নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি জানিনা আমি কে?আমি আপনার দিকে দৌড়াতেই থাকবো,যতক্ষন না আপনার রহস্য এবং হাকিকত জানতে পারি,আর আপনি তা না জানালে আমাদের পক্ষে তা জানা সম্ভব নয়

সুলাইমান হোসেন

যে ব্যাক্তি আমার লেখা পাঠ করবে সে আমার ভালোবাসার জ্বালে আটকে যাবে,আমার অন্তরের সাথে তার অন্তরের নেসবত হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।কিন্তু যদি কেউ তরিকত অস্বীকার কারি হয় তবে সে আমার লেখা থেকে উপকৃত হতে পারবেনা

সুলাইমান হোসেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

বিদায় হে ২০২৫!!

০১ লা জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ২:৩১

বিদায় হে ২০২৫,তোমার সাথে আমার দেখা হওয়ার আর কোনো সম্ভাবনা নেই,

আহা!সময়গুলো কতদ্রুত ফুরিয়ে যায় জীবন থেকে।বছর এখন মনে হয়,একদিনের মতো হয়ে গিয়েছে।সময়ের বরকত নেই।হাদিসে আছে কেয়ামতে আগে সময় খুব দ্রুত যাবে,হাদিসটা মনে নেই এজন্য উল্লেখ করতে পারলামনা।কিন্তু সেখানে বলা হয়েছে।বছর মনে হবে মাসের মতো,মাস দিনের মতো,এবং দিন মনে হবে ঘন্টার মতো দ্রুত।আমার মনে হয় এখনই তেমনটা হচ্ছে।কেয়ামতের তাহলে আর বেশি দেড়ি নেই বলা যায়।

এক সাহাবী নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে এসে বললেন,ইয়া রসূলাল্লাহ,কেয়ামত কবে হবে?
নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজেও জানতেননা যে কেয়ামত ঠিক কবে হবে।এটা আল্লাহ তায়ালা ছাড়া অন্য কারো জ্ঞানে নাই,আর এর কোনো প্রয়োজন ও নেই।নবীজি সাহাবীকে বলেছিলেন,তুমি সেইদিনের জন্য কতটুকু প্রস্তুতি নিয়েছো শুনি।(স্মৃতি থেকে বলছি হাদিসটি আমার সামনে নেই)উক্ত সাহাবী উত্তর দিলেন,ইয়া রসূলাল্লাহ প্রস্তুতি তেমন নিতে পারিনাই,কিন্তু আমি আল্লাহ এবং তার রসূলকে ভালোবাসি।নবীজি বললেন তাহলে তুমি যাকে ভালোবাসো তার সঙ্গেই থাকবে।(মূল হাদিসটি সূত্রসহ কমেন্টে দেওয়ার চেষ্ট থাকবে)

অর্থাৎ কেয়ামতের দিন প্রত্যেকেই তার ভালোবাসার মানুষের সাথে থাকবে।এই বিষয়ে আমি আলাদা একটি পোস্ট দিবো ইনশাআল্লাহ।

হে ২০২৫! তোমার সাথে আমার আর দেখা হওয়ার সম্ভাবনা নেই!

বছর শেষে যখন নিজের হিসাব মিলাতে বসি,নেক আমল তেমন দেখিনা,কিন্তু গুনাহের কাজই বেশি দেখি।এটা অবশ্য ভয়ের ব্যাপার!যতই চাই গুনাহ করবোনা,ততই গুনাহ হয়ে যায়।আয় আল্লাহ,গুনাহ থেকে আমাদেরকে বাঁচিয়ে দিন,নেক আমল করে রুহকে জান্নাতকে সুসজ্জিত করার তৌফিক দিন।অনেক পিছনে পরে গিয়েছি,আপনার অনুগ্রহে এবং দয়ায় আমাদেরকে সামনে এগিয়ে দিন।নিশ্চই আপনি যা চান তাই করতে পারেন।

