![]() |
![]() |
নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
দেশে দেশে সেনা প্রধান সরাসরি রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করে জনগণকে শোষণ নির্যাতন জুলুম করে মসনদে টিকে থাকে ফলে জনকল্যাণমুখী কাজগুলো মুখ ঠুবড়ে পড়ে থাকে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে ব্যতিক্রম লক্ষা করা যায় যেমন লিবিয়ার গাদ্দাফি, মিশরের হোসনি মোবারকের শাসন। ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, অন্যক্ষেত্রে বরাবরই জনগণকে এর নৃশংস ফল ভোগ করতে হয় এবং করতে হয়েছে। যা এ দেশে বরাবরই দৃষ্টিগোচর হয়। প্রকৃতপক্ষে সেনা সমর্থিত রাষ্ট্রপ্রধানের চেয়ে নির্বাচিত ব্যক্তিদের দ্বারা গণতান্ত্রিক শাসনের নামে স্বৈরশাসন অনেক বেশি ভয়ংকর ও ক্ষতিকর। বাংলাদেশে এই নির্বাচিত স্বৈরশাসক স্বাধীনতার পর থেকে ক্ষমতাকে নিজেদের অধিগ্রহণ করে নিয়েছে ফলে জনকল্যাণকর সবকিছু রহিত হয়ে বহুগুণে বেড়েছে দুর্নীতি, অপশাসন, বিদেশে টাকা পাচার, ব্যাংক থেকে টাকা লুট, শেয়ারমার্কেট কেলেংকারি, জালিয়াতি, জনগণকে নির্যাতন, হত্যা, গুম, বিচারবিহীন হত্যাকাণ্ড, আন্দোলনের নামে মানুষ হত্যা, পেট্রোলবোমা মেরে মানুষ হত্যা, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অপকর্ম, ঘুষ বাণিজ্য প্রভৃতি। যা ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বিতর্কিত নির্বাচন পরবর্তী সময়ে সবচে' বেশি লক্ষ করা যাচ্ছে। যা একজন সত্যিকারের বিবেকবান, মনুষ্যত্ববোধ ও সচেতন নাগরিকের কাছে কাম্য হতে পারে না। তবে কতিপয় গড্ডলিকা প্রবাহের ন্যায় ও অন্যায় বোঝার ক্ষমতাহীনদের কথা বাদ দিলাম। কারণ অন্ধ অনুকরণ এদের মজ্জাগত সমস্যা হয়ে রক্তে মাংসে মিশে গেছে। মূলকথা, দেশের উন্নয়ন ও জনকল্যাণ কাজের জন্য নির্বাচিত সরকারের(অবশ্যই সুশাসক) বিকল্প হতে পারে না। তবে নির্বাচিত সরকারকে হতে হবে অবশ্যই সুশাসক, গণতান্ত্রিকচেতা ও জনকল্যাণকর। এ সুশাসক দেশের মানুষের সার্বিক অধিকার সম্পর্কে যেমন থাকবে সচেতন তেমনই তা বাস্তবায়নের জন্য থাকবে অঙ্গীকারবদ্ধ। তবেই দেশ ও জাতির কল্যাণ হবে অন্যথায়......। বর্তমানে দেশে চলছে নির্বাচিত প্রহসনের সরকারের নামে আধুনিক স্বৈরতন্ত্র যা দেশের সার্বিক কল্যাণের যেমন প্রধান অন্তরায় তেমনই অশান্তির প্রধান কারণ। এ থেকে বের হয়ে না আসতে পারলে দেশের সার্বিক( আর্থ -সামাজিক,রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক) মেরুদণ্ড ভেঙে যাবে।
©somewhere in net ltd.