| নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস |
জাবেদ এ ইমন
লেখালেখিতে হাতে খড়ি ২০০৪ থেকে। কিন্তু সাহিত্যের প্রতি অনুরাগ সেই ছোট বেলা থেকে। কারণ আমার বাবা মা দুজনেই ভীষণ রকম সাহিত্য প্রেমী। মা এবং বাবাকে দেখেছি নাওয়া খাওয়া ভুলে কোন একটা ভালো বই পড়ে শেষ করার পিছনে লেগে আছে সেই অভ্যেস আমাদের চার ভাই বোনের মাঝে ও প্রসারিত হয়। আমার বাবা অনেক লেখা লিখেছেন প্রবাসে বসে। এখনো তিনি প্রবাসে আছেন সাথে আছে আমার বড় ভাই। মা বাবা এবং ভাই ও দুই বোনের অনুপ্রেরণা আমার লেখায় অনেক সহায়ক ভুমিকা রাখে। ২০১২ সালে কাকলি প্রকাশনী আমার প্রথম কাব্যগ্রন্থ "জীবন যেখনে..." বের হয়। পাঠকের অনেক ভালবাসার প্রতিফলন দেখতে পাই সকলের ভালবাসা নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই কলম তুলির নতুন নতুন চিত্রকর্মের পথে।

অনেক আদরের ধন, সাত বছরের শিশু সুমন বায়না ধরেছে তরমুজ খাবে।রিক্সা চালক বাবা সারাদিনের ঘর্মস্নাত কষ্টার্জিত আয় হতে , সন্তানের আবদার রক্ষায় তরমুজ কিনে বাড়ী ফিরে।বাবার হাতে তরমুজ দেখে সুমনের আনন্দ কে দেখে!!তরমুজের চারিদিকে কয়েকপাক ঘুরে বাবার কোলে শান্ত হয়ে বসে সুমন। মা , সমীরন তরমুজ কেটে মহা খুশী , এতো টকটকে লাল তরমুজ আগে কখনো দেখেনি সমীরন। এক ফালি উঠিয়েই শিশু সুমনের হাতে দেয়, মা । মুখে ঘুজে দিতেই মুহুর্তের মাঝে শিশু সুমন ঢলে পড়ে বাবার কোলে, আলিঙ্গন করে মৃত্যুকে। কে জানতো? অসাধু ব্যবসায়ীর হাত ধরে মৃত্যু দূত তরমুজের মাঝে লুকিয়ে ছিলো।
আপনারা কি চান এভাবে শিশু সুমনদের মৃত্যুর মিছিলে আরো সুমন যুক্ত হোক ?যদি না চান তা হলে আসুন ২২ তারিখ শুক্রবার সকাল ১০ টায় কাওরান বাজার ওয়াসা ভবনের সামনে। সুস্থভাবে বেচে থাকার দাবিতে, যোগদিন নিজের তাগিদে।
©somewhere in net ltd.