নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

অন্যের মতামত কে শ্রদ্ধা করাই গনতন্ত্র । আর অন্যের মত কে বিবেচনা না করার কারনেই বিশ্বজুড়ে আজ সন্ত্রাশ ছড়িয়ে পড়ছে। সর্বোপরি মানব সমাজে ন্যায়বিচার না থাকাতেই আজ এত অশান্তি। তাই ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠাই সবার লক্ষ হওয়া উচিত।

ইনসাফ১

ইনসাফ১ › বিস্তারিত পোস্টঃ

লেখা

২৩ শে আগস্ট, ২০১৮ রাত ৮:৩৪

লেখা কি কত রকমের এ বিষয়ে আমাদের দেশের মানুষ খুব বেশি গভির চিন্তা করে না । যার জন্য লেখার মান নিয়েও অনেক প্রশ্ন থেকে যায় । আমি অবশ্য ভাল লেখক না তবে অন্যের লেখা পড়ে দেখেছি এমন গল্প বা লেখা যার কোন সামাজিগ মুল্য বা আবেদন বা প্রয়োজন নাই বললেই চলে তবুও সেই সব লেখায় লাইক শেয়ার এর অভাব থাকে না । উরা আসলে মানুশের বাহবা কুড়ানোর জন্যই লেখে ।তাতে গন মানুষের এক পয়সার উপকার হয় না। ফলে সমাজ কোন দিকেই আগাচ্ছে না , সন্ত্রাশ, দুরনিতি অনিয়ম এখন সমাজের অন্ধ্রে রন্ধ্রে প্রবেশ করেছে। দেখুন একটি গল্প এর আবেদন বা মান আকাশ সমান । আমাদের দেশে যদি এমন শাসক হত তবে এ দেশ সত্যিই বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলাদেশ হত । গল্পটি নিম্নরূপ
'দিল্লির সম্রাটের মাথার মুকুট ও একজন নারীর সম্ভ্রম'

তখন দিল্লির সম্রাট ছিলেন নূর উদ্দিন জাহাঙ্গীর। এক বিধর্মী বুড়ির বাড়ি ছিলো সম্রাটের রাজপ্রাসাদের নিকটেই। এক পুত্র ও পুত্রবধূ নিয়ে ছিলো তার সংসার।

বুড়ির ছেলে সেনাবাহিনীতে চাকুরী করার কারনে দুরে থাকতো, যে কারনে বুড়ির ঘর ছিলো অরক্ষিত। তার পুত্রবধূ ছিলো অত্যন্ত সুন্দরী।

সেই সুযোগে কোন এক দূর্বৃত্ত বুড়ির বাড়িতে রাতে হানা দিতো। কয়েকবার সে বুড়ির ঘরে ঢুকতে ব্যর্থ হয়। এতে বুড়ি শঙ্কিত হয়ে একদিন সম্রাট জাহাঙ্গীরের দরবারে নালিশ জানাতে উপস্থিত হলো।

বুড়ি সম্রাটকে বললো, 'জাহাপনা, এই দূর্বৃত্ত হয়তো আমার পুত্রবধূর সম্ভ্রমহানি করবে, হয় আপনি আমাদের রক্ষা করুন, নয়তো একদিন সময় নিরাপত্তা দিন আমরা এ দেশ ছেড়ে চলে যাবো।'

সম্রাট জাহাঙ্গীর কিছু বলছেন না। স্থির হয়ে কিছু ভাবছেন।

সম্রাটকে চুপ দেখে বুড়ি বললো, 'জাহাঙ্গীর, তুমি যদি আমার এই বিপদে সাহায্য না করো, তাহলে তুমি যে পরকালে বিশ্বাস করো সেই আল্লাহর কাঠগড়ায় আমি তোমাকে আসামী বানাবো।'

সম্রাট তবুও কিছু বললেন না। বুড়ি রাগ করে চলে গেলো।

পরদিন সন্ধ্যায় সম্রাট বুড়ির বাড়িতে নিজে উপস্থিত হলেন। দেখতে পেলেন বাড়ির দেয়ালের পাশে একটা ঘোড়া রাখা। বুঝতে পারলেন ঐ দূর্বৃত্ত সত্যিই এসেছে।

সম্রাট বুড়ির ঘরে ঢুকেই বললেন, বুড়ি আলো নিভাও তাড়াতাড়ি। অতঃপর তরবারির আঘাতে শয়তানের শিরোশ্ছেদ করে বললেন, এবার আলো জ্বালাও।

ছিন্ন মস্তক সামনে ধরে দিল্লিস্বর জাহাঙ্গীর বললেন, 'আলহামদুলিল্লাহ। বুড়ি একগ্লাস পানি দাও আমাকে। আর আগামীকাল আমার দরবারে এসো। তখন তোমার সাথে কথা হবে।'

সম্রাট জাহাঙ্গীর চলে গেলেন। বুড়ি অবাক হয়ে তাকিয়ে
রইলো।

পরদিন বুড়ি রাজ দরবারে পৌছলে সম্রাট বললেন, 'বুড়ি তোমার বাড়িতে ঢুকে আলো নিভাতে কেন বলেছিলাম জানো? এজন্যে বলেছিলাম যে, আমার ভয় ছিলো আমার বাড়ির পাশে এই কুকর্ম আমার যুবক ছেলেও তো করতে
পারে। তখন তার চেহারা দেখলে হয়তো হক বিচার
করতে ব্যর্থ হতাম। তাই আলো নিভাতে বলেছি।'

'তারপরে আলো জ্বললে যখন দেখলাম খন্ডিত মস্তকটি
আমার ছেলের নয় তখন আলহামদূলিল্লাহ বলেছি।'

'বুড়ি তুমি কি জানো তারপরে পানি চেয়েছি
কি জন্যে ?'

'তুমি যখন আমাকে বলেছিলে বিচার করে দিতে না পারলে আমাকে পরকালে আসামী বানাবে, সেই থেকে চিন্তায় কিছুই খাইনি। বিচার শেষে তোমার বাড়িতে পানি পান করেছি।'

এরপরে সম্রাট জাহাঙ্গীর তার মুকুটটি খুলে বুড়ির পায়ের কাছে রেখে বললেন, 'বুড়ি! তুমি জেনে রাখো, মুসলমানদের
কাছে দিল্লির সম্রাটের মাথার মুকুটের চেয়ে তোমার পুত্রবধূর সম্ভ্রমের মূল্য অনেক বেশি।'
এবার বলুন এমন শাসক যাতে সমাজে প্রতিশটিত হয় সেই লেখা কয়জন লেখে ।

মন্তব্য ১ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (১) মন্তব্য লিখুন

১| ২২ শে সেপ্টেম্বর, ২০১৮ রাত ১২:১৮

স্রাঞ্জি সে বলেছেন:

হ্যাপি ব্লগিং..... নিয়মিত হওয়ার চেষ্টা করুন।

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.