| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
![]()
সন্ধ্যায় জলাভুমি থেকে উড়ে যাওয়া বুনো হাঁসের ঝাঁক
অন্ধকার হয়ে এসেছে চারিদিক, রাস্তায় নেমে হাটছি, কিন্ত কোথায় হোটেল? সকাল থেকে শিলং এর পাহাড়ী উচু নীচু পথ বেয়ে ঘোরাঘুরি শুরু, তিনটা থেকে বাস জার্নি, ক্লান্ত দেহ একটু বিশ্রামের জন্য আকুল।
এইতো সামনেই একটা সুন্দর হোটেল! ভেতরে ঢুকলাম কাচের দরজা ঠেলে,ভারী ভালো লাগছে, বেশ সাজানো লবি,কত রকম অর্কিড ফুলদানীতে, এসি চলছে।
আমি সোফায় চোখ বন্ধ করে বসে আছি, ভীষন ঘুম পাচ্ছে,আমার স্বামী কাউন্টারে, এখনি রুমের চাবি নিয়ে আসবে।
'উঠো' তার ডাকে আমি চমকে তাকালাম, হাত খালি,
'চাবি' জানতে চাইলাম
জানালো বিদেশী নাগরিকদের জন্য যে ফর্ম সেটা এখানে শেষ হয়ে গেছে।
উঠে আরেক হোটেলের সন্ধানে হাটতে লাগলাম। একটার পর একটা হোটেল, পাসপোর্ট দেখেই একই ধরনের কথা বলে ফিরিয়ে দিচ্ছে।
ভীষন অবাক লাগছে! কি ঘটনা বুঝতে পারছিনা!
অন্যান্য দেশের ট্যুরিস্টরা আমাদের নাকের ডগা দিয়ে চাবি নিয়ে যাচ্ছে! আমরা প্রায় গোটা ভারতবর্ষ ঘুরে বেড়িয়েছি এমন পরিস্হিতিতে কখনও পরিনি।
শেষ পর্যন্ত একটা মুসলমান মালিকানাধীন হোটেল কোনোরকমে রাজী হোলো তবে তাদের নাকি চাদর লন্ড্রী থেকে আসেনি! এত বড় হোটেল তাদের চাদরের অভাব!
এর মধ্যে থানা থেকে ফর্ম আনলো সেটা পূরণ করা হোলো আবার থানায় জমা দিতে গেল হোটেলের লোক।আর আসেনা।
ক্লান্তিতে, ঘুমে পড়ে যাচ্ছি, বল্লাম 'রুম টা দেন আমরা একটু রেস্ট নেই'।অনেক বার অনুরোধের পর রুমে নিয়ে গেল।
চাদর ছাড়া বিছানা, গা ঘিন ঘিন করছে তার মধ্যে বসে আছি। বাপ ছেলে সোফায় বসা।আমার স্বামীতো পারলে তখনই ফিরে আসে, খালি রাতের বেলা ফেরার যানবাহন নেই। হোটেল খোজার ফাকেই একটা রেস্টুরেন্টে রাতের খাবার খেয়েছিলাম তবে কি খেয়েছিলাম মনে পড়ছেনা।
মনের মধ্যে চিন্তার ঝড় বয়ে যাচ্ছে কেন হোলো এমন!!
আস্তে আস্তে তখন মনে পড়লো আসামের বিদ্রোহীদের কথা যারা ১৯৮৫ সাল থেকে গেরিলা যুদ্ধ করছে স্বাধীনতার জন্য এবং এরা বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে থাকে বলে প্রশাসনের ধারনা। মনে হয় সেই জন্যই বাংলাদেশী নাগরিকদের উপর এত কড়াকড়ি।
এত সময় লাগলো আমাদের ফিলাপ করা ফর্মগুলো থানা থেকে সই করে আনতে, মনে হোলো আমাদের সম্পর্কে তারা ঢাকা থেকে ক্লিয়ারেন্স আনালো!
