| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
(ভেবেছিলাম এই পোস্ট সেপ্টেম্বর মাসেই দিব । কিন্তু ভেবে দেখলাম ঐ মাসে অনেক ব্যস্ত থাকব হয়ত, কাজেই লেখার সময় পাব না । তাই এখনই দিলাম । আপনারা নিজের নিজের অভিজ্ঞতা বলতে পারেন )
নব্বই দশকের নিয়মিত সিনেমা দর্শকরা বলেন, সেই সময় নাকি সালমান শাহের একটা সিনেমা হলে আসলে মিনিমাম ৩-৪ সপ্তাহ একটানা চলতই । এমনও রেকর্ড নাকি আছে তিনমাস হাউস্ফুল চলার পর পরে হল থেকে নামিয়ে কিছুদিন পর আবার ঐ সিনেমা চালালে আবার ১ মাস হাউসফুল । একই সিনেমা একই সাথে দুইটা সিনেমা হলে রিলিজ দেয়া হলেও নাকি দর্শকের ঢল কমত না । কিন্তু এখন সেই সালমানও নেই, সেই আমেজও নেই ।
সালমানের শেষদিকের ফিল্মগুলো নিয়ে তেমন কোন আলোচনা হয় না । আমার কাছে ব্যাপারটা একটা রহস্যের মত ছিল । তাঁর জীবদ্দশায় মুক্তিপ্রাপ্ত সর্বশেষ সিনেমা ছিল “স্বপ্নের পৃথিবী” । প্রেম-ভালবাসা, নাচ-গান, ড্রামা, একশন মিলিয়ে সবদিক দিয়েই পুরোপুরি বাণিজ্যিক ছবি ছিল এটি । এর পরের প্রায় প্রতিটি সিনেমায় অদ্ভুত কিছু না কিছু ছিলই ।
১৯৯৬ এর সেপ্টেম্বরে সালমান শাহের মৃত্যুর পর মুক্তিপ্রাপ্ত সর্বপ্রথম সিনেমা “সত্যের মৃত্যু নেই” । এই ফিল্মটা যদিও আমার ভাল করে তেমন একটা দেখা হয়নি তবুও এটুকু জানি যে সিনেমাটিতে সালমানের অভিনীত “জয়” চরিত্রটিকে মিথ্যা খুনের মামলায় আসামী হিসেবে দেখানো হয়েছিল । এবং ছবিতে জয়ের ন্যায়পরায়ণ মা(শাবানা) ছেলের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যপ্রমাণ পাওয়া যাওয়ায় ফাঁসির আদেশ দেন । এরপর জেলে সালমানের দুর্দান্ত অভিনীত “চিঠি এল জেলখানাতে……” গান দেখে অশ্রুসজল হয়ে পড়ে সদ্যমৃত নায়কের ফ্যানরা । এই সিনেমাতে নাকি ফাঁসির আগে গোসল করানোর একটি দৃশ্যও নাকি আছে । আপনারা যারা যার সিনেমাটি হলে গিয়ে দেখতে পেরেছেন তারা একটু কষ্ট করে ঐ সময়ের অভিজ্ঞতা বর্ণনা করুন প্লিজ……এই সিনেমাটিতে দেখানো হয়েছে জয়(সালমান) এর চেয়ে তার ভাই রানার প্রতি মায়ের বেশি খেয়াল । রানা ব্যারিস্টারি পাশ করেছে শুনে বাবা আলমগীর সালমানকে বলেন, “থ্রি চিয়ার্সটা তোমার জন্য করতে পারলে আরো বেশি খুশি হতাম……” এই শুনে সালমান অভিমানী মন্তব্য করে বলে তোমরা রানার কাছ থেকেই বেশি আশা করেছ আর তাই পেয়েছ……এই বলে একটু আগে ইংরেজী একটা ছড়া বলে খুশি মনে সাইকেল চালিয়ে বাসায় ঢোকা সালমান কাঁপা কাঁপা গলায় ঐ একই রাইম বলে সাইকেল কাঁধে নিয়ে উপরে উঠে যায়……আমি অবাক হয়ে বসে ভাবতে থাকি, “এইটা আমি কোন মাত্রার এক্টিং দেখলাম!!!”
