নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

আমি জানিনা আমি কে?আমি আপনার দিকে দৌড়াতেই থাকবো,যতক্ষন না আপনার রহস্য এবং হাকিকত জানতে পারি,আর আপনি তা না জানালে আমাদের পক্ষে তা জানা সম্ভব নয়

সুলাইমান হোসেন

যে ব্যাক্তি আমার লেখা পাঠ করবে সে আমার ভালোবাসার জ্বালে আটকে যাবে,আমার অন্তরের সাথে তার অন্তরের নেসবত হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।কিন্তু যদি কেউ তরিকত অস্বীকার কারি হয় তবে সে আমার লেখা থেকে উপকৃত হতে পারবেনা

সুলাইমান হোসেন › বিস্তারিত পোস্টঃ

দুনিয়াতে যার সাথে যার ভালোবাসা থাকবে আখিরাতে কেয়ামতের দিন সে তার সাথেই থাকবে।

১২ ই জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৬:৫৪

আমি আগের পোস্টে বলেছিলাম দুনিয়াতে যার সাথে যার ভালোবাসা থাকবে আখিরাতে কেয়ামতের দিন সে তার সাথেই থাকবে।এই বিষয়ে আমি আলাদা একটা পোস্ট লিখব, পোস্টটা সেই উদ্দেশ্য লেখা।

কেয়ামত কি?
কেয়ামত হলো ভবিষ্যতে সংঘঠিত হবে।সেটা এমন একটা দিন যেইদিন সবকিছুর চূড়ান্ত ফয়সালা করে দেওয়া হবে।নেককারদেরকে নেককাজের পুরুষ্কার দেওয়া হবে আর বদকারদেরকে বদকাজের পুরুষ্কার দেওয়া হবে।
চোরকে চুরি করার জন্য উপযুক্ত পুরুষ্কার যা হতে পারে তা দেওয়া হবে।(আচ্ছা এমন কি হতে পারে চোরকে চুরি করার জন্য মাথায় হাত বুলিয়ে দেওয়া হচ্ছে আর বলা হচ্ছে বাহ! তুমিতো চমৎকার কাজ করেছো,তোমাকে তো মহাপুরুষ্কার দিতে হয়।)প্রিয় পাঠক। খবরদার।ব্যাপারটা এমন হবেনা।উল্টো হবে এবং ভয়ংকর হবে।

এক বুযুর্গের একটি দামি জিনিস চুরি হয়ে গিয়েছিলো।বুযুর্গ অঝোর ধারায় কান্না করছিলেন।লোকেরা আশ্চর্য হয়ে কান্নার কারন জিগ্যেস করলো।(বুযুর্গ মানুষের তো কান্না করার কথা নয়, ব্যাপার কি।)
বুযুর্গ বললেন,আমি নিজের জন্য কান্না করছিনা।আমি তো কেয়ামতের দিন ঐ চোরটার দুর্দশাকে উপলব্ধি করে কান্না করছি।অর্থাৎ কেয়ামতের দিন সে কিভাবে এর দায় থেকে মুক্ত হবে,এবং সে কি জবাব দিবে?বিষয়টা চিন্তা করে আমি উক্ত চোরের মায়ায় পরে কান্না করছি।

ভালোবাসা কি?
ভালোবাসা হলো একজনের প্রতি আরেকজনের হৃদয়ের আকর্ষন বা বিষেশ টান।যা শুধু আশেক অনুভব করে।যে ভালোবাসে তাকে আশেক বলে আর যাকে ভালোবাসা হয় তাকে মাশুক বলা হয়।
আশেকের ভালোবাসার উত্তাপ কি মাশুক উপলব্ধি করতে পারে?
এই প্রশ্নের উত্তর আসলে আমি জানিনা।
কেয়ামতের দিনটা অনেক লম্বা হবে,আর ভালোবাসার মানুষের সাথে সময়ও খুবই ভালো কাটে।এই লম্বা দিন মুমিনদের জন্য খুব সংক্ষিপ্ত মনে হবে এবং আল্লাহ তায়ালার আরশের ছায়ায় প্রফুল্ল চিত্তে কেটে যাবে।
হাদিস শরীফে আছে সাত শ্রেনীর মানুষ সেদিন আরশের নিচে ছায়া পাবে।
এর মধ্যে একশ্রেনি হলো যারা আল্লাহর জন্য পরষ্পর ভালোবাসা রাখত।