বারটি মাসে একটি বছর হয়।এটা আমাদের হিসাব।সময়ের হিসাব একেক জায়গায় একেকরকম।যেমন আখিরাতের সময় এবং দুনিয়ার সময়ের হিসাব এক নয়।যদিও সময়ের উৎপত্তিগত হাকিকত এক এবং অভিন্ন।কিন্তু হিসাব এবং রং ভিন্ন।আখিরাতে একটি দিন দুনিয়ার পঞ্চাশ হাজার বছরের সমান!ভাবতেই কেমন লাগে।কিন্তু এটাই সত্য।কেয়ামতের দিন মানে একটি দিন।কিন্তু বড় এবং লম্বা কত হবে?দুনিয়াতে পঞ্চাশ হাজার বছরে যতটুকু সময় হয় কেয়ামতের পুরো দিনটা এত বড় হবে।সেই দিন আল্লাহ তায়ালার নিকট বিভিন্ন দলে দলে ভাগ হয়ে মানুষ উপস্তিত হবে(কুরআন থেকে জানা যায়)মানুষের ভিতর বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষ রয়েছে।এজন্য বিভিন্ন দল থাকবে।একটা পরিবার একটা দল হতে পারে।এবং পরিবারের মধ্যে সর্বাধিক পরহেজগার ব্যাক্তি পরিবারের আমির হতে পারে।পিতার থেকে যদি সন্তান বেশি পরহেজগার হয় তাহলে সন্তানই আমীর হওয়ার যোগ্য।আমীর নির্বাচন করা হয় মূলত পরহেজগারীতা,এবং জ্ঞানের ভিত্ততে,বয়সের ভিত্তিতে নয়।কেয়ামতের দিন পরহেজগারিতা অর্থাৎ তাক্বওয়ার ভিত্তিতে একজন আরেকজনের উপর মর্যাদাবান হবে।

২০২৫ সাল বিদায় নিয়ে চলে গেলো।জীবনের হিসাব মিটাতে বসে গুনাহের পাল্লা ভারী দেখতে পেলাম।নেকি একেবারেই কম।আবার অন্যের হক দিতে দিতে তাও নাই হয়ে যেতে পারে।কি বিপদ!
এই বিপদ থেকে বাঁচার একটাই পথ নেকি অর্জন করা।প্রয়োজনের থেকে বেশি অর্জন করে রাখা ভালো।কারন কাউকে এক্টা গালি দিয়েছি,এতেও নেকি দিয়ে দিতে হবে।



একটি কবিতা লিখার চেষ্টা করি বিদায়ী বছর নিয়ে,

হে ২০২৫,
তোমার সাথে আমার আর দেখা হবেনা,
দুনিয়া দেখবেনা আর তোমার মুখ,
মেহমানের মতো আমাদের নিকট এসেছিলে,
কিন্তু আমরা কত হতভাগা,
মেহমানের কদর করতে পারিনি।
কেয়ামতের দিন আমাদের বিরুদ্ধে,
কোনো গুনাহের অভিযোগ দায়ের কোরোনা,
কারন আমাদের গুনাহে বড় সাক্ষ তুমিই।।

তোমার সাথে জড়িয়ে আছে কত স্মৃতি,
যা কোনোদিনও ভুলতে পারবোনা।
গুনাহগুলো যদি মাফ হয়ে যায়,
শুধু নেকি গুলো থাকে,
তাহলে আনন্দের কোনো সীমা থাকবেনা।
এর আগেও জীবন থেকে চলে গিয়েছে,
আরো কত সময়,কত বছর।
একটা বছরকেও কাজে লাগাতে পারিনি।
শুধু গুনাহ দিয়ে পূর্ণ করেছি।
যদি গুনাহ জগতের নিকট,
প্রকাশিত হয়,তাহলে
লজ্জার কোনো সীমা খুঁজে পাওয়া যাবেনা।

হে ২০২৫,
আমি তোমাকে ভুলতে না পারলেও,,
তুমি অবশ্যই আমাকে ভুলে যেও।
কারন যত মনে করবে,
তত কষ্ট পাবে,এবং কান্না আসবে।

সময় চলে যাচ্ছে,
কিন্তু কাজের কাজ কিছু হচ্ছেনা।
যতটুকু ভালো কাজ করি,
তাও রিয়া এবং নিফাক মিশ্রিত।

হে ২০২৫,
আমি তোমাকে ঠিকই কাজে লাগাতে চেয়েছিলাম,
কিন্তু নফস এবং শয়তান,হস্তক্ষেপ করেছে।
সামনে ২০২৬ কে বরন করে নিচ্ছি,
এবং নতুন করে,দৃঢ়তা সহকারে নিয়ত করছি।
তোমার ক্ষতি আমি ২৬ কে
দিয়ে পুষিয়ে নিবো ইনশাআল্লাহ।

বিদায় হে ২০২৫!