এর পরের মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি “জীবন সংসার” । এই মুভিতে আমার তেমন কোন অসঙ্গতি চোখে পড়েনাই । তবে মনে পড়ার মত একটা জিনিস বলতে পারি । শাবনূর সালমানকে ইমোশনাল ব্ল্যাক্মেল করার জন্য বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করার নাটক করে । এমন সময় সালমান ব্যাকুল হয়ে নিজের করা “মদ্যপ” নাটকের জন্য বারবার কৈফিয়ত দিতে থাকে । নায়ক নায়িকার মৃত্যু যাতে না হয়, সেইজন্য ব্যাকুল হয়ে আছে অথচ নায়ক নিজেই আর নেই……জানি না সিনেমা হলের দর্শকদের কেমন লেগেছিল ।
এর পরের ছবি “মায়ের অধিকার” । এই মুভিটির সবচেয়ে বড় অদ্ভুত অসঙ্গতি হল এক দৃশ্য থেকে আরেক দৃশ্যে সালমানের চুলের স্টাইল । ছোট চুলের সালমান ক্যাপ পড়ে ফাইটিং করছে অথচ একটু পরেই দেখা যায় তাঁর ববি দেওলের সমান চুল! মনে হয় এই সমস্যাটা সালমানের সিডিউলের কারণে হয়েছে । এরপর সিনেমাটির বেশ কয়েকটি জায়গায় এমন অসঙ্গতি দেখা গেছে । বাড়িতে ঢোকার সময় চুল একরকম, বাড়িতে ঢোকার সময় চুল আরেক রকম । যাই হোক, সিনেমাটির শুটিং-ডাবিং সালমান কোনক্রমে শেষ করেছিল বলেই আমার ধারণা । সালমানের সাথে হুমায়ুন ফরিদীর মামা-ভাগ্নে কেমিস্ট্রি দারুণ জমেছিল । এসব এখন পুরোপুরি ইতিহাস!......
এরপরের ছবি “চাওয়া থেকে পাওয়া” । সিনেমাটা দেখতে তেমন একটা ভাল লাগেনি । একারণে শেষ পর্যন্ত দেখার ইচ্ছাও হয়নি । সালমান ছবিটিতে বেপরোয়া প্রেমিকের রোলে অভিনয় করেছিলেন । এই মুভিতে দর্শক এক নতুন সালমানকে আবিস্কার করে । যদিও এই সালমানকে আমার তেমন একটা পছন্দ না……কারণ এসমস্ত হতাশাপূর্ণ একটিং দেখলে মানুষটার দুর্ভাগ্যের কথাই বেশি মনে পড়ে । মুভিটি সম্পর্কে আপনাদের কোন অভিজ্ঞতা থাকলে বলতে পারেন ।
১৯৯৭ সালের ১৮ এপ্রিল মুক্তি পায় “প্রেম পিয়াসী” সিনেমাটি । ছবিটির কাজ অসমাপ্ত ছিল । ছবিটির একটা গানেও সালমান অংশ নিতে পারেননি । গানের দৃশ্যে সালমানের ডামি ব্যবহার করা হয়েছে । এমনকি পুরোপুরি শুটিং ও শেষ হয়নি । স্টাইলিশ সালমান তো ছিলেনই, আর সেইসাথে ছিল নায়ক-নায়িকার চিরাচরিত ব্যাক্তিত্বের সংঘাত । বিভিন্ন সূত্রে জানা যায়, “প্রেমপিয়াসী” ছবির ডাবিং এর কিছু অংশ ছিল সালমানের শেষ চলচ্চিত্র সম্পর্কিত কোন কাজ । সিনেমাটা দেখতে গিয়ে দেখি, যেই অংশে সালমানের কণ্ঠ শেষবারের মত শোনা যায় সেই অংশটি কিছুটা হলেও কমিক । শাবনূরের রাগী রাগী কথা বেপরোয়া প্রেমিক সালমানের প্রেম ভাঙ্গাতে পারছেনা এবং সালমানের এক একটা চটুল কথা নায়িকার গায়ে জ্বালা ধরিয়ে দিচ্ছে । এখন প্রশ্ন, ডাবিংটা যেহেতু অভিনয়ের একটা অংশ তাহলে ধরে নেয়া যায় এই অংশের ডাবিং হওয়ার সময় চটুল মেজাজে থাকাই স্বাভাবিক । এফডিসির সাউন্ড কমপ্লেক্সে এই দৃশ্য থেকেই সালমান-সামিরার দাম্পত্য কলহ নতুন করে শুরু হয়েছিল? কে জানে? “প্রেম পিয়াসী” ছবিটিতে সালমানের শেষ দিকের অভিনয় দুর্দান্ত ছিল । সিনেমাটির শেষে নায়ক-নায়িকা দুইজনকেই সুইসাইড করতে দেখানো হয়েছে ।
(চলবে)
![]()
"প্রেম পিয়াসী" ছবিতে সালমান
![]()
খুনসুটিময় সেই অংশটি
![]()
স্ট্রাইপ টি-শার্ট পরা লোকটি সালমান নয়, কারণ কোনভাবেই মুখ ভালভাবে দেখানো হয়নি.........
