাহ।

জাজাকাল্লাহু খাইরান।

১১| ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:১৩

সালু সরকার বলেছেন: আমি আপনাকে কি বলে ডাকব, স্যার না ..কেমন আছেন। আপনার টপিকের বাইরে আমার পারসনাল প্রব্লেন সেয়ার কোরছি।
আমি খুব প্রবলেম এ পড়েছি । কি ভাবে বের হব পারছিনা। আমার বিলিভ করার মতো কেও নেই। আপনার কাছে সাজেশন প্রত্যাশা করছি। কিভাবে আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারি।
সোরি, আপনার ব্লগে লিখেছি কারন উনার ব্লগে আপমি পোস্ট করতে পাছিনা।

১২| ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:১৯

চাঁদগাজী বলেছেন:


লেখক বলেছেন: কিছু কিছু ইহুদী ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিল ।এমনকি ইহুদিদের নেতা ও ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেছিল।

- ইহুদীরা মুসলমানদের নিয়ে মোটামুটি রোহিংগা সমস্যায় পড়েছিলো; ওরা মুসলমানদের মদীনা থেকে তাড়াতে চেয়েছিলো; মক্কা থেকে লোকজন এসে মুসলিমরা শক্তিশালী হয়ে, শেষ ইহুদীদের উৎখাত করে দিয়েছে। এটা হলো ইতিহাস।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৪:৫৬

হাফিজ বিন শামসী বলেছেন: এটা আপনার একান্তই ব্যক্তিগত মতামত।

১৩| ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ৯:৪৬

সুপারডুপার বলেছেন: লেখক বলেছেন: বর্তমান সময়ের জন্য সূরা আলে ইমরানের ১১০ আয়াতের ব্যাখ্যা টি পড়ুন
-----------------------------------------------------------------------------------------------

@ লেখক, আরবিতে না লিখে ,আপনি ই একটু ব্যাখ্যা করে বলুন।

আল কোরআনের আলোকে বর্তমান সময়ে, কে/কাহারা উচ্চমর্যাদা, রাজ্যাধিপতি ও শ্রেষ্ঠত্ব প্রাপ্ত ?

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:২২

হাফিজ বিন শামসী বলেছেন: كنتم خير امه اخرجت للناس تامرون بالمعروف وتنهون عن المنكر وتؤمنون بالله.
. তোমরাই শ্রেষ্ঠ উম্মত, মানব জাতির জন্য যাদের বের করা হয়েছে; তোমরা সৎকাজের নির্দেশ দিবে, অসৎকাজে নিষেধ করবে এবং আল্লাহর উপর ঈমান আনবে। আর আহলে কিতাবগণ যদি ঈমান আনতো তবে তা ছিল তাদের জন্য ভাল। তাদের মধ্যে কিছু সংখ্যক মুমিন আছে; কিন্তু তাদের অধিকাংশই ফাসেক।

রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, তোমরা ৭০ জাতিকে পূর্ণ করবে এবং তোমরাই হবে শ্রেষ্ঠ উম্মত। তোমরাই হবে সবচেয়ে সম্মানিত। (তিরমিজি ৩০০১)

১৪| ২৩ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ রাত ১০:৩৬

সুপারডুপার বলেছেন: লেখক বলেছেন: ভাই ইতিহাস আমি নিজের মতো করে লিখিনি । আপনি ভুল বুঝছেন । ইব্রাহিম (আঃ) ইহুদি ছিলেন না।
-----------------------------------------------------------------------------------------------------------------------

লেখক, আমি হেব্রন থেকে ঘুরে এসেছি। ইহুদীরা মুসলিমদের মতই বংশ পরম্পরা হিসেব করে হযরত ইব্রাহিম (আ) থেকে। এই জন্য হেব্রনে ইব্রাহিম (আ) এর কবরের ২ টা জানালা, একটা জানালা দিয়ে ইহুদীরা, অন্য জানালা দিয়ে মুসলিমরা ইব্রাহিম (আ) এর কবর দেখে।

সূচনালগ্ন অণুসারে ক্রমবিন্যাস করলে প্রধান তিনটি ইব্রাহিমীয় ধর্ম হচ্ছে- ইহুদী ধর্ম, খ্রিস্টধর্ম, এবং ইসলাম। ইসলাম ধর্ম হাইব্রিড ধর্ম, সব নবী-রাসূল নিয়েই ইসলাম ধর্ম। তাই হেরা গুহায় আল কোরআন নাজিল হওয়ার আগেও, হুজুর/ মাওলানারা আগের নবী-রাসূলগণকে জোর করে মুসলিম বানিয়ে দেয়।

এই হুজুর/ মাওলানারা কেন বোঝে না, আগে ''লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ'' (যেমন : ইহুদীরাও কঠোরভাবে একেশ্বরবাদে বিশ্বাসী) থাকলেও মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ ছিল না। মুহাম্মাদ (সাঃ ) এর আগের নবী-রাসূলগণ , কিভাবে মুসলিম হয়? তারা তাদেরকার সময়কার ধর্মে ছিলেন, এটাই সত্য।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ ভোর ৫:০৭

হাফিজ বিন শামসী বলেছেন: মুসলিম শব্দের অর্থ আত্মসমর্পনকারী। যারা ইসলামের অনুসারী তাঁরাই মুসলিম। ইসলাম নতুন কোন ধর্ম নয়। হযরত আদম (আঃ) থেকে শুরু করে ইব্রাহীম (আঃ), মূসা (আঃ),ঈসা(আঃ) মুহাম্মদ (সঃ) পর্যন্ত প্রত্যেক নবী রাসূলগণ একই কালেমার দাওয়াত দিয়ে গেছেন। তাদের মধ্যে কোন ভিন্নতা ছিল না।

