| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
সুলাইমান হোসেন
যে ব্যাক্তি আমার লেখা পাঠ করবে সে আমার ভালোবাসার জ্বালে আটকে যাবে,আমার অন্তরের সাথে তার অন্তরের নেসবত হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।কিন্তু যদি কেউ তরিকত অস্বীকার কারি হয় তবে সে আমার লেখা থেকে উপকৃত হতে পারবেনা
আত্মশুদ্ধির সূচনা
ইমান নামক সূর্যের আগমন যখন ঘটিলো,
সকল অন্ধকার তখন পলায়ন করিলো।
চিন্তা-ফিকির দরজায় আঘাত করিলো,
ভিতর থেকে কে যেন দরজা খুলে দিলো।
হাজার হাজার দরজা, সামনে আসিলো,
একটা ছিন্ন করিতেই,আরেকটা আসিলো।
অন্তরের ভাগ্যে শুধু অস্থিরতাই জুটিলো,
অন্তরের সাধনার ফল রুহ নিয়ে পালালো।
অন্তরের উপর কঠিন বোঝা আরোপিত হইলো,
অন্তর চালাকি করে,বোঝা নফসের ঘারে দিলো।
অন্তর নফসকে বলদ হিসেবে পাইলো,
মুজুরী ছাড়া নফসকে খাঁটিয়ে মারলো।
নফস যখন বোঝা বইতে অলসতা করে,
তখনই অন্তর তাকে কষে আঘাত করে।
মাধ্যমিক স্তর
সওয়ারী যখন গন্তব্যের মধ্যেখানে পৌছলো,
দস্যুদল তাকে সদল-বলে হামলা করিলো।
দস্যুদলের ভীরে সওয়ারী একা হয়ে পরলো,
এই সুযোগে দস্যু,সওয়ারীর গাধাটি নিয়ে গেলো।
গাধা হারিয়ে বেচারা সওয়ারী হাল না ছাড়িলো,
গাধাকে ফিরে পেতে, সুযোগ সন্ধানী হইলো।
গাধাকে ফিরে পেতে, খুবই কষ্ট করিতে হইলো,
কারন গাধা দস্যুর হাতে গিয়ে তার মায়ায় পরিলো।
হঠাৎ দস্যুদল একবৃক্ষ তলে বসে পরিলো,
খানিক পরে তারা সবাই ঘুমিয়ে গেলো।
গাধার মালিক এটাকে সুযোগ মনে করিলো,
গাধাকে ছুটিয়ে নিয়ে দৌড়ে পালালো।
ব্যাখা:গাধার মালিক=রুহ
গাধা=নফস,দস্যু=শয়তান
মাধ্যমিক স্তর —২(শয়তানদের তামাসা)
দস্যুদল উঠে যখন,গাধাকে না পাইলো,
যেদে নিজেদের মাথা নিজেরাই ফাটাইলো।
পাহারাদারকে চুল ধরে টেনে নিয়ে এলো,
কথা বলার আগেই কিছু উত্তম-মাধ্যম দিলো।
পাহারাদারকে বলল,গাধা কোথায় গেলো?
বলল,জানিনা,আমার মনও ঘুমিয়ে ছিলো!
দস্যু নেতা কহিল,গাধা এনে দে তারাতারি,
না হয়,প্রস্তুত হ!পরপারে দিতে হবে পারি।
মাধ্যমিক স্তর —০৩
গাধাকে যদিও মালিক ফিরে পাইলো,
কিন্তু গাধার মনে দস্যুর প্রেম রয়ে গেলো।
মালিক বলিল,কেন দস্যু থেকে মন সরেনা,
গাধা বলিল,দস্যু আমাকে বোঝা দিতনা।
শুধু আদর যত্ন করিয়া লালন পালন করিত,
এবং মজার মজার খানা পরিবেশন করিত।
©somewhere in net ltd.