২৩ শে মে, ২০১২ দুপুর ১২:৫৮
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: মারা যাওয়ার সময় বয়স ২৫ ও হয়নি তাঁর......ব্যাপক জনপ্রিয়তা আর চাহিদাই বোধহয় তার জন্য কাল হল.........
২|
২৩ শে মে, ২০১২ দুপুর ১:০২
লিন্কিন পার্ক বলেছেন:
++++
২৩ শে মে, ২০১২ দুপুর ২:০৫
আহমাদ জাদীদ বলেছেন:
৩|
২৩ শে মে, ২০১২ দুপুর ১:১১
সজল_হাসান বলেছেন:
২৩ শে মে, ২০১২ দুপুর ২:০৭
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: মন খারাপ করিয়ে দিলাম সবার......
৪|
২৩ শে মে, ২০১২ দুপুর ১:১২
দারাশিকো বলেছেন: এক্সক্লুসিভ পোস্ট - কনগ্রাটস
২৩ শে মে, ২০১২ দুপুর ২:১০
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: আপনি বলছেন! অনেক ধন্যবাদ আপনাকে পড়ার জন্য.........
৫|
২৩ শে মে, ২০১২ দুপুর ১:২১
কুট্টুশ বলেছেন: +++
২৩ শে মে, ২০১২ দুপুর ২:১১
আহমাদ জাদীদ বলেছেন:
৬|
২৩ শে মে, ২০১২ দুপুর ১:২২
দিশেহারা আমি বলেছেন: নস্টালজিক হয়ে পড়লাম।
স্কুল জীবনের কথা মনে পরে গেলো।স্কুল ফাকি দিয়ে হলের কাউন্টারে পারাপারি করে টিকেট কেটে কত ছবিই না দেখেছি সালমানের। একবারতো টিকেট কেটেও ৩ ঘণ্টার ছবি পুরোটা দাড়িয়েই দেখেছি।মৃত্যুর পরের সাপ্তাহেই মুক্তি পায় সত্যের মৃত্যু নেই ছবিটি।অনেক ভিড় ঠেলে ছবিটি দেখতে গেলাম পদ্মা হলে।ছবির এক দৃশে এক লোক হাউ মাউ করে কাদতে কাঁদতে পর্দার সামনে গিয়ে চিৎকার করে বলতে লাগলেন- ভাইয়েরে ও বোনেরা আমার, এমন চমৎকার অভিনয় করা নায়ক আমাদের দেশে আগামী ২০ বছরেও আসবে না। আজ ওই লোকটির কথা মনে পরে গেলো। সত্যিই তো বলেছেন উনি।১৬ বছর হয়ে গেলো সমাজের সর্ব মহলে ক্রেজ তৈরি করতে পারে এমন কেউই তো এলো না।
২৩ শে মে, ২০১২ দুপুর ২:১৬
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: আসলেই অনেক সত্যি কথা বলেছেন লোকটি কালের বিবর্তনে কথাটি এখন সত্য.........
৭|
২৩ শে মে, ২০১২ দুপুর ১:৩২
চারু৩২ বলেছেন:
নস্টালজিক হয়ে পড়লাম আর আপনার জন্য ভালোলাগা রেখে গেলাম।
+++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++++
২৩ শে মে, ২০১২ দুপুর ২:১৮
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: আপনাকে অনেক ধন্যবাদ.........
৮|
২৩ শে মে, ২০১২ দুপুর ১:৩৮
১১স্টার বলেছেন: সালমানের খানের ছবি পরপর দুই শো দেখেছিলাম সম্ভবত ছবির নাম অন্তরে -অন্তরে।
২৩ শে মে, ২০১২ দুপুর ২:২০
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: হুম......
৯|
২৩ শে মে, ২০১২ দুপুর ১:৫০
আমি কবি নই বলেছেন: ...একমাত্র সুপারস্টার...
২৩ শে মে, ২০১২ দুপুর ২:২০
আহমাদ জাদীদ বলেছেন:
১০|
২৩ শে মে, ২০১২ বিকাল ৫:৩৯
সজল_হাসান বলেছেন: ১১স্টার বলেছেন: সালমানের খানের ছবি পরপর দুই শো দেখেছিলাম সম্ভবত ছবির নাম অন্তরে -অন্তরে।
সালমান খান আবার বাংলা ছবি করলো কবে ?
