| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সুলাইমান হোসেন
যে ব্যাক্তি আমার লেখা পাঠ করবে সে আমার ভালোবাসার জ্বালে আটকে যাবে,আমার অন্তরের সাথে তার অন্তরের নেসবত হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।কিন্তু যদি কেউ তরিকত অস্বীকার কারি হয় তবে সে আমার লেখা থেকে উপকৃত হতে পারবেনা
নফসকে জয় করা হিমালয় জয় করার থেকেও কঠিন।
ব্যাখা=
নফসকে জয় করা হিমালয় জয় করার থেকেও কঠিন।এই কথার অর্থ কি?
নফস মানুষের আদি শত্রু।শুধু মানুষের নয়,জীন এবং শয়তানদেরও শত্রু এই নফস।নফসকে বিজয় করা মানে হলো,নফসের রোগব্যাধি থেক মুকত্ি লাভ করা।যে ব্যাক্তি নফসের রোগ-ব্যধি থেকে মুক্তি লাভ করে সেই প্রকৃত মানুষ।সে রুহানী মানুষে পরিনত হয়।দুনিয়াটাই তার জন্য জান্নাতের মতো হয়ে যায়।
কিভাবে নফসের রোগব্যাধি থেকে মুক্তি লাভ হয়?
উল্লেখ্য যে নফসের রোগব্যাধি সকলের কাছে ধরা পরেনা।যারা ইমাম গাজ্জালী রহ.এর কিমিয়ায়ে সায়াদাত এবং এহইয়াউল উলুমুদ্দিন বুঝে পড়েছেন, অথবা এই ধরনের কিতাব পাঠ করেছেন কেবলমাত্র তাদের নিকটেই নফসের রোগব্যাধি ধরা পরে।
নফসের রোগব্যাধি ধরা পড়লে কি করনীয়?
পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ যোগ্য ইমামের পিছনে সহিশুদ্ধ ভাবে পড়লেও নফসেের রোগ ধরা পরে।আগে নফসের রোগগুলো কি কি তা চিন্হিত করতে হবে,তারপর করনীয় বিষয় আলোচনায় আসবে।
নফসের রোগগুলো কি কি?
=নফসের রোগ তো অনেক।এর মধ্যে বুযুর্গরা দশটা বড় বড় রোগ আলোচনা করেছেন।তা দূর করতে পারলে বাকিগুলোও সহজেই দূর হয়ে যায়।
বড় বগ দশটি রোগ হলো—
১।হিংসা ;২।অহংকার ;৩।রিয়া(লোক দেখানো ইবাদত) ৪।ক্রোধ ৫।লোভ -লালসা ;৬।কামনা,কাম প্রবৃত্তি ;৭।দুনিয়ার ভালোবাসা, ৮।
©somewhere in net ltd.