নির্বাচিত পোস্ট | লগইন | রেজিস্ট্রেশন করুন | রিফ্রেস

ভালো কিছু চিন্তা করো আর ভালো না লাগলে বইয়ের পাতায় নিজেকে ডুবিয়ে দাও। অনেক কষ্টে নিজেকে শান্ত রাখার পথ তুমি নিজেই খুজে নেও।

জহির আসাদ

জহির আসাদ › বিস্তারিত পোস্টঃ

ছোট্ট একটা প্রেমের পরিণতি”

১২ ই সেপ্টেম্বর, ২০১৮ বিকাল ৩:১৯

সাল ২০০৪ এর কোন এক মাসে বাংলার কোন এক গ্রামে ৫ ফুট ৪ ইঞ্চির একটা ছেলে গেল তারই এক নিকট আত্বীয়র বিয়ের অনুষ্ঠানে।
বৃষ্টি ভেজা সেই রাতের গ্রামের মেঠো পথ বেয়ে ঠিক সময়ের কিছু না অনেক সময় পরই তারা পৌছাতে সক্ষম হলো। ভিবিন্ন আনুষ্ঠানিকতা শেষে যখন রাতের খাবারের আয়োজন করা হলো তখন জানা গেল ঐ ছেলেটাই একমাত্র অতিথি যে ’মিটকারী’ খায় না। তো-- আর কই যায়
সবাই এক্সট্রা আয়োজনে ব্যস্ত ছেলেটাকে নিয়ে। যাক অবশেষে পর্যাপ্ত খাবার ও অতিরিক্ত যত্নে ছেলেটার রাতের খাবারের পর্ব ভালোই হালো। খাবার শেষে ছেলেটা ফিল করলো তার আহারের পরিমাণ সত্যিই বেশী হয়ে গেছে। তারপর ছেলেটা ঐ বাড়ির বারান্দায় নেমে একাকী বসে আছে একটু নিরিবিলি থাকার জন্য যেহেতু বাইরে তখন কর্দমাক্ত উঠোন ও ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। হাতে একটা পেন্সিল টর্স যা ছেলেটার সর্বক্ষণের অভ্যাস। মাঝে মাঝে বাইরে আলো ফেলে তো ধপ করে বন্ধ করে দেয়। এরকম কেটে গেল অনেকটা সময় হয়ত একঘন্ট বা কিছু কম। যাইহোক একটা সময় ছেলেটা অনুমান করতেপারলো তার শরীরে একটা চিকন আলোর রেখা পরছে, প্রথমে গুরুত্ব দেয়া না হলেও ক্ষনিক পরেই বুঝতে পারলো এটা তাকে দেখার বা তাকে উদ্দেশ্য করেই ফেলা হচ্ছে। হঠাৎ করে ছেলেটা ঐ আলোর উৎসে তাকালো যেটা ছিলো ছেলেটার মাথার উপর ঐ ঘরের দুইতলা থেকে। অবাক করা বিষয় হালো যখনই ছেলেটা উপরে তাকালো যে বা যাহারা আলোর নেপথ্যে তাহারা ক্ষিন স্বরে হেসে উঠে কেউ পিছিয়ে যাচ্ছে কিন্তু যার হাতে টর্সটি ছিলো সে হতবাক হয়ে টর্সের আলো না ঘুরিয়ে বা বন্ধ না করে উল্টো করে ধরে স্থির হয়ে রইলো। যাতে করে তার মুখমন্ডলটি স্পষ্ট দেখা যাচ্ছিলো। পরে অবশ্য শুনেছিলো যে মেয়েটি এতই হতবাক হয়েছিলো যে টর্সের আলোর কথা ভুলেই গিয়েছিলো। অন্যদিকে ছেলেটার এই একপলক দেখা কেন যেন এতটা ভালো লাগছিলো যে আবারও দেখার জন্য অস্থির হয়েছিলো তা বলার অপেক্ষা রাখে না। যাক কি আর করা নতুন যায়গা চারদিকে অন্ধকার বাইরে কাদা চারদিকে অতিথিদের ভীর শুধু একটা দীর্ঘ্যশ্বাস ছাড়া আর কিছুই করার নাই তাই রাতের মতো নিশুতি ঘুম। অবাক হওয়ার বিষয় হালো সকালে যখন বর তার বউকে দেখার জন্যে তার পরিচিত জনকে বিশেষকরে তার বন্ধু মহলে পরিচিত করাতে নিয়ে আসলো ছেলেটা দেখতে পারলো রাতের সেই ক্ষনিকের মুখ এখন বধুবেশে তারই সামনে।
যাক মনের স্বপ্ন মনেই নিশেঃস!!
তিন বছরের বিরাট ফাকা সময় কেউ কারো জন্য আর প্রত্যাশিত নয় বা নাই।
২০০৮ সাল এর কোন এক সময় ছেলেটার ফোনে দু’টো মিসড কল। ফিরতি কল করে ছেলেটা চিনতে পারে না কে অপর পাশে মিসড কলের অধিকারীনী কিন্তু কথায় কথায় এটা বোঝা যায় ছেলেটাকে মেয়েটা অনেক কাছ থেকে চেনে এবং ছেলেটার অনেক খবর সে রাখে।
যাই হোক মাঝে মাঝে অনেক কথ হয় বিভিন্ন বিষয়ে তবে কোন প্রেমের সম্পর্ক বলতে যা বোঝায় তার চারপাশ দিয়েই যায় না। কেটে গেল দু’টো বছর। এরপর প্রকাশ পেল দু’জনার ভালোলাগার কথা না না ভালোবাসার কথা না। এরপর কেটে গেল আরও একবছর। কোন সাক্ষাত নেই এখনও যেখানে কেটে গেল দেখা হওয়া থেকে আজ ছয় বছর।
আজ ২০১১ সাল সেপ্টেম্বর মাস দেখা হাওয়ার জন্য রাজি হলো দু’টো অদেখা ভালোলাগার মানুষ। নির্ধারিত স্থানে গিয়ে যখন একে অপরের দিকে এগিয়ে আসলো ----।

মন্তব্য ০ টি রেটিং +০/-০

মন্তব্য (০) মন্তব্য লিখুন

আপনার মন্তব্য লিখুনঃ

মন্তব্য করতে লগ ইন করুন

আলোচিত ব্লগ


full version

©somewhere in net ltd.