২৩ শে মে, ২০১২ বিকাল ৫:৪৬
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: টাইপিং ভুল হইসে উনার.........বুঝতে হবে......
১১|
২৩ শে মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:০০
কাউসার রুশো বলেছেন: “সত্যের মৃত্যু নেই” দেখেছি।
চমৎকার একটা সিরিজ শুরু করার জন্য কৃতজ্ঞতা
২৩ শে মে, ২০১২ রাত ৮:২০
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ পড়ার জন্য......
১২|
২৩ শে মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:০১
কল্পবিলাসী স্বপ্ন বলেছেন: চমৎকার পোস্ট
আমার কাছে সালমানের যেই ছবিটা সব থেকে ভালো লেগেছিলো সেটা হলো আনন্দঅশ্রু
২৩ শে মে, ২০১২ রাত ৮:৩৩
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: হুম......এই মুভিটিও অনেককে আপ্লুত করেছে......এ সম্পর্কে আগামীতে বলার আশা রাখি......
১৩|
২৩ শে মে, ২০১২ রাত ৮:২৩
বড় বিলাই বলেছেন: বাংলাদেশের বাণিজ্যিক ছবিগুলোতে অসঙ্গতি কিছু থাকেই। তাই বলে ভালো অভিনেতাদের পারফর্মেন্স ম্লান হয়ে যায় না। চলুক এই লেখা।
২৩ শে মে, ২০১২ রাত ৮:৩৬
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: সালমানের মুভিগুলার প্রাণ সালমানই......সেটাই বলছিলাম......
১৪|
২৩ শে মে, ২০১২ রাত ৮:৪৫
মাহমুদা সোনিয়া বলেছেন: আমার শেষ হিরো!!
পোষ্টে সুপার প্লাস।
২৩ শে মে, ২০১২ রাত ৮:৫১
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: ধন্যবাদ আপু......
১৫|
২৩ শে মে, ২০১২ রাত ৮:৪৮
জাওয়াদ তাহমিদ বলেছেন:
অনেক গবেষণা করেছেন ভাই। ধন্যবাদ।
২৩ শে মে, ২০১২ রাত ৮:৫৭
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ......
১৬|
২৩ শে মে, ২০১২ রাত ৯:১২
আরিফ আরাফাত রুশো বলেছেন: মারা যাবার সময় তার এজ ছিল ২৭, ২৪ এ সিনেমা তে নামেন, ২৭ তাক কাজ করেন
২৩ শে মে, ২০১২ রাত ৯:২১
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: 1971 এর ১৯শে সেপ্টেম্বর জন্ম......মতান্তরে ১৯৭০সালের ৩নভেম্বর......প্রথমটাই ঠিক বলে জানি.........
১৭|
২৩ শে মে, ২০১২ রাত ৯:৪৮
ইসাকুল বলেছেন: আমার প্রিয় অভিনেতা
উনি যেদিন মারা যান সেদিন আমার জ্বর ছিল। আমি নাকি চীৎকার করতেছিলাম এই খবর শোনার পর
২৪ শে মে, ২০১২ সকাল ৮:৩৬
আহমাদ জাদীদ বলেছেন:
১৮|
২৩ শে মে, ২০১২ রাত ৯:৫২
সাইফুল আলী বলেছেন: একটা ছবি দিলাম but ছবিটা সত্য না মিথ্যা তা জানি না
![]()
কবে তারা মিলিত হইল এইটা বুঝলাম না
২৪ শে মে, ২০১২ সকাল ৮:৪২
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: ছবিটা সত্য.........সালমান একবার মুম্বাই ফিল্মপাড়ায় বেড়াতে গিয়েছিল......বাংলাদেশের এক নম্বর সুপারস্টার এসেছে জেনে শাহরুখ নিজে আমাদের সালমানকে দাওয়াত করে......এটা সে সময়েরই ছবি......শাহরুখ বুঝতে পেরেছিল যে সালমান সাধারণ কেউ না......পরবর্তীতে ফেরদৌসের সাথে ২য়বার দেখা হওয়ার সময় শাহরুখ বলেছিল, আমার সাথে দেখা হওয়ার পর আমাদের দিব্যা আর তোমাদের সালমান চলে গেল, এবার আমি তোমাকে(ফেরদৌস) নিয়ে চিন্তায় ছিলাম......