মন্তব্য ৮ টি রেটিং +৪/-০

মন্তব্য (৮) মন্তব্য লিখুন

১| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৫:০২

নতুন নকিব বলেছেন:



পরকালে পূণ্যবানদের আল্লাহ তাআ'লা জান্নাতে পরিবার-পরিজন এবং নিকটজনদের সাথে একত্রিত করবেন। আলহামদুলিল্লাহ।

১৩ ই জানুয়ারি, ২০২৬ বিকাল ৩:৪১

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: প্রিয় নকিব ভাই।আমি চাই সকল মুমিনদেরকে আল্লাহ তায়ালা এই সৌভাগ্য দান করুন।

২| ১২ ই জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ৮:১৫

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: হ্যা প্রিয় ভাই।এটা সব মুমিনদেরই মনের চাওয়া।আল্লাহ তায়ালা বলেছেন,আমি তাদের মনের পারষ্পারিক বিদ্বেষ দূর করে দিবো।(আয়াত নম্বর মনে থাকেনা,কিন্তু অনুবাদে পরেছি এটা নিশ্চিত)।তারা পরষ্পর ভাই ভাই হয়ে আসনে সামনা সামনি বসবে।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:৪৯

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: :)

৩| ১৩ ই জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ৭:২৩

বাজ ৩ বলেছেন: দুঃখ কষ্ট এবং বিপদ আপদ সহ্য করার উপকারিতা

যার মধ্যে কোনো দুঃখ কষ্ট বিপদ আপদ নাই,
তার হাজারো নেয়ামত থাকলেও কিছুই নাই।।

দুঃখ কষ্ট বিপদ আপদ এমন ঔষদ,যে
যেকোনো রোগব্যাধি দৌড়ে পালিয়ে যেতে পারে।

এর পরে আল্লাহ যদি তাকে নির্মল প্রশান্তি দেন,
তবে তা হবে জগতের সবচেয়ে বড় প্রশান্তি।

হে প্রিয়।দুঃখ কষ্টে হাহুতাশ করোনা,অভিযোগ করোনা,
তাহলে তোমার আত্মা উর্ধ্বজগত ভ্রমন করবে।

এমন প্রশান্তি তার ভাগ্য থেকে পলায়ন করে,
যার কোনো বিপদ আপদ নেই,
এবং না পাওয়ার ব্যাথা নেই।

ধৈর্য
ধৈর্য হলো দুনিয়া এবং আখিরাতের ধনভান্ডার।
যে যতবেশি হাসিল করেছে,সে তত সমৃদ্ধ।

হে প্রিয়।তুমি ধৈর্যে উচ্চতার পরিচয় দাও।
যাতে তোমার আত্মা উচ্চমার্গে পৌঁছতে পারে।
এবং শক্তিতে বলিয়ান হতে পারে।
এবং দুইশত কাফেরও ধরাশায়ী হতে পারে তোমার নিকট।

না পাওয়ার ব্যাথায় ধৈর্য ধরা অত্যান্ত কঠিন,
আর পাওয়ার বেলায় শোকরও কঠিন।
সবর এবং শোকর সাধকদের সবচেয়ে প্রিয় বস্তু।
যা তারা দ্বীর্ঘদিনের চর্চার পর অর্জন করেন।

১৯ শে জানুয়ারি, ২০২৬ ভোর ৫:৪৯

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: ধন্যবাদ।সবর এবং ধৈর্যের উপকারিতা বর্ননা করার জন্য

৪| ২০ শে জানুয়ারি, ২০২৬ সকাল ১০:৩৫

কাজী ফাতেমা ছবি বলেছেন: আল্লাহ আমাদের ঈমানের সাথে মৃত্যু দিন, পাপ হতে দুনিয়ায় হিফাজত করুন

২১ শে জানুয়ারি, ২০২৬ রাত ১২:০৬

সুলাইমান হোসেন বলেছেন: আমিন।আল্লাহ তায়ালা কবুল করুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.