| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সুলাইমান হোসেন
যে ব্যাক্তি আমার লেখা পাঠ করবে সে আমার ভালোবাসার জ্বালে আটকে যাবে,আমার অন্তরের সাথে তার অন্তরের নেসবত হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।কিন্তু যদি কেউ তরিকত অস্বীকার কারি হয় তবে সে আমার লেখা থেকে উপকৃত হতে পারবেনা
চলো উড়াল দেই সেই আকাশে যেই আকাশের খবর এই বাহিরের আকাশও জানেনা।
আকাশকে আল্লাহ তায়ালা আমানত দিতে চাইলেন কিন্তু আকাশ আমানত নিলোনা।ভয় পেলো।এই বিষয়ে ইনশাআল্লাহ আজকে কিছু আলোচনা করবো।
বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম
নাহমাদুহু ওয়ানুসল্লি আলা রসূলিহিল কারীম
কি ছিলো সেই আমানত?এবং কেন,এই আমানত দিতে চাইলেন,সবাই ভয় পেয়ে গেলো,এবং মানুষ নিজের কাধে সেটা বহন করলো।
তাফসিরকারকরা বলেছেন,সেটা ছিলো কুরআনের আমানত।যেই আমানতই হোক,সেটা যে আল্লাহর পক্ষ থেকে একটা দায়িত্বের আমানত এতে কোনো সন্দেহ নেই।
এই আমানত সঠিক ভাবে পালন করতে পারলে কত বড় পুরুষ্কার পাওয়া যাবে তা আমাদের কল্পনারও বাইরে,
আল্লাহ তায়ালা বলেন,
আর যে কেউ আল্লাহ এবং রসূলের আনুগত্য করবে,সে মহা সাফল্য লাভ করবে(বিরাট বড় পুরুষ্কার পাবে)
দুনিয়া এবং আখিরাত
দুনিয়া এবং আখিরাত দুইটাই আল্লাহর।সুতরাং দুনিয়াতেও যদি শান্তি এবং কল্যান কেউ পেতে চায়,তাহলে তাকেও আল্লাহর ইবাদত করে তা অর্জন করা উচিত।
আধ্যাতিক নেয়ামত।
আল্লাহ এবং রসূলের আনুগত্য করলে আধ্যাতিক নেয়ামত পাওয়া যায়।হাকিকত মারেফত পাওয়া যায়।নূর সাকিনা অন্তরে নাজিল হয়।সুতরাং এটাওতো অনেক বড় পাওয়া।এর জন্য সাধনা করা উচিত।
নিরাপত্তা।
যে কেউ আল্লাহ এবং রসূলের আনুগত্য করে,সে বড় নিরাপত্তা লাভ করে,মৃত্যুও তার জন্য সহজ হয়ে যায়।
দেখুন,ফেরাউনের জাদুকররা যখন মুসা আলাইহিসসালামের উপর ইমান আনলো,ফেরাউন তাদেরকে কত বড় শাস্তি দিতে চাইলো।কিন্তু জাদুররা কি বলল,
"তুমি তো আমাদেরেক শুধুমাত্র এই দুনিয়াতেই শাস্তি দিতে পারবে" আর আমরা তো আল্লাহর কাছেই ফিরে যাবো।"দেখুন জাদুকরদের নিকট মৃত্যু কত সহজ হয়ে গিয়েছিলো ইমান আনার কারনে।
বিখ্যাত একটি কথা প্রচলিত আছে,যা নাস্তিকদের সঙ্গে বাহাছে বলা হয়,তা হলো যদি আল্লাহ এবং রসূল সত্য হয়,তাহলেতো আমরা মহা পুরুষ্কার পাবো আর তোমরা হে কাফেররা ধ্বংস হয়ে যাবে।আর যদি আল্লাহ এবং রসূল (নাউজুবিল্লাহ) মিথ্যা হন,(যদিও তা কখোনৌ নয়),তবেতো আমরাও বেঁচে যাবো তোমরাও বেঁচে যাবে।
অর্থাৎ আল্লাহ এবং রসূলের আনুগত্য করাটাইতো মঙ্গলজনক।
©somewhere in net ltd.