| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সুলাইমান হোসেন
,,অনির্দিষ্টকালের জন্য সামু থেকে ছুটি নিচ্ছি।ভালো থাকবেন আমার প্রানপ্রিয় সব ব্লগাররা,যেখানেই থাকি আপনাদেরেক মনে রাখবো,দোয়া করবো,আমার জন্যও দোয়া করবেন।যার প্রতিই আমার ভালোবাসা অনুভব করেছি,তাকেই ভুলে যাওয়ার চেষ্টা করেছি,কিন্তু সামুকে মনে হয়না ভুলতে পারবো।,আমার লেখা নিয়ে কারো আপত্তি থাকলে ইমেইলে যোগাযোগ করতে পারেন,[email protected]
কিছু দরুদ শরীফ প্রেরন করেছি নবীজির শানে,
আর ভাঙাচোড়া কিছু আমল পাঠিয়েছি আকাশে।
আমার গুনাহের কারনে জমীন অন্ধকার হয়েছে,
আর আকাশ আমার মাথায় আশার হাত রেখেছে।
আকাশ বলছে,গোনাহ ছেড়ে দাও,গোনাহ করোনা,
আর নফস বলছে গোনাহ করো,গোনাহ ছেড়োনা।
বহুদিন পর্যন্ত আমি গাফেল থেকেছি,
পরিশেষে গোনাহ থেকে তওবা করেছি।
তওবা করার পরেও অনেক দুঃসাহস করেছি,
শয়তান এবং নফসের নিকট লজ্জিত হয়েছি।
কঠিন কঠিন যন্ত্রনায় আক্রান্ত হয়েছি,
হৃদয়ের বন্ধ কপাটে আঘাত হেনেছি।
কতবার যে গোনাহ ছাড়তে চেয়েছি,
নফস থেকে শুধুই আঘাত পেয়েছি।
রুহকে আপনার দিকে ভ্রমন করাতে চেয়েছি,
তখন হাজার হাজার বাঁধার সম্মুখীন হয়েছি।
যখনই আপনার দিকে একহাত এগিয়েছি,
নফসের ধাক্কায় দুইহাত পিছনে পড়ে গিয়েছি।
১০ ই মার্চ, ২০২৬ রাত ১১:০৫
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: বাঁশির সুরে সত্যি অদ্ভুদ শক্তি আছে,হৃদয়ের ভিতরে আলোরন সৃষ্টি করে
©somewhere in net ltd.
১|
০৫ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৫:৩৮
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
বাঁশি সুর এক আধ্যাত্মিক ডাক, এক অনন্ত আহ্বান, যা মানুষের কানে নয়, মানবিক হৃদয়ের গভীরে প্রতিধ্বনিত হয় । আমরা শুনি, মুগ্ধ হই, আনন্দ পাই, কিন্তু সেই সুরের পেছনের গভীর হাহাকার বা অসীম শূন্যতা অনুভব করার মতো ধীরস্থিরতা অধিকাংশ সময় হারিয়ে ফেলি। বাঁশির সুর আমাদের পার্থিব জগত থেকে মুহূর্তের জন্য বিচ্ছিন্ন করে অজানার পথে নিয়ে যায়, তবুও আমরা আবার দৈনন্দিনতার যান্ত্রিকতায় ফিরে আসি। বাঁশি যে করুন সুরে প্রেমাশ্পদের শানে দুরুদ পাঠাচ্ছে সে কথা ভুলে যাই । অথচ বাশের বাঁশি ক্রমাগতভাবে করুন সুরে দুরুদ পাঠিয়েই যাচ্ছে ।
বাঁশির এই অদ্ভুত ক্ষমতার পেছনে রয়েছে এর অনন্য বৈশিষ্ট্য প্রাণের যোগ। বিচ্ছেদ বেদনা , প্রাণের যোগ এটি কেবল বাঁশের বাঁশির শব্দ নয়, বরং বাদকের ফুসফুসের হাওয়া বা প্রাণের সংযোগে তৈরি এক জীবন্ত ধ্বনি যা হয়ে উঠে বেদনার সুর। বাঁশির সুরের গভীরে এক গভীর বিষাদ বা ‘বিরহ’ লুকিয়ে থাকে, যা মানুষের নিজস্ব অব্যক্ত বেদনাকে জাগিয়ে তোলে এক আধ্যাত্মিক সংযোগে । সুফি সাহিত্যে বাঁশির সুরকে পরমাত্মার ডাক হিসেবে গণ্য করা হয়, যা জীবাত্মাকে আচ্ছন্ন করে। বাঁশি হলো এক মায়া, যা আনন্দের মোড়কে আমাদের অন্তরের গহীন কোণে থাকা এক চিরন্তন শূন্যতাকে স্মরণ করিয়ে দেয়, যা মুহূর্তের জন্য আমাদের করে তোলে ভীষণ একা, আবার পরক্ষণেই এক অদ্ভুত প্রশান্তি দিয়ে যায়।
শুভেচ্ছা রইল