রাত এগারোটায় চাদর নিয়ে আসলো।
মনটা ভীষন খারাপ লাগছে, বেড়ানোর সকল আনন্দটাই যেন মাটি হয়ে গেল। আসামের বিখ্যাত মশা কামড়ালেই ম্যালেরিয়া।
সেটা নিয়েও ভাবছিনা।
চাদর বিছিয়ে দিল শুয়ে পড়লাম কিন্ত ঘুম আর আসেনা।
ঘুমানোর আগে আরেকবার তার ঘোষনা 'শোনো সকালে উঠেই শিলং রওনা হবো সুতরাং ব্যাগ ট্যাগ খোলার দরকার নেই।'
আমার স্বামী এমনিতে খুবই ভালোমানুষ, যা বলি কখনও না করেনা,কিন্ত একবার জেদ ধরলে তা আর নড়চড়ের কোনো উপায় নেই।![]()
কাজীরাঙা অভয়ারন্যে বিখ্যাত এক শিং ওয়ালা গন্ডার।
আস্তে আস্তে মন থেকে ফিকে হয়ে আসছে ৭৮,৫২৩ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত আসাম যা কিনা অপরূপ ফুল ফলে শোভিত, কাজীরাঙা অভয়ারন্য যা কিনা বৈচিত্রময় প্রানী সম্পদে পরিপুর্ন, যেখানে আছে এক শিং ওয়ালা বিরল প্রজাতির গন্ডার, ডাকিনী যোগীনিদের কামাখ্যার মন্দির।চোখের সামনে থেকে ধীরে ধীরে মিলিয়ে যাচ্ছে সেই ভয়ংকর ব্রহ্মপূত্র নদ যা দেখতে আসা।
বিখ্যাত ব্রহ্মপূত্র নদ
আসামের ভৌগলিক ইতিহাস টা ভাবছি....।
ভারতের উত্তর পুর্ব দিকে হিমালয়ের পদতলে আর মেঘালয়ের মাঝখানে অবস্হিত প্রাচীন প্রাগজ্যোতিষ বা কামরূপ বর্তমানে যা আসাম নামে পরিচিত যেখানে অনেক রাজবংশই শাসন করেছে। এর মধ্যে বিখ্যাত ছিল বর্মন রাজবংশ।কামরূপ ছিল তার রাজধানী।বর্তমানে যা ডিব্রুগড়ে স্হানন্তরিত।গৌহাটি আসামের বানিজ্যিক এবং যোগাযোগের কেন্দ্রবিন্দু।
ভারতীয় রাজ্য ছাড়াও ভুটান আর বাংলাদেশের সীমান্তবেস্টিত আসাম কৃষিজাত পন্যের বিশেষ করে চা, পাট, তুলা উৎপাদনের জন্য বিখ্যাত।
এছাড়াও এখানে বিভিন্ন প্রকারের অর্কিড ও অন্যান্য ফুলের চাষ হয় বানিজ্যিক ভাবে। ![]()
অর্কিড
মিশ্র জাতিগোস্ঠি অধ্যুষিত আসাম এর অধিবাসীদের মধ্যে এক বিশাল সংখ্যক জনগোস্ঠি এসেছে বাংলাদেশের ময়মনসিংহ থেকে। এখানে হিন্দু মুসলিম বৌদ্ধ খ্রীস্টান সবাই একসাথে মিলেমিশেই আছে।
শুধু ভাবছি এতদুর আসলাম কিছু না দেখেই চলে যাবো!
ভাবতে ভাবতে কখন ঘুমিয়ে পড়লাম বলতে পারিনা।
চলবে..............
অসম আসাম (শেষ পর্ব)
ছবিগুলো নেটের সৌজন্যে..।
১২ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৪২
জুন বলেছেন: আপনার প্রশংসা আমাকে আরও ভালোলেখার প্রেরনা যোগায় নীল ভোমরা
অনেক ধন্যবাদ প্লাসের জন্য।
২|
১২ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:০৬
সরল মানুষ বলেছেন: একটানে পড়ে ফেললাম
১২ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:১৬
জুন বলেছেন: তাই !! অনেক ধন্যবাদ পড়ার জন্য সরল মানুষ।
৩|
১২ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:১০
স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন: ভাল । এবারেরটা তথ্য অনেক। ছবি সুন্দর। জেনে ভাল লাগলো যে আমাদের দেশি লোক অনেকে সেখানে থাকে।
প্লাস অবশ্যই ।
১২ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:২২
জুন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ হাসনাইন ভালোলাগা আর প্লাসের জন্য।
৪|
১২ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:১৪
বীনা বলেছেন: ..........সত্যিই রোমাঞ্চকর............. খুব ভালো লাগছে উপস্থাপনা.............
আসাম, ত্রিপুরা, শিলং এই যায়গা গুলো আমাকে খুব টানে.............. ...........আপনার লেখায় একটি গান মনে পড়ে গেল........................ 'শিলঙের পাইন বনে বনে কত গান লেখা আছে দেখো'................... একজন যাযাবর লেখককে দেখতে পাচ্ছি আপনাতে................
অনেক ধন্যবাদ.....................
১২ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:২৬
জুন বলেছেন: আমারও মনে পড়ে গেল অহমিয়া শিল্পী ভুপেন হাজারিকার গান 'আমি এক যাযাবর'....আপনার সুন্দর মন্তব্যের জন্য অনেক ধন্যবাদ।
৫|
১২ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:১৯
মুহিব বলেছেন: বাহ ভ্রমন গল্পের সাথে কিছুটা ইতিহাসও জানা হল।
১২ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৩৪
জুন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মুহিব আপনার মন্তব্যের জন্য।
ভালোলাগলো কিছু জানাতে পেরে।
৬|
১২ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:২৭
কাব্য বলেছেন:
![]()
১২ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৩৫
জুন বলেছেন:
৭|
১২ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৪২
জুল ভার্ন বলেছেন: সত্যি, গত কয়েক বছর যাবত বাংলাদেশীদের জন্য ভারত ভ্রমন একটা বিড়ম্বনা হয়ে দাড়িয়েছে! ভারতীয় প্রশাসন এবং এক শ্রেনীর উগ্র ধর্মান্ধ ভারতীয়রা মনেকরে-সব বাংলাদেশীই পাকিস্তানী গোয়েন্দা এবং সন্ত্রাসীদের সহযোগী! যার কারনে এদেশীয় পর্যটকদের নানান রকম বিড়ম্বনা সইতে হয়। এমন কি বাসে, ট্রেনে, মার্কেটে, হোটেলে ওদের রক্ত চক্ষু দেখতে হয়। তবুও আমাদের একশ্রেনীর বাংলাদেশীয়দের ভারত প্রীতি মোটেই কমছেনা!
