| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সুলাইমান হোসেন
যে ব্যাক্তি আমার লেখা পাঠ করবে সে আমার ভালোবাসার জ্বালে আটকে যাবে,আমার অন্তরের সাথে তার অন্তরের নেসবত হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।কিন্তু যদি কেউ তরিকত অস্বীকার কারি হয় তবে সে আমার লেখা থেকে উপকৃত হতে পারবেনা
Write
হৃদয়ের গভীরে তাকিয়ে এক সাগর দেখতে পাই,
কূলের সন্ধানে এগোই—কিন্তু কোথাও কূল নাই।
অসীম সেই জলের মাঝে নীরব রহস্য ভাসে,
অদেখা এক আহ্বান যেন অন্তর জুড়ে আসে।
সেই সাগরের বুকে কিছু মণি-মুক্তার আভাস পেলাম,
অদম্য আকাঙ্ক্ষায় তখন মুক্তার খোঁজে নেমে গেলাম।
হাত বাড়ালাম বারবার—তবু ধরা দিল না সে,
অদৃশ্য কেউ যেন বলল, “এখনো সময় হয়নি যে।”
অভিমানের ভারে তখন এক পাথরকে জড়িয়ে ধরি,
নীরব সেই পাথরও যেন ভালোবাসায় দিল সাড়া ভরি।
বলিলাম তাকে—“এসেছি আমি মুক্তার সন্ধানে,”
পাথর মৃদু হেসে কহিল, “মুক্তা মেলে সাধনার টানে।
যে দুঃখ সয়ে পথ চলে, সেই জানে তার মূল্য কত,
অশ্রুর জলে ধোয়া হৃদয়েই জাগে মুক্তার সত্য রত্ন।”
বলিলাম—“পথটি তবে কেমন, কোথায় তার শেষ?”
পাথর কহিল—“দূর বহুদূর, ত্যাগে ভরা তার পরিবেশ।
অসংখ্য পরীক্ষার ঘাঁটি এখনো পড়ে আছে সামনে,
নিজেকে হারাতে হবে সত্যকে পাওয়ার প্রাঙ্গণে।”
সব পিছনে ফেলে আমি চললাম অজানার পানে,
মুক্তার দীপ্তি জ্বলছিল অন্তরেরই গোপন টানে।
হাজার মুসিবত ওৎ পেতে ছিল পথের ধারে,
ক্লান্ত প্রাণ প্রশ্ন তোলে—“এত দুঃখ কেন তারে?”
ঠিক তখনই শয়তান এসে পথ রোধ করে দাঁড়াল,
প্রলোভনের বিষমাখা বাণ হৃদয় লক্ষ্য করে ছুড়ল।
দৃঢ় বিশ্বাস তলোয়ার হয়ে উঠল আমার হাতে,
সংগ্রামের আগুন জ্বলে উঠল অন্তরের প্রভাতে।
দীর্ঘ লড়াই শেষে সে পরাজয়ের স্বাদ পেল,
নিজ সৈন্য নিয়ে অন্ধকারে পলায়নের পথ নিল।
আরো সামনে এগিয়ে দেখি—আরেক ভয়ংকর রূপ,
নীরব অথচ প্রবল শক্তি, অচেনা তার ধূপ।
প্রশ্ন করিলাম মনে মনে—“তুমি আবার কোন আপদ?”
সে নীরব, অথচ উপস্থিতি যেন মহাবিপদ।
তার শক্তির তুলনায় আমি ছিলাম শিশুর সমান,
তবু সাহস জড়ো করে হাতে তুললাম সংগ্রামের অস্ত্রখান।
তার আঘাতে ক্ষত-বিক্ষত হলো দেহ ও প্রাণ,
আমার আঘাতে সেও পেল যন্ত্রণার কিছু দান।
রক্তাক্ত সেই প্রান্তরে হঠাৎ সত্য হলো প্রকাশ—
শত্রু নয়, সে ছিল আমার নিজের নফসের বাস।
নিজের সাথেই যুদ্ধ ছিল, এতদিন বুঝিনি তা,
অহংকারের প্রাচীর ভেঙে খুলল অন্তরের দ্বারটা।
অশ্রুসিক্ত চোখে তখন সিজদায় নত হলাম,
বলিলাম—“হে প্রভু, আমি নিজেকেই হারিয়ে চলেছি অবিরাম।”
নীরব আকাশ হতে নেমে এলো শান্তির এক আলো,
হৃদয়ের সাগর জুড়ে ছড়িয়ে পড়ল প্রশান্তির ভালো।
সেই আলোয় দেখি—মুক্তা ছিল অন্তরেই লুকানো,
পথের সব যুদ্ধ ছিল তাকে জানারই বাহানা।
যখন নিজেকে হারালাম, তখনই তাকে পেলাম,
হৃদয়ের গভীর সাগরে অনন্ত প্রেমের মুক্তা জ্বলতে দেখলাম।
©somewhere in net ltd.
১|
০৩ রা মার্চ, ২০২৬ বিকাল ৪:৫৩
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: মূল লেখাটি নিচে দেওয়া হলো,
হৃদয়ের গভীরে তাকিয়ে এক সাগর দেখতে পাই,
কূল খুঁজতে শুরু করলাম,দেখি কোনো কূল নাই
সেই সাগরের মধ্যে কিছু মনি-মুক্তার সন্ধান পেলাম,
প্রচন্ড লোভে আমি মুক্তা খুঁজতে লেগে গেলাম।
কিন্তু সেই জিনিস আমার হাতে ধরা দিলোনা,
কারন আমার নাকি কোনো যোগ্যতা ছিলোনা।
প্রচন্ড অভিমানে এক পাথরকে জড়িয়ে ধরলাম,
পাথরও ভালোবেসে আমাকে জড়িয়ে ধরলো।
পাথরকে বললাম,এসেছি এখানে মুক্তার খোঁজে,
পাথর বলল,যে কষ্ট করে,সে মুক্তার কদর বোঝে
বললাম, কিভাবে এই মুক্তা আমি পেতে পারি
বলল, অনেক দূর দিতে হবে তোমাকে পাড়ি।
পরিক্ষার অনেক ঘাঁটি আছে এখোনো বাকি,
চললাম এগিয়ে মুক্তা পানে,সব পিছনে রাখি।
হাজার হাজার মুসিবত আছে ওৎ পেতে,
এত কষ্ট কেন রে ভাই,মুক্তার কাছে যেতে।
মাঝপথে শয়তান এসে পথ রোধ করিলো,
শয়তানের সাথে সেথায় কঠিন যুদ্ধ বাঁধিল।
শয়তান আমার দৃঢ়তার নিকট পরাজিত হলো,
সৈন্য দল নিয়ে শয়তান পলায়ন করিলো,
সামনে এগিয়ে দেখি,এখানে আরেক বিপদ,
মনে মনে বললাম,তুমি আবার কোন আপদ।
সে আমার কথার জবাব দিলোনা,
তার শক্তির কোনো তুলনা ছিলোনা।
তার শক্তির নিকট আমি একটি শিশু ছিলাম,
তারপরো সাহসের সাথে তলোয়ার হাতে নিলাম।
তার আঘাতে আমি ক্ষত-বিক্ষত হলাম,
আমার আঘাতে সেও কিছুটা আহত হলো।