১৯|
২৪ শে মে, ২০১২ রাত ২:২৫
কবি ও কাব্য বলেছেন: খুব ভালো একটা পোস্ট। সবগুলো ছবিই হলে সেই সময়েই দেখা। ১৯৯৩ সালে সালমান যখন 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত' দিয়ে অভিনয় শুরু করে তখন বাংলা চলচ্চিত্রে সিনিয়র নায়কদের (ইলিয়াস কাঞ্চন,আলমগীর, জসিম, রুবেল, মান্না ছাড়া আর কোন নায়ক নেই। এর ২ বছর আগেই হারিয়ে ফেলি চিরসবুজ নায়ক জাফর ইকবালকে। তবে ৯১ তে 'চাঁদনী' ছবি দিয়ে নাইম -শাবনাজ নতুনদের মাঝে সুপারহিট হয়ে আশার আলো দেখায় যা ৯৩ পর্যন্ত শাবনাজ -নাইম বেশকিছু হিট ছবি দিয়ে পুরনোদের পাশাপাশি কাজ করছিল। এরমাঝে নতুন নায়ক তখন ওমর সানী আর আমিন খান যারা বেশিরভাগ ছবিতেই ২য় নায়ক। এর মাঝে ওমর সানী 'চাদের আলো' দিয়ে একক নায়ক হিসেবে নিজেকে প্রমান করেন। তবুও হচ্ছিল না, একের পর এক ছবিতে কাঞ্চন কে দেখতে দেখতে তখন বিরক্ত ঠিক সেই সময়েই সালমান শাহ এর 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত' যেন অনেক আশার এক পশলা বৃষ্টি নিয়ে এলো। সিনেমা দেখতে তখন আমরা ঘর থেকে লুকিয়ে যেতাম বিকেলে সব বন্ধুরা মিলে। আমার পরিবার একসময় নিয়মিত হলের দর্শক ছিল কিন্তু ৯০ থেকে আসতে আসতে তা বন্ধ হয়ে যায়। তাই লুকিয়ে দেখা ছাড়া উপায় ছিল না। কিন্তু এই একটি ছবি আমার জীবনে বিশেষ একটি কারনে কারন মনে থাকবে, তা হলো এই ছবি দেখতে যে কি পরিমান দর্শকের
ঢল নেমেছিল যা কল্পনাও করা যায়না। হলের ভিতর দাঁড়ানোর জায়গা পর্যন্ত নেই , ফাকা জায়গায় ডেকোরেশন এর কাঠের চেয়ার দিয়ে দর্শকদের বসানো হয়েছে অথচ টিকেটের দাম ১০০ ছাড়িয়ে গেছে তবু কাঠের চেয়ারে বসতেও দর্শকদের আপত্তি ছিল না। হলে ছবি দেখতে গিয়ে দেখি চারপাশে সব পরিচিত চাচা, চাচী,খালা,খালু বন্ধুর আম্মা,ছোটবোন,ভাই , আমার স্কুলের কয়েকজন শিক্ষিকা ও তাঁদের পরিবার , বড় ভাইয়ের বন্ধুরা, পাড়ার বড় ভাইয়েরা অর্থাৎ যেন সব চেনা মানুষদের মিলন্মেলা। মনে হলো এই ছবি দেখতে আসায় যেন কোন অন্যায় কিছু তো হয়নি বরং আরও মানুষ নিয়ে গেলে ভালো হতো । আমার সামনের সারিতে স্কুলের শিক্ষিকা কয়েকজন তাঁদের পেছনে আমাকে দেখে যেন কোন অবাকই হোননি বরং হাসি মুখে জিজ্ঞেস করলেন 'কিরে কার সাথে এসেছিস" আমি তো শুনে অবাক! যে ভয়ছিল তা প্রথমেই চলে গেলো এরপর পুরো ছবি প্রচণ্ড গরমের মাঝেও পুরোটা দেখেছি এবং একজন দর্শকও সব শেষ দৃশ্য 'সমাপ্ত' লিখা না হওয়া পর্যন্ত চেয়ার ছেড়ে উঠেনি। এতো মানুষের গরমেও কারো কোন অভিযোগ, হতাশা কিছুই নেই যেন সবাই তৃপ্ত। এই চমৎকার অভিজ্ঞতার কারনে সারাজীবন 'কেয়ামত থেকে কেয়ামত' ছবিটির কথা মনে রাখতেই হবে।
