| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সুলাইমান হোসেন
,,অনির্দিষ্টকালের জন্য সামু থেকে ছুটি নিচ্ছি।ভালো থাকবেন আমার প্রানপ্রিয় সব ব্লগাররা,যেখানেই থাকি আপনাদেরেক মনে রাখবো,দোয়া করবো,আমার জন্যও দোয়া করবেন।যার প্রতিই আমার ভালোবাসা অনুভব করেছি,তাকেই ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করেছি,কিন্তু সামুকে মনে হয়না ভুলতে পারবো।,আমার লেখা নিয়ে কারো আপত্তি থাকলে ইমেইলে যোগাযোগ করতে পারেন,[email protected]
আগে ভাঙো পরে গড়ো :নামাজের বাতেনি রহস্য(৬ষ্ট পর্ব)
নামাজকে পৃথিবীতে কেন নাজিল করা হয়েছে?
উত্তর:প্রাচীনকাল থেকেই মানুষকে একটি কথা ভাবিয়ে তুলত,
আমার কি কোনো সৃষ্টিকর্তা নেই।যদি থেকে থাকেন,তাহলে তাকে পাওয়া যায় কিভাবে?তাকে পাওয়ার কোনো পথ কি নেই?
এই ধরনের প্রশ্ন মানুষকে ভাবিয়ে তুলত।এবং নিজের ভিতরে ভিতরে একটা শুন্যতা অনুভব করত।সবকিছু আছে,সুখ সমৃদ্ধি আছে,তারপরও কি যেন একটা নেই।
অবস্য সবার এই ভাবনা হয়না,মানুষের মধ্য একটা দলের,এই ভাবনাগুলো মনে উদয় হত,এবং এখনকার জমানায়ও অনেকের মনে এই ভাবনাগুলো উদয় হয়।
চিরন্তন সত্য একটা ব্যাপার হল,সৃষ্টিকর্তাকে মানুষ কোনোদিনও পাবেনা,যতক্ষন না সৃষ্টিকর্তা নিজেই তাকে ধরা দেন,অথবা দেখিয়ে দেন।
এটা একটা সমস্যা ছিল।সৃষ্টিকর্তাকে পাওয়ার একটা বাসনা,অথবা তীব্র ক্ষুধা অনেক মানুষের মধ্যেই থাকে অনেকেই আবার কৌতুহল নিবারনের জন্যও সৃষ্টিকর্তাকে পেতে চায়।
মানুষ কেন মুর্তি পুজা শুরু করেছিল? সৃষ্টিকর্তাকে পাওয়ার ক্ষুধা মিটানোর জন্যই মানুষ মনগড়া মুর্তিপুজা শুরু করে।কিন্তু মুর্তিপুজা করে তাঁদের ক্ষুধা মিটেনি।
কারন মুত্রিপুজা সৃষ্টিকর্তা থেকে মোহর মারা কোনো জিনিস ছিলনা।

©somewhere in net ltd.