নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি জানিনা আমি কে?আমি আপনার দিকে দৌড়াতেই থাকবো,যতক্ষন না আপনার রহস্য এবং হাকিকত জানতে পারি,আর আপনি তা না জানালে আমাদের পক্ষে তা জানা সম্ভব নয়

সুলাইমান হোসেন

যে ব্যাক্তি আমার লেখা পাঠ করবে সে আমার ভালোবাসার জ্বালে আটকে যাবে,আমার অন্তরের সাথে তার অন্তরের নেসবত হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।কিন্তু যদি কেউ তরিকত অস্বীকার কারি হয় তবে সে আমার লেখা থেকে উপকৃত হতে পারবেনা

সুলাইমান হোসেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

আত্মশুদ্ধির উৎকর্ষতা (২য় পর্ব)জিপিটি দ্বারা পরিমার্জিত)

৩০ শে ডিসেম্বর, ২০২৫ সকাল ৮:২৫

ঠিক আছে প্রিয় ভাই
আমি এটাকে সামুতে পোস্ট করার মতো পরিপাটি, সংযত ও নিরাপদ ভাষায় সাজিয়ে দিচ্ছি।
আপনার মূল ভাব, গভীরতা ও তরিকতের দৃষ্টিভঙ্গি অক্ষুণ্ন থাকবে—শুধু এমনভাবে বলা হবে যেন ভুল বোঝাবুঝি না হয়।
আপনি চাইলে শিরোনামও ব্যবহার করতে পারবেন।
সুলুক বা আধ্যাত্মিকতার পথে সবর
(পর্ব–২)
আগের পর্বের পর থেকে—
২️⃣ সুলুকের পথে সবর
আধ্যাত্মিকতার পথে চলতে গিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গুণ হলো সবর। তবে এই সবর সাধারণ ধৈর্য নয়, বরং এটি এক বিশেষ মেহনত ও আত্মসংযমের নাম। অন্তরে বিশেষ কোনো আধ্যাত্মিক অবস্থা কামনা না করা
নিজের থেকে অন্তরে কোনো বিশেষ অনুভূতি, কাশফ, লতিফা কিংবা অলৌকিক অবস্থা কামনা না করে কেবল আমল করে যেতে হবে। হলে হোক, না হলে না হোক—আমার কাজ শুধু আমল করে যাওয়া। ফল আল্লাহর হাতে। সবর–ই–জামীল (সুন্দর ও অনুপম ধৈর্য)
যেকোনো বিপর্যয়, কষ্ট বা পরীক্ষাকে ধৈর্যের সাথে গ্রহণ করা।
হাহুতাশ না করা, ভয় না পাওয়া, “এমন কেন হলো, অন্যরকম কেন হলো না”—এ ধরনের অভিযোগ না করা। বরং চুপ থাকা, পরিস্থিতিকে সামলানো এবং আল্লাহর ফয়সালার দিকে তাকিয়ে থাকা।


সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো আমল
আধ্যাত্মিক কোনো বিশেষ অবস্থা জরুরি নয়, জরুরি নয় কাশফ বা কেরামত। বরং এসব জিনিস অনেক সময় সালিকের জন্য মহা ক্ষতির কারণ হতে পারে। মানুষকে তাক লাগানো নয়, আল্লাহকে রাজি করাই মূল উদ্দেশ্য।
নিয়মিত যিকির ও তাসবিহ
বিশেষ করে গভীর রাতে যিকির ও তাসবিহ অব্যাহত রাখা। শয়তান যেন কোনোভাবেই এই যিকির ছাড়িয়ে না দিতে পারে—এই বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।
সাধ্য ও অসাধ্যের পার্থক্য
সাধ্যের ভেতরে থাকা কাজগুলো করে যেতে হবে।
আর যেগুলো অসাধ্য, সেগুলোর ব্যাপারে সম্পূর্ণ নির্লিপ্ত থাকা—এই বিশ্বাস রেখে যে, এসবের জন্য কোনো পাকড়াও হবে না।
(হাকীমুল উম্মত হযরত থানভী রহ. এর মূল মন্ত্র ছিল এটি)
৩️⃣ গুনাহের ক্ষেত্রে সবর
ওসওসা ও গুনাহের পার্থক্য
অন্তরে গুনাহের চিন্তা বা ওসওসা আসলে তার জন্য পাকড়াও নেই। কিন্তু সেই চিন্তাকে কাজে রূপ দিলে পাকড়াওয়ের আশঙ্কা রয়েছে।
গুনাহ করতে ইচ্ছা হওয়া, কিন্তু না করা
মন খুব প্রবলভাবে গুনাহের দিকে টানছে, অথচ আপনি গুনাহ করছেন না—এটাই হলো জিহাদে আকবার।
অপারগতা ও শরিয়তের নীতি
ফিকহে এমন কিছু চরম অপারগতার কথা আলোচনা করা হয়েছে, যেখানে দুই ক্ষতির মধ্যে অপেক্ষাকৃত কম ক্ষতি বেছে নেওয়ার নীতি প্রয়োগ করা হয়। তবে এসব বিষয় সাধারণ আলোচনার জন্য নয়। এগুলো ব্যক্তিগত ইস্তেফতা, আলেমের তত্ত্বাবধান ও গভীর সতর্কতার বিষয়। ভুল প্রয়োগ করলে আত্মিক ও দ্বীনি বিপর্যয় ঘটতে পারে।
বান্দার দায়িত্ব হলো—
সর্বোচ্চ চেষ্টা করে হারাম থেকে বেঁচে থাকা, আর ব্যর্থ হলে তাওবার দরজা বন্ধ মনে না করা। অপারগতার প্রকৃত সীমা আল্লাহই ভালো জানেন
অনিচ্ছাকৃত ছোটখাটো ভুল
অনেক সময় অনিচ্ছাকৃতভাবে ছোটখাটো ভুল হয়ে যায়। এগুলো সবসময় ক্ষতিকর না হয়ে, আল্লাহর ফজলে উপকারের কারণও হতে পারে।
এর একটি বড় উপকার হলো—
নিজেকে পবিত্র মনে করার প্রবণতা ভেঙে যায়, নিজেকে পাপী মনে হয়। তরিকতের পথে এই অনুভূতি আত্মগর্ব ও অহংকারের জন্য এক অব্যর্থ ঔষধ।
তবে মনে রাখতে হবে—
ইচ্ছা করে গুনাহকে কখনো “ঔষধ” বানানো যাবে না। ঔষধ প্রয়োজনের বেশি হলে যেমন ক্ষতিকর হয়, তেমনি ইচ্ছাকৃত গুনাহ ভয়ংকর বিপর্যয়ের কারণ হতে পারে।
শেষ কথা
আমার এই আলোচনা থেকে কেউ যেন মনে না করেন যে গুনাহের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে।
বরং মূল কথা হলো—

মন্তব্য ০ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.