মন্তব্য ৪ টি রেটিং +১/-০

মন্তব্য (৪) মন্তব্য লিখুন

১| ০১ লা জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:০৫

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে বেশি বেশি নেকি অর্জন করার তৌফিক দান করুন।বাজ ৩, আমার মাল্টি নিক আমার প্রিয় ব্লগারদের আমার আরেকটি নিক বাজ ৩ ভ্রমনের আমন্ত্রন রইলো।সেখানে আমি'অন্তরে শুধুই তুমি'নামে একটি কাল্পনিক চরিত্রের শিক্ষনীয় উপন্যাস লেখার চেষ্টা অব্যহত রয়েছে।ইনশা আল্লাহ পাঠক সেখান থেকে অনেক উপকৃত হতে পারবে,এই আশা রয়েছে।এখন আমি বাজ ৩ আইডি ব্যবহার করে কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর সাজাচ্ছি কমেন্ট বক্সে।

২| ০১ লা জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:০৬

বাজ ৩ বলেছেন: :-* :| :D :) :>

৩| ১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:৪৩

ডঃ এম এ আলী বলেছেন:




শুনেন ভাই কেয়ামত সেদিনই হবে যেদিন আল্লাহ চাইবেন ।
একজন মানুষের মৃত্যু সেদিনই হবে যেদিন আল্লাহ চাইবেন ।
এখন কি বুঝা গেল ।
আল্লার ইচ্ছায় একজন মৃত্যু পথযাত্রী মানুষের কাছে সেদিনই কিয়ামত যখন সে মারা যায় ।
কারণ কিয়ামতেতো তেমনটিই হবে যখন কেও বেঁচে থাকবেনা ।
এগুলি হল যুক্তি শাস্রের কথা ।
যাহোক প্রকৃত কিয়ামত হবে আল্লাহর ইচ্ছায় আল্লার নির্ধারিত দিনে ।

অরো একটি বিষয় বছর পিছনে পড়ে যায়না এটা এগিয়েও যায় ।
অ্যাভিয়েশন ডেটা প্ল্যাটফর্ম ওএজি-এর তথ্য অনুযায়ী, মোট ১৪টি যাত্রীবাহী বিমান
২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি যাত্রা শুরু করে এবং ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর গন্তব্যে পৌঁছায়।
এর মধ্যে অন্যতম ছিল ক্যাথে প্যাসিফিকের ফ্লাইট সিএক্স৮৮০ (বোয়িং ৭৭৭)।
বিমানটি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি রাত ১২টা ৩৪ মিনিটে হংকং থেকে উড্ডয়ন করে এবং আন্তর্জাতিক
তারিখ রেখা অতিক্রম করে ২০২৫ সালের ৩১ ডিসেম্বর রাত ৯টা ২৮ মিনিটে লস অ্যাঞ্জেলেসে অবতরণ করে।
ফলে এই বিমানের যাত্রীরা মাঝ আকাশে একবার এবং লস অ্যাঞ্জেলেসে আরও একবার
অর্থাৎ একই দিনে দুইবার নতুন বছর উদযাপন করেন।
অর্থাৎ, যাত্রীরা ২০২৬ সালে ঘুম থেকে উঠে যাত্রা শুরু করলেও তারা এমন এক
জায়গায় নামলেন যেখানে তখনও ২০২৬ সাল শুরু হয়নি। ফলে তারা একই বছরে
দুইবার ‘থার্টি ফার্স্ট নাইট’ এবং নববর্ষ উদযাপনের বিরল সুযোগ পান।
এটি কোনো টাইম মেশিন বা সায়েন্স ফিকশনের কাণ্ড নয়, বরং ভৌগোলিক অবস্থান
এবং আন্তর্জাতিক তারিখ রেখার কারণে সম্ভব হয়েছে। উত্তর মেরু থেকে দক্ষিণ মেরু
পর্যন্ত বিস্তৃত এই কাল্পনিক রেখাটি মূলত ক্যালেন্ডারের একটি দিনকে অন্য দিন থেকে
আলাদা করে। প্রশান্ত মহাসাগরের ওপর দিয়ে এই রেখা অতিক্রম করার সময় ঘড়ির
সময় ও তারিখ নাটকীয়ভাবে বদলে যায়।



১০ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৪:১২

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: মাশাআল্লাহ।অনেক গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় শিখলাম।আমি উক্ত লেখাটা ওই রাত্রেই লিখেছিলাম।রাষ্ট্রীয় ৩দিনের শোক চলছিলো।তবুও ঢাকা নববর্ষ উদযাপন করছিলো

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.