![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
শুধু কবিতা নয় সাহিত্যের অন্যান্য শাখাতেও কোনো বাক্য, শব্দকে অশ্লীল বা কুরুচিপূর্ণ মনে করা হয় না! আবার মনে করতেও নেই। করলে সেটি আর সাহিত্য হয়ে ওঠে না। তবে আমাদের সমাজে সবার মাঝে ব্যবহারের অনুপযোগী কিছু শব্দ আছে যেগুলো ভদ্র পাড়ায় ব্যবহারে নিষিদ্ধ অথচ বস্তির নিন্মভূমিতে গ্রহণযোগ্য ও বহুল ব্যবহৃত। সম্প্রতি জীবনানন্দ দাশ সাহিত্য পুরষ্কার পেয়েছে সাইয়েদ জামিল(কবিতা ক্যাটাগরিতে)। যার কবিতা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে কিছু কুরুচিপূর্ণ শব্দ যা ভদ্র সমাজে অনুপযোগী তা ব্যবহার করা হয়েছে। উক্ত পুরষ্কার দিয়ে জামিলকে নয় বরং ওইসব অব্যবহৃত শব্দ ও বাক্যকে সমর্থন করা হয়েছে।
আমি যদি সাইয়েদ জামিলকে সমর্থন করি তবে আমি আধুনিক ও সুসভ্য আর যদি না করি তবে আমি সেকেলে, রক্ষণশীল, অমার্জিত, গেঁয়ো ভুত প্রভৃতি অভিধায় অভিধায়িত হবো। আশ্চর্য আমাদের নিয়ম ও চলার পথ! যে সব শব্দ ভদ্র সমাজে প্রচলিত নয়, হয়ও না এমনকি ব্যবহারের গ্রহণযোগ্যতা পায় না সে কথা/শব্দকে সমর্থন না করলে মানুষকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়, করা হয় অপমান হতে হয় অপদস্থ। অথচ এ শব্দগুলো একেবারে ব্যবহারের অনুপযোগী। যে শব্দ সম্বলিত কবিতা ৩০+ বয়স্ক সন্তানের(অল্প বয়স্কদের কথা বাদ-ই দিলাম) সামনে পাঠ বা আবৃতি করা যায় না আবার ৩০+ বয়স্ক ছেলে মেয়ে বাবা, মাসহ অন্যান্যদের সামনে উচ্চকণ্ঠে পাঠ/আবৃতি করতে পারে না সে কবিতা কীভাবে ভদ্র সমাজে গ্রহণযোগ্যতা পায় তা ভাবতেও অবাক লাগে! যারা এসব বিবেচনা করার পরও এসব কবি সাহিত্যিকদের পুরষ্কার দেয় তাদের পবিবারের ভাষা ও পরিবেশ নিয়ে সামান্য হলেও সত্যি ভাবিয়ে যায়। অসাধারণ আমাদের রুচিবোধ! উল্লেখ্য এসব কবি সাহিত্যিক ও তাদের লেখা সাহিত্যের সাথে অবক্ষয়ের যুগের(১৭৬০-১৮৬০) অশ্লীল ও কুরুচিপূর্ণ শব্দ ও বাক্য সম্বলিত কবিগানের অনেক মিল লক্ষ করা যায়।
বি.দ্র. শব্দগুলো ব্যবহারের অনুপযোগী বিধায় কবিতার লাইন বা শব্দ ব্যবহার থেকে বিরত থেকেছি।
©somewhere in net ltd.