এবারের পর্বটা অনেক বেশী তথ্য সমৃদ্ধ, অনেক বেশী বস্তুনিষ্ঠ। ছবি দেয়াতে পোস্ট বেশী পাঠক প্রিয়তা পেয়েছে। অনেক ধন্যবাদ এমন সুন্দর একটি পোস্টের জন্য।
পরবর্তী পর্বের জন্য অপেক্ষায় থাকলাম।
১২ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৪৫
জুন বলেছেন: আপনার মতামত আমাকে লেখার ব্যাপারে অনেক সাহসী করে তোলে।
অনেক ধন্যবাদ ভালোলাগার জন্য।
৮|
১২ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:৫৭
ইসতিয়াক আহমদ আদনান বলেছেন: পড়ে খুব ভাল লাগল। আপনার নিজের হাতে তোলা কোন ছবি নাই?
১২ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:১৬
জুন বলেছেন: ভালোলাগার জন্য অনেক ধন্যবাদ আদনান।
ছবি আছে, তবে প্রাইভেসীর কারনে আমি দিতে চাচ্ছিনা।
শেষ পর্বে কামাখ্যার মন্দিরের একটা ছবি দেব।
৯|
১২ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৩৭
আবদুল্লাহ আল মনসুর বলেছেন: ছবি বর্ণনা দুটোই চমৎকার হয়েছে। ভালো লাগলো।
১২ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৫১
জুন বলেছেন: মনসুর আপনার ভালোলাগার কথা শুনে খুব ভালোলাগলো।
আপনাকেও অনেক ধন্যবাদ।
১০|
১২ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৪৪
সুরঞ্জনা বলেছেন: অনেক সুন্দর করে লিখেছো জুন। খুব ভালো লাগলো। হ্যা, শিলচর, গৌহাটি, করিমগঞ্জ এসব দিকে হোটেলে থাকতে গেলে এ ধরনের অসুবিধা ভোগ করতে হয়।
ছবি ও তথ্য এ পোস্টের মান অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। তাড়াতাড়ি পরের পর্ব দাও।
শুভকামনা।
১২ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:০২
জুন বলেছেন: সুরন্জনা ভালোলাগছে শুনে খুব খুশী হোলাম।
পরের পর্ব কয়েক দিনের মধ্যেই দিচ্ছি।
তোমার জন্যও রইল শুভকামনা।
১১|
১২ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৫০
রাজসোহান বলেছেন: গন্ডার দেখে ভয় পাইসি
১২ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:০৮
জুন বলেছেন: না সোহান ভয়ের কিছু নেই,গন্ডারগুলো বোধ হয় ট্রেনিং প্রাপ্ত।
সাফারী তে কেউ আক্রমনের শিকার হয়েছে বলে শুনিনি।
১২|
১২ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:৫৭
সেতূ বলেছেন: আপু আসাম বর্ননা সুন্দর হয়েছে...![]()
যাও আসাম যাওয়ার খুব ইচ্ছা ছিল ...
ওখানে হোটেল পেতে এতো বিড়ম্বনা /কস্ট/ ঝামেলা ???
এখন ইচ্ছে /উৎসাহ অর্ধেকে নামে এসেছে ![]()
![]()
![]()
সহমত@জুল ভার্ন বলেছেন:সত্যি, গত কয়েক বছর যাবত বাংলাদেশীদের জন্য ভারত ভ্রমন একটা বিড়ম্বনা হয়ে দাড়িয়েছে! ভারতীয় প্রশাসন এবং এক শ্রেনীর উগ্র ধর্মান্ধ ভারতীয়রা মনেকরে-সব বাংলাদেশীই পাকিস্তানী গোয়েন্দা এবং সন্ত্রাসীদের সহযোগী! যার কারনে এদেশীয় পর্যটকদের নানান রকম বিড়ম্বনা সইতে হয়। এমন কি বাসে, ট্রেনে, মার্কেটে, হোটেলে ওদের রক্ত চক্ষু দেখতে হয়। তবুও আমাদের একশ্রেনীর বাংলাদেশীয়দের ভারত প্রীতি মোটেই কমছেনা!