সালমান এর প্রথম ছবি যেন আমাদের পুরো ইন্ডাস্ট্রিতে একটা ঝাকুনি দিলো। শুরু হয়ে গেলো তখন নতুনদের নিয়ে কাজ করার ধুম। অন্তরে অন্তরে ছবির পর মৌসুমি সালমান জুটির ভাঙ্গন আসলে তখন রায়হান মুজিব ওমর সানী র সাথে মৌসুমি কে নিয়ে 'আত্মঅহংকার' এবং দিলিপ সোম ''দোলা' ছবি দুটি তৈরি করে সুপারহিট হয়ে যান। শুরু হয়ে যায় মৌসুমি -সানী নতুন জুটি । সালমান কে সাথে নিয়ে তখন প্রয়াত জহিরুল হক তৈরি করেন 'তুমি আমার' ছবিটি যেখানে নায়িকা হিসেবে নেন এহতেশাম এর মাত্র আবিস্ক্রত নায়িকা শাবনুর কে। ফলাফল 'তুমি আমার' সুপারহিট। আর নায়িকা শাবনুরও পায় প্রথম সাফল্য যেখানে তার প্রথম ছবি 'চাঁদনী রাতে' ফ্লপ করেছিল। ব্যস শুরু হয়ে সালমান -শাবনুর এবং ওমর সানী- মৌসুমি জুটির লড়াই যা চলতে থাকে সালমান এর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত। যে লড়াই এর কারনে তখন আমরা দর্শকরা সব ছবি উপভোগ করতাম। আফসোস চলচ্চিত্রের সেই সুদিন এখন আর নেই। আমাদের সময়ের স্কুল এর কিশোর সহ কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় তরুণরা সবাই হলের নিয়মিত দর্শক ছিল যা এখন কল্পনা করাও যায় না।
২৪ শে মে, ২০১২ সকাল ৮:৫২
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: দারুণ মন্তব্য......আপনাদের এইসব অভিজ্ঞতা কত দূর অতীতের বলে মনে হয়......এখনো কোন আড্ডায় সালমানের কথা উঠলে সবাই কিছুক্ষণের জন্য চুপ হয়ে যায়......আসলেই এই ক্রেজ এখন আর কল্পনা করা যায় না......
২০|
২৪ শে মে, ২০১২ রাত ২:৫৩
চাঙ্কু বলেছেন: বাংলাদেশের একমাত্র সুপারস্টার যার মাঝে অভিনয় দক্ষতা, নায়কসুলভ চেহারা, ফ্যাশন সচেতনতা, সবই ছিল। জীবন সংসার দেখতে গিয়ে হলে কোন সিট না পেয়ে দর্শকদের হাঁটার জায়গাতে হল কর্তিপক্ষের দেওয়া মোড়াতে বসে জীবন সংসার দেখছিলাম। হলে তিল ধারনের জায়গা ছিল না। আমার এক বন্ধু অন্তরে অন্তরে ৯ বার হলে গিয়ে দেখছিল অথচ সেই ছেলে এখন বাংলা সিনেমার নামই শুনতে পারে না।
২৪ শে মে, ২০১২ সকাল ৮:৫৫
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: কি থেকে কি হয়ে গিয়েছিল.....
২১|
২৪ শে মে, ২০১২ সকাল ৯:২০
দেশের_কথা বলেছেন: সালমানের একই ছবি পাশাপাশি দুই হলে একসাথেই চলতো, তার পরেও হাউসফুল!!! সেই দিন আর আসেনি, আসবে বলেও ভাবতে পারিনা।
হারিয়ে আজও খুঁজি তাকে
২৪ শে মে, ২০১২ সকাল ১০:১৩
আহমাদ জাদীদ বলেছেন:
২২|
২৪ শে মে, ২০১২ সকাল ৯:২২
মাহবু১৫৪ বলেছেন: অসাধারণ পোস্ট।
পোস্ট পড়ে নষ্টালজিক হয়ে গিয়েছিলাম। আগামী ১০০০ বছরেও এরকম আর একটা নায়ক সিনেমা জগতে আসবে কি না সন্দেহ।
ভাল লাগা
২৪ শে মে, ২০১২ সকাল ১০:১৭
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: পড়ার জন্য ধন্যবাদ......
২৩|
২৪ শে মে, ২০১২ রাত ৯:৪৪
ডেজা-ভু বলেছেন: এই একটাই নায়ক বাংলাদেশে ছিলো!!
আবার যে কবে এমুন একটা নায়ক আসবে!!
২৪ শে মে, ২০১২ রাত ৯:৫১
আহমাদ জাদীদ বলেছেন:
কে জানে......
২৪|
২৫ শে মে, ২০১২ বিকাল ৫:৩৪
ফজলে আজিজ রিয়াদ বলেছেন: সুন্দর।
এইখানে যান
২৫ শে মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৩৮
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: আপনার পোস্ট আগেই দেখেছি........ভালোই লিখেছেন......
