| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
গারচে তাফসিরে জুবা রওশন গরাস্ত,
লেকে ইশকে বেজুবা রওশন তরাস্ত।
=এর অর্থ হলো,জাহেরি বা বাহ্যিক জ্ঞানের সৌন্দর্য জবানে প্রকাশের মাধ্যে অধিক ফুটে উঠে।
কিন্তু ইশক ভালোবাসা ফুটে উঠে অধিক চমকাইতে থাকে যদিও আশেক চুপচাপ থাকে।
২।বিশনু আয ন্যায় চু হেকায়েত মিকুনান্দ,
আয জুদাই -হা শেকায়েত মিকুনান্দ।
=এটা মসনভী শরীফের প্রথম শের।এর অর্থ—
বাশি কি বলিতেছে,শুনো,বাশি বিচ্ছেদের অভিযোগ করিতেছে।
৩।হার তামান্না দিল ছে রোখসত হোগায়ি,
আব-তু আযা আব-তু খিলওয়াত হোগায়ি।
=এটা খাঁজা আযিযুল হাসান মাজজুব রহমাতুল্লাহি আলাইহি রচিত একটি শের।
এর অর্থ হলে,
দিল থেকে সমস্ত কামনা-বাসনা দূর হয়ে গেছে,
শুধুমাত্র আপনাকে পাওয়ার কামনা বাকি আছে।
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৭:০৭
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: ধন্যবাদ ভাই।ভালো লাগলো
০৯ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ৮:০০
সুলাইমান হোসেন বলেছেন:
হার তামান্না দিল ছে রোখসত হোগায়ি,
আব তু আ-যা আব তু খিলওয়াত হোগায়ি।
প্রকৃত অর্থ,
দিল থেকে সমস্ত তামান্না দূর হয়েছে,আপনি আসুন,আপনার জন্য দিল খালি হয়ে গেছে।
ভাই আমিও,আপনার সাথে,নিজের ব্যাথা শেয়ার করতে চাই,
খাঁজা আযিযুল হাসান মাজজুব রহ. অনুসরনে,
দিলের সমস্থ ব্যাথা দূর হয়ে গেছে,
কিন্তু আপনাকে পাওয়ার ব্যাথা রয়ে গেছে।
সবাই আপন আপন জায়গা দখল করেছে,
কিন্তু এই অভাগা পিছনে পরে রয়েছে।
সবাই আপন আপন যোগ্যতা দেখিয়েছে,
কিন্তু এই গুনাহগার,যোগ্যতা হারিয়ে ফেলেছে।
হৃদয় ভালোবাসা পাওয়ার অপেক্ষায় আছে,
অথচ নফস দায়িত্বের বোঝা নিতে ভয় পাচ্ছে।
মনে যা আইলো তাই লিখে দিলাম,মাফ করবেন ভাই।
শুভেচ্ছা রইলো
২|
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:৪৮
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
খাঁজা আযিযুল ইসলাম (র,) হবেন
খাঁজা আযিযুল হাসান (র,)
ভুলের জন্য দুঃখিত ।
১০ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৬:৩৭
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: খাঁজা আযিযুল হাসান মাজজুব রহ.হযরত আশরাফ আলী থানভী রহ.এর খুবই প্রিয় এবং অন্তরঙ্গ খলিফা ছিলেন।কামালাতের দরজায় খুবই উঁচু স্থান অধিকার করেছিলেণ।হযরওয়ালা থানভী রহ.এর সাথে তার তেমন নেসবত ছিলো,যেমন নেসবত ছিলো নিজামুদ্দিন আউলিয়া রহ.এর সাথে খাঁজা আমীরে খসরু রহ.এর। (ওয়াল্লাহু আ'লামু) খাজা আযিযুল হাসান রহ.রচিত তরিকতের একটি কিতাব আমি পাঠ করেছি,যেখানে তিনি তার পীর হাকিমুল উম্মত কুতুব আদ-দাওরান,কুতুবে এরশাদ আশরাফ আলী থানভী কুদ্দিসা সির রুহের জীবনি লিপিবদ্ধ করেছেন।মাশাআল্লাহ অনেক উপকারি একটি কিতাব।তরিকতের সবতিছু এই কিতাবে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে,সাগরকে কলসে ভরার মতোন।শুভেচ্ছা রইলো প্রিয় ভাই।আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে ইসলাহ দান করুন।আমীন,আমীন আমীন ইয়া রব্বুল আলামীন
১০ ই মার্চ, ২০২৬ ভোর ৬:৪৮
সুলাইমান হোসেন বলেছেন: খাঁজা আযিযুল হাসান মাজজুব রহ.তার পীরের ইন্তেকালে,পাগলের মতোন হয়ে গিয়েছিলেন।কোনো কিছুই তার ভালো লাগত না।পীরের ইন্তেকালের মাত্র এক বছর পর তিনিও ইহলোকের মলিনতা ছেড়ে পবিত্র জগতে চলে গিয়েছেন।
©somewhere in net ltd.
১|
০৮ ই মার্চ, ২০২৬ সকাল ১০:৪৪
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
খুবই মুল্যবান ভাববাদি শের,
খাঁজা আযিজুল ইসলাম(র।)
এর প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি জানিয়ে
লিখছি নীজের কিছু কথামালা।
দিলের আঙিনা আজ নিঃশব্দ নির্জন
কত স্বপ্ন ছিল সব উড়ে গেছে গগন
কামনা বাসনার মেলায় ছিল যে ভিড়
এক এক করে সবই হলো ধূলির সমীর।
যা কিছু চেয়েছি দুনিয়ার পথে
সবই আজ ম্লান, কালেরই রথে
সোনার মায়া, নামের অহংকার
সবই মিলিয়ে গেছে দূর অন্ধকার।
এখন শুধু একটাই আলো জ্বলে
নীরব মিনতি হৃদয়ের অতলে
হে প্রিয়, হে প্রভু, হে অন্তরের ধন
তোমাকেই পাওয়ার বাকি এখন।
যদি তুমি আসো হৃদয়ের ঘরে
সব শূন্যতা ভরে উঠবে ভোরে
দুনিয়ায় কিছুই আর চাই না আমি
তোমারই প্রেমে থাকুক প্রাণ থামি।
দিল হতে সমস্ত কামনা গেছে দূরে
শুধু তোমার পথেই চোখ ভাসে নূরে
যদি একদিন দয়া করে দাও দেখা
তবেই পূর্ণ হবে জীবনের লেখা।
শুভেচ্ছা রইল