আরো বলে বেড়ায় বন্ধু রাষ্ট???? এটা তাদের পুরানো স্বভাব.... নিজেদের সমস্যা না দেখে ..অন্যেরদের ব্যাপারে নাক গলানো
+++
১২ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:১৩
জুন বলেছেন: অনেক দিন পর আমার পোস্টে আপনাকে দেখলাম খুব ভালোলাগলো।
না না আমাদের মতন বিড়ম্বনা নাও পোহাতে হতে পারে সেতু
তবে খোজ নিয়ে যাওয়া ভালো।
ভালোলাগার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
১৩|
১২ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:১২
রাজসোহান বলেছেন: :!>
১২ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:১৪
জুন বলেছেন: :#>
১৪|
১২ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:০৭
মুকুট বিহীন সম্রাট বলেছেন: আপনার লেখা পড়ে আমার একটা ঘটনা মনে পড়ে গেল- কোন এক কারনে আমাকে দঃকোরিয়া ৭ দিনের ট্রানজিট ভিসা নিতে হলো,
ইমেগ্রেশান লাইনে আমরা ভারতীয় বাংলাদেশী পাকিস্থানী ও অন্যান্য দেশের মিলে প্রায় শ' খানেক লোক দাঁড়ানো,
এমন সময় দেখলাম পুলিশ সবার হাতে ধরে রাখা পাসপোর্ট দেখছে একটু দুর থেকে,ঐ লাইনে আমরা বাংলাদেশী ছিলাম মাত্র ৬ জন,এরা দেখে আমাদের ৬ জনকেই লাইন থেকে বের করলো, এরপর তার পিছে পিছে আসতে বললো,
আমাদের নিয়ে যাওয়া হলো ইমেগ্রেশান অফিসার রুমে,সেখানে তাদের জিজ্ঞাসা ও তার আচরণের কথা নাইবা বল্লাম।
জুন নিজের প্রতি কতটা ঘৃনা হয় যখন কত গুলো মানুষের চোখের সামনে দিয়ে আমাদের আলাদা করা হয়,
তখন আর ভালো লাগেনা বলতে "আমার সোনার বাংলা.................."
আবারও ভালো লাগলো আপনার ভ্রমন কাহীনি![]()
ভালো থাকুন
১২ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:২১
জুন বলেছেন: তোমার ব্যাপারটা দু:খজনক।তবে আমি এত দেশ ঘুরেছি কোথাও কোনো খারাপ ঘটনা ঘটেনি,তার জন্যই আমাদের এত খারাপ লাগছিলো।
তবে অনেকের সাথেই এমন হয় তা আমি জানি।
তোমার ভালোলেগেছে জেনে ভালো লাগলো সম্রাট।
তুমিও ভালো থেকো।
১৫|
১২ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:১০
শিরীষ বলেছেন: হোটেল পর্বটি পীড়াদায়ক হলেও ভ্রমণের বাকি দিনগুলোর 'সুন্দর উপাসনায়' কোনরূপ ঘাটতি হয়নি বোঝা যাচ্ছে। অপরূপ আসাম আর কাজীরাঙা অভয়ারণ্যের আরো একটু বিশদ বর্ণনা কি আসছে আগামীতে? ব্রহ্মপুত্রের প্রায় মরে যাওয়াটা দুঃখের। আমাদের নদীগুলোরও একই অবস্থা। সো স্যাড! ভাল লাগল আসাম ইতিহাস আর সুন্দর ছবিগুলো।
১২ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৪:৩৩
জুন বলেছেন: শিরীষ আপনার যখন ভালোলেগেছে তবে নিশ্চয়ই ভালোলিখছি
ওখানে ব্রহ্মপূত্র মরেনি he is still mighty river as young as ever.
আমাদের দেশে তিস্তা নাম নিয়ে প্রবেশ আপনি নিশ্চয় জানেন।
পরের পর্বে কি হবে এখনি যদি বলি, তবে আপনিও নিশ্চয় কারো কারো মত বলবেন আপনার পোস্টে আর আসবোনা !!