২৫|
২৫ শে মে, ২০১২ বিকাল ৫:৪২
চেয়ারম্যান০০৭ বলেছেন: খুব মিস করি সালমানকে।+++++
২৫ শে মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৪
আহমাদ জাদীদ বলেছেন:
২৬|
২৫ শে মে, ২০১২ বিকাল ৫:৫২
শিপু ভাই বলেছেন:
দারুন পোস্ট++++++++++++
"আনন্দঅশ্রু"- মুভিটাই বেশি প্রিয়।
চলুক~
২৫ শে মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:৪৯
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: ধন্যবাদ......
চলবে......
২৭|
২৬ শে মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৭:০৮
আমি তুমি আমরা বলেছেন: ভাল লাগল।
২৬ শে মে, ২০১২ রাত ৮:৩৭
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: ধন্যবাদ......
২৮|
২৬ শে মে, ২০১২ রাত ৮:৪৭
রাহি বলেছেন: অসাধারণ পোষ্ট ++++++
২৬ শে মে, ২০১২ রাত ১০:১২
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: ধন্যবাদ......
২৯|
২৬ শে মে, ২০১২ রাত ১১:০৩
দূর্যোধন বলেছেন: সালমান শা বাংলা সিনেমার জন্য কি ছিলেন,তা আর নতুন করে বলার কিছুই নেই।আমার মনে আছে,যখন সালমান শাহ মারা গেলেন,আমরা ভাইবোনেরা ঠিকমত বিশ্বাসই করতে পারছিলাম না।তখন ইত্তেফাক পেপারটি খুব চলতো,সেখানেই নিউজ এলো,সালমানের মৃত্যুতে ২-৩জন কিশোরীর আত্মহত্যার খবর।আত্মহত্যার চেষ্টার খবর যে কতগুলো পড়েছি,তার ইয়ত্তা ছিলোনা।
সেই সময়ে 'চিঠি এলো জেলখানাতে' এই গানটা শুনে কাদেঁনি,এমন কোনো মানুষ বাংলাদেশে পাওয়া সম্ভব ছিলোনা।এই ছবিটাও যখন দেখানো হলো,মনে আছে- পুরো এলাকায় যেন হরতালের মতো অবস্থা।সবাই বাসায় টিভির সামনে!
সালমানের মৃত্যু নিয়ে মানুষের আগ্রহ ছিলো অতিমাত্রায়।মনে আছে,বেশ কিছু গুজব ছড়িয়ে পড়ে,সালমানের মৃত্যুর পরও একটি বা দুটি ছবি রিলিজ হয়েছিলো-সেগুলোর নায়ক নাকি সালমান ছিলোনা।ওনার মত দেখতে অন্য কাউকে খুঁজে এনে নাকি ছবি শেষ করতে হয়েছে!! ভিউকার্ডে ভিউকার্ডে মহল্লা সয়লাব!গুলিস্তানের মত অন্যান্য যেসব স্থানে লোকজন সমাগম একটু বেশি হয়,সেখানে মাইক নিয়ে পুস্তিকা টাইপ কিছু বই বিক্রি হতো।এসব বইয়ে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা হতো-সালমানের স্ত্রী কিভাবে আজিজ মোঃ ভাইয়ের সহযোগিতায় সালমানকে তিলে তিলে মেরেছে (মানে হত্যার কাল্পনিক গল্প)।সেগুলো মানুষ পড়তো আর ক্রুদ্ধ হতো।'নষ্টা সামিরা' (সালমানের স্ত্রী) এই জাতীয় পুস্তিকার অভাবও হয়নি।
অর্থাৎ,সালমান বাংলাদেশের ছেলেবুড়ো সব মহলেই একটা সেনসেশন ছিলো,যেটা আর কোনো সিনেমা স্টারের পক্ষে কোনো দিন তৈরী করা সম্ভব হবে কিনা জানিনা।
২৬ শে মে, ২০১২ রাত ১১:৫৬
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: "আজিজ মোহাম্মদ ভাই" নামক লোকটা সম্পর্কে মানুষের ধারণা কোনকালে ভাল ছিল বলে জানা নেই......সালমানের মৃত্যুতে তার প্রভাব থাকার পসিবলিটি অনেক বেশি......অন্যান্য ঝামেলার সাথে সাথে সামিরার অসহনশীল মনোভাব সালমানের মৃত্যু ত্বরান্বিত করে । আমার মাঝে মাঝে মনে হয় এত কম বয়সে কেন বিয়ে করতে গেল সালমান?? অল্প বয়সে খ্যাতি, সংসার, গুজব এসব সামলাতে পারে কয়জন???