১৫| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:২৩

চাঁদগাজী বলেছেন:



লেখক বলেছেন, " মুসলিম শব্দের অর্থ আত্মসমর্পনকারী। যারা ইসলামের অনুসারী তাঁরাই মুসলিম। ইসলাম নতুন কোন ধর্ম নয়। হযরত আদম (আঃ) থেকে শুরু করে ইব্রাহীম (আঃ), মূসা (আঃ),ঈসা(আঃ) মুহাম্মদ (সঃ) পর্যন্ত প্রত্যেক নবী রাসূলগণ একই কালেমার দাওয়াত দিয়ে গেছেন। তাদের মধ্যে কোন ভিন্নতা ছিল না "

-তা'হলে, মুসা নবী (আ: ), ঈশা নবীর (আ: )'এর উম্মতেরাও মুসলিম? ভালো

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৭:৩৯

হাফিজ বিন শামসী বলেছেন: বর্তমানে যারা মুসা (আঃ) এবং ঈসা (আঃ)এর অনুসারী বলে নিজেদেরকে দাবি করেন তারা তো সর্বশেষ আসমানী কিতাব আল-কোরআন অনুসরণ করছে না তাহলে তারা মুসলিম হবে কি করে? হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নবুয়ত প্রাপ্তির আগে যারা মুসা (আঃ) এবং ঈসা (আঃ) প্রকৃত অনুসারী ছিলেন তাদেরকে অবশ্যই মুসলিম বলা যাবে।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৩৬

হাফিজ বিন শামসী বলেছেন: যেহেতু বর্তমান সময়ের ইহুদি এবং ক্রিশ্চিয়ান দাবিদাররা সর্বশেষ নবী হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং সর্বশেষ আসমানী কিতাব আল কুরআন স্বীকার করে না তাই তাদেরকে মুসলিম বলা যাবে না।

১৬| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ৯:৫৯

সুপারডুপার বলেছেন:

@লেখক ,
আমি অনেক গুলো দেশ ঘুরেছি। বর্তমানে, বাস্তবতা হচ্ছে ঠিক এটার উল্টাটা।

হুজুর মাওলানা তাবলীগিরা আমেরিকা কানাডা ইউরোপ এসে বেশিরভাগ আহলে কিতাবদের সততা ও গুন্ দেখে, কাছে থাকতে চায়, কাজ চায়। কিন্তু আড়ালে আহলে কিতাবদের হাজারটা নিন্দা করে।

এই তো এক সপ্তাহ আগে গ্রিস থেকে ঘুরে এলাম। গ্রিসে বাংলাদেশিরা দুম্বাল্যান্ড গুলো থেকে জীবন কে বাজি রেখে নৌকায় করে , ইউরোপের নিচের দিকে দেশ গ্রিসে পারি জমিয়েছে। তারা দুম্বাল্যান্ড গুলোর মানুষের আচরণে অসন্তুষ্ট। তার মানে বর্তমানে অধিকাংশই ফাসেক কারা !?

খাতা কলমে মুসলিম - মুসলিম ভাই ভাই লেখা থাকলেও , আর দুম্বা দেশ গুলোর লোকেরা, মুসলিমদের মর্যাদা পরে দেয় , ইউরোপীয় সাদা চামড়াদের মর্যাদা সবার আগে দেয়। এটাই বর্তমান বাস্তবতা।
_____

পরের হাদিস টি ভবিষ্যতের , বর্তমানের না।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৫

হাফিজ বিন শামসী বলেছেন: আপনার এই কথাগুলোর সাথে সম্পূর্ণ আমি একমত। আমরা নিজেদেরকে মুসলিম দাবী করে যদি ইসলামের নিয়ম নীতি পালন না করি তাহলে সে জন্য তো ইসলামের দোষ দেয়া যাবে না। পাই দোস্ত আমাদের ইসলামের সুফল ভোগ করতে হলে ইসলামের নিয়ম কানুন পুঙ্খানুপুঙ্খরূপে পালন করতে হবে। ইসলামকে সঠিকভাবে জেনে তা পালনের মাধ্যমে ইসলামের প্রকৃত স্বাদ পাওয়া সম্ভব। আমরা আজ নামে শুধু মুসলিম। ইসলাম যা বলছে ঠিক তার বিপরীতটা কামরা করছি।

১৭| ২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ সকাল ১০:০৭

সুপারডুপার বলেছেন:




@লেখক , আর পরের মন্তব্য গুলোতে ,

আপনি জোর করে যা ইচ্ছা তাই বলতে পারেন। এই স্বাধীনতা আপনার আছে। কিন্তু বাস্তবতা ও সত্য ইতিহাস , সম্পূর্ণ ভিন্ন কথা বলে।

২৪ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৯ দুপুর ১২:৩৮

হাফিজ বিন শামসী বলেছেন: আমি জোর করে বলব কেন বলুন? আর জোর করে বললেই কি আপনি সেটা বিশ্বাস করবেন? আমি যা বলব সেটা আপনি অবশ্যই আপনার জ্ঞান দিয়ে যাচাই-বাছাই করে হয় গ্রহন করবেন না হয় ছুঁড়ে ফেলে দেবেন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.