১৬|
১২ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৪৪
চতুষ্কোণ বলেছেন: চমৎকার। আশা করছি হোটেল বিড়ম্বনার পরেও ভ্রমন শেষ হয়ে যায় নি। ছবিগুলো চমৎকার। বিশেষ করে নদী আর পাহাড়ের ছবিটা।
১২ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:৫৮
জুন বলেছেন: ধন্যবাদ চতুস্কোন। আমি ও তাই আশা করছি।
ছবি গুলো নেট থেকে নেয়া আমারও ভালোলেগেছে।
১৭|
১২ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:৫৭
শূণ্য উপত্যকা বলেছেন: আপা তোমার নিজের তোলা ছবি দিলে আরও ভাল লাগত।
হোটেলে একবার আমিও বেশ ঝামেলায় পরেছিলাম। তবে ঐটা অন্যধরনের। বেশ লজ্জার।
পরে তোমায় একসময় বলব।
১২ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:২৯
জুন বলেছেন: কি ধরনের লজ্জা আমারতো ভীষন কৌতূহল হচ্ছে শূন্য উপত্যকা
ছবি কেন দেইনি সে ব্যাপারে অনেক গুলো মন্তব্যে বলেছি।
১৮|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:০০
সায়েম মুন বলেছেন: এবারের পর্বটার প্রথম অংশ কষ্টের। বেশ খারাপ লাগলো। ছবি ও বর্ননা মিলিয়ে পোষ্ট চমৎকার হয়েছে।
১৩ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৭:০৮
জুন বলেছেন: মুন আমার কস্টের অংশীদার হওয়ার জন্য আন্তরিক ধন্যবাদ।
পোস্ট ভালোলাগার জন্য অনেক খুশী হোলাম।
১৯|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:২৪
স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন: আবারও পড়তে এলাম! ইউরোপ ভ্রমণ হয়তো কঠিন কিন্তু ভারত ভ্রমণটা সম্ভব । এই জন্য আপনার এই পোস্টটার আলাদা গুরুত্ব আছে। যারা শিলং যেতে চাই তারা এখান থেকে অনেক কিছু জেনে যাচ্ছি। তবে ছবিগুলোর জন্য আগেও কেউ বলেছে ..নিজের তোলা কিছু দিলে আরো দারুণ হয়।
একটি জিনিস খেয়াল করিনি - এই ভ্রমণটা কবের ঘটনা?
শিলং এ হোটেল কী ঢাকা থেকে বুক করে যাওয়া যায়? দার্জিলিং এ যেমন বাসে যাওয়া যায়, আমার কাছে জীপ ভাড়া করে ঘোরাটা ভাল লেগেছিল।
একটা ভ্রমনের মানচিত্র যদি দিতেন ..কীভাবে কোথা থেকে সেখানে গেলেন, তাহলে কিন্তু দারুণ হতো।
ওখানে শুনেছি অনেক জলপ্রপাত আছে...কী কী দর্শনীয় স্থান ৩-৫ দিনের সময়ে ঘুরে আসা যেতে পারে? কোন সীজনটা ভাল?
১৩ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৭:৫০
জুন বলেছেন: হাসনাইন আবার পড়তে এসেছো ভালোলাগছে।
শিলং বেড়ানোর বেস্ট সীজন হোলো মার্চ/এপ্রিল আর সেপ্টেম্বর/অক্টোবর।
সিলেটের তামাবিল দিয়ে ডাউকি সীমান্ত হয়ে শিলং।কাস্টমস/ইমিগ্রেশন বেশী ঝামেলা নেই।ওখানেই শিলং যাবার জীপ পাবে বাসও পাবে।বাংলাদেশী টাকা ডাওকিতেই চেন্জ করতে হবে ।পথে চেরাপুন্জী পড়বে ।জীপের ড্রাইভার কিছু টাকার বিনিময়ে সেখানে ঘুরিয়ে আনার কথা বলবে।আমার সাজেশন মেঘালয় গভ: ট্যুরিস্টের সাথে যাওয়া। চেরাপুন্জী অপূর্ব সুন্দর এবং অনেক দেখার আছে।কম টাকা নেবে। তারা সারাদিনের জন্য নিয়ে যাবে এবং ইনটেন্সিভ ট্যুর যার অনেক কিছুই জীপ আলা ফাকিবাজি করবে।
প্রথম দিন চেরাপুন্জী সেকেন্ড দিন ওদের মাধ্যমেই সিটি ট্যুর করো। পুরো শিলং যা দেখার দেখাবে দুপুরের মধ্যে।হেটে যেতে হবে নিজস্ব করে প্রজাপতির মিউজিয়ামে। এরপর কোনো বিশেষ জায়গা ভালো লাগলে সেটা জীপ ভাড়া করে বেশী সময়ের জন্য যেতে পারো।তিনদিনের বেশী লাগবেনা। বেড়ানোর খরচ তুলনামুলক ভাবে কম। কেনাকাটার কিছু নেই।
তবে শেষের কবিতার অমিতের মত যদি থাকতে চাও সেটা তোমার সম্পুর্ন নিজস্ব।
মনে হচ্ছে হাসনাইন একটা পোস্ট লিখলাম।
আমাদের সময় পুজা আর ঈদ কাছাকাছি ছিল তার জন্য হোটেল পেতে একটু সমস্যা হয়।তবে পুলিশ বাজার যেটা একটা সেন্ট্রাল স্পট তার আশেপাশে অনেক বাজেট হোটেল আছে এবং খাবার জন্য মামা লজ খুবই ভালো অনেক বড় বড় হোটেল থেকেও সবাই খেতে আসে। থাকারও ব্যাবস্হা আছে।
কাছেই মেঘালয় ট্যুরিস্ট অফিস।সেখানেই আপনার দু দিন ট্যুর প্রোগ্রাম করলেই হবে
।
২০|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১২:২৬
কথক পলাশ বলেছেন: আপু, আপনি ধীরে ধীরে লিখছেন বলেই পড়ে খুব ভালো লাগছে। এতে বর্ণনার ভেতর ঢুকতে পারছি। ভোগান্তি নিয়ে কিছু নাই বা বললাম। দুঃখ প্রকাশ করছি, আর সেই সাথে সুন্দর কিছু দিন কাটানোর বর্ণনার অপেক্ষা করছি।
ওওওওওওওওও
যথারীতি সাথে আছি।
১৩ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৭:৫৫
জুন বলেছেন: আছো পলাশ খুশী হোলাম। ভালোলাগছে বলে অনেক ভালোলাগলো।
হ্যা ভালো দিনের আমিও অপেক্ষা করছি।
২১|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৭:৪৩
করবি বলেছেন: তোমার বেড়ানো গল্পের ভিতর দিয়েই বেড়ানো যায়। এটাই লেখার ভালো লাগা আপু। ফুল, পাখি কি সুন্দর বর্নণা !