সালমানের শেষ সিনেমাগুলো শুটিং হওয়ার সময় শাকিল খানের দেখা হয়ত পায়নাই নির্মাতারা......না হলে আমি নিশ্চিত শাকিল খানকে দিয়ে সিনেমাগুলো শেষ করানো হত এবং তা এতটা উদ্ভট হয়ত লাগত না ।
আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করার জন্য অনেক ধন্যবাদ
৩০|
২৯ শে মে, ২০১২ বিকাল ৫:৪০
আমি-মুসাফির বলেছেন: আমি অবাক হয়ে যাই, পচা পরিচালক, বাজে নায়িকা, নকল গান, নাচ নাকি লফালাফি, এসবের সাথে শুধু একজন ভালো নায়ক জুড়ে দিয়ে কি অসাধারন সিনেমাই না হয়েছিল?
২৯ শে মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:০৭
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: সেটাই আমিও ভাবি মাঝেমধ্যে......সালমান ছাড়া এসবই পানসে দেখাতো.........
৩১|
২৯ শে মে, ২০১২ বিকাল ৫:৫২
ভেজাল মানুষ বলেছেন: দিব্যা কে??
২৯ শে মে, ২০১২ সন্ধ্যা ৬:০৯
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: ইন্ডিয়ান এক নায়িকা, ১৯৯৩ সালে মারা যায়, শাহরুখের সাথে ২টা ফিল্ম করছিল.........
৩২|
০২ রা জুন, ২০১২ রাত ২:৫২
হাবিবউল্যাহ বলেছেন: বিশাল কমেন্ট খানা সামুর বাগে হারায়া গেছে..
লগিন করা হয়না কর্ম ব্যাস্ততায়।একটু দেরী হয়ে গেল তাই!
চাওয়া থেকে পাওয়া মর্নিং শো দেখে দুপুরে জুম্মা পড়ে খাওয়া দাওয়া করে বিকেলে আবার দেখেছি।
এর পরেও আবার দেখেছিলাম মুভিটা।ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক তখন দারুন লাগছে আমার কাছে।
মায়ের অধিকার কয়েকবার দেখতে হয়েছে দুইটা কারনে।
একঃফরিদি আর সালমান জুটির কারনে
দুইঃকাচপুর ব্রিজে শুটিং হয়েছি্ল..এত ভীর ছিল যে কাছে যাইতে পারিনাই।দুরথেকে দেখে আসতে হয়েছে।
প্রেম পিয়াসি আমাদের এখানে ঈদে মুক্তি পেয়েছিল।এই মুভিতে যেই ধরনের পোশাক সে ব্যাবহার করছে।
বর্তমানেও এত ষ্টাইলিশ ড্রেসয়াপে কাউরে দেখিনাই! শাকিব অনেক ক্ষেত্রেই সালমানের অনেক কিছু নকল করার চেষ্টা করে।কতটুকু হয় সেটা তার দর্শক ই ভালও বলতে পারবে।
ঐ সময়ে তার ক্রেজ সম্বন্ধে আপনার ধারনা করতেও কষ্ট হবে!মৃত্যুর পর সেটা কোথায় গিয়েছিল পত্রিকার মাধ্যমে নিশ্চয় কিছুটা জেনে গিয়েছেন!
ধন্যবাদ সুন্দর পোষ্টের জন্য জাদিদ!
০২ রা জুন, ২০১২ সকাল ১০:৪৮
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: আপনাকেও ধন্যবাদ হাবিবউল্ল্যাহ ভাই......খালি ৩টা কমেন্ট না...আরো কথা বলতে হবে আপনার......
৩৩|
১৩ ই আগস্ট, ২০১২ দুপুর ২:৪৫
আরজু পনি বলেছেন:
এমন একটা পোস্ট আমাকে দেখতে বললেন ![]()
সত্যি চোখের পানি আটকানো মুশকিল হচ্ছে...আমি পরে আবার আসবো ![]()
১৩ ই আগস্ট, ২০১২ রাত ৯:৩৮
আহমাদ জাদীদ বলেছেন: ঠিক আছে......
©somewhere in net ltd.
১|
২৩ শে মে, ২০১২ দুপুর ১২:৫৩
নাফিজ মুনতাসির বলেছেন: দারুণ নস্টালজিক পোষ্ট.........বাংলাদেশের সত্যিকারের সুপারস্টার ছিলেন সালমান শাহ...........অকালেই চলে গেলেন..............
উনার প্রায় সব মুভিই দেখেছি...........কিন্তু সবগুলোর স্মৃতি এখন ভাসা ভাসা.........