চলুক .......
১৩ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৭:৫৮
জুন বলেছেন: করবি অনেক অনেক ধন্যবাদ সুন্দর মন্তব্যের জন্য।
২২|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৮:৪৭
স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন: আপনার বিস্তৃত পোস্টটা সত্যিই খুব কাজের। আরেকটা পোস্টে দিয়ে দিতে পারেন।
২৩|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৮:৫২
স্বদেশ হাসনাইন বলেছেন: আপনার বিস্তৃত কমেন্টটা(ভুলে আগের কমেন্টে পোস্ট বলেছি) সত্যিই খুব ভাল কাজের।
সময় পেলে আলাদা পোস্টে দিয়ে দিতে পারেন।
১৩ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৯:৪৯
জুন বলেছেন: যদি কাজে লাগে খুশী হবো হাসনাইন
পোস্টের ব্যাপার টা ভাবনায় আছে।
২৪|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:৩২
অক্রুর মাঝি বলেছেন: 'ছবিগুলো নেটের সৌজন্য'...একটু anti-climax...তারপরও জোসসস...খালি একটু শিক্ষাসফর শিক্ষাসফর গন্ধ
১৩ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১২:০২
জুন বলেছেন: মাঝি, ভালোলাগার জন্য অনেক ধন্যবাদ।
শিক্ষা সফরের মত ঘুরি বলেই ভালোলাগে, কারন আমার শিখতে ভালোলাগে যে।
যদি বলতাম প্লেন থেকে নামলাম, সেরাটনে উঠলাম, গাইডেড ট্যুরে বের হোলাম সেটা কি ভালো লাগতো অক্রুর মাঝি সত্যি করে বলেনতো!!
২৫|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:০৯
নিউটন বলেছেন: অনেক সুন্দর লিখেছ জুন। জানো আসামের উপর দিয়ে গেলাম অথচ আসাম দেখা হলো না। ![]()
১৩ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৫
জুন বলেছেন: অনেক অনেক ধন্যবাদ নিউটন তোমার প্রশংসার জন্য।
আসামের উপর দিয়ে কই গেলে ?
২৬|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫০
চাঙ্কু বলেছেন: সৌনদোর্জ হইছে ![]()
১৩ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:০৯
জুন বলেছেন: অনেক খুশী হোলাম চাঙ্কুর প্রশংসা পেয়ে।
২৭|
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৯:১৭
শূণ্য উপত্যকা বলেছেন: ইয়াহুতে বলব তোমায়।
১৩ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:০৪
জুন বলেছেন: আচছা ঠিক আছে
২৮|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ রাত ৩:৫০
সাগর রহমান বলেছেন: ছবি দেয়া দেখে মনে হলো আমাদের অনুরোধের কথা কিছুটা হলেও ভাবার সুযোগ হয়
না না , দুষ্টুমী করলাম। এত কষ্ট করে এত সুন্দর বর্ননা লিখা, সে তো আমাদের মত পাঠকের জন্য। কিন্তু আমার জন্য লিখা বইটা তো এখনো পেলাম না। ( গত পোষ্টের মন্তব্য দ্রষ্টব্য) অপেক্ষায় আছি।।
১৪ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৭:৩৯
জুন বলেছেন: ছবি দিলে ভালোলাগে জানি কিন্ত
১নং সমস্যা পোস্ট আপলোড,
২নং প্রতিটি ছবিতে আমাদের উপস্হিতি।
এরপর কোথাও গেলে শুধু সেখানকার ছবি তুলে আনবো!
বই দুটো ছাপা হবে আগামী বই মেলায়!
২৯|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ ভোর ৫:৪৮
সাকিরা জাননাত বলেছেন: ছবি বর্ণনা দুটোই চমৎকার হয়েছে। ভালো লাগলো।
১৪ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৭:৫০
জুন বলেছেন: ভালোলাগলো শুনে আমারও ভীষন ভালোলাগলো সাকিরা জাননাত।
আনেক ধন্যবাদ।
৩০|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:১১
অক্রুর মাঝি বলেছেন:
লা জওয়াব ! (in reply to your reply to my pseudo-complain)
১৪ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:০২
জুন বলেছেন: সত্যি কি তাই ছিল মাঝি pseudo-complain !!
৩১|
১৪ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:২১
বোহেমিয়ান কথকতা বলেছেন: হিংসা!! যাইতাম ছাই!
১৪ ই জুলাই, ২০১০ দুপুর ২:২৩
জুন বলেছেন: হিংসা না বলুন খুশী ।
ঘুরে আসুন শিলং পর্যন্ত বোহেমিয়ান কথকতা।
৩২|
১৫ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৩৬
অতন্দ্র তওসিফ বলেছেন: "বেস্টিত", "জনগোস্ঠী" বানানগুলো শুদ্ধ করে নিন। আপনার স্বমীর কূটনৈতিক পাসপোর্টেও কাজ হল না???!!! নেটের সৌজন্যে ছবি না দিয়ে নিজের তোলা কয়েকটি দিলে লেখাটির গুণগতমান বাড়তো। তবে মোটের ওপর, ভ্রমণ কাহিণী লেখার হাত আপনার ভাল।
১৫ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫১
জুন বলেছেন: তওসিফ নিজেদের তোলা ছবি কেন দেইনি তার উত্তর কয়েকটি জায়গায় উল্লেখ করায় আর বল্লাম না।
কুটনৈতিক পাসপোর্টটি শুধু অফিসিয়াল ভ্রমনে ব্যাবহারের নিয়ম।
আর এটা ছিল আমাদের ব্যাক্তিগত ভ্রমন।
লেখার প্রশংসার জন্য ধন্যবাদ আবার ও।
৩৩|
১৫ ই জুলাই, ২০১০ বিকাল ৫:৩৬
অতন্দ্র তওসিফ বলেছেন: * স্বামীর
১৫ ই জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৬:৫৫
জুন বলেছেন: হ্যা আপনার বানানের সাথে সাথে আমার বানান টাও ঠিক করলাম
৩৪|
১৫ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৫১
অতন্দ্র তওসিফ বলেছেন: কূটনৈতিক পাসপোর্টের টেকনিক্যাল দিকগুলো জানা ছিল না।
১৬ ই জুলাই, ২০১০ ভোর ৬:৫৭
জুন বলেছেন: আচ্ছা ধন্যবাদ।
৩৫|
১৬ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৭:০৬
বেদ্দপ বলেছেন: আপনি ঘুরতে খুব পছন্দ করেন বুঝি ?
১৬ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৭:১২
জুন বলেছেন: জী আমার এবং আমার পরিবারের প্রথম পছন্দ ঘুর ঘুর।
৩৬|
১৬ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ৮:১৩
মে ঘ দূ ত বলেছেন: পড়লাম। এই পর্বটাও বেশ।
শুরুর জঞ্জাট টা না পোহাতে হলে হয়তো ভ্রমণটা আরো আনন্দময় কাটতো। কামাখ্যা মন্দিরের উপর একবার একটা ভিডিও দেখেছিলাম। সময় থাকলে দেখতে পারেন।
১৬ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:২৩
জুন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ মেঘদুত আপনার ভালোলাগার জন্য এবং স্পেশাল ধন্যবাদ আপনার ভিডিও টার জন্য।
৩৭|
১৬ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:১৬
১২৩৪ বলেছেন: দারুন লাগলো...
১৬ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:২৪
জুন বলেছেন: দারুন লাগার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ ১২৩৪।
শুভেচ্ছা রইল।
৩৮|
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৩২
দীপান্বিতা বলেছেন: ভ্রমণের কষ্টটা ভেবে দুঃখ লাগছে...আমার ভাই এক সময় আসামে কাজের জন্য গেছিল...ও-ও বলে ওদের কম্পানী থেকে সব সময় পুলিশ নিয়ে ঘুরতে হত, প্রায়ই সে সময় গন্ডোগোল হচ্ছিল....
+
১৬ ই জুলাই, ২০১০ রাত ১১:৪০
জুন বলেছেন: দীপান্বিতা কস্ট ভুলে গেছি ব্রহ্মপুত্র নদ দেখে যদিও অনেক কিছু দেখা হয়নি তারপর ও....
প্লাসের জন্য ধন্যবাদ।
৩৯|
২২ শে জুলাই, ২০১০ সকাল ১০:৫৬
ক্যামেরাম্যান বলেছেন: পরশুদিন মনে হয় শুনলাম আসামে পুলিশের গুলিতে ৪ জন নিহত। কে অরিজিনাল ভারতীয় আর কে অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশী এটা নিয়ে ওরা ফাপড়ে আছে। তবে হোটেলওয়ালা আর পুলিশের এটা বোঝা উচিত পাসপোর্ট দেখিয়ে কেউ অনুপ্রবেশ করে না, এটলিষ্ট আসামে না। আমেরিকা ইউকে হলে একটা কথা ছিল।
অফটপিক - আপনার ফটোর গন্ডারটাকে কেন যেন কাতুকুতু দিতে ইচ্ছে করছে
২২ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:০৫
জুন বলেছেন: অনেক কস্ট হয়েছিল আমাদের।এমন পরিস্হিতিতে কোনো দিন ও পরিনি।
অবশ্য ওরাও ওদের দিক থেকে কারেক্ট।ওদের ও কিছু করার নেই।
অটঃ গন্ডার টা মনে হয় তিনদিন পরে হাসবে ক্যামেরাম্যান :!>
৪০|
২৫ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:২১
শ।মসীর বলেছেন: ভাল লাগল....
২৫ শে জুলাই, ২০১০ বিকাল ৩:২৫
জুন বলেছেন: ধন্যবাদ ভালোলাগার জন্য।
৪১|
২৫ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৫
sraboni বলেছেন: চমৎকার!! +++
২৫ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:২৯
জুন বলেছেন: অনেক ধন্যবাদ sraboni. অনেক দিন পরে আপনাকে দেখে খুব ভালোলাগলো।
৪২|
২৫ শে জুলাই, ২০১০ সন্ধ্যা ৭:২৯
একলোটন বলেছেন: একটু এই দিকে আহেন বিজ্ঞাপনী কমেন্ট ডোন্ট মাইন্ড
২৫ শে জুলাই, ২০১০ রাত ১০:৩৫
জুন বলেছেন: যথাস্হানে মন্তব্য করে এসেছি ।
৪৩|
২৭ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:১৪
সুবিদ্ বলেছেন: আমাদেরও একই অবস্থা হয়েছিল.......টাটা সুমো জিপ থেকে নেমে সামনের কোন হোটেলেই উঠতে পারিনি......পরে অবশ্য বোকামির জন্য আমরা বকছিলাম নিজেকেই, কারন আমাদের এক সাথীর বন্ধু আছেন আসামে, উনি আগেই ভালো একটা হোটেলে রুম বুক করে ফেলেছিলেন.......অথচ আমরা ভাবছিলাম উনাকেভোটেল খোঁজার কষ্ট না দিয়ে নিজেরাই একটা হোটেলে উঠে ফোন দেব
হ্যাঁ, আসামে বাংলাদেশিদের অনেকেই সন্দেহের চোখে দেখে......অনেক মানুষই নাকি এদেশ থেকে গিয়ে আসামে স্থায়ী হয়ে গেছে, এক স্থানীয় কংগ্রেস নেতার কাছে শুনলাম মূল অসমীয়ারাই নাকি আসামে সংখ্যালঘু এখন......তাই বাংলাদেশ শুধু নয়, ভারতীয় বাঙ্গালিদেরকেও তারা ঠিক বিশ্বাস করে উঠতে পারেনা
২৭ শে জুলাই, ২০১০ দুপুর ১:২২
জুন বলেছেন: সুবিদ বাংলাদেশীদের প্রতি সন্দেহের কারন ওদের বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনে বাংলাদেশের সাহায্যের ব্যাপারটি। ওদের প্রশাসনের এটাই ধারনা।
৪৪|
০৭ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ রাত ৯:০৪
পারভেজ বলেছেন: হোটেলের ব্যাপারটা অবাক করলো! এমনটা হলে তো মেজাজ খিচড়ে জাবার কথাই।
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০১০ সকাল ৯:৫৬
জুন বলেছেন: হ্যা সেটাই। বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ভয়ে প্রশাসনের কড়াকড়ি।
৪৫|
২৭ শে নভেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:২০
bijoy বলেছেন: অসাধারণ
২৭ শে নভেম্বর, ২০১০ সকাল ১১:৫১
জুন বলেছেন:
অনেক অনেক ধন্যবাদ আপনাকে বিজয় ।
এই সিরিজটা আমারও খুব প্রিয়।
৪৬|
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ সন্ধ্যা ৭:৫০
ডঃ এম এ আলী বলেছেন:
পোষ্টের লেখা ওবিবরন মনোমুগ্ধকর।
কথামালার মধ্যে হলকা মেয়েলি চটুলতা ভাল লেগেছে।
বুনো হাস,গন্ডার, ব্রম্মপুত্র নদ ও অর্কিড
ফুলের ছবি সবই খুব সুন্দর ।
আসামের গৌহাটির কাছে পাহাড়ী মায়াবী দৃশ্যের ছবি একটি রেখে গেলাম নীচে
পরের পর্ব দেখতে গেলাম ।
শুভেচ্ছা রইল
০৮ ই সেপ্টেম্বর, ২০২০ রাত ৮:২০
জুন বলেছেন: আপনার মন্তব্যও আমার কাছে অত্যন্ত মনোরম লাগলো ডঃ এম এ আলী ভাই । পাহাড়ের মায়াবী কি দিয়ে গেলেন ? যেই ডাকিনি যোগীনীর কাছ থেকে যাদু বিদ্যা শিখেছিলেন
অনেক অনেক ধন্যবাদ মন্তব্যের জন্য ।
©somewhere in net ltd.
১|
১২ ই জুলাই, ২০১০ সকাল ১১:০৩
নীল ভোমরা বলেছেন: সুন্দর ঝকঝকে